Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিসর্জন (কাব্য-নাটক) – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    উপন্যাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক পাতা গল্প17 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিসর্জন – ২

    দ্বিতীয় অঙ্ক

    প্রথম দৃশ্য

      মন্দির

    রঘুপতি জয়সিংহ ও নক্ষত্ররায়

    নক্ষত্ররায়।              কী জন্য ডেকেছ গুরুদেব?
    রঘুপতি।                                           কাল রাত্রে
    স্বপন দিয়েছে দেবী, তুমি হবে রাজা
    নক্ষত্ররায়।               আমি হব রাজা! হা হা! বল কী ঠাকুর
    রাজা হব? এ কথা নূতন শোনা গেল!
    রঘুপতি।              তুমি রাজা হবে।
    নক্ষত্ররায়।                                  বিশ্বাস হয় না মোর।
    রঘুপতি।              দেবীর স্বপন সত্য। রাজটিকা পাবে
    তুমি, নাহিকো সন্দেহ।
    নক্ষত্ররায়।                                          নাহিকো সন্দেহ!
    কিন্তু, যদি নাই পাই?
    রঘুপতি।                                       আমার কথায়
    অবিশ্বাস?
    নক্ষত্ররায়।                          অবিশ্বাস কিছুমাত্র নেই,
    কিন্তু দৈবাতের কথা–যদি নাই হয়!
    রঘুপতি।              অন্যথা হবে না কভু।
    নক্ষত্ররায়।                                       অন্যথা হবে না?
    দেখো প্রভু, কথা যেন ঠিক থাকে শেষে।
    রাজা হয়ে মন্ত্রীটারে দেব দূর করে,
    সর্বদাই দৃষ্টি তার রয়েছে পড়িয়া
    আমা-‘পরে, যেন সে বাপের পিতামহ।
    বড়ো ভয় করি তারে–বুঝেছ ঠাকুর?
    তোমারে করিব মন্ত্রী।
    রঘুপতি।                                       মন্ত্রিত্বের পদে
    পদাঘাত করি আমি।
    নক্ষত্ররায়।                                        আচ্ছা, জয়সিংহ
    মন্ত্রী হবে। কিন্তু, হে ঠাকুর, সবই যদি
    জানো তুমি, বলো দেখি কবে রাজা হব।
    রঘুপতি।              রাজরক্ত চান দেবী।
    নক্ষত্ররায়।                                      রাজরক্ত চান!
    রঘুপতি।              রাজরক্ত আগে আনো, পরে রাজা হবে।
    নক্ষত্ররায়।              পাব কোথা!
    রঘুপতি।                            ঘরে আছে গোবিন্দমাণিক্য।
    তাঁরি রক্ত চাই।
    নক্ষত্ররায়।                                 তাঁরি রক্ত চাই!
    রঘুপতি।                                                   স্থির
    হয়ে থাকো জয়সিংহ, হোয়ো না চঞ্চল!–
    বুঝেছ কি? শোনো তবে–গোপনে তাঁহারে
    বধ ক’রে, আনিবে সে তপ্ত রাজরক্ত
    দেবীর চরণে।–
    জয়সিংহ, স্থির যদি
    না থাকিতে পারো, চলে যাও অন্য ঠাঁই।–
    বুঝেছ নক্ষত্ররায়? দেবীর আদেশ,
    রাজরক্ত চাই–শ্রাবণের শেষ রাত্রে।
    তোমরা রয়েছ দুই রাজভ্রাতা–জ্যেষ্ঠ
    যদি অব্যাহতি পায়, তোমার শোণিত
    আছে, তৃষিত হয়েছে যবে মহাকালী,
    তখন সময় আর নাই বিচারের।
    নক্ষত্ররায়।               সর্বনাশ! হে ঠাকুর, কাজ কী রাজত্বে!
    রাজরক্ত থাক্‌ রাজদেহে, আমি যাহা
    আছে সেই ভালো।
    রঘুপতি।                                    মুক্তি নাই, মুক্তি নাই
    কিছুতেই! রাজরক্ত আনিতেই হবে!
    নক্ষত্ররায়।               বলে দাও, হে ঠাকুর, কী করিতে হবে।
    রঘুপতি।              প্রস্তুত হইয়া থাকো। যখন যা বলি
    অবিলম্বে করিবে সাধন; কার্যসিদ্ধি
    যতদিন নাহি হয়, বন্ধ রেখো মুখ।
    এখন বিদায় হও।
    নক্ষত্ররায়।                                   হে মা কাত্যায়নী!

    [ প্রস্থান

    জয়সিংহ।              একি শুনলাম! দয়াময়ী মাতঃ, একি
    কথা! তোর আজ্ঞা! ভাই দিয়ে ভ্রাতৃহত্যা!
    বিশ্বের জননী!–গুরুদেব! হেন আজ্ঞা
    মাতৃ-আজ্ঞা ব’লে করিলে প্রচার!
    রঘুপতি।                                                      আর
    কী উপায় আছে বলো।
    জয়সিংহ।                                         উপায়! কিসের
    উপায় প্রভু! হা ধিক্‌! জননী, তোমার
    হস্তে খড়্গ নাই? রোষে তব বজ্রানল
    নাহি চণ্ডী? তব ইচ্ছা উপায় খুঁজিছে,
    খুঁড়িছে সুরঙ্গপথ চোরের মতন
    রসাতলগামী? একি পাপ!
    রঘুপতি।                                             পাপপুণ্য
    তুমি কিবা জানো!
    জয়সিংহ।                                    শিখেছি তোমারি কাছে।
    রঘুপতি।              তবে এস বৎস, আর-এক শিক্ষা দিই।
    পাপপুণ্য কিছু নাই। কে বা ভ্রাতা, কে বা
    আত্মপর! কে বলিল হত্যাকাণ্ড পাপ!
    এ জগৎ মহা হত্যাশালা। জানো না কি
    প্রত্যেক পলকপাতে লক্ষকোটি প্রাণী
    চির আঁখি মুদিতেছে! সে কাহার খেলা?
    হত্যায় খচিত এই ধরণীর ধূলি।
    প্রতিপদে চরণে দলিত শত কীট–
    তাহারা কী জীব নহে? রক্তের অক্ষরে
    অবিশ্রাম লিখিতেছে বৃদ্ধ মহাকাল
    বিশ্বপত্রে জীবের ক্ষণিক ইতিহাস।
    হত্যা অরণ্যের মাঝে, হত্যা লোকালয়ে,
    হত্যা বিহঙ্গের নীড়ে, কীটের গহ্বরে,
    অগাধ সাগর-জলে, নির্মল আকাশে,
    হত্যা অকারণে, হত্যা অনিচ্ছার বশে–
    চলেছে নিখিল বিশ্ব হত্যার তাড়নে
    ঊর্ধ্বশ্বাসে প্রাণপণে, ব্যাঘ্রের আক্রমে
    মৃগসম, মুহূর্ত দাঁড়াতে নাহি পারে।
    মহাকালী কালস্বরূপিণী, রয়েছেন
    দাঁড়াইয়া তৃষাতীক্ষ্ণ লোলজিহ্বা মেলি–
    বিশ্বের চৌদিক বেয়ে চির রক্তধারা
    ফেটে পড়িতেছে, নিষ্পেষিত দ্রাক্ষা হতে
    রসের মতন, অনন্ত খর্পরে তাঁর–
    জয়সিংহ।              থামো, থামো, থামো!–
    মায়াবিনী, পিশাচিনী,
    মাতৃহীন এ সংসারে এসেছিস তুই
    মা’র ছদ্মবেশ ধরে রক্তপানলোভে?
    ক্ষুধিত বিহঙ্গশিশু অরক্ষিত নীড়ে
    চেয়ে থাকে মা’র প্রত্যাশায়, কাছে আসে
    লুব্ধ কাক, ব্যগ্রকণ্ঠে অন্ধ শাবকেরা
    মা মনে করিয়া তারে করে ডাকাডাকি,
    হারায় কোমল প্রাণ হিংস্রচঞ্চুঘাতে–
    তেমনি কি তোর ব্যবসায়? প্রেম মিথ্যা,
    স্নেহ মিথ্যা, দয়া মিথ্যা, মিথ্যা আর-সব,
    সত্য শুধু অনাদি অনন্ত হিংসা! তবে
    কেন মেঘ হতে, ঝরে আশীর্বাদসম
    বৃষ্টিধারা দগ্ধ ধরণীর বক্ষ-‘পরে–
    গ’লে আসে পাষাণ হইতে দয়াময়ী
    স্রোতস্বিনী মরুমাঝে–কোটি কণ্টকের
    শিরোভাগে, কেন ফুলে ওঠে বিকশিয়া?
    ছলনা করেছ মোরে প্রভু! দেখিতেছ
    মাতৃভক্তি রক্তসম হৃদয় টুটিয়া
    ফেটে পড়ে কিনা আমারি হৃদয় বলি
    দিলে মাতৃপদে। ওই দেখো হাসিতেছে
    মা আমার স্নেহপরিহাসবশে। বটে,
    তুই রাক্ষসী পাষাণী বটে, মা আমার
    রক্ত-পিয়াসিনী! নিবি মা আমার রক্ত,
    ঘুচাবি সন্তানজন্ম এ জন্মের তরে–
    দিব ছুরি বুকে? এই শিরা-ছেঁড়া রক্ত
    বড়ো কি লাগিবে ভালো? ওরে, মা আমার
    রাক্ষসী পাষাণী বটে! ডাকিছ কি মোরে
    গুরুদেব? ছলনা বুঝেছি আমি তব।
    ভক্তহিয়া-বিদারিত এই রক্ত চাও!
    দিয়েছিলে এই-যে বেদনা, তারি পরে
    জননীর স্নেহহস্ত পড়িয়াছে। দুঃখ
    চেয়ে সুখ শত গুণ। কিন্তু, রাজরক্ত!
    ছিছি! ভক্তিপিপাসিতা মাতা, তাঁরে বলো
    রক্তপিপাসিনী!
    রঘুপতি।                                বন্ধ হোক বলিদান
    তবে!
    জয়সিংহ।                       হোক বন্ধ।–না না, গুরুদেব, তুমি
    জানো ভালোমন্দ। সরল ভক্তির বিধি
    শাস্ত্রবিধি নহে। আপন আলোকে আঁখি
    দেখিতে না পায়, আলোক আকাশ হতে
    আসে। প্রভু, ক্ষমা করো, ক্ষমা করো দাসে।
    ক্ষমা করো স্পর্ধা মূঢ়তার। ক্ষমা করো
    নিতান্ত বেদনাবশে উদ্‌ভ্রান্ত প্রলাপ।
    বলো প্রভু, সত্যই কি রাজরক্ত চান
    মহাদেবী?
    রঘুপতি।                            হায় বৎস, হায়! অবশেষে
    অবিশ্বাস মোর প্রতি?
    জয়সিংহ।                                       অবিশ্বাস? কভু
    নহে। তোমারে ছাড়িলে, বিশ্বাস আমার
    দাঁড়াবে কোথায়? বাসুকির শিরশ্চ্যুত
    বসুধার মতো, শূন্য হতে শূন্যে পাবে
    লোপ। রাজরক্ত চায় তবে মহামায়া,
    সে রক্ত আনিব আমি। দিব না ঘটিতে
    ভ্রাতৃহত্যা।
    রঘুপতি।                             দেবতার আজ্ঞা পাপ নহে।
    জয়সিংহ।              পুণ্য তবে, আমিই সে করিব অর্জন।
    রঘুপতি।              সত্য করে বলি, বৎস, তবে। তোরে আমি
    ভালোবাসি প্রাণের অধিক–পালিয়াছি
    শিশুকাল হতে তোরে, মায়ের অধিক
    স্নেহে–তোরে আমি নারিব হারাতে।
    জয়সিংহ।                                                          মোর
    স্নেহে ঘটিতে দিব না পাপ, অভিশাপ
    আনিব না এ স্নেহের ‘পরে।
    রঘুপতি।                                                ভালো ভালো,
    সে কথা হইবে পরে–কল্য হবে স্থির।

    [ উভয়ের প্রস্থান

    দ্বিতীয় দৃশ্য

    মন্দির

    অপর্ণা

    গান

               ওগো পুরবাসী,
    আমি দ্বারে দাঁড়ায়ে আছি উপবাসী।
    জয়সিংহ, কোথা জয়সিংহ! কেহ নাই
    এ মন্দিরে। তুমি কে দাঁড়ায়ে আছ হোথা
    অচল মূরতি–কোনো কথা না বলিয়া
    হরিতেছ জগতের সার-ধন যত!
    আমরা যাহার লাগি কাতর কাঙাল
    ফিরে মরি পথে পথে, সে আপনি এসে
    তব পদতলে করে আত্মসমর্পণ!
    তাহে তোর কোন্‌ প্রয়োজন! কেন তারে
    কৃপণের ধন-সম রেখে দিস পুঁতে
    মন্দিরের তলে–দরিদ্র এ সংসারের
    সর্ব ব্যবহার হতে করিয়া গোপন!
    জয়সিংহ, এ পাষাণী কোন্‌ সুখ দেয়,
    কোন্‌ কথা বলে তোমা-কাছে, কোন্‌ চিন্তা
    করে তোমা-তরে–প্রাণের গোপন পাত্রে
    কোন্‌ সান্ত্বনার সুধা চিররাত্রিদিন
    রেখে দেয় করিয়া সঞ্চিত!–ওরে চিত্ত
    উপবাসী, কার রুদ্ধ দ্বারে আছ বসে?

    গান

    ওগো পুরবাসী,
    আমি দ্বারে দাঁড়ায়ে আছি উপবাসী।
    হেরিতেছি সুখমেলা,               ঘরে ঘরে কত খেলা,
    শুনিতেছি সারাবেলা     সুমধুর বাঁশি।

    রঘুপতির প্রবেশ

    রঘুপতি।              কে রে তুই এ মন্দিরে!
    অপর্ণা।                                          আমি ভিখারিনী।
    জয়সিংহ কোথা?
    রঘুপতি।                                  দূর হ এখান হতে
    মায়াবিনী! জয়সিংহে চাহিস কাড়িতে
    দেবীর নিকট হতে, ওরে উপদেবী!
    অপর্ণা।              আমা হতে দেবীর কি ভয়? আমি ভয়
    করি তারে, পাছে মোর সব করে গ্রাস!

    গাহিতে গাহিতে প্রস্থান

    তৃতীয় দৃশ্য

    মন্দির-সম্মুখে পথ

    জয়সিংহ

    দূর হোক চিন্তাজাল! দ্বিধা দূর হোক!
    চিন্তার নরক চেয়ে কার্য ভালো, যত
    ক্রূর, যতই কঠোর হোক। কার্যের তো
    শেষ আছে, চিন্তার সীমানা নাই কোথা–
    ধরে সে সহস্র মূর্তি পলকে পলকে
    বাষ্পের মতন; চারি দিকে যতই সে
    পথ খুঁজে মরে, পথ তত লুপ্ত হয়ে
    যায়। এক ভালো অনেকের চেয়ে। তুমি
    সত্য, গুরুদেব, তোমারি আদেশ সত্য–
    সত্যপথ তোমারি ইঙ্গিতমুখে। হত্যা
    পাপ নহে, ভ্রাতৃহত্যা পাপ নহে, নহে
    পাপ রাজহত্যা!–সেই সত্য, সেই সত্য!
    পাপপুণ্য নাই, সেই সত্য! থাক্‌ চিন্তা,
    থাক্‌ আত্মদাহ, থাক্‌ বিচার বিবেক!–
    কোথা যাও ভাই-সব, মেলা আছে বুঝি
    নিশিপুরে? কুকী রমণীর নৃত্য হবে?
    আমিও যেতেছি।–এ ধরায় কত সুখ
    আছে–নিশ্চিন্ত আনন্দসুখে নৃত্য করে
    নারীদল, মধুর অঙ্গের রঙ্গভঙ্গ
    উচ্ছ্বসিয়া উঠে চারি দিকে, তটপ্লাবী
    তরঙ্গিণী-সম। নিশ্চিন্ত আনন্দে সবে
    ধায় চারি দিক হতে–উঠে গীতগান,
    বহে হাস্যপরিহাস, ধরণীর শোভা
    উজ্জ্বল মূরতি ধরে। আমিও চলিনু।

    গান

    আমারে   কে নিবি ভাই, সঁপিতে চাই আপনারে।
    আমার এই    মন গলিয়ে কাজ ভুলিয়ে সঙ্গে তোদের নিয়ে যা রে।
    তোরা কোন্‌  রূপের হাটে, চলেছিস  ভবের বাটে
    পিছিয়ে  আছি আমি আপন ভারে।
    তোদের ঐ  হাসিখুশি  দিবানিশি  দেখে মন  কেমন করে।
    আমার এই  বাধা টুটে  নিয়ে যা লুটেপুটে,
    পড়ে থাক্‌  মনের বোঝা ঘরের দ্বারে।
    যেমন ঐ  এক নিমেষে  বন্যা এসে
    ভাসিয়ে নে যায় পারাবারে॥
    এত যে  আনাগোনা,   কে আছে  জানাশোনা–
    কে আছে  নাম ধরে মোর ডাকতে পারে।
    যদি সে  বারেক এসে  দাঁড়ায় হেসে
    চিনতে পারি দেখে তারে॥
    দূরে অপর্ণার প্রবেশ
    ওকিও অপর্ণা, দূরে দাঁড়াইয়া কেন!
    শুনিতেছ অবাক হইয়া, জয়সিংহ
    গান গাহে? সব মিথ্যা, বৃহৎ বঞ্চনা,
    তাই হাসিতেছি–তাই গাহিতেছি গান।
    ওই দেখো পথ দিয়ে তাই চলিতেছে
    লোক নির্ভাবনা, তাই ছোটো কথা নিয়ে
    এতই কৌতুকহাসি, এত কুতূহল,
    তাই এত যত্নভরে সেজেছে যুবতী।
    সত্য যদি হ’ত, তবে হ’ত কি এমন?
    সহজে আনন্দ এত বহিত কি হেথা?
    তাহা হলে বেদনায় বিদীর্ণ ধরায়,
    বিশ্বব্যাপী ব্যাকুল ক্রন্দন থেমে গিয়ে
    মূক হয়ে রহিত অনন্তকাল ধরি।
    বাঁশি যদি সত্যই কাঁদিত বেদনায়,
    ফেটে গিয়ে সংগীত নীরব হত তার।
    মিথ্যা বলে তাই এত হাসি–শ্মশানের
    কোলে বসে খেলা, বেদনার পাশে শুয়ে
    গান, হিংসা-ব্যাঘ্রিণীর খরনখতলে
    চলিতেছে প্রতিদিবসের কর্মকাজ!
    সত্য হলে এমন কি হত? হা অপর্ণা,
    তুমি আমি কিছু সত্য নই, তাই জেনে
    সুখী হও–বিষণ্ন বিস্ময়ে, মুগ্ধ আঁখি
    তুলে কেন রয়েছিস চেয়ে! আয় সখী,
    চিরদিন চলে যাই দুই জনে মিলে
    সংসারের ‘পর দিয়ে, শূন্য নভস্তলে
    দুই লঘু মেঘখণ্ড-সম।

    রঘুপতির প্রবেশ

    রঘুপতি।                                           জয়সিংহ!
    জয়সিংহ।              তোমারে চিনি নে আমি। আমি চলিয়াছি
    আমার অদৃষ্টভরে ভেসে নিজ পথে,
    পথের সহস্র লোক যেমন চলেছে।
    তুমি কে বলিছ মোরে দাঁড়াইতে? তুমি
    চলে যাও–আমি চলে যাই।
    রঘুপতি।                                               জয়সিংহ!
    জয়সিংহ।              ওই তো সম্মুখে পথ চলেছে সরল–
    চলে যাব ভিক্ষাপাত্র হাতে, সঙ্গে লয়ে
    ভিখারিনী সখী মোর। কে বলিল, এই
    সংসারের রাজপথ দুরূহ জটিল!
    যেমন ক’রেই যাই, দিবা-অবসানে
    পঁহুছিব জীবনের অন্তিম পলকে,
    আচার বিচার তর্ক বিতর্কের জাল
    কোথা মিশে যাবে। ক্ষুদ্র এই পরিশ্রান্ত
    নরজন্ম সমর্পিব ধরণীর কোলে–
    দু-চারি দিনের এই সমষ্টি আমার,
    দু-চারিটা ভুলভ্রান্তি ভয় দুঃখসুখ,
    ক্ষীণ হৃদয়ের আশা, দুর্বলতাবশে
    ভ্রষ্ট ভগ্ন এ জীবনভার, ফিরে দিয়ে
    অনন্তকালের হাতে, গভীর বিশ্রাম।
    এই তো সংসার! কী কাজ শাস্ত্রের বিধি,
    কী কাজ গুরুতে!
    প্রভু! পিতা! গুরুদেব!
    কী বলিতেছিনু! স্বপ্নে ছিনু এতক্ষণ।
    এই সে মন্দির–ওই সেই মহাবট
    দাঁড়ায়ে রয়েছে, অটল কঠিন দৃঢ়
    নিষ্ঠুর সত্যের মতো। কী আদেশ দেব!
    ভুলি নাই কী করিতে হবে। এই দেখো–
    ছুরি দেখাইয়া
    তোমার আদেশ-স্মৃতি অন্তরে বাহিরে
    হতেছে শাণিত। আরো কী আদেশ আছে
    প্রভু!
    রঘুপতি।                       দূর করে দাও ওই বালিকারে
    মন্দির হইতে।–মায়াবিনী, জানি আমি
    তোদের কুহক।–দূর করে দাও ওরে!
    জয়সিংহ।              দূর করে দিব? দরিদ্র আমারি মতো
    মন্দির-আশ্রিত, আমারি মতন হায়
    সঙ্গীহীন, অকণ্টক পুষ্পের মতন
    নির্দোষ নিষ্পাপ শুভ্র সুন্দর সরল
    সুকোমল বেদনাকাতর, দূর করে
    দিতে হবে ওরে? তাই দিব গুরুদেব!
    চলে যা অপর্ণা! দয়ামায়া স্নেহপ্রেম
    সব মিছে! মরে যা অপর্ণা! সংসারের
    বাহিরেতে কিছুই না থাকে যদি, আছে
    তবু দয়াময় মৃত্যু। চলে যা অপর্ণা!
    অপর্ণা।               তুমি চলে এস জয়সিংহ, এ মন্দির
    ছেড়ে, দুইজনে চলে যাই।
    জয়সিংহ।                                             দুইজনে
    চলে যাই! এ তো স্বপ্ন নয়। একবার
    স্বপ্নে মনে করেছিনু স্বপ্ন এ জগৎ।
    তাই হেসেছিনু সুখে, গান গেয়েছিনু।
    কিন্তু সত্য এ যে। বোলো না সুখের কথা
    আর, দেখায়ো না স্বাধীনতা-প্রলোভন–
    বন্দী আমি সত্য-কারাগারে।
    রঘুপতি।                                              জয়সিংহ
    কাল নাই মিষ্ট আলাপের। দূর করে
    দাও ওই বালিকারে।
    জয়সিংহ।                                      চলে যা অপর্ণা!
    অপর্ণা।               কেন যাব!
    জয়সিংহ।                           এই নারী-অভিমান তোর?
    অপর্ণা।               অভিমান কিছু নাই আর। জয়সিংহ,
    তোমার বেদনা, আমার সকল ব্যথা
    সব গর্ব চেয়ে বেশি। কিছু মোর নাই
    অভিমানে।
    জয়সিংহ।                           তবে আমি যাই। মুখ তোর
    দেখিব না, যতক্ষণ রহিবি হেথায়।–
    চলে যা অপর্ণা!
    অপর্ণা।                                  নিষ্ঠুর ব্রাহ্মণ, ধিক্‌
    থাক্‌  ব্রাহ্মণত্বে তব। আমি ক্ষুদ্র নারী
    অভিশাপ দিয়ে গেনু তোরে, এ বন্ধনে
    জয়সিংহে পারিবি না বাঁধিয়া রাখিতে।

    [ প্রস্থান

    রঘুপতি।              বৎস, তোলো মুখ, কথা কও একবার!
    প্রাণপ্রিয় প্রাণাধিক, আমার কি প্রাণে
    অগাধ সমুদ্রসম স্নেহ নাই! আরো
    চাস? আমি আজন্মের বন্ধু, দু দণ্ডের
    মায়াপাশ ছিন্ন হয়ে যায় যদি, তাহে
    এত ক্লেশ?
    জয়সিংহ।                           থাক্‌ প্রভু, বোলো না স্নেহের
    কথা আর। কর্তব্য রহিল শুধু মনে।
    স্নেহপ্রেম তরুলতাপত্রপুষ্পসম
    ধরণীর উপরেতে শুধু, আসে যায়
    শুকায় মিলায় নব নব স্বপ্নবৎ।
    নিম্নে থাকে শুষ্ক রূঢ় পাষাণের স্তূপ
    রাত্রিদিন, অনন্ত হৃদয়ভারসম।

    [ প্রস্থান

    রঘুপতি।             জয়সিংহ, কিছুতে পাই নে তোর মন,
    এত যে সাধনা করি নানা ছলে-বলে।

    [ প্রস্থান

    চতুর্থ দৃশ্য

    মন্দিরপ্রাঙ্গণ

    জনতা

    গণেশ।       এবারে মেলায় তেমন লোক হল না!
    অক্রূর।       এবারে আর লোক হবে কী করে? এ তো আর হিঁদুর রাজত্ব রইল না। এ যেন নবাবের রাজত্ব হয়ে উঠল। ঠাকরুনের বলিই বন্ধ হয়ে গেল, তো মেলায় লোক আসবে কী!
    কানু।      ভাই, রাজার তো এ বুদ্ধি ছিল না, বোধ হয় কিসে তাকে পেয়েছে।
    অক্রূর।       যদি পেয়ে থাকে তো কোন্‌ মুসলমানের ভূতে পেয়েছে, নইলে বলি উঠিয়ে দেবে কেন?
    গণেশ।       কিন্তু যাই বলো, এ রাজ্যের মঙ্গল হবে না।
    কানু।      পুরুত-ঠাকুর তো স্বয়ং বলে দিয়েছেন, তিন মাসের মধ্যে মড়কে দেশ উচ্ছন্ন যাবে।
    হারু।     তিন মাস কেন, যেরকম দেখছি তাতে তিন দিনের ভর সইবে না। এই দেখো-না কেন, আমাদের মোধো এই আড়াই বছর ধরে ব্যামোয় ভুগে ভুগে বরাবরই তো বেঁচে এসেছে, ঐ, যেমন বলি বন্ধ হল অমনি মারা গেল।
    অক্রূর।       না রে, সে তো আজ তিন মাস হল মরেছে।
    হারু।     নাহয় তিন মাসই হল, কিন্তু এই বছরেই তো মরেছে বটে।
    ক্ষান্তমণি।        ওগো, তা কেন, আমার ভাসুরপো, সে যে মরবে কে জানত। তিন দিনের জ্বর–ঐ, যেমনি কবিরাজের বড়িটি খাওয়া অমনি চোখ উল্‌টে গেল।
    গণেশ।       সেদিন মথুরহাটির গঞ্জে আগুন লাগল, একখানা চালা বাকি রইল না!
    চিন্তামণি। অত কথায় কাজ কী! দেখো-না কেন, এ বছর ধান যেমন সস্তা হয়েছে এমন আর কোনোবার হয় নি। এ বছর চাষার কপালে কী আছে কে জানে!
    হারু।     ঐ রে, রাজা আসছে। সকালবেলাতেই আমাদের এমন রাজার মুখ দেখলুম, দিন কেমন যাবে কে জানে। চল্‌, এখান থেকে সরে পড়ি।

    [ সকলের প্রস্থান

    চাঁদপাল ও গোবিন্দমাণিক্যের প্রবেশ

    চাঁদপাল।              মহারাজ, সাবধানে থেকো। চারি দিকে
    চক্ষুকর্ণ পেতে আছি, রাজ-ইষ্টানিষ্ট
    কিছু না এড়ায় মোর কাছে। মহারাজ,
    তব প্রাণহত্যা-তরে গুপ্ত আলোচনা
    স্বকর্ণে শুনেছি।
    গোবিন্দমাণিক্য।                            প্রাণহত্যা! কে করিবে?
    চাঁদপাল।              বলিতে সংকোচ মানি। ভয় হয়, পাছে
    সত্যকার ছুরি চেয়ে নিষ্ঠুর সংবাদ
    অধিক আঘাত করে রাজার হৃদয়ে।
    গোবিন্দমাণিক্য।         অসংকোচে বলে যাও। রাজার হৃদয়
    সতত প্রস্তুত থাকে আঘাত সহিতে
    কে করেছে হেন পরামর্শ?
    চাঁদপাল।                                            যুবরাজ
    নক্ষত্ররায়।
    গোবিন্দমাণিক্য।                        নক্ষত্র!
    চাঁদপাল।                                       স্বকর্ণে শুনেছি
    মহারাজ, রঘুপতি যুবরাজে মিলে
    গোপনে মন্দিরে বসে স্থির হয়ে গেছে
    সব কথা।
    গোবিন্দমাণিক্য।                        দুই দণ্ডে স্থির হয়ে গেল
    আজন্মের বন্ধন টুটিতে! হায় বিধি!
    চাঁদপাল।              দেবতার কাছে তব রক্ত এনে দেবে–
    গোবিন্দমাণিক্য।         দেবতার কাছে! তবে আর নক্ষত্রের
    নাই দোষ। জানিয়াছি, দেবতার নামে
    মনুষ্যত্ব হারায় মানুষ। ভয় নাই,
    যাও তুমি কাজে। সাবধানে রব আমি।

    [ চাঁদপালের প্রস্থান

    রক্ত নহে, ফুল আনিয়াছি মহাদেবী!
    ভক্তি শুধু– হিংসা নহে, বিভীষিকা নহে।
    এ জগতে দুর্বলেরা বড়ো অসহায়
    মা জননী, বাহুবল বড়োই নিষ্ঠুর,
    স্বার্থ বড়ো ক্রূর, লোভ বড়ো নিদারুণ,
    অজ্ঞান একান্ত অন্ধ–গর্ব চলে যায়
    অকাতরে ক্ষুদ্রেরে দলিয়া পদতলে।
    হেথা স্নেহ-প্রেম অতি ক্ষীন বৃন্তে থাকে,
    পলকে খসিয়া পড়ে স্বর্থের পরশে।
    তুমিও, জননী, যদি খড়্গ উঠাইলে,
    মেলিলে রসনা, তবে সব অন্ধকার!
    ভাই তাই ভাই নহে আর, পতি প্রতি
    সতী বাম, বন্ধু শত্রু, শোণিতে পঙ্কিল
    মানবের বাসগৃহ, হিংসা পুণ্য দয়া
    নির্বাসিত। আর নহে, আর নহে, ছাড়ো
    ছদ্মবেশ। এখনো কি হয়নি সময়?
    এখনো কি রহিবে প্রলয়রূপ তব?
    এই-যে উঠিছে খড়্গ চারি দিক হতে
    মোর শির লক্ষ্য করি, মাতঃ, একি তোরি
    চারি ভুজ হতে? তাই হবে! তবে তাই
    হোক। বুঝি মোর রক্তপাতে হিংসানল
    নিবে যাবে। ধরণীর সহিবে না এত
    হিংসা। রাজহত্যা! ভাই দিয়ে ভ্রাতৃহত্যা
    সমস্ত প্রজার বুকে লাগিবে বেদনা,
    সমস্ত ভায়ের প্রাণ উঠিবে কাঁদিয়া।
    মোর রক্তে হিংসার ঘুচিবে মাতৃবেশ,
    প্রকাশিবে রাক্ষসী-আকার। এই যদি
    দয়ার বিধান তোর, তবে তাই হোক!

    জয়সিংহের প্রবেশ

    জয়সিংহ।              বল্‌ চণ্ডী, সত্যই কি রাজরক্ত চাই?
    এই বেলা বল্‌, বল্‌ নিজ মুখে,বল্‌
    মানবভাষায়, বল্‌ শীঘ্র–সত্যই কি
    রাজরক্ত চাই?
    নেপথ্যে।                         চাই।
    জয়সিংহ।                                     তবে মহারাজ,
    নাম লহ ইষ্টদেবতার। কাল তব
    নিকটে এসেছে।
    গোবিন্দমাণিক্য।                           কী হয়েছে জয়সিংহ?
    জয়সিংহ।              শুনিলে না নিজকর্ণে? দেবীরে শুধানু
    সত্যই কি রাজরক্ত চাই–দেবী নিজে
    কহিলেন “চাই’।
    গোবিন্দমাণিক্য।          দেবী নহে জয়সিংহ,
    কহিলেন রঘুপতি অন্তরাল হতে,
    পরিচিত স্বর।
    জয়সিংহ।                               কহিলেন রঘুপতি?
    অন্তরাল হতে?–নহে নহে, আর নহে!
    কেবলি সংশয় হতে সংশয়ের মাঝে
    নামিতে পারি নে আর! যখনি কূলের
    কাছে আসি, কে মোরে ঠেলিয়া দেয় যেন
    অতলের মাঝে! সে যে অবিশ্বাস-দৈত্য!
    আর নহে! গুরু হোক কিম্বা দেবী হোক,
    একই কথা!–
    ছুরিকা-উন্মোচন॥॥ ছুরি ফেলিয়া
    ফুল নে মা! নে মা! ফুল নে মা!
    পায়ে ধরি, শুধু ফুল নিয়ে হোক তোর
    পরিতোষ! আর রক্ত না মা, আর রক্ত
    নয়! এও যে রক্তের মতো রাঙা, দুটি
    জবাফুল! পৃথিবীর মাতৃবক্ষ ফেটে
    উঠিয়াছে ফুটে, সন্তানের রক্তপাতে
    ব্যথিত ধরার স্নেহ-বেদনার মতো।
    নিতে হবে! এই নিতে হবে! আমি
    নাহি ডরি তোর রোষ। রক্ত নাহি দিব!
    রাঙা’ তোর আঁখি! তোল্‌ তোর খড়্গ! আন্‌
    তোর শ্মশানের দল! আমি নাহি ডরি।

    [ গোবিন্দমাণিক্যের প্রস্থান

    এ কী হল হায়! দেবী গুরু যাহা ছিল
    এক দণ্ডে বিসর্জন দিনু–বিশ্বমাঝে
    কিছু রহিল না আর!

    রঘুপতির প্রবেশ

    রঘুপতি।              সকল শুনেছি
    আমি। সব পণ্ড হল, কী করিলি, ওরে
    অকৃতজ্ঞ!
    জয়সিংহ।                           দণ্ড দাও প্রভু!
    রঘুপতি।                                            সব ভেঙে
    দিলি! ব্রহ্মশাপ ফিরাইলি অর্ধপথ
    হতে! লঙ্ঘিলি গুরুর বাক্য! ব্যর্থ করে
    দিলি দেবীর আদেশ! আপন বুদ্ধিরে
    করিলি সকল হতে বড়ো! অজন্মের
    স্নেহঋণ শুধিলি এমনি করে!
    জয়সিংহ।                                                    দণ্ড
    দাও পিতা!
    রঘুপতি।                            কোন্‌ দণ্ড দিব?
    জয়সিংহ।                                               প্রাণদণ্ড।
    রঘুপতি।             নহে। তার চেয়ে গুরুদণ্ড চাই। স্পর্শ
    কর্‌ দেবীর চরণ।
    জয়সিংহ।                                করিনু পরশ।
    রঘুপতি।             বল্‌ তবে, “আমি এনে দিব রাজরক্ত
    শ্রাবণের শেষ রাত্রে দেবীর চরণে।’
    জয়সিংহ।             আমি এনে দিব রাজরক্ত, শ্রাবণের
    শেষ রাত্রে দেবীর চরণে।
    রঘুপতি।                                            চলে যাও।
    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাজা ও রানী (কাব্য-নাটক) – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    Next Article অনুবাদ কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    Related Articles

    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    নগ্ন নির্জন – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    কোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ

    May 23, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রবার্টসনের রুবি – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    বোম্বাইয়ের বোম্বেটে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রয়েল বেঙ্গল রহস্য – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    যত কাণ্ড কাঠমাণ্ডুতে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }