Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ৩৯

    পর্ব ৩৯

    এই সব ভাবতে ভাবতেই কক্ষের অপর প্রান্তের একটা দরজা খুলে গেল। সেই দরজা দিয়ে প্রমোদ কক্ষে প্রথমে প্রবেশ করলেন উগ্রদেব। আর তাঁর পিছন পিছন আরও পাঁচজন ব্যক্তি। উগ্রদেবকে দেখেই কক্ষে উপস্থিত দাসী-ভৃত্যা-রক্ষীরা মাথা ঝুঁকিয়ে তাঁকে প্রণাম জানাল, একই কাজ করল চম্পাও। অতিথিদের উদ্দেশে উগ্রদেব বললেন, ‘এই প্রমোদ কক্ষ আপনাদের জন্য দিবা-রাত্রি প্রস্তুত থাকবে। আমার অবর্তমানেও যখন ইচ্ছা আপনারা এ স্থানে উপস্থিত হতে পারবেন। আপনাদের আমোদের জন্য সব কিছু প্রস্তুত থাকবে এ স্থানে। আপনারা আসন গ্রহণ করুন।’ এ কথা বলে উগ্রদেব রৌপ্য ও দারুকাঠ নির্মিত একটি আসনে উপবেশন করলেন। তারপর অতিথিরাও আসন গ্রহণ করলেন। তারা চম্পার নৃত্য দেখার আগে দাসীরা অতিথিদের কাছে উপস্থিত হয়ে সোমরস পরিবেশন করতে শুরু করল। চম্পা দেখতে লাগল তাদের। রুক্ষ চেহারার লোকজন সব, কারও কারও চেহারাতে ক্লান্তি ও ফুটে আছে। তাদের মধ্যে হঠাৎই একজন লোককে দেখে চম্পার মনে হল তাকে যেন ইতিপূর্বে সে কোথাও দেখেছে। কয়েক মুহূর্তর মধ্যেই লোকটাকে চিনতে পেরে চম্পা বিস্মিত হয়ে গেল। লোকটার নাম কালচক্র। যে চাম সৈন্যদলের সঙ্গে সে এ দেশে এসেছিল, সে দলেই ছিল কালচক্র নামের এই তিরন্দাজ! চম্পা এরপর ভালো করে অন্য অতিথিদের দিকে দৃষ্টিপাত করতেই বুঝতে পারল তারা খামেরদের মতো পোশাক পরিধান করে থাকলেও তারা আসলে চাম জনগোষ্ঠীর লোক! খামেদের চিরশত্রু চামেরা এ প্রাসাদে কেন? মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মন কি তবে তাঁর শত্রুদের ক্ষমা করে দিয়েছেন? অথবা দীর্ঘদিনের শত্রুতা ভুলে কোনও রাজনৈতিক কারণে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী? সে জন্যই তাদের নিজের জন্ম উৎসবে আমন্ত্রণ করে এনেছেন!

    চম্পা ব্যাপারটা ঠিক বুঝে উঠতে পারল না। অতিথিদের মদ্য পরিবেশনের পর উগ্রদেব নির্দেশ দিলেন, ‘নর্তকী, নৃত্য শুরু কর।’

    সবাইকে মাথা নত করে প্রণাম জানিয়ে চম্পা তার নৃত্য প্রদর্শন শুরু করল। তার পদসঞ্চার, ঘুঙুরের শব্দে ধীরে ধীরে মুখরিত হয়ে উঠতে লাগল প্রমোদ কক্ষ। একের পর এক নৃত্য প্রদর্শন করে চলল চম্পা। যুদ্ধবাজ জাতি চামেদের নৃত্য ও মদিরার প্রতি বিশেষ আকর্ষণ আছে। যে কারণে যুদ্ধক্ষেত্রেও তারা নর্তকীদের সঙ্গে নিয়ে যায়। তাদের মদিরার পাত্র পূর্ণ করে দিতে লাগল দাসীরা। তা পান করতে করতে চম্পার আশ্চর্য সুন্দর নৃত্য উপভোগ করতে ‘লাগল চামেরা। মাঝে মাঝে উল্লসিত শব্দও করতে লাগল তারা। তবে উগ্রদেব চম্পার নৃত্যর প্রতি তেমন আকৃষ্ট হয়েছেন বলে তার মনে হল না। তিনি যেন গভীরভাবে কিছু ভেবে চলেছেন বলে মনে হল চম্পার। তার নৃত্য দেখে উগ্রদেবের মুখমণ্ডলের অভিব্যক্তির কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না।

    দীর্ঘক্ষণ নেচে চলল চম্পা। একসময় যখন চামেরা মদিরার নেশায় কেউ ঢুলতে শুরু করল, কেউ বা অসংলগ্ন প্রলাপ করতে শুরু করল তখন উগ্রদেব ইঙ্গিতে নাচ থামাতে নির্দেশ দিলেন। থেমে গেল চম্পা। আর এরপর উগ্রদেব অতিথিদের নিয়ে কক্ষ ত্যাগ করলেন। চম্পাও ফিরে গেল তার কক্ষে।” —এ কথা বলতে বলতেই হঠাৎই উঠে দাঁড়াল খামের যুবতী। তারপর আক্ষেপের স্বরে বলে উঠল, ‘না, আমার গল্প আর শেষ করা হল না! আর মাত্র সামান্য অংশ বাকি ছিল। তোমাকে শোনানোর খুব দরকার ছিল সেটা।’

    সূর্য যদিও বিষ্ণুলোকের আড়ালে চলে গেলেও স্বাগত বলল, ‘তবে কাহিনিটা শেষ করে যাও তুমি। আমার আরও কিছুটা সময় থাকতে কোনও আপত্তি নেই।’

    প্রত্যুত্তরে খামের যুবতী বলল, ‘আবার সেই পূর্ণিমা আসছে! হাজার বছর পর সেই আষাঢ় পূর্ণিমা। জানি না আর তোমার সঙ্গে দেখা করতে পারব কি না? আমি অন্যের চোখে ধরা দিতে চাই না।’ আর এ কথা বলেই সে বাইরের দিকে আঙুল তুলে দেখিয়ে সোজা হাঁটতে শুরু করল সে স্থান ত্যাগ করার জন্য। তার অঙ্গুলি নির্দেশ অনুসরণ করে স্বাগত দেখতে পেল প্রফেসর রামমূর্তি আসছেন! তাঁকে দেখে স্বাগত গাছে ঘেরা অংশর বাইরে বেরিয়ে এল। তাঁরা দু’জন কাছাকাছি এসে উপস্থিত হল। প্রফেসর চারপাশে ভালো করে তাকালেন। স্বাগতর মনে হল, বিশেষত যে স্থানে সেই পাথরের ফলকের ওপর খোদিত নারী-মূর্তিটা ছিল, সেই শূন্যস্থানের দিকে তাকিয়ে মুহূর্তের জন্য যেন তার চোখের দৃষ্টি থেমে গেল।

    স্বাগত তাঁর সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই তিনি বললেন, ‘আমি অনুমান করছিলাম, তোমাকে এখানেই পাওয়া যাবে, তাই চলে এলাম।’

    স্বাগত বলল, ‘হ্যাঁ, এ জায়গাতে বসে থাকতে আমার খুব ভালো লাগে। তাই চলে আসি।’

    তিনি একবার বিষ্ণুলোকের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘সন্ধ্যা হয়েছে। চল, এবার ফেরা যাক। ফিরতে ফিরতে কথা বলি।’

    তারা দু’জন মন্দিরের দিকে ফেরার জন্য পা বাড়াল। কয়েক কদম হাঁটার পর তিনি বললেন, ‘তোমার সঙ্গে একটা ব্যাপারে একটু আলোচনা করে নিতে চাই।’

    —‘কী?’ জানতে চাইল স্বাগত।

    স্বাগতকে একটু অবাক করে দিয়ে প্রফেসর রামমূর্তি বললেন, ‘ভাবছি, মন্দিরের অনুসন্ধানের কাজ কিছু দিনের জন্য বন্ধ রাখব, আর তেমন মনে করলে এ মন্দিরের কাজ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেব।’

    স্বাগত প্রশ্ন করল, ‘হঠাৎ আপনি এ কথা ভাবছেন কেন?’

    রামমূর্তি স্যর জবাব দিলেন, ‘দুটো কারণে এ ভাবনাটা আমার মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। বেশ কিছুদিন ধরে তো আমরা মন্দিরে খোঁজাখুঁজি করলাম, কিন্তু তেমন কিছুই পাওয়া গেল না যাতে এ মন্দিরের পরিচয় সম্পর্কে আমরা অবগত হতে পারি। এমনও হতে পারে আমাদের অনুসন্ধান পদ্ধতি ভুল হচ্ছে। নতুন ভাবনা নিয়ে যদি অনুসন্ধান করতে হয় তবে তার পরিকল্পনা রচনার জন্য আমার কিছু দিন সময় দরকার। সেই জন্যই কিছু দিন কাজ স্থগিত রাখা দরকার। অযথা পরিশ্রম করে লাভ কী? আর মন্দিরের থেকে আমার কাজ উঠিয়ে নেওয়ার ভাবনাটা আমার মাথায় আসছে তোমাদের নিরাপত্তার কারণে। গাইড ফঙ-এর মৃত্যুটা বড় রহস্যময়। তাছাড়া ওই কুমির দেখার ঘটনাসহ আরও বেশ কিছু ঘটনাও রহস্যময়। আমি ভূত-প্রেতে বিশ্বাস করি না, কিন্তু আমার মনে হচ্ছে কেউ বা কারা নজর রাখছে এ মন্দিরের ওপর। হয়তো তাদের ধারণা এ মন্দিরে গুপ্তধন জাতীয় কোনও সম্পদ লুকানো আছে, অথবা তারা অন্য কোনও কারণে চায় না যে, আমরা এ মন্দিরে থাকি। আমাদের এখান থেকে সরাবার জন্য তারা চেষ্টা শুরু করতে পারে। সেক্ষেত্রে যদি তোমাদের কারও কোনও ক্ষতি হয় তার দায়ভার আমাকেই বহন করতে হবে। আমিই তো তোমাদের এখানে কাজের জন্য এনেছি। কাজ বন্ধ করে দেওয়ার ভাবনাটা সে কারণেই আমার মাথায় আসছে।’

    প্রফেসর রামমূর্তির কথা শুনে স্বাগত বলল, ‘আপনি কাকে বা কাদের সন্দেহ করছেন যারা এ মন্দিরের ওপর নজর রাখছে, বা আমরা এ মন্দির থেকে চলে যাই তা চাইছে?’

    একটু চুপ করে থেকে প্রফেসর রামমূর্তি বললেন, ‘নারেঙ খাম হতে পারে, বৌদ্ধ সন্ন্যাসী রত্নসম্ভব হতে পারেন, আবার এমন কেউ বা কারা হতে পারে যাদের আমরা চিনি না, জানি না। আর এই শেষ অংশ, যাদের আমরা চিনি না, সত্যিই যদি তাদের দিক থেকে বিপদ আসে তবে সেটা মারাত্মক হতে পারে। হয়তো তারাই খুন করেছে ফঙকে।’

    স্বাগত বলল, ‘আপনি যদি সাময়িকভাবে কিছু দিনের জন্য কাজ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন, তবে আমরা কী করব? কোথায় থাকব? নাকি দেশে ফিরে যাব?’

    রামমূর্তি বললেন, ‘সাময়িকভাবে কাজ স্থগিত রাখলেও তোমাদের থাকার ব্যাপারটা সিয়েমরিপেই করব। কয়েকদিনের জন্য দেশে ঘুরে আসতে পারতে তোমরা। সে ক্ষেত্রে তোমাদের সঙ্গে নাতাশাকেও আমি পাকাপাকিভাবে দেশে পাঠিয়ে দিতে পারতাম। ওর যা মনের অবস্থা তাতে এ জায়গাতে ওকে আর কাজ করানো উচিত হবে না। এমন আতঙ্কিত অবস্থায় থাকলে কাউকে দিয়ে কাজ করালে অন্য কোনও বিপদ ঘটতে পারে। সমস্যাটা তৈরি হল ফঙ খুন হওয়াতে। এ অবস্থায় আমাদের দেশ ছাড়ার ক্ষেত্রে পুলিসেরও অনুমতির প্রয়োজন দরকার। সেটা যতক্ষণ না পাওয়া যাবে ততক্ষণ দেশে ফেরা যাবে না।’

    কথা বলতে বলতে মন্দির চত্বরে পৌঁছে গেল দু’জন। ভাড়ার ঘরের কাছে দাঁড়িয়ে গল্প করছে অন্যরা। তাদের দিকে তাকিয়ে নিয়ে নিজের ঘরের দিকে যাওয়ার আগে রামমূর্তি স্বাগতকে বললেন, ‘কাজ বন্ধ করার ব্যাপারে বা এ জায়গা ছেড়ে চলে যাওয়ার বিষয়ে ওদের কাউকে এখনই কিছু বলার দরকার নেই। ভাবনাটা আজই আমার মাথায় এসেছে। আর একটু ভেবে নিই ব্যাপারটা নিয়ে। তবে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার তা দু’ দিনের মধ্যেই নেব। ইতিমধ্যে কিম আর বাকুমের সঙ্গেও আবার একবার কথা বলে নেব তাদের মতামত জানাবার জন্য।’

    —এ কথা বলে তিনি হাঁটতে শুরু করলেন তাঁর ঘরের দিকে। আর স্বাগত গিয়ে দাঁড়াল অন্যরা যেখানে দাঁড়িয়ে আছে সেখানে। স্বাগত সেখানে উপস্থিত হতেই বিক্রম জানতে চাইল, ‘কোথা থেকে এলে দু’জনে? ‘

    স্বাগত জবাব দিল, ‘কোথাও যাইনি। দু’জনে আশপাশে আলাদা আলাদা হাঁটছিলাম। ফেরার পথে দেখা হল, একসঙ্গে কথা বলতে বলতে ফিরলাম।’

    প্রীতম জিজ্ঞেস করল, ‘স্যর, আমাদের কাজের ব্যাপারে কোনও পরিকল্পনার কথা বললেন নাকি?’

    স্বাগত একটু চুপ করে থেকে উত্তর দিল, তিনি বললেন, ‘আগামী এক-দু’দিনের মধ্যেই তিনি তাঁর পরিকল্পনার কথা জানিয়ে দেবেন।’

    তার কথা শেষ হতে না হতেই নাতাশা বলল, ‘আমার আর একটা দিনও এখানে থাকতে ভালো লাগছে না। আজ দুপুরেও একটা ভয়ঙ্কর স্বপ্ন দেখেছি আমি!’

    —’কী স্বপ্ন?’ জানতে চাইল স্বাগত।

    বিক্রম হেসে বলল, ‘ও স্বপ্ন দেখেছে, একজন মুকুট পরা রাজা। সে ওকে নিয়ে যেতে এসেছিল বিয়ে করবে বলে।’

    নাতাশা ধমকের সুরে বিক্রমকে বলল, ‘তুমি চুপ কর। এসব ইয়ার্কি আমার আর ভালো লাগছে না। তোমরা কেউ আমার মনের অবস্থা বুঝতে পারছ না। আমার খুব ভয় করছে স্বপ্নটা দেখার পর থেকে।’

    নাতাশার এ কথা শোনার পর পরিবেশটা হালকা করার জন্য বিক্রম কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল। কিন্তু পাছে নাতাশা আরও খেপে ওঠে তাই সুরভী হাতের ইশারায় বিক্রমকে থামিয়ে দিল।

    স্বাগতর প্রশ্নের উত্তরে নাতাশা বলল, “‘ভয়ঙ্কর একটা স্বপ্ন। বিয়ে করতে নয়, সোনার মুকুট পরা কিন্তু ভয়ঙ্কর দেখতে মিশমিশে কালো একটা লোক স্বপ্নের মধ্যে আমাকে ধরে নিয়ে যেতে এসেছিল। স্বপ্নের মধ্যে দেখলাম আমি ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম এই মন্দিরের মধ্যে। লোকটা হঠাৎ এসে উপস্থিত হল আমার সামনে। সে আমাকে বলল, ‘তুই খুব সুন্দর দেখতে তো! চল তোকে বিষ্ণুলোকে নিয়ে যাব।’

    আমি বললাম, ‘আমি কোথাও যাব না।’

    সে বলল, ‘তোকে যেতেই হবে।’

    এরপর তার আরও কিছু লোকজন উপস্থিত হল। তারা আমাকে জোর করে এ মন্দির থেকে নিয়ে গেল বিষ্ণুলোকের সামনে পরিখার ধারে। লোকটা এরপর তার সঙ্গীদের বলল, ‘ওকে জলে ফেলে দে!’

    আমি বললাম, ‘আমাকে জলে ফেলবে কেন?’

    সে অট্টহাস্য করে বলল, ‘জ্যান্ত মানুষরা বিষ্ণুলোকে থাকতে পারে না।’

    এরপরই লোকগুলো আমাকে জলে ফেলে দিল। আমি দেখলাম বিরাট বড় একটা কুমির এগিয়ে আসছে আমার দিকে। আমি চিৎকার করে উঠলাম। আর তারপরই আমার ঘুম ভেঙে গেল।” কথা শেষ করে মৃদু কেঁপে উঠল নাতাশা।

    স্বাগত বুঝতে পারল, ‘ব্যাপারটা স্বপ্ন হলেও তার আতঙ্ক এখনও আচ্ছন্ন করে রেখেছে নাতাশার মনকে। আর, নাতাশা যে লোকটার বর্ণনা দিল, সে লোকটার কথা শুনে স্বাগতর কেন যেন মনে পড়ে গেল খামের যুবতীর মুখে শোনা উগ্রদেবের চেহারার কথা।

    স্বাগত নাতাশার মনে সাহস জোগাবার জন্য বলল, ‘আমরা সবাই তো একসঙ্গে আছি এখানে। তুমি ভয় পেও না। স্বপ্নের মধ্যে ভয়ঙ্কর ঘটনা আমরা প্রত্যেকেই কোনও না কোনও সময় দেখে থাকি। ওটা নিয়ে আর বেশি ভেব না।’ নাতাশা তার কথায় কোনও জবাব দিল না।

    তারা কথা বলতে বলতেই অন্ধকার নেমে গেল। রান্নার কাজ শুরু করল তারা। রাত আটটার মধ্যেই খাওয়া সেরে যে যার ঘরে ফিরে গেল। ঘরে ফিরে কিছু কাজকর্ম সেরে স্বাগত বিছানায় শুয়ে পড়ল। খোলা জানলা দিয়ে বাইরের প্রাঙ্গণ, মন্দির তোরণটা দেখা যাচ্ছে। আকাশ আজ মেঘহীন। বেশ বড় চাঁদ উঠেছে তোরণের মাথার ওপর। প্রায় গোলাকৃতি চাঁদ। তার আকৃতি আর উজ্জ্বলতা দেখে স্বাগত বুঝতে পারল আর দু-তিন দিনের মধ্যেই পূর্ণিমা। আর এরপরই তার মনে পড়ল খামের যুবতীর বলা কথাটা —‘আবার সেই পূর্ণিমা আসছে! হাজার বছর পর সেই আষাঢ় পূর্ণিমা!’

    গল্পটা আজ শেষ করে যেতে পারল না খামের যুবতী। হাজার বছর আগে আষাঢ় পূর্ণিমাতে মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মণের জন্মোৎসবের দিন কিছু কি ঘটেছিল? খামের যুবতীর কথা শুনে স্বাগতর তেমনই অনুমান হচ্ছে। কিন্তু কী সেই ঘটনা? স্বাগত কি আর তা জানতে পারবে? আর তার সঙ্গে খামের যুবতীর দেখা হবে কি না সে ব্যাপারে ফিরে যাওয়ার আগে আশঙ্কা প্রকাশ করে গিয়েছে সে। সত্যিই যদি স্বাগতর আর তার সঙ্গে দেখা না হয় তাহলে হয়তো বা এ মন্দিরের রহস্য আর কোনও দিন জানা হবে না স্বাগতর প্রফেসরও তো এ মন্দির ছেড়ে চলে যাওয়ার ব্যাপারে ভাবনা শুরু করেছেন। চাঁদের দিকে তাকিয়ে এসব কথা ভাবতে ভাবতে স্বাগত এক সময় ঘুমিয়ে পড়ল।

    পর দিন বেলা আটটা নাগাদ ঘর ছেড়ে চত্বরে বেরিয়ে এল স্বাগত। একে একে অন্যরাও চত্বরে এসে দাঁড়াল। মেঘমুক্ত আকাশ। সূর্যের আলোতে ঝলমল করছে চারপাশ। জঙ্গল থেকে পাখির ডাক ভেসে আসছে। সবাই একসঙ্গে মিলিত হওয়ার পর স্বাগত সুপ্রভাত বিনিময়ের পর নাতাশাকে জিজ্ঞেস করল, ‘রাতে ঘুম ভালো হয়েছে তো?’

    নাতাশা মৃদু হেসে জবাব দিল, ‘হ্যাঁ।’

    নাতাশা সত্যিই বেশ সুন্দরী। সকালের আলোতে তার মুখমণ্ডল আরও সুন্দর দেখাচ্ছে। তা দেখে স্বাগতর মনে হল গতকালের ভয়ের ভাবটা যেন অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে পেরেছে সে। চারপাশের পরিবেশ এত সুন্দর যে তার প্রভাবে সকলের মুখমণ্ডলেই উজ্জ্বলতা ফুটে উঠেছে। বেশ কিছুক্ষণ নিজেদের মধ্যে নানা কথাবার্তা গল্প চালাল তারা। মন্দিরের বিষয়ে কোনও কথা নয়, নিজেদের পারিবারিক জীবন, স্কুল-কলেজের নানা কথা থেকে দেশের রাজনীতি ইত্যাদি বিষয়ে নানান কথা। সবার মধ্যেই একটা চনমনে ভাব জেগে উঠতে শুরু করেছে। স্বাগতর ব্যাপারটা ভালো লাগল।

    সুরভী এক সময় স্বাগতকে জিজ্ঞেস করল, ‘প্রফেসর কি আজ আমাদের দিয়ে কোনও কাজ করাবেন?’

    প্রফেসরের ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। সেদিকে তাকিয়ে স্বাগত বলল, ‘আমাকে উনি কিছু জানাননি। দেখা যাক ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে কী বলেন?’

    বিক্রম বলল, ‘আমাদের যদি কোনও কাজ না থাকে তবে সবাই মিলে সিয়েমরিপ থেকে ঘুরে আসা যেতে পারে। কারও কিছু কেনাকাটার দরকার থাকলে তা করাও যাবে, আর ভালো-মন্দ খাবারও খাওয়া যেতে পারে। আমার কিন্তু এর আগের দিন কুমিরের বার্গার খেতে দারুণ লেগেছিল!’

    প্রীতম বলল, ‘প্রস্তাবটা মন্দ নয়। আমার শেভিং ব্লেডসহ টুকিটাকি কিছু কেনার আছে।’

    সুরভী বলল, ‘এখানকার খামের মেয়েরা যে ধরনের পোশাক পরে সেরকম একটা পোশাকের সেট আমার কেনার ইচ্ছা আছে। দেশে নিয়ে গিয়ে পরব।’

    নাতাশা বলল, ‘হ্যাঁ, প্রস্তাবটা মন্দ নয়, গেলে ভালোই হয়। তবে বলে রাখছি ওখানে যাওয়ার ব্যাপারে দুটো বিষয়ে আমার আপত্তি আছে। এক বুলের কুমির খামারে যাওয়া চলবে না, আর আমি ওসব কুমিরের মাংসর দোকানে খেতে যাব না।’

    এরপর বিক্রম স্বাগতকে বলল, ‘প্রফেসর বাইরে এলে আমাদের কোনও কাজ না থাকলে সিয়েমরিপ যাওয়ার কথাটা তুমিই তবে তাঁকে বল।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }