Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বুদ্ধ অথবা কার্ল মার্কস – ভীমরাও রামজি আম্বেদকর

    লেখক এক পাতা গল্প49 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কার পন্থা বেশি কার্যকরী?

    এখন আমরা অবশ্যই বিবেচনা করব যে কার পন্থা বেশি কার্যকরী। বলপ্রয়োগের মাধ্যমে গঠিত সরকার আর নৈতিক চারিত্র্যের মাধ্যমে গঠিত সরকারের ভেতর একটি বেছে নিতে হবে।

    বার্ক যেমন বলেন যে, শক্তি বা বলপ্রয়োগ কখনোই কোনো চিরস্থায়ী পন্থা হতে পারে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তাঁর সমঝোতার বিষয়ক বক্তৃতায় তিনি এই স্মরণীয় সতর্কবার্তা দান করেন :

    ‘প্রথমত, স্যার, আমাকে বলতে দিন যে বলপ্রয়োগ বিষয়টি নিঃসঙ্গ ও ক্ষণস্থায়ী। এটা এক মুহূর্তের জন্য সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেও নতুন করে আবার নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন তাতে দূর হয় না। এবং একটি জাতি কখনোই পরিচালিত হয় না যতক্ষণ না এটা চিরদিনের মতো বিজিত হয়।

    ‘আমার পরবর্তী আপত্তি হলো এর অনিশ্চয়তায়। সন্ত্রাস বা সহিংসতা সর্বদাই শক্তির প্রতিক্রিয়া নয়; এবং একটি অস্ত্র অর্থই বিজয় নয়। আপনি যদি সফল না হন, তবে তার অর্থ হলো আপনার কাছে কোনো সম্পদ নেই, কারণ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া ব্যর্থ হলে শক্তি বা বলপ্রয়োগের পন্থা শুধু বাকি থাকে। কিন্তু বলপ্রয়োগও যদি ব্যর্থ হয়, তবে নতুন করে কোনো নিষ্পত্তি হবার আশা রহিত হয়। ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব মাঝে মাঝে সদয়তা দ্বারাও ক্রীত হয়; কিন্তু ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব কখনোই এক দুর্বল ও পরাজিত সন্ত্রাস কর্তৃক ভিক্ষা হিসেবে চাওয়া যেতে পারে না।’

    শক্তি বা বলপ্রয়োগের প্রতি আর একটি মাত্র আপত্তি হলো তুমি যা রক্ষা করতে চাইছো, তা’ আসলে শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে তুমি ধ্বংস করে ফেল। যে জিনিসের জন্য তুমি লড়াই করেছো তা’ তুমি পাও বটে তবে পাও একটি অবমূল্যায়িত, নিমজ্জিত বা ডুবে যাওয়া, বিনষ্ট এবং ক্ষয়প্রাপ্ত বা অপচয়িত অবস্থায়।’

    ভিক্ষুদের দেওয়া এক উপদেশে বুদ্ধ ন্যায়পরতার শাসন ও আইন বা বলপ্রয়োগের শাসনের ভেতরের পার্থক্য তুলে ধরেন। ভ্রাতৃসঙ্ঘকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন :

    ২. বহু আগে, প্রিয় ভ্রাতাবৃন্দ, এক দেশে ছিলেন এক সার্বভৌম অধিপতি এবং তাঁর নাম ছিল বজ্রচক্র। তিনি ছিলেন অত্যন্ত ন্যায়বান নৃপতি, গোটা পৃথিবীর এক-চতুর্থাংশের রাজা, বিজয়ী এবং তাঁর জনগণের রক্ষক। তিনি ছিলেন স্বর্গীয়, মহাজাগতিক চাকা বা ধর্মচক্রের অধিকারী। এই সসাগরা পৃথিবীর অধিপতি তিনি হয়েছিলেন তাঁর ন্যায়পরতা দিয়ে- সাহস বা তলোয়ারের গুণে নয়।

    ৩. এখন, প্রিয় ভ্রাতাবৃন্দ, বহু বছর পরে, বহু শত ও সহস্র বছর পরে, নৃপতি বজ্রচক্র একজনকে ডেকে বললেন : ‘তোমার দেখা উচিত, প্রিয় দূত, যে ধর্মচক্র এতটুকু ডুবে গেছে কিনা, এটা কি একটুও চ্যুত হয়েছে তার অবস্থান থেকে, তারপর আমাকে এসে জানাও।’

    এখন এত শত সহস্র বছরে সত্যিই ধর্মচক্র তার অতীত স্থান থেকে সামান্য বিচ্যুত হয়েছে। এটা দেখে সেই বার্তাবাহক রাজা বজ্রচক্রের কাছে গিয়ে বললেন, ‘মহামান্য সম্রাট, সত্য হিসেবে এটা জেনে নিন যে ধর্মচক্র খানিকটা ডুবেছে এবং তার অতীত স্থান থেকে খানিকটা হলেও বিচ্যুত হয়েছে।’

    ‘নৃপতি বজ্রচক্র, প্রিয় ভ্রাতাবৃন্দ, তখন তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্রকে ডেকে পাঠালেন এবং বললেন :

    দেখো, প্রিয় পুত্র, আমার ধর্মচক্র খানিকটা ডুবেছে এবং তার অতীতের স্থান থেকে খানিকটা বিচ্যুত হয়েছে। এখন আমাকে বলা হয়েছে: যদি কোনো রাজ্যের ধর্মচক্র ডুবে যায় বা তার অতীতের স্থান থেকে খানিকটা হলেও বিচ্যূত হয়, তখন সেই নৃপতির খুব একটা বাঁচার আশা থাকে না। আমি আমার জীবনের সব মানবীয় আনন্দ যা পাবার তা’ পেয়েছি; এখন আমার স্বর্গীয় আনন্দ উপভোগের সময় এসেছে, এসো- প্রিয় পুত্র, এখন তুমিই এই সসাগরা পৃথিবীর দায়িত্ব গ্রহণ করো। কিন্তু, আমি, চুল এবং দাড়ি কর্তন করে এবং পীত বস্ত্র পরিধান করে, গৃহ ছেড়ে গৃহহীন, অনিকেত হব।

    ৪. সুতরাং, ভ্রাতৃবৃন্দ, নৃপতি বজ্রচক্র, জ্যেষ্ঠপুত্রকে নিয়মানুগভাবে সিংহাসনে অধিষ্ঠান করিয়ে তাঁর চুল ও দাড়ি কর্তন করে, গৃহত্যাগ করলেন। কিন্তু রাজর্ষি বজ্রচক্রের গৃহত্যাগের সাত দিনের মাথায় রাজ্য থেকে ধর্মচক্র হারিয়ে গেল।

    তখন একজন নতুন রাজার কাছে গিয়ে বললেন, ‘মহারাজা, সত্যের খাতিরে জেনে নিন যে ধর্মচক্র হারিয়ে গেছে!’

    তখন সেই রাজা, ভ্রাতৃবৃন্দ, শোকে ও দুঃখে কাতর হয়ে পড়লেন। এবং তিনি তখন রাজর্ষির কাছে গিয়ে বললেন, ‘মহাত্মন, সত্যের খাতিরে জেনে নিন যে ধর্মচক্র রাজ্য থেকে হারিয়ে গেছে। এবং নব অভিষিক্ত রাজা যেই না এটা বললেন, অমনি রাজর্ষি বললেন, “প্রিয় পুত্র, ধর্মচক্র হারিয়ে গেছে বলে শোক করো না! কারণ ধর্মচক্র কোনো পিতৃসূত্রে প্রাপ্তব্য সম্পত্তি নয়। কিন্তু, প্রিয় পুত্র, তুমি যদি নিজেকে আর্য অষ্টাঙ্গ মার্গের পথে পরিচালিত করো (পৃথিবীর সত্যকারের সার্বভৌমদের দ্বারা নির্ধারিত আদর্শ কর্তব্যের মহান পথে নিজেকে চালিত করো), তবে তুমি এই ধর্মচক্র চালনাকারী নৃপতির আর্য দায়িত্ব পালন করতে পারবে এবং চরাচর আপ্লুত করা চন্দ্রালোকের রাতে, স্নাত মস্তকে তুমি চাইবে চক্রের উপরিভাগের সোপানে দাঁড়িয়ে সেই পূর্ণিমাকে উদযাপন করতে আর মহান এই ধর্মচক্র তখন তার চাকার হাজারটি নাট- বল্টু, নাভি বা কেন্দ্রবিন্দু এবং যাবতীয় অংশ সহ সুসমন্বিত রূপে দেখা দিবে।’

    ৫. ‘মহাত্মন, তাহলে ধর্মচক্র টানা নৃপতির আর্য দায়িত্ব কি?’

    ‘প্রিয় পুত্র, সেই দায়িত্ব হলো সত্য এবং ন্যায়পরতার প্রথার বশবর্তী হয়ে চক্রকে সম্মান করা, শ্রদ্ধা করা এবং উপাসনা করা, তাকে নৈবেদ্য অর্পণ করা, সবকিছু পবিত্র করা, রাজা হিসেবে নিজেই ধর্ম বা আদর্শের শিরোনাম হয়ে ওঠা, আদর্শের চিহ্নায়ক হয়ে ওঠা, আদর্শকে প্রভু হিসেবে মেনে চলা, নিজ প্রজামণ্ডলী, সেনাবাহিনী, অভিজাতবর্গ, সামন্তশ্রেণি, ব্রাহ্মণ এবং গৃহপতি, নগর ও গ্রামবাসী, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ, পশু ও পাখির জন্য সম্যক দৃষ্টি, অভিভাবকত্ব এবং নিরাপত্তা প্রদান করা। তোমার রাজত্ব জুড়ে কোনো অন্যায় কর্মকে অধিষ্ঠান হতে দেবে না। এবং তোমার রাজত্বে যে দরিদ্র, তাকে সম্পদ দিও।’

    ‘এবং প্রিয় পুত্র, তোমার রাজত্বে ধর্মীয় জীবন পালনকারী মানুষেরা, ইন্দ্রিয়সমূহের আসবমত্ততা থেকে উদ্ভুত সব অসতর্কতা বা প্রমাদ পরিত্যাগ করে, সহনশীলতা এবং সহানুভূতির প্রতি একনিষ্ঠ হয়ে, প্রত্যেকে তার নিজ আত্মসত্তার উপর নিয়ন্ত্রণ অর্জন করে, প্রত্যেকেই তাঁর আত্মসত্তার দাবি করে, আত্মসত্তার নিরাপত্তা বিধান করে, তোমার কাছে সময় থেকে সময়ে আসবে এবং কি ভাল আর কি মন্দ সেসব বিষয়ে প্রশ্ন করবে, প্রশ্ন করবে কোন কাজ অপরাধমূলক এবং অপরাধমূলক নয় সে বিষয়ে, কী করা উচিত এবং কী না করেই রেখে দেওয়া উচিত, কাজের কোন ধারা বা পদ্ধতি অবলম্বন করলে সেটা দীর্ঘমেয়াদে শুভ বা অশুভ বয়ে আনবে, তোমার শোনা উচিত যে তাদের কী বলার আছে এবং তোমার উচিত হবে তাদের সব মন্দ বা অশুভ থেকে রক্ষা করা এবং তাদের শুভর পথ গ্রহণ করতে বলা।

    প্রিয় পুত্র, এটাই সসাগরা পৃথিবীর সার্বভৌম নৃপতির আর্য দায়িত্ব হওয়া উচিত।

    ‘অবশ্যই, মহাত্মন,’ নব অভিষিক্ত রাজা উত্তর করলেন এবং পিতৃবাক্য শিরোধার্য করে সার্বভৌম নৃপতির আর্য দায়িত্ব পালন করলেন।

    এভাবেই, ধর্ম ও শীলের পথে থেকে, পূর্ণ চাঁদের আলোয় নব্যাভিষিক্ত রাজা স্নাত মস্তকে প্রাসাদের সোপান শ্রেণিতে দাঁড়িয়ে দেখেন যে ধর্মচক্র ঝকঝক করছে, তার হাজারটি নাট-বল্টু, চাকা, নাভি বা কেন্দ্রবিন্দু সহ পুরো চক্রটিই সম্পূর্ণ। এবং চক্রটি দেখার পর রাজার মনে হলো: ‘আমাকে বলা হয়েছে যে যিনি এমন ধর্মচক্র দেখতে পান, তিনি নিজেই চক্র-সঞ্চালক নৃপতি হয়ে ওঠেন। আমিও কি তবে পৃথিবীর সার্বভৌম শাসক হতে পারব।’

    ৬. হে ভিক্ষু ভ্রাতৃবৃন্দ, তখন নৃপতি সিংহাসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন এবং তাঁর এক কাঁধ থেকে গেরুয়া উত্তরীয় খুলে নিয়ে বাঁ হাতে একটি কলস থেকে ডানহাতে জল নিয়ে সেই মহাজাগতিক চক্রের উপর ছিটালেন এবং বললেন : ‘সম্মুখে ঘূর্ণন করো, হে মহাচক্র! সম্মুখে যাও এবং জয় করো, হে মহাচক্র!” তখন, প্রিয় ভ্রাতৃবৃন্দ, সেই মহাজাগতিক চক্র সোজা সম্মুখ বরাবর পূর্বদিকে চলতে শুরু করলো এবং তারপর চক্র চললো চক্র-সঞ্চালক নৃপতির দিকে এবং নৃপতির সাথে সাথে তাঁর সেনাবাহিনী, অশ্বদল, রথসমূহ, হস্তীবাহিনী এবং পুরুষদের দিকে। এবং যে যে এলাকায়, প্রিয় ভ্রাতৃবৃন্দ, এই চক্র থামলো, সেইসব জায়গায় এই চক্র নৃপতি, যুদ্ধজয়ী সেনাপতি ও তাঁদের চতুর্গুণ সেনাবাহিনীসহ সবাইকে নিয়ে চলতে শুরু করলেন। এভাবে পূর্বাঞ্চলের সব প্রতিদ্বন্দ্বী রাজারা সেই সসাগরা পৃথিবীর সার্বভৌম অধিপতির কাছে এলেন এবং বললেন, ‘আসুন, হে মহান শক্তিমান নৃপতি! স্বাগতম আপনাকে হে পরম প্রতাপধর! আমাদের সবকিছুই আপনার, আমাদের শিক্ষা দান করুন, হে মহান নৃপতি!’

    তখন নৃপতি ও সার্বভৌম সেনাপতি উত্তরে বললেন, “তোমরা কোনো জীবিত প্রাণীকে হত্যা করবে না। যা তোমাদের দেওয়া হয়নি তা কখনো গ্রহণ করবে না। দৈহিক বাসনা সংক্রান্ত কোনো ভুল বা অন্যায় কাজ তোমরা করবে না। তোমরা কোনো মিথ্যা কথা বলবে না। উন্মত্ত করে তোলে এমন কোনো পানীয় তোমরা পান করবে না। তোমাদের সব সম্পত্তি তোমরা পরিমিত ভাবে ভোগ করবে।’

    ৭. তখন, প্রিয় ভ্রাতৃবৃন্দ, সেই মহাজাগতিক চক্র পূর্বের মহাসাগরে ডুবে যেতে যেতে আবার ভেসে উঠলো এবং দক্ষিণাঞ্চলের দিকে গড়াতে শুরু করলো এবং একইভাবে সেই মহাজাগতিক চক্র দক্ষিণের মহাসাগরে ডুবে, আবার ভেসে উঠলো এবং পশ্চিমের দিকে গড়াতে শুরু করলো…এবং সেখান থেকে উত্তরে যেতে শুরু করলো: এবং দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলে যেমন যেমন ঘটেছে, তেমনটা উত্তরেও ঘটলো।

    অতঃপর যখন মহাজাগতিক চক্র সমগ্র পৃথিবী জয় করে আরো সামনে অগ্রসর হয়ে সমুদ্র সীমার কাছে পৌঁছে সসাগরা পৃথিবীর অধিপতির রাজধানী নগরে প্রত্যাবর্তন করলো এবং দাঁড়ালো যেন সবাই চক্র স্থির হয়েছে বলে মনে করে; চক্র তখন রাজপ্রাসাদের অন্দরমহলে ঢোকার মুখে বিচার কক্ষের সামনে স্থাণু হয়ে থাকলো আর সাথে সাথে চক্রের আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে উঠলো রাজপ্রাসাদের অন্দর মহল এবং পৃথিবীর সার্বভৌম অধিপতি।

    ৮. এবং দ্বিতীয় নৃপতি, প্রিয় ভ্রাতাবৃন্দ, তিনি ও চক্র-ঘোরানো নৃপতি…এবং তৃতীয়…এবং চতুর্থ…এবং পঞ্চম…এবং ষষ্ঠ…এবং সপ্তম নৃপতি, এক রণবিজয়ী সেনাপতি, বহু বছর পরে, বহু শতাব্দী পরে, বহু সহস্র বছর পরে, একজন নির্দিষ্ট মানুষকে উদ্দেশ্য করে বলেন :

    ‘যদি তুমি দেখতে পাও যে মহাজাগতিক চক্র ডুবে গেছে বা তার স্থান থেকে এতটুকু বিচ্যূত হয়েছে, তবে আমাকে জানাবে।’

    ‘অবশ্যই মহাত্মন,’ তিনি উত্তর করলেন।

    এরপর আরো অনেক বছর পর, বহু শতাব্দী পর, বহু সহস্র বছর পর, সেই দূত দেখতে পেল যে মহাজাগতিক চক্র ডুবে গেছে এবং তার স্থান থেকে খানিকটা চ্যূত হয়েছে। মহাজাগতিক চক্রের এই অবস্থা থেকে তিনি নৃপতি ও রণজয়ী সেনাপতির কাছে গিয়ে মহাজাগতিক কালচক্রের অবস্থা বললেন।

    এরপর সেই নৃপতি (তাঁর পিতা বজ্রচক্রের মতই) রাজত্ব ত্যাগ করলেন।

    রাজর্ষি রাজত্ব ত্যাগের সাত দিন পর সেই মহাজাগতিক চক্র নিরুদ্দেশ হলো।

    তারপর এক দূত নৃপতির কাছে গেলেন। মহাজাগতিক চক্র হারিয়ে গেছে শুনে রাজা শোকে-দুঃখে কাতর হয়ে পড়লেন। কিন্তু তিনি রাজর্ষির কাছে গিয়ে এক সার্বভৌম, রণজয়ী নৃপতির আর্য-দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে চাইলেন না। উল্টো তিনি তাঁর নানা ভাবনা, ভবিষ্যদ্বাণীর কথা বললেন এবং বললেন যে, এসব ভাবনা এবং ভবিষ্যদ্বাণী দিয়েই তিনি তাঁর জনগণকে পরিচালনা করতেন; রাজর্ষি চলে যাবার পর রাজ্যে আর সমৃদ্ধি নেই যেটা প্রজারা রাজর্ষির শাসনে আর্য দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে প্রত্যক্ষ করতো।

    অতঃপর, ভ্রাতৃবৃন্দ, মন্ত্রী এবং পারিষদবর্গ, কোষাগারের কার্যনির্বাহীরা, রক্ষী এবং দ্বাররক্ষীরা যারাই পবিত্র মন্ত্রের অনুসারী হয়ে জীবন কাটাতো, তারা নৃপতির কাছে এসে বললো:

    ‘আপনার জনতা, হে নৃপতি, আপনি যখন আপনার জনগণকে আপনার ধ্যান-ধারণা অনুযায়ী শাসন করেন যা কিনা অতীতের শাসকদের আর্য দায়িত্ব অনুযায়ী পরিচালনা করার পন্থা থেকে ভিন্নতর, তখন দেশে সমৃদ্ধি ব্যাহত হয়। এখন আপনার রাজ্যে রয়েছেন মন্ত্রী এবং অমাত্যবৃন্দ, রক্ষী এবং প্রহরীরা এবং যারাই পবিত্র মন্ত্রের নির্দেশে জীবন কাটায়— তারা এবং আমরা সবাই যাদের প্রত্যেকেই সার্বভৌম নৃপতির আর্য দায়িত্বের জ্ঞানধারণকারী। আপনি আমাদের আর্য দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন : আপনি আমাদের প্রশ্ন করলে আমরা উত্তর ঘোষণা করব।’

    ৯. তারপর, হে ভ্রাতৃবৃন্দ, নৃপতি তখন তাঁর সব মন্ত্রীকে পাশে বসালেন এবং তাদের বললেন সার্বভৌম রণপ্রভুর কর্তব্য কী। মন্ত্রীবর্গ তাঁকে সেটা জানালেন। এবং তিনি শুনতে পেলেন যে মন্ত্রীবর্গ তাঁকে জানাচ্ছেন যে যদিও তিনি রাজ্যে প্রহরার নিশ্চিত সুরক্ষা দিয়েছেন, কিন্তু দরিদ্র ও নিঃসহায়দের তিনি কোনো সম্পদ দেননি এবং যেহেতু তিনি দরিদ্রদের সম্পদের ভাগ দেননি, সেহেতু দারিদ্র্য বিস্তার লাভ করেছে। এভাবে দারিদ্র্য যখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়লো, তখন স্বভাবতই যে অসহায়কে কেউ কিছু দেয়নি, সে অন্যদের কাছ থেকে তার প্রাপ্য ছিনিয়ে নেবার চেষ্টা করলো, আর একেই ‘চুরি’ বলা হলো। তখন সেই চোরকে ধরে (অতীতের) নৃপতির কাছে আনা হলো এবং বলা হলো, ‘হে নৃপতি! এই লোকটিকে যা দেওয়া হয়নি তা’ সে নিয়েছে এবং একেই বলা হয় চুরি।’

    তখন নৃপতি সেই লোকটিকে বললেন, ‘এটা কি সত্য যে তোমাকে যা দেওয়া হয়নি, তা’ তুমি নিয়েছো এবং একেই সবাই ‘চুরি’ বলছে?!’

    ‘হ্যাঁ, একথা সত্য।’

    ‘কিন্তু কেন তুমি এমনটা করলে?’

    ‘হে নৃপতি, আমার নিজেকে বাঁচানোর মতো কিছুই নেই।’ তখন (অতীতের) নৃপতি সেই ব্যক্তিকে সম্পদ দান করলেন এবং বললেন, ‘এই অর্থ দিয়ে হে মহাত্মন, নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করুন, আপনার পিতা- মাতা, সন্তান এবং স্ত্রীর জীবন অতিবাহিত করতে সাহায্য করুন, আপনার পেশার সংগ্রাম অব্যাহত রাখুন।’

    ‘এই সম্পদ আমার জন্য পর্যাপ্ত,’ সেই ব্যক্তি উত্তর করলেন।

    ১০. এখন আর একজন ব্যক্তি, প্রিয় ভ্রাতৃবৃন্দ, চুরি করে একটি বস্তু নিল যা তাকে দেওয়া হয়নি। সেই চোরকে ধরা হলো এবং রাজার সামনে এনে তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, ‘হে নৃপতি, এই লোক চুরি করে এমন একটি জিনিস নিয়েছে যা তাকে দেওয়া হয়নি।’

    এবং নৃপতি তখন তাকে সেসব কথা বললেন যা আগের মানুষটির সাথেও করেছেন এবং তাঁকে কিছু সম্পদ দিলেন।

    ১১. এরপর আরো একজন ব্যক্তি চুরি করলো। তাকে যখন ধরে রাজার সামনে আনা হলো, রাজা তাকেও জিজ্ঞাসা করল যে, কেন সে চুরি করেছে। ‘কারণ, হে নৃপতি! আমি নিজের ভরণ-পোষণে সক্ষম নই।’ তখন রাজা ভাবলেন : ‘আমি যদি তাকে সম্পদ দিই যা তাকে আগে কেউ দেয়নি, তবে এভাবে চুরির সংখ্যা বেড়েই চলবে। আমাকে এখন এই প্রক্রিয়ায় ইতি টানতে হবে এবং বরঞ্চ এই চোরকে শাস্তি দেয়া যাক, তার মাথা কাটা হোক!’

    রাজা তখন তাঁর সৈন্য-কোতোয়ালদের বললেন, ‘শোন সবাই! এই লোকটির হাত দড়ি দিয়ে শক্ত করে পিছমোড়া বাঁধো, তার মাথা ন্যাড়া করে দাও এবং তাকে ঢোলের শব্দের সাথে সাথে পথে পথে ঘোরাও, ঘোরাও পথের বাঁক থেকে বাঁকে, তাকে দক্ষিণ দুয়ারে নিয়ে নগরীর দক্ষিণে নিয়ে যাও, তারপর এই প্রক্রিয়ার যতিচিহ্ন টানো, তাকে চূড়ান্ত শাস্তি দাও, তার মস্তক কর্তন করো।’

    “তথাস্তু, হে নৃপতি!’ রাজার সৈন্য-সামন্ত নৃপতির আদেশ পালন করলেন।

    ১২. তখন, হে প্রিয় ভ্রাতৃবৃন্দ, মানুষ যখন শুনলো যে সম্পদ বঞ্চিত কেউ চুরির অপরাধে মৃত্যুদণ্ড পেয়েছে, তখন তারা তীক্ষ্ণ তরবারি হাতে নিজেদের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত করলো। তারা ভাবলো যে ‘আমাদের যা দেয়া হয়নি সেটা নেবার জন্য যদি আমাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়— তবে এই প্রক্রিয়ায় একটি যতি-চিহ্ন টানা দরকার- আমাদের অধিকার যারা অগ্রাহ্য করে, তাদের চূড়ান্ত শাস্তি দিতে হবে, তাদের মস্তক কর্তন করা দরকার।’

    তখন সেই বিক্ষুব্ধ প্রজারা তীক্ষ তরবারী হাতে গ্রামকে গ্রাম এবং শহরকে শহর লুট করা শুরু করলো এবং বড় সড়কগুলোয় ডাকাতি করা শুরু করলো। এবং যাদের সম্পদ তারা ডাকাতি করে লুণ্ঠন করলো, তাদের মাথাও কেটে নিল।

    ১৩. এভাবেই, ভ্রাতৃবৃন্দ, দরিদ্রদের যে সম্পদ দেয়া হয়নি সেই সম্পদহীনতা তাদের মনে পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ছড়ালো, দারিদ্র্য থেকে সমাজে প্রথমে চুরি ও পরে ডাকাতি সহ অন্য নানা সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লো এবং সহিংসতা থেকে জীবনহানি শুরু হলো, সমাজে খুনের হার বেড়ে যাওয়ায় মানুষের আয়ু কমে এলো, কমে এলো জীবনের সার্বিক শান্তি ও স্থৈর্য্য।

    প্রিয় ভ্রাতৃবৃন্দ, এরপর থেকে কেউ চুরির দায়ে ধরা পড়তে শুরু করলেও তাকে রাজার সামনে নেয়া হলে সে চুরির কথা অতীতের মতো সততার সাথে স্বীকার করতো না।

    ‘না— হে রাজন, ওরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা বলছে।’

    ১৪. এভাবেই দরিদ্রকে সম্পদ না দেওয়ায় অভাব বাড়তে থাকলো…বাড়তে থাকে চুরি, সন্ত্রাস, খুন যতদিন না মিথ্যা কথা বলা সর্বসাধারণ্যে প্রচলিত হয়ে উঠল।

    এরপর আবার এক লোক রাজার কাছে নালিশ করলেন যে, অমুক অমুক এক ব্যক্তি— হে নৃপতি! চুরি করে এমন দ্রব্যাদি নিয়েছে যা তাকে দেওয়া হয়নি’- আর এভাবে তার নামে মন্দ কথা বলতে থাকলেন।

    ১৫. এবং এভাবেই, প্রিয় ভ্রাতৃবৃন্দ, দরিদ্র ও নিঃসহায়কে সম্পদের ভাগ না দেওয়ায় দারিদ্র্য বিষম আকার ধারণ করতে থাকে…বাড়তে থাকে চুরি, সন্ত্রাস, খুন, মিথ্যে কথা বলা…মন্দ কথার পরিমাণও সমাজে বাড়তে থাকে।

    ১৬. মিথ্যা কথা থেকে বাড়লো ব্যভিচার বা পরকীয়া অনৈতিকতা।

    ১৭. এভাবেই দরিদ্র ও নিঃসহায়কে সম্পদের ভাগ না দেওয়ায় দারিদ্র্য বিষম আকার ধারণ করতে থাকে…বাড়তে থাকে চুরি, সন্ত্রাস, খুন, মিথ্যে কথা বলা…মন্দ কথা…অনৈতিকতা বিষম আকার ধারণ করে।

    ১৮. প্রিয় ভ্রাতৃবৃন্দ, এই যাবতীয় মন্দত্বের ভেতর তিনটি জিনিস প্রবল আকারে বাড়তে থাকে; আর সেই তিনটি মন্দ বিষয় হলো অজাচার, উচ্ছৃঙ্খল লোভ ও বিকৃত কামনা।

    এরপর বাড়তে থাকে পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের সন্তানোচিতো আনুগত্য, পবিত্র সন্ন্যাসী বা ভিক্ষুদের প্রতি সাধারণ মানুষের ধর্মীয় আনুগত্য বোধ এবং গোত্রপিতার প্রতি শ্রদ্ধার অভাব।

    ১৯. এরপর এমন এক সময় আসবে, ভ্রাতাবৃন্দ, যে আজকের মানুষের উত্তর পুরুষদের মাত্র দশ বছরের আয়ু হবে। তাদের ভেতর মাত্র পাঁচ বছর বয়সেই মেয়েরা বিবাহযোগ্যা হবে। এরা নিচের খাদ্যদ্রব্যগুলো সঠিকভাবে আস্বাদন করতে পারবে না: ঘি, মাখন, তিলের তেল, লবণ ও চিনি। এদের ভেতর কুদ্রসার দানাই সেরা শস্য হিসেবে বিবেচিত হবে। আজ যেমন ভাত ও তরকারিই আমাদের কাছে সেরা খাবার হিসেবে বিবেচিত, ভবিষ্যতের সেই মন্দ সময়ে কুদ্রসার দানাই হবে সেরা খাবার। এমন মানুষদের ভেতর দশ প্রকারের নৈতিক আচরণ পুরোপুরি ভাবে হারিয়ে যাবে; বদলে দশ ধরনের অনৈতিক আচরণ তাদের ভেতর প্রবলভাবে বেড়ে যাবে, এদের ভেতর নৈতিকতা বলে কিছু থাকবে না— নৈতিকতার দূত তাদের ভেতর একজনও রইবে না।

    এমন মানুষদের ভেতর, ভ্রাতৃবৃন্দ, যারা বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি আনুগত্য এবং ধর্মীয় আনুগত্য ধারণ করে না এবং গোত্রপতির প্রতি যার বা যাদের কোনো শ্রদ্ধা নেই— তখন তাদের প্রতিই শ্রদ্ধা ও সম্মান বর্ষিত হবে যেমন বর্তমানে আমরা অনুগত, ধার্মিক ও গোত্রপতিকে সম্মান করা মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান বর্ষণ করি।

    ২০. এমন মানুষদের ভেতর, হে প্রিয় ভ্রাতৃবৃন্দ, মা, মাসী, মায়ের বৌদি বা ননদ, শিক্ষকের স্ত্রী, বাবার শ্যালিকা বা বৌদি বা সোজা কথায় যেসব শ্রদ্ধার সম্পর্কের কারণে আন্তর্বিবাহ বিঘ্নিত হয়, তেমন শ্রদ্ধাবোধ বলতে কিছু থাকবে না। পৃথিবী ভরে উঠবে অশালীনতায়, ছাগল ও ভেড়ার মতো, শূকর ও পাখির মতো, শেয়াল ও কুকুরের মতো মানুষ যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো নিষিদ্ধ সম্পর্ক মানবে না। এমন মানুষদের ভেতর, প্রিয় ভ্রাতৃবৃন্দ, তীক্ষ্ণ পারস্পরিক বৈরীতাই হবে আইন, দেখা দেবে তীব্র মন্দ ইচ্ছা, প্রবল শত্রুতা, এমনকি সন্তানের প্রতি মায়ের, পিতার প্রতি সন্তানের, ভ্রাতার প্রতি ভ্রাতার, ভগ্নীর প্রতি ভ্রাতার, ভ্রাতার প্রতি ভগ্নীর খুন করার মতো ভয়ানক ইচ্ছাও দেখা দেবে।

    যেভাবে একজন ক্রীড়াবিদ খেলা দেখার সময় খেলার প্রতি যেমন আবেগ বোধ করে, এই মানুষেরাও তেমন নানা মন্দ বস্তুর প্রতি আকর্ষিত হবে।

    সমাজে নৈতিক শক্তির যখন পতন হয় এবং পাশব, নিষ্ঠুর শক্তি যখন প্রবল হয়ে ওঠে, সেই সমাজের এটাই নিখুঁততম চিত্র। বুদ্ধ যা চেয়েছিলেন তা’ হলো প্রতিটি ব্যক্তির নৈতিক ভাবে এতটাই প্রশিক্ষিত হওয়া প্রয়োজন যেন সে নিজেই ন্যায়পরতার রাজ্যের প্রহরী হতে পারে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউপনিষদ – অখণ্ড সংস্করণ (অসম্পূর্ণ)
    Next Article তিতাস একটি নদীর নাম – অদ্বৈত মল্লবর্মণ

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }