Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ৯

    পর্ব ০৯

    স্বাগতদের আরও আধ ঘন্টা মতো সময় লাগল সিয়েমরিপ শহরে প্রবেশ করতে। ছোট শহর, তবে একটা আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট আছে। যাঁরা পৃথিবীর নানান প্রান্ত থেকে আঙ্করভাট সরাসরি এসে দেখতে চান তাঁরা ওই এয়ারপোর্ট ব্যবহার করেন। বলা যেতে পারে এ শহরটা পর্যটকদের শহর। মন্দির নগরীতে সাধারণ পর্যটকদের রাত্রিবাস করতে দেওয়া হয় না। আঙ্কর ভাট দেখার জন্য তাদের এখানেই থাকতে হয়। তাই অজস্র হোটেল রেস্তরাঁ গড়ে উঠেছে এখানে। তবে শহরটা বেশ সাজানো গোছানো সুন্দর। হোটেল ঘর বাড়িগুলো অনেকটা করে ফাঁকা জায়গা নিয়ে দাঁড়িয়ে। সারবদ্ধ দোকানগুলোর মাঝে চওড়া রাস্তা। তবে চার চাকার গাড়ির সংখ্যা কম, টুকটুক গাড়ির সংখ্যাই বেশি। হয়তো তার কারণ এ দেশের অর্থনীতি খানিকটা দুর্বল বলেই। প্রায় চল্লিশ বছর হয়ে গেলেও অত্যাচারী শাসক পলপটের শাসনকালের ক্ষত এখনও পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেনি এ দেশ। রাস্তার মোড়ের আইল্যান্ডগুলোতে সাজানো আছে প্রাচীন সৌধের অংশ। কোথাও প্রাচীন মূর্তি, কোথাও কারুকাজ করা স্তম্ভ বা প্রাকারের অংশবিশেষ। বলাবাহুল্য মন্দির নগরীর থেকেই সংগ্রহ করে আনা হয়েছে এসব প্রাচীন স্থাপত্য। রাস্তা সংলগ্ন ফুটপাত দিয়ে হেঁটে চলেছে নানান জাতের মানুষ। মাথায় তালপাতার টোকা বা টুপিওলা কম্বোডিয়ান, মুণ্ডিত মস্তক, ভিক্ষাপাত্র হাতে বৌদ্ধ সন্ন্যাসী থেকে শুরু করে সাদা চামড়ার পর্যটকরা। আর আছে চীনারা। রামমূর্তি বললেন, ‘বহু চীনা ব্যবসায়ী আছে এখানে। এখানকার প্রধান ব্যাঙ্কও চীনাদের দ্বারা পরিচালিত। তবে সাধারণ খামেরা খুব একটা পছন্দ করে না তাদের। কারণ তাদের রুটি রুজির ব্যাপারটা নাকি ধীরে ধীরে চীনা ব্যবসায়ীরা দখল করে নিচ্ছেন।’

    চারপাশ দেখতে দেখতে এক সময় নিজেদের গন্তব্য পৌঁছে গেল স্বাগতরা। জায়গাটার নাম ‘ওল্ড মার্কেট’ অর্থাৎ পুরনো বাজার। রাস্তার দু’পাশে ঢালু কাঠ বা টিনের ছাদওলা সার সার দোকান। নানান ধরনের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রি হচ্ছে সেখানে। তাছাড়া অন্য নানান জিনিসের দোকানও আছে সেখানে। প্রসাধনী দ্রব্য থেকে ইলেকট্রনিক্স দ্রব্য সবকিছু বিক্রি হয় এখানে। দোকানগুলোর সামনে ফুটপাত দখল করে বসে আছে খামের রমণীরা তাদের ফলের পসরা নিয়ে। তার মধ্যে আছে ড্রাগন ফল আর অনেকটা কাঁঠালের মতো দেখতে স্থানীয় একরকম ফল। দু’পাশের দোকানের মধ্যবর্তী রাস্তাটা বেশ ঘিঞ্জি। বহু মানুষের ভিড়। তার মধ্যে কিছু বিদেশি ট্যুরিস্ট থাকলেও সাধারণ স্থানীয় মানুষেরই ভিড় বেশি। গাড়ি থেকে নেমে সকলে একজোট হওয়ার পর রামমূর্তি বললেন, ‘আমাদের এখানে বাজার করে মালপত্র সব গাড়িতে ওঠাতে অন্তত তিন-চার ঘণ্টা সময় লাগবে। আগামী সাত দিনের রসদ সংগ্রহ করে নিয়ে যাব। এটাই এ শহরের একমাত্র বাজার যেখানে একসঙ্গে সবকিছু পাওয়া যায়। ওই যাকে বলে ‘আলপিন টু এলিফ্যান্ট।’

    রামমূর্তির কথা শুনে বিক্রম প্রশ্ন করল, ‘এখানে কুমিরের মাংস পাওয়া যায় স্যর?’

    তিনি এ প্রশ্নর জবাবে বললেন, ‘হ্যাঁ, এখানে বেশ কয়েকটা হোটেলে কুমিরের মাংস পাওয়া যায়। আমরা তো অনেকটা সময় থাকব এখানে। ইচ্ছা হলে খেয়ে দেখতে পার। এখানে দামও সস্তা।’ নাতাশা এ কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে বলল, ‘আমি কিন্তু ওসব হোটেলে খেতে যাব না। এ ব্যাপারটা আগেই জানিয়ে দিলাম।’

    রামমূর্তিকে অনুসরণ করে এরপর বাজারের ভিতর প্রবেশ করল সকলে। বাজারের ভিতরটাও ঘিঞ্জি। লোকজনের ভিড় সেখানে। রামমূর্তি প্রথমে একটা দোকানে গিয়ে বেশ কয়েকটা বড় নাইলনের বস্তা কিনলেন রসদ সংগ্রহ করে নিয়ে যাওয়ার জন্য। বিক্রম বলল, ‘স্যর, বস্তার বদলে ব্যাগ কিনলে হতো না? তাহলে আমরা দু’হাতে দুটো করে ব্যাগ টেনে নিয়ে যেতে পারতাম?’ তিনি হেসে বললেন, ‘তোমাদের কিছুই টেনে নিয়ে যেতে হবে না। অন্য একটা গাড়ির ব্যবস্থা করা আছে। কারণ, এখান থেকে চার্জ করা ভারী ব্যাটারি নিয়ে যেতে হবে। ওই গাড়ির লোকজনই ব্যাটারি আর মালপত্র বড় গাড়িতে তুলে নেবে। আর আমরা যেভাবে এসেছি সে ভাবেই ফিরব টুকটুক চেপে।’

    স্বাগতদের নিয়ে বাজারের নানান অংশে নানান দোকানে জিনিস কেনার জন্য ঘুরতে শুরু করলেন তিনি। শাক-সব্জির দোকান থেকে শুরু করে গ্রোসারির দোকান। বেশ কিছুদিন যাবৎ এখানে থাকার কারণে কয়েকটা দোকান রামমূর্তির পরিচিত। সেসব দোকানের সঙ্গে স্বাগতদের পরিচয় করিয়ে দিলেন তিনি। যাতে প্রয়োজনবোধে স্বাগতরা সব জিনিস নিজেরাই এসে কিনে নিয়ে যেতে পারে। ঘণ্টা দুই সময় কেটে গেল স্বাগতদের বাজারে ঘুরতে ঘুরতে। রামমূর্তি এরপর বললেন, ‘আমি নিরামিষভোজী হলেও তোমরা যদি আমিষ রান্না করে খেতে চাও তবে আমার আপত্তি নেই। মাংস কিনে নিয়ে যেতে পার। সপ্তাহে এই একটা দিনই এ সুযোগ মিলবে। তবে তোমাদের জন্য মাংস বলতে যা তোমাদের মুখে রুচবে তা হল মুরগি আর শূকর। বাকি মাংসগুলো হয়তো তোমরা খাবে না।’

    বিক্রম বলল, ‘বাকি মাংস মানে কি কুমির? আমার খেতে কোনও আপত্তি নেই।’

    রামমূর্তি বললেন, ‘শুধু কুমির কেন? সাপ, ব্যাঙ, গোসাপ—এই সবকিছুর মাংসই এখানে পাওয়া যায়।’

    সুরভী জানতে চাইল, ‘মাছ পাওয়া যায় না?’ হয়তো সে বাঙালি বলেই প্রশ্নটা করল।

    রামমূর্তি বললেন, ‘হ্যাঁ, পাওয়া যায়। মেকং নদীর থেকে আনা বিরাট বিরাট ক্যাট ফিশ, স্ট্রিং ফিশ। আর বাকি মাছগুলোর নাম জানি না।’

    এ জবাব শুনে সুরভী আর আগ্রহ জানাল না মাছ খাবার জন্য। শেষ পর্যন্ত একটা দোকান থেকে মুরগি কেনা হল। কেনাকাটার কাজ মেটার পর রামমূর্তি বললেন, ‘আপাতত আমাদের কাজ শেষ। এবার ব্যাটারির দোকানে যেতে হবে। চার্জ দেওয়া নতুন ব্যাটারি নিয়ে যাব আর পুরনো ব্যাটারিগুলো গাড়িতে ফিরে আসবে।’

    স্বাগত জানাল, ‘আমার ঘরের ব্যাটারিরও চার্জ শেষ। ফ্যান ঘুরছে না।’

    তারা সকলে এরপর বাজারের ভিতরের অংশ থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে ফুটপাত ধরে হাঁটতে শুরু করল। তারা এরপর যে জায়গায় এসে উপস্থিত হল নানান ধরনের ইলেকট্রিক্যাল জিনিস, জামা কাপড় ও আরও নানান ধরনের জিনিসের দোকান সেখানে।

    রামমূর্তি গিয়ে হাজির হলেন তাঁর পূর্ব পরিচিত ব্যাটারির দোকানে। বিরাট বিরাট বাক্সর মতো ভারী ব্যাটারি রয়েছে সেখানে। দোকানের মালিক চাইনিজ। দোকানে ঢুকে আর সঙ্গে কথা বলে রামমূর্তি স্বাগতদের জানালেন, ‘ব্যাটারি চার্জ হতে আরও অন্তত দু-ঘণ্টা সময় লাগবে। এ সময়টা তোমরা নিজেদের মতো ঘুরে বেড়াতে পার। ব্যক্তিগত টুকিটাকি জিনিস কিছু কেনার থাকলে তা কিনেও নিতে পার। আমি এখানেই থাকব।’

    সুরভী বলল, ‘তাহলে স্যর আমরা চারপাশটা ঘুরে দেখি?’

    রামমূর্তি বললেন, ‘হ্যাঁ, যাও। প্রয়োজনে দুপুরের খাওয়া সেরে নিতে পার। আমাদের ফিরতে প্রায় বিকাল হয়ে যাবে।’ স্বাগত ঠিক বুঝে উঠতে পারছিল না যে সে রামমূর্তি স্যরের সঙ্গেই থাকবে নাকি অন্যদের সঙ্গে যাবে। সম্ভবত তিনি স্বাগতর মনের ভাব পাঠ করে হেসে বললেন, ‘তুমিও যাও ওদের সঙ্গে। আমি তো বলেইছি যে আমার অবর্তমানে তুমিই দলপতি।’

    স্বাগত বেশ লজ্জাবোধ করল কথাটা শুনে। অন্য চারজন তার সমগোত্রীয় ও বন্ধুস্থানীয়। তাই কাজের বাইরে দলপতি শব্দটা একটু অস্বস্তিকর।’

    বিক্রম তার স্বভাব সুলভ ঢঙে স্বাগতর উদ্দেশে কথায় চিমটি কেটে বলল, ‘স্যর, আমাদের সঙ্গে চলুন।’

    স্বাগত এরপর তাদের সঙ্গে এগল। সকালে বেরবার আগে সবাই হালকা টিফিন সেরে বেরিয়েছে। কিছুটা এগিয়ে একটা স্ন্যাক্সের দোকান দেখে দাঁড়িয়ে পড়ল সকলে। কফি আর ভেজ-ননভেজ স্যান্ডুইচ বিক্রি হচ্ছে সেখানে। কফি আর নন ভেজ স্যান্ডুইচ নিল তারা। স্যান্ডুইচ মুখে তোলার আগে নাতাশা খামের দোকানিকে জিজ্ঞেস করল স্যান্ডুইচে ক্রোকোডাইল মিট আছে কি না?

    লোকটা নাতাশার কথাটা পুরোটা বুঝতে পারল না। এখানকার সাধারণ মানুষরা কাজ চালানোর মতো কয়েকটা ইংরেজি শব্দ ছাড়া ইংরেজি বলতে বা বুঝতে পারে না এ ব্যাপারটা খেয়াল করেছে স্বাগত। তবে এ লোকটা ‘ক্রোকোডাইল’ শব্দর মানেটা বুঝতে পারল। নাতাশার কথা শুনে সেই দোকানদার উল্টো দিকের ফুটপাতের দিকে আঙুল তুলে দেখিয়ে বলল, ‘ক্রোকোডাইল, ক্রোকোডাইল!’

    লোকটার দৃষ্টি অনুসরণ করে স্বাগতরা তাকিয়ে দোকানটা দেখতে পেল। কাচ ঢাকা শো-রুমের মতো একটা দোকান। তার দরজার বাইরে দু’পাশে দুটো ছোট কুমির অর্থাৎ কুমিরের চামড়া ঝুলছে। তবে সেটা মাংসর দোকান নয়। দোকানের গায়ে শোকেসে সাজানো আছে চামড়ার তৈরি ব্যাগ, বেল্ট, জুতো এসব। বলা বাহুল্য যে সব জিনিস কুমিরের চামড়ার তৈরি। দোকানের মাথার সাইন বোর্ডে ইংরেজিতে লেখা ‘ক্রোকোডাইল লেদার্স’। আর তার সঙ্গে কম্বোডিয়ান হরফে আরও কিছু লেখা আছে যা স্বাগতরা পড়তে পারল না। দোকানটা দেখার পর প্রীতম বলল, ‘খাওয়া সেরে চল একবার দোকানটায় যাই। কুমিরের মাংস খেতে আপত্তি থাকলেও আশা করি নাতাশার এ ব্যাপারে আপত্তি থাকবে না?’

    নাতাশা তার প্রশ্ন শুনে মাথা নেড়ে বুঝিয়ে দিল, তার এ ব্যাপারে কোনও আপত্তি নেই। কফি স্যান্ডুইচ খাওয়া হয়ে গেলে ফুটপাত টপকে তারা সবাই গিয়ে হাজির হল দোকানটার সামনে। তারপর কাচের পাল্লা ঠেলে দোকানের ভিতর একে একে ঢুকে পড়ল। দোকানের ভিতরে শোকেসগুলোর মধ্যে সাজানো আছে কুমিরের চামড়ার তৈরি নানান জিনিস। একদিকের দেওয়ালের বেশ খানিকটা ওপরে দেওয়ালের গায়ে টাঙানো আছে মাথা সহ বিশালাকৃতির একটা কুমিরের চামড়া। যেন একটা দানবাকৃতির টিকটিকি দেওয়ালের গায়ে বসে আছে। দোকানের ঢোকার পর ওই

    কুমিরের চামড়াটাই প্রথম তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করল। আর তারপর তারা দেখতে পেল দু’জন লোককে। কুমিরের দেহটা যেখানে টাঙানো তার ঠিক নীচেই ক্যাশ কাউন্টার। সেই কাউন্টারের ভিতর বসে আছে একজন লোক। আর কাউন্টারের বাইরে একটা চেয়ারে স্বাগতদের দিকে পিঠ দিয়ে বসে আছে একজন লোক। সে দু’জন লোক নিজেদের মধ্যে কী যেন কথাবার্তা বলছিল। স্বাগতরা দোকানে ঢোকার পর কাউন্টারের ভিতরে বসা লোকটা কথা থামিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে এগিয়ে এসে স্পষ্ট ইংরেজিতে বলল, ‘এখানে কুমিরের চামড়ার সব জিনিস ন্যায্য মূল্যে পাবেন আপনারা। ঠকবার কোনও ভয় নেই। কুমিরের চামড়া বলে অন্য কোনও প্রাণীর চামড়া বিক্রি করি না। আমার কুমিরের খামার আছে। কুমির শিকার আর কুমিরের চামড়ার ব্যবসা আমরা সাতপুরুষ ধরে করি। ওই তার প্রমাণ।’—এ কথা বলে আঙুল তুলে দেওয়ালে টাঙানো একটা বাঁধানো ফটোগ্রাফ দেখালেন লোকটা।’

    তাঁর কথা শুনে সকলে তাকাল ছবিটার দিকে। বেশ বড় আকারের বাঁধানো একটা সাদা কালো ছবি। দেখেই বোঝা যায় ছবিটা অনেক পুরনো। ছবির মধ্যে একটা লোক দাঁড়িয়ে আছে। তার হাতে বড় লাঠির মতো একটা দণ্ড। আর তার পায়ের সামনে রয়েছে বিশালাকৃতির একটা কুমির। সম্ভবত সেটা মৃত।

    কুমিরটার আকার লোকটার আকারের তিনগুণ হবে। আর তাদের পিছনে দেখা যাচ্ছে কোনও প্রাচীন স্থাপত্যের অংশ।

    স্বাগতরা আগ্রহভরে ছবিটা দেখার পর লোকটা বলল, ‘ওটা আমার গ্রেট গ্রেট গ্র্যান্ডফাদারের ছবি। আপনারা হয়তো আঙ্করভাট দেখেছেন বা দেখতে যাবেন। এই ছবিটা দেড়শো বছর আগে এক সাহেবের তোলা। তিনি এখানে মন্দির সংস্কারের কাজে এসেছিলেন। তিনি কাজ শুরু করার পরই একজন করে শ্রমিক উধাও হয়ে যেতে লাগল। সাহেব পরে বুঝতে পারলেন যে, মন্দিরের গায়ে যে পরিখা আছে সেখানে কুমির আছে। জলে নামলে সে-ই টেনে নিয়ে যাচ্ছে মানুষকে। আমাদের এখানকার লোকজন কুমিরের মাংস খেলেও মন্দিরের কুমির মানে সে দেবতার পোষ্য।

    প্রাচীনকালে আঙ্করভাটের মন্দিরের পরিখাতে কুমির ছাড়া থাকত। তাদের নাকি ধর্মীয় কাজেও ব্যবহার করা হতো, মন্দিরের পাহারাদারের কাজও করত তারা। কাজেই প্রথমে কেউ দেবতার অভিশাপ লাগার ভয়ে কুমিরটাকে মারতে চায়নি। শেষে আমার ওই পূর্বপুরুষ নরখাদক কুমিরটাকে শিকার করেন। সাহেব খুশি হয়ে তাঁকে এই ছবিটা তুলে উপহার দেন।’—একটানা কথাগুলো বলে স্বাগতদের প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য থামল লোকটা।

    বিক্রম প্রীতমকে জিজ্ঞেস করল, ‘কুমির কি সাত-আটশো বছর জীবিত থাকতে পারে?’

    প্রীতম বলল, “তা পারে না ঠিকই তবে শুনেছি পঞ্চাশষাট বছর বাঁচে। যে কুমিরগুলোকে পরিখায় ছাড়া হয়েছিল। এ নিশ্চয়ই তাদেরই কোনও বংশধর হবে। আমি ঠিক এমনই একটা সংবাদপত্রে পড়েছিলাম। রাজস্থানের কোনও একটা জায়গাতে প্রাচীন দুর্গ সংলগ্ন পরিখা সংস্কারের সময় তার মধ্যে এমনই এক জীবন্ত কুমিরের সন্ধান মিলেছিল।’

    স্বাগতরা এরপর শোকেসে রাখা জিনিসগুলো দেখতে শুরু করল। সুরভী দেওয়ালে ঝোলানো একটা হাত ব্যাগ খুলে নিয়ে সেটা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখতে দেখতে দোকানিকে জিজ্ঞেস করল, “এর দাম কত?’

    মাঝবয়সি শক্তপোক্ত চেহারার খামের লোকটা জবাব দিল, ‘পঁচাত্তর ডলার ম্যাডাম।’

    সুরভীর পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল স্বাগত। সুরভী বলল, ‘ভারতীয় মুদ্রাতে হিসাব করলে ব্যাগটা দামি হলেও এয়ারপোর্টের দোকানগুলোর থেকে এখানে অনেক কম দাম।’

    দোকানদার এরপর সুরভীকে বলল, ‘নিয়ে নিন ম্যাডাম। খাঁটি জিনিস। সব দেশে তো কুমিরের চামড়ার জিনিস পাওয়া যায় না। আপনারা কোন দেশ থেকে এসেছেন?’

    সুরভী জবাব দিল ‘ইন্ডিয়া থেকে।’

    আর সুরভীর জবাবের সঙ্গে সঙ্গেই কাউন্টারের সামনে তাদের দিকে পিঠ দিয়ে বসা লোকটা চেয়ার ছেড়ে উঠে ফিরে দাঁড়াল তাদের দিকে। তারপর লোকটা বলে উঠল, ‘আবার ঠিক দেখা হয়ে গেল আপনাদের সঙ্গে।’

    লোকটা স্বাগতর অপরিচিত হলেও সঙ্গীদের চোখের দৃষ্টি দেখে স্বাগত অনুমান করল লোকটা তাদের পূর্ব পরিচিত। লোকটার দিকে তাকিয়ে নাতাশা প্রশ্ন করল, “মিস্টার নারেঙ খাম! আপনি কবে এসেছেন এখানে?’

    লোকটা হেসে জবাব দিল, ‘কাল রাতে। আপনি আমার নাম মনে রেখেছেন বলে আনন্দিত হলাম।’

    প্রীতম হেসে নারেঙ খাম নামের লোকটার উদ্দেশে বলল, ‘আপনি সেদিন কিলিং ফিল্ডে আমাদের যে উপকার করেছেন তা সত্যিই ভোলার নয়।’

    প্রীতমের কথা শুনে লোকটা তাদের কাছে এসে বলল, ‘ওটা অতি সামান্য একটা ব্যাপার। এভাবে কথা বলে লজ্জা দেবেন না।’—এ কথা বলে লোকটা কৌতূহলের দৃষ্টিতে তাকাল স্বাগতর দিকে। তা দেখে বিক্রম স্বাগতর পরিচয় দান করে লোকটাকে বলল, ‘ওঁর নাম স্বাগত। আমাদের মতোই ইন্ডিয়ান। একই কাজে এসেছেন উনি। আমাদের সহকর্মী ও বর্তমানে আমাদের টিম লিডার।’

    তাকে এ কথা বলার পর নারেঙ খামের সঙ্গে তাদের কোথায় কীভাবে পরিচয় হয়েছে বিক্রম সেটা সংক্ষেপে জানিয়ে দিল স্বাগতকে। নারেঙ খাম আর স্বাগত করমর্দন করল। লোকটা এরপর পকেট থেকে নোটবুক বার করে স্বাগতকে বলল, ‘দাঁড়ান আপনার নামটা লিখে নেই। আপনার বন্ধুরা জানেন এটা আমার একটা অভ্যাস। নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হলে আমি তাঁর নাম লিখে রাখি। এ দেশ নিয়ে আমি একটা ভ্রমণ বৃত্তান্ত লিখব।’

    দোকানদার লোকটা নারেঙ খাম আর তাদের কথোপকথন শুনছিল। নারেঙ খাম তার কাজ শেষ করে সে লোকটাকে দেখিয়ে বলল, “ইনি মিস্টার বুল। এই দোকানের আর একটি কুমির খামারের মালিক।’—এ কথা বলার পর সে স্বাগতদের পরিচয়দান করল লোকটার কাছে।

    দোকান মালিক বুল, সুরভীকে বলল, ‘আপনারা যখন নারেঙের পরিচিত তখন ব্যাগটার জন্য আরও দশ ডলার কম দিলেই চলবে। পছন্দ হলে ব্যাগটা নিয়ে নিন।’

    ব্যাগটার দাম আরও কমে যাওয়াতে সুরভী বলল, ‘আচ্ছা দিয়ে দিন।’

    নিজের পার্টস থেকে টাকা বার করে বুল নামের লোকটাকে দিল সুরভী। ইতিমধ্যে প্রীতম একটা বেল্ট হাতে নিয়ে দেখছিল। বুল নামের লোকটা বলল, ‘নিতে পারেন বেল্টটা। কুমিরের লেজের চামড়া সব থেকে বেশি টেকসই হয়। তা দিয়ে বানানো।’

    প্রীতম জবাব দিল, ‘বেল্টটা পছন্দ হয়েছে ঠিকই তবে আজ নয় অন্য দিন এসে কিনব। আমরা তো বেশ কিছুদিন এখানে থাকব। তার ফাঁকে একদিন এসে কিনে নিয়ে যাব।’

    বিক্রম বলল, ‘আমারও একটা ছোট ব্রিফকেস কেনার ইচ্ছা আছে। আমিও পরে এসে কিনব।’

    বুল নামের লোকটা সম্ভবত খুশি হল কথাগুলো শুনে। সে বলল, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই আসবেন। আমার দোকান সকাল সাতটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত খোলা থাকে। তারপর আমি খামারের কাজে চলে যাই।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }