Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ৪০

    পর্ব ৪০

    স্বাগত মাথা নেড়ে সম্মতি প্রকাশ করল তাদের কথায়। আবার নানা প্রসঙ্গে আলোচনা করতে শুরু করল তারা। দেখতে দেখতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় অতিবাহিত হয়ে গেল। এবার মৃদু গরম লাগতে শুরু করল। সূর্য মাথার ওপর বেশ খানিকটা উঠে গেছে। বিক্রম মৃদু অধৈর্যভাবে বলল, ‘প্রফেসর বাইরে বেরচ্ছেন না কেন?’

    স্বাগত বলল, ‘হয়তো অনেক রাত পর্যন্ত ল্যাপটপে কাজ করেছেন, সে জন্য উঠতে দেরি হচ্ছে।’

    বিক্রম বলল, ‘সিয়েমরিপ যেতে হলে দেরি না করাই ভালো। বেশি রোদ উঠলে ঘুরে বেড়াতে কষ্ট হবে। প্রফেসর এখনও যখন ওঠেননি তখন আজ তিনি আমাদের নিয়ে কাজে নামবেন বলে মনে হয় না। তুমি একবার গিয়ে প্রফেসরের ঘরের দরজাতে নক করে দেখ না উনি কী বলেন?’

    বিক্রমের কথা শুনে একটু ইতস্তত করে প্রফেসরের ঘরের দিকে পা বাড়াতে যাচ্ছিল স্বাগত। ঠিক তখনই প্রায় ছুটতে ছুটতে চত্বরে উঠে এল কুলি সর্দার হেরুম। সে স্বাগতদের দিকে তাকিয়ে উত্তেজিতভাবে জিজ্ঞেস করল ‘প্রফেসর কই?’ প্রফেসর?’

    স্বাগত জবাব দিল, ‘তিনি ঘরেই আছেন।’- বলেই সে হেরুমের উত্তেজনা লক্ষ করে জানতে চাইল, ‘কিছু হয়েছে নাকি?’

    হেরুম জবাব দিল, ‘হ্যাঁ, কাছেই মারা পড়েছে একজন।’ জবাব দিয়েই হেরুম এগল প্রফেসরের ঘরের দিকে। তাকে অনুসরণ করল স্বাগতরা। হেরুম গিয়ে বেশ কয়েকবার কপাট ধাক্কা দেওয়ার পর দরজা খুললেন প্রফেসর। তাঁর মুখমণ্ডলে রাত জাগার চিহ্ন জেগে আছে বলেই স্বাগতর মনে হল। হেরুম তাঁকে উত্তেজিতভাবে বলল, ‘খুন। খুন হয়েছে স্যর! এখানে আসার পথে একটু আগেই ঘটনাটা জানতে পারলাম!’

    প্রফেসর জিজ্ঞেস করলেন, ‘কে খুন হয়েছে? কোথায় খুন হয়েছে?’

    হেরুম উত্তর দিল, ‘কাছেই, বেশি দূর নয় জায়গাটা। খুন হয়েছে হোয়াঙ নামের লোকটা। যে জুয়ার আড্ডা চালায়।’

    —‘কীভাবে খুন হল? কারা খুন করল তাকে?’ আবারও প্রশ্ন করলেন রামমুর্তি৷

    হেরুম উত্তর দিল, ‘লোকজন বলছে ভূতে খুন করেছে। দু’দিন আগে নাকি সে এখানে ব্যাঙ ধরতে এসেছিল। তারপর আজ এখানে তার লাশ উদ্ধার হয়েছে। লোকজন তেমনই বলাবলি করছে।’

    স্বাগতর মনে পড়ল দু’দিন আগে সন্ধ্যায় মন্দিরে ফেরার। পথে তার সঙ্গে দেখা হয়েছিল হোয়াঙের। হেরুমের কথা শুনে কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থাকলেন প্রফেসর। ইতিমধ্যে স্বাগত ছাড়াও অন্যরা প্রফেসরের ঘরের দরজাতে এসে উপস্থিত হয়েছে। স্বাগত, হেরুমকে জিজ্ঞেস করল, ‘ঠিক কীভাবে খুন করা হয়েছে ওকে?’

    হেরুম বলল, “তা ঠিক জানি না। আপনারা কি লাশটা দেখতে যাবেন?”

    স্বাগত তাকাল প্রফেসরের দিকে তাঁর ইচ্ছা জানার জন্য। প্রফেসর বললেন, ‘ঘটনাটা যখন এ মন্দিরের কাছেই তখন একবার গিয়ে দেখে আসা যেতে পারে।’

    হেরুমের মুখে উত্তেজনাকর খবরটা শোনার পর অন্যদের সিয়েমরিপে যাওয়ার পরিকল্পনাটা হঠাৎই যেন চাপা পড়ে গেল। বিক্রম বলল, ‘আমিও তবে আপনাদের সঙ্গে ব্যাপারটা দেখে আসি স্যর।’

    প্রীতম বলল, ‘আমিও যাব।’

    প্রফেসর বললেন, ‘এক মিনিটা দাঁড়াও। আমি পোশাকটা বদলে নিই।’ দরজা বন্ধ করলেন তিনি। নাতাশা এরপরই বলে উঠল, ‘আমি কিন্তু ওসব দেখতে যেতে পারব না। আমি এখানেই থাকব। আর আমার সঙ্গে কাউকে থাকতে হবে। একা ফেলে রেখে যাওয়া চলবে না।’

    খুনের ঘটনাটা জেনে আবার স্পষ্ট আতঙ্কের ছাপ ফুটে উঠেছে নাতাশার মুখে। নাতাশার কথা শুনে সুরভী বলল, ‘ঠিক আছে আমি যাচ্ছি না। আমি তোমার সঙ্গেই থাকব।’

    প্রফেসর কয়েক মিনিটের মধ্যেই পোশাক বদলে তাঁর ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন। সুরভী আর নাতাশাকে রেখে তারা চতুর ছেড়ে বেরিয়ে পড়ল। হেরুমকে অনুসরণ করে এগল তারা।

    হেরুম তাদের যে জায়গাতে নিয়ে উপস্থিত হল সেখানে বিকালবেলায় খামের যুবতীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য আসে স্বাগত। গাছে ঘেরা যে জায়গায় তারা দু’জন বসে কথা বলে ঠিক তার বাইরে ফাঁকা জমিটার বিপরীতে জঙ্গলের ভিতর ঘটনাটা ঘটেছে। অর্থাৎ দু’দিন আগে পর্যন্ত সেই পাথুরে নারী মূর্তি যেখানে অবস্থান করছিল, সে জায়গার খুব কাছেই ঘটনাটা ঘটেছে। কারণ স্বাগতরা দেখল সেখানে জঙ্গলের ভিতর বেশ কিছু স্থানীয় মানুষ যাওয়া আসা করছে। ফাঁকা জমিটার মধ্যে পুলিসের গাড়িসহ আরও বেশ কয়েকটা গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। সে জায়গায় পৌঁছে স্বাগত একবার তাকাল গাছে ঘেরা যে জায়গায় বসে সে খামের যুবতীর কথা শোনে সেখানে। আলো-আঁধারি খেলা করছে সেখানে। সেদিকে একবার তাকিয়ে নিয়ে অন্যদের সঙ্গে অকুস্থলের দিকে পা বাড়াল স্বাগত। জঙ্গলের ভিতর বেশি প্রবেশ করতে হল না। স্বাগতদের। কিছুটা এগিয়েই এক জায়গাতে প্রাচীন স্থাপত্যের কিছু প্রস্তর খণ্ড ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। সেখানেই একটা জায়গা ঘিরে পুলিসসহ স্থানীয় কিছু মানুষের ভিড়। স্বাগতরা সেই ভিড়ে উপস্থিত হয়ে ভিতরে তাকাল। একটা দেহ সেখানে কাত হয়ে পড়ে আছে। পরনে বর্ষাতির মতো পোশাক। বুকের কাছের বোতামগুলো খুলে যাওয়াতে সোনালি ড্রাগনের ছবি আঁকা লাল টি-শার্টের খানিক অংশ দেখা যাচ্ছে। মৃতদেহের মাথাটা একটা কাপড়ের টুকরো দিয়ে ঢাকা দিয়েছে সম্ভবত পুলিসের লোকেরাই। বেশ খানিকটা ফুলেও উঠেছে দেহটা। মৃদু পচা গন্ধও এসে লাগছে স্বাগতর নাকে। স্বাগতরা দেখল পুলিস অধিকর্তা বাকুম এসে উপস্থিত সেখানে। তিনি অধস্তন কর্মীদের দিয়ে মৃতদেহটা উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় করছেন। ভিড় ঠেলে স্বাগতরা তার কাছাকাছি এগতেই তিনি প্রফেসরকে দেখতে পেয়ে বললেন, ‘আপনাদের কথাই ভাবছিলাম। আপনি এসে পড়াতে ভালোই হল। নইলে আপনার সঙ্গে দেখা করতে যেতাম।’

    এ কথা বলে অফিসার বললেন, “এটা হোয়াঙের মৃতদেহ। দেহটা দেখে মনে হচ্ছে মরার পর অন্তত একটা দিন কেটে গিয়েছে। আপনার সঙ্গে তো ওর পরিচয় ছিল তাই না?”

    প্রফেসর একটু আমতা আমতা করে বললেন, ‘হ্যাঁ, তা একটু ছিল। কীভাবে মারা গেছে ও?’

    বাকুম বললেন, ‘ঠিক যেভাবে ফঙ মারা গিয়েছিল সেভাবে। মাথার খুলি একদম চুরমার হয়ে গিয়েছে পাথরের আঘাতে। ওই যে ওটার আঘাতে।’ এ কথা বলে তিনি অঙ্গুলি নির্দেশ করলেন মৃতদেহর কিছুটা তফাতে পড়ে থাকা প্রস্তর খণ্ডর দিকে। ভালো করে সেটা দেখে স্বাগতরা অবাক হয়ে গেল। এ প্রস্তর খণ্ডটাও আসলে কোনও যক্ষী বা নারী মূর্তির মাথা। প্রফেসর সেটা দেখে বললেন, ‘অদ্ভুত ব্যাপার। এই দেহটার খোঁজ পাওয়া গেল কীভাবে?’

    দু’জন চীনা কাছেই দাঁড়িয়ে মরদেহটার দিকে নিশ্চুপভাবে তাকিয়ে ছিল। তাদের দেখিয়ে বাকুম বললেন, ‘ওরা দু’জন হোয়াঙের শাগরেদ। দু’দিন আগে হোয়াঙ নাকি গাড়ি নিয়ে এখানে ব্যাঙ ধরতে এসেছিল। তারপর সে আর ফিরে যায়নি। ওরা ফোনেও যোগাযোগ করতে পারছিল না হোয়াঙের সঙ্গে। তাই ওরা আজ ভোরবেলা হোয়াঙকে খুঁজতে এখানে আসে। তখন সন্ন্যাসী রত্নসম্ভবের সঙ্গে ওদের দেখা হয়। তিনি ভোরবেলা এখানে লতা-গুল্ম সংগ্রহ করতে এসেছিলেন। তিনিই মৃতদেহটা এখানে প্রথম পড়ে থাকতে দেখেন। ঘটনাচক্রে এ দু’জন লোকের সঙ্গে তার দেখা হয়ে যায়। রত্নসম্ভবই দেহটা পড়ে থাকার ব্যাপারে জানায় ওদের। ওরাই হোয়াঙের দেহটা আইডেন্টিফাই করে। ঘটনাচক্রে আমি অন্য একটা ব্যাপারে তদন্ত করার জন্য বিষ্ণুলোকের দিকে যাচ্ছিলাম। সন্ন্যাসীর সঙ্গে রাস্তাতে আমারও দেখা হয়ে যায়। তার কাছ থেকে আমি ব্যাপারটা জানতে পারি। কিছুক্ষণ আগে পর্যন্ত তিনিও এখানেই ছিলেন। আমার সঙ্গে কথাবার্তা মেটার পর তিনি ওঁর মন্দিরের দিকে রওনা দিলেন।’—একটানা কথাগুলো বলে থামলেন বাকুম।

    তারপর রামমূর্তি স্যরকে বললেন, ‘আপনাকে কয়েকটা কথা জিজ্ঞেস করার আছে।”

    —“কী কথা?” জানতে চাইলেন রামমূর্তি।

    চারপাশের অন্য স্থানীয় লোকেরা আগ্রহী হয়ে পুলিসকর্তা আর রামমূর্তির মধ্যে কথোপকথন শুনছে। সম্ভবত বাকুম সে ব্যাপারটা খেয়াল করেই বললেন, ‘আগে মরদেহটা পাঠাবার ব্যবস্থা করি তারপর কথা বলছি।’

    পুলিসের লোকজন এরপর তাদের কাজ শুরু করল। তালপাতার মাদুর দিয়ে দেহটাকে মুড়ে ফেলা হল। মৃতদেহর কাছে পড়ে থাকা পাথরের মুণ্ডটাকেও পলিথিন দিয়ে জড়িয়ে ব্যাগে ভরে নেওয়া হল। তারপর মৃতদেহ আর যে জিনিসটা দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অনুমান সেটা নিয়ে পুলিসকর্মীরা এগল বাইরে ফাঁকা জমিটার দিকে। স্বাগতরাও এগল তাদের পিছনে।

    ফাঁকা জমিতে রাখা শবদেহবাহী গাড়িতে মরদেহ তোলা হল। কিছু পুলিসকর্মী তা নিয়ে রওনা হয়ে গেল সিয়েমরিপের দিকে। চীনা দু’জনও তাদের পিছনে অন্য একটা গাড়ি নিয়ে চলল। মরদেহটা চলে যেতেই স্থানীয় মানুষদের জমায়েত হালকা হয়ে গেল। কৌতূহলী যে কয়েকজন সেখানে তখনও দাঁড়িয়েছিল তাদের ধমক দিয়ে হটিয়ে দিলেন বাকুম। সে জায়গায় রইল শুধু স্বাগতরা আর কিছু সঙ্গীসহ পুলিসকর্তা কিম। সবাই চলে যাওয়ার পর বাকুম প্রফেসর রামমূর্তিকে বললেন, ‘ফঙ আর হোয়াঙের দু’টি হত্যার মধ্যেই বেশ মিল আছে। দু’জনকেই পাথরের আঘাতে খুন করা হয়েছে। যে পাথরটা আমরা সংগ্রহ করলাম তার গায়ে হোয়াঙের মাথার চামড়া সমেত কিছু চুল লেগে আছে। আর দুটো পাথরই নারী মূর্তির মাথা।’

    প্রফেসর জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ, তাই তো দেখছি।’

    বাকুম বললেন, ‘হোয়াও জুয়ার আড্ডা চালাত। বেশ কয়েকবার নানান পুলিসি ঝামেলাতেও জড়িয়েছে। বেশ কয়েকটা মামলাও আছে ওর নামে। বুঝতেই পারছেন লোকটাকে ঠিক ভালো বলা যায় না। এ ধরনের লোকের শত্রুও প্রচুর থাকে। কাজেই এদের খুন হওয়াটা আশ্চর্যের কিছু নয়। এটা হতেই পারে যে শহর থেকে কোনও লোক বা লোকেরা ওর পিছু ধাওয়া করে এসেছিল। তারপর জঙ্গলের মধ্যে ওকে একলা পেয়ে খুন করে। কিন্তু আমাকে ভাবাচ্ছে হত্যা ধরনটা। কেউ ওকে খুন করার জন্য অনুসরণ করলে সে নিশ্চয়ই বন্দুক বা অস্ত্র নিয়ে তৈরি হয়ে আসবে এবং তা দিয়েই ওকে খুন করবে সেটাই স্বাভাবিক। তবে খুনি মনে হয় হোয়াঙের গাড়ি নিয়ে ভেগেছে। সেটা এখানে নেই।’ এ কথা বলার পর তিনি একটু থেমে বললেন, ‘আমার ধারণা হোয়াঙ আর ফঙকে একই লোক বা লোকেরা খুন করেছে, কারণ হত্যা পদ্ধতি একইরকম। আর ওই পাথরের মুণ্ডটা হয়তো আপনাদের মন্দির থেকেই সংগ্রহ করা হয়ে থাকতে পারে। কারণ, এখানে তো কোনও ভাঙা মূর্তি নজরে পড়ল না।’

    পুলিস কর্তার কথায় প্রফেসর কোনও মন্তব্য করলেন না৷

    বাকুম এরপর সবাইকে একটু চমকে দিয়ে প্রফেসরকে বললেন, ‘দু’দিন আগে আপনি সিয়েমরিপে হোয়াঙের জুয়ার আড্ডাতে ওর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন। কথা প্রসঙ্গে ওর সঙ্গী দু’জনই কথাটা আমাকে বলল। যদিও আপনাদের দু’জনের মধ্যে কী আলোচনা হয়েছিল তাদের জানা নেই। তারা এ কথাও বলল, আপনি এর আগেও বেশ কয়েকবার ওর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এর কারণটা বলবেন? ওর মতো লোকের সঙ্গে আপনি যোগাযোগ রাখতেন কেন? ওর সঙ্গে আপনার কীভাবেই বা পরিচয় হয়েছিল?’

    প্রফেসর প্রথমে জবাব দিলেন, ‘আমি এখানে আসার পর সিয়েমরিপ বাজারেই একদিন ওর সঙ্গে পরিচয় হয়।’ এ কথা বলে তিনি স্বাগতদের দিকে একবার তাকিয়ে নিয়ে বললেন, ‘আমি ওর কাছে যেতাম ইউএস ডলার ভাঙাবার জন্য। অন্য ভারতীয়দের মতো আমিও এদেশে আসার সময় মার্কিন ডলার নিয়েই এসেছিলাম। আমার সঙ্গে ওর পরিচয়ের দিন ওই আমাকে বলেছিল যে, ও মার্কিন ডলার ভাঙিয়ে কম্বোডিয়ান টাকা দেয়। আর তার রেট এখানকার ব্যাঙ্কের বা মানি এক্সচেঞ্জ সংস্থাগুলোর তুলনায় বেশ খানিকটা বেশি। হ্যাঁ, সেদিনও ডলার ভাঙাতেই আমি ওর ওখানে গিয়েছিলাম।’

    প্রফেসরের জবাব শুনে তিনি আবার প্রশ্ন করলেন, ‘সে যে এখানে ব্যাঙ ধরতে আসবে সে কথা আপনাকে জানিয়েছিল?’

    প্রফেসর বললেন, ‘না, তেমন কোনও কথা সে বলেনি আমাকে।’

    বাকুম একটু চুপ করে থেকে কী যেন ভেবে নিয়ে বললেন, ‘ঠিক আছে, আর এখন কোনও কিছু আপনাকে জিজ্ঞেস করার নেই। আমি যে কাজের জন্য এসেছিলাম এবার সেই কাজের জন্য বিষ্ণুলোকের দিকে যাই। প্রয়োজনে আমি পরে আপনার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলব বা সাক্ষাৎ করে নেব।’

    এ কথা বলে তিনি তার গাড়ির দিকে এগতে যাচ্ছিলেন, ঠিক সেই সময় প্রফেসর তাঁকে প্রশ্ন করলেন — ওদিকে কীসের তদন্ত করতে যাচ্ছেন?’

    পুলিস অফিসার বাকুম প্রশ্ন শুনে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ে হেসে বললেন, “একটা রিউমার বা গুজবের তদন্ত করতে। গতকাল মন্দিরের বাইরে পরিখাতে নাকি কুমির দেখা গিয়েছে বলে একটা গুজব ছড়িয়েছে। স্থানীয় একজন লোক নাকি পরিখাতে কুমির দেখেছে বলে দাবি করেছে। একসময় পরিখাতে কুমির থাকত ঠিকই কিন্তু এখন ব্যাপারটা অসম্ভব। কে বা কারা কী কারণে গুজবটা ছড়াচ্ছে, সেটা একবার অনুসন্ধান করার প্রয়োজন। দেশ-বিদেশ থেকে বহু মানুষ আঙ্করের বিষ্ণুমন্দির দেখতে আসেন। তাই ওই জায়গার নিরাপত্তা সম্পর্কে সবসময় আমাদের সতর্ক থাকতে হয়। তারপর আবার এই মন্দির নগরীতে পরপর দুটো খুন হয়ে গেল! কোন ঘটনার সঙ্গে কোন ঘটনার যোগসূত্র বের হয় কে জানে?’

    এ কথা বলার পর গাড়িতে গিয়ে উঠে বসলেন বাকুম ও তাঁর সঙ্গীরা। সে জায়গা ছেড়ে তারা রওনা হয়ে গেলেন বিষ্ণুলোকের দিকে। আর স্বাগতরাও মন্দিরে ফেরার পথ ধরল। গম্ভীরভাবে চিন্তামগ্ন হয়ে হাঁটতে লাগলেন প্রফেসর। স্বাগত ভাবতে লাগল হোয়াঙের সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যাপারে প্রফেসর যে সরল ব্যাখ্যা দিলেন তা কি সত্যি? কেন জানি তার মনে হতে লাগল প্রফেসর পুলিসের কাছে সত্যি গোপন করলেন। তাঁরা হাঁটতে হাঁটতে মন্দিরের কাছাকাছি পৌঁছতেই দেখতে পেল নারেঙ খাম আসছে! স্বাগতদের সামনে এসে সে দাঁড়িয়ে পড়ল। তারপর বলল, ‘কী সাংঘাতিক ব্যাপার! শুনলাম জুয়ার আড্ডার মালিক চীনা হোয়াঙ নাকি খুন হয়েছে! আবারও একটা খুন!’

    প্রফেসর বললেন, ‘হ্যাঁ, পুলিস বডি তুলে নিয়ে গেল।’

    —‘কীভাবে খুন? কারা করল?’

    স্বাগত জবাব দিল, ‘পাথরের আঘাতে। কে খুন করল, কেন খুন করল তা এখনও জানা যায়নি।’

    নারেঙ প্রফেসরের উদ্দেশে বলল, “আমি তো আপনার খোঁজে মন্দিরে গিয়েছিলাম। সেখানে আপনাদের দুই সহকারিণীর মুখে ঘটনাটা শুনলাম। আমি একটু আগেই এখানে এসেছি।”

    প্রফেসর গম্ভীরভাবে বললেন, ‘আমার খোঁজে মন্দিরে গিয়েছিলেন! কোনও বিশেষ দরকার আছে কি?’

    নারেঙ বলল, ‘না, বিশেষ দরকার কিছু নেই। তবে আমি কাল ফিরে যাব। প্রথমে নমপেন। তারপর সেখান থেকে ফ্রান্সে ফিরে যাব। আমার ছবি তোলার কাজ শেষ। যে ব্যবসায়িক প্রয়োজন ছিল সে সব কথাবার্তাও শেষ। তাই যাওয়ার আগে একবার আপনাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছিলাম।’

    প্রফেসর বললেন, ‘ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার যাত্রা শুভ হোক।’

    নারেঙ বলল, ‘তবে যাওয়ার আগে আপনাকে একটা কথা বলে যাই। পরপর এখানে দুটো খুন হয়ে গেল। এ জায়গার পরিবেশ পরিস্থিতি হঠাৎই কেমন যেন আতঙ্কজনক হয়ে উঠেছে। আপনাদেরও এখানে থাকা ঠিক হবে বলে মনে হয় না। অন্তত কিছু দিনের জন্য হলেও সিয়েমরিপে গিয়ে থাকুন। তেমন হলে সকালে এখানে এসে কাজ করবেন আবার সন্ধ্যা নামার আগে ফিরে যাবেন। এটাকে আপনাদের প্রতি আমার পরামর্শ বলতে পারেন।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }