Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ৪২

    পর্ব ৪২

    পরদিন যথা নিয়মে ভোরের আলো ফুটল। এই একটা দিন এ প্রাসাদে কাটিয়ে যেভাবেই হোক চম্পাকে পরদিন প্রাসাদ ত্যাগ করতে হবে। সকাল-দুপুর নিজ কক্ষেই রইল চম্পা।

    চলে যাওয়ার পর দ্বার বন্ধ করে হাতজোড় করে চম্পা দেবতাদের উদ্দেশে প্রার্থনা জানাল, ‘হে ভগবান বিষ্ণু, হে মহাদেব সে নটরাজ তোমরা আমাকে আশীর্বাদ কর যাতে আমার পরিকল্পনা সার্থক হয়, আমি যেন মুক্তি লাভ করতে পারি এই স্থান থেকে, যেন মিলিত হতে পারি আমার ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে।’

    সেদিন সন্ধ্যা নামার পরও যথারীতি ডাক এল চম্পার।”

    —একটানা কথাগুলো বলে থামল খামের যুবতী। ইতিমধ্যেই বৃষ্টি আরও খানিকটা কমে এসেছে। মেঘ কেটে চাঁদ আত্মপ্রকাশ করেছে। তার আলো ছড়িয়ে পড়েছে চত্বরে, প্রাচীন মন্দির তোরণের মাথার ওপর বিষ্ণুর মুখমণ্ডলে। খামের যুবতীর মুখেও চাঁদের আলো এসে পড়ছে। চুল থেকে জলের ফোঁটা ঝরে পড়ছে খামের যুবতীর মুখে, পোশাক ভিজে লেপ্টে আছে শরীরের সঙ্গে। স্বাগত খেয়াল করল সিক্ত বসনা যুবতীকে চাঁদের আলোতে সুন্দরী দেখালেও তার চোখেমুখে যেন শঙ্কার ভাব জেগে আছে।

    তবে বৃষ্টি থামতে চললেও ব্যাঙের ডাকের বিরাম নেই। ঝাঁকে ঝাঁকে ব্যাঙ উল্লসিত কলরব করে চলেছে। চত্বরের দিকে ভালো করে দেখে নেওয়ার পর সে আবার বলতে শুরু করল— “নৃত্যকক্ষে প্রবেশ করল চম্পা। দেখল উগ্রদেবের অতিথিরা ইতিমধ্যে সে স্থানে উপস্থিত হয়ে মদ্যপান শুরু করে দিয়েছে। তবে গৃহস্বামী সে স্থানে উপস্থিত নেই। সম্ভবত তিনি বিষ্ণুলোক থেকে নিজ প্রাসাদে ফেরেননি। চামেদের মধ্যে আরও একজন ব্যক্তি সেই কক্ষে অনুপস্থিত। সে হল কালচক্র।

    চম্পা উপস্থিত সকলকে অভিবাদন জানিয়ে নৃত্য প্রদর্শন শুরু করল। তার নৃত্য উপভোগ করতে করতে মদিরা পান করে চলল চামেরা। চম্পা খেয়াল করল আজ চামেদের মধ্যে মদিরা পানের প্রবণতা বেশি। যেন কোনও ঘটনার উদ্যাপন ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে তারা। পরদিন মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মণের জন্মোৎসব। কিন্তু সে কারণে তাঁর চিরশত্রু চামেদের মনে উৎফুল্ল ভাব কেন প্রকাশ পাবে তা বুঝে উঠতে পারল না চম্পা। নেচে চলল সে। একের পর এক স্ফটিকের পানপাত্র শূন্য করতে করতে নিজেদের মধ্যে চটুল অসংলগ্ন বাক্য বিনিময় করতে লাগল তারা। সে খেয়াল করল চামেদের মধ্যে একজন লোলুপ দৃষ্টিতে তার নৃত্যরত ঘর্মাক্ত শরীরের দিকে চেয়ে আছে আর মাঝে মাঝে জিভ চাটছে। রাত যত বাড়তে লাগল চামেদের নেশার ঘোর, অসংলগ্ন আচরণ তত বৃদ্ধি পেতে লাগল। আসনে বসে তারা বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করতে লাগল। রাত আরও গভীর হল। হঠাৎ একজন চাম, চম্পাকে নির্দেশ দিল, ‘এবার তুই থাম। শুধু নৃত্য দেখতে আর ভালো লাগছে না।’

    থেমে গেল চম্পা। বাদ্যকাররাও থেমে গেল।

    অপর একজন নির্দেশ দিল, ‘তোরা সবাই যারা এ কক্ষে আছিস তারা বাইরে যা।’ এ নির্দেশ পেয়ে খুশিই হল সবাই, রাত অনেক হয়েছে। সবাই কক্ষ ত্যাগ করতে শুরু করল। চম্পাও কক্ষ ত্যাগ করতে যাচ্ছিল, ঠিক সেই সময় একজন চাম চম্পার উদ্দেশে বলল, ‘নর্তকী তুই এখানেই থাক।’

    এ লোকটা সেই লোক যে এতক্ষণ লোলুপ দৃষ্টিতে চেয়েছিল চম্পার দিকে। নির্দেশ মেনে চম্পা দাঁড়িয়ে পড়ল। অন্য সবাই কক্ষ ত্যাগ করল। সেই চাম এবার টলমল পায়ে উঠে দাঁড়িয়ে চম্পাকে বলল, ‘কাছে আয়, তোকে আমার চাই। শুধু তোর নাচ দেখে আমার মন ভরছে না।’

    লোকটার মনের ইচ্ছা অনুমান করে প্রমাদ গুনল চম্পা। সে বুঝে উঠতে পারল না ছুটে কক্ষের বাইরে যাবে কি না। কিন্তু উগ্রদেবের অতিথিরা অসন্তুষ্ট হলে তিনি যদি কুপিত হয়ে তাকে কারাগারে নিক্ষেপ করেন বা এমন অন্য কোনও শাস্তির বিধান দেন, যাতে পরদিন তার এ প্রাসাদ থেকে পালাবার পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়! সে ভয়েই কক্ষ ত্যাগ করতে পারল না। চম্পা। মাথা নিচু করে সে দাঁড়িয়ে রইল।

    লোকটার আহ্বানে সাড়া না দেওয়াতে সে টলমল পায়ে উঠে দাঁড়াল নিজেই চম্পাকে আলিঙ্গন করার জন্য। ঠিক সেই মুহূর্তে চম্পার মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল। সে লোকটার উদ্দেশে করজোড়ে বলল, ‘আমাকে মার্জনা করবেন। আমি নর্তকী, কিন্তু ইচ্ছা থাকলেও প্রভু উগ্রদেবের অনুমতি ছাড়া আমি কারও সঙ্গে মিলিত হতে পারি না। অনুমতি সংগ্রহ হলে আগামী কাল রাতে নিশ্চয়ই আমি আপনার ইচ্ছাপূরণ করব।’

    লোকটা তবুও তার দিকে এগতে যাচ্ছিল। কিন্তু তার পাশে বসা অন্য একজন চাম তার হাতটা চেপে ধরল। সে হয়তো বুঝতে পারল সঙ্গী যে কাজটা করতে যাচ্ছে, সে কাজের উপযুক্ত সময় এটা নয়। লোকটা তার কামার্ত সঙ্গীকে বলল, ‘উগ্রদেব হয়তো আর কিছুক্ষণের মধ্যেই চলে আসবেন। আজকের রাতটা অপেক্ষা কর তুমি। তিনি নিশ্চয়ই কাল তোমার ইচ্ছাপূরণে বাধা দেবেন না।’

    অন্য একজন বলল, ‘হ্যাঁ, কাল থেকে এ রাজ্যের সব কিছু তো আমাদেরই।’

    এরপর তৃতীয় একজন চাম মদিরার নেশাতে জড়ানো গলাতে যে কথাটা বলে ফেলল তা শুনে চমকে উঠল চম্পা। লোকটা বলল, ‘কাল এতক্ষণে রাজমুকুট পরে ফেলেছেন উগ্রদেব। কালচক্রর তির লক্ষ্যভেদে ব্যর্থ হয় না। সে তির বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামার আগেই বিদ্ধ হবে ধরণীন্দ্রবর্মণের বক্ষে। আমাদের নতুন মহারাজ উগ্রদেব নিশ্চয়ই আমাদের যেকোনও অনুরোধ রক্ষা করবেন কাল। এই সামান্য নারীকে নিশ্চয়ই লাভ করব আমরা।’

    লোকটা কথাগুলো চামদেশীয় ভাষায় বললেও দীর্ঘকাল তাদের দেশে থাকার কারণে তার কথা চম্পার বুঝতে অসুবিধা হল না। শিহরন খেলে গেল তার শরীরে। সে চামেদের আগমনের কারণ বুঝতে পারল। তাদের সাহায্যে মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মণকে হত্যার ষড়যন্ত্র রচনা করেছেন উগ্রদেব!

    তবে সঙ্গীদের নিষেধ শুনে সেই কামার্ত চাম আর চম্পার দিকে এগল না। সে চম্পাকে বলল, ‘ঠিক আছে এখন তুই যা। তবে কাল রাতে তুই আমার।’

    চম্পা আর বিলম্ব করল না। প্রমোদকক্ষ ত্যাগ করে কোনওক্রমে সে তার কক্ষে ফিরে এল। উত্তেজনায় তার হাত-পা কাঁপতে শুরু করল। মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মণ তার প্রাণরক্ষাকারী। চম্পা তাকে পিতার মতো শ্রদ্ধা করে। তাঁকেই হত্যা করতে চলেছেন উগ্রদেব! চম্পার পরিকল্পনা যদি সফল হয় তবে ততক্ষণে সে বহ্নির সঙ্গে পাড়ি দিয়েছে চন্দ্রালোকিত সমুদ্রপথে। এ দেশের সঙ্গে বা মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মণের সঙ্গে আর কোনও সংস্রব না থাকারই কথা। কিন্তু মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মণ তো তার প্রাণরক্ষা করেছেন। সেই কৃতজ্ঞতা চম্পা ভুলবে কীভাবে? তাঁর জীবন রক্ষার চেষ্টা করাও কি চম্পার কর্তব্য নয়? সারারাত ধরে ভাবার পর চম্পা শেষে সিদ্ধান্ত নিল, পরদিন বহ্নির সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ার পর সে ব্যাপারটা তাকে জানাবে। তারা নগরী ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার আগে বহ্নি যদি কোনওভাবে এই সংবাদ মহারাজের কাছে পৌঁছে দিতে পারে তবে মহারাজের প্রাণরক্ষা করা যাবে।’ এই বলে মুহূর্তর জন্য থামল খামের যুবতী।

    স্বাগত খেয়াল করল চাঁদের আলোতে দ্রুত তার কাহিনি শোনাতে শোনাতে উত্তেজিত হয়ে উঠেছে খামের যুবতীর মুখমণ্ডল। যেন কোনও একদিন সে নিজেই সাক্ষী ছিল ওই ঘটনার!

    যুবতী আবার বলতে শুরু করল— ‘রাত কেটে গিয়ে পরদিন ভোরের আলো ফুটল। আজ থেকে প্রায় হাজার বছর আগে আষাঢ় পুর্ণিমার দিন। নিজ কক্ষেই রইল চম্পা। আর বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সে সেই বদ্ধ কক্ষে বসেই শুনতে পেল প্রাসাদের বাইরে থেকে ভেসে আসা বাদ্যযন্ত্রর শব্দ। সকাল হতেই নগরীর নানা প্রান্ত থেকে প্রজারা বেরিয়ে পড়েছে প্রজাহিতৈষী মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মণের জন্মোৎসব পালনের জন্য। নগর পরিক্রমা করে তারা গিয়ে উপস্থিত হবে বিষ্ণুলোক তোরণের সামনে। বিকালবেলায় মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মণ প্রজাদের দর্শন দেবেন, তাদের আশীর্বাদ করবেন।

    সময় এগিয়ে চলতে লাগল। কিন্তু চম্পার মনে হচ্ছিল এক একটা মুহূর্ত যেন এক একটা প্রহর। কখন বিকাল হবে? মধ্যাহ্নের ঠিক আগে প্রাসাদের বাইরে বাদ্যযন্ত্র বাজতে থাকল। তারপর কিছুক্ষণের মধ্যে সে শব্দ দূরে সরে যেতে লাগল। চম্পা তা শুনে অনুমান করল উগ্রদেব প্রাসাদ ত্যাগ করে বিষ্ণুলোকের দিকে রওনা হলেন মহারাজের জন্মোৎসবে যোগ দেওয়ার জন্য, বলা ভালো মহারাজকে হত্যার পরিকল্পনা রূপায়ণের জন্য। কথাটা ভেবেই চম্পা শিউরে উঠল৷

    দুপুর হল। মধ্য দুপুরে প্রাসাদের ঠিক বাইরে থেকে ভেসে আসতে লাগল অশ্বের ডাক, লোকজনের কণ্ঠস্বর, নানা ধরনের শব্দ। চম্পা বুঝতে পারল উগ্রদেবের নির্দেশ মতো তাঁর ব্যক্তিগত রক্ষী ও সৈন্যরাও এবার বিষ্ণুলোকের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করার প্রস্তুতি শুরু করেছে। সে সময় হঠাৎ তার ঘরের দরজায় টোকা পড়ল। দরজা খুলতেই সে দেখল যে রক্ষী তাকে রোজ সন্ধ্যায় প্রমোদ কক্ষে নিয়ে যায়, সে এসে উপস্থিত হয়েছে। চম্পার মনের ভাব তার মুখে ফুটে না উঠলেও তাকে দেখে চম্পার মনে আতঙ্ক সৃষ্টি হল। এ সময় চামেদের মনোরঞ্জনের জন্য যেতে হবে নাকি? বিকাল হতে বেশি দেরি নেই আর। চামেদের মনোরঞ্জন করতে গেলে তো আর তার প্রাসাদ থেকে পালানো হবে না! রক্ষীর পরনে আজ নতুন সাজ-পোশাক, কোমরবন্ধে তলোয়ার ঝুলছে। সে চম্পাকে বলল, ‘আজ সন্ধ্যায় আমি তোমাকে নৃত্যকক্ষে নিয়ে… যেতে আসব না। উগ্রদেবের নির্দেশে এখনই বিষ্ণুলোকের দিকে রওনা হব আমরা। সন্ধ্যা নামার পর তুমি নিজেই গিয়ে উপস্থিত হবে প্রমোদকক্ষে। অতিথিদের মনোরঞ্জনের যেন কোনও ত্রুটি না হয়।’ এ কথা বলে সে চলে গেল। মনের শঙ্কা দূর হল চম্পার। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাইরের হ্রেষারব, সৈনিকদের চিৎকার, সম্মিলিত পদচারণার শব্দ প্রাসাদ ছেড়ে বাইরে রওনা হল। রক্ষী চলে যাওয়ার পর যে ভৃত্য ফুলমালা আনে সে এল। তার পরনেও নতুন পোশাক। চম্পা মিষ্টি হেসে তার পোশাকের প্রশংসা করতে সে জানাল যে বিষ্ণুলোকে উৎসব দেখতে যাচ্ছে। প্রাসাদের অনেক ভৃত্য-দাসীরাও নাকি বিষ্ণুলোকে যাচ্ছে।

    সেই ভৃত্য চলে যাওয়ার পর চম্পা নতুন পোশাকে আর ফুলমালাতে সাজিয়ে তুলতে লাগল নিজেকে। তার মনে হল উৎসবের দিনে সকলের মতো তারও সজ্জিত হওয়া দরকার। তাহলে কেউ তার সম্পর্কে কোনও সন্দেহ প্রকাশ করবে না।

    বিকাল হল এক সময়। ইতিমধ্যে সমস্ত প্রাসাদ যেন নিস্তব্ধ হয়ে গিয়েছে। উত্তেজনায় বুকের মধ্যে হাতুড়ি পিটছে কেউ যেন! কিন্তু সেই উত্তেজনা বাইরে প্রকাশ করলে চলবে না।

    যথাসম্ভব নিজেকে স্বাভাবিক রেখে কক্ষ ত্যাগ করল চম্পা। প্রাসাদের গোলকধাঁধায় পথ খুঁজতে লাগল বাইরে যাওয়ার জন্য। হঠাৎই এক আলিন্দে এক দাসীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়ে গেল তার। দাসী প্রমোদ কক্ষে তাতিথিদের মদ্য পরিবেশন করে। চম্পা তাকে জিজ্ঞেস করল, ‘প্রাসাদের বাইরে যাওয়ার পথ কোনটা?’

    ‘পথ

    দাসী অবাক হয়ে জানতে চাইল, ‘তুমি কোথায় যাবে?”

    মিথ্যার আশ্রয় নিতে হল চম্পাকে। সে বলল, ‘প্রভু উগ্রদেব নির্দেশ পাঠিয়েছেন আমাকে বিষ্ণুলোকে নৃত্য প্রদর্শন করতে যেতে হবে। সেই স্থানেই আমি নৃত্য প্রদর্শন করতাম কি না। একজন ভৃত্য এসে সে খবর জানিয়ে দিয়ে গিয়েছে।’ তবুও সেই দাসী চুপ করে রইল। সে বুঝে উঠতে পারল না প্রাসাদের বাইরে বেরবার পথ তাকে জানানো উচিত হবে কি না! তাকে চুপ করে থাকতে দেখে চম্পা ধমকের স্বরে বলল, কোনটা বল? প্রাকার তোরণের বাইরে আমাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য অশ্ব শকট এসেছে। আমার যেতে বিলম্ব হলে প্রভু উগ্রদেব ক্রুদ্ধ হবেন। আমি তখন বিলম্বের কারণ হিসাবে তোমার কথা বলব। আমি বিষ্ণুলোকে যথা সময়ে উপস্থিত হয়ে নৃত্য প্রদর্শন না করতে পারলে প্রভু তোমাকে কুমিরের মুখে ছুঁড়ে ফেলে দেবেন।’

    চম্পা এত দৃঢ়তার সঙ্গে কথাগুলো বলল যে, দাসী ভয় পেয়ে তাকে প্রাসাদের বাইরে যাওয়ার পথ দেখিয়ে দিল। তোরণে একজন দ্বাররক্ষী বর্শা হাতে দাঁড়িয়ে ছিল। সে চম্পাকে পথ ছেড়ে দিল। চম্পা বুঝতে পারল আগেই তাকে বশীভূত করে রেখেছে খড়্গ। খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রাসাদের বাইরে পা রাখল চম্পা। চারপাশে আর কোনও লোকজন নেই বললেই চলে। তারা সবাই রওনা হয়েছে বিষ্ণুলোকের দিকে। ভগবান বিষ্ণুকে স্মরণ করতে করতে বাগিচার মধ্যবর্তী পথ ধরে এগল প্রাকার তোরণের দিকে। সেই স্থানে পৌঁছে গেল সে। প্রধান দ্বাররক্ষী খড়্গা আর তার কয়েকজন অনুচর সেখানে দাঁড়িয়ে আছে। খড়্গর অনুচররা যেন দেখতেই পেল না চম্পাকে। খড়্গা তোরণের সামান্য অংশ ফাঁক করল। বিষ্ণু নাম স্মরণ করে চম্পা উগ্রদেবের প্রাসাদ ত্যাগ করার সময়, খড়্গা শুধু চাপা স্বরে বলল, ‘যত শীঘ্র পার ফিরে এসো। আমি এখানেই থাকব।’

    তোরণের বাইরের রাস্তা দিয়ে জনস্রোত ধাবিত হচ্ছে বিষ্ণুলোকের দিকে। চম্পা সেই ভিড়ে মিশে গিয়ে যথাসম্ভব দ্রুত এগিয়ে চলল বিষ্ণুলোকের দিকে। পথের দু’পাশের পতাকা দণ্ডে উড়ছে রঙিন পতাকা, কোথাও বাদ্যকাররা বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছে, কোথাও বা নৃত্য প্রদর্শন করছে নর্তকীর দল, কোথাও পরমান্ন বিতরণ করা হচ্ছে। কিন্তু সে সব দেখার সময় নেই চম্পার। সূর্য ক্রমশ ঢলতে শুরু করেছে আকাশের বুকে জেগে থাকা বিষ্ণুলোকের চূড়াগুলোর দিকে। চম্পাকে তাড়াতাড়ি পৌঁছতে হবে সে স্থানে, যে স্থানে তার জন্য প্রতীক্ষা করে আছে বহ্নি।’

    খামের সুন্দরী এ পর্যন্ত বলার পরই দূর থেকে একটা টর্চের আলো এসে পড়ল জানলার কিছুটা তফাতে। সঙ্গে সঙ্গে যুবতী তার কথা থামিয়ে আর্তনাদের স্বরে বলে উঠল, ‘আমার কথা শেষ হল না!’ — একথা বলেই সে নিমেষের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে গেল আড়ালে। টর্চের আলোটা এবার ঘুরতে শুরু করেছে জানলার আশপাশে। প্রফেসর রামমূর্তির ঘরের দিক থেকে তাঁর কণ্ঠস্বর ভেসে এল, ‘কে! কে ওখানে?’

    টর্চের আলো ফেলতে ফেলতে রামমূর্তি স্যর এগিয়ে আসতে লাগলেন স্বাগতর ঘরের দিকে। স্বাগত মুহূর্তের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল খামের যুবতীর উপস্থিতি এই মুহূর্তে প্রফেসরের কাছে নিজে থেকে প্রকাশ করা উচিত হবে না। জানলার কাছ থেকে সরে এসে জানলার দিকে পিছন ফিরে ঘুমের ভান করে বিছানায় শুয়ে পড়ল সে। প্রফেসর এসে জানলার বাইরে থেকে আলো ফেললেন ঘরের ভিতর। তারপর বেশ কয়েকবার হাঁক দিলেন তার নাম ধরে। ডাক শুনেই যেন ঘুম ভাঙল এমনভাবে বিছানায় উঠে বসল স্বাগত। তারপর দরজা খুলে বাইরে বেরিয়ে দাঁড়াল স্বাগত। তখনও ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হয়ে চলেছে। রামমূর্তি তার কাছে এগিয়ে এসে বললেন, ‘তুমি কাউকে দেখেছ? তোমার ঘরের জানলার সামনে দাঁড়িয়েছিল একজন। সম্ভবত একজন নারী। আমি আমার ঘরের জানলা দিয়ে তাকে দেখতে পেয়ে বাইরে বেরিয়ে টর্চের আলো ফেলতেই সে মুহূর্তের মধ্যে কোথায় যেন অদৃশ্য হয়ে গেল!’

    স্বাগত জবাব দিল, ‘আমি তো ঘুমাচ্ছিলাম স্যর।’

    উত্তর শুনে আর কোনও কথা না বলে টর্চের আলো ফেলতে ফেলতে এগলেন ঘরের পিছন দিকে। স্বাগতও তাঁকে অনুসরণ করল। না, ঘরের পিছন দিকে কারও সন্ধান মিলল না। তারা আবার সামনে ফিরে এল। তাদের কথাবার্তার শব্দ শুনে ইতিমধ্যে প্রীতমও ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছে। সে কাছে এসে জিজ্ঞেস করল, ‘কী হয়েছে স্যর?’

    রামমূর্তি তার প্রশ্নের জবাব দিলেন। প্রীতমের হাতেও টর্চ। সে আর রামমূর্তি আলো ফেলতে লাগলেন চারপাশে জঙ্গলের দিকে, চত্বরের যে সব জায়গাতে চাঁদের আলো প্রবেশ করছে না সে জায়গাগুলোতে। স্বাগতদের পাশাপাশি তিনটে ঘরের মধ্যে একফালি করে জায়গা আছে। প্রীতমের টর্চের আলো ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎই থেমে গেল নাতাশাদের ঘর সংলগ্ন সেই জায়গায় মুখে। কী যেন একটা নড়ে উঠল সেখানে! রামমূর্তিও আলো ফেললেন সেখানে। এরপরই সেখান থেকে বেরিয়ে এল একজন। তবে সে মানুষ নয়, মন্দিরের ভিতর যে বিশাল বাঁদরিটা থাকে সেটা! সর্বাঙ্গ তার জলে ভেজা। লোমগুলো লেপ্টে আছে শরীরের সঙ্গে। বাইরে বেরিয়ে আসতেই টর্চের উজ্জ্বল আলোতে সম্ভবত চোখ ধাঁধিয়ে গেল তার। কয়েক মুহূর্ত সে একইভাবে বসে রইল। তারপর লম্বা লম্বা লাফ মেরে স্বাগতদের কিছুটা তফাত দিয়ে এগল মন্দির তোরণের দিকে। এরপর সে একবার পিছনে তাকিয়ে সম্ভবত দেখার চেষ্টা করতে লাগল স্বাগতরা তাকে অনুসরণ করছে কি না? তারপর সে অদৃশ্য হয়ে গেল তোরণের ভিতর। প্রীতম এবার হেসে বলল, ‘স্যর, সম্ভবত এই বাঁদরিটাকেই দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছিলেন আপনি।’

    প্রফেসর স্বগতোক্তি করলেন, ‘কিন্তু বাঁদরিটা বৃষ্টির মধ্যে এমনভাবে ভিজছিল কেন? আর এদিকে এসেছিলই-বা কেন?’

    প্রীতম বলল, ‘হয়তো বা খাবারের সন্ধানে।’

    প্রফেসর বললেন,  ‘ঠিক আছে, তোমরা এখন ঘরে যাও।’—এই বলে তিনি নিজের ঘরের দিকে এগলেন।

    স্বাগত ঘরে ঢুকে পড়ল। জামা খানিকটা ভিজে গিয়েছে। সেটা খুলে সে জানলার দিকে চোখ রেখে শুয়ে পড়ে ভাবতে লাগল নিমেষের মধ্যে কোথায় উধাও হয়ে গেল সেই খামের যুবতী? এই প্রবল বর্ষার মধ্যেও সে তার গল্প শোনাতে এসেছিল কেন? এ কাহিনি স্বাগতকে শোনাবার জন্য তার এত প্রবল আগ্রহ কেন? এই মন্দিরের সঙ্গে সে গল্পের সম্পর্ক আছে বলেই কি? সে কি আবার আসবে? এ সব প্রশ্ন আর তার বলে যাওয়া গল্পের অংশর কথা ভাবতে স্বাগত ঘুমিয়ে পড়ল।

    স্বাগতর যখন ঘুম ভাঙল তখন সকাল প্রায় সাতটা। শেষ রাতের দিকে ঘুমাবার কারণে ভোরবেলা তার ঘুম ভাঙেনি।

    তার ঘুম ভাঙল দরজা ধাক্কাবার শব্দে আর সুরভীর ডাকে। স্বাগত বিছানা ছেড়ে উঠে দরজা খুলতেই সুরভী বেশ উত্তেজিত ভাবে বলল, ‘নাতাশাকে খুঁজে পাচ্ছি না। ওর মোবাইল ফোন ঘরেই রাখা।’

    স্বাগত বলল, ‘খুঁজে পাচ্ছ না মানে?’

    সুরভী বলল, ‘আলো ফোটার পর পাঁচটা নাগাদ ঘুম ভেঙে দেখি নাতাশা বিছানাতে নেই। ভাবলাম সে হয়তো টয়লেট গিয়েছে। বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর সে যখন ঘরে এল না তখন আমি বাইরে এলাম। চারপাশে খুঁজে দেখলাম। কিন্তু তাকে দেখছি না!’

    ঝলমলে সকাল। আকাশে মেঘ কেটে গিয়েছে। যদিও সবুজ জঙ্গলের ভিতর থেকে ব্যাঙের ডাক ভেসে আসছে। প্রফেসরের ঘরের দিকে একবার তাকাল স্বাগত। তার ঘর বন্ধ তারপর সে জঙ্গলের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘নাতাশা সামনে কোথাও হাঁটতে যায়নি তো?’

    সুরভী বলল, ‘মনে হয় না। সে তো একলা কোথাও যায় না। জানোই তো সে সব সময় আতঙ্কের মধ্যে থাকে। আমি চত্বরের সব জায়গা খুঁজলাম, আমাদের ঘরগুলোর পিছনেও দেখলাম, কিন্তু সে নেই।’ কথাগুলো বলতে বলতেই সুরভীর মুখমণ্ডলে একটা শঙ্কার ভাব ফুটে উঠল।

    প্রীতমদের ঘর ভিতর থেকে বন্ধ। স্বাগত গিয়ে কড়া নাড়তেই দরজা খুলে প্রীতম আর বিক্রম বাইরে বেরিয়ে এল। স্বাগত তাদের কথাটা বলল। সে কথা শুনে বিক্রম একটু ইতস্তত করে বলল, ‘কাল মাঝ রাতে প্রীতম যখন বাইরে থেকে ঘরে ঢুকল তখন দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দে আমার ঘুমটা খানিকক্ষণের জন্য ভেঙে গিয়েছিল। প্রীতম বিছানায় শুয়ে পড়ল, আর আমি জানলার দিকে পাশ ফিরে শুলাম। তারপর আমার চোখে আবার ঘুম নেমে আসছিল। আমি যেন তখন দেখলাম একজন চত্বর থেকে নেমে জঙ্গলের মধ্যে চলে গেল। তাকে দেখে আমার মেয়ে বলেই মনে হল। তারপর আমি আবার ঘুমিয়ে পড়লাম। তবে জানি না ঘুম চোখে আমি ভুল দেখেছি কি না।”

    সে কথা শেষ করা মাত্রই সুরভী প্রীতমকে জিজ্ঞেস করল, ‘মাঝরাতে তুমি বাইরে বেরিয়েছিলে কেন?’

    প্রীতম বলল, ‘প্রফেসর আর স্বাগতর কথাবার্তার শব্দ শুনে।’

    স্বাগত এবার গত রাতে প্রফেসর কেন বাইরে বেরিয়ে তার কাছে এসেছিলেন সে কথা বলল সুরভীকে। বিক্রমেরও ঘটনাটার কথা জানা ছিল না। সে বলল, ‘তাহলে হয়তো আমি ঠিকই দেখেছি। রামমূর্তি স্যর গতকাল রাতে যাকে দেখেছেন সে নাতাশাই হবে।’

    সুরভী এবার বেশ জোর দিয়ে বিক্রমকে বলল, “তুমি যদি কোনও মেয়েকে সত্যি দেখে থাক, তবুও সে কিছুতেই নাতাশা হতে পারে না। যে মেয়ে দিনের বেলা একলা এই চত্বরে থাকতে চায় না, সে মাঝরাতে জঙ্গলের দিকে যাবে?”

    সুরভীকে প্রীতম জিজ্ঞেস করল, ‘কাল তুমি ওর আচরণে কোনও অস্বাভাবিকতা লক্ষ করেছ?’

    সুরভী একটু ভেবে নিয়ে বলল, ‘সকালে ওই খুনের ব্যাপারটা শুনে সে আরও খানিকটা ভয় পেয়ে গিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু আমি দুপুরে খাওয়াদাওয়া সারার পর ওর সঙ্গে কথাবার্তা বলার পর আমার মনে হল সে যেন ভয়টা বেশ খানিকটা কাটিয়ে উঠেছে। বৃষ্টি নামার কারণে আমরা আর বাইরে বেরয়নি। বিকাল থেকে রাত আটটা পর্যন্ত আমরা নানা বিষয় নিয়ে গল্প করেই কাটিয়েছিলাম। সে সময় একবারও সে খুন বা ভয়ের প্রসঙ্গ তোলেনি। বরং অন্যদিন সন্ধ্যা নামলেই তার মনে একটা আতঙ্ক তৈরি হয় আমি দেখেছি। কিন্তু কাল সে একদম স্বাভাবিক ছিল।’

    স্বাগত এবার বলল, “তাকে যখন এখানে দেখা যাচ্ছে না, তখন জঙ্গল আর রাস্তায় খুঁজে দেখি পাওয়া যায় কি না। প্রফেসরও তো ঘরে নেই দেখছি। নাতাশা তাঁর সঙ্গে হাঁটতে বা কোথাও যায়নি তো?’

    স্বাগতর প্রস্তাবে সম্মত হয়ে চত্বর থেকে নেমে জঙ্গলের রাস্তায় প্রবেশ করল সবাই। পথের পাশে রাস্তায় খানাখন্দে গতরাতের বৃষ্টির জল জমে আছে। রাতভর বৃষ্টির পর সকালের ঝলমলে আলোর স্পর্শে পাখিরা আনন্দে মেতে উঠেছে। চারপাশে তাকাতে তাকাতে মাঝে মাঝে নাতাশার নাম ধরে হাঁক দিতে দিতে সিয়েমরিপ ও বিষ্ণুলোকে যাওয়ার সরল রৈখিক পথে উঠে এল তারা। দু-পাশে রাস্তাটা বেশ খানিকটা দূর পর্যন্ত দেখা যায়, কিন্তু নাতাশাকে দেখতে পেল না তারা। বড় রাস্তা থেকে পথটা জঙ্গলের ভিতর দিয়ে স্বাগত যেখানে খামের যুবতীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যায় সেদিকে গিয়েছে, অর্থাৎ হোয়াঙের দেহ জঙ্গলের যে অংশে পাওয়া গিয়েছিল সেদিকের রাস্তাটা দেখিয়ে বিক্রম বলল, ‘চল ওদিকটাও একবার দেখে আসি।”

    সবাই এগল সেদিকে। সে জায়গায় প্রায় কাছাকাছি পৌঁছে স্বাগতরা দেখল প্রফেসর রামমূর্তি সেদিক থেকেই আসছেন। পথের মাঝখানে তাঁর সঙ্গে দেখা হয়ে গেল সকলের। তিনি স্বাগতকে বললেন, “একটু হাঁটতে বেরিয়েছিলাম। তোমরাও কি হাঁটতে বেরিয়েছ নাকি?”

    সুরভী বলল, ‘না স্যর, নাতাশাকে খুঁজে পাচ্ছি না। তাই তাকে খুঁজছি।

    ‘খুঁজে পাচ্ছ না মানে?’ প্রশ্ন করলেন প্রফেসর।

    সুরভী সংক্ষেপে ব্যাপারটা ব্যাক্ত করল তাঁর কাছে। রামমূর্তি বললেন, ‘কিন্তু ওদিকে তো সে নেই। আমি ভোরবেলা হাঁটতে বেরিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ধরে ওদিকে একটা পাথরের ওপর বসেছিলাম।’ প্রফেসরের কপালে যেন চিন্তার ভাঁজ খেলে গেল। স্বাগতকে তিনি বললেন, ‘কাল রাতে যাকে দেখেছিলাম সে নাতাশা নয় তো?”

    স্বাগত চুপ করে রইল। প্রফেসর বললেন, ‘চল তো একবার চারপাশটা ভালো করে খুঁজে দেখি?’ মন্দির চত্বর সংলগ্ন জঙ্গলের পথ ধরে নাতাশাকে খুঁজতে খুঁজতে তার নাম ধরে হাঁক দিতে লাগল সবাই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }