Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ৩৭

    পর্ব ৩৭

    পুরোহিতের মুখ থেকে সেদিনের কথা শুনে চম্পা বুঝতে পারে রক্ষীরা এ প্রাসাদের খুঁটিনাটি সবকিছুর ওপরই নজর রাখে। তার আচরণ হয়তো বা রক্ষীদের মনে সন্দেহের জন্ম দিয়েছে। সে কি পারবে নির্দিষ্ট দিনে এই প্রাসাদ ত্যাগ করে উৎসবস্থলে গিয়ে বহ্নির সঙ্গে মিলিত হতে? শঙ্কা জাগে চম্পার মনে।

    একদিন সকালে ঘুম ভাঙার পর চম্পা দেখল আকাশে মেঘ জমতে শুরু করেছে। বেলা যত বাড়তে লাগল, আকাশ যেন ধীরে ধীরে মেঘে ঢেকে যেতে লাগল। এদিন মধ্যাহ্নে চম্পার বিগ্রহের সামনে নৃত্য প্রদর্শন করার কথা। সে যখন মন্দিরে এসে উপস্থিত হল তখন চারপাশে অন্ধকার নেমে আসতে লাগল। বিগ্রহের সামনে প্রজ্জ্বলিত প্রদীপ শিখাগুলো কাঁপতে লাগল বাতাসে। কোনওক্রমে আলো-আঁধারিতে বিগ্রহের সামনে নৃত্য প্রদর্শন করল চম্পা। তারপর সে যখন পুরোহিতের অনুমতি নিয়ে মন্দির ত্যাগ করতে যাচ্ছে, ঠিক তখনই প্রবল বর্ষণ শুরু হল। আকাশ ভেঙে বৃষ্টি। মন্দিরের বহিঃদেশের ছাদ যুক্ত ক্ষুদ্রাকৃতি প্রাঙ্গণে বেরিয়ে দাঁড়িয়ে পড়তে হল চম্পাকে। আর এরপরই একজন লোক প্রাকার তোরণ থেকে ছুটে এসে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচার জন্য আশ্রয় নিল প্রাঙ্গণের ছাদের নীচে। চম্পার কিছুটা তফাতেই সে উঠে এসে দাঁড়াল। তার নাম না জানলেও অস্ত্রধারী লোকটাকে চেনে চম্পা। সর্বক্ষণ তোরণ পাহারা দেয় লোকটা। সে দ্বাররক্ষী।

    প্রথমে সে চম্পাকে খেয়াল করেনি। কিন্তু তারপরই চম্পার দিকে দৃষ্টি গেল তার। এই প্রাসাদের লোকেরা বিনা প্রয়োজনে বাক্যালাপ করে না চম্পার সঙ্গে। ফুলমালা সজ্জিত সুন্দরী চম্পাকে দেখে এবং সম্ভবত তাকে বর্ষণ মুখর দিনে একাকী দেখে তার প্রতি আকর্ষণ জাগল সেই দ্বাররক্ষীর মনে। চম্পার দিকে তাকিয়ে হেসে সে প্রশ্ন করল, ‘শুনেছি, তুমি নাকি বিষ্ণু মন্দিরের শ্রেষ্ঠ নর্তকী ছিলে এ কথা কি সত্যি?’

    চম্পা হেসে জবাব দিল, ‘হ্যাঁ, অনেকে সেকথাই বলেন।’

    সেই রক্ষী এবার কিঞ্চিৎ আত্মশ্লাঘার সঙ্গে নিজের আত্মপরিচয় দান করে বলল, “আমার নাম, খড়্গা। এ প্রাসাদের প্রধান দ্বাররক্ষী আমি।’

    চম্পা মুহূর্তের মধ্যে চিন্তা করে নিল যে, এ লোকটাকে যদি তুষ্ট করা যায়, তবে ভবিষ্যতে তার সুবিধা হবে। উগ্রদেবের অনুমতি না মিললে এই লোকটির হয়তো সাহায্য লাভ করতে পারে নির্দিষ্ট দিনে এ প্রাসাদ ত্যাগ করার ব্যাপারে।

    চম্পা তাই খড়্গ নামের সেই ব্যক্তিকে খুশি করার জন্য বলল, ‘আপনি একজন সুদর্শন শক্তিমান পুরুষ। প্রধান দ্বাররক্ষীর দায়িত্ব পরিচালনা করার জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিই বটে।’

    সুন্দরী চম্পার কথা শুনে খুশি হল প্রধান দ্বাররক্ষী খড়্গা। গুল্ফ মর্দন করে সে বলল, “এ প্রাসাদের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য প্রভু উগ্রদেব আমার ওপরই অনেকাংশে নির্ভরশীল। কারণ, এ প্রাসাদের প্রবেশ তোরণ আমার দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হয়। অন্য প্রাসাদের মতো এ প্রাসাদে সবাইকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না এবং উগ্রদেবের অনুমতি ছাড়া কাউকে প্রস্থানও করতে দেওয়া হবে না। মহারাজের পার্ষদ উগ্রদেবের নির্দেশ মতো তাঁর এই প্রাসাদে মানুষের প্রবেশ-প্রস্থান আমিই নিয়ন্ত্রণ করি।’

    চম্পা বলল, ‘প্রভু উগ্রদেব যে সঠিক ব্যক্তির হাতেই এক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সমর্পণ করেছেন, তা দেখলেই বোঝা যায়। কিন্তু এ প্রাসাদে মানুষের গতিবিধির ওপর এত কঠিন নিয়ন্ত্রণ কেন?’

    প্রধান দ্বাররক্ষী খড়্গা বলল, ‘কারণ, তাঁকে কেউ গুপ্ত হত্যার চেষ্টা করতে পারে। তার পিতাকেও তো…।’ কথাগুলো তার মুখ ফসকে বেরিয়ে গেলেও খড়া শেষ মুহূর্তে নিজেকে সামলে নিয়ে বাক্যটা আর শেষ করল না। চম্পার অবশ্য বুঝতে অসুবিধা হল না খড়্গার অসম্পূর্ণ কথাটা। খড়া এরপর তাকে বলল, ‘সামনেই তো পূর্ণিমা তিথি। আর মাত্র দশ দিন বাকি। আমার কাজের দায়িত্ব আরও বেড়ে যাবে।’

    চম্পা জানতে চাইল, ‘কেন?’.

    সে জবাব দিল মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মনের জন্মদিবস উপলক্ষ্যে বহু জন সমাগম হবে এই মন্দির নগরীতে। যাঁরা মহারাজার সভাসদ তাঁরাও নিজেদের পরিচিত লোকজনকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন এই উৎসব উপলক্ষ্যে। বেশকিছু অতিথির এ প্রাসাদেও আসার কথা উগ্রদেবের আমন্ত্রণে। তাঁরা এখানে এসে থাকবেন, বাইরে যাওয়া-আসা করবেন। কাজেই দ্বার রক্ষক হিসাবে আমাকে আরও দায়িত্ব পালন করতে হবে সে সময়। খেয়াল রাখতে হবে তাঁদের সঙ্গে কোনও অবাঞ্ছিত ব্যক্তি যাতে প্রাসাদে প্রবেশ করতে না পারে।’

    এ কথা বলার পর দ্বাররক্ষক বলল, ‘আমার নৃত্য দেখার প্রতি যথেষ্ট আগ্রহ আছে। একসময় আমি নটী গৃহে যেতাম তাদের নাচ দেখার জন্য। কিন্তু দ্বাররক্ষীর দায়িত্ব গ্রহণের পর সে স্থানে যাওয়া আর আমার পক্ষে সম্ভব হয় না।’

    এ কথা শুনিয়ে খড়্গা নামের দ্বাররক্ষী প্রধান যেন চম্পাকে বোঝাতে চাইল চম্পার নাচ দেখার ইচ্ছা আছে তার।

    চম্পা সঙ্গে সঙ্গে বলল, ‘সময় সুযোগ মতো আমি একদিন নাচ দেখাব তোমাকে।’

    কথাটা শুনে খড়্গার চোখ চকচক করে উঠল। সে বলল, ‘সত্যি দেখাবে?’

    চম্পা বলল, ‘হ্যাঁ, সত্যি। তবে গোপনে। প্রভু উগ্রদেব জানতে পারলে কূপিত হবেন। হয়তো দণ্ডও দিতে পারেন।’

    দ্বাররক্ষী বলল, ‘হ্যাঁ, এ কথা ঠিক। তিনি যেন জানতে না পারেন। তাঁর ক্রোধ বড় সাংঘাতিক। আমি গোপনেই তোমার নৃত্য দেখব। হয়তো তুমি জান যে এ মন্দিরে নর্তকীরা যখন বিগ্রহের সামনে নৃত্য প্রদর্শন করে তখন পুরোহিত ছাড়া অন্য কারও সেখানে উপস্থিত থাকা, অর্থাৎ নর্তকীদের নৃত্য দেখা নিষেধ। এমনটা না হলে আমার ইচ্ছাপূরণে সুবিধা হতো।’

    এ কথা বলার পর হয়তো সে আরও কিছু বলতে যাচ্ছিল। কিন্তু খড়মের খটখট শব্দ শোনা গেল। পুরোহিত বাইরের দিকে আসছেন। সতর্ক হয়ে গেল দ্বাররক্ষী। চোখের ইশারায় সে চম্পাকে বুঝিয়ে দিল, পরে কথা হবে। পুরোহিত বাইরে এসে দাঁড়ালেন। তিনি চম্পা আর খড়্গার দিকে তাকালেন। তারা দু’জন এমনভাবে অন্যদিকে তাকিয়ে আছে, যেন তাদের মধ্যে কোনও কথাবার্তাই হয়নি।

    একইভাবে বেশ কিছুক্ষণ সেই স্থানেই দাঁড়িয়ে রইল সকলে। খানিক পরে তোরণের দিক থেকে একটা শব্দ ভেসে এল। কে এসেছে তা দেখার জন্য দ্বাররক্ষী এগল তোরণের দিকে। আর তার কিছুক্ষণ পর চম্পাও মন্দির ত্যাগ করে বর্ষণের মধ্যেই রওনা হল নিজ কক্ষের দিকে। কক্ষে ফিরে চম্পা ভাবতে লাগল, যেভাবেই হোক ওই প্রধান দ্বাররক্ষীকে বশ করার চেষ্টা করতে হবে তাকে। লোকটাকে প্রলুব্ধ করেই মুক্তির পথ খুঁজতে হবে তাকে। উৎসবের আর মাত্র দশ দিন বাকি। যেভাবেই হোক ওইদিন পালাতে হবে তাকে।

    মাঝে সামান্য সময়ের জন্য বৃষ্টির গতি একটু কমে এলেও বিকাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার প্রাবল্য আরও বাড়তে লাগল। চম্পা ভগবান বিষ্ণুর কাছে প্রার্থনা করতে লাগল বৃষ্টির প্রাবল্য যাতে কমে যায়। সে যাতে মন্দিরের মাথায় উঠে দাঁড়াতে পারে। কিন্তু তেমন কিছু ঘটল না। বিকাল হওয়ার পর চম্পার একবার মনে হল যে রোজকার মতো মন্দির শীর্ষে গিয়ে ওঠে। কিন্তু পরক্ষণেই তার মনে হল প্রবল বর্ষণের মধ্যে সে স্থানে গিয়ে উঠলে তাকে দেখে নিশ্চিত সন্দেহ জাগবে রক্ষীদের মনে। কাজেই এদিন সেই কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখল সে। বহ্নিকে দেখতে না পাওয়ার কারণে বিষণ্ণতায় মন ভরে গেল তার। রাত্রিকালে আহার গ্রহণ না করেই বহ্নির কথা ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়ল চম্পা। তবে বহ্নি কিন্তু সেদিনও এসেছিল সেই প্রবল বর্ষণ উপেক্ষা করে। চম্পাকে দেখতে না পেয়ে সেও বিষণ্ণ চিত্তে ফিরে গেল।” —একটানা কথাগুলো বলে থামল খামের নারী।

    গাছের মাথার ফাঁক গলে বিষ্ণুলোকের শীর্ষদেশের এক অংশ চোখে পড়ছে। সেদিকে কয়েক মুহূর্ত চেয়ে রইল সে। খামের যুবতী তার কাহিনি শুনিয়ে চললেও তার মুখমণ্ডলে জেগে আছে স্পষ্ট চিন্তার ভাব! কথা বলতে বলতে এক মুহূর্তের জন্যও হাসির ভাব ফুটে ওঠেনি তার ঠোঁটের কোণে। কেমন যেন যান্ত্রিকভাবে অথবা গভীর চিন্তাগ্রস্তভাবে কথাগুলো স্বাগতকে শুনিয়ে চলেছে সে।

    এরপর আবার সে বলতে শুরু করল, “ভোর রাতে শুকতারা যখন ফুটে ওঠে তখন চম্পার ঘুম ভাঙে। সে কক্ষ ত্যাগ করে বাগিচার পুষ্পচয়ন করতে যায় মালা গাঁথার জন্য। এদিনও নির্দিষ্ট সময়তেই ঘুম ভাঙল তার। আকাশে শুকতারা ফুটে উঠেছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ফুলের সাজি নিয়ে কক্ষ ত্যাগ করে বাগিচার দিকে এগল সে। প্রাসাদের প্রবেশ তোরণ, বাগিচার স্থানে স্থানে সে স্তম্ভগুলো রয়েছে সেখানকার মশালের আলোগুলো নিভুনিভু হয়ে এসেছে। প্রাসাদের অন্য লোকদের ঘুম ভাঙতে এখনও খানিক বিলম্ব আছে। প্রহরীর দল রাত্রি জাগরণের পর ঢুলছে। ভোরের আলো ফুটলে নতুন রক্ষীরা এলে তারা বিশ্রামে যাবে। প্রবেশ তোরণ থেকে পাথর বসানো পথ সোজা এগিয়েছে প্রাসাদের দিকে। সে পথের দু’পাশে বাগিচা। তারই একস্থানে পুষ্পচয়ন করতে শুরু করল চম্পা।

    শুকতারা মুছে গিয়ে ভোরের আলো ফোটার উপক্রম হল। চম্পার পুষ্পচয়নের কাজ প্রায় শেষ এখন। বাগিচা ছেড়ে পাথর বাঁধানো পথে উঠে মন্দিরের দিকে যাওয়ার উপক্রম করছিল সে। হঠাৎ দেখতে পেল দু’জন নারীকে। প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে সামনের পথ ধরে এগিয়ে আসছে তারা। তাদের পরনে লম্বা ঝুলের পোশাক, মুখমণ্ডল অবগুণ্ঠনে ঢাকা। তাদের হাঁটার ভঙ্গিমা আর হাঁটতে হাঁটতে ঘাড় ফিরিয়ে চারপাশে তাকানো দেখে চম্পার মনে হল, সকলের অলক্ষে যেন তারা প্রাসাদ ত্যাগ করতে চাইছে! তাদের দেখে কৌতূহল সৃষ্টি হল চম্পার মনে। পথের গায়ে একটা স্তম্ভে তখনও মশাল জ্বলছে। সেই দুই নারীকে ভালোভাবে দেখার জন্য দাঁড়িয়ে পড়ল চম্পা। দ্রুত হাঁটতে হাঁটতে সেই স্তম্ভর কাছে এগিয়ে এল সেই দুই অবগুণ্ঠনধারী। চম্পা শুনল, তাদের একজন অপরজনকে বলল, ‘তাড়াতাড়ি চল। বিষ্ণুলোকে সবাই জেগে ওঠার আগেই আমাকে সেখানে ফিরে যেতে হবে। নইলে কারও মনে সন্দেহ জাগতে পারে।’

    চম্পার মনে হল, এ কণ্ঠস্বর যেন সে কোথাও শুনেছে! স্তম্ভর পাশ কাটিয়ে তারা সোজা রাস্তা ধরে চলে গেল তোরণের দিকে। তোরণ খোলার অস্পষ্ট শব্দ শোনা গেল এরপর। চম্পা বুঝতে পারল তোরণ ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে গেল সেই দু’জন। আলো ফুটতে শুরু করল এরপর। চম্পাও রাস্তায় উঠে এগল নিজ কক্ষে ফেরার জন্য।

    কিছুটা এগতেই সে দেখতে পেল তোরণের দিক থেকে হেঁটে আসছে দ্বাররক্ষী খড়্গা। পথের মধ্যে মুখোমুখি দেখা দু’জনের। লোকটাকে সন্তুষ্ট করে চম্পা তার কার্যোদ্ধার করবে এমনই পরিকল্পনা নিয়েছে। চম্পা তাকে বলল, ‘আমার কী সৌভাগ্য! সূর্যোদয়ের মুহূর্তেই আবারও তোমার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়ে গেল! ভাগ্যবতী আমি।’

    যদিও রাত্রি জাগরণের ফলে ক্লান্তির ছাপ লেগে আছে প্রধান দ্বাররক্ষীর মুখে, কিন্তু ভোরবেলা সুন্দরী-যুবতী চম্পার মুখে এ কথা শুনে দ্বাররক্ষী খড়্গ হেসে বলল, ‘আমারও ভালো লাগল তোমার দেখা পেয়ে।’

    চম্পা তাকে বলল, ‘অন্য দিন তো তোমাকে এ সময় এ পথে দেখিনি? আমি তো প্রতিদিন এ সময় পুষ্পচয়ন করি।’

    খড়্গা জবাব দিল, ‘এ প্রাসাদে সাধারণত বাইরের লোক তো কেউ আসে না। সূর্যাস্তের পর আমি আমার অধস্তন দ্বাররক্ষীদের কাছে তোরণের দায়িত্ব দিয়ে নিজ কক্ষে ফিরে যাই। কিন্তু গতকাল ঠিক সূর্যাস্তের সময়ই দু’জন এসে উপস্থিত হল উগ্রদেবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য। আমি হয়তো তাদের ফিরিয়েই দিতাম। কিন্তু তারা অনুরোধ করতে লাগল মহারাজের সভাসদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করিয়ে দেওয়ার জন্য। শেষ পর্যন্ত আমি তাদের অনুরোধ ফেলতে পারলাম না। প্রাসাদে খবর পাঠালাম। উগ্রদেব আগ্রহ প্রকাশ করলেন তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য। তাঁর এক পার্শ্বচর এসে প্রাসাদে নিয়ে গেল তাদের। কিন্তু গৃহস্বামীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারা কখন বাইরে বেরবে তা তো আমার জানা ছিল না। তার ওপর প্রায় শেষ রাত পর্যন্ত বৃষ্টি হল। তাই তোরণ সংলগ্ন কক্ষেই রয়ে গিয়েছিলাম আমি। সে দু’জন এখন ফিরে যাওয়ার পর আমি এখন বিশ্রাম নিতে যাচ্ছি।’

    চম্পা বলল, ‘যে দু’জন নারীকে তোরণ অতিক্রম করে বাইরে যেতে দেখলাম ওরা কি তারাই?’

    —খড়্গ বলল, ‘হ্যাঁ।’

    চম্পা জানতে চাইল, ‘ওরা কারা?’

    জবাবটা দিতে গিয়েও যেন চুপ করে গেল প্রধান দ্বাররক্ষী। সে বলল, ‘আমি এবার কক্ষে ফিরে যাই। খানিক বিশ্রাম নিয়ে আবার আমাকে ফিরে আসতে হবে।’

    চম্পা বুঝতে পারল খড়্গা সে মুহূর্তে ওই দুই নারীর পরিচয় প্রকাশ করতে চাইছে না। চম্পা তাকে বলল, ‘ঠিক আছে তুমি যাও। তবে যাওয়ার আগে এটা গ্রহণ কর।’—এই বলে সে তাকে খুশি করার জন্য ডাঁটা সমেত একটা ফুল এগিয়ে দিল তার দিকে। দ্বাররক্ষী হেসে ফুলটা গ্রহণ করার মুহূর্তে হঠাৎই তার আঙুলে দৃষ্টি পড়ল চম্পার। খড়্গার আঙুলে রয়েছে একটা স্বর্ণাঙ্গুরীয়। সর্প আকৃতির সেই অঙ্গুরীয়র মাথায় বসানো একটা সবুজ পান্না! সেই পুষ্প গ্রহণ করার পর খড়্গা আর দাঁড়াল না। আবার আমাদের সাক্ষাৎ হবে বলে সে রওনা হল তার বাসস্থানের দিকে। কিন্তু তার হাতে পরা অঙ্গুরীয়টা কোথায় যেন ইতিপূর্বে দেখেছে চম্পা! কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই ওই অঙ্গুরীয়র পরিচয় স্পষ্ট হয়ে গেল চম্পার কাছে। দ্বাররক্ষকের আঙুলে পরা অঙ্গুরীয় হল সেই অঙ্গুরীয় যা উগ্রদেবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তাকে উপহার দিতে চেয়েছিল বিষ্ণুলোকের নর্তকী ভ্রামরী। অর্থাৎ কিছু সময় আগে যে দু’জন নারীকে সে এই প্রাসাদ ত্যাগ করতে দেখল তারা হল ভ্রামরী ও তার মাতা! শেষ পর্যন্ত তারা সাক্ষাৎ করতে সমর্থ হয়েছে উগ্রদেবের সঙ্গে। চম্পা অনুমান করল প্রধান দ্বাররক্ষী খড়্গাকে এই সর্পাঙ্গুরীয় উৎকোচ দিয়েই তারা সে সুযোগ গ্রহণ করেছে। কিন্তু ভ্রামরী আর তার মায়ের উগ্রদেবের সঙ্গে গোপন সাক্ষাৎ করার জন্য কী এমন প্রয়োজন ছিল! যে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানাবার জন্য তারা উপস্থিত হয়েছিল চম্পার কাছে? অঙ্গুরীয় উৎকোচ দিতে চেয়েছিল তাকে? আর প্রবল বর্ষণ সিক্ত রাতে এ প্রাসাদে উপস্থিত হয়ে দ্বাররক্ষীকে দুর্মূল্য উৎকোচ দিয়ে সাক্ষাৎ করল উগ্রদেবের সঙ্গে। পুরো ব্যাপারটার মধ্যে রহস্যজনক কিছু যে লুকিয়ে আছে তা বুঝতে অসুবিধা হল না চম্পার। ব্যাপারটা নিয়ে ভাবতে ভাবতে ঘরে ফিরে এল। তারপর এ সব চিন্তা ছেড়ে সে ভাবতে লাগল তার প্রিয়তম বহ্নির কথা। উৎসবের মাঝে মাত্র কয়েকটা দিন। সে ভাবতে লাগল ওই দিন কীভাবে এই প্রাসাদ ত্যাগ করা যায়? যেভাবেই হোক কাজটা করতে হবে।’

    এদিন মধ্যাহ্নে চম্পা নৃত্য প্রদর্শন করার জন্য উপস্থিত হল মন্দিরে। মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে দেখল প্রাঙ্গণ থেকে মন্দিরের অভ্যন্তরে প্রবেশ মুখে দাঁড়িয়ে পুরোহিত কথা বলছেন একজনের সঙ্গে। লোকটার পরনে রাজকর্মচারীর পোশাক। পথ আগলে দাঁড়িয়ে তারা বাক্যালাপ করছে বলে তাদের কিছুটা তফাতে চম্পা দাঁড়িয়ে পড়ল। সেই রাজকর্মচারী পুরোহিতকে বলল, ‘ইতিমধ্যেই বিষ্ণুলোক তো বটেই, নগরীর প্রতিটা প্রাসাদ মন্দির সেজে উঠতে শুরু করেছে। অতিথি অভ্যাগতদের দলও একে একে উপস্থিত হতে শুরু করেছেন মন্দির নগরীতে। আপনার মতো এ নগরীর প্রতিটি মন্দিরের ব্রাহ্মণ পুরোহিতরা ওই দিন বিষ্ণুলোকের তোরণ প্রাঙ্গণে উৎসবস্থলে আমন্ত্রিত। মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মন আপনাদের সকলকেই স্বর্ণসহ নানান উপহার প্রদান করবেন। আপনার নিমন্ত্রণের কথাটা মহারাজের সভাসদ উগ্রদেবকে জানিয়ে দিয়ে গেলাম।’

    লোকটার কথা শুনে পুরোহিত উৎসাহ ভরে জানতে চাইলেন, “তিনি কী বললেন আপনাকে?”

    রাজকর্মচারী বলল, “উগ্রদেব বললেন, তিনি আপনাকে ওই উৎসবস্থলে অবশ্যই পাঠাবেন। তাঁর বেশ কিছু অতিথিও নাকি থাকবেন সে স্থানে। তাছাড়া তিনি তো নিজেও ওইদিন বিষ্ণুলোক প্রাঙ্গণে অন্য সভাসদদের সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন।”

    উগ্রদেবের অনুমতি ভিন্ন এ প্রাসাদের কেউ অন্য স্থানে যেতে পারে না। কাজেই উগ্রদেব ব্যাপারটাতে সম্মতি জানিয়েছেন শুনে স্বর্ণলাভের প্রত্যাশায় উৎফুল্ল ব্রাহ্মণ বললেন, ‘আমি অবশ্যই নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে যাব।’

    রাজকর্মচারী বলল, “ঠিক আছে, আমি এবার যাই। আমাকে আরও বেশ কয়েক স্থানে নিমন্ত্রণ জানাতে যেতে হবে।”

    লোকটা প্রাঙ্গণ ছেড়ে বেরবার জন্য রওনা হওয়ার পর পুরোহিতের দৃষ্টি পড়ল চম্পার ওপর। তিনি উৎফুল্লভাবে চম্পাকে বললেন, ‘মহারাজের জন্মদিবস উপলক্ষ্যে যে অনুষ্ঠান হবে সেখানে আমাকে নিমন্ত্রণ জানাতে এসেছিল এই রাজকর্মচারী।হওই উৎসব উপলক্ষ্যে নানা অনুষ্ঠান, আমোদের আয়োজন করা হবে মন্দির নগরীতে। আমি তো ওই দিন মধ্যাহ্নের আগেই সে স্থানে রওনা হয়ে যাব। আমার অনুপস্থিতিতে ওই দিন যেন দেবতার উদ্দেশে নৃত্য প্রদর্শনের কোনও ত্রুটি না হয়।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }