Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ৪৪

    পর্ব ৪৪

    বিকাল হল এক সময়। স্বাগত ঘরের বাইরে বেরিয়ে পড়ল। অন্যদের ঘরের দরজাগুলো সব বন্ধ। প্রফেসর কি কোনও খোঁজ পেলেন নাতাশার ব্যাপারে? স্বাগত একবার ভাবল তাঁর ঘরের দরজায় নক করে। কিন্তু পরক্ষণেই স্বাগতর মনে হল প্রফেসরের কাছে কোনও খবর এলে তা নিশ্চয়ই তিনি সবাইকে জানাতেন। কারণ, সবাই উৎকণ্ঠার মধ্যে আছে তা তিনি জানেন। তাই তার ঘরে যাওয়া থেকে বিরত হল সে। বিকাল হলেই সেই খামের যুবতীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়া যেন স্বাগতর অভ্যাসে পরিণত হয়ে গিয়েছে এ ক’দিনে বিকাল হলেই তার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য স্বাগতর মন উদগ্রীব হয়ে ওঠে। কিন্তু ওই যুবতীর কথাতে স্বাগত বুঝতে পেরেছে, যে স্থানে তারা সাক্ষাৎ করতে যেত সে স্থানে আর তাদের দেখা হবে না। সে জন্যই সে রাতে এসে গল্পের শেষটা শুনিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর তার পক্ষে সম্ভব হল না। তবে এ ব্যাপারে স্বাগত নিশ্চিত যে তাকে গল্পটা শোনাবার ব্যাপারে খামের যুবতীর কোনও উদ্দেশ্য ছিল। কিন্তু কী সেই উদ্দেশ্য? ব্যাপারটা স্পষ্ট নয় স্বাগতর কাছে। তবে সে তার কাহিনি শেষ করতে পারলে এ মন্দিরের পরিচয় সম্পর্কে স্বাগত জানতে পারত। সেটা হয়তো আর কোনও দিন জানা যাবে না। নির্জন প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে তারা এ মন্দিরে আসার পর থেকে যে সব ঘটনা ঘটেছে তা বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করতে লাগল সে। কিন্তু কোনও রহস্যের সমাধানই স্পষ্ট হল না তার কাছে।

    সূর্য পশ্চিমে ঢলতে শুরু করেছে। তার আলো এসে পড়েছে তোরণের মাথার ওপর বসানো বিষ্ণুমূর্তির মুখমণ্ডলে। তার দিকে তাকিয়ে স্বাগতর মনে হল সে যেন তাকিয়ে আছে স্বাগতর দিকেই। তাঁর ঠোঁটের কোণে যেন জেগে আছে এক রহস্যময় হাসি। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে রহস্য বুকে আগলে রয়েছে সে। কিন্তু সে নির্বাক।

    স্বাগতর হঠাৎ মনে হল, ‘আচ্ছা এমনও তো হতে পারে যে, ওই খামের যুবতী একটা শেষ চেষ্টা করতে পারে স্বাগতকে তার কাহিনির শেষ অংশটা শোনাবার জন্য। সমস্ত শঙ্কাকে অতিক্রম করে শেষবারের জন্য সে উপস্থিত হল ওই নির্জন গাছে ঘেরা জায়গাটাতে। —এ কথাটা মনে হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্বাগতর ইচ্ছা হল জায়গাটাতে যাওয়ার। তবে সে খানিকক্ষণ ভাবল, এ অবস্থায় মন্দির প্রাঙ্গণ ত্যাগ করে সে স্থানে যাওয়া উচিত হবে কি না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত একটা অমোঘ টান অনুভব করতে লাগল জায়গাটাতে যাওয়ার জন্য। তার মনে হতে লাগল এই মন্দিরের রহস্য উন্মোচন করতে পারে একমাত্র ওই নারী, হয়তো বা নাতাশার অন্তর্ধান সম্পর্কেও সে কোনও খবর দিতে পারে। কারণ গত রাতে তো খামের যুবতী এ প্রাঙ্গণে এসেছিল, তারপর হয়তো বা বাকি রাত মন্দিরের কাছাকাছিই ছিল। হয়তো সে দেখে থাকতে পারে রাতের আঁধারে কোন দিকে গেছে নাতাশা। সে একাই গিয়েছে, নাকি অন্য কারও সঙ্গে গিয়েছে? নাতাশার অন্তর্ধান সম্পর্কে ওই খামের যুবতীর কাছে খোঁজ থাকতে পারে এই ভাবনাটাই যেন শেষ পর্যন্ত স্বাগতকে মন্দির চত্বর ছেড়ে যাওয়ার জন্য বেশি তাড়িত করল। কারণ, নাতাশার খোঁজ পাওয়াটাই এই মুহূর্তে সবথেকে বেশি জরুরি। স্বাগত মন্দির ছেড়ে রওনা হল তাঁর গন্তব্যের দিকে। আজ যেন কেমন নিঝুম লাগছে চারপাশ। পাখির ডাকও শোনা যাচ্ছে না। যে রাস্তা মন্দির নগরীতে প্রবেশ করে বিষ্ণুলোকের দিকে চলে গিয়েছে সে রাস্তায় উঠে এল স্বাগত।

    অন্যদিন এ সময় টুকটুক গাড়ি দেখা যায়। বেলা শেষে বিষ্ণুলোকের দিক থেকে তারা ট্যুরিস্ট নিয়ে ফেরে। রাস্তার দু-পাশে যতদূর চোখ যায় তাকাল স্বাগত। কোনও মানুষ বা গাড়ি চোখে পড়ল না। স্বাগতর মনে পড়ল পুলিসকর্তা বাকুম বলেছিলেন দুপুরে পুজোপাঠের পর বিষ্ণুলোকের তোরণ বন্ধ করে সবাই এই মন্দির নগরী ত্যাগ করে। আষাঢ় পূর্ণিমার রাতে এই প্রাচীন নগরীতে থাকে না কেউ। হয়তো ইতিমধ্যেই জনশূন্য হয়ে গিয়েছে বিষ্ণুলোক, জঙ্গলময় এই প্রাচীন নগরী। শুধু স্বাগতরাই রয়ে গিয়েছে এখানে। আর যারা আছে স্থানীয় লোকদের বিশ্বাস অনুসারে তারা মানুষ নয়। তারা প্রেতাত্মার দল!

    স্বাগত সেই রাস্তা অতিক্রম করে এগল নির্দিষ্ট জায়গার দিকে।

    যে স্থানে স্বাগত খামের যুবতীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সে জায়গা এমনিতেই নির্জন। কিন্তু আজ যেন আরও বেশি শব্দহীন মনে হচ্ছে। গাছের ফাঁক দিয়ে বিদায়ী সূর্যের আলো আজও যে জায়গায় এসে পড়েছে সেখানে একসময় সেই নারী মূর্তিটা থাকত। আজ সে জায়গা শূন্য। স্বাগত কয়েক মুহূর্ত তাকিয়ে রইল সেদিকে। তারপর প্রবেশ করল গাছ ঘেরা জায়গাটার ভিতর। না, সেখানে খামের যুবতী উপস্থিত হয়নি। একটা পাথরের ওপর বসল সে, রোজই যেমন বসে। গাছের মাথার ফাঁক গলে বিষ্ণুলোকের চূড়াগুলো দেখা যাচ্ছে। দিন শেষের রক্তিম আভা ছড়িয়ে পড়েছে তার ওপর। স্বাগত প্রতীক্ষা করতে লাগল যদি সেই যুবতী আসে সে জন্য। স্বাগত ভাবতে লাগল যুবতীর কেন এত ভয়? কীসের এত ভয়? যে কারণে লোকচক্ষুর আড়াল থেকে সবসময় বাঁচিয়ে রাখতে চায়? সে কি কোনও অপরাধী? কিন্তু তাকে দেখে তো তা মনে হয়নি। সে যখন তার কাহিনি শোনায় তখন কাহিনির সুখ-দুঃখর অনুভূতিগুলো অনেক সময়ই তার মুখমণ্ডলে ফুটে ওঠে। তবে কি কেউ খুঁজে বেড়াচ্ছে তাকে? যে তার খোঁজ পেলে বিপদ নেমে আসবে? সেই বিপদ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্যই কি স্বাগতকে গল্প শোনাবার জন্য উদগ্রীব? কিন্তু কী সেই বিপদ ? আর স্বাগতই বা সে বিপদ থেকে তাকে মুক্ত করবে কীভাবে? এ সব প্রশ্ন স্বাগতর মাথার মধ্যে ঘুরপাক খেতে লাগল। আবার কখনও সে ভাবতে লাগল নাতাশার কথা। কোথায় গেল মেয়েটা? তার যদি কোনও দুর্ঘটনা ঘটে তবে তার দায় কি প্রফেসর রামমূর্তি বা স্বাগতদের ওপর বর্তায় না? তারা তো রক্ষা করতে পারেনি নাতাশাকে। এ সব কথা ভাবতে ভাবতে সময় এগিয়ে চলল। হঠাৎ স্বাগত খেয়াল করল চারপাশের আলো কমে আসছে।

    স্বাগত তাকাল আকাশের দিকে। সূর্য ঢলতে শুরু করেছে বিষ্ণুমন্দিরের আড়ালে। তবে সে কারণে নয়, মেঘ জমতে শুরু করেছে বিষ্ণুলোকের আকাশে। বৃষ্টি নামবে। ঘড়ি দেখল স্বাগত। সে মন্দির প্রাঙ্গণ ত্যাগ করার পর এক ঘণ্টা সময় কেটে গিয়েছে। সে বুঝতে পারল খামের যুবতী আর এখানে আসবে না। আর তার মন্দির ছেড়ে বাইরে বেশিক্ষণ থাকাও উচিত হবে না। স্বাগত উঠে দাঁড়াল। তারপর সেই গাছে ঘেরা জায়গা থেকে বাইরে বেরিয়ে ফেরার জন্য রওনা হল। দ্রুত কালো মেঘে ছেয়ে যাচ্ছে আকাশ। সে যখন বড় রাস্তাটা অতিক্রম করতে যাচ্ছে ঠিক তখনই একজনকে দেখতে পেল সে। মন্দিরের রাস্তা ধরে ঝোলা কাঁধে আসছেন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী রত্নসম্ভব! স্বাগত তাঁকে কয়েক মুহূর্তের জন্য দেখতে পেল। তারপর তিনি রাস্তা ছেড়ে পাশের জঙ্গলের ভিতর অদৃশ্য হয়ে গেলেন। তিনি কি মন্দিরে গিয়েছিলেন? তিনি কি কোনও খবর জানিয়ে এলেন, প্রফেসর রামমূর্তিকে? নাকি তিনি আড়াল থেকে মন্দিরটা দেখে এলেন? বৌদ্ধ সন্ন্যাসী রত্নসম্ভবও তো চান না যে স্বাগতরা এই মন্দিরে থাকুক। কিন্তু কেন? এসব কথা ভাবতে ভাবতে স্বাগত এগল মন্দিরের দিকে। স্বাগত যখন মন্দির প্রাঙ্গণে উঠে এল ঠিক সেই সময়ই যেন সন্ধ্যা নামল বিষ্ণুলোকে।

    কালো মেঘে ঢেকে দিল অস্তাচলগামী সূর্যকে। প্রফেসর রামমূর্তি, সুরভীর ঘরের দরজা আগের মতোই বন্ধ। তারা কেউ কি বাইরে বেরয়নি? সন্ন্যাসী মন্দিরে এসেছিলেন কি না তা জানতে স্বাগত প্রফেসরের ঘরের দিকে যাচ্ছিল কিন্তু ঠিক সেই সময় বড় বড় ফোঁটায় বৃষ্টি নামল। বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচার জন্য স্বাগত আর প্রফেসরকে না ডেকে এগল নিজের ঘরের দিকে। ঘরে ঢুকে যখন সে দরজা বন্ধ করতে যাচ্ছে ঠিক তখনই মন্দির তোরণের দিকে নজর গেল তার। সেই বড় বাঁদরিটা মন্দির তোরণের বাইরে বেরিয়ে এসেছে। সে তাকিয়ে আছে স্বাগতর ঘরের দিকেই। স্বাগত এরপর দরজা বন্ধ করে দিল। স্বাগত বাতি জ্বালাবার জন্য সুইচ টিপল, কিন্তু আলো জ্বলল না। হয়তো বা ব্যাটারির চার্জ ফুরিয়ে গেছে। বাইরে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হল। স্বাগত কোনও খবর আছে কি না তা জানার জন্য ফোন করল প্রফেসর রামমূর্তিকে। কিন্তু তাঁর ফোন বন্ধ। অগত্যা অন্ধকার ঘরে শুয়ে সে নানা কথা ভাবতে লাগল।

    স্বাগত একসময় খেয়াল করল রাত প্রায় আটটা বাজতে চলেছে। অন্য এমন বৃষ্টির রাতে প্রফেসর স্বাগতকে ফোন করে অন্যদের জানিয়ে দিতে বলে যে সবাই যেন ঘরেই শুকনো খাবার খেয়ে নেয়। কিন্তু আজ তিনি ফোন করেননি। স্বাগতর মনে হল তাঁকে আবার ফোন করা দরকার। স্বাগত ফোন করল তাঁকে। কিন্তু রামমূর্তির ফোন সুইচড অফ। স্বাগত এরপর ফোন করল প্রীতমের নম্বরে। তার ফোনে রিং হল কিন্তু সে ধরল না। স্বাগত তৃতীয় ফোনটা করল বিক্রমকে। তার ফোনও একই রকমভাবে বেজে গেল। এত রাত হয়ে গেল বিক্রম আর প্রীতমের ঘুম কি তবে ভাঙেনি? কিন্তু কেন? তালের রস পান করলে ঘুম একটু বেশি হয় ঠিকই, তা বলে তো তাদের এতক্ষণ ঘুমোবার কথা নয়। খটকা লাগল স্বাগতর মনে। এরপর সে কিছু সময় অন্তর অন্তর আরও বেশ কয়েকবার ফোন করল তিনজনের মোবাইল ফোনেই। কিন্তু কারও থেকেই কোনও সাড়া এল না। এরপর আশঙ্কা আর দুশ্চিন্তা জেগে উঠতে লাগল স্বাগতর মনে। সে শেষ একবার ডায়েল করল সুরভীর নম্বরে। কিন্তু কোনও উত্তর মিলল না। স্বাগত এবার মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে গেল কিছু একটা ঘটেছে। বৃষ্টির মধ্যেই বাইরে যাওয়ার জন্য উঠে পড়ল। কিন্তু দরজা খুলতে যেতেই সে দেখল দরজাটা খুলছে না। বাইরে থেকে দরজার বাজ বোল্টা টেনে দিয়েছে কেউ! কে করল কাজটা? ওই বাঁদরিটা নাকি? বাঁদরের স্বভাব অনেক সময় মানুষকে অনুকরণ করা। নাকি কাজটা অন্য কোনও লোক করেছে? তার সঙ্গীরা এ কাজ কেউ করবে না নিশ্চয়ই। স্বাগতর হঠাৎ মনে পড়ে গেল বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর কথা। বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগে স্বাগত একমাত্র তাকেই দেখেছিল মন্দিরের কাছাকাছি।

    তিনি ফিরে এসে এ কাজটা করেননি তো? স্বাগতর মনে পড়ল প্রফেসর বলেছিলেন সন্ন্যাসী রত্নসম্ভবও সন্দেহের ঊর্ধে নয়! কিন্তু স্বাগতকে ঘরে আটক রেখে তাঁর লাভটা কী? ব্যাপারটা ঠিক বুঝে উঠতে পারল না স্বাগত। এরপর সে দরজা খোলার জন্য লাথি মারতে লাগল দরজাতে। সে শব্দ প্রতিধ্বনিত হতে লাগল অন্ধকার বৃষ্টিস্নাত প্রাঙ্গণে। এরপর সে জানলার কাছে এসে কখনও প্রফেসর আবার কখনও অন্য সঙ্গীদের উদ্দেশে চিৎকার করে ডাকতে থাকল। কিন্তু এত শব্দ আর চিৎকারেও তাদের কোনও সাড়া মিলল না। তারা কি সবাই কোথাও চলে গিয়েছে? স্বাগতকে না জানিয়ে তা তো হতে পারে না। কিছু যে একটা ঘটেছে সে ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে গেল স্বাগত। কিছুক্ষণ হাঁকডাক করার পর হতাশভাবে বিছানায় বসে পড়ল। সে বুঝতে পারল সকাল না হলে সম্ভবত তার এ ঘর থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। উত্তেজনা, হতাশা আর

    ক্লান্তি ঘিরে ধরল তাকে। জানলার বাইরে বৃষ্টিস্নাত অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে এক সময় চোখ বুজে এল স্বাগতর। সে ঘুমিয়ে পড়ল বিছানাতে।

    চাঁদের আলোতে প্রশস্ত পথ ধরে স্বাগত হেঁটে চলেছে। তার পিছনে বিষ্ণুলোক আর অনতি দূরে আরও একটি মন্দির। স্বাগতদের গন্তব্য সেখানেই। শুধু স্বাগত নয়, তার সঙ্গে চলেছে আরও বেশকিছু লোক। তাদের মধ্যে আছেন এক বৌদ্ধ সন্ন্যাসী, স্বর্ণালঙ্কার পরিহিত এক ব্রাহ্মণ, আর একদল শূদ্র ব্রাহ্মণ। তাদের হাতে ধরা মুখবন্ধ ধাতব কলস। আর এই দলটাকে ঘিরে চলেছে একদল অস্ত্রধারী সৈনিক। চাঁদের আলোতে মাঝে মাঝে ঝিলিক দিচ্ছে তাদের হাতের অস্ত্র। কিন্তু সবাই আশ্চর্যরকম নিশ্চুপ, নিজেদের মধ্যে কেউ সামান্য বাক্যালাপও করছে না। চারপাশও আশ্চর্যরকম নিঝুম। তাদের পায়ের মৃদু শব্দ ছাড়া কোথাও কোনও শব্দ নেই। পথে লোকজন থাকার তো কোনও প্রশ্নই নেই। একে তো মধ্যরাত, তার ওপর মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মন নির্দেশ দিয়েছেন বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামার পর থেকে আগামী কাল ভোরের আলো ফোটার আগে অবধি কোনও ব্যক্তি তাদের গৃহ বা মন্দির ত্যাগ করে পথে বেরতে পারবে না। এ আদেশ অমান্য করলে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। যাঁরা এই নিস্তব্ধ রাত্রিতে হেঁটে চলেছে তাদেরই কেবল আজ রাতে পথ চলার অনুমতি আছে।

    মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মনের নির্দেশেই এক গোপন কাৰ্য সম্পাদন করতে যাচ্ছে তারা। পুরো দলটা পৌঁছে গেল মন্দিরের কাছে। প্রাচীন মন্দিরটি বর্তমানে সংস্কার করা হয়েছে। মন্দির তোরণের শীর্ষে জেগে থাকা বিষ্ণুর মুখমণ্ডল ওপর থেকে তাকিয়ে আছে আগন্তুকদের দিকে। তোরণ অতিক্রম করে তারা সকলে প্রবেশ করল মন্দিরের ভিতরে। রক্ষীরা দুটো মশাল জ্বালাল। প্রাঙ্গণের দুপাশে সার বেঁধে দাঁড়িয়ে আছে অস্ত্রধারী সৈনিকের মূর্তি! এতই নিখুঁত তাদের গঠন যে তাদের জীবন্ত বললে ভ্রম হয়। তবে কেউ সেই প্রাঙ্গণে দাঁড়াল না। কাজ শেষ করে ভোরের আলো ফোটার আগেই তাদের ফিরে যেতে হবে। মন্দিরের বহির্ভাগের কক্ষে প্রবেশ করল সকলে। তা অতিক্রম করে প্রবেশ করল মূল মন্দিরের সামনের প্রাঙ্গণে। তার একপাশে একটা নৃত্যমঞ্চ। সেদিকে তাকিয়ে মুহূর্তের জন্য স্বাগত থমকে দাঁড়াল। বুকের ভিতরটা কেমন যেন করে উঠল তার। স্বর্ণালঙ্কার পরিহিত ব্রাহ্মণ তাকে বললেন, ‘থামলে কেন? রাত্রি শেষের আগেই কাজ শেষ করে আমাদের ফিরে যেতে হবে।’

    মন্দিরের অভ্যন্তরে প্রবেশ করল সকলে। এ মন্দিরের প্রতিটা অলিন্দ, কক্ষ স্বাগতর নখদর্পণে। একের পর এক কক্ষ অতিক্রম করে একসময় সোপান শ্রেণি বেয়ে তারা মন্দিরের দ্বিতলে উঠে এল। অলিন্দ থেকে দেখা যাচ্ছে চাঁদের আলোতে দাঁড়িয়ে থাকা বিষ্ণুলোক। অন্যরাতে বিষ্ণুলোকের প্রধান তোরণের বাইরে ও তোরণ প্রাকারে মশালের প্রদীপের আলো জ্বলে, কিন্তু মহারাজের নির্দেশে আজ সব নিষ্প্রদীপ। এ রাত্রি আলোকময় হোক তা তিনি চান না। সম্ভব হলে চাঁদের আলোকেও আজ তিনি ঢেকে দিতেন। বেশ কয়েকটা অলিন্দ অতিক্রম করে এক স্থানে এসে থামল সকলে৷ সে স্থানে দেওয়ালের গায়ে পাথরের ফলকের ওপর খোদিত আছে এক নারীমূর্তি। আর তাকে ঘিরে ভাণ্ড হাতে শূদ্র ব্রাহ্মণের দল। ঠিক যেমন শূদ্র ব্রাহ্মণেরা এসেছে স্বাগতর সঙ্গে। স্বাগত এরপর সকলের উদ্দেশে বলল, ‘মহারাজ নির্দেশ দিয়েছেন এ পর্যন্তই আপনারা আসতে পারবেন। আমি বাকি কাজ সম্পন্ন করে ফিরে আসব।’

    বৌদ্ধ সন্ন্যাসী আর ব্রাহ্মণ প্রধানও মহারাজের এ নির্দেশের কথা জানেন। তাঁরা মাথা নেড়ে সম্মতি প্রকাশ করলেন স্বাগতর কথায়। সৈনিকরা সঙ্গে একটা থালার মতো দেখতে পাত্র এনেছিল। সেটা তারা স্বাগতর ইঙ্গিতে নামিয়ে রাখল। শূদ্র ব্রাহ্মণরা একে একে মুখবন্ধ ভাণ্ডগুলো সাজিয়ে রাখল সেই পাত্রে। বৌদ্ধ সন্ন্যাসী ও ব্রাহ্মণ প্রধান সেই ভাণ্ডগুলোর দিকে তাকিয়ে নিচু স্বরে কীসব মন্ত্রোচ্চারণ করলেন। তারপর মুখ তুলে তাকালেন স্বাগতর দিকে। স্বাগত বুঝতে পারল তাদের কাজ শেষ। সে থালা সমেত ভাণ্ডগুলো মাথায় তুলে নিল, তারপর প্রবেশ করল অন্ধকার এক কক্ষে। অন্ধকার হলেও এসব কক্ষ স্বাগতর এতটাই পরিচিত যে চোখ বন্ধ করে সে তার গন্তব্যে পৌঁছতে পারবে। একের পর এক

    কক্ষ অতিক্রম করে নির্দিষ্ট এক কক্ষে পৌঁছে দেওয়ালের গায়ে সে এক স্থানে আঙুলের চাপ দিতেই পাথরের দেওয়াল খুলে খানিকটা ফাঁক হয়ে গেল। এক সংকীর্ণ পথে প্রবেশ করল স্বাগত। সে পথে কখনও সিঁড়ি দিয়ে ওঠা আবার কখনও নামা। একমাত্র স্বাগতর পক্ষেই যেন এই গোলকধাঁধায় বেয়ে চলা সম্ভব। শেষ পর্যন্ত এক কক্ষে এসে প্রবেশ করল সে। অন্ধকার ঘর। স্বাগত জানে এ কক্ষে দেওয়ালের গায়ে একটা লক্ষী মূর্তি আছে। সেই মূর্তির কাছে গিয়ে সে তার হাতের তর্জনী আর মধ্যমা দিয়ে যক্ষী মূর্তির দু-চোখে চাপ দিল। তার আঙুল দুটো মূর্তির চোখের মধ্যে কিছুটা বসে গেল। মৃদু ঘড় ঘড় একটা শব্দ হল, কাছেই দেওয়ালের একটা অংশ ফাঁক হয়ে গেল। স্বাগত তার ভিতরে ঢুকে ভাণ্ড সমেত পাত্রটা একপাশে নামিয়ে রাখল। তারপর পোশাক থেকে চকমকি পাথর বার করে তা ঘষল। দেওয়ালের গায়ে একটা কুলুঙ্গীতে একটা প্রদীপ রাখা ছিল। সে সেটা জ্বালিয়ে ফেলল। আলোকিত হয়ে উঠল ঘর। বেশ বড় আকৃতির একটা ঘর। দেওয়ালের গায়ে খোদিত আছে অপ্সরাদের মূর্তি, আর সে কক্ষের কেন্দ্রে আছে কারুকাজ মণ্ডিত এক বেদী। স্বাগতকে মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মন এই মন্দিরে এই গোপন কক্ষ নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছিলেন সম্ভবত তাঁর রত্নভাণ্ড লুকিয়ে রাখার জন্যই। থালার মধ্যে মুখবন্ধ যে ঘড়াগুলো রাখা আছে তার মধ্যে একটির আকৃতি সামান্য বড়। স্বাগত কয়েক মুহূর্ত চেয়ে রইল সেই ঘড়া বা কলসটার দিকে। তারপর ভাণ্ডগুলি সমেত থালার মতো পাত্রটাকে স্থাপন করল বেদীর ওপর। এ কক্ষের অবস্থান সে ছাড়া একমাত্র জানেন মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মন। যদিও এ মন্দিরে এই গুপ্তকক্ষর সন্ধান সে আরও একজনের কাছে গচ্ছিত রেখে গেল। এমনও হতে পারে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই গুপ্ত কক্ষেই সঞ্চিত থাকবে এই ভাণ্ডগুলো। কাজ শেষ হল স্বাগতর। প্রদীপটা সে নিভিয়ে দিল। সেই কক্ষের বাইরে এসে যক্ষী মূর্তির দু-চোখে চাপ দিতেই আবার কক্ষের দরজা বন্ধ হয়ে গেল। যে পথে এ স্থানে এসেছিল, সে পথেই বেরবার জন্য রওনা হল স্বাগত। যেখানে সে অন্যদের রেখে গিয়েছিল সে স্থানে পৌঁছে স্বাগত দেখল সেই বৌদ্ধ সন্ন্যাসী, ব্রাহ্মণ শ্রেষ্ঠ বা শূদ্র ব্রাহ্মণরা সে স্থানে বসে আছেন।

    স্বাগতকে দেখে ব্রাহ্মণ শ্রেষ্ঠ জানতে চাইলেন, ‘তোমার কাজ সম্পন্ন হয়েছে তো?’

    স্বাগত জবাব দিল, ‘হ্যাঁ।’

    বৌদ্ধ সন্ন্যাসী বললেন, ‘নিশ্চিন্ত হওয়া গেল। এবার তবে ফেরা যাক। মন্দিরের পশ্চাৎভাগ দিয়ে আমরা নির্গত হব।”

    মহারাজ আমাদের জন্য প্রতীক্ষা করছেন।

    স্বাগত বলল, ‘হ্যাঁ, আমার কাজ তো শেষ। মহারাজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেই আমি বন্দরের উদ্দেশে রওনা হব। জম্বুদ্বীপের উদ্দেশে যাত্রা করব আমি।”

    বৌদ্ধ সন্ন্যাসী আর ব্রাহ্মণ কুলপতি অন্যদের নিয়ে এগলেন বাইরে বেরবার জন্য। কিন্তু স্বাগত কিছু সময়ের জন্য সে স্থানে দাঁড়িয়ে অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে রইল দেওয়ালের গায়ে পাথরের ফলকে খোদিত নারী মূর্তির দিকে। তারপর ধীরে ধীরে পা বাড়াল ফেরার জন্য। অন্যরা তখন দ্বিতল ছেড়ে একতলে নেমে পড়েছে। আনমনে হাঁটছিল স্বাগত। সিঁড়ি বেয়ে নামতে গিয়ে অসতর্কতায় পদস্খল হয়ে গেল তার। সে গড়িয়ে পড়ল নীচে। যে জায়গায় গিয়ে সে পড়ল সে স্থান প্রবল অন্ধকার। যাদের সঙ্গে নিয়ে সে এসেছিল ইতিমধ্যে তারা মশাল নিয়ে চলে গিয়েছে। আলো ছাড়াই এ মন্দিরের যে কোনও স্থানে স্বাগত চলাচল করতে পারে এমনই চেনা এ মন্দিরের অভ্যন্তর। কিন্তু যে স্থানে এসে সে পড়েছে হঠাৎই যেন সে স্থান অচেনা মনে হল স্বাগতর। কোন দিকে বাইরে বেরবার পথ কিছুই যেন সে ঠাহর করতে পারছে না। হঠাৎ তার কানে এল পরিচিত এক নারী কণ্ঠস্বর— ‘ওঠো ওঠো ভাস্কর, ওঠো।’

    কণ্ঠস্বরটা শুনেই স্বাগত চমকে উঠে বসল।

    আবারও সেই কণ্ঠস্বর। বলল, ‘ওঠো ওঠো, দোহাই তোমার। জাগো জাগো…’

    এবার চোখ মেলল স্বাগত। বিছানায় উঠে বসেছে সে। স্বাগত বুঝতে পারল এতক্ষণ সে স্বপ্ন দেখছিল। নিজের অজান্তেই ঘুমিয়ে পড়েছিল সে। মুহূর্তের মধ্যে স্বাগতর বাস্তব পরিস্থিতি মনে পড়ে গেল—ঘর বন্দি সে!

    কিন্তু এরপরই আবার সেই কণ্ঠস্বর কানে এল তার— ‘আমি এসেছি। এই যে আমি এখানে।’

    স্বাগত তাকাল জানলার দিকে। সে দেখল জানলার বাইরে এসে দাঁড়িয়েছে সেই খামের যুবতী! স্বাগত তাকে দেখামাত্রই খাট থেকে নেমে জানলার সামনে গিয়ে দাঁড়াল। বাইরে বৃষ্টি কখন যেন থেমে গিয়েছে। আষাঢ় পূর্ণিমার চাঁদ উঠেছে আকাশে। সে আলো এসে পড়েছে রহস্যময়ী খামের কন্যার মুখমণ্ডলে।

    স্বাগত তার উদ্দেশে উত্তেজিত ভাবে বলল, ‘তুমি কি আমাকে গল্প শোনাতে এসেছ? কিন্তু বাইরে কিছু একটা ঘটেছে! কে যেন বাইরে থেকে আমার ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়েছে!’

    খামের যুবতী বলল, ‘না, গল্প শোনাবার সময় এখন আর নেই। আমি দরজা খুলে দিচ্ছি। তুমি এখনই বাইরে বেরও। ভয়ঙ্কর এক ঘটনা ঘটতে শুরু করেছে।’ – এই বলে সে জানলার পাশ থেকে সরে গেল দরজা খোলার জন্য।

    স্বাগতও এগল দরজার দিকে। খামের যুবতী দরজা খুলতেই স্বাগত বাইরে বেরিয়ে এল। তারপর বলল, ‘কী ঘটেছে তুমি কিছু জান? আজ সকাল থেকে আমাদের এক সঙ্গিনী নিখোঁজ। অন্যদের ফোন করলাম সাড়া মিলছে না!’

    খামের যুবতী বলল, ‘হ্যাঁ জানি। তাদের যদি জীবন রক্ষা করতে হয় তবে এখনই তোমাকে মন্দিরের ভিতরে যেতে হবে।’

    স্বাগত জানতে চাইল, ‘মন্দিরের ভিতর কোথায়?’

    যুবতী বলল, ‘এক গুপ্ত কক্ষ। যে স্থান তুমি চেন। মন্দিরের ভিতরে ঢুকলেই তুমি পৌঁছতে পারবে সে জায়গাতে।’

    স্বাগত যুবতীর কথা বুঝতে না পেরে তার মুখের দিকে চেয়ে রইল।

    খামের কন্যা তাকে তাড়া দিয়ে বলল, ‘দোহাই আর দেরি কর না। আর সময় নেই। ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। সে কাজ যদি থামানো না যায় তবে তুমি আমি, তোমার সঙ্গীরা কেউ রক্ষা পাব না। সব থেকে ভয়ের ব্যাপার হল ধ্বংস হবে এই বিষ্ণুলোক। চল, চল…।’

    খামের যুবতীর কথা স্বাগত ঠিক বুঝতে না পারলেও তার আহ্বান কেন জানি সে অস্বীকার করতে পারল না। স্বাগতর মনের ভিতর থেকেও কেউ যেন বলে উঠল, ‘হ্যাঁ, আর সময় নষ্ট করা যাবে না। তোমাকে যেতে হবে সে স্থানে, রক্ষা করতে হবে বিষ্ণুলোককে।’

    খামের কন্যা। আবারও তাকে তাড়া দিয়ে বলল, ‘চল, চল, সে জেগে উঠলে সর্বনাশ হবে।’

    স্বাগত এরপর আর দেরি করল না। সে অনুসরণ করল খামের যুবতীকে। অতি দ্রুত সে এগতে থাকল মন্দির তোরণের দিকে। যেন মাটিতে পা পড়ছে না তার। যেন সে উড়ে চলেছে। মন্দির নগরীর মাথার ওপর আষাঢ় পূর্ণিমার চাঁদ। চারপাশে কেমন যেন অসীম নিস্তব্ধতা। অন্যদিন বৃষ্টি শেষে ব্যাঙের কলতান শোনা যায়। কিন্তু সে শব্দও আজ নেই। সারা মন্দির নগরী যেন কোনও অজানা আশঙ্কায় স্তব্ধ হয়ে আছে! তোরণের ভিতর প্রবেশ করার আগে মাথার ওপর একবার তাকাল স্বাগত। হাজার বছর ধরে তোরণের মাথায় অবস্থানরত ভগবান বিষ্ণুর বিরাট মুখমণ্ডল আষাঢ় পূর্ণিমার চাঁদের আলোতে কেমন যেন রহস্যময় মনে হচ্ছে। খামের যুবতীর সঙ্গে স্বাগত তোরণের ভিতর প্রবেশ করল। মন্দির গাত্রের মূর্তিগুলো যেন চেয়ে আছে তাদের দিকে। যুবতী থামল না। এগিয়ে চলল সে। অন্ধকার কক্ষগুলোতে প্রবেশ করে তারা পৌঁছে গেল মন্দিরের ভিতরের প্রাঙ্গণে। তারপর প্রবেশ করল মূল মন্দিরে। কক্ষ, অলিন্দ অতিক্রম করে তারা উঠে এল দোতালায়।

    অলিন্দ থেকে দেখা যাচ্ছে দূরে দাঁড়িয়ে থাকা বিষ্ণুলোককে। কোনও আলো জ্বলছে না সেখানে। চাঁদের আলোতে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে মন্দির নগরীর সর্ববৃহৎ স্থাপত্য। যাকে কেন্দ্র করে হাজার বছর আগে গড়ে উঠেছিল এই মন্দির নগরী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }