Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ৭

    পর্ব ০৭

    সেই প্রাচীন তোরণ অতিক্রম করে মন্দির প্রাঙ্গণে প্রবেশ করল সকলে। এই প্রাঙ্গণও জঙ্গল আবৃত ছিল। তবে শ্রমিকের দল কয়েক সপ্তাহের প্রচেষ্টাতে জায়গাকে পরিষ্কার করে ফেলেছে। বিক্ষিপ্তভাবে চত্বরটাতে ছড়িয়ে আছে কাটা গাছের গুড়ি আর বিভিন্ন ভাঙা মূর্তি, স্তম্ভ থেকে খসে পড়া পাথরের ফলক আর পাথরের টুকরো। প্রাঙ্গণের মাঝখানে এসে রামমূর্তি থামলেন। স্বাগতদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে এক প্রাচীন মন্দির। উচ্চতা আনুমানিক আশি ফুট মতো হবে। মন্দিরের মাথার ওপর একটা গাছ দেখা যাচ্ছে। সেটা ছাদেই জন্মেছে নাকি ছাদ ফুঁড়ে আকাশে উঠেছে তা বাইরে থেকে ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। তবে তার থেকে নেমে আসা মোটা মোটা ঝুরি বা শিকড়গুলো আবৃত করে আছে কাঠামোটাকে। একইভাবে মন্দিরের গায়ের দুটো গাছের ডালপালাও আলিঙ্গন করে রেখেছে মন্দিরকে। মোটা মোটা সব শিকড় আর ডাল। দেখে মনে হচ্ছে যেন বিশাল কয়েকটা ময়াল সাপ আষ্টেপৃষ্ঠে আলিঙ্গন করে রেখেছে। আগলে রেখেছে হাজার বছরের প্রাচীন মন্দিরকে। তবে তার প্রবেশ মুখ উন্মুক্ত করে ফেলেছে শ্রমিকরা। প্রাঙ্গণের দু’পাশে স্তম্ভ যুক্ত অলিন্দ সমৃদ্ধ সার সার কক্ষ আছে। যা গিয়ে মিলিত হয়েছে মন্দিরের সঙ্গে। সেই অতিপ্রাচীন কাঠামোর দিকে তাকিয়ে রামমূর্তি বললেন, ‘এই প্রাচীন গাছগুলোর জন্যই সম্ভবত মন্দিরটা আজও দাঁড়িয়ে আছে। মন্দিরের গায়ের ভিতরের গাছ কাটার কাজ খুব সাবধানে করতে হবে। নইলে হয়তো দেখা গেল কোনও গাছের শিকড় সরাতে যেতেই পুরো মন্দিরটাই হুড়মুড় করে ধসে পড়ল! আজ আমরা এই প্রাঙ্গণটা জরিপ করব, বিভিন্ন মূর্তি, পাথরের টুকরোগুলোর পরিমাপ করব। এসব কাজ করতেই আমাদের বেশ কয়েকটা দিন কেটে যাবে। আর ওদিকে শ্রমিকরা মন্দিরের ভিতরে ঢুকে কাজ করবে। আজই ওরা প্রথম মন্দিরে ঢুকবে, আমরাও ঢুকব। হয়তো এই প্রাচীন মন্দির আমাদেরই পদার্পণের অপেক্ষায় ছিল এতদিন। মন্দিরের ভিতরটা একটু দেখে নিয়ে শ্রমিকদের তাদের কাজ বুঝিয়ে বাইরে এসে তোমাদের নিয়ে কাজ শুরু করব। আমাকে অবশ্য দু’দিকের কাজের খেয়ালই রাখতে হবে।’ এ কথা বলে তিনি শ্রমিকদের মধ্যে একটা শক্তপোক্ত চেহারার লোকের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘চল হেরুম, তোমার লোকদের নিয়ে এবার মন্দিরের ভিতরে ঢোকা যাক?’

    হেরুম নামের লোকটা মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মতি প্রকাশ করল রামমূর্তি স্যরের কথায়। রামমূর্তি স্বাগতদের বললেন, ‘হেরুম হল শ্রমিকদের দলপতি। তারই নেতৃত্বে কাজ করে অন্যরা।’

    সকলে এরপর এগল মন্দিরের প্রবেশমুখের দিকে। তবে এ মন্দিরের প্রবেশদ্বারের মাথাতে কোনও বিষ্ণুর মুখমণ্ডল নেই। এমনও হতে পারে যে একসময় হয়তো ছিল, কিন্তু মহাকালের গর্ভে তা হারিয়ে গেছে। রামমূর্তি বললেন, ‘মন্দিরের ভিতরটা পরিষ্কার করা হলে লেজার পরিমাপ যন্ত্র দিয়ে কক্ষগুলো পরিমাপ করতে হবে। আর উন্মুক্ত জায়গাগুলো ফিতে দিয়েই পরিমাপ করব। যেমন বাইরের প্রাঙ্গণটাও ফিতের সাহায্যেই মাপব আমরা।’

    শ্রমিক আর স্বাগতদের নিয়ে মন্দিরের প্রবেশ দ্বারের মুখে এসে দাঁড়ালেন রামমূর্তি। পূর্বমুখী এই মন্দিরের কপাটহীন প্রবেশ মুখ দিয়ে বাইরের আলো কিছুটা ভিতরে প্রবেশ করছে। স্বাগতরা ভিতরে একটা ছাদ যুক্ত বড় ঘরের মতো জায়গা দেখতে পাচ্ছে বাইরে থেকে। মন্দিরের ভিতরে একটু উঁকি দিয়ে দেখার চেষ্টা করার পর রামমূর্তি প্রথমে এগিয়ে গিয়ে মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করতে যাচ্ছিলেন, ঠিক সেই মুহূর্তে প্রবলভাবে আন্দোলিত হতে শুরু করল মন্দিরের গায়ের সঙ্গে লেপ্টে থাকা মাথার ওপরের গাছের শাখাপ্রশাখাগুলো। মন্দিরের মাথার ওপর থেকে ছোট ছোট পাথরের টুকরো আর ধুলো খসে পড়লে লাগল স্বাগতদের ওপর। মনে হল হঠাৎই যেন ঝড় উঠেছে মন্দিরের চারপাশে।

    চমকে উঠে সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা পিছু হটে এল সকলে। আর এরপর তারা ওপর দিকে তাকিয়ে গাছগুলোর আন্দোলিত হওয়ার কারণটা বুঝতে পারল। প্রচুর বাঁদর আছে গাছগুলোতে। এতক্ষণ তারা পাতার আড়ালে বসে ছিল। স্বাগতরা তাদের উপস্থিতি বুঝতে পারেনি। মন্দিরের কাছে যেতেই লম্ফঝম্প শুরু করেছে প্রাণীগুলো। আর মন্দিরের মাথায় গাছের ডালের আঘাতে ধুলো খসে পড়ছে।

    প্রীতম একটা পাথর কুড়িয়ে নিয়ে সেটা গাছের মাথায় ছুঁড়ে মারতে যাচ্ছিল বাঁদরগুলোকে তাড়াবার জন্য। একই কাজ করতে যাচ্ছিল স্বাগতও। কিন্তু হেরুম সঙ্গে সঙ্গে বলল, ‘ও কাজ করবেন না স্যর। বিপদ হবে। এখানকার বাঁদরদের পাথর ছুড়ে মারলে ওরাও পাল্টা পাথর ছুঁড়ে মারে। মন্দিরের মাথায় অনেক পাথরের টুকরো আছে। আমরা বিপদে পড়ে যাব। কাজ করতে পারব না। এখানকার বায়ুম মন্দিরেও অনেক বাঁদর আছে। একবার একজন সাহেব ব্যাপারটা না জেনে বাঁদরকে পাথর মেরেছিল। বাঁদরের দল খেপে গিয়ে লোকটাকে এমনভাবে পাথর ছুঁড়ে মারে যে লোকটা মারাই যায়। বায়ুম মন্দির গেলে দেখবেন এ ব্যাপারে সাইনবোর্ডে ট্যুরিস্টদের সাবধান করা আছে। আর তাছাড়া…।’ এই বলে থেমে গেল লোকটা।

    ‘তাছাড়া কী?’, জিজ্ঞেস করল বিক্রম। হেরুম একটু ইতস্তত করে বলল, ‘অনেক বাঁদরের মধ্যে মৃত মানুষের আত্মা বাস করে এইসব পুরনো মন্দিরে। জঙ্গলে দিনের বেলা তারা বাঁদরের রূপ ধরে ঘুরে বেড়ায়। পুরনো মন্দিরগুলোকে ওরা পাহারা দেয়। ওরা শান্ত না হলে ওদের খুশি করার জন্য খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে।’

    রামমূর্তি আগেই স্বাগতদের সতর্ক করে দিয়েছেন যে তারা যেন শ্রমিকদের এমন কিছু না বলে যে তা শুনে তাদের ধর্ম ভাবনা বা বিশ্বাসে আঘাত লাগে। কাজেই তারা হেরুমের কথা শুনে কোনও মন্তব্য করল না।

    বাঁদরগুলোকে অবশ্য খাবার দিয়ে সন্তুষ্ট করতে হল না। ধীরে ধীরে তাদের লাফানো ঝাঁপানো কমে এল। ছাদের ওপর থেকে ধুলো খসে পড়াও বন্ধ হল। মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই বাঁদরদের বিরাট দলটা কোথায় যেন অদৃশ্য হয়ে গেল। চারপাশের পরিবেশ আবার শান্ত হয়ে গেল। রামমূর্তি আবার এগলেন মন্দিরে প্রবেশের জন্য। এবার আর কোনও সমস্যার সৃষ্টি হল না। স্বাগত আর মজুরদের সঙ্গে নিয়ে রামমূর্তি প্রবেশ করলেন মন্দিরের ভিতর। বেশ বড় একটা ঘর, মাথার ওপর উঁচু ছাদ। সে ঘর থেকে তিনটে প্রবেশ পথ বেরিয়েছে ভিতরে যাওয়ার জন্য। আঙ্করের বিষ্ণু মন্দিরের মতোই এ মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করেও বেশ ঠান্ডা অনুভব করল স্বাগতরা। এই ঘরের মতন জায়গা থেকে ভিতরে ঢোকার যে তিনটে পথ তার একটা লতাপাতার বেষ্টনী দিয়ে আবদ্ধ। আর একটি পথ রুদ্ধ হয়ে আছে মাথার ওপর থেকে পাথর খণ্ড খসে পড়ে। যতটুকু দেখে বোঝা যাচ্ছে তাতে রুক্ষ্ম হয়ে যাওয়া পথের ওপাশে অলিন্দ আছে। আর তৃতীয় পথটিতে কিছু ঝোপঝাড় থাকলেও তা ডিঙিয়ে ভিতরে প্রবেশ করা যেতে পারে। রামমূর্তি হেরুমকে বললেন, ‘যে দুটো পথ বন্ধ আছে তাদের মুখ থেকে ঝোপজঙ্গল পাথর সরিয়ে ফেলতে হবে। তার আগে যে পথটা খোলা তা দিয়ে এগিয়ে দেখি সামনে কতদূর যাওয়া যায়?’

    এ কথা বলে তিনি স্বাগতর হাতে তাঁর একটা ব্যাগ ধরিয়ে দিয়ে অন্য ব্যাগ থেকে একটা বড় টর্চ বার করলেন। হেরুম তার কোমর থেকে অনেকটা মাংস কাটার চপারের মতো দেখতে দা-এর মতো অস্ত্র বার করল। ধারালো অস্ত্রটার কয়েক কোপেই সাফ করে ফেলল, যে পথে তারা এগবে তার সামনের লতাগুল্মের ঝোপ। রামমূর্তি আর হেরুম একসঙ্গেই প্রবেশ করল দ্বিতীয় কক্ষটাতে। তারপর একে একে অন্যরাও প্রবেশ করলে সেখানে। রামমূর্তি টর্চের জোরালো আলো ফেললেন যে কক্ষে, সে কক্ষ থেকেও মন্দিরের ভিতরে যাওয়ার জন্য কপাটহীন দরজা আছে। তবে আলো না ঢুকতে পারার কারণে সে কক্ষে ঝোপজঙ্গল তেমন জন্মাতে পারেনি। গাছের কয়েকটা শিকড় শুধু ছাদ ফুঁড়ে দেওয়ালের কয়েকটা জায়গাতে নেমে এসেছে। কিন্তু ঘরের মেঝেতে পুরু ধুলো জমে আছে। ছাদ আর দেওয়ালের চুনটা খসে সম্ভবত ওই ধুলোর সৃষ্টি হয়েছে। অথবা বাইরে থেকে কোনওভাবে তা প্রবেশ করেছে ঘরে। বাতাসও বেশ কিছুটা ভারী ঘরটার মধ্যে। রামমূর্তি বললেন কত যুগ পরে যে আবার এই ধুলোতে মানুষের পদচিহ্ন পড়ল কে জানে! দুশো বছর, পাঁচশো বছর এমনকী তার চেয়েও বেশি বছর হতে পারে। এরপর তিনি এগিয়ে গেলেন একটা দেওয়ালের দিকে। ব্যাগ থেকে একটা বুরুশ বার করে দেওয়ালের এক জায়গায় ধীরে ধীরে ঘসতেই ধুলো সরে গিয়ে তার আড়াল থেকে অলঙ্করণ ফুটে উঠল। একটা ফুলের ছবি। হাজার বছর আগে কোনও নাম না জানা শিল্পী পাথরের বুকে ফুটিয়ে তুলেছিল সে ফুল। রামমূর্তি হেরুমকে বললেন, ‘দেওয়ালের গা থেকে ধুলোগুলোও সরিয়ে ফেলতে হবে।’

    পরপর এমন বেশ কয়েকটা ঘর এভাবেই অতিক্রম করল তারা। কোনও ঘর পুরো অন্ধকার, আবার কোনও ঘরে ছাদের ফাটল গলে ক্ষীণ আলো ঢুকছে। সে সব ঘরের দেওয়ালও পরীক্ষা করলেন রামমূর্তি। দেওয়ালের ধুলো সরালেই তার আড়াল থেকে বেরিয়ে আসছে জ্যামিতিক নকশা বা অলঙ্করণ। একটা ঘরের দেওয়ালের ধুলো সরাতেই তার আড়াল থেকে আত্মপ্রকাশ করল মানুষের হাতের একটা অংশ। সম্ভবত ধুলোর আড়ালে মানুষের ছবি রয়েছে। স্বাগত বলল, ‘দেওয়ালগুলো অনেকটা বিষ্ণু মন্দিরের গ্যালারির মতো মনে হচ্ছে।’

    রামমূর্তি বললেন, ‘আমারও তাই মনে হচ্ছে। দেওয়ালের ধুলো সরালে আসল ব্যাপারটা বোঝা যাবে।’

    এরপর তারা একটা ঘরে প্রবেশ করতেই দেখতে পেল বাইরের আলো ঢুকছে সেখানে। একটা উন্মুক্ত প্রবেশদ্বার আছে সেখানে। বাইরেটাও দেখা যাচ্ছে সে কক্ষ দিয়ে। তা দিয়েই বাইরে বেরিয়ে পড়ল সকলে। এবার তারা বুঝতে পারল সত্যিই মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করা গেছে। প্রাঙ্গণের মতো ছাদহীন ফাঁকা একটা জায়গা। তার তিন দিকে স্তম্ভ সমৃদ্ধ ছোট, বড় নানান মন্দির বা কক্ষ। দ্বিতল বা ত্রিতলের মন্দিরের মতো কাঠামো রয়েছে। প্রতিটা তলের সম্মুখভাগে চওড়া ধাপ বা প্রাঙ্গণের মতো রয়েছে। সিঁড়ি বেয়ে সেই প্রাঙ্গণগুলো অতিক্রম করে ওপর দিকে উঠতে হয়। কিছু জায়গায় ওপরে ওঠার জন্য পাথরের সিঁড়ি আছে, আবার কিছু জায়গায় তা ধসে পড়েছে। ঠিক যেমন খসে পড়েছে মন্দিরগুলোর গা থেকে মূর্তি বা ছাদের কার্নিশের মতো অংশগুলো। যে জায়গাতে স্বাগতরা এসে দাঁড়িয়েছে তার মাথাটা উন্মুক্ত বলে পাখির ঠোঁট বা বাতাস এখানেও গাছের বীজ বয়ে এনেছে। যে কারণে এ জায়গা ও বিভিন্ন অংশে ঝোপজঙ্গল আর গাছপালা জন্মেছে। প্রাঙ্গণের ঠিক মাঝখানে ছোট পাথুরে রেলিং দেওয়া একটা ঘেরা জায়গা দেখতে পেয়ে রামমূর্তির পিছন পিছন সকলে গিয়ে উপস্থিত হল সে জায়গাতে। অনুচ্চ প্রাকার দিয়ে ঘেরা একটা জলাধার বা চৌবাচ্চার মতো অংশ রয়েছে সেখানে। গতকাল বিষ্ণু মন্দিরের বিভিন্ন প্রাঙ্গণেও এমন জলাধারের সঙ্গে স্বাগতদের পরিচয় করিয়েছেন রামমূর্তি। সে সব জলাধার থেকে জল নিয়ে একসময় মন্দিরের নানান কাজে ব্যবহার করা হতো। আনুমানিক বারো ফুট গভীর শুষ্ক জলাধারের ভূমিতল সংলগ্ন একটা বেশ গহ্বর আছে। সম্ভবত ওই পথেই একসময় জল প্রবেশ করত জলাধার বা চৌবাচ্চায়। তবে বিষ্ণুলোকের প্রাঙ্গণে যে জলাধারগুলো আছে তাতে সিঁড়ি আছে নীচে নেমে জল সংগ্রহ করার জন্য। কিন্তু এই চৌবাচ্চার নীচে নামার জন্য কোনও সিঁড়ি নেই। তার পরিবর্তে প্রাকারের এক জায়গার ফাঁক গলে একটা ঢালু রাস্তা নেমে গেছে নীচের দিকে। জলাধারটা শুষ্ক, তার ভিতরেও আগাছা জন্মেছে। সেটা দেখার পর চারপাশে ওপর-নীচে তাকিয়ে রামমূর্তি বললেন, ‘বিষ্ণুলোকের মতো বিশাল না হলেও এ মন্দিরটাও কম বড় নয়। এই উপমন্দিরগুলোর আড়ালে কোথাও প্রধান মন্দির লুকানো থাকতে পারে। হয়তো সেখানে কোনও বিগ্রহও থাকতে পারে। যতক্ষণ না ভালো করে মন্দিরের সর্বত্র অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে ততক্ষণ জানা যাবে না এই মন্দিরে কোন দেবতা পূজিত হতেন?’

    এ কথা বলে তিনি যেন স্বগতোক্তির স্বরেই বললেন, ‘কিন্তু যতদিন না এ মন্দিরটা কোন দেবতা বা দেবীর ছিল তা উদ্ধার করা যাচ্ছে ততদিন এ মন্দিরকে কী নামে ডাকা যায়?’

    নাতাশা বলল, ‘বিষ্ণু মন্দির ছাড়া অন্য কোনও দেবতার মন্দিরও এখানে হতে পারে?’

    রামমূর্তি বললেন ‘হ্যাঁ, পারে। দ্বিতীয় সূর্যবর্মনের পূর্বসূরি খামের নৃপতিরা অনেকেই শৈব্য ধর্মের উপাসক ছিলেন। নানান বৈদিক দেবদেবী এমনকী
    স্থানীয় লৌকিক দেবতারও উপাসনা করতেন তাঁরা। তাঁদের উপাসনার জন্যও তো খামের স্থাপত্য শৈলীতেই নির্মিত মন্দির ছিল। সূর্যবর্মন এ স্থানে বহু মন্দির নির্মাণ করে জায়গাটাকে মন্দির নগরীতে রূপান্তর করেছিলেন এবং নিজে বৈষ্ণব ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন ঠিকই, কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে তিনি অন্য দেবতাদের মন্দিরগুলোকে বিনষ্ট করেছিলেন। তার পরবর্তীকালে বেশ কিছু রাজাও বৈষ্ণব ধর্মের পরিবর্তে অন্য দেবদেবীর উপাসনা শুরু করেন। এটা তেমন কোনও মন্দিরও হতে পারে। বিষ্ণুদেবের মুখমণ্ডল সে সময় এ অঞ্চলের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সে কারণে এখানকার প্রত্যেক মন্দিরের প্রবেশ তোরণের মাথায় বিষ্ণুর মুখমণ্ডল স্থাপন করা হতো। বৌদ্ধধর্ম যখন এখানে রাজধর্ম হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে তখনও এই একই কারণে ওই মুখমণ্ডলগুলো তোরণ বা মন্দিরের মাথা থেকে সরানো হয়নি। আঙ্করভাট আর বিষ্ণুর মুখমণ্ডল সমার্থক ব্যাপার বলা যেতে পারে।’

    প্রীতম জানতে চাইল, ‘সরকারি নথিতে এ মন্দিরকে কী নামে ডাকা হয়েছে?’

    রামমূর্তি জবাব দিলেন, ‘নামে নয়, সরকারি নথিতে এই মন্দিরকে চিহ্নিত করা হয়েছে সংখ্যা দিয়ে। ‘আন এক্সপ্লোর টেম্পল নম্বর থার্টিন’ বলে।’

    একথা বলে একটা মজার ছলেই তিনি বললেন, ‘দেখা যাক এই তেরো নম্বর মন্দির আমাদের কাজের পক্ষে অশুভ না শুভ হয়?’

    বিক্রম বলল, ‘আপাতত এই মন্দিরের একটা নাম আমার মাথায় এসেছে। আপনি অনুমতি দিলে বলতে পারি।’

    রামমূর্তি বললেন, ‘কী নাম শুনি?’

    বিক্রম বেশ গম্ভীরভাবে বলল, ‘প্রেতলোক।’ বিষ্ণুলোকের সঙ্গে বেশ মিল থাকবে এ নামে। এখানকার মানুষরা তো বিশ্বাস করেন যে যাঁরা বিষ্ণুলোকে প্রবেশাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন সেই সব প্রেতাত্মারা এসব মন্দিরে অবস্থান করেন। সেদিক থেকে ভাবলেও এই নামটাই আপাতত যুক্তিযুক্ত।’ বিক্রমের কথা শুনে কয়েক মুহূর্ত চুপ করে রইলেন রামমূর্তি। তবে তিনি এ নাম গ্রহণ করলেন না বর্জন করলেন তা বোঝা গেল না। তিনি বললেন, ‘আমরা এখন আর এ জায়গার থেকে বেশি এগব না। আগে শ্রমিকরা এই চত্বর পর্যন্ত আগামী দু’দিনে পরিষ্কার করে ফেলুক তারপর আমরা মন্দিরের আরও ভিতরে ঢুকব। চল এবার বাইরে বেরনো যাক।’

    শ্রমিকদের সর্দার হেরুমকে কীভাবে কাজ করতে হবে তা বুঝিয়ে দিতে দিতে সে জায়গা ত্যাগ করে বাইরে বেরবার জন্য এগলেন রামমূর্তি। তাকে অনুসরণ করল স্বাগত ও অন্যান্যরা।

    সেই প্রাঙ্গণ ত্যাগ করার আগে স্বাগতর পাশে হাঁটতে হাঁটতে বিক্রম বলল, ‘প্রেতাত্মারা কিন্তু আমাদের ওপর লক্ষ রাখছে!’

    স্বাগত জিজ্ঞেস করল, ‘তার মানে?’

    বিক্রম আঙুল তুলে দেখাল একটা কার্নিশের দিকে। সেখানে একটা বেশ বড়সড় লালমুখো বাঁদর বসে ওপর থেকে দেখছে তাদের। বিক্রমের কথার অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝতে পেরে স্বাগত হেসে ফেলল। ঠিক যে পথ দিয়ে তারা মন্দিরের ভিতরের প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেছিল। আবার সেই পথ ধরেই অর্থাৎ অন্ধকার কক্ষগুলোকে অতিক্রম করে আবার বাইরের প্রবেশ তোরণ আর মন্দিরের মধ্যবর্তী চত্বরে ফিরে এল। দু’জন শ্রমিককে রামমূর্তি সেখানে নিজেদের সঙ্গে রাখলেন কাজের সহায়তার জন্য। আর হেরুম তার বাকি সঙ্গীদের নিয়ে আবার মন্দিরের ভিতরে চলে গেল তাদের কর্তব্য পালনের জন্য।

    রামমূর্তি তাঁর ব্যাগ থেকে মাপার ফিতে, আরও কিছু যন্ত্রপাতি, ল্যাপটপ, কাগজপত্র বার করলেন। তারপর তিনি স্বাগতদের কীভাবে জায়গাটার, ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকা প্রস্তরখণ্ড, মূর্তি বা মূর্তির ভগ্নাবশেষগুলোর পরিমাপ করতে হবে তা বুঝিয়ে দিলেন। স্বাগতদের পাঁচজনের দলটাকে দুটোভাগে ভাগ করে কাজের দায়িত্ব দিলেন তিনি। নাতাশা, বিক্রম, প্রীতম চত্বরটার পরিমাপ করবে, স্বাগত আর সুরভী মূর্তি, ভাঙা পাথরের টুকরোগুলোর মাপজোক ও তাদের নাম্বারিং করবে। আর সব কিছুর তত্ত্বাবধান করবেন তিনি।

    স্বাগত আর সুরভীকে তিনি চত্বরটার এক কোণে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা একটা মূর্তির সামনে নিয়ে গিয়ে বললেন, ‘এটাই একমাত্র মূর্তি যেটা খণ্ডিত হয়নি। প্রথমে এটার মাপ নিতে হবে তিন ভাগে। মাথা ও গলার মাপ, দেহকাণ্ডর মাপ ও কোমরের নীচের পায়ের অংশের মাপ, দেওয়ালের গা থেকে খসে পড়া মূর্তিগুলো একই আকৃতির হয়। একটা মূর্তির পরিমাপ পাওয়া গেলে তার ওপর ভিত্তি করে অন্য মূর্তিগুলো জুড়তে সুবিধা হবে।’

    এ কথা বলে তিনি নাতাশাদের কাছে চলে গেলেন তাদের নিয়ে পুরো জায়গাটার পরিমাপ করার জন্য।

    কাজ শুরু হয়ে গেল স্বাগতদের। দু’জন শ্রমিকের সাহায্যে সাবধানে ধরাধরি করে সেই মূর্তিটাকে প্রথমে চিৎ করে শোয়ানো হল। মূর্তির নাকটা ভেঙে গেছে, তাছাড়া খুব বেশি ক্ষতি হয়নি সেই পুরুষ মূর্তির। স্বাগত আর সুরভীর মনে হল সম্ভবত এটা কোনও পাহারাদার বা গার্ডের মূর্তি। কারণ দু’হাত দিয়ে তার বুকের কাছে একটা দণ্ড ধরা আছে। এরপর মূর্তিটার মাপ নেওয়া শুরু হল। ওদিকে জায়গাটার পরিমাপ নেওয়ার কাজও শুরু হল। সময় এগিয়ে চলল। মূর্তিটার পরিমাপ নেওয়ার পর প্রাঙ্গণে ছড়িয়ে থাকা মূর্তির খণ্ডিতাংশ, পাথরের টুকরোগুলোর পরিমাপও শুরু হল। বাইরে সকলের কাজের তদারকির সঙ্গে সঙ্গে মাঝে মন্দিরের ভিতরে ঢুকে মজুরদের কাজও দেখে আসতে লাগলেন রামমূর্তি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }