Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ৪১

    পর্ব ৪১

    প্রফেসর বললেন, ‘ধন্যবাদ আপনাকে। দেখি কী করি?’

    এরপর আর কথা বাড়াল না নারেঙ। মাথাটা ঈষৎ ঝুঁকিয়ে সবাইকে নমস্কার করে তাদের পাশ কাটিয়ে হাঁটতে শুরু করল। স্বাগতরাও এগল মন্দিরের দিকে।

    চত্বরে উঠে এল স্বাগতরা। নাতাশা আর সুরভী চত্বরেই এক পাথর খণ্ডর ওপর বসেছিল। স্বাগতদের সামনে তারা এগিয়ে এল। দু’জনেরই চোখেমুখে উৎকণ্ঠার চিহ্ন। সুরভী জানতে চাইল, “কী দেখলে?”

    সুরভী তার কথার জবাব পাওয়ার আগেই নাতাশা বলল, ‘আমি আর খুনোখুনির কথা শুনতে চাই না। আমি ঘরে গেলাম।’ এই বলে সে তার ঘরের দিকে পা বাড়াল।

    স্বাগত সুরভীর প্রশ্নর জবাবে বলল, ‘হ্যাঁ, ঘটনাটা সত্যি। হোয়াঙ খুন হয়েছে। পুলিস তার দেহ তুলে নিয়ে গেল।’

    প্রফেসর এরপর সুরভীকে জিজ্ঞেস করল, ‘নারেঙ খাম তো এখানে এসেছিল। সে তোমাদের কী বলে গেল?’

    সুরভী উত্তর দিল, ‘সে বলল, সে নাকি চলে যাচ্ছে। তাই যাওয়ার আগে আমাদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল। নাতাশা তাকে খুনের কথাটা বলল, সেটা শুনে নারেও বলল, আমাদের নাকি এখানে থাকা উচিত হবে না। তারপর সে আমার কাছে জল খেতে চাইল। আমি ঘর থেকে জল এনে দিলাম, জল খেয়ে সে চলে গেল।’

    প্রফেসর আর কারও সঙ্গে কোনও কথা বললেন না। নিজের ঘরের দিকে পা বাড়ালেন। তিনি ঘরে চলে যাওয়ার পর সুরভী বলল, ‘নাতাশা কিন্তু আজকের ঘটনা শুনে আরও ভয় পেয়ে গেছে। আমি ঘরে যাই, ওকে সাহস দেওয়ার চেষ্টা করি।’ —এ কথা বলে সেও এগল ঘরের দিকে।

    বিক্রম বলল, ‘তাহলে আজ আমাদের সিয়েমরিপ যাওয়া ক্যান্সেল, তাই তো?’

    প্রীতম বলল, ‘হ্যাঁ, আজ আর কোথাও যাওয়া উচিত হবে না। তাছাড়া মুডটাও নষ্ট হয়ে গেল।’

    হেরুম স্বাগতদের কাছে জানতে চাইল, ‘আমি কী করব?’

    স্বাগত বলল, “তুমি যখন এসেই পড়েছ তখন দুপুরের রান্নাটা সেরে দিয়ে যাও।’

    স্বাগতর নির্দেশ পালন করতে সে এগল ভাঁড়ার ঘরের দিকে।

    চত্বরেই এরপর বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে স্বাগতরা তিনজন কথাবার্তা বলল খুনের ঘটনা নিয়ে। তারপর নিজেদের ঘরের দিকে পা বাড়াল। বড্ড কড়া রোদে, তাদের আর চত্বরে দাঁড়িয়ে থাকা সম্ভব হল না। নিজের ঘরে ঢোকার আগে স্বাগত হেরুমকে বলে এল সে যেন খাবার সকলের ঘরে পৌঁছে দেয়।

    ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই হেরুম তার কাজ সেরে ফেলল। স্বাগতর ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার পর আর কোনও কাজ না থাকায় বাড়ি ফেরার পথ ধরল।

    খাওয়া সেরে বিছানায় শুয়ে স্বাগত নানা কথা ভাবতে লাগল। হোয়াঙের মৃত্যুর সঙ্গে কি এই মন্দিরের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক আছে? তার মৃত্যু আর ফঙের মৃত্যু কি একসূত্রে গাঁথা? হেরুম বলেছিল ফঙ যেদিন মারা যায়, তার আগে সে সিয়েমরিপে হোয়াঙের সঙ্গে ফঙকে কথা বলতে দেখেছিল! হোয়াঙ কি সত্যি ব্যাঙ ধরতে এসেছিল, নাকি এসেছিল অন্য কোনও কারণে? প্রফেসরের সঙ্গে সত্যিই কি তার শুধু ডলার ভাঙাবার সম্পর্ক ছিল? নাকি প্রফেসর কিছু গোপন করছেন? প্রফেসর আজকের ঘটনার পর কী সিদ্ধান্ত নেবেন? তিনি কি এ জায়গা ছেড়ে চলে যাবেন? — এ সব কথা ভেবে চলল স্বাগত। ভাবতে লাগল খামের যুবতীর কথাও। তার পরিচয় কী? কেন তার মধ্যে এত গোপনীয়তা, নিজেকে লুকিয়ে রাখার প্রচেষ্টা?? —এ সব কথা ভাবতে ভাবতেই হঠাৎ স্বাগত খেয়াল করল জানলার বাইরে পাথুরে চত্বরে কড়া রোদ যেন হঠাৎই নরম হয়ে আসতে শুরু করেছে! কিছুক্ষণের মধ্যেই স্বাগত বুঝতে পারল আকাশে আবার বর্ষার মেঘ জমতে শুরু করেছে।

    স্বাগতর অনুমানই ঠিক হল। বিকেল হওয়ার আগেই বাইরে যেন সন্ধ্যা নেমে এল। তারপর শুরু হল মুষলধারে বৃষ্টি। স্বাগতর আর ঘরের বাইরে বেরনো হল না। ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে চলল। বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামল এক সময়। কিন্তু বৃষ্টির বিরাম নেই। সন্ধ্যার কিছু পরে রামমূর্তি স্যরের ফোন এল। তিনি বললেন, ‘বৃষ্টির যা অবস্থা তাতে রাতে জলে ভিজে রান্না করার প্রয়োজন নেই। শুকনো খাবার খেয়ে রাতটা কাটিয়ে দিও। ব্যাপারটা অন্যদের জানিয়ে দাও।’

    স্বাগত বলল, ‘জানিয়ে দিচ্ছি। আমরা এখানে থাকব কি না সে ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত নিলেন?’

    রামমূর্তি স্যর জবাব দিলেন, ‘আশা করছি কালকের মধ্যেই সে ব্যাপারে তোমাদের জানিয়ে দেব।’ এ কথাটা বলে স্বাগতকে আর কোনও কথা বলার সুযোগ না দিয়ে কোন কল কেটে দিলেন রামমূর্তি স্যর। স্বাগত অন্য দুই ঘরে থাকা বিক্রম আর সুরভীর মোবাইল ফোনে কথাটা জানিয়ে দিল।

    স্বাগতর ঘরের বাতির জোর কমে এসেছে। হয়তো বা অন্য ঘরের আলো- পাখার অবস্থাও তাই। রামমূর্তি স্যর যদি এখানেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তবে সিয়েমরিপ গিয়ে ব্যাটারিতে চার্জ দিয়ে আনতে হবে। রাত আটটা নাগাদ এক প্যাকেট বিস্কুট আর জল দিয়ে রাতের খাওয়া শেষ করে স্বাগত শুয়ে পড়ল। আবার নানান প্রশ্ন ভিড় করতে লাগল তার মনের মধ্যে। বাইরে বৃষ্টি হয়েই চলেছে। সময় এগিয়ে চলল। স্বাগত ভাবতে লাগল খামের যুবতীর কথা। সে তাকে তার কাহিনি শোনাবার জন্য এত উদগ্রীব ছিল কেন? আর কেনই বা কাহিনির শেষ অংশ তাকে সে শুনিয়ে যেতে পারল না? তার কীসের এত ভয়? কাকে এত ভয়? যে কারণে সে সব সময় নিজেকে লোকচক্ষুর আড়ালে রাখতে চায়? এ সব কথা ভাবতে ভাবতে এক সময় স্বাগত ঘুমিয়ে গেল।

    স্বাগত একটা স্বপ্ন দেখছিল। সে দাঁড়িয়ে আছে বিষ্ণুলোকের সামনে পরিখার পাশে। বেলাশেষের আলোতে ঝলমল করছে বিষ্ণুলোকের চূড়াগুলো। চারপাশে অগণিত জনতার ভিড় আর কোলাহল। বিষ্ণুলোকের প্রবেশ তোরণ সাজানো হয়েছে ফুল মালা দিয়ে। আর সামনে নির্মাণ করা হয়েছে কাঠের তৈরি এক মঞ্চ। রংবেরঙের নিশান উড়ছে সেখানে। স্বাগতর চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকা নর-নারীদের পরনেও নতুন পোশাক। মাঝে মাঝে জনতার ভিড়ের মধ্যে দিয়ে অশ্বপৃষ্ঠে দেখা মিলছে সৈনিকদের। তাদের শিরস্ত্রানগুলোও ঘষেমেজে ঝকঝকে করে তোলা হয়েছে। তাদের পোশাক, বর্মও সব ঝকমক করছে। চারপাশের অগণিত নর-নারীর মধ্যে স্বাগতর চোখ খুঁজে বেড়াচ্ছে একজনকে। সেই খামের যুবতীর আজ এই উৎসবস্থলে তার কাছে আসার কথা। স্বাগতর চোখ তাকেই খুঁজছে। ক্রমশ জন সমাগম বাড়ছে। কিন্তু তার দেখা নেই! সময় এগিয়ে চলেছে। ক্রমশ স্বাগতর মনে উৎকণ্ঠা বাড়ছে। সূর্য ঢলতে শুরু করেছে বিষ্ণুলোকের আড়ালে। একসময় বাদ্যযন্ত্রর শব্দ ভেসে আসতে লাগল মন্দিরের ভিতর থেকে। তা শুনে জনতা উল্লাসধ্বনি করে উঠল, ‘মহারাজ বাইরে আসছেন! মহারাজ দর্শন দেবেন’ বলে! স্বাগত তার দৃষ্টি নিক্ষেপ করতে লাগল একবার তোরণের দিকে, আর একবার তার চারপাশের ভিড়ের দিকে। বাদ্যযন্ত্রর শব্দ ক্রমশ তীব্র হয়ে উঠল। সভাসদ, ব্রাহ্মণ পুরোহিত পরিবৃত হয়ে মহারাজ তোরণের বাইরে বেরিয়ে এলেন। তাঁর রাজচ্ছত্র দেখার সঙ্গে সঙ্গে চারপাশের কোলাহল তীব্র হয়ে উঠল। স্বাগতও দেখতে পেল সেই সোনার তৈরি বিশাল রাজচ্ছত্র। সূর্য ডুবে যাওয়ার আগে সে তার সবটুকু কিরণ যেন ঢেলে দিয়েছে তার ওপর। দীর্ঘ দণ্ডর মাথায় শোভিত সেই রাজছত্র ধীরে ধীরে এগচ্ছে মঞ্চর দিকে। ওই মঞ্চে উঠেই মহারাজ দর্শন দেবেন প্রতীক্ষারত প্রজা ও অতিথি অভ্যাগতদের। আর ঠিক সেই মুহূর্তেই স্বাগত দেখতে পেল সেই খামের যুবতীকে। তার কিছুটা তফাত দিয়ে ভিড় ঠেলে সে অন্যদের মতোই সামনের দিকে এগবার চেষ্টা করছে। স্বাগত আর উদ্দেশে চিৎকার করে বলল, ‘এই তো আমি এখানে।’ কিন্তু স্বাগতর কণ্ঠস্বর অগণিত জনতার উল্লাসধ্বনি আর বাদ্যযন্ত্রর শব্দে হারিয়ে গেল। স্বাগতর ডাক যেন সে শুনতেই পেল না। স্বাগত এরপর তার পশ্চাদ্ধাবনের চেষ্টা করল। কিন্তু মহারাজকে দর্শন করতে আসা উন্মত্ত, উদ্বেলিত প্রজাদের ভিড় আর ধাক্কাধাক্কিতে খামের যুবতীর কাছে পৌঁছতে পারল না স্বাগত। জনতার ভিড়ের মাঝে হারিয়ে গেল খামের যুবতী। তবুও স্বাগত চেষ্টা করে যেতে লাগল যেদিকে যুবতী গিয়েছে অর্থাৎ মঞ্চর দিকে এগুবার জন্য। সোপানশ্রেণি বেয়ে মঞ্চে উঠছেন মহারাজ। স্বাগত একবার দেখল সেই দৃশ্য। মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মণের নামে জয়ধ্বনিতে আকাশ বিদীর্ণ করে দিচ্ছে। কিন্তু মঞ্চর দিকে তাকাবার অবকাশ নেই স্বাগতর। সে খুঁজছে সেই খামের যুবতীকে। আর এরপরই হঠাৎ যেন মুহূর্তর জন্য স্তব্ধ হয়ে গেল জনতা, আর তারপরই চারপাশে উৎসবে মুখরিত জনতার আনন্দধ্বনি যেন পাল্টে গেল। আতঙ্কিত স্বর ভেসে উঠল চারপাশে। যে জনতা মঞ্চর দিকে এগবার চেষ্টা করছিল তারাই উল্টো মুখে পালাবার চেষ্টা করতে লাগল। ঘটনাটা কী হল তা বুঝে ওঠার আগেই পলায়মান জনতার ধাক্কা খেয়ে স্বাগত পড়ে গেল। ঠিক সেই মুহূর্তেই হঠাৎ যেন দ্রুত আলো মুছে গিয়ে সন্ধ্যার অন্ধকার নামতে শুরু করল বিষ্ণুলোকে। চারপাশে এরপর নেমে এল জমাট বাঁধা অন্ধকার। শুধু তার কানে আসতে লাগল জনতার আতঙ্কিত চিৎকার। কয়েকজন তাকে পদদলিত করে গেল। পদপৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার জন্য স্বাগত উঠে দাঁড়াবার আপ্রাণ চেষ্টা করতে লাগল। দমবন্ধ হয়ে আসছে তার! এরপরই স্বাগতর ঘুম ভেঙে গেল। সে বুঝতে পারল স্বপ্ন দেখছিল। তার শরীর ঘেমে গিয়েছে। বাইরে বৃষ্টির শব্দ বেশ খানিকটা কম, তার পরিবর্তে ভেসে আসছে অসংখ্য ব্যাঙের কলরব। তা অনেকটা যেন স্বপ্নের মধ্যে শোনা
    জনকোলাহলের মতোই।

    জানলার দিকে মুখ ফিরিয়ে শুলো স্বাগত। সে দেখল বাইরে বৃষ্টি পুরোপুরি না থামলেও মেঘ অনেকটাই সরে গিয়েছে। কারণ, আবছা চাঁদের আলো এসে পড়ছে চত্বরে। গলাটা শুকিয়ে গেছে স্বাগতর। হয়তো বা স্বপ্নটা দেখার জন্যই। স্বাগত বিছানা থেকে নেমে বোতল থেকে জল পান করে আবার শুয়ে পড়তে যাচ্ছিল, ঠিক সেই সময় জানলার দিকে চোখ পড়তেই থমকে গেল। একটা ছায়ামূর্তি যেন এসে দাঁড়িয়েছে জানলার পাশে! আবছা একটা ছায়া পড়েছে জানলার কপাটে। ছায়াটা দুলছে। কেউ সেখানে দাঁড়িয়ে আছে মুহূর্তর মধ্যে স্বাগত নিশ্চিত হওয়ার পর বলে উঠল, ‘কে? কে ওখানে?’

    প্রথমে কোনও জবাব মিলল না। স্বাগত কাছেই টেবিল থেকে টর্চটা উঠিয়ে নিল বাইরে আলো ফেলার জন্য। ঠিক সেই মুহূর্তে জানলার বাইরে থেকে একটা কণ্ঠস্বর ভেসে এল — ‘আলো জ্বালিও না। আমি এসেছি।’

    নারী কণ্ঠ স্বর। যে স্বর স্বাগতর পরিচিত। বৃষ্টি ভেজা বাতাসে একটা পরিচিত সুগন্ধও এসে লাগল তার নাকে। জানলার সামনে আত্মপ্রকাশ করল এক নারী। স্বাগতও দু’পা এগিয়ে জানলার সামনে গিয়ে দাঁড়াল। বর্ষণসিক সেই নারীকে চিনতে ভুল হল না স্বাগত। সেই খামের যুবতী উপস্থিত হয়েছে তার জানলার ওপাশে। প্রাথমিক বিস্ময়েরর ঘোর কাটিয়ে উঠে স্বাগত তার উদ্দেশে বলল, ‘তুমি এখানে এসেছ!’

    চাপা স্বরে সেই নারী জবাব দিল, ‘হ্যাঁ, এনেছি। আমার গল্পের শেষ অংশটা তোমাকে শোনাবার একটা শেষ চেষ্টা করতে।’

    স্বাগত বুঝে উঠতে পারল না, এত রাতে এই নারীকে তার ঘরে আমন্ত্রণ জানানো ঠিক হবে কি না? তবে খামের যুবতী তার সংশয়ের অবসান ঘটিয়ে বলল, ‘না, আমি ঘরে প্রবেশ করব না। তাতে দু’জনেরই বিপদ হতে পারে। আমি এখানে দাঁড়িয়েই আমার কাহিনি দ্রুত শেষ করে চলে যাব। আগামী কাল পূর্ণিমা। তার আগেই আমার গল্পের শেষ অংশটা শুনতে হবে তোমাকে।’

    স্বাগত বলল, ‘জানো, আমি একটু আগে তোমাকে নিয়েই স্বপ্ন দেখছিলাম।’

    স্বাগত কী স্বপ্ন দেখছিল জানতে চাইল না খানের যুবতী। জল ঝরছে তার শরীর বেয়ে, বৃষ্টিতে সর্বাঙ্গ ভিজে চলেছে তার। চাঁদের আলোতে যুবতীর মুখমণ্ডলে যেন একটা উৎকণ্ঠা-উত্তেজনার ভাব ফুটে আছে। সে বলল, ‘এবার গল্পর শেষটা বলি তোমাকে। সেটা শোনার পর তুমি হয়তো রক্ষা করতে পারবে বিষ্ণুলোককে।’

    এ কথা শুনে স্বাগত জানতে চাইল, “বিষ্ণুলোককে রক্ষা করতে পারব মানে? কীসের থেকে রক্ষা?”

    তার এ প্রশ্নর জবাব না দিয়ে একবার চত্বরের দিকে তাকিয়ে নিয়ে তার কাহিনিতে চলে গেল খামের যুবতী। বলতে শুরু করল, “হ্যাঁ, উগ্রদেবের প্রাসাদের ভিতরেই রইল চম্পা। প্রতি মুহূর্তে তার মনের মধ্যে উত্তেজনা-উৎকণ্ঠা কাজ করছে। উৎসবের দিন তো এসেই গেল। এই প্রাসাদ থেকে মুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট দিনে, নির্দিষ্ট স্থানে সে বহ্নির সঙ্গে মিলিত হতে পারবে কি? পালিয়ে যেতে পারবে কি দূর দেশে তার সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করার জন্য? একই সঙ্গে কালচক্রসহ অন্য চামেরা এসে উগ্রদেবের প্রাসাদে আশ্রয় গ্রহণ করেছে কেন সে ব্যাপারেও শঙ্কার সৃষ্টি হল চম্পার মনে। তাদের নৃত্য প্রদর্শন করে নিজ কক্ষে ফিরে আসার পর এসব কথা ভাবতে ভাবতে সারা রাত প্রায় জেগেই কাটিয়ে দিল চম্পা।

    পরদিন ভোরের আলো ফোটার পর বেশ খানিকক্ষণ বাদে খাদ্য দিতে আসা ভৃত্যর করাঘাতে ঘুম ভাঙল চম্পার। খাদ্য দিয়ে চলে গেল লোকটা। মাঝে আজ আর কাল দুটো দিন। সে কি পারবে এ প্রাসাদ থেকে মুক্ত হতে? একই কথা ভাবতে লাগল চম্পা। সকাল গড়িয়ে দুপুর হল, তারপর বিকাল।

    বিকাল হতেই চম্পার মন বহ্নির জন্য ছটফট করতে লাগল। আজও হয়তো বহ্নি আসবে তাকে একঝলক দেখার জন্য। কিন্তু চম্পার দেখা সে পাবে না। বিকাল হতেই একজন রক্ষী এসে চম্পাকে ফুল দিয়ে বলে গেল সন্ধ্যার পর সে তাকে নাচঘরে অতিথিদের কাছে নৃত্য প্রদর্শনের জন্য নিয়ে যাবে।

    সে চলে যাওয়ার পর নিজের বিহ্বলতা কাটিয়ে মনকে শক্ত করল চম্পা। সে বুঝতে পারল এ দুটো দিন তার মন শক্ত রাখা জরুরি। যাতে কোনও কারণে তার প্রতি কারও মনে কোনও সন্দেহ না হয়। ঠান্ডা মাথায় তাকে বিপদ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। ফুলমালা, চন্দনে নিজেকে সজ্জিত করে তুলল চম্পা, পায়ে বেঁধে নিল ঘুঙুরের ছড়া। সন্ধ্যা নামার পর রক্ষী এসে তাকে নিয়ে গেল অতিথিদের প্রমোদ কক্ষে।

    আগের দিনের মতোই মশালের উজ্জ্বল আলোতে আলোকিত কক্ষ। মদিরার পাত্র হাতে উপস্থিত দাসীরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে কক্ষে প্রবেশ করল চামেরা। তবে তাদের সঙ্গে গৃহস্বামী উগ্রদেব নেই। তাঁর আগমণের প্রতীক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিল চম্পা। কিন্তু কালচক্র তার উদ্দেশে বলল, ‘তুই নাচ শুরু কর।’ অগত্যা চম্পা তার নৃত্য প্রদর্শন শুরু করল। মদিরা পান করতে করতে তার নৃত্য উপভোগ করতে লাগল চামেরা। রাত বেড়ে চলল। মদিরার নেশায় মাঝে মাঝে অসংলগ্ন কথাও বলতে শুরু করল চামেরা। তখন প্রায় মধ্যরাত। নৃত্য প্রদর্শন করতে করতে ক্লান্ত হয়ে উঠেছে চম্পা। ঠিক এমন সময় হঠাৎই বাদ্যকাররা বাজনা থামিয়ে দিল। নৃত্যরত অবস্থাতেই চম্পা দেখল মখমলের পর্দা সরিয়ে কক্ষে প্রবেশ করলেন উগ্রদেব। চম্পাও থেমে গেল। উগ্রদেব এসে দাঁড়ালেন চামেদের সামনে। তারপর তাদের উদ্দেশে বললেন, ‘বিষ্ণুলোকে উৎসবের আয়োজনের তদারকি করতে আমাকে সারাদিন সে স্থানেই থাকতে হয়েছে। এই মাত্র প্রাসাদে প্রবেশ করলাম। আশা করি আমার অনুপস্থিতিতে আপনাদের আমোদের কোনও ত্রুটি হয়নি?’

    সবাই ঘাড় নেড়ে বলল —’একদমই নয়।’

    এরপরই একজন নেশাগ্রস্ত চাম উগ্রদেবের উদ্দেশে বলল, ‘মহারাজ, আপনি এবার আসন গ্রহণ করুন।’

    তাঁকে মহারাজ, বলে সম্বোধন করায় মুহূর্তর জন্য যেন একটা অপ্রস্তুত ভাব ফুটে উঠল উগ্রদেবের চোখে-মুখে।

    ভর্ৎসনার দৃষ্টিতে লোকটার দিকে তাকালেন তিনি। তারপর হাতের ইশারায় তাঁর অতিথিরা ছাড়া অন্য যারা ছিল তাঁদের কক্ষ থেকে বেরিয়ে যেতে বললেন। তা দেখে চম্পার মনে হল উগ্রদেব সম্ভবত কিছু আলোচনা করবেন চামেদের সঙ্গে। নিজ কক্ষে ফিরে এল চম্পা। ক্লান্ত অবসন্ন শরীরে সে ঘুমিয়ে পড়ল।

    পরদিন যথা নিয়মে ভোরের আলো ফুটল। এই একটা দিন এ প্রাসাদে কাটিয়ে যেভাবেই হোক চম্পাকে পরদিন প্রাসাদ ত্যাগ করতে হবে। সকাল-দুপুর নিজ কক্ষেই রইল চম্পা। বিকাল হওয়ার কিছু আগে করাঘাতের শব্দ শুনে সে ভাবল তার জন্য হয়তো ফুলমালা নিয়ে কেউ এসেছে। কিন্তু দরজা খুলে সে দেখতে পেল প্রধান দ্বাররক্ষী খড়্গা এসে উপস্থিত হয়েছে। খড়্গ চম্পাকে বলল, ‘প্রভু উগ্রদেব ও তাঁর বিশ্বস্ত অনুচরেরা কেউ প্রাসাদে নেই। তারা বিষ্ণুলোকে উৎসবের আয়োজনে গিয়েছে। সেই সুযোগে আমি তোমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলাম। কাল তো আষাঢ় পূর্ণিমা। মহারাজের জন্মোৎসব পালিত হবে।’

    খড়্গাকে দেখে চম্পার মনের ভিতরটা নেচে উঠল। সে বুঝতে পারল অর্থ লালসাই খড়্গাকে বিপদের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তার কাছে টেনে এনেছে। চম্পা খড়্গাকে বলল, ‘হ্যাঁ, কাল যেভাবেই হোক আমাকে কিছু সময়ের জন্য প্রাসাদের বাইরে যাওয়ার জন্য ব্যবস্থা করে দিতে হবে। আমি যথাসম্ভব দ্রুত গিয়ে মুদ্রার থলি নিয়ে ফিরে এসে তোমার হাতে তুলে দেব।’

    খড়্গা বলল, ‘হ্যাঁ, আমি সে ব্যাপারেই তোমার সঙ্গে কথা বলতে এসেছি।’ এরপর সে চারপাশে তাকিয়ে নিয়ে চাপাস্বরে বলল, ‘শোনো নর্তকী। কাল মধ্যাহ্নে প্রভু উগ্রদেবও প্রাসাদ ত্যাগ করে বিষ্ণুলোকে উৎসবস্থলের উদ্দেশে রওনা দেবেন। তিনি তাঁর সৈনিক-রক্ষীদের সকলকে নির্দেশ দিয়েছেন উত্তম পোশাক ও অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দ্বিপ্রহরের পর বিষ্ণুলোকে যাত্রা করার জন্য। বিকালবেলা এ প্রাসাদে সামান্য কয়েকজন রক্ষী-ভৃত্য ছাড়া অন্য কেউ থাকবে না। তুমি বিকালে প্রাসাদ ত্যাগ করে সূর্যাস্তের আগেই আবার ফিরে আসবে।’

    চম্পা বলল, ‘কিন্তু তোরণের প্রহরী যদি আমাকে প্রাসাদের বাইরে বেরতে বাধা দেয়?’

    খড়্গা বলল, ‘সেই দ্বাররক্ষী আমার বিশেষ ঘনিষ্ঠ। উৎকোচ প্রদান করে আমি তাকে বশ করব, সে তোমাকে আটকাবে না। এবার আমি যাই। কাল প্রধান তোরণে তোমার সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে।’

    চম্পা বলল, ‘আচ্ছা।’

    খড়্গা আর সে স্থানে দাঁড়াল না। দ্রুত স্থান ত্যাগ করল প্রাসাদের বাইরে যাওয়ার জন্য।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }