Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বুদ্ধ অথবা কার্ল মার্কস – ভীমরাও রামজি আম্বেদকর

    লেখক এক পাতা গল্প49 Mins Read0
    ⤶

    পরিশিষ্ট

    ড. বি. আর. আম্বেদকর : জীবন ও কর্ম

    এমএ, পিএইচডি, ডিএসসি, এলএলডি
    ডি.লিট, বার-অ্যাট-ল
    (১৪ এপ্রিল ১৮৯১-৬ ডিসেম্বর ১৯৫৬)

    ভিমরাও রামজি আম্বেদকার (১৪ এপ্রিল ১৮৯১–৬ ডিসেম্বর ১৯৫৬) ছিলেন এক ভারতীয় আইন বিশেষজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ, সমাজ সংস্কারক ও রাজনৈতিক নেতা যিনি ভারতের ‘সংবিধান রচনা কমিটি’র প্রধান ছিলেন, জওয়াহেরলাল নেহরুর প্রথম মন্ত্রীসভায় আইন ও বিচার বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ‘দলিত বৌদ্ধ আন্দোলন’ গড়ে তোলার কাজ করেন।

    ইউনিভার্সিটি অফ বম্বের এলফিনস্টোন কলেজ থেকে সম্মান সহ পড়াশোনা শেষ করে তিনি কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্সে অর্থনীতিতে অধ্যয়ণ করেন। ১৯২৩ ও ১৯২৭ সাল নাগাদ উপরোক্ত দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেই তিনি দু’টো পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়াও ‘গ্রেজ ইন’-এ তিনি আইনে প্রশিক্ষণ নেন। পরবর্তী জীবনে তিনি রাজনৈতিক নানা কাজ-কর্মে জড়িয়ে পড়েন। ভারতের স্বাধীনতার প্রশ্নে নানা প্রচারাভিযানে অংশ নেয়া ছাড়াও পত্র-পত্রিকা প্রকাশ করা, ভারতের দলিত শ্রেণির জন্য রাজনৈতিক অধিকার ও সামাজিক স্বাধীনতার কথা বলা এবং ভারত রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা তাঁর জীবনের সেরা যত কাজ। ১৯৫৬ সালে তিনি সাড়ে তিন লাখের মতো দলিত অনুসারী সাথে নিয়ে বৌদ্ধ ধর্মে দীক্ষিত হন।

    ১৯৯০ সালে আম্বেদকার ভারতের বৃহত্তম বেসামরিক পদক ‘ভারতরত্ন অর্জন করেন। তাঁর অনুসারীরা আজও তাঁর নামে ‘জয় ভীম’ জয়ধ্বনি করে।

    শুরুর জীবন

    ১৮৯১ সালের ১৪ এপ্রিল আম্বেদকার মধ্যপ্রদেশের মহৌ নামে একটি শহর তথা সামরিক ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তদানীন্তন ব্রিটিশ- ভারতীয় সেনাবাহিনীর সুবেদার রামজি মালোজি সাকপালের চোদ্দতম ও শেষ সন্তান ছিলেন তিনি। তাঁর পরিবার ভাষিক ও জাতিগত পরিচয়ে ছিল মারাঠী ও বর্তমানের মহারাষ্ট্রের রত্নগিরি জেলার আম্বাদাওয়ি শহর ছিল তাঁদের পরিবারের আদি শহর। ‘মাহার’ নামের এক দলিত গোত্রে জন্ম হওয়ায় তাঁদের ‘অস্পৃশ্য’ হিসেবে বিবেচনা করা হতো এবং তাঁরা প্রায়ই নানা সামাজিক-অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার হতেন। আম্বেদকারকে স্কুলে ভর্তি করা হলেও তিনি ও তাঁর মতো অপর দলিত শিশুদের শ্রেণিকক্ষের ভেতরে বসতে দেওয়া হতো না এবং শিক্ষকরা তাঁদের পাঠের প্রতি খুবই কম মনোযোগ দিতেন। পড়ার ফাঁকে পিপাসা পেলে উচ্চবর্ণের কাউকে এই ‘দলিত’ শিশুদের মুঠো করা হাতের আঁজলায় অনেক উপর থেকে পানি ঢেলে দিতে হতো যাতে ‘পানি’ বা ‘পানি রাখার পাত্র’ কোনটাই দূষিত না হয়! সাধারণত স্কুলের পিওনের সহায়তায় আম্বেদকারই সবার (দলিত শিশুদের) জন্য পানি ঢালার কাজটি করতেন। যেদিন পিওন অনুপস্থিত থাকতো, সেদিন তাঁকে পানি ছাড়াই থাকতে হতো যা পরবর্তী জীবনে ‘পিওন নেই, পানি নেই’ বা ‘নো পিওন, নো ওয়াটার’ শিরোনামে একটি লেখায় তিনি জানান। শ্রেণিকক্ষের বাইরে বাসা থেকে বয়ে আনা এক চটের বস্তার উপর বসে তাঁকে ক্লাস করতে হতো।

    আম্বেদকারের পিতা রামজি সাকপাল ১৮৯৪ সালে অবসর গ্রহণের দু’বছর পর সপরিবারে সাতারা শহরে চলে যান। এর পরপরই আম্বেদকারের মা মারা যান। আম্বেদকার ও তাঁর ভাই-বোনদের তখন তাঁর বাবার বোন দেখা-শোনা শুরু করেন এবং মাতৃহীন চোদ্দটি শিশুর ভেতর শুধুমাত্র বলরাম, আনন্দরাও ও ভিমরাও এবং দুই বোন মঞ্জুলা ও তুলসা বেঁচে থাকেন। ভাই- বোনদের ভেতর, একমাত্র আম্বেদকার প্রাথমিক বিদ্যালয় সমাপ্ত করে হাই স্কুল বা উচ্চ বিদ্যালয়ে যান। হাই স্কুলে ভর্তির সময় তাঁর বাবা তাঁর পদবি ‘সাকপাল’ বদলে দিয়ে ‘আম্বাদাওয়েকার’ করে দেন যাতে তিনি ঠিক কোন্ গ্রাম থেকে এসেছেন সেটা বোঝা যায়। তবে তাঁর মারাঠি ব্রাহ্মণ শিক্ষক কেশব আম্বেদকার তাঁর নিজের পদবিতে ‘আম্বাদাওয়েকার’ পদবিটি ‘আম্বেদকার’ করে দেন।

    উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা

    ১৮৯৭ সালে, আম্বেদকারের পরিবার মুম্বাই চলে যান যেখানে এলফিনস্টোন হাই স্কুলে একমাত্র অস্পৃশ্য ছাত্র হিসেবে তিনি ভর্তি হন। ১৯০৬ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে রামা বাঈ নামে এক নয় বছর বয়সী বালিকার সাথে তাঁর বিয়ে হয়।

    ইউনিভার্সিটি অফ বম্বে-তে অধ্যয়ন

    ১৯০৭ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা পাশ করার পর তিনি এলফিনস্টোন কলেজে ভর্তি হন এবং এই কলেজ ‘ইউনিভার্সিটি অফ বম্বে’-র সাথে সংযুক্ত ছিল। মাহার সম্প্রদায় থেকে তিনিই প্রথম এই কৃতিত্বের দাবিদার। ইংরেজিতে চতুর্থ শ্রেণি পাশের পরই তাঁর সম্প্রদায় তাঁর জন্য এক সম্বৰ্ধনা আয়োজন করেছিল যা ‘অন্য সম্প্রদায়গুলোতে শিক্ষার হারের তুলনায় বলতে গেলে কিছুই ছিল না’ বলে পরে তিনি কোন এক রচনায় স্মরণ করেন। তবে এই সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানেই তাঁকে দাদা কেলুষ্কার নামে এক লেখক স্ব-রচিত গ্রন্থ ‘বুদ্ধ’ উপহার দেন।

    ১৯১২ সালে ‘বম্বে ইউনিভার্সিটি’ থেকে আম্বেদকার অর্থনীতি ও রাজনীতি বিজ্ঞানে ডিগ্রি অর্জন করেন এবং বরোদা রাজ্য সরকারে চাকরি পান।

    কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন

    ১৯১৩ সালে, মাত্র ২২ বছর বয়সে, আম্বেদকার পরবর্তী তিন বছরের জন্য মাসে ১১.৫০ স্টার্লিং সমমূল্যের ‘বরোদা স্টেট স্কলারশিপ’ পান। এই বৃত্তি প্রকল্পটি তৃতীয় সায়াজিরাও গায়কোওয়াড় (বরোদার গায়কোওয়াড়) নামে এক ধনাঢ্য শিক্ষাব্রতী চালু করেছিলেন যাতে করে তাঁর এলাকার মেধাবী ছাত্ররা নিউইয়র্কের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট-গ্রাজ্যুয়েশন স্তরে শিক্ষা লাভের সুযোগ পায়।

    আমেরিকা পৌঁছে নাভাল ভাথেনা নামে এক পার্সি যুবকের সাথে লিভিংস্টোন হলের একটি কক্ষে একসাথে থাকা শুরু করেন। এই পার্সি যুবক পরে তাঁর বাকি জীবনের বন্ধু হয়ে উঠেছিলেন। ১৯১৫ সালের জুন মাসে অর্থনীতিতে মেজরসহ এমএ. পাস করেন এবং তাঁকে সমাজতত্ত্ব, ইতিহাস, দর্শন এবং নৃ-তত্ত্বও পড়তে হয়েছিল। তাঁর থিসিসের বিষয় ছিল ‘প্রাচীন ভারতের বাণিজ্য।’ জন ডিউয়ি এবং তাঁর গণতন্ত্র বিষয়ক কাজ দ্বারাও এসময় তিনি প্রভাবিত হন।

    ১৯১৬ সালে তিনি ‘ভারতের জাতীয় লভ্যাংশ- একটি ঐতিহাসিক ও বিশ্লেষণী গবেষণা’ বা দ্বিতীয় মাস্টার্স থিসিস উপস্থাপনার পর দ্বিতীয় মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন। একই বছরের ৯ই মে তিনি বিখ্যাত নৃ-তাত্ত্বিক আলেক্সান্ডার গোল্ডেনওয়েইসারের উপস্থিতিতে একটি সেমিনারে ‘কাস্টস ইন ইন্ডিয়া: দেয়ার মেকানিজম, জেনেসিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ নামে একটি গবেষণা পত্র উপস্থাপন করেন। ১৯২৭ সালে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পিএই-ডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

    লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্সে অধ্যয়ন

    ১৯১৬ সালের অক্টোবর মাসে তিনি গ্রেজ ইন-এ একটি বার অধ্যয়ন কোর্সে ভর্তি হন এবং একইসাথে লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স-এ তাঁর ডক্টরাল থিসিস রচনায় ব্রতী হন। তাঁর থিসিসের বিষয় ছিল ‘দ্য প্রব্লেম অফ দ্য রুপি: ইটস অরিজিন অ্যান্ড ইটস সল্যুশন। ১৯১৭ সালের জুন মাসে বরোদা সরকার প্রদত্ত বৃত্তি শেষ হয়ে আসায় তিনি ভারতে ফিরে আসেন। ১৯২৩ সালে তিনি ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডন থেকে অর্থনীতিতে ডিএসসি ডিগ্রি লাভ করেন।

    অস্পৃশ্যতার সাথে লড়াই

    যেহেতু ‘প্রিন্সলি স্টেট অফ বরোদা’-র সূত্রে আম্বেদকার বিদেশে বৃত্তি পেয়েছিলেন, কাজেই ফিরে এসে কিছুদিন তাঁকে এখানে কাজ করতে হয়। গায়কোওয়াড়ের সামরিক সচিব নিযুক্ত হলেও নানা কারণে তাঁকে দ্রুতই এই কাজ ছেড়ে দিতে হয়। এরপর প্রথমা স্ত্রী ও তাঁর সন্তানদের জন্য কখনো প্রাইভেট টিউটর, হিসাবরক্ষক সহ নানা কাজের মাধ্যমে তিনি সংসার চালানোর চেষ্টা করেন। একটি ‘ইনভেস্টমেন্ট কনসাল্টিং বিজনেস’ প্রতিষ্ঠার পরও এই ব্যবসা চালাতে ব্যর্থ হন। কারণ তাঁর গ্রাহকেরা জেনে গেছিলেন যে তিনি একজন ‘অস্পৃশ্য। ১৯১৮ সালে তিনি মুম্বাইয়ের ‘সিডেনহ্যাম কলেজ অফ কমার্স অ্যান্ড ইকোনমিক্স’-এ অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত হন। ছাত্রদের কাছে জনপ্রিয় হলেও, তাঁর সতীর্থ অধ্যাপকেরা তাঁর সাথে একই পানির জগ থেকে পানি পানে অস্বীকৃতি জানান।

    ১৯১৯ সালের ‘দ্য গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া অ্যাক্ট’ প্রস্তুত করার সময় তাঁকে সাউথবরো কমিটির সামনে স্বাক্ষ্য দিতে ডাকা হয় এবং এখানে তিনি অস্পৃশ্য ও অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের জন্য পৃথক নির্বাচনি ব্যবস্থা ও সংরক্ষণের দাবি তোলেন। ১৯২০ সালে তিনি ‘মূকনায়ক (লিডার অব দ্য সাইলেন্ট)’ নামে একটি পত্রিকা প্রকাশ করা শুরু করেন।

    ১৯২৬ সালে আম্বেদকার একজন আইনজীবী হিসেবে তিনজন অ-ব্রাহ্মণ নেতার পক্ষ নিয়ে লড়াই করেন যারা ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়কে ‘ভারত ধ্বংসে’র জন্য অভিযুক্ত করেন এবং এই লড়াইয়ে আম্বেদকার জয়ী হন।

    বম্বে হাইকোর্টে আইন প্র্যাক্টিস করার সময় তিনি অস্পৃশ্য সম্প্রদায়ে শিক্ষা বিস্তারে মনোযোগী হন। অস্পৃশ্যদের মাঝে শিক্ষা ও সামাজিক- অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য তিনি ‘বহিষ্কৃত হিতাকাঙ্ক্ষী সভা’ গঠন করেন। দলিত অধিকারের সুরক্ষায় ‘মূকনায়কে’র পাশাপাশি তিনি ‘বহিষ্কৃত ভারত’ বা ‘ইক্যুয়ালিটি জানতা’ নামে পত্রিকাও চালু করেন।

    ১৯২৫ সালে বম্বে প্রেসিডেন্সি কমিটি কর্তৃক ‘অল-ইউরোপিয়ান সাইমন কমিশনে’র সাথে কাজের জন্য তিনি নিযুক্ত হন। ১৯২৭ সালে আম্বেদকার অস্পৃশ্যতার বিরুদ্ধে সক্রিয় আন্দোলন সূচনা করেন। জনপরিসরে সবার জন্য পানি পানের সমতা চেয়ে তিনি বিশালায়তন আন্দোলন গড়ে তোলেন। হিন্দু মন্দিরগুলোয় প্রবেশের জন্যও আন্দোলন শুরু করেন। মাহাদ শহরে অস্পৃশ্যরা যেন শহরের মূল পানির ট্যাঙ্ক থেকে পানি তুলতে পারে, সেই লক্ষ্যে সত্যাগ্রহ সূচনা করেন। ১৯২৭ সালে আম্বেদকার প্রকাশ্যে ধ্রুপদী হিন্দু আইন গ্রন্থ ‘মনুস্মৃতি’র নিন্দা করেন যেহেতু এই গ্রন্থে জাতিভেদ ও ‘অস্পৃশ্যতা’কে আইনগত মান্যতা দেওয়া হয় এবং তিনি প্রকাশ্যে গ্রন্থটি পোড়ান। ১৯২৭ সালের ২৫শে ডিসেম্বর আম্বেদকার হাজার হাজার অনুসারী সহ মনুস্মৃতি দাহ করেন এবং সেই থেকে এই দিনটিকে ‘মনুস্মৃতি দহন দিন’ বলে আজও উদ্‌যাপন করা হয়।

    ১৯৩০ সালে আম্বেদকার ‘কলারাম মন্দির আন্দোলন’ সূচনা করেন। মন্দিরটি প্রতিষ্ঠার তিন মাসের মাথায় ১৫,০০০ স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে প্রথম দেবতার মুখ দেখার আশায় মন্দির অভিমুখে পদযাত্রা করে। অসংখ্য নর- নারী খুবই সুশৃঙ্খলভাবে পদযাত্রা করে মন্দিরের সামনে পৌঁছানোর পর ব্রাহ্মণ কর্তৃপক্ষ মন্দিরের দ্বার বন্ধ করে দেয়।

    পুনা প্যাক্ট

    ১৯৩২ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার ‘বঞ্চিত জাতিসমূহের’ জন্য একটি পৃথক নির্বাচকমণ্ডলী গঠন করার কথা ঘোষণা করেন। মহাত্মা গান্ধী অস্পৃশ্যদের জন্য পৃথক নির্বাচকমণ্ডলী গঠনের প্রতিবাদ করেন এবং বলেন যে, এতে করে হিন্দু সম্প্রদায়ে বিভেদ ও অনৈক্যর সৃষ্টি হবে। প্রতিবাদের সূচক হিসেবে গান্ধি পুনার কেন্দ্রীয় কারাগারে অনশনও করেন। অনশনের প্রেক্ষিতে মদন মোহন মালব্য এবং পালওয়াঙ্কর বালু আম্বেদকার ও তাঁর সমর্থকদের সাথে বৈঠক করেন। ১৯৩২ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর আম্বেদকার ও মদন মোহন মালব্য ভেতর ‘পুনা প্যাক্ট’ স্বাক্ষরিত হয় যেখানে আম্বেদকার ‘নিষ্পেষিত’ জাতিসমূহের পক্ষে এবং মদনমোহন মালব্য উচ্চ বর্ণ হিন্দুদের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির মাধ্যমে প্রাদেশিক আইন পরিষদে সর্বজনীন নির্বাচনের আওতাতেই ‘নিষ্পেষিত’ জাতিসমূহের পক্ষে সংরক্ষিত আসন ঘোষণা করা হয়। পরবর্তী সময়ে এই ‘নিষ্পেষিত শ্রেণি’সমূহকেই ‘শিডিউলড কাস্টস অ্যান্ড শিডিউলড ট্রাইবস’ হিসেবে ‘ইন্ডিয়ান অ্যাক্ট ১৯৩৫’-এর আওতায় এবং ১৯৫০ সালের ভারতীয় সংবিধানে ঘোষণা করা হয়।

    রাজনৈতিক জীবন

    ১৯৩৫ সালে আম্বেদকার বম্বের সরকারি আইন মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন। এসময় আম্বেদকার নিজের বাড়ি নির্মাণ করেন এবং ৫০,০০০ বইয়ের এক ব্যক্তিগত পাঠাগার গড়ে তোলেন। এই বছরই তাঁর প্রথমা স্ত্রী রমাবাঈ দীর্ঘ রোগভোগের পর প্রয়াত হন। অসুস্থ স্ত্রী মৃত্যুর আগে হিন্দু তীর্থক্ষেত্র পন্দাহারপুরে যাবার অভিলাষ জানালে তিনি বলেন যে, স্ত্রীর জন্য তিনি এক নতুন পন্দাহারপুর গড়ে দেবেন যেখানে কেউ তাঁদের অস্পৃশ্য বলে মন্দ আচরণ করবে না। স্ত্রীর মৃত্যুর পর ১৩ই অক্টোবর তারিখে নাসিকে এক জনভায় তিনি অন্য কোন ধর্মে দীক্ষিত হবার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেন এবং তাঁর অনুসারীদেরও ধর্ম বদলের জন্য উদ্দীপ্ত করেন। এরপর বেশকিছু জনসভায় তিনি একই বক্তব্য প্রদান করেন।

    ১৯৩৬ সালে তিনি ‘ইন্ডিপেন্ডেন্ট লেবার পার্টি’ গঠন করেন এবং কেন্দ্রীয় আইন সংসদে ১৩টি সংরক্ষিত ও চারটি সাধারণ আসনের লড়াইয়ে তাঁর দল ১১টি সংরক্ষিত ও তিনটি সাধারণ আসনে জয়ী হয়।

    ১৫ই মে ১৯৩৬-এ আম্বেদকার তাঁর বই ‘অ্যানিহিলেশন অফ কাস্টস’ বা ‘জাতিভেদ প্রথার নির্মূল’ রচনা করেন। ইংরেজি সংবাদপত্রে জাতিভেদের বিপক্ষে এবং গুজরাতি পত্র-পত্রিকায় জাতিভেদের পক্ষে লেখার জন্য গান্ধিকে তিনি তিরস্কারও করেন।

    ভারতের সংবিধান রচনা

    ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রী জওয়াহেরলাল নেহরু আম্বেদকারকে ভারতের আইন মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের আমন্ত্রণ জানান এবং পনেরো দিনের ভেতর তিনি ভারতের সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারপার্সন হিসেবে নির্বাচিত হন।

    ভারতীয় সংবিধান ধর্মের স্বাধীনতা, অস্পৃশ্যতা নির্মূলসহ সব ধরনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে নানা ধারা অন্তর্ভুক্ত করেছে। মেয়েদের জন্য সম অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্বাধীনতার কথাও তিনি বলেন।

    দ্বিতীয় বিয়ে

    প্রথমা স্ত্রী রমাবাঈ দীর্ঘ রোগভোগের পর ১৯৩৫ সালে মারা গেলে ভারতীয় সংবিধান রচনার কষ্টসাধ্য সময়ে রাতে অনিদ্রা, পায়ে স্নায়ুজনিত ব্যথাসহ নানা সমস্যায় ভুগলে তাঁকে বম্বেতে এক নারী ডাক্তার শারদা কবিরের কাছে যেতে হয়। এই শারদাই তাঁর দ্বিতীয়া স্ত্রী যাকে তিনি ১৯৪৮ সালের ১৫ই এপ্রিল বিয়ে করেন।

    বৌদ্ধ ধৰ্ম গ্ৰহণ

    ইসলাম ও খ্রিষ্টান ধর্ম ভারতের মাটিতে উদ্ভুত নয় বলে আম্বেদকার চাইছিলেন ভারতীয় মৃত্তিকায় উদ্ভুত তবে বর্ণাশ্রম মুক্ত কোন ধর্মে আশ্রয় নিতে। সেই লক্ষ্যে শিখ গুরুদের সাথে কথা বলে তাঁর মনে হয় এই ধর্মেও তাঁকে ‘দ্বিতীয় শ্রেণির শিখ’ হয়ে থাকতে হবে। ১৯৫০ সালে তিনি শ্রীলঙ্কা গিয়ে বৌদ্ধ ধর্ম বিষয়ে পড়াশোনা ও ভাবনা-চিন্তা শুরু করেন। পুনের কাছে একটি নতুন বৌদ্ধ বিহার প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করার পর তিনি জানান যে, বৌদ্ধ ধর্ম বিষয়ে তিনি একটি বই লিখছেন এবং বই শেষ করার পর বৌদ্ধ ধর্মে আশ্রয় নেবেন। ১৯৫৬ সালে ‘দ্য বুদ্ধ অ্যান্ড হিজ ধম্ম’ নামে বইটি লেখা শেষ করেন।

    ১৪ই অক্টোবর তিনি ও তাঁর পাঁচ লক্ষ সমর্থক মিলে নাগপুরে ১৯৫৬ সালের ১৪ অক্টোবর বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেন। ‘বুদ্ধ অর কার্ল মার্কস’ বা ‘রেভল্যুশন অ্যান্ড কাউন্টার রেভল্যুশন ইন অ্যানশিয়েন্ট ইন্ডিয়া’ নামের বই দুটো অবশ্য তিনি সম্পন্ন করে যেতে পারেননি।

    মৃত্যু

    ‘দ্য বুদ্ধ অ্যান্ড হিজ ধম্ম’ রচনা শেষ করার তিন দিন পর ঘুমের ভেতরেই ১৯৫৬ সালের ৬ই ডিসেম্বর আম্বেদকার প্রয়াত হন।

    ৭ই ডিসেম্বর দাদারের চৌপাট্টিতে অর্ধ কোটি জনতার সমাবেশে তাঁকে বৌদ্ধমতে দাহ করা হয়।

    সূত্র : উইকিপিডিয়া

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউপনিষদ – অখণ্ড সংস্করণ (অসম্পূর্ণ)
    Next Article তিতাস একটি নদীর নাম – অদ্বৈত মল্লবর্মণ

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }