Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ৮

    পর্ব ০৮

    একটানা পাঁচ-ছয় ঘণ্টা কাজ করা হল প্রথম দিনে। ঠিক বিকেল চারটের সময় রামমূর্তি বললেন, ‘আজকের মতো আমাদের কাজ শেষ।’ কিছুক্ষণের মধ্যে মজুররাও মন্দিরের ভিতর থেকে বাইরে বেরিয়ে এল। তারপর সকলে মিলে তোরণের বাইরে বেরিয়ে এল। বাইরে বেরবার পর মজুররা আর দাঁড়াল না। জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে অনেকটা পথ পেরিয়ে অন্ধকার নামার আগেই এই প্রাচীন মন্দির নগরী ত্যাগ করতে হবে তাদের। তারা চলে যাওয়ার পর ক্লান্ত শরীর নিয়ে স্বাগতরাও যে যার ঘরে ঢুকে পড়ল। বেশ কয়েক ঘণ্টা বিশ্রাম নেওয়ার পর যখন আবার তারা রাতের রান্না খাওয়ার জন্য বাইরে বেরল তখন মন্দির নগরীতে অন্ধকার নেমে গেছে। আকাশে চাঁদও উঠেছে। নিজেদের মধ্যে নানা গল্পগুজব করতে করতে সে সব পর্ব মেটাল তারা। নৈশ আহার মিটলে তারা ঘরে ঢোকার আগে রামমূর্তি বললেন, ‘কাল আমাকে সিয়েমরিপ যেতে হবে রসদ কিনে আনার জন্য। মজুররা এলে তাদের কাজ বুঝিয়ে দিয়েই বেরিয়ে পড়ব। আমি তোমাদেরও সঙ্গে নিয়ে যাব ভাবছি। শহর আর দোকানপাট চেনা হয়ে যাবে। প্রয়োজনে অন্য দিন আমি তাহলে তোমাদেরও শহরে পাঠাতে পারব সেখান থেকে কিছু কিনে আনার প্রয়োজন হলে।’

    রামমূর্তির থেকে পরদিনের পরিকল্পনা জেনে নিয়ে তারা পাঁচজন যে যার ঘরে ঢুকে পড়ল।

    রাত ন’টা নাগাদ ঘরে ঢুকে স্বাগত বিছানায় শুয়ে পড়েছিল। সারা দিনের পরিশ্রমের কারণে কিছু সময়ের মধ্যেই ঘুম নেমে এসেছিল তার চোখে। কিন্তু মাঝরাতে হঠাৎ গরম অনুভব হওয়াতে স্বাগতর ঘুম ভেঙে গেল। মাথার ওপরের পাখাটার গতি কমে গেছে। ধীরে ধীরে ঘুরছে সেটা। ব্যাটারি চালিত আলো পাখা। হয়তো বা ব্যাটারির চার্জ কমে এসেছে। গরমের মধ্যে কিছুক্ষণ এপাশ-ওপাশ করার পর স্বাগতর মনে হল জানলাটা। খুলে দিলে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যাবে। তাই খাট ছেড়ে নেমে জানলা খুলল সে। সঙ্গে সঙ্গে বাইরে থেকে টাটকা বাতাস প্রবেশ করতে শুরু করল ঘরের ভিতরে। ঘড়ি দেখল স্বাগত। রাত একটা বাজে। চাঁদের মৃদু আলোতে নিঝুম বাইরের পাথুরে চত্বরটা। চত্বরের একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে প্রাচীন মন্দির তোরণ। জেগে আছে তোরণের মাথার ওপর পাথরের তৈরি বিশালাকৃতির বিষ্ণুর মুখমণ্ডলও। যেন তিনি এই মধ্য রাতেও জাগ্রত হয়ে আছেন বনভূমি আবৃত হাজার বছরের প্রাচীন মন্দিরকে পাহারা দেওয়ার জন্য। জানলার বাইরে একটু তাকিয়ে দেখার পর সে আবার বিছানায় ফিরে আসতে যাচ্ছিল। ঠিক সেই সময় একটা ব্যাপার চোখে পড়ল তার। প্রবেশ তোরণের ঠিক মুখেই কে একজন যেন দাঁড়িয়ে আছে বলে মনে হচ্ছে! ভালো করে চোখ কচলে সে তাকাল সেদিকে। হ্যাঁ, কেউ একজন যেন আছে! নড়ছে সে! ভালো করে তাকে দেখার চেষ্টা করল স্বাগত। দূর থেকে আলো-আঁধারির মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা মূর্তিটা কিছুটা খর্বকায় বলেই মনে হল স্বাগতর। আর

    সেই আকার দেখে তার আরও একটা কথা মনে হল, যে দাঁড়িয়ে আছে সে কোনও খামের নারী হতে পারে। কারণ, তাদের আকৃতি এমন ছোটখাট হয়। যে নারীর সঙ্গে স্বাগতর জঙ্গলের মধ্যে পরিচয় হয়েছে তারও আকৃতি ছোটখাট। স্বাগত দেখার চেষ্টা করতে লাগল তাকে। মাঝে মাঝে নড়ছে সেই ছায়ামূর্তি। ওই ছায়ামূর্তি যেই হোক না কেন এত রাতে তোরণের সামনে কী করছে? এরপর স্বাগতর মনে হল, স্থানীয় মানুষরা তো রাতে মন্দির নগরীকে এড়িয়ে চলে। তবে যে এসেছে সে কি বহিরাগত কেউ? কী মতলবে সে এখানে এসেছে?

    স্বাগতর মনে এসব প্রশ্ন ঘুরপাক খাওয়ার পর সে ভাবল, ব্যাপারটা একবার দেখা দরকার। তেমন কোনও ব্যাপার হলে সে রামমূর্তি আর অন্যদের ডেকে তুলবে। তার আগে তোরণের সামনে গিয়ে দেখা দরকার ওকে?

    স্বাগতর ঘরের কোণে একটা লাঠি ছিল। সেটা নিয়ে সন্তর্পণে দরজা খুলে বেরিয়ে সে সোজা এগল মন্দির তোরণের দিকে। চারপাশে ঘুমন্ত পৃথিবী। নাকি সাধারণ মানুষের ভাবনামতো এ সময় জেগে থাকে অন্যরা সেই সব প্রাচীন প্রেতাত্মারা। স্বাগত অবশ্য এসব ব্যাপার বিশ্বাস করে না। তাই সে সাহসে ভর করে এগল। কিন্তু সে তোরণের পৌঁছতেই মূর্তিটা হঠাৎই যেন অদৃশ্য হয়ে গেল!

    কাছাকাছি স্বাগত তোরণের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। না কোনও মানুষ সেখানে নেই! তবে সে তোরণের ভিতর ঢুকে পড়ল? স্বাগতর মন বলল, এত রাতে মন্দিরের ভিতর ঢোকা তার ঠিক হবে না। আর এরপরই হঠাৎ সে দেখতে পেল একজনকে। তোরণের কার্নিশে বসে আছে একটা বাঁদর! তবে কি তাকেই তোরণের সামনে দেখল সে। প্রাণীটার দেহই কি আলোছায়ায় বিভ্রম ঘটাল তার চোখে? প্রাণীটা চেয়ে আছে স্বাগতর দিকে। চেয়ে আছে কার্নিশের মাথার ওপরের বিষ্ণু মূর্তিটাও। বাঁদর কি রাতে ঘুমায় না? দলবল ছাড়া প্রাণীটা একা এভাবে জেগে বসে আছে কেন? – এ প্রাণীটা আর স্বাগত বেশ কয়েক মূহূর্ত চেয়ে রইল পরস্পরের দিকে। আর তখনই স্বাগতর মনে পড়ে গেল সকালবেলা মজুর সর্দার হেরুমের মুখে শোনা কথাটা প্রাচীন প্রেতাত্মারা বাঁদরের রূপ ধরে থাকে! বাঁদরটা এরপর ধীরে ধীরে উঠে গেল আরও ওপর দিকে। সে হারিয়ে গেল বিষ্ণুর প্রকাণ্ড মুখমণ্ডলের আড়ালে। স্বাগতও এরপর এগল ঘরে ফিরে শুয়ে পড়ার জন্য। কিন্তু ধন্ধটা তার মনের মধ্যে রয়েই গেল! সে কি বাঁদরটাকেই দেখেছিল? নাকি সত্যিই কোনও মানুষ দাঁড়িয়ে ছিল সেখানে। যে স্বাগতকে আসতে দেখে আত্মগোপন করল তোরণের অভ্যন্তরে হাজার বছরের প্রাচীন মন্দিরের অন্ধকারে?

    সূর্যদেব যথা নিয়মেই পরদিন ভোরের আলো ছড়িয়ে দিলেন বিষ্ণুলোক আর তাকে ঘিরে থাকা অরণ্য বেষ্টিত প্রাচীন মন্দিরগুলোর মাথায়। টিয়া পাখির ডাকে মুখরিত হয়ে উঠল চারপাশ। ঘুম ভাঙার পর খোলা জানলা দিয়ে বাইরেটা চোখে পড়ল স্বাগতর। ভোরের নতুন আলোতে প্রবেশ তোরণের মাথায় বসানো বিষ্ণু মূর্তিটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। কোথাও কোনও অন্ধকার নেই সেই জায়গাতে। স্বাগতর মনে পড়ে গেল গত রাতের ঘটনাটা। একবার মনে মনে ভাবল তার অভিজ্ঞতার কথা সে রামমূর্তি স্যর আর অন্যদের জানাবে। কিন্তু তার পরক্ষণেই সে ভাবল যখন নিশ্চিত নয় যে সেখানে কোনও মানুষই ছিল তখন ব্যাপারটা জানিয়ে কাজ নেই। তাতে অযথা কারওর মনে আতঙ্ক জন্মাতে পারে। বিশেষত নাতাশা বাঁদর দেখার কথা শুনলেও ভয় পেয়ে যেতে পারে। মেয়েটা ভীতু প্রকৃতির। সেও শুনেছে যে প্রেতাত্মারা এখানে বাঁদরের রূপ নিয়ে থাকেই। কাজেই স্বাগত সিদ্ধান্ত নিল ব্যাপারটা অন্যদের না জানানোর। সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ দুটো বাইক রিকশ বা টুকটুক এসে হাজির হল মন্দির তোরণের বাইরে। সকাল আটটাতে মজুরের দলও এসে উপস্থিত। স্বাগতরাও যে যার নিজেদের ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে পড়ল। প্রফেসর রামমূর্তি কিছুক্ষণ হেরুমের সঙ্গে কথাবার্তা বলে এদিনের মতো তাদের কাজ বুঝিয়ে দিলেন। তারপর স্বাগতদের বললেন, ‘চল, এবার শহরের দিকে রওনা হওয়া যাক।’

    দুটো টুকটুকে তিন জন করে ভাগ হয়ে উঠে বসল তারা। রামমূর্তি যে গাড়িতে উঠল সেটাতে উঠল স্বাগত আর প্রীতম। তারা রওনা হল সিয়েমরিপ শহরের দিকে। তাদের চলার পথের দু’পাশে বড় বড় গাছের জঙ্গল। তার ফাঁক দিয়ে মাঝে মাঝে চোখে পড়ছে ছোটখাট সৌধের ধ্বংসাবশেষ বা তাদের খণ্ডিতাংশ। কোথাও হয়তো দাঁড়িয়ে আছে একটা প্রাকারের অংশ, কোথাও কোনও একাকী স্তম্ভ বা বিশাল আকৃতির প্রস্তরখণ্ড। সকালের আলো স্থানে স্থানে গাছের ফাঁক গলে এসে পড়েছে তাদের ওপর। আর সেই আলোতে তাদের গা থেকে উঁকি মারছে নানান ধরনের মূর্তির অবসর বা অলঙ্করণ। কোন সেই শত-সহস্র বছর আগে প্রাচীন খামের শিল্পীরা যে সব ভাস্কর্য রচনা করেছিলেন তারা যেন আলোর স্পর্শ পেয়ে পাথরের গা থেকে আত্মপ্রকাশ করার চেষ্টা করে বলতে চাইছে, ‘আছি আছি, খণ্ডিত হলেও আমরা এখনও টিকে আছি তোমরা আমাদের দেখবে বলে। আর আমাদের তোমরা দেখলে নিশ্চয়ই তোমাদের মনে পড়বে সেই সব প্রাচীন শিল্পীদের কথা, যারা একদিন পাথরের বুকে ফুটিয়ে তুলেছিল। আমাদেরকে। এখনও আমরা যতটুকু রয়েছি তা দেখেই নিশ্চয়ই তোমরা ধারণা করতে পারবে শতশত বছর পূর্বে কেমন আশ্চর্য সুন্দর ছিল খামের রাজাদের প্রতিষ্ঠিত এই মন্দির নগরী।’

    এ সবই দেখতে দেখতে চলল সকলে। রামমূর্তি স্বাগতকে বললেন, “নিজেরাই দেখতে পাচ্ছ যে কী বিশাল অঞ্চল নিয়ে ছড়িয়ে আছে এই মন্দির নগরীর প্রাচীন চিত্রগুলো। এই পুরাকীর্তিগুলোর সুসংবদ্ধ রূপদান করতে বা কাঠামো রচনা করতে কয়েক যুগ সময় লেগে যাবে। এবং সে কাজ করতে বিপুল পরিমাণ অর্থেরও প্রয়োজন। যা কম্বোডিয়ার মতো ছোট দেশের পক্ষে জোগাড় করা বেশ কঠিন ব্যাপার।”

    প্রীতম বলল, ‘আমি ভাবছি এত সমৃদ্ধশালী প্রাচীন নগরী কীভাবে পরিত্যক্ত হয়ে গেল? কেন হল?’

    প্রফেসর বললেন, ‘বলা যেতে পারে নির্মাণকালের সময় ধরে এই মন্দির নগরীর আয়ুষ্কাল ছিল আনুমানিক আড়াইশো থেকে তিনশো বছর। তারপর নগরী পরিত্যক্ত হয় ও পাঁচশো বছরের মতো সময়কাল ধরে এখানে মানুষের আনাগোনা ছিল না বললেই চলে। আঙ্করের বিষ্ণুমন্দির পুনরায় আবিষ্কারের পর তাকে ঘিরে থাকা এই মন্দির নগরীকেও ধীরে ধীরে কিছুটা উদ্ধার করা গেছে। বহু কারণ আছে এই মন্দির নগরী পরিত্যক্ত হওয়ার পিছনে। তার মধ্যে প্রধান তিনটে কারণ তোমাদের বলি। চাম জাতির আক্রমণের প্রধান লক্ষ্য ছিল বিষ্ণুলোক ও তাকে ঘিরে থাকা মন্দির নগরী। কারণ, মন্দিরে একই সঙ্গে ধনসম্পদ ও নারী দুটোই পাওয়া যেত। এখানেই তারা এসে ঘাঁটি গেড়ে ছিল ও সে সময় অনেক মন্দিরও ধ্বংস করে। মন্দির ভাঙার পিছনে কারণ ছিল কোথাও কোনও গুপ্ত কক্ষে আরও সোনা বা রত্নরাজি লুকিয়ে আছে কি না অনুসন্ধান করা। খামের রাজারা কিছুদিনের মধ্যে চামদের থেকে এ নগরী পুনরুদ্ধার করে ঠিকই, কিন্তু নিরাপত্তার কারণে তারা তাদের রাজধানী সাত-আট কিলোমিটার দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়। বায়ুম মন্দির আছে সেদিকে। সেই সময় থেকে ধীরে ধীরে পরিত্যক্ত হতে থাকে এই মন্দির নগরী। দ্বিতীয়ত, এ নগরীর বাসিন্দাদের একটা বড় অংশ পাড়ি দেয় মেকং নদীর অববাহিকার দিকে। অর্থাৎ যেদিকে কম্বোডিয়ার বর্তমান রাজধানী নমপেন অবস্থান করছে সেদিকে। মেকং নদীর উর্বর পলি মাটির কারণে সে স্থান এই স্থানের চেয়ে চাষাবাদের পক্ষে অনেক বেশি অনুকূল ছিল, নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা চালানো যেত। আর সবথেকে বড় কথা সেখানে হিংস্র চাম জাতির আক্রমণের ভয়ও ছিল না। তৃতীয় কারণ হল সূর্যবর্মন ও জয়বর্ধনের পরবর্তীকালে এ অঞ্চলে বৌদ্ধ ধর্মের প্রভাব বৃদ্ধি হতে থাকে। অনেক খামের নৃপতি বৌদ্ধ ধর্মও গ্রহণ করেন। বিষ্ণুলোক বুদ্ধ মন্দিরে রূপান্তরিত হলেও, বাকি মন্দিরগুলোকে বৌদ্ধরা তেমনভাবে নিজেদের দখলে নেয়নি। রাজধর্ম বৈষ্ণব থেকে বৌদ্ধ ধর্মে রূপান্তরিত হওয়ায় এই হিন্দু মন্দিরগুলোও তাদের গুরুত্ব হারিয়ে পরিত্যক্ত হয়ে যায়। আরও বেশ কিছু কারণ মিলিয়ে মিশিয়ে একদিন জনশূন্য হয়ে যায় এই মন্দির নগরী।’

    রামমূর্তি বৌদ্ধদের কথা বলা শেষ করতে না করতেই কিছুটা কাকতালীয়ভাবেই স্বাগতদের চোখে পড়ল এক মুণ্ডিত মস্তক বৌদ্ধ সন্ন্যাসী। রাস্তার পাশে একটা ঝোপ থেকে পাতা সংগ্রহ করে তিনি তাঁর কাঁধের থলেতে ভরছেন। আর তাঁকে দেখা মাত্রই রামমূর্তি গাড়িটা একটু থামাবার নির্দেশ দিলেন। সন্ন্যাসীও গাড়ির শব্দ শুনে কাজ থামিয়ে ফিরে দাঁড়ালেন। স্বাগতদের গাড়িটা তাঁর সামনে এসে থেমে গেল। লোকটাকে দেখে স্বাগতর মনে হল তিনি প্রৌঢ়ও হতে পারেন অথবা বৃদ্ধও হতে পারেন। তাঁর বয়স অনুমান করা মুশকিল। রামমূর্তি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এখানে কী করছেন আপনি?’

    সন্ন্যাসী জবাব দিলেন, ‘কিছু ঔষধি লতাপাতা সংগ্রহ করতে এসেছি।’

    রামমূর্তি আবার তাঁকে প্রশ্ন করলেন, ‘এতটা পথ হেঁটে এলেন?’

    সন্ন্যাসী হেসে জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ, হেঁটেই। করুণাময়ের আশীর্বাদে আমার শরীর এখনও হাঁটাচলার পক্ষে উপযুক্ত আছে।’

    রামমূর্তি আর সন্ন্যাসীর কথাবার্তার ধরন দেখে স্বাগত বুঝতে পারল তাঁরা দু’জন পরস্পরের পূর্ব পরিচিত। বৌদ্ধ সন্ন্যাসী এরপর রামমূর্তিকে জিজ্ঞেস করলেন,

    ‘আপনি কেমন আছেন?’

    রামমূর্তি বললেন, ‘ভালোই আছি। আমার সঙ্গে যাদের দেখছেন এরা সব ভারত থেকে এসেছে আমাকে সাহায্য করার জন্য। সবাই মিলে কাল থেকেই কাজ শুরু করে দিয়েছি।’

    রামমূর্তির কথা শুনে বৌদ্ধ সন্ন্যাসী মুহূর্তর জন্য চুপ করে থাকার পর বললেন, ‘তাহলে সত্যিই আপনি ওই মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করবেন?’

    রামমূর্তি হেসে জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ, আমি সরকারি লোক। সরকার যে কাজের দায়িত্ব দিয়েছে সে দায়িত্ব আমাকে পালন করতেই হবে।’

    সন্ন্যাসী আর রামমূর্তির মধ্যে শেষ দুটো বাক্য বিনিময় শুনে স্বাগতর কেন জানি মনে হল তাঁদের দু’জনের প্রশ্নোত্তরের মধ্যে অন্য কোনও একটা কথা যেন লুকিয়ে আছে!

    রামমূর্তি এরপর বললেন, ‘আমরা সবাই সিয়েমরিপ যাচ্ছি রসদ কিনে আনার জন্য।’

    বৌদ্ধ শ্রমণ বললেন, ‘যান। তবে এনাদের একবার বায়ুম মন্দির—বুদ্ধ মূর্তি দেখাতে নিয়ে যাবেন।’

    রামমূর্তি বললেন, ‘হ্যাঁ, নিশ্চয়ই নিয়ে যাব। আশা করি সেখানে গেলে আপনার সঙ্গে আবার সাক্ষাৎ হবে।’

    প্রফেসরের কথা শুনে মৃদু হাসলেন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী। তারপর স্বাগতদের দিকে তাকিয়ে ডান হাতটা আশীর্বাদের মুদ্রায় তুলে ধরে বললেন, ‘ভগবান বুদ্ধ আপনাদের সকলের মঙ্গল করুন, সকল বিপদ থেকে আপনাদের রক্ষা করুন।’ রামমূর্তির নির্দেশে আবার চলতে শুরু করল গাড়ি। সেই বৌদ্ধ শ্রমণকে কিছুটা পিছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়ার পর প্রীতম জানতে চাইল, ‘এই বৌদ্ধ সন্ন্যাসী কে? ‘

    প্রফেসর জবাব দিলেন, ‘ওনার নাম রত্নসম্ভব। এখানে আসার পর বায়ুম বুদ্ধ মন্দির দেখতে গিয়ে ওঁর সঙ্গে পরিচয় হয়। তারপর বেশ কয়েকবার সাক্ষাৎ ও কথাবার্তাও হয়েছে। উনি বায়ুম মন্দিরের ভিতরেই এক জায়গায় থাকেন। ওর সঙ্গে কথাবার্তা বলে বুঝেছি এ অঞ্চল সম্পর্কে বেশ ভালো জানা আছে ওঁর।’

    স্যরের কথা শুনে প্রীতম জানতে চাইল, ‘বায়ুম মন্দির কি বাসযোগ্য স্থান? অর্থাৎ সে মন্দির কি এখনও অক্ষত অবস্থায় আছে?’

    রামমূর্তি জবাব দিলেন, ‘সে মন্দিরের অবস্থা বিষ্ণুলোকের চেয়ে করুণ। তবে মন্দিরের ভিতর এখনও কয়েকটা ছাদ যুক্ত প্রাচীন ঘর আছে। তারই একটাতে বাস করেন রত্নসম্ভব। কাজের ফাঁকে আমি একদিন ওই বায়ম বা বায়ুম মন্দির আর সেখানকার বুদ্ধ মূর্তি দেখাতে নিয়ে যাব।’ এ কথা বলার পর আর কোনও কথা না বলে নিজের কী যেন ভাবনায় ডুবে গেলেন প্রফেসর রামমূর্তি।

    আধ ঘণ্টা মতো সময় লাগল স্বাগতদের গাড়ি দুটোর প্রাচীন ধ্বংসস্তূপ সমৃদ্ধ বনপথ অতিক্রম করতে। তারপর বিশাল এক প্রাচীন তোরণ অতিক্রম করে মন্দির নগরীর বাইরে বেরিয়ে পড়ল তারা। এই তোরণের মাথাতেও খোদিত আছে বিশালাকৃতির বিষ্ণু মুখমণ্ডল। বর্তমানে মন্দির নগরীতে প্রবেশ করার জন্য এটাই প্রধান তোরণ। স্বাগতরা মন্দির নগরীতে প্রবেশ করেছে এই তোরণ দিয়েই। তোরণের বাইরে বেশ কিছু পর্যটকদের গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে।

    মন্দির নগরী আঙ্করভাটে প্রবেশের আগে বিশাল মুখমণ্ডল সমৃদ্ধ হাজার বছরের প্রাচীন তোরণের সামনে গাড়ি থামিয়ে পর্যটকরা কেউ ছবি তুলছে আবার কেউ বা বিস্মিত অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে আছে সেই প্রকাণ্ড মুখমণ্ডলের দিকে।

    এই প্রথমবার তারা দর্শন করছে কোনও হিন্দু দেবতার অমন বিশালাকৃতির মুখ। তোরণ থেকে বেরলেই দু’পাশে সার বেঁধে দাঁড়িয়ে আছে বেশ কিছু প্রাচীন ভগ্ন মূর্তি। শেষ নাগের শরীর হাতে তুলে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল তারা।

    এখন সে শরীর খণ্ডিত হয়ে গেছে মহাকালের গ্রাসে। ঠিক যেমন খণ্ডিত হয়ে গেছে মূর্তিগুলোও। আর দু’পাশে সারিবদ্ধ ভগ্ন মূর্তিগুলোর মধ্যে দিয়ে একটা সাঁকো পেরিয়ে রাস্তা রওনা হয়েছে সিয়েমরিপ শহরের দিকে। মন্দির নগরীর ভিতরের কাঁচা বা পাথুরে রাস্তা নয়, চওড়া মসৃণ পিচওয়ালা রাস্তা। সেই রাস্তা ধরেই স্বাগতদের টুকটুক দুটো রওনা হল শহরের দিকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }