Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ৬

    পর্ব ০৬

    অনেক নীচে অলিন্দের ঠিক নীচের চত্বরে কয়েকজন ট্যুরিস্ট ঘুরে বেড়াচ্ছে। ওপর থেকে পিঁপড়ের মতো দেখতে লাগছে তাদের। ঝুঁকে পড়ে সেদিকে তাকিয়ে প্রীতম বলল, ‘অলিন্দ ঘেরা এই চত্বরগুলোতেই সে সময় সম্ভবত নানান ধর্মীয় অনুষ্ঠান হতো। খেয়াল করেছি চতুর পাথরের মেঝেতে বেশ কয়েক জায়গাতে নানা ধরনের অলঙ্করণ আর জ্যামিতিক মার্ক কাটা আছে।’

    স্বাগত বলল, ‘হ্যাঁ, আমিও খেয়াল করেছি ব্যাপারটা। নাতাশা বলল, ‘এই মন্দিরের ভিতর ঘুরতে ঘুরতে আমার একটা অদ্ভুত অনুভূতি হচ্ছে।’

    ‘কী অনুভূতি?’, জানতে চাইল সুরভী।

    নাতাশা জবাব দিল, ‘আমার কেন জানি মনে হচ্ছে আমি এ মন্দিরে আগে এসেছি! কিছু কিছু জায়গা যেন চেনা লাগছে!’

    প্রীতম হেসে বলল, ‘এমন হতে পারে যে পূর্বজন্মে তুমি এ মন্দিরের কোনও অপ্সরা ছিলে। তাই মন্দিরটা তোমার চেনা মনে হচ্ছে!’

    কথাটা শুনে নাতাশার অপর দু’জন সঙ্গী হেসে ফেলল। তা দেখে গম্ভীর হয়ে গেল নাতাশা। স্বাগতও হেসে ফেলতে যাচ্ছিল, কিন্তু সে নিজেকে সামলে নিয়ে বলল, ‘অনেক সময় এমন অনুভূতি হয়। আমারও অজন্তার গুহাচিত্র দেখতে গিয়ে এমন অনুভূতি একবার হয়েছিল। এর কারণ হল বিখ্যাত দ্রষ্টব্য স্থানগুলোর বিভিন্ন ছবি আমরা সে স্থানে যাওয়ার আগে অনেক সময় দেখে থাকি। আর সেগুলো আমাদের মনের ভিতর রয়ে যায়। আর তার ফলে পরবর্তীতে সে স্থানে গেলে মনে হয় আগে কোনওদিন যেন সেখানে এসেছি।’

    স্বাগতর ব্যাখ্যা শুনে নাতাশার মুখে হাসি ফুটে উঠল। প্রফেসর রামমূর্তি কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার তাদের কাছে ফিরে এলেন। আবার শুরু হল তাদের মন্দির পরিভ্রমণ। কত অজানা চত্বর, অলিন্দ, কক্ষে ঘুরে বেড়াতে লাগল তারা রামমূর্তি তাদের বুঝিয়ে দিতে লাগলেন স্থাপত্য, মূর্তি, অলঙ্করণের গঠনশৈলী। স্থাপত্যর কোনও অংশ একটি প্রস্তর খণ্ড দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল, মন্দির শীর্ষে বিশালাকৃতির মুখমণ্ডলগুলো কীভাবে পাথরের খণ্ড জোড়া দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল সে সব কথা। স্বাগতরা মন্দির দেখতে দেখতে শুনতে লাগল তাঁর কথা। তিনি যেমন বলেছিলেন তেমনই বেশ কয়েক জায়গাতে অলিন্দ বা কক্ষের মুখ পাথর দিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। এ ব্যাপারটাও চোখে পড়ল স্বাগতদের। বেশ কিছু মন্দির প্রাঙ্গণ, চত্বর এমন নির্জন সেখানে দাঁড়িয়ে স্বাগতদের মনে হতে লাগল হাজার বছর ধরে সময় যেন সেখানে থমকে দাঁড়িয়ে আছে। মাথার ওপরের বিষ্ণুর মুখমণ্ডলগুলো ওপর থেকে যেন পাহারা দিচ্ছে সেই প্রাঙ্গণগুলোকে। তারাই একমাত্র জানে এসব প্রাঙ্গণের কাহিনি। একসময় হয়তো এই প্রাঙ্গণগুলোতে শোনা যেত গম্ভীর কণ্ঠে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের শব্দ অথবা মুখরিত হয়ে থাকত চয়নিকা কিংবা নর্তকী-দেবদাসীদের নিক্কণ ধ্বনিতে। প্রাঙ্গণ সংলগ্ন কক্ষগুলোর ভিতর খেলা করছে জমাট বাঁধা
    অন্ধকার। হঠাৎ একসময় স্বাগত খেয়াল করল আলো যেন নরম হয়ে আসছে। আর এরপরই রামমূর্তি বললেন, ‘আজ যতটুকু দেখাবার তা তোমাদের দেখালাম। একদিনে এ মন্দির পুরো দেখা সম্ভব নয়। আবার তোমাদের নিয়ে এখানে আসব। আর কাজের অবসরে তোমরাও এখানে চলে আসতে পার। জায়গাটা তো তোমরা চিনেই নিলে। নিজেরাও আসতে পারবে এখানে। এবার চল বাইরে বেরনো যাক। নইলে ফিরতে অন্ধকার নেমে যাবে। বিষ্ণুমূর্তিটা তোমাদের দেখিয়েই ফেরার পথ ধরব।’

    রামমূর্তির কথা শুনে রিস্ট ওয়াচের দিকে তাকিয়ে স্বাগত অবাক হয়ে গেল। পাঁচটা বাজে। এ মন্দিরে ঢোকার পর কীভাবে যে পাঁচ-ছ’ঘণ্টা অতিবাহিত হয়ে গেছে তা তারা বুঝতেই পারেনি!

    প্রফেসর রামমূর্তিকে অনুসরণ করে সংক্ষিপ্ত পথ ধরে বিষ্ণুলোকের বাইরে বেরিয়ে এল তারা। হাঁটতে হাঁটতে রামমূর্তি তাদের নিয়ে হাজির হলেন মন্দিরে বাইরের অংশে গ্যালারির নীচে একটা উপমন্দিরে। ছোট্ট একটা গর্ভগৃহ। তার মধ্যে অবস্থান করছেন কষ্ঠি পাথরের তৈরি দশবারো ফুট উচ্চতার দণ্ডায়মান বিষ্ণুমূর্তি। ফুলের মালা তার গলাতে। পায়ের নীচে জমা হয়ে আছে ধুপের রাশি। একটা প্রদীপ জ্বলছে গর্ভগৃহে। কয়েকজন লোক আরও কয়েকটা প্রদীপ জ্বালাচ্ছে। রামমূর্তি বললেন, ‘এটাই এ মন্দিরের একমাত্র বিষ্ণুমূর্তি। সম্ভবত আগে এই মূর্তি মন্দিরের ভিতর ছিল। পরে মূর্তিটাকে বাইরে আনা হয়। ব্যাপারটা বৌদ্ধযুগেও ঘটে থাকতে পারে। যে সব পুরোহিতরা আছেন তারা সন্ধ্যাপ্রদীপ জ্বেলে দিয়ে অন্ধকার নামার আগেই এ স্থান ত্যাগ করবেন।’

    স্বাগতরা কয়েক মিনিট দাঁড়িয়ে রইল সেখানে। তারপর সেই মূর্তির উদ্দেশ্য প্রণাম জানিয়ে ফেরার পথ ধরল। অস্তাচলগামী সূর্যের আলো এখন ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে বিষ্ণুলোকের মাথায় জেগে থাকা দেবতার প্রকাণ্ড মুখমণ্ডলের ওপর। রক্তাভ বর্ণ ধারণ করতে শুরু করেছে সেই মুখমণ্ডলগুলি।

    মাঠ, বিষ্ণুলোকের প্রধান পরেশ তোরণ অতিক্রম করে জলাশয়ের সামনে বেরিয়ে এল সকলে। বাইরে কোনও ট্যুরিস্ট নেই। বিষ্ণুলোক দর্শন করে ফিরে গেছে তারা। স্বাগতরা যে পথে এসেছিল সে পথ ধরে এগিয়েই জঙ্গলের মধ্যে প্রবেশ করল। অনেকেরই এবার ক্লান্ত বোধ হচ্ছে। সেই জন্য ধীর পদক্ষেপে হাঁটছিল তারা। স্বাগতর তেমন ক্লান্তি না লাগলেও সে সবার পিছনে হাঁটছিল। তারা এখন প্রায় তাঁদের বাসস্থানের কাছে পৌঁছে গেছে। সন্ধ্যা নামতে চলেছে এবার। অন্য কারওর চোখে না পড়লেও স্বাগতর হঠাৎ চোখে পড়ল একজনকে। সেই খামের যুবতী। যাঁর সঙ্গে মৃদু পরিচয় হয়েছে তার। সে গত রাত্রে স্বাগতর স্বপ্নে এসেছিল! একটা গাছের গুঁড়ির পাশে দাঁড়িয়ে সে দেখছে স্বাগতদের। কয়েক মুহূর্ত মাত্র। আর তারপর সে অদৃশ্য হয়ে গেল গাছের আড়ালে। চারপাশের জঙ্গলে দ্রুত অন্ধকার নামতে লাগল।

    রামমূর্তির নেতৃত্বে আজ থেকে স্বাগতরা তাঁর সহায়ক হিসাবে কাজ শুরু করবে সকাল ঠিক আটটায়। তিনি মন্দির তোরণের সামনে সবাইকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। একটানা বিকেল পর্যন্ত কাজ চলবে। মাঝে কিছু সময়ের জন্য মধ্যাহ্নভোজের অবসর মিলবে এমনই কথা তিনি গত সন্ধ্যায় মন্দির থেকে ফেরার পর সবাইকে জানিয়ে দিয়েছেন। গতকাল বিষ্ণুলোক দেখে ফিরে আসার পর সবাই সামনের চত্বরে বসেই একসঙ্গে আড্ডা দিয়েছে, রান্না করা খেয়েছে। সে সময় তাদের নিজেদের মধ্যে নানান কথার আদান প্রদান হয়েছে। তা থেকে স্বাগত জানতে পেরেছে তার মতো অন্য চারজন যারা প্রফেসর রামমূর্তিকে সাহায্য করার জন্য এসেছে তারা প্রত্যেকেই ছাত্রজীবনে মেধাবী ছাত্রছাত্রী বলে পরিচিত ছিল। প্রীতম নামের ছেলেটার আবার খেলোয়াড় হিসাবে একটা ব্যাগগ্রাউন্ড আছে। জাতীয় স্তরে ‘জ্যাভলিন’ অর্থাৎ বর্শা ছোড়ার প্রতিযোগিতায় বেশ কয়েকটা পদকও একসময় সে জিতেছে। বিক্রম নামের ছেলেটা বেশ হাসিখুশি, মজা করতে ভালোবাসে। গত রাতে বেশ কয়েকবার সে নাতাশাকে ভূতের ভয় দেখাচ্ছিল। নাতাশা নামের মেয়েটাই দলের মধ্যে সবথেকে নরম স্বভাবা। তবে চারজন ছেলেমেয়ের মধ্যে সুরভীকেই সব থেকে ব্যক্তিত্বপূর্ণ বলে মনে হয়েছে স্বাগতর। মেয়েটা কম কথা বলে কিন্তু যুক্তিপূর্ণ কথা বলে। গত রাতে ছেলেমেয়েগুলোর সঙ্গে কথা বলে তাদের সম্পর্কে স্বাগত এমনই মূল্যায়ন করেছে। একদিনের পরিচয়ে মোটের ওপর তাদেরকে স্বাগতর ভালোই লেগেছে। আর স্বাগতর মনে হয়েছে তাকেও ভালো লেগেছে ওদের। রামমূর্তি স্যারের নেতৃত্বে এই অচেনাঅজানা পরিবেশে প্রাচীন মন্দিরে বেশ কিছুদিন একসঙ্গে কাজ করবে তারা পাঁচজন। সে কাজ সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করার জন্য তাদের নিজেদের মধ্যে ন্যূনতম বোঝাপড়া ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক গোড়ে তোলা জরুরি। অন্য চারজনের সঙ্গে একটা দিন কাটাবার পর স্বাগতর প্রাথমিকভাবে ধারণা হয়েছে যে একসঙ্গে কাজ করতে সম্ভবত কোনও সমস্যা হবে না।

    ভোর পাঁচটা নাগাদই বাইরে থেকে ভেসে আসা পাখির কলরবে স্বাগতর ঘুম ভেঙে গেছিল। প্রচুর টিয়াপাখি আছে এখানে। গতদিন বিষ্ণুলোকে প্রচুর হাঁটাহাঁটি, সিঁড়ি বেয়ে ওঠা নামার ক্লান্তিতে ঘুমটা বেশ ভালো হয়েছে স্বাগতর। ঘুম ভেঙে বিছানা ছেড়ে নামার পর শরীরে যেন বেশ একটা চনমনে ভাব অনুভব করল সে। প্রাত্যহিক কিছু কাজকর্ম, স্নান প্রাতরাশ সেরে রামমূর্তির নির্দেশ পালন করার জন্য আটটা বাজার কিছু আগেই বাইরের চত্বরে বেরিয়ে এল সে। প্রায় একই সময় অন্যরাও বাইরে বেরিয়ে এল। স্থানীয় মজুরের দলও হাজির হয়ে গেল মন্দিরের প্রবেশ তোরণের সামনে। রামমূর্তি স্যরের রাত্রিবাসের ঘরটা স্বাগতদের থাকার জায়গার ঠিক বিপরীতে, চত্বরের অন্য পাশে। ঠিক আটটায় ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন তিনি তাঁর দু’হাতে চামড়ার ছোট বড় ব্যাগ। তাঁকে দেখে তাঁর দিকে এগিয়ে গেল সবাই। তিনিও এগিয়ে এলেন। একসঙ্গে সকলে মিলিত হওয়ার পর একটা ব্যাগ থেকে গলায় ঝোলাবার একগোছা আইডেনটিটি কার্ড বার করে স্বাগতের হাতে দিয়ে বললেন, এটা তোমাদের সরকারি পরিচয়পত্র। যে যারটা নিয়ে নাও। সবসময় এটা নিজেদের সঙ্গে রাখার চেষ্টা করবে।’

    পরিচয়পত্রতে সাঁটা ছবি দেখে স্বাগত সেগুলো অন্যদের হাতে দিয়ে নিজেরটা গলায় ঝুলিয়ে নিল। এরপর তিনি একগোছা ক্যাপ বা টুপিও বার করে দিলেন তাদেরকে। টুপির গায়ে ভারত ও কম্বোডিয়া সরকারের প্রতীক চিহ্ন আঁকা আছে। সকলে মাথায় পরে নিল টুপিগুলো। রামমূর্তি নিজেও এরপর একটা টুপি মাথায় পরে নিলেন। এরপর কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থাকার পর তাঁকে ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকা পাঁচজন যুবক-যুবতীর উদ্দেশে বললেন, ‘আমরা আজ একসঙ্গে কাজ শুরু করার আগে কয়েকটা কথা বলে রাখি। কথাগুলো তোমাদের প্রতি আমার উপদেশ বা নির্দেশও বলতে পার।’

    রামমূর্তি স্যরের কথা শোনর জন্য সকলে তাকাল তাঁর মুখের দিকে। তিনি বলতে শুরু করলেন, ‘আমরা হাজার বছরের প্রাচীন এক মন্দিরের ভিতর কাজ করতে যাচ্ছি। এ মন্দির থেকে আমরা কী তথ্য বা সামগ্রী উদ্ধার করতে পারব তা আমাদের জানা নেই। আমাদের প্রাথমিক কাজ হল এই মন্দিরটাকে মোটামুটিভাবে তার অবসরে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা। যদি কোথাও পুনর্গঠনের ব্যাপার থাকে সেটা অবশ্য অনেক সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। অর্থাৎ আমি বলতে চাচ্ছি যে, আমাদের লক্ষ্য হল মন্দিরের কাঠামোটাকে প্রথমে উদ্ধার করা ও তার একটা নকশা প্রস্তুর করা। যদি তা সফলভাবে করতে হয় তবে আমাদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি। কাজ করার সময় মনে রাখতে হবে আমরা কেউ ‘আমি’ নই, ‘আমরা।’ দ্বিতীয় কথা হল তোমরা যেহেতু এখানে বেশ কিছুদিন থাকবে তাই স্থানীয় বেশ কিছু মানুষের সঙ্গে তোমাদের পরিচয় হওয়ার সম্ভাবনা আছে। মন্দিরের ভিতর আমরা ঠিক কতখানি কাজ করেছি, কোনও মূর্তি বা অন্য কিছু উদ্ধার করতে পেরেছি কি না তা স্থানীয় লোকেদের জানাবে না। এই প্রাচীন মন্দির ও আমাদের কাজের নিরাপত্তার স্বার্থেই এই গোপনীয়তা বজায় রাখা প্রয়োজন। মন্দিরের বিষয়ে যা কিছু জানাবার তা শুধু আমি দু’দেশের সরকারকেই জানাব।’

    রামমূর্তির কথার মাঝেই বিক্রম তাঁকে প্রশ্ন করে বসল ‘অন্য কিছু বলতে কি আপনি গুপ্তধনের কথা বলছেন?’

    রামমূর্তি জবাব দিলেন, ‘এ মন্দির বিষ্ণুলোকের
    সমসাময়িক। যদিও হাজার বছর অতিক্রম হয়েছে, ট্রেজার হান্টারের দল বহু সময় এই প্রাচীন নগরীতে অভিযান চালিয়েছে তবুও সে সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবে আমাদের লক্ষ্য এই প্রাচীন মন্দিরের সংস্কার সাধন গুপ্তধন খোঁজা নয়। কাজেই এই ভাবনাটাকে মাথা থেকে দূরে সরিয়ে রাখাই ভালো। নইলে কাজের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিতে পারে।’

    রামমূর্তি স্যার এরপর তাঁর আগের বক্তব্যে ফিরে গিয়ে বললেন, ‘আমার তৃতীয় কথাটা তোমরা মন দিয়ে শুনবে। কারণ, এ ব্যাপারটার সঙ্গে সকলের নিরাপত্তার প্রশ্ন জড়িত। অচেনা এক অতি প্রাচীন মন্দিরের ভিতর ঢুকে আমরা কাজ করতে যাচ্ছি। এ সব জায়গায় কাজ করতে গেলে একটা দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থেকেই যায়। এই যেমন হয়তো কোথাও থেকে একটা আলগা পাথর খসে পড়তে পারে কারওর ওপর, অসতর্কভাবে চলতে গিয়ে কেউ কোনও ফাটলের গভীরে পড়ে যেতে পারে, কোথাও কোনও ঘর বা কুপের বাতাস হয়তো হাজার বছর ধরে এই জায়গায় আবদ্ধ থাকার কারণে বিষাক্ত গ্যাসে পরিণত হয়েছে। যা নাকে গেলে অসুস্থ হওয়ার এমনকী মৃত্যু ঘটার সম্ভাবনাও থাকে। তাছাড়া এই প্রাচীন কক্ষে সেখানে শতশত বছর ধরে জীবন্ত মানুষের পা পড়েনি যেখানে অন্য কোনও বিপদের সম্ভাবনাও থাকতে পারে। কাজেই মন্দিরের প্রবেশ তোরণ অতিক্রম করার পর প্রতিটা পদক্ষেপ সাবধানে ফেলতে হবে। সাবধানে কাজ করতে হবে।

    অতি উৎসাহ বা কৌতূহলবশত কেউ এমন কোনও কাজ করতে যাবে না যাতে বিপদের সম্ভাবনা থাকতে পারে। কাজ করতে করতে বা অন্য কোনও কারণে কেউ অন্যদের থেকে বেশি দূরে যাবে না। যাতে একজন কোনও বিপদে পড়লে অন্যজন তাকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসতে পারে। দৈবাৎ যদি কোনও বড় বিপদের সম্মুখীন হতে হয়, তখন একমাত্র কাজ মাথা ঠান্ডা রাখা ও ধৈর্য বজায় রাখা। তবেই বিপদ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। আশা করি আমি আমার বক্তব্য তোমাদের বুঝিয়ে বলতে পারলাম।’—এ কথাগুলো একটানা বলে থামলেন তিনি।

    তাঁর কথা শেষ হওয়ার পর সবাই একসঙ্গে বলে উঠল, ‘হ্যাঁ, স্যর বুঝেছি।’

    রামমূর্তি বললেন, ‘কাজ শুরুর আগে আর একটা কথা বলার আছে। তোমাদের মধ্যে থেকে আমার একজনকে নির্বাচন করা প্রয়োজন যে আমার অনুপস্থিতিতে তোমাদের নেতৃত্ব দেবে। সেই তখন টিম লিডার। তোমরা সকলেই প্রায় সমবয়সি। তবে স্বাগত তোমাদের চেয়ে বয়সে কয়েক বছরের বড়। তাই স্বাগতকেই আমি সে দায়িত্ব দিতে চাই। স্বাগত বা তোমাদের এ ব্যাপারে কোনও আপত্তি নেই তো?’

    তাঁর কথা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্বাগত ছাড়া অপর চারজন একসঙ্গে বলে উঠল, ‘না, কোনও আপত্তি নেই।’

    স্বাগতও মাথা ঝুঁকিয়ে বুঝিয়ে দিল রামমূর্তি স্যরের দেওয়া দায়িত্ব পালন করবে সে।

    রামমূর্তি বললেন, ‘আমাদের কথা আপাতত শেষ, বাকি কথা মন্দিরে প্রবেশ করে হবে। চল এবার মন্দিরে প্রবেশ করা যাক।’ এই বলে তিনি ব্যাগ দুটো নিয়ে এগলেন প্রবেশ তোরণের দিকে। তাঁকে অনুসরণ করল অন্যরা। সেদিকে এগতে এগতে স্বাগতর কানে এল নাতাশা চাপা স্বরে জানতে চাইল, ‘স্যর অন্য কোনও বিপদ’ বলতে কী বোঝাতে চাইলেন?’

    বিক্রম জবাব দিল, ‘ওই ভূত-প্রেতের কথা মনে হয়। যারা এই মন্দিরে বাস করে।’

    বিক্রমের জবাব শুনে সুরভী মৃদু তিরস্কারের স্বরে বিক্রমের উদ্দেশে বলল, ‘প্লিজ স্টপ। কাজ শুরু হওয়ার আগে তুমি আর ওকে ভয় দেখিও না।’

    প্রবেশ তোরণের সামনে উপস্থিত হল সকলে। স্থানীয় খামের মজুরের দল সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল। রামমূর্তি তাদের ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিলেন, এবার ভিতরে প্রবেশ করতে হবে। কিন্তু মন্দিরে প্রবেশ করার আগে তারা তাদের হাতের গাছকাটার জন্য সরঞ্জাম নামিয়ে রেখে তোরণের দিকে মুখ করে হাঁটু মুড়ে বসে পড়ল। তারপর একযোগে মাথা নিচু করে তাদের নিজস্ব ভাষায় কী যেন বলতে শুরু করল প্রার্থনার ভঙ্গিতে। তা দেখে প্রীতম রামমূর্তি স্যরকে জিজ্ঞেস করল, ‘স্যর, ওরা কী করছে?’

    রামমূর্তি জবাব দিলেন, ‘ওরা ভগবান বিষ্ণুর কাছে প্রার্থনা করছে। এ মন্দিরে যদি প্রেতাত্মাদের বাস থাকে তবে তাদের হাত থেকে তিনি যেন ওদের রক্ষা করেন সেজন্য।’

    কথাটা শুনেই নাতাশার মুখ গম্ভীর হয়ে গেল আর বিক্রমের মুখে চাপা হাসি ফুটে উঠল। বিক্রমের যে হাসি পাচ্ছে সেটা সম্ভবত নজর এড়াল না রামমূর্তির। তিনি চাপা চাপা স্বরে সবাইকে সতর্ক করে দিয়ে বললেন, ‘বহু বিদেশি আঙ্করভাটে আসার কারণে এই লোকগুলো ইংরেজি ভাষা সামান্য হলেও বোঝে। আমাদের কথাবার্তা এদের সামনে এখন যেন না হয় যে তা এদের ধর্ম বিশ্বাস বা ভাবনাকে আঘাত দেয়। এরা সাধারণত পুরনো মন্দিরে প্রবেশ করতে চায় না। তিনজনের পারিশ্রমিকের সমান পারিশ্রমিকের বিনিময়ে এদের সংগ্রহ করতে হয়েছে। এরা কাজ ছেড়ে চলে গেলে মুশকিলে পড়ব আমরা।’

    মিনিট তিনেক ধরে প্রার্থনা করে উঠে দাঁড়িয়ে তোরণের ভিতরে প্রবেশ করার জন্য এগল শ্রমিকের দল। রামমূর্তির সঙ্গে তারা সকলেও এগল তোরণ অতিক্রম করার জন্য। তোরণের ভিতর প্রবেশ করার আগে স্বাগত একবার তাকাল তোরণের মাথার ওপর বসানো বিষ্ণুর প্রকাণ্ড মুখমণ্ডলের দিকে। সকালের আলো এসে পড়েছে সেই মুখমণ্ডলে। স্বাগতর মনে হল বিষ্ণুর ঠোঁটের কোণে যেন জেগে আছে এক রহস্যময় হাসি!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }