Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ৪

    পর্ব ০৪

    সবাই মুহূর্তের জন্য থমকে দাঁড়িয়ে তাকাল নীল আকাশের প্রেক্ষাপটে সূর্যালোকে জেগে থাকা বিষ্ণুলোকের শৃঙ্গগুলোর দিকে। বিক্রম বলল, ‘কত ছবি দেখেছি ওই মন্দিরের, ওখানে আমরা যাচ্ছি এ ব্যাপারটা ভাবতেই গায়ে কাঁটা দিচ্ছে!’

    প্রীতম সেখানে দাঁড়িয়েই সেখান থেকে একটা ছবি নিল

    মন্দির শীর্ষের। তারপর আবার তারা এগল সে দিকে। ধীরে ধীরে তাদের সামনে আত্মপ্রকাশ করতে লাগল আঙ্করভাটের বিষ্ণুমন্দিরের নানান অংশ। রামমূর্তি স্যর বললেন, ‘আঙ্করভাট’ শব্দটা এসেছে সংস্কৃত ভাষা থাকে। ‘আঙ্কর’ হল সংস্কৃত ভাষাতে ‘নগর’ শব্দের স্থানীয় উচ্চারণ। এ জায়গাকে স্থানীয় মানুষরা ‘আঙ্কর হাম’ নামেও ডেকে থাকে। বিষ্ণুলোকে পৌঁছবার আগে এ জায়গার সম্পর্কে কিছু তথ্য তোমাদের জানিয়ে রাখি।’

    এ কথা বলে একটু থেমে তিনি বলতে শুরু করলেন— দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার এই দেশ কাম্পুচিয়া বা কম্বোডিয়া। হাজার বছর আগে খামের জাতি এ দেশ শাসন করতে শুরু করে। যার রাজধানী ছিল ঠিক এই অঞ্চল। যেখানে তারা গড়ে তুলেছিল এই মন্দির নগরী। খ্রিস্টীয় দশম শতাব্দীতে এ অঞ্চলে তারা রাজধানী গড়ে তোলে। তবে শুধু বর্তমানের কাম্পুচিয়াই নয়। দু’শো বছর ধরে তারা সমগ্র দক্ষিণপূর্ব এশিয়া শাসন করত। সূর্যবর্মন একসময় কিছুকালের জন্য চম্পা রাজ্যও দখল করে রাখেন। খামেরদের চিরশত্রু ছিল চাম জাতির লোকেরা। দ্বিতীয় সূর্যবর্মনের মৃত্যুর পর তাঁর ভাই দ্বিতীয় ধরণীবর্মন সিংহাসনে বসেন। তিনি চামেদের আকস্মিক আক্রমণ করেন ও অনুমান করা হয় সিংহাসনলোভী কিছু স্বজাতীয় মানুষের চক্রান্তের কারণে চামেদের কাছে পরাজিত হন। এগারোশো শতকের শেষ লগ্নে ওই সময় চামেরা এই মন্দির নগরীতে প্রবল ধ্বংসলীলা চালায়। বহু মূর্তি ধ্বংস করে, ধনরত্ন লুণ্ঠন করে, নারীদেরও অপহরণ করে নিজেদের লালসা চরিতার্থ করার জন্য। খামের রাজা সপ্তম জয়াবর্ধন আবার চামেদের হাত থেকে সাম্রাজ্য পুনরুদ্ধার করেন। এ জায়গার কিছুটা উত্তরে তাঁর আবাসস্থল রচনা করেন ও ‘বায়ুম’ মন্দির নির্মাণ করেন। যা আঙ্করভাটের অন্যতম বিখ্যাত মন্দির। সে মন্দিরও আমি তোমাদের দেখাতে নিয়ে যাব। খামের সাম্রাজ্যের এই মন্দির নগরীর প্রধান রূপকার দ্বিতীয় সূর্যবর্মনের সময়কাল থেকেই এখানে বৌদ্ধ ধর্মের অনুপ্রবেশ ঘটেছিল। যে বৌদ্ধধর্মে তন্ত্রের প্রভাব বেশি ছিল। সূর্যবর্মন রাজনৈতিক কৌশলের কারণে বৌদ্ধধর্মের লোকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। কেউ কেউ বলেন বৌদ্ধরা তন্ত্রসাধনা করত বলে সূর্যবর্মন সমীহ করে চলতেন তাদের। তিনি বৌদ্ধদের ধর্মাচরণ ও তন্ত্র সাধনার জন্য কয়েকটি মন্দিরও নির্মাণ করান। তবে খামের রাজা জয়াবর্ধনের সময় থেকেই বৌদ্ধদের প্রভাব বাড়তে থাকে। জয়াবর্ধন যাদের পরামর্শে পরিচালিত হতেন তাঁর মধ্যে একজন বৌদ্ধ তান্ত্রিকও নাকি ছিলেন। যে কারণে বায়ুম মন্দিরসহ বেশ কিছু মন্দিরে তথাগতর মূর্তি দেখা যায়। এমনকী একসময় বিষ্ণুলোকের কিছু অংশে বুদ্ধের উপাসনা শুরু হয়। যে কারণে আঙ্করভাটের ওই বিষ্ণুমন্দিরকে বর্তমানে বলা হয় ‘হিন্দু বৌদ্ধ’ মন্দির। শেষ পর্যন্ত একসময় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরাই এ স্থানের কর্তৃত্ব দখল করে নেয়। যা আজও বহমান। বর্তমানে এখানকার অধিকাংশ মানুষ খামের জনজাতির হলেও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।’

    হাঁটতে হাঁটতে ধীরে ধীরে এ কথাগুলো বলার পর একটু থামলেন রামমূর্তি। বিষ্ণুলোক এখন অনেকটাই কাছে এগিয়ে এসেছে। শুধু মন্দিরের শীর্ষদেশই নয় তার নিম্নভাগের অনেকটা অংশই এবার স্বাগতদের চোখে ধরা পড়ছে। রামমূর্তি এরপর আবার বলতে শুরু করলেন, ইউরোপীয় পরিব্রাজকদের মধ্যে পর্তুগিজ ধর্মপ্রচারক আন্তেলিও ম্যাগদালনার সর্বপ্রথম এ জায়গা পরিভ্রমণ করেন। ঊনবিংশ শতাব্দীতে ফরাসি অভিযাত্রী মৌহাতের লেখার মাধ্যমে আঙ্করভাটের কথা ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে। তিনি লিখেছিলেন, মন্দিরগুলির মধ্যে একটি মন্দিরের শিল্প সুষমা রাজা সলেমনের মন্দিরকেও হার মানায়। যাঁরা মন্দিরটি নির্মাণ করেছেন তাঁরা মাইকেল এঞ্জেলোর থেকেও বেশি দক্ষ ছিলেন। প্রাচীন গ্রিস বা রোমের স্থাপত্যের থেকেও অনেক বেশি সুন্দর এই মন্দির। তিনি যে মন্দির বলতে আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠা বিষ্ণুলোককেই বোঝাতে চেয়েছিলেন। তাঁর লেখা পড়ার পরই ইউরোপিয়রা আকৃষ্ট হয় এ জায়গার প্রতি। কারণ, এত বড় পুরনো মন্দির নগরীতে ধন-রত্ন থাকাও অস্বাভাবিক কিছু নয়। এই ব্যাপারটাই সম্ভবত তাদেরকে এ জায়গার প্রতি আকর্ষিত করে তোলে। আঙ্করভাট অন্বেষণে বেরিয়ে পরে তারা।’

    রামমূর্তির কথার মাঝেই নাতাশা বলল, ‘অর্থাৎ ট্রেজার হান্টের জন্য এখানে আসতে শুরু করেছিল ইউরোপীয়রা। কিছু কি পেয়েছিল তারা?’

    রামমূর্তি বললেন, ‘এখানে যে মূল্যবান পাথর পাওয়া যায় তা হল এমারেন্ড বা পান্না। সিয়েমরিপ বা রাজধানী নমপেনে বহু অলঙ্কারের দোকান আছে ওই সবুজ পাথরের। এখানকার কিছু মন্দিরে নাকি পান্না বা পান্নার তৈরি মূর্তি ছিল। সে সব নাকি ওই গুপ্তধনের সন্ধানীরা লুঠ করে বলে শোনা যায়।’

    নাতাশার কথার জবাব দিয়ে তিনি তাঁর আগের বক্তব্যে ফিরে গিয়ে বললেন, ‘হ্যাঁ, যে কথা তোমাদের বলছিলাম। ইউরোপিয়ানদের কাছে পরিচিত হতে শুরু করল এ জায়গা, এই দেশ। একসময় ফরাসিরা এ দেশ দখল করে তাদের উপনিবেশ বানায়। পঞ্চাশ বছর আগে খামের রুজ কমিউনিষ্ট পার্টি এ দেশের ক্ষমতা দখল করে। তাঁদের শাসনকালে কয়েক দশক ধরে বহু মানুষকে হত্যা করা হয় এখানে। তারপর ভিয়েতনাম অত্যাচারী পলপটের শাসনের পতন ঘটায়। এ দেশের জনজীবন আবার মোটামুটি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। এই হল এ দেশের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।’

    রামমূর্তির কথা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নাতাশা বলল, ‘হ্যাঁ, পলপটের কীর্তি আমরা দেখে এসেছি নমপেনের কিলিং ফিল্ডে। ও জায়গা এত ভয়ঙ্কর যে সহ্য করা যায় না!’

    রামমূর্তি বললেন, ‘হ্যাঁ, আমিও দেখেছি ওই কিলিং ফিল্ড আর কনসেনট্রেশন ক্যাম্প। কোনও মানুষ যে এত হিংস্র হতে পারে তা ভাবা যায় না!’

    কথা বলতে বলতে বিষ্ণুলোকের প্রায় কাছাকাছি পৌঁছে গেল তারা। এবার তাদের চোখে পড়তে লাগল পথের একপাশে সার সার মূর্তি। যদিও তাদের কোনওটাই আজ অক্ষত নেই। তাদের কোনও মুণ্ডু নেই, কারও বা হাত বা পা খসে পড়েছে। স্বাগত সেই সার সার মূর্তিগুলোকে ভালো করে দেখার পর বুঝতে পারল তারা যেন কিছুটা তফাতে তফাতে দাঁড়িয়ে পাথরের তৈরি মোটা দড়ির মতো কোনও জিনিসকে দু’হাত দিয়ে ধরে রেখেছিল। যদিও তা মূর্তিগুলোর মতোই স্থানে স্থানে খসে পড়েছে। তা দেখে স্বাগত রামমূর্তিকে জিজ্ঞেস করল, ‘মূর্তিগুলো হাতে মোটা দড়ির মতো কী জিনিস ধরে সার বেঁধে দাঁড়িয়ে আছে?’

    রামমূর্তি বললেন, ‘যা তোমরা দেখছ তা হল মন্দির নগরীর প্রাকার। মাত্র কয়েকটা জায়গাতে এখন ওর চিহ্ন অবশিষ্ট আছে। মূর্তিগুলোর হাতে দড়ির মতো দেখতে যে জিনিসটা ধরা দেখছ সেটা আসলে মোটা দড়ি নয়। ওটা হল পুরাণ বর্ণিত শেষনাগ বা সাপের শরীর। হিন্দু ও বৌদ্ধ শাস্ত্র মতে শেষনাগ সর্পকুলের রাজা। ভগবান বিষ্ণুর শয্যার ওপর ছাতার মতো ফণা বিস্তার করে থাকে এই মহাসর্প। তার শরীর দিয়েই ঘেরা ছিল মন্দির নগরী ও বিষ্ণুলোক। এক অর্থে সে এই নগরীর পাহারাদারও বলা চলে। ওর মাথাটা তোমরা আর একটু এগুলেই দেখতে পাবে মন্দিরে প্রবেশ করার পথে।’

    আঙ্করভাটের বিষ্ণুমন্দির! বিষ্ণুলোক। জঙ্গলের পথ ধরে তারা বাইরে বেরিয়ে এসে কিছুক্ষণ থমকে দাঁড়িয়ে নির্বাক বিহ্বলভাবে চেয়ে রইল তাদের সামনের বিশাল স্থাপত্যকীর্তির দিকে। তাকে ঘিরে রয়েছে চওড়া একটা পরিখা। তার জলে এসে পড়েছে বিষ্ণুলোকের বিশাল তোরণের প্রতিবিম্ব। পরিখা ও তোরণ অতিক্রম করলেই স্বাগতরা প্রবেশ করবে বিষ্ণুলোকে। তোরণের ওপারে বেশ কিছুটা দূরে রয়েছে বিষ্ণুলোকে ভগবান বিষ্ণুর আবাসস্থল সেই বিষ্ণুমন্দির। তার মাথার ওপরের পাঁচটি শৃঙ্গ এবার দেখতে পাচ্ছে স্বাগতরা। স্বাগত অনুমান করল বেশ কয়েক কিমি পরিধি নিয়ে গড়ে উঠেছে এই বিশাল স্থাপত্যের নানান অংশ। ঝলমলে একটা দিন। মেঘ মুক্ত নীল আকাশের নীচে দাঁড়িয়ে আছে আঙ্করের সবচেয়ে বড় আর প্রাচীন মন্দিরটি। মন্দিরের চৌহদ্দিকে ঘিরে থাকা জলাশয়ের ওপর পাথরের তৈরি একটা সাঁকো আছে। তা দিয়ে জলাশয় অতিক্রম করে মন্দিরে যাওয়ার প্রবেশ তোরণের কাছে পৌঁছতে হয়। বেশ কিছু ট্যুরিস্ট সে পথ ধরে এগচ্ছে প্রবেশ তোরণের দিকে। অনেকে বাইরে থেকে ছবি তুলছে। বিশাল আকৃতির তোরণের ওপর সূর্যালোকে জেগে আছে বিশালাকৃতির বিষ্ণু মস্তক। অসম্ভব সুন্দর এক শিল্পকীর্তি। সময়ের নিয়মে তার কিছুটা ক্ষয়প্রাপ্ত হলেও অপূর্ব সেই ভাস্কর্য মুহূর্তের মধ্যে যে কোনও মানুষের দৃষ্টি তার দিকে টেনে নিতে পারে। অচেনা কোনও শিল্পীর হাতে গড়া হাজার বছরের প্রাচীন স্থাপত্য।

    স্বাগত ও তারা চারজন বিস্মিতভাবে চেয়ে ছিল বিষ্ণুর সেই মুখমণ্ডলের দিকেই। তাদের হুঁশ ফিরল। তিনি বললেন, ‘তোরণের মাথার ওই বিষ্ণুর মুখমণ্ডল সত্যিই সুন্দর, তবে মূল মন্দিরে গেলে তার স্থাপত্যশৈলী অলঙ্করণ দেখলে তোমরা সত্যিই চমকে যাবে। চল এবার এগনো যাক?’

    রামমূর্তির সঙ্গে আবার হাঁটতে শুরু করল সবাই। জলাশয় থেকে পাথরের সাঁকোটা বেশ খানিকটা উঁচুতে। সাঁকোয় ওঠার মুখটাতে পাথর বাঁধানো একটা চত্বর। কয়েক ধাপ সিঁড়ি বেয়ে সেই চত্বরে উঠে এল তারা। সে জায়গা দেখে স্বাগতরা বুঝতে পারল একসময় বিভিন্ন বিশালাকৃতি মূর্তি বসানো ছিল এ জায়গা ঘিরে। এখন কেবল দু’পাশে দুটো মূর্তি অবশিষ্ট আছে। তার মধ্যে একটা হল বিশালাকৃতির ফণাওলা শেষনাগের মাথা। তার শরীরের কিছুটা অংশ এখনও অবশিষ্ট আছে। সেটা দেখিয়ে রামমূর্তি বললেন, ‘এই সেই সর্পরাজ। যার শরীর দিয়ে বিষ্ণুলোকের প্রকার রচনা করা হয়েছিল। তোরণের ভিতরে মূল মন্দিরের চারপাশেও আবৃত করা এই মহাসর্পের অশ্বখুরাকৃতি কুণ্ডলী দিয়ে।’

    আর একটি যে বিশাল মূর্তি অন্য পাশে দাঁড়িয়ে আছে তার মাথার একটা অংশ ভেঙে গেলেও বোঝা যায় সেটা আসলে সিংহর মূর্তি। সৰ্প ও সিংহ দুটোই হল হিন্দুধর্মের প্রতীক। প্রাচীন মূর্তি দুটোর সামনে দাঁড়িয়ে তারা পাঁচজন কেউ বা ক্যামেরা বার করে কেউ বা মোবাইল ফোন ক্যামেরা দিয়ে নিজেদের ছবি তোলার পর এগল সাঁকো অতিক্রম করার জন্য। রামমূর্তি হাঁটতে হাঁটতে বললেন, সাঁকোর মুখের চত্বরটা মন্দিরের সমসাময়িক। কিন্তু যার ওপর দিয়ে আমরা হাঁটছি সেটা মাত্র কয়েকশো বছর আগে নির্মিত। আঙ্করভাটের মন্দির যখন নির্মিত হয় তখন এই চত্বর থেকে প্রবেশ তোরণে পৌঁছবার জন্য দড়ির রেলিং দেওয়া কাঠের পাটাতন বিছানো সাঁকো ছিল। প্রয়োজন বোধে নিরাপত্তার কারণে সেই সাঁকোকে সরিয়ে নিলে কেউ আর তোরণের কাছে পৌঁছতে পারত না। জলপূর্ণ এই বিরাট পরিখা সাঁতার কেটে অতিক্রম করা সম্ভব ছিল না। কারণ, প্রকাণ্ড আকৃতির কুমিরের ঝাঁক ছাড়া থাকত এই পরিখাতে। আমাদের দেশের বহু দুর্গের চারপাশেও পরিখা রচনা করে তাতে কুমির ছেড়ে দিয়ে এমন কৌশলেই দুর্গর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হতো।

    রামমূর্তি স্যরের কথাগুলো শুনেই স্বাগতর মনে পড়ে গেল গত রাতে দেখা অদ্ভুত স্বপ্নটার কথা। নাতাশা জানতে চাইল, ‘এখনও কুমির আছে নাকি এখানে?’

    রামমূর্তি হেসে বললেন, ‘বলা যায় না। সেই সময়ের কুমিরদের বংশধরদের মধ্যে দু-চারটে এখনও টিকে থাকলেও থাকতে পারে। তবে সিয়েমরিপে বেশ কয়েকটা কুমির খামার আছে। মাংস আর চামড়ার প্রয়োজনে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সেখানে কুমির চাষ করা হয়।’

    বিক্রম বলল, ‘হ্যাঁ, স্যর একজনের মুখে শুনেছি সে কথা।’

    রামমূর্তি বললেন, ‘সপ্তাহে একদিন অন্তত এই প্রাচীন নগরীর থেকে বাইরে বেরিয়ে সিয়েমরিপ শহরে যেতে হয় রসদ সংগ্রহ করে আনার জন্য। তোমাদেরও সে কাজে যেতে হতে পারে। সেখানে গেলে দেখবে কুমিরের চামড়ার তৈরি নানান জিনিসের দোকান আছে। আর রয়েছে কুমিরের কাঁচা মাংস বা রান্না করা মাংসর দোকান। কুমিরের মাংসের বার্গার এখানে বেশ জনপ্রিয়। শুধু স্থানীয় মানুষরা নয়, ইউরোপিয়দেরও বেশ তৃপ্তি করে সেই বার্গার খেতে দেখেছি আমি।’

    রামমূর্তির কথা শোনার পর প্রীতম বেশ অর্থপূর্ণ দৃষ্টিতে তাকাল নাতাশার দিকে। যেন সে তাকে বলতে চাইল, ‘কুমিরের মাংসের বার্গার খাবে নাকি?’ আর নাতাশাও যেন প্রীতমের দৃষ্টি বুঝতে পেরে মুখ বাঁকাল তার উদ্দেশে। এ ব্যাপারটা খেয়াল করল স্বাগত।

    সাঁকো অতিক্রম করে অপর প্রান্তের প্রবেশ তোরণের সামনে পৌঁছে গেল সকলে। তোরণের প্রবেশ মুখেও পাথর বাঁধানো একটা প্রাচীন চত্বর আছে সাঁকোর মুখে ওঠার চত্বরটার মতোই। তোরণের ভিতরে প্রবেশ করার আগে সেখানে এসে সকলকে নিয়ে থামলেন রামমূর্তি। তারপর বললেন, ‘এখানকার সব মন্দির তোরণ পূর্বমুখী। কেবলমাত্র এই বিষ্ণু মন্দিরের তোরণ পশ্চিমমুখী। এ দেখে গবেষকরা ধারণা করেন এই তোরণে শ্রাদ্ধ-শান্তির কাজ করা হতো। কারণ ধর্ম পুস্তকে নাকি লেখা আছে—শ্রাদ্ধ-পিণ্ডদান সম্পন্ন হলে আত্মারা পশ্চিম পথে বিষ্ণুলোকে গমন করে।’

    এ কথা বলার পর তিনি বললেন, ‘প্রবেশ তোরণের এই চত্বরেই সম্ভবত মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধানুষ্ঠান, পিণ্ডদান এসব কাজ হতো। একটা বইতে আমি এ কথাও পড়েছি যে ওই পিণ্ডগুলো নাকি এই জলাশয় বা পরিখার কুমিরদের খাওয়াবার পরই শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের কাজ সম্পন্ন হতো। আর তারপরই পুণ্যবান আত্মারা বিষ্ণুলোকে প্রবেশের, অর্থাৎ এই তোরণ অতিক্রম করার অধিকার অর্জন করত। তবে কুমিরকে পিণ্ড ভক্ষণ করার ঘটনা কতটা সত্যি তা আমার জানা নেই। ঘটনাটা একটা প্রচলিত, কল্পিত কাহিনিও হতে পারে।’ সুরভী বলল, ‘আমার মনে হয় পিণ্ডগুলো এই জলাশয়ে ফেলা হতো। এখনও যেমন আমাদের দেশে শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের পর পিণ্ডগুলো গঙ্গা বা অন্য কোনও নদী বা জলাশয়ে গিয়ে ফেলে আসা হয়। যেহেতু এই পরিখায় কুমির থাকত তাই হয়তো তাদেরকে পিণ্ড খাওয়ানোর গল্প প্রচলিত আছে।’

    বিক্রম বলল, ‘তুমি সম্ভবত ঠিকই বলেছ। পরিখাতে কুমির থাকার কারণেই এ গল্পর উৎপত্তি হয়েছে। ব্যাপারটা আসলে সত্যি নয়। কারণ, চাল-কলা-তিল-যব-ঘি এসব দিয়ে পিণ্ড প্রস্তুত করা হয়। আমার পিতৃশ্রাদ্ধর সময় আমি পিণ্ডদান করেছি। যে সব জিনিস দিয়ে পিণ্ড প্রস্তুত করা হয় তা সবই নিরামিষ বস্তু। কুমির তো মাংসাশী প্রাণী। সে চাল, যব এসব খেতে যাবে কেন?’

    বিক্রমের কথা শুনে রামমূর্তি তারিফের স্বরে বললেন, “তুমি ঠিকই বলেছ। এ ব্যাপারটা আমি ভেবে দেখিনি। আমিও আমার পিতা-মাতার পিণ্ডদান করেছি। কোনও আমিষ জিনিস দিয়ে পিণ্ড বানানো হয় না। কুমির তা খেতে যাবে কেন?’—এ কথাগুলো ইংরেজিতেই বললেন প্রফেসর রামমূর্তি।

    আর তারপর মুহূর্তেই একটা কণ্ঠস্বর কানে এল, ‘কুমিররাই পিণ্ড খেত। আর কেন তা খেত তা আমি জানি।’

    ইংরাজিতে বলা কথাগুলো কানে যেতেই রামমূর্তিসহ সকলে ফিরে তাকাল বক্তার দিকে। তাদের কাছাকাছি এসে দাঁড়িয়েছে একটা লোক। অতি সাধারণ পোশাক তার পরনে—সস্তা দামের শার্ট আর গোড়ালির ওপরে বেশ খানিকটা ওঠানো খাঁকি প্যান্ট, পায়ে প্লাস্টিকের চপ্পল আর মাথায় তালপাতার তৈরি একটা টোকা বা টুপি। লোকটার পোশাকের মধ্যে একটা দুঃস্থভাব আছে। টোকার নীচে চোখ দুটো দিয়ে লোকটা চেয়ে দেখছে স্বাগতদের। তার ঠোঁটের কোণে আবছা একটা হাসিও যেন জেগে আছে। লোকটা ইংরাজিতে কথা বললেও তার চেহারা আর মুখমণ্ডল দেখে স্থানীয় খামের জনগোষ্ঠীর লোক বলেই মনে হল স্বাগতর। ভালো করে লোকটাকে দেখার পর রামমূর্তি লোকটাকে প্রশ্ন করলেন, ‘কী কারণে কুমিররা পিণ্ড খেত?’

    প্রফেসরের কথার জবাবে লোকটা বলল, ‘সেটা জানার জন্য আপনাদের আমাকে মাথা পিছু দু’ডলার করে মোট বারো ডলার দিতে হবে। তাতে শুধু কুমিরকে পিণ্ডদানের কাহিনিই নয়। এই মন্দিরের নানান জায়গার নানান কাহিনি আমি শোনাব আপনাদের। এই মন্দির ভালো করে দেখতে তিনদিন সময় লাগে। আমি মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই বিষ্ণুলোকের বিশেষ বিশেষ জায়গাগুলো দেখিয়ে আনব আপনাদের।’ কথাগুলো শোনার পর রামমূর্তি তার উদ্দেশে বললেন, ‘বুঝতে পারছি তুমি একজন গাইড।’

    লোকটা বলল, ‘হ্যাঁ। আমার নাম ফঙ। আমরা পাঁচ পুরুষ ধরে এ মন্দিরে গাইডের কাজ করি। এ মন্দিরের আনাচ-কানাচ আমি হাতের তালুর মতো চিনি। বিষ্ণুলোকের সব ইতিহাস আমার জানা। আপনারা আমার ওপর ভরসা রাখতে পারেন।’—এ কথা প্রত্যুত্তরের আশায় লোকটা চেয়ে রইল রামমূর্তির দিকে।

    কিন্তু রামমূর্তি কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থাকার পর ফঙ নামের লোকটার উদ্দেশে বললেন, ‘তোমার পরিচয় জেনে খুশি হলাম। কিন্তু আমাদের গাইডের দরকার নেই।’

    লোকটা তাঁর কথা শুনে বলল, ‘কিন্তু গাইড ছাড়া এত বড় মন্দির ঘুরে দেখবেন কীভাবে? এই মন্দিরের কতগুলো অংশ আছে, কত কক্ষ আছে আর কত অলিন্দ স্তম্ভ আছে তা আপনারা ধারণা করতে পারবেন না! গাইড ছাড়া বিষ্ণুলোকে প্রবেশ করা আর সাঁতার না জেনে মেকং নদীতে ঝাঁপ দেওয়া একইরকম ব্যাপার। ঠিক আছে আমি দু’ডলার আপনাদের কনসেশন করছি। দশ ডলারই না হয় দেবেন তাহলে। চলুন তবে আমরা তোরণের ভিতরে প্রবেশ করি?’

    রামমূর্তি এবার গম্ভীরভাবে সেই গাইডের উদ্দেশে বললেন, ‘বললাম তো আমাদের গাইডের দরকার নেই।’ এ কথা বলে তিনি এগলেন তোরণের ভিতর প্রবেশ করার জন্য। স্বাগতরা সবাই অনুসরণ করল তাকে। কিন্তু ফঙ নামের লোকটা যেন নাছোড়বান্দা। সেও তাদের পিছন পিছন এগতে এগতে বলতে লাগল, ‘ঠিক আছে আমি আমার রেট আরও দু’ডলার কমিয়ে দিলাম। আট ডলার দিলেই হবে। আমি যেভাবে বিষ্ণুলোক ঘুরিয়ে দেখাব তেমন আর কেউ দেখাতে পারবে না আপনাদের।’

    তার ঘ্যানঘ্যানানিতে অন্য কেউ সাড়া না দিলেও বিশাল সেই প্রাচীন তোরণের প্রবেশ করার মুখে এসে হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়ল নাতাশা। তারপর লোকটার দিকে ফিরে নিজের হাত ব্যাগ খোলার উপক্রম করে বলল, ‘আমাদের সঙ্গে তোমাকে থাকতে হবে না। আমি তোমাকে এমনিতেই দু’ডলার দিচ্ছি। সেটা নিয়ে তুমি আমাদের ছেড়ে চলে যাও। দেখ অন্য কারও গাইডের প্রয়োজন আছে কি না!’

    নাতাশার কথা শুনে প্রথমে চুপ করে গেল লোকটা। তারপর নাতাশা তাকে দেওয়ার জন্য টাকা বার করতে যেতেই লোকটা বলল, ‘আমি গাইডের কাজ করে টাকা উপার্জন করি ঠিকই, কিন্তু ভিক্ষা নিই না। ইচ্ছা হলে আমি এ দেশের মালিক হতে পারতাম।’

    শেষ বাক্যটা বলার সময় ফঙ নামের লোকটার মুখে কেমন যেন অদ্ভুত হাসি ফুটে উঠল! এ কথা বলার পর ফঙ আর দাঁড়াল না। স্বাগতদের পাশ কাটিয়ে তোরণ অতিক্রম করে কোথায় যেন অদৃশ্য হয়ে গেল। লোকটার সঙ্গে নাতাশার কথোপকথনের কারণে কয়েক মুহূর্তর জন্য দাঁড়িয়ে পড়েছিল সবাই। এ ঘটনার জন্য রামমূর্তি কিছু না বললেও সুরভী তাকে বলল, ‘লোকটাকে এমনভাবে টাকা দিতে যাওয়া ঠিক হয়নি। মনে হয় ওর আত্মমর্যাদায় ঘা লেগেছে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }