Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ৫

    পর্ব ০৫

    সুরভীর কথা শুনে নাতাশা কিছুটা অপ্রস্তুতভাবে বলল, ‘আমি ব্যাপারটা এমন হবে ঠিক বুঝতে পারিনি। ওর পোশাক দেখে মনে হল গরিব মানুষ। তাই ওকে টাকাটা দিতে চেয়েছিলাম।’

    এ প্রসঙ্গে এরপর আর কেউ কিছু বলল না। বিশালাকৃতির তোরণের নীচ দিয়ে এগিয়ে তারা প্রবেশ করল ভিতরে। সামনে একটা বিশাল মাঠ। তার শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে বিশাল আকৃতির আঙ্করভাটের বিখ্যাত বিষ্ণু মন্দির। তার মাথায় শৃঙ্গ বা টাওয়ারগুলো যেন আকাশকে স্পর্শ করতে চাইছে। একটা ছোট জলাশয়ও আছে মন্দিরের সামনে। আর মাঠের নানান স্থানে দাঁড়িয়ে আছে তালগাছ। দূর থেকেই দেখা যাচ্ছে মন্দিরের প্রবেশ মুখে ট্যুরিস্টদের ভিড়। মাঠেরও এখানে সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে তারা। কেউ সবুজ মাঠে বসে বিশ্রাম নিচ্ছে। কেউ আবার ছবি তুলছে। অধিকাংশই শ্বেতাঙ্গ পর্যটক। পাথর বাঁধানো একটা রাস্তা সোজা এগিয়েছে হাজার বছরের প্রাচীন মন্দিরের দিকে। যা পৃথিবীর সর্ব বৃহৎ ধর্মীয় স্থাপত্য বলে পরিচিত। চর্মচক্ষে না দেখলে স্বাগতরা ধারণাই করতে পারত না এ মন্দির কতটা বিশাল হতে পারে। রামমূর্তি বললেন, ‘হয়তো তোমরা বইতে এ মন্দির সম্পর্কে পড়েছ বা ইন্টারনেটে তথ্য অনুসন্ধান করেছ তবুও প্রবেশের আগে এই মন্দির সম্পর্কে কিছু তথ্য তোমাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই।’

    যে পথ ধরে তারা মন্দিরের দিকে এগতে শুরু করল সে পথের দু’পাশে শেষ নাগের দেহ দিয়ে অনুচ্চ রেলিং নির্মাণ করা আছে। রামমূর্তি হাঁটতে হাঁটতে বলতে শুরু করলেন—‘আঙ্করের এই বিষ্ণু মন্দির দশম শতাব্দীতে নির্মাণ করিয়েছিলেন খামের রাজ দ্বিতীয় সূর্যবর্মন। কিন্তু আমরা বর্তমানে মন্দিরের যে কাঠামো দেখছি তা তিনি তাঁর জীবদ্দশায় সম্পন্ন করে যেতে পারেননি। দ্বাদশ শতাব্দীতে রাজা সপ্তম সূর্যবর্মন মন্দির নির্মাণের কাজ সমাপ্ত করেন। অনুমান করা হয় নবম শতকে নির্মিত বরবদুরের বিখ্যাত বৌদ্ধ মন্দির দেখে সূর্যবর্মনেরও তেমন এক বিশাল স্থাপত্য নির্মাণের পরিকল্পনা মাথায় আসে। তারই ফলশ্রুতি এই মন্দির। মজার ব্যাপার হল বিভিন্ন ঐতিহাসিক নথিতে এই মন্দিরকে বিষ্ণুলোক বলে উল্লেখ করা হলেও এর প্রকৃত নাম ঠিক কী ছিল তা আজও জানা যায়নি। ভগবান বিষ্ণুকে এ মন্দির উৎসর্গ করার কারণেই এ মন্দিরকে বিষ্ণুলোক বলে ডাকা হয়। কোনও কোনও প্রাচীন বইতে ‘বরাহ লোক’ নামেও এর উল্লেখ আছে। কারণ, বরাহ হল বিষ্ণুর অবতার।’

    বেলা দশটা বেজে গেছে। মাথার ওপর রোদ বেশ চড়া হতে শুরু করেছে। এবার সকলেরই বেশ গরমবোধ হচ্ছে। পকেট থেকে রুমাল বের করে মুখ মুছে নিয়ে রামমূর্তি এরপর আবার বলতে শুরু করলেন, ‘এবার আসি মন্দিরের গঠনশৈলীর প্রসঙ্গে। দুই ধরনের গঠন আছে এই মন্দিরের। একটা অংশ হচ্ছে গ্যালারি ধরনের যা বাইরে থেকেই কিছুটা দেখতে পাচ্ছ। স্তম্ভ যুক্ত গ্যালারি। আর অন্যটি হল মাউন্ট টেম্পল অর্থাৎ শৃঙ্গ যুক্ত মন্দির। মেরু পর্বতের আদলে নির্মিত যে মন্দিরের শীর্ষ দেশগুলো বহু দূর থেকেই চোখে পড়ে। মন্দিরের উচ্চতা পঁয়ষট্টি মিটার। পাঁচ একর জায়গা নিয়ে গড়ে উঠেছে এই মন্দির। এ মন্দিরের ওপর দিয়ে চামেদের আক্রমণ সহ বেশ কিছু ঝড় বয়ে গেলেও মন্দিরের মূল কাঠামো মোটামুটি অক্ষতই আছে। এর পিছনে দুটো কারণ আছে। প্রথম কারণ হল প্রায় তিরিশ ফুট উঁচু ভিত্তি বেদির ওপর মন্দির নির্মাণ করা হয়েছিল। আর দ্বিতীয় কারণ হল মন্দিরকে ঘিরে থাকা পরিখা। যে কারণে মন্দির নগরীর অন্য মন্দিরগুলোর মতো জঙ্গল একে গ্রাস করে নিতে পারেনি। ধর্ম বিশ্বাসীরা বলেন স্বয়ং বিষ্ণুর আবাসস্থল বলে বনদেবী তাকে স্পর্শ করার সাহস দেখাননি।’

    তারা যত এগতে লাগল চারপাশে ট্যুরিস্টদের ভিড় তত বাড়তে লাগল। প্রফেসর রামমূর্তির কথা শুনতে শুনতে একসময় তারা পৌঁছে গেল মন্দিরের সামনে পুকুরের মতো জলাশয়ের সামনে। পদ্মফুল ফুটে আছে জলাশয়ে। মন্দিরকে পিছনে রেখে অনেকে ছবি তুলছে সেই জলাশয়ের পাড়ে দাঁড়িয়ে। রামমূর্তি বললেন সূর্যোদয়ের সময় বহু মানুষ এখানে আসে ছবি তুলতে। এখন এই জলাশয়ে পুরো মন্দিরের প্রতিবিম্ব ধরা পড়ে। সে ছবিও তুলতে আসেন দেশ-বিদেশের ফোটোগ্রাফাররা। অপূর্ব সেই দৃশ্য!’

    সুরভী বলল, ‘আমি সেই ছবি ইন্টারনেটে দেখেছি। সত্যিই অপূর্ব ছবি।’

    স্বাগতও দেখেছে সেই ছবি। তবে বেলা বাড়ার কারণে জলাশয়ের বুকে মন্দিরের ছবি আর তেমনভাবে ধরা দিচ্ছে না, শুধু মন্দিরের একটা আবছা প্রতিবিম্ব দেখা যাচ্ছে। স্বাগতরা সেখানে দাঁড়িয়ে বেশ কয়েকটা গ্রুপ ছবি তুলল। তারপর এগল সেই পুষ্করিণীকে বেড় দিয়ে মন্দিরের ওপরে ওঠার জন্য।

    একসময় নিশ্চয়ই পাথরের সোপান শ্রেণি ছিল ওপরে ওঠার জন্য। বর্তমানে তা অবলুপ্ত হয়ে যাওয়ার কারণে কাঠের সিঁড়ি বানানো হয়েছে। তা দিয়েই ওপরে উঠে এল সকলে। মন্দিরে ভিতরে ঢোকার আগে রামমূর্তি বললেন, ‘আজকে আমি যথাসম্ভব মন্দিরের ভিতরের উল্লেখযোগ্য জায়গাগুলো তোমাদের দেখাবার চেষ্টা করব। মন্দিরের ভিতরের দেওয়াল, স্তম্ভ আর অলিন্দগুলো কীভাবে পাথরের ব্লক সাজিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে তা ভালো করে দেখা বোঝার চেষ্টা করবে। পরবর্তীকালে ব্যাপারটা তোমাদের কাজে লাগবে। আর দেওয়াল গাত্রে যে সব মূর্তি আছে তা দেখে তোমরা সে সময়ের মানুষদের দেহের গঠন, পোশাক, জীবনযাত্রা সম্পর্কে আন্দাজ করতে পারবে। প্রয়োজন মনে করলে সে সবের ছবিও তুলে রাখবে। আমরা যে মন্দিরের কাজ করব সেখানে যদি কোনও জীর্ণ বা খণ্ড খণ্ড মূর্তির অংশ পাওয়া যায় তখন তাকে জোড়া দিয়ে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে মূর্তির ছবিগুলো কাজে লাগবে। কারণ, এই মন্দির নগরীর সব মূর্তি প্রায় একই গঠনশৈলীতে নির্মিত।’

    এ কথা বলে মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করতে করতে রামমূর্তি মজার ছলেই বললেন, ‘আমরা সকলে কিন্তু জীবিত মানুষ হিসাবেই মন্দিরে প্রবেশ করছি, ব্যাপারটা বিশ্বাস না হলে নিজেরা নিজেদের গায়ে চিমটি কেটে দেখতে পার। তবে জানি না, মৃত্যুর পর আমার আত্মা এই বিষ্ণুলোকে স্থান পাবে কি না?’

    কথাটা শুনে সুরভী বলল, ‘তবে আমার কিন্তু সত্যিই নিজের গায়ে চিমটি কেটে দেখতে ইচ্ছা হচ্ছে। তবে তার কারণ অন্য। বইতে কত পড়েছি, কত ছবি দেখেছি এই প্রাচীন মন্দিরের। আর সেই মন্দিরেই কি না আমরা এখন প্রবেশ করছি। এ ব্যাপারটা যেন আমার এখনও বিশ্বাস হতে চাইছে না! মনে হচ্ছে যেন স্বপ্ন দেখছি।’

    রামমূর্তি বললেন, ‘এ মন্দির একটা স্বপ্নপুরীই বটে। আর কিছুক্ষণের মধ্যে ব্যাপারটা তোমরা উপলব্ধি করতে পারবে। আমি যখন প্রথম দিন এ মন্দিরে প্রবেশ করেছিলাম সেদিন আমারও তোমাদেরই মতো একই রোমাঞ্চ অনুভব হচ্ছিল। এ মন্দিরের কোনও তুলনা নেই!’

    মন্দিরের ভিতরে প্রবেশ করল স্বাগতরা। বাইরে বেশ গরম হলেও মন্দিরের ভিতরটা বেশ ঠান্ডা। মাথার ওপর উঁচু ছাদ। চারপাশে মোটা পাথরের দেওয়াল। প্রাচীনত্বের গন্ধ মাথা চারপাশের পরিবেশ। কত না অজানা কাহিনি লুকিয়ে আছে এইসব নির্বাক স্তম্ভ, দেওয়ালের গায়ে। সব কথা কি আর ইতিহাস বইতে লেখা থাকে, নাকি জানা যায়? রামমূর্তি বললেন সবাই কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করবে। কারণ, একইরকম অনেক উপমন্দির, চত্বর, অলিন্দ আছে এই প্রাচীন মন্দিরে। দেওয়ালগুলো পুরু হওয়াতে মোবাইল ফোনের সংযোগ অনেক সময়ই বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকে। মন্দিরের গোলকধাঁধায় একবার হারিয়ে গেলে অন্যদের খুঁজে পেতে সময় লাগবে। আমি তোমাদের প্রথমে মন্দিরের গ্যালারি অংশগুলো দেখাব তারপর মূল মন্দিরগুলো। যাদের মাথায় মেরু পর্বতের আদলে শৃঙ্গ আছে।’

    History

    রামমূর্তিকে অনুসরণ করে তারা গিয়ে উপস্থিত হল মন্দিরের বহিঃঅংশের এক অলিন্দে। বারান্দার মতো জায়গাটার ছাদ সার সার স্তম্ভ দিয়ে ধরা আছে। যেখান থেকে বাইরেটা অনেক দূর পর্যন্ত দেখা যায়। অনুচ্চ রেলিং দিয়ে ঘেরা সেই লম্বা অলিন্দের বিপরীত দিকের দেওয়ালের গায়ে খোদিত আছে নানা দৃশ্য, অলঙ্করণ। রামমূর্তি সেই অলিন্দে প্রবেশ করে তাদের নিয়ে অলিন্দের একদম শেষপ্রান্তে পৌঁছলেন। তারপর বললেন, তোমাদের ছবিগুলো দেখাতে দেখাতে এখানে না এসে, এখান থেকেই আমরা দেওয়ালের গায়ের ছবিগুলো দেখতে দেখতে আবার গ্যালারির বাইরে যাওয়ার জন্য এগব। এর পিছনে বিশেষ একটা কারণ আছে। এই গ্যালারিগুলোতে খোদিত ছবিগুলো অন্য সব মন্দিরের মতো ক্লকওয়াইজ নয়। অ্যান্টি ক্লকওয়াইজ। অর্থাৎ ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে সাজানো। হিন্দু ধর্মে যে অন্ত্যোষ্টি ক্রিয়ার ব্যবস্থা আছে তা এমনই অ্যান্টি ক্লক ওয়াইজভাবে সম্পন্ন করা হয়। এখানে ছবিগুলো এভাবে সাজানো থাকার কারণেই অনেক গবেষক পণ্ডিত মনে করেন এ মন্দির মানুষের অন্তোষ্টি ক্রিয়ার স্থল হিসাবে ব্যবহার করা হতো। রাজা সূর্যবর্মনের অন্ত্যোষ্টি ক্রিয়া এ মন্দিরেই হয়েছিল। মৃত্যুর পর তাঁকে ‘প্রিয়াহ বিষ্ণুলোক’ উপাধি প্রদান করা হয়। অর্থাৎ “বিষ্ণুলোক প্রিয়।’

    স্বাগতদের এরপর গ্যালারিটা দেখাতে শুরু করলেন তিনি। দেওয়ালের গায়ে প্রথম চিত্র রাজসভার। পরপর ছবিগুলোতে কীভাবে সভার কাজ পরিচালিত হতো তা চিহ্নিত আছে দেওয়ালে। রামমূর্তি ব্যাপারটা বুঝিয়ে দিতে লাগলেন তাদের। কেউ ছবিও তুলতে লাগল তাদের।

    সেই অলিন্দ দেখার পর তারা প্রবেশ করতে লাগল অন্য অলিন্দগুলোতে। যে সব জায়গার দেওয়াল গাত্রে কোথাও খোদিত আছে যুদ্ধর ছবি, শিকার যাত্রার ছবি, কোথাও বা দৈনন্দিন জীবন যাত্রার ছবি। সে সব অলিন্দে আরও কিছু ট্যুরিস্ট ঘুরে বেড়াচ্ছে, কিন্তু তারা সবাই নির্বাক, নিস্তব্ধ। সবাই যেন নিশ্চুপভাবে উপলব্ধি করার চেষ্টা করছে হাজার বছরের প্রাচীন অতীতকে।

    গ্যালারিগুলো দেখার পর রামমূর্তি সকলকে নিয়ে এগলেন স্থাপত্যর ভিতরের অংশে। শৃঙ্গযুক্ত মন্দিরগুলো তাদেরকে দেখাবার জন্য। স্বাগত ঘড়ি দেখল, গ্যালারি দেখতে দেখতেই ইতিমধ্যে ঘণ্টাখানেক সময় অতিবাহিত হয়ে গেছে তাদের। মন্দিরের ভিতরের অংশে প্রবেশ করার পর সত্যিই যেন সকলে হতবাক হয়ে গেল। দেওয়াল, স্তম্ভ, খিলান, কার্নিশের গায়ে দাঁড়িয়ে আছে অসম্ভব সুন্দর মানব মূর্তি, চিত্রিত রয়েছে আশ্চর্য সুন্দর সব অলঙ্করণ। পাথুরে সিঁড়ির ধাপ বেয়ে মন্দিরগুলোর বিভিন্ন অংশে ওঠা নামা করতে হয়। যে সব মূর্তি আছে তাদের মধ্যে আছে নারীপুরুষের যুগল মূর্তি, আবার কোথাও নৃত্য বা অন্য কোনও ভঙ্গিমাতে স্বাগতদের দিকে চেয়ে আছে কোনও নারী মূর্তি। অলঙ্কার ও প্রাচীন বেশ শোভিত সে সব মূর্তিগুলোর মাথায় রয়েছে অনেকটা টোপরের মতো দেখতে মুকুট। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রাচীন খামের জাতি যা ব্যবহার করত। তবে সে সব মূর্তিগুলোর মধ্যে কোনারক বা খাজুরাহর মূর্তিগুলোর মতো যৌনতার কোনও চিহ্ন নেই। শান্ত সৌন্দর্যের প্রতীক যেন মূর্তিগুলো। স্তম্ভর গায়ে খোদিত মূর্তিগুলো মহাকালের নিয়মে মৃদু ক্ষয়প্রাপ্ত হলেও তাদের গঠন মোটামুটি অটুটই আছে। রামমূর্তি বললেন, যে সব একক নারী মূর্তি দেখছ সেগুলো হল অপ্সরাদের মূর্তি। এখনও পর্যন্ত প্রায় দু’হাজার অপ্সরার মূর্তি বা ছবি আবিষ্কৃত হয়েছে এখানে। আরও বেশ কিছু ছিল। তা কিছু চামেদের আক্রমণে ধ্বংস হয়। কিছু মূর্তি চুরি যায়, ইউরোপীয়রাও কিছু মূর্তি নিজেদের দেশে নিয়ে যায়। এই বিষ্ণুমন্দিরের সংস্কারের কাজ শুরু হয় বিংশ শতাব্দীতে। মাঝে অবশ্য কমিউনিস্ট খামেরদের শাসনকালে এই মন্দিরের সংস্কার ও দরজা বন্ধ হয়ে যায়। সে সময় নাকি পলপটা বাহিনি মূর্তির বিনিময়ে বিদেশ থেকে অস্ত্র সংগ্রহ করেছিল বলেও শোনা যায়। ভাগ্য ভালো তাদের শাসনকাল বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।’

    অপ্সরাদের মূর্তির দিকে তাকিয়ে স্বাগতর আবারও হঠাৎ মনে পড়ে গেল জঙ্গলের মধ্যে লতাগুল্মর আড়াল থেকে উঁকি দেওয়া মূর্তির কথা। ওটাও কি কোনও অপ্সরার মূর্তি? রামমূর্তি বললেন, ‘এবার তোমাদের একটা মজার কথা বলি। সূর্যাস্তের আগে এই মন্দির থেকে পর্যটকদের বার করে দেওয়া হয়। সম্পূর্ণ খালি হয়ে যায় এই মন্দির। স্থানীয় লোকদের বিশ্বাস বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামার পরই নাকি নড়েচড়ে ওঠে এই সব অপ্সরার মূর্তিগুলি। তারপর তারা একে একে জীবন্ত হয়ে দেওয়াল থেকে বাইরে বেরিয়ে আসে। তাদের নূপুরের ছমছম শব্দে মুখরিত হয়ে ওঠে এই মন্দির। মহারাজ সূর্যবর্মনের রাজসভা বসে মন্দিরগুলোর মাঝে যে বিশাল চত্বর আছে সেখানে। আলোকোজ্জ্বল হয়ে ওঠে সেই প্রাঙ্গণ। মহারাজকে নৃত্য পরিবেশন করে অপ্সরারা। তারপর সূর্যোদয়ের প্রাকমুহূর্তে আবার তারা ফিরে আসে যে যার আপন স্থানে।’

    কথাটা শুনে বিক্রম বলল, ‘সেই নৃত্য কোনও লোক দেখেছে নাকি?’

    রামমূর্তি বললেন, ‘তেমন কোনও লোক আছে কি না জানা নেই। সন্ধ্যা নামার পর এ মন্দিরের কাছে কেউ ঘেঁষে না। এমনকী গার্ডরাও মন্দিরের ভিতরে থাকে না। একমাত্র নাকি মৃত পুণ্যবান বা পূণ্যবতী আত্মা যাঁরা এই মন্দিরে বাস করে তাঁদেরই অপ্সরাদের নৃত্য দেখার অধিকার আছে। কোনও জীবন্ত মানুষ সে দৃশ্য প্রত্যক্ষ করতে গেলে তাঁর মৃত্যু নাকি অবশ্যম্ভাবী। খামেদের শাসনকালে একদল অস্ত্রধারী কমিউনিস্ট নাকি প্রচলিত গল্পকে মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য সূর্য ডোবার পর রয়ে গিয়েছিল এই মন্দিরে। পরদিন নাকি তাদের থেতলানো মৃতদেহগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল মন্দিরের প্রবেশ পথের বাইরে। যেন তাদের মন্দির শীর্ষ থেকে ছুঁড়ে ফেলা হয়েছিল বাইরে! একজন ইউরোপীয় পর্যটকের ক্ষেত্রেও নাকি একই ব্যাপার ঘটেছিল। এইসব লোকের মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকতে পারে। কিন্তু এসব ঘটনা এখানকার সাধারণ মানুষের মনে প্রচলিত বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করে তুলেছে। ঠিক যেমন তারা মনে করে, যে মানুষদের প্রেতাত্মা কোনও কারণে বিষ্ণুলোকে প্রবেশাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে তারা আজও চেষ্টা করে বিষ্ণুলোকে প্রবেশ করার জন্য। হাজার হাজার বছর ধরে তারা প্রতীক্ষা করছে বিষ্ণুলোকে প্রবেশ করার জন্য।’

    নাতাশা জানতে চাইল, ‘যে সব প্রেতাত্মারা কোথায় বসবাস করে?’

    রামমূর্তির হয়ে স্বাগতই জবাব দিল—‘তারা বসবাস করে বিষ্ণুলোকের বাইরে প্রাচীন মন্দিরগুলিতে। রাত নামলে তারাও নাকি জেগে ওঠে। স্থানীয় খামেদের এমনই বিশ্বাস। যে কারণে সূর্যাস্তের আগেই মজুর-শ্রমিকরা মন্দির নগরী ত্যাগ করে চলে যায়।’ জবাব শুনে নাতাশার মুখটা যেন কেমন অদ্ভুতরকম গম্ভীর হয়ে গেল। স্বাগতর তা দেখে মনে হল, এই মেয়েটির সম্ভবত ভূত-প্রেতে বিশ্বাস আছে।

    শৃঙ্গযুক্ত মন্দিরগুলি একটার পর একটা দেখতে শুরু করল তারা। এবার প্রতিটা মন্দিরে মাথাতেই জেগে আছে পাথরের তৈরি প্রকাণ্ড প্রকাণ্ড বিষ্ণুদেবের মুখমণ্ডল। কোথাও কোথাও আবার তারা ত্রিমুখী। অর্থাৎ তিনটি মুখমণ্ডল তিন পাশে রচনা করা হয়েছে। প্রতিটি মন্দিরের তিন দিকেই আছে স্তম্ভযুক্ত বারান্দা আর তাদের মধ্যের চত্বরে অবস্থান করছে বিশাল আবৃত চৌকো জলাধার। সিঁড়ি নেমে গেছে তাদের ভিতর। জলাধারগুলো বর্তমানে শুষ্ক হলেও এক সময় ওই জলাধারগুলোর জল নিয়েই মন্দিরের নানা কাজে ব্যবহৃত। দুটো মন্দির দেখার পর একটা মন্দির চত্বরে পাথরের বেদির ওপর ভগবান বুদ্ধর প্রাচীন একটা মূর্তি দেখতে পেল তারা। ভূমিস্পর্শ ভঙ্গিতে বসে আছেন তিনি। এ মন্দির যে পরবর্তী সময় বুদ্ধদেব উপাসনা স্থলে রূপান্তরিত হয়েছিল ওই বুদ্ধমূর্তিই তার প্রমাণ। সময় এগিয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে নানান স্থানে আরও বেশ কিছু নানা ভঙ্গিমার বুদ্ধমূর্তি দেখতে পেল তারা। কোনও কোনও মূর্তির গায়ে শুকনো ফুলের মালা ও রয়েছে। অর্থাৎ পূজা করা হয়েছে তাঁদের। সুরভী একসময় বলল, ‘বুদ্ধ মূর্তি তো দেখলাম। কিন্তু এটা তো বিষ্ণুলোক। বিষ্ণুমূর্তি কোথায়?’

    রামমূর্তি বললেন, ‘এই মন্দিরে নিশ্চয়ই বিষ্ণুর একটা প্রাচীন মূর্তি ছিল। কিন্তু আজ আর তার কোনও খোঁজ মেলে না। কিছু বিষ্ণু মূর্তি চামেরা ধ্বংস করেছিল, আর কিছু চুরি হয়ে যায়। এই মন্দিরগুলোর কয়েকটি কক্ষ অলিন্দের প্রবেশ পথ পাথরের দেওয়াল গেঁথে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তার ভিতর কোনও মূর্তি থাকলেও থাকতে পারে। তবে মন্দিরের বাইরের অংশে অর্থাৎ গ্যালারির নীচে একটা কক্ষে একটা বড় বিষ্ণুমূর্তি আছে। আজও তার নিত্য পূজা করা হয়।’

    সিঁড়ির ধাপ বেয়ে একটা মন্দিরের বেশ খানিকটা ওপরে উঠে ফাঁকা একটা অলিন্দে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য বসল তারা। রামমূর্তি অবশ্য বসলেন না। তিনি ঘুরে ঘুরে আশপাশের শূন্য কক্ষগুলো দেখতে লাগলেন। জায়গাটাতে বসার পর কথাবার্তা বলতে বলতে বিক্রম বলল, ‘সত্যিই যেন এক আশ্চর্য জগতের মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছি আমরা! কোনও মন্দির যে এত বিশাল হতে পারে, ভাস্কর্যগুলো যে এত সুন্দর হতে পারে, তা না দেখলে বুঝতেই পারতাম না। বিশেষত অপ্সরাদের মূর্তিগুলো কী নিখুঁত। তাদের অঙ্গসৌষ্ঠব, ভঙ্গিমা সবই যেন জীবন্ত!

    অন্য সবাই সহমত পোষণ করল তার কথায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }