Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিসর্জন (কাব্য-নাটক) – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    উপন্যাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক পাতা গল্প17 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিসর্জন – ৩

    তৃতীয় অঙ্ক

    প্রথম দৃশ্য

    মন্দির

    রঘুপতি।                তোরা এখানে সব কী করতে এলি?
    সকলে।               আমরা ঠাকরুন দর্শন করতে এসেছি।
    রঘুপতি।                বটে! দর্শন করতে এসেছ? এখনো তোমাদের চোখ দুটো যে আছে সে কেবল বাপের পুণ্যে। ঠাকরুন কোথায়! ঠাকরুন এ রাজ্য ছেড়ে চলে গেছেন। তোরা ঠাকরুনকে রাখতে পারলি কই? তিনি চলে গেছেন।
    সকলে।               কী সর্বনাশ! কে কী কথা ঠাকুর! আমরা কী অপরাধ করেছি?
    নিস্তারিণী।                আমার বোনপো’র ব্যামো ছিল বলেই যা আমি ক’দিন পুজো দিতে আসতে পারি নি।
    গোবর্ধন।                আমার পাঁঠা দুটো ঠাকরুনকেই দেব বলে অনেক দিন থেকে মনে করে রেখেছিলুম, এরই মধ্যে রাজা বলি বন্ধ করে দিলে তো আমি কী করব!
    হারু।              এই আমাদের গন্ধমাদন যা মানত করেছিল তা মাকে দেয় নি বটে, কিন্তু মাও তো তেমনি তাকে শাস্তি দিয়েছেন। তার পিলে বেড়ে ঢাক হয়ে উঠেছে– আজ ছ’টি মাস বিছানায় প’ড়ে। তা বেশ হয়েছে, আমাদেরই যেন সে মহাজন, তাই বলে কি মাকে ফাঁকি দিতে পারবে!
     অক্রূর।               চুপ কর্‌ তোরা। মিছে গোল করিস নে। আচ্ছা ঠাকুর, মা কেন চলে গেলেন, আমাদের কী অপরাধ হয়েছিল?
    রঘুপতি।                মার জন্যে এক ফোঁটা রক্ত দিতে পারিস নে, এই তো তোদের ভক্তি?
    অনেকে।   রাজার আজ্ঞা, তা আমরা কী করব?
    রঘুপতি।                রাজা কে? মার সিংহাসন তবে কি রাজার সিংহাসনের নীচে? তবে এই মাতৃহীন দেশে তোদের রাজাকে নিয়েই থাক্‌, দেখি তোদের রাজা কী করে রক্ষা করে।

    সকলের সভয়ে গুন্‌গুন্‌ স্বরে কথা

     অক্রূর।               চুপ কর্‌।–সন্তান যদি অপরাধ করে থাকে মা তাকে দণ্ড দিক, কিন্তু একেবারে ছেড়ে চলে যাবে এ কি মা’র মতো কাজ? বলে দাও কী করলে মা ফিরবে।
    রঘুপতি।                তোদের রাজা যখন রাজ্য ছেড়ে যাবে, মাও তখন রাজ্যে ফিরে পদার্পণ করবে।

    নিস্তব্ধভাবে পরস্পরের মুখাবলোকন

    রঘুপতি।                তবে তোরা দেখবি? এইখানে আয়। অনেক দূর থেকে অনেক আশা করে ঠাকরুনকে দেখতে এসেছিস, তবে একেবার চেয়ে দেখ্‌।

    মন্দিরের দ্বার-উদ্‌ঘাটন। প্রতিমার পশ্চাদ্ভাগ দৃশ্যমান

    সকলে।               ও কী! মার মুখ কোন্‌ দিকে?
     অক্রূর।               ওরে, মা বিমুখ হয়েছেন!
    সকলে।               ও মা, ফিরে দাঁড়া মা! ফিরে দাঁড়া মা! ফিরে দাঁড়া মা! একবার ফিরে দাঁড়া! মা কোথায়! মা কোথায়! আমরা তোকে ফিরিয়ে আনব মা! আমরা তোকে ছাড়ব না। চাই নে আমাদের রাজা। যাক রাজা! মরুক রাজা!

    রঘুপতির নিকট আসিয়া

    জয়সিংহ।               প্রভু, আমি কি একটিও কথাও কব না?
    রঘুপতি।                না।
    জয়সিংহ।               সন্দেহের কি কোনো কারণ নেই?
    রঘুপতি।                না।
    জয়সিংহ।               সমস্তই কি বিশ্বাস করব?
    রঘুপতি।                হাঁ।

    অপর্ণার প্রবেশ

    পার্শ্বে আসিয়া

    অপর্ণা।               জয়সিংহ! এস জয়সিংহ, শীঘ্র এস
    এ মন্দির ছেড়ে।
    জয়সিংহ।                                বিদীর্ণ হইল বক্ষ।

    [ রঘুপতি অপর্ণা ও জয়সিংহের প্রস্থান

    রাজার প্রবেশ

    প্রজাগণ।               রক্ষা করো মহারাজ, আমাদের রক্ষা
    করো–মাকে ফিরে দাও!
    গোবিন্দমাণিক্য।                                       বৎসগণ, করো
    অবধান। সেই মোর প্রাণপণ সাধ
    জননীরে ফিরে এনে দেব।
    প্রজাগণ।                                             জয় হোক
    মহারাজ, জয় হোক তব।
    গোবিন্দমাণিক্য।                                       একবার
    শুধাই তোদের, তোরা কি মায়ের গর্ভে
    নিস নি জনম? মাতৃগণ, তোমরা তো
    অনুভব করিয়াছ কোমল হৃদয়ে
    মাতৃস্নেহসুধা–বলো দেখি মা কি নেই?
    মাতৃস্নেহ সব হতে পবিত্র প্রাচীন;
    সৃষ্টির প্রথম দণ্ডে মাতৃস্নেহ শুধু
    একেলা জাগিয়া বসে ছিল, নতনেত্রে
    তরুণ বিশ্বেরে কোলে লয়ে। আজিও সে
    পুরাতন মাতৃস্নেহে রয়েছে বসিয়া
    ধৈর্যের প্রতিমা হয়ে। সহিয়াছে কত
    উপদ্রব, কত শোক, কত ব্যথা, কত
    অনাদর–চোখের সম্মুখে ভায়ে ভায়ে
    কত রক্তপাত, কত নিষ্ঠুরতা, কত
    অবিশ্বাস–বাক্যহীন বেদনা বহিয়া
    তবু সে জননী আছে বসে, দুর্বলের
    তরে কোল পাতি, একান্ত যে নিরুপায়
    তারি তরে সমস্ত হৃদয় দিয়ে। আজ
    কী এমন অপরাধ করিয়াছি মোরা
    যার লাগি সে অসীম স্নেহ চেলে গেল
    চিরমাতৃহীন করে অনাথ সংসার!
    বৎসগণ, মাতৃগণ, বলো, খুলে বলো–
    কী এমন করিয়াছি অপরাধ?
    কেহ কেহ।                                        মা’র
    বলি নিষেধ করেছ! বন্ধ মা’র পূজা!
    গোবিন্দমাণিক্য।         নিষেধ করেছি বলি, সেই অভিমানে
    বিমুখ হয়েছে মাতা! আসিছে মড়ক,
    উপবাস, অনাবৃষ্টি, অগ্নি, রক্তপাত–
    মা তোদের এমনি মা বটে! দণ্ডে দণ্ডে
    ক্ষীণ শিশুটিরে স্তন্য দিয়ে বাঁচাইয়ে
    তোলে মাতা। সে কি তার রক্তপানলোভে?
    হেন মাতৃ-অপমান মনে স্থান দিলি
    যবে, আজন্মের মাতৃস্নেহস্মৃতিমাঝে
    ব্যথা বাজিল না? মনে পড়িল না মা’র
    মুখ?–“রক্ত চাই’ “রক্ত চাই’ গরজন
    করিছে জননী, অবোলা দুর্বল জীব
    প্রাণভয়ে কাঁপে থরথর–নৃত্য করে
    দয়াহীন নরনারী রক্তমত্ততায়–
    এই কি মায়ের পরিবার? পুত্রগণ,
    এই কি মায়ের স্নেহছবি?
    প্রজাগণ।                                             মূর্খ মোরা
    বুঝিতে পারি নে।
    গোবিন্দমাণিক্য।                              বুঝিতে পার না! শিশু
    দু দিনের, কিছু যে বোঝে না আর, সেও
    তার জননীরে বোঝে। সেও বোঝে, ভয়
    পেলে নির্ভয় মায়ের কাছে; সেও বোঝে
    ক্ষুধা পেলে দুগ্ধ আছে মাতৃস্তনে; সেও
    ব্যথা পেলে কাঁদে মার মুখ চেয়ে।–তোরা
    এমনি কি ভুলে ভ্রান্ত হলি, মাকে গেলি
    ভুলে? বুঝিতে পারো না মাতা দয়াময়ী!
    বুঝিতে পার না জীবজননীর পূজা
    জীবরক্ত দিয়ে নহে, ভালোবাসা দিয়ে!
    বুঝিতে পার না–ভয় যেথা মা সেখানে
    নয়, হিংসা যেথা মা সেখানে নাই, রক্ত
    যেথা মা’র সেথা অশ্রুজল! ওরে বৎস,
    কী করিয়া দেখাব তোদের, কী বেদনা
    দেখেছি মায়ের মুখে, কী কাতর দয়া,
    কী ভর্ৎসনা অভিমান-ভরা ছলছল
    নেত্রে তাঁর। দেখাইতে পারিতাম যদি,
    সেই দণ্ডে চিনিতিস আপনার মাকে।
    দয়া এল দীনবেশে মন্দিরের দ্বারে,
    অশ্রুজলে মুছে দিতে কলঙ্কের দাগ
    মা’র সিংহাসন হতে–সেই অপরাধে
    মাতা চলে গেল রোষভরে, এই তোরা
    করিলি বিচার?

    অপর্ণার প্রবেশ

    প্রজাগণ।                                  আপনি চাহিয়া দেখো,
    বিমুখ হয়েছে মাতা সন্তানের ‘পরে।

    মন্দিরের দ্বারে উঠিয়া

    অপর্ণা।                বিমুখ হয়েছে মাতা! আয় তো মা, দেখি,
    আয় তো সমুখে একবার!

    প্রতিমা ফিরাইয়া

                                                      এই দেখো
    মুখ ফিরায়েছে মাতা।

    সকলে।                                        ফিরেছে জননী!
    জয় হোক! জয় হোক! মাতঃ, জয় হোক

    সকলে মিলিয়া গান

    থাকতে আর তো পারলি নে মা, পারলি কই?
    কোলের সন্তানেরে ছাড়লি কই?
    দোষী আছি অনেক দোষে,       ছিলি বসে ক্ষণিক রোষে,
    মুখ তো ফিরালি শেষে,     অভয় চরণ কাড়লি কই?

    [ সকলের প্রস্থান

    জয়সিংহ ও রঘুপতির প্রবেশ

    জয়সিংহ।              সত্য বলো, প্রভু, তোমারি এ কাজ?
    রঘুপতি।                                                          সত্য
    কেন না বলিব? আমি কি ডরাই সত্য
    বলিবারে? আমারি এ কাজ। প্রতিমার
    মুখ ফিরায়ে দিয়েছি আমি। কী বলিতে
    চাও বলো। হয়েছ গুরুর গুরু তুমি,
    কী ভর্ৎসনা করিবে আমারে? দিবে কোন
    উপদেশ?
    জয়সিংহ।                          বলিবার কিছু নাই মোর।
    রঘুপতি।               কিছু নাই? কোনো প্রশ্ন নাই মোর কাছে?
    সন্দেহ জন্মিলে মনে মীমাংসার তরে
    চাহিবে না গুরু-উপদেশ? এত দূরে
    গেছ? মনে এতই কি ঘটেছে বিচ্ছেদ?
    মূঢ়, শোনো। সত্যই তো বিমুখ হয়েছে
    দেবী, কিন্তু তাই ব’লে প্রতিমার মুখ
    নাহি ফিরে। মন্দিরে যে রক্তপাত করি
    দেবী তাহা করে পান, প্রতিমার মুখে
    সে রক্ত উঠে না। দেবতার অসন্তোষ
    প্রতিমার মুখে প্রকাশ না পায়। কিন্তু
    মূর্খদের কেমনে বুঝাব! চোখে চাহে
    দেখিবারে, চোখে যাহা দেখাবার নয়।
    মিথ্যা দিয়ে সত্যেরে বুঝাতে হয় তাই।
    মূর্খ, তোমার আমার হাতে সত্য নাই।
    সত্যের প্রতিমা সত্য নহে, কথা সত্য
    নহে, লিপি সত্য নহে, মূর্তি সত্য নহে–
    চিন্তা সত্য নহে। সত্য কোথা আছে–কেহ
    নাহি জানে তারে, কেহ নাহি পায় তারে।
    সেই সত্য কোটি মিথ্যারূপে চারি দিকে
    ফাটিয়া পড়েছে। সত্য তাই নাম ধরে
    মহামায়া, অর্থ তার “মহামিথ্যা’। সত্য
    মহারাজ বসে থাকে রাজ-অন্তঃপুরে–
    শত মিথ্যা প্রতিনিধি তার, চতুর্দিকে
    মরে খেটে খেটে।–
    শিরে হাত দিয়ে, ব’সে
    ব’সে ভাবো–আমার অনেক কাজ আছে!
    আবার গিয়েছে ফিরে প্রজাদের মন।
    জয়সিংহ।              যে তরঙ্গ তীরে নিয়ে আসে, সেই ফিরে
    অকূলের মাঝখানে টেনে নিয়ে যায়।
    সত্য নহে, সত্য নহে, সত্য নহে–সবই
    মিথ্যা! মিথ্যা! মিথ্যা! দেবী নাই প্রতিমার
    মাঝে, তবে কোথা আছে? কোথাও সে নাই!
    দেবী নাই! ধন্য ধন্য ধন্য মিথ্যা তুমি!

    দ্বিতীয় দৃশ্য

    প্রাসাদকক্ষ

    গোবিন্দমাণিক্য ও চাঁদপাল

    চাঁদপাল।               প্রজারা করিছে কুমন্ত্রণা। মোগলের
    সেনাপতি চলিয়াছে আসামের দিকে
    যুদ্ধ-লাগি, নিকটেই আছে, দুই-চারি
    দিবসের পথে–প্রজারা তাহারি কাছে
    পাঠাবে প্রস্তাব তোমারে করিতে দূর
    সিংহাসন হতে।
    গোবিন্দমাণিক্য।                            আমারে করিবে দূর?
    মোর ‘পরে এত অসন্তোষ?
    চাঁদপাল।                                              মহারাজ,
    সেবকের অনুনয় রাখো–পশুরক্ত
    এত যদি ভালো লাগে নিষ্ঠুর প্রজার
    দাও তাহাদের পশু, রাক্ষসী প্রবৃত্তি
    পশুর উপর দিয়া যাক। সর্বদাই
    ভয়ে ভয়ে আছি কখন কী হয়ে পড়ে।
    গোবিন্দমাণিক্য।          আছে ভয় জানি চাঁদপাল, রাজকার্য
    সেও আছে। পাথার ভীষণ, তবু তরী
    তীরে নিয়ে যেতে হবে। গেছে কি প্রজার
    দূত মোগলের কাছে?
    চাঁদপাল।                                        এতক্ষণে গেছে।
    গোবিন্দমাণিক্য।         চাঁদপাল, তুমি তবে যাও এই বেলা,
    মোগলের শিবিরের কাছাকাছি থেকো–
    যখন যা ঘটে সেথা পাঠায়ো সংবাদ।
    চাঁদপাল।              মহারাজ, সাবধানে ড়েকো হেথা প্রভু,
    অন্তরে বাহিরে শত্রু।

    [ প্রস্থান

    গুণবতীর প্রবেশ

    গোবিন্দমাণিক্য।                                   প্রিয়ে, বড়ো শুষ্ক,
    বড়ো শূন্য এ সংসার। অন্তরে বাহিরে
    শত্রু। তুমি এসে ক্ষণেক দাঁড়াও হেসে,
    ভালোবেসে চাও মুখপানে। প্রেমহীন
    অন্ধকার ষড়যন্ত্র বিপদ বিদ্বেষ
    সবার উপরে, হোক তব সুধাময়
    আবির্ভাব, ঘোর নিশীথের শিরোদেশে
    নির্নিমেষ চন্দ্রের মতন। প্রিয়তমে,
    নিরুত্তর কেন? অপরাধ-বিচারের
    এই কি সময়? তৃষার্ত হৃদয় যবে
    মুমূর্ষুর মতো চাহে মরুভূমি-মাঝে
    সুধাপাত্র হাতে নিয়ে ফিরে চলে যাবে?

    [ গুণবতীর প্রস্থান

    চলে গেলে! হায়, দুর্বহজীবন!

    নক্ষত্ররায়ের প্রবেশ

    স্বগত

    নক্ষত্ররায়।               যেথা যাই সকলেই বলে, “রাজা হবে?’–
    “রাজা হবে?’–এ বড়ো আশ্চর্য কাণ্ড। একা
    বসে থাকি, তবু শুনি কে যেন বলিছে–
    রাজা হবে? রাজা হবে? দুই কানে যেন
    বাসা করিয়াছে দুই টিয়ে পাখি, এক
    বুলি জানে শুধু–রাজা হবে? রাজা হবে?
    ভালো বাপু, তাই হব, কিন্তু রাজরক্ত
    সে কি তোরা এনে দিবি?
    গোবিন্দমাণিক্য।                                      নক্ষত্র!

    নক্ষত্র সচকিত

                                                             নক্ষত্র!
    আমারে মারিবে তুমি? বলো, সত্য বলো,
    আমারে মারিবে? এই কথা জাগিতেছে
    হৃদয়ে তোমার নিশিদিন? এই কথা
    মনে নিয়ে মোর সাথে হাসিয়া বলেছ
    কথা, প্রণাম করেছ পায়ে, আশীর্বাদ
    করেছ গ্রহণ, মধ্যাহ্নে আহারকালে
    এক অন্ন ভাগ করে করেছ ভোজন
    এই কথা নিয়ে? বুকে ছুরি দেবে? ওরে
    ভাই, এই বুকে টেনে নিয়েছিনু তোরে
    এ কঠিন মর্তভূমি প্রথম চরণে
    তোর বেজেছিল যবে–এই বুকে টেনে
    নিয়েছিনু তোরে, যেদিন জননী, তোর
    শিরে শেষ স্নেহহস্ত রেখে, চলে গেল
    ধরাধাম শূন্য করি–আজ সেই তুই
    সেই বুকে ছুরি দিবি? এক রক্তধারা
    বহিতেছে দোঁহার শরীরে, যেই রক্ত
    পিতৃপিতামহ হতে বহিয়া এসেছে
    চিরদিন ভাইদের শিরায় শিরায়–
    সেই শিরা ছিন্ন করে দিয়ে সেই রক্ত
    ফেলিবি ভূতলে? এই বন্ধ করে দিনু
    দ্বার, এই নে আমার তরবারি, মার্‌
    অবারিত বক্ষে, পূর্ণ হোক মনস্কাম!

    নক্ষত্ররায়।               ক্ষমা করো! ক্ষমা করো ভাই! ক্ষমা করো!
    গোবিন্দমাণিক্য।          এস বৎস, ফিরে এস! সেই বক্ষে ফিরে
    এস! ক্ষমা ভিক্ষা করিতেছ? এ সংবাদ
    শুনেছি যখন, তখনি করেছি ক্ষমা।
    তোরে ক্ষমা না করিতে অক্ষম যে আমি।
    নক্ষত্ররায়।               রঘুপতি দেয় কুমন্ত্রণা। রক্ষ মোরে
    তার কাছ হতে।
    গোবিন্দমাণিক্য।                            কোনো ভয় নেই ভাই!

    তৃতীয় দৃশ্য

    অন্তঃপুরকক্ষ

    গুণবতী

    গুণবতী।               তবু তো হল না। আশা ছিল মনে মনে
    কঠিন হইয়া থাকি কিছুদিন যদি
    তাহা হলে আপনি আসিবে ধরা দিতে
    প্রেমের তৃষায়। এত অহংকার ছিল
    মনে। মুখ ফিরে থাকি। কথা নাহি কই,
    অশ্রুও ফেলি নে, শুধু শুষ্ক রোষ, শুধু
    অবহেলা–এমন তো কতদিন গেল!
    শুনেছি নারীর রোষ পুরুষের কাছে
    শুধু শোভা আভাময়, তাপ নাহি তাহে–
    হীরকের দীপ্তিসম! ধিক্‌ থাক্‌ শোভা!
    এ রোষ বজ্রের মতো হত যদি, তবে
    পড়িত প্রাসাদ-‘পরে, ভাঙিত রাজার
    নিদ্রা, চূর্ণ হত রাজ-অহংকার, পূর্ণ
    হত রানীর মহিমা! আমি রানী, কেন
    জন্মাইলে এ মিথ্যা বিশ্বাস! হৃদয়ের
    অধীশ্বরী তব–এই মন্ত্র প্রতিদিন
    কেন দিলে কানে? কেন না জানালে মোরে
    আমি ক্রীতদাসী, রাজার কিংকরী শুধু,
    রানী নহি–তাহা হলে আজিকে সহসা
    এ আঘাত, এ পতন সহিতে হত না!

    ধ্রুবের প্রবেশ

    ধ্রুব।                                       আমারে ডেকেছে রাজা।

    [ প্রস্থান

    গুণবতী।              রাজার হৃদয়রত্ন এই সে বালক!
    ওরে শিশু, চুরি করে নিয়েছিস তুই
    আমার সন্তানতরে যে আসন ছিল।
    না আসিতে আমার বাছারা, তাহাদের
    পিতৃস্নেহ-‘পরে তুই বসাইলি ভাগ!
    রাজহৃদয়ের সুধাপাত্র হতে, তুই
    নিলি প্রথম অঞ্জলি–রাজপুত্র এসে
    তোরি কি প্রসাদ পাবে ওরে রাজদ্রোহী!–
    মা গো মহামায়া, এ কী তোর অবিচার!
    এত সৃষ্টি, এত খেলা তোর–খেলাচ্ছলে
    দে আমারে একটি সন্তান–দে জননী,
    শুধু এইটুকু শিশু, কোলটুকু ভ’রে
    যায় যাহে। তুই যা বাসিস ভালো, তাই
    দিব তোরে।

    নক্ষত্ররায়ের প্রবেশ

    যাও কেন? এত ভয় কারে তব? আমি
    নারী, অস্ত্রহীন, বলহীন, নিরুপায়,
    অসহায়–আমি কি ভীষণ এত?

    নক্ষত্ররায়।                                                    না, না,
    মোরে ডাকিয়ো না।
    গুণবতী।                                      কেন, কী হয়েছে?
    নক্ষত্ররায়।                                                            আমি
    রাজা নাহি হব।
    গুণবতী।                                 নাই হলে, তাই বলে
    এত আস্ফালন কেন?
    নক্ষত্ররায়।                                         চিরকাল বেঁচে
    থাক্‌ রাজা, আমি যেন যুবরাজ থেকে
    মরি।
    গুণবতী।                       তাই মরো। শীঘ্র মরো। পূর্ণ হোক
    মনোরথ। আমি কি তোমার পায়ে ধ’রে
    রেখেছি বাঁচিয়ে?
    নক্ষত্ররায়।                                   তবে কী বলিবে বলো।
    গুণবতী।              যে চোর করিছে চুরি তোমারি মুকুট
    তাহারে সরায়ে দাও। বুঝেছ কি?
    নক্ষত্ররায়।                                                      সব
    বুঝিয়াছি, শুধু কে সে চোর বুঝি নাই।
    গুণবতী।              ওই-যে বালক ধ্রুব। বাড়িছে রাজার
    কোলে, দিনে দিনে উঁচু হয়ে উঠিতেছে
    মুকুটের পানে।
    নক্ষত্ররায়।                                 তাই বটে! এতক্ষণে
    বুঝিলাম সব। মুকুট দেখেছি বটে
    ধ্রুবের মাথায়। আমি বলি শুধু খেলা।
    গুণবতী।              মুকুট লইয়া খেলা? বড়ো কাল-খেলা।
    এই বেলা ভেঙে দাও খেলা–নহে তুমি
    সে খেলার হইবে খেলেনা।
    নক্ষত্ররায়।                                              তাই বটে!
    এ তো ভালো খেলা নয়।
    গুণবতী।                                            অর্ধরাত্রে আজি
    গোপনে লইয়া তারে দেবীর চরণে
    মোর নামে কোরো নিবেদন। তার রক্তে
    নিবে যাবে দেবরোষানল, স্থায়ী হবে
    সিংহাসন এই রাজবংশে–পিতৃলোক
    গাহিবেন কল্যাণ তোমার। বুঝেছ কি?
    নক্ষত্ররায়।               বুঝিয়াছি।
    গুণবতী।                           তবে যাও। যা বলিনু করো।
    মনে রেখো, মোর নামে কোরো নিবেদন।
    নক্ষত্ররায়।               তাই হবে। মুকুট লইয়া খেলা! এ কী
    সর্বনাশ! দেবীর সন্তোষ, রাজ্যরক্ষা,
    পিতৃলোক–বুঝিতে কিছুই বাকি নেই।

    চতুর্থ দৃশ্য

    মন্দিরসোপান

    জয়সিংহ

    জয়সিংহ।               দেবী, আছ, আছ তুমি। দেবী, থাকো তুমি।
    এ অসীম রজনীর সর্বপ্রান্তশেষে
    যদি থাকো কণামাত্র হয়ে, সেথা হতে
    ক্ষীণতম স্বরে সাড়া দাও, বলো মোরে
    “বৎস, আছি’–নাই, নাই, নাই, দেবী নাই!
    নাই? দয়া করে থাকো! অয়ি মায়াময়ী
    মিথ্যা, দয়া কর্‌, দয়া কর্‌ জয়সিংহে,
    সত্য হয়ে ওঠ্‌। আশৈশব ভক্তি মোর,
    আজন্মের প্রেম তোরে প্রাণ দিতে নারে?
    এত মিথ্যা তুই?–এ জীবন কারে দিলি
    জয়সিংহ! সব ফেলে দিলি সত্যশূন্য,
    দয়াশূন্য, মাতৃশূন্য সর্বশূন্য-মাঝে!
    অপর্ণার প্রবেশ
    অপর্ণা, আবার এসেছিস? তাড়ালেম
    মন্দিরবাহিরে, তবু তুই অনুক্ষণ
    আশে-পাশে চারি দিকে ঘুরিয়া বেড়াস
    সুখের দুরাশা-সম দরিদ্রের মনে?
    সত্য আর মিথ্যায় প্রভেদ শুধু এই!–
    মিথ্যারে রাখিয়া দিই মন্দিররের মাঝে
    বহুযত্নে, তবুও সে থেকেও থাকে না।
    সত্যেরে তাড়ায়ে দিই মন্দিরবাহিরে
    অনাদরে, তবুও সে ফিরে ফিরে আসে।
    অপর্ণা, যাস নে তুই–তোরে আমি, আর
    ফিরাব না। আয়, এইখানে বসি দোঁহে।
    অনেক হয়েছে রাত। কৃষ্ণপক্ষশশী
    উঠিতেছে তরু-অন্তরালে। চরাচর
    সুপ্তিমগ্ন, শুধু মোরা দোঁহে নিদ্রাহীন।
    অপর্ণা, বিষাদময়ী, তোরেও কি গেছে
    ফাঁকি দিয়ে মায়ার দেবতা? দেবতায়
    কোন্‌ আবশ্যক! কেন তারে ডেকে আনি
    আমাদের ছোটোখাটো সুখের সংসারে?
    তারা কি মোদের ব্যথা বুঝে? পাষাণের
    মতো, শুধু চেয়ে থাকে! আপন ভায়েরে
    প্রেম হতে বঞ্চিত করিয়া, সেই প্রেম
    দিই তারে–সে কি তার কোনো কাজে লাগে?
    এ সুন্দরী সুখময়ী, ধরণী হইতে
    মুখ ফিরাইয়া, তার দিকে চেয়ে থাকি–
    সে কোথায় চায়? তার কাছে ক্ষুদ্র বটে,
    তুচ্ছ বটে, তবু তো আমার মাতৃধরা;
    তার কাছে কীটবৎ, তবু তো আমার
    ভাই; অবহেলে অন্ধরথচক্রতলে
    দলিয়া চলিয়া যায়, তবু সে দলিত,
    উপেক্ষিত, তারা তো আমার আপনার।
    আয় ভাই, নির্ভয়ে দেবতাহীন হয়ে
    আরো কাছাকাছি সবে বেঁধে বেঁধে থাকি।
    রক্ত চাই? স্বরগের ঐশ্বর্য ত্যজিয়া
    এ দরিদ্র ধরাতলে তাই কি এসেছ?
    সেথায় মানব নেই, জীব নেই কেহ,
    রক্ত নেই, ব্যথা পাবে হেন কিছু নেই–
    তাই স্বর্গে হয়েছে অরুচি? আসিয়াছ
    মৃগয়া করিতে, নির্ভয়বিশ্বাসসুখে
    যেথা বাসা বেঁধে আছে মানবের ক্ষুদ্র
    পরিবারে? অপর্ণা, বালিকা, দেবী নাই!
    অপর্ণা।               জয়সিংহ, তবে চলে এস, এ মন্দির
    ছেড়ে।
    জয়সিংহ।                        যাব, যাব, তাই যাব, ছেড়ে চলে
    যাব। হায় রে অপর্ণা, তাই যেতে হবে।
    তবু, যে রাজত্বে আজন্ম করেছি বাস
    পরিশোধ ক’রে দিয়ে তার রাজকর
    তবে যেতে পাব। থাক্‌ ও-সকল কথা।
    দেখ্‌ চেয়ে গোমতীর শীর্ণ জলরেখা
    জ্যোৎস্নালোকে পুলকিত–কলধ্বনি তার
    এক কথা শতবার করিছে প্রকাশ।
    আকাশেতে অর্ধচন্দ্র পাণ্ডুমুখচ্ছবি
    শ্রান্তিহীন–বহু রাত্রিজাগরণে যেন
    পড়েছে চাঁদের চোখে আধেক পল্লব
    ঘুমভারে। সুন্দর জগৎ! হা অপর্ণা,
    এমন রাত্রির মাঝে দেবী নাই। থাক্‌
    দেবী। অপর্ণা, জানিস কিছু সুখভরা
    সুধাভরা কোনো কথা? শুধু তাই বল্‌।
    যা শুনিলে মুহূর্তে অতলে মগ্ন হয়ে
    ভুলে যাব জীবনের তাপ, মরণ যে
    কত মধুরতাময় আগে হতে পাব
    তার স্বাদ। অপর্ণা, এমন কিছু বল্‌
    ওই মধুকণ্ঠে তোর, ওই মধু-আঁখি
    রেখে মোর মুখপানে, এই জনহীন
    স্তব্ধ রজনীতে, এই বিশ্বজগতের
    নিদ্রামাঝে, বল্‌ রে অপর্ণা, যা শুনিলে
    মনে হবে চারি দিকে আর কিছু নাই,
    শুধু ভালোবাসা ভাসিতেছে, পূর্ণিমার
    সুপ্তরাত্রে রজনীগন্ধার গন্ধসম।
    অপর্ণা।              হায় জয়সিংহ, বলিতে পারি নে কিছু–
    বুঝি মনে আছে কত কথা।
    জয়সিংহ।                                               তবে আরো
    কাছে আয়। মন হতে মনে যাক কথা।
    –এ কী করিতেছি আমি। অপর্ণা, অপর্ণা,
    চলে যা মন্দির ছেড়ে! গুরুর আদেশ!
    অপর্ণা।               জয়সিংহ, হোয়ো না নিষ্ঠুর! বার বার
    ফিরায়ো না! কী সহেছি অন্তর্যামী জানে!
    জয়সিংহ।              তবে আমি যাই। এক দণ্ড হেথা নহে।

    কিয়দ্‌দূর গিয়া ফিরিয়া

                       অপর্ণা, নিষ্ঠুর আমি? এই কি রহিবে
    তোর মনে, জয়সিংহ নিষ্ঠুর, কঠিন!
    কখনো কি হাসিমুখে কহি নাই কথা?
    কখনো কি ডাকি নাই কাছে? কখনো কি
    ফেলি নাই অশ্রুজল তোর অশ্রু দেখে?
    অপর্ণা, সে সব কথা পড়িবে না মনে,
    শুধু মনে রহিবে জাগিয়া জয়সিংহ
    নিষ্ঠুর পাষাণ? যেমন পাষাণ ওই
    পাষাণের ছবি, দেবী বলিতাম যারে?–
    হায় দেবী, তুই যদি দেবী হইতিস,
    তুই যদি বুঝিতিস এই অন্তর্দাহ!

    অপর্ণা।               বুদ্ধিহীন ব্যথিত এ ক্ষুদ্র নারী-হিয়া
    ক্ষমা করো এরে। এই বেলা চলে এস,
    জয়সিংহ, এস মোরা এ মন্দির ছেড়ে
    যাই।
    জয়সিংহ।                        রক্ষা করো! অপর্ণা, করুণা করো!
    দয়া ক’রে, মোরে ফেলে চলে যাও। এক
    কাজ বাকি আছে এ জীবনে, সেই হোক
    প্রাণেশ্বর–তার স্থান তুমি কাড়িয়ো না।

    [ দ্রুত প্রস্থান

    অপর্ণা।               শতবার সহিয়াছি, আজ কেন আর
    নাহি সহে! আজ কেন ভেঙে পড়ে প্রাণ!

    পঞ্চম দৃশ্য

    মন্দির

    নক্ষত্ররায় রঘুপতি ও নিদ্রিত ধ্রুব

    রঘুপতি।              কেঁদে কেঁদে ঘুমিয়ে পড়েছে। জয়সিংহ
    এসেছিল মোর কোলে অমনি শৈশবে
    পিতৃমাতৃহীন। সেদিন অমনি করে
    কেঁদেছিল নূতন দেখিয়া চারি দিক,
    হতাশ্বাস শ্রান্ত শোকে অমনি করিয়া
    ঘুমায়ে পড়িয়াছিল সন্ধ্যা হয়ে গেলে
    ওইখানে দেবীর চরণে! ওরে দেখে
    তার সেই শিশু-মুখ শিশুর ক্রন্দন
    মনে পড়ে।
    নক্ষত্ররায়।                           ঠাকুর কোরো না দেরি আর–
    ভয় হয় কখন সংবাদ পাবে রাজা।
    রঘুপতি।             সংবাদ কেমন করে পাবে? চারি দিক
    নিশীথের নিদ্রা দিয়ে ঘেরা।
    নক্ষত্ররায়।                                             একবার
    মনে হল যেন দেখিলাম কার ছায়া!
    রঘুপতি।              আপন ভয়ের।
    নক্ষত্ররায়।                                শুনিলাম যেন কার
    ক্রন্দনের স্বর!
    রঘুপতি।                               আপনার হৃদয়ের।
    দূর হোক নিরানন্দ। এস পান করি
    কারণসলিল।

    মদ্যপান

                                        মনোভাব যতক্ষণ
    মনে থাকে, ততক্ষণ দেখায় বৃহৎ–
    কার্যকালে ছোট হয়ে আসে, বহু বাষ্প
    গলে গিয়ে একবিন্দু জল। কিছুই না,
    শুধু মুহূর্তের কাজ। শুধু শীর্ণশিখা
    প্রদীপ নিবাতে যতক্ষণ। ঘুম হতে
    চকিতে মিলায়ে যাবে গাঢ়তর ঘুমে
    ওই প্রাণরেখাটুকু–শ্রাবণনিশীথে
    বিজুলিঝলক-সম, শুধু বজ্র তার
    চিরদিন বিঁধে রবে রাজদম্ভ-মাঝে।
    এস এস যুবরাজ, ম্লান হয়ে কেন
    বসে আছে এক পাশে–মুখে কথা নেই,
    হাসি নেই, নির্বাপিতপ্রায়! এস, পান
    করি আনন্দসলিল।

    নক্ষত্ররায়।                                     অনেক বিলম্ব
    হয়ে গেছে। আমি বলি, আজ থাক্‌। কাল
    পূজা হবে।
    রঘুপতি।                           বিলম্ব হয়েছে বটে। রাত্রি
    শেষ হয়ে আসে।
    নক্ষত্ররায়।                                  ওই শোনো পদধ্বনি।
    রঘুপতি।              কই? নাহি শুনি।
    নক্ষত্ররায়।                                    ওই শোনো, ওই দেখো
    আলো।
    রঘুপতি।                        সংবাদ পেয়েছে রাজা! আর তবে
    এক পল দেরি নয়। জয় মহাকালী!

    খড়্গ-উত্তোলন

    গোবিন্দমাণিক্য ও প্রহরীগণের প্রবেশ

    রাজার নির্দেশক্রমে প্রহরীর দ্বারা রঘুপতি ও নক্ষত্ররায় ধৃত হইল

    গোবিন্দমাণিক্য।          নিয়ে যাও কারাগারে, বিচার হইবে।
    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাজা ও রানী (কাব্য-নাটক) – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    Next Article অনুবাদ কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    Related Articles

    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    নগ্ন নির্জন – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    কোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ

    May 23, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রবার্টসনের রুবি – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    বোম্বাইয়ের বোম্বেটে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রয়েল বেঙ্গল রহস্য – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    যত কাণ্ড কাঠমাণ্ডুতে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }