Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বৃশ্চিকচক্র – পিয়া সরকার

    পিয়া সরকার এক পাতা গল্প320 Mins Read0
    ⤶

    আজকে দাদা যাবার আগে বলব যা মোর চিত্তে লাগে

    দেবেন মাহাতো হাসপাতালের স্পেশাল ওয়ার্ড এটা। দুঘন্টার নোটিশে তাড়াহুড়ো করে বানানো। একটা বিচ্ছিন্ন ঘর, তাতে একটা বেড়, স্যালাইনের স্ট্যান্ড, পাশে একটা ছোট টেবিল। তাতে বেশ কতকগুলো ওষুধ রাখা। স্যালাইন ড্রিপ ফোঁটা ফোঁটা করে ঢুকছে বেড়ে শায়িত মানুষটার শরীরে। পায়ে একটা বুলেট অপারেট করে বার করা হয়েছে। ঘরের বাইরে তিনজন সশস্ত্র রক্ষী পাহারায়।

    আমাকে দেখে তারা দরজা ছেড়ে সরে দাঁড়াল।

    নিরঞ্জন বেডে চোখ বুজে ছিলেন। এতবার কথা হয়েছে, ওঁর মুখের এই অদ্ভুত প্রশান্তিটা আগে কোনোদিন খেয়াল করিনি।

    উনি যেন আমারই প্রতীক্ষা করছিলেন। চোখটা খুলে তাকালেন আমার দিকে। একটা উৎফুল্ল হাসির রেখা চোখে দেখা দিয়েই মিলিয়ে গেল। আমার প্রথম দেখা হওয়ার কথা মনে পড়ছিল। একইভাবে হেসে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “আপনি কী দর্শনা?”

    আমি চেয়ারটা টেনে ওঁর বেডের পাশে বসলাম। নিরঞ্জন বললেন, “আসুন। আপনার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম।”

    “কেন!”

    “আরে আপনি তো আই.ও, আপনিই তো আগে আসবেন।” নিরঞ্জন হাতের ভারে আধশোওয়া হয়ে বললেন।

    “আপনি কেমন আছেন?”

    নিরঞ্জন ফিক করে হেসে বললেন, “পা-টার আর দরকার নেই মনে হচ্ছে। হাঁটুর তলা থেকে কিছু ফিল করতে পারছি না।”

    “আপনি কোনো স্টেটমেন্ট দেবেন?”

    “নিশ্চয়ই, আর আপনাদের সময় নষ্ট করব না।”

    আমি মোবাইলে রেকর্ডারটা অন করলাম। নিরঞ্জন মজা করে বললেন, “আরে এবার একটু ভারী গলায়, ফিল্মি কায়দায় বলুন? নিরঞ্জনবাবু, গোড়া থেকে সব খুলে বলুন। তবে না স্টেটমেন্ট?”

    আমার ওর দিকে তাকিয়ে হাসতে ইচ্ছা করছিল না। আমার মনের মধ্যে একটা দ্বৈরথ চলছিল।

    “বলবেন না? আচ্ছা তবে আমিই বলি। কিন্তু আগে কটা কথা আনঅফিসিয়ালি বলতে চাই।”

    “বেশ,” আমি রেকর্ডার অফ করে বললাম, “আমারও কিন্তু কটা প্রশ্ন আছে।”

    “বলুন।”

    “নিশীথ মাহাতো অত রাতে দরজা খুলেছিলেন কেন? আপনি নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন নাকি?”

    নিরঞ্জন একটা ব্যঙ্গের হাসি হাসলেন, বললেন, “হ্যাঁ। পিছনের দরজায় গিয়ে ঠকঠকালাম। নিশীথ দরজা খোলার আগে জিজ্ঞাসা করল, ‘কে?’ বললাম, আমি শিবাশিস গো। দেবুর ভাই। দাদার ব্যাপারে একটু কথা ছিল।

    নিশীথ দরজাটা খুলে মুখ বাড়িয়ে বলল, ‘কোন দেবু? এত রাতে কেন? কাল সকালে আসুন।’ আমার মাথার ভিতরটা দপদপ করে উঠল। দাদাকে লোকটা ভুলে গেছে নাকি! জোর করে দরজা ঠেলে ঢুকে….” নিরঞ্জনের মুখটা ঘেন্নায় সামান্য বিকৃত হয়ে গিয়েছিল।

    “বিধু তো বাইরে অপেক্ষা করছিল। ওকে আপনি কতদিন চিনতেন?”

    “চিনতাম না। খুঁজে বার করেছিলাম। তা প্রায় বছর পাঁচেক হবে। এই কাজটায় আমার সঙ্গীর দরকার ছিল। এমন কেউ, যে এই কাজগুলোর সঙ্গে জড়িত আবেগকে বুঝবে, সহমর্মী হবে। বিধুকে পাওয়াটা একটা ম্যাজিকাল ব্যাপার বলতে পারেন। হঠাৎই ডাক্তার উমানাথনের সঙ্গে একদিন হাসপাতালে এসেছি। বিধু তখন অ্যাম্বুলেন্স চালায়। উমানাথন পরিচয় করিয়ে দিলেন। বিধুর মত করিৎকর্মা ছেলে…” নিরঞ্জনের মুখটা হঠাৎ নিভে গেল।

    “বিধুকে খুব চেষ্টা করেছিলাম বাঁচাতে।” কথাটা বলে নিরঞ্জন খানিকক্ষণ নিশ্চুপ রইলেন।

    আমি ওঁর অনুভূতিগুলো বুঝতে পারছিলাম। বিধুর জন্য আবার বুকের ভিতর টনটন করে উঠল। সেসব খানিক উপেক্ষা করে বললাম, “উমানাথনকেও তো ছোট থেকে চিনতেন?”

    “হ্যাঁ,” কথাটা বলেই নিরঞ্জনের কী যেন মনে পড়ল, বললেন, “স্যারকে যেন এর মধ্যে জড়ানো না হয় দর্শনা, উনি কিন্তু কিছু জানেন না। এটা আপনি দেখবেন একটু। ওঁর মত মানুষ লাখে একজন হয়। উনি না থাকলে কোথায় ভেসে যেতাম।”

    নিরঞ্জনের কথা বলতে কষ্ট হচ্ছিল। যন্ত্রণার রেখা মুখে ফুটে উঠে আবার মিলিয়ে যাচ্ছিল। আমি ওঁর দিকে তাকিয়ে বললাম, “আপনার বাকি গল্পটুকু শুনব।”

    “শোনাব। শোনানোর জন্যই তো বসে আছি। কেউ শোনেনি তাই এভাবে শোনাতে হল।”

    একটু দম নিয়ে নিরঞ্জন বললেন, “দুহাজার পাঁচের পনেরই অগাস্ট। শনিবার ছিল। উইকেন্ড হাতে ধরে গোটা একসপ্তাহের জন্য বাড়ি এসেছিলাম। দিল্লীতে সবে ভর্তি হয়েছি। দাদার ইচ্ছা সাংবাদিক হই। বাবা মারা গিয়েছিলেন আমার পাঁচবছর বয়েসে। দাদাই হাতে ধরে মানুষ করেছিল। ওঁকেই বাবা জানতাম। দাদা কিন্তু আমাকে বন্ধুর মত ভাবত। দায়িত্ব কর্তব্য এমন করত যেন আমাকে জন্ম দিয়েছে, কিন্তু ব্যবহারে আমার ঘনিষ্ঠতম বন্ধু ছিল সে।

    মনে আছে সেদিন কুড়ি তারিখ। রাত নটা বাজে। ঝালদায় আমাদের বাড়িতে গ্রামের আরও অনেক বাড়ির মত কারেন্টের কানেকশন আসেনি। হ্যারিকেন জ্বালিয়ে বসে আছি। দিল্লীর আলোকোজ্জ্বল সন্ধের কথা ভাবছি। দাদা ফোনে নানা কথা বলত, সেসবের কথা ভাবছি। আসার ঠিক আগে বলেছিল, সব কিছু ফার্স এখানে। নিশীথ মাহাতো সব থেকে বড় শ্রেণিশত্রুর সঙ্গে মিলে তার থেকে ইনফর্মেশন কিনছে। লোকটা একটা আর্মস স্মাগলারের সঙ্গে নিশীথের পরিচয় করিয়ে দিয়েছে, যে কিনা পুলিশের এজেন্ট হিসেবেও কাজ করে। ওর থেকে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকায় অস্ত্র কেনা হচ্ছে। আলটিমেটলি অস্ত্র খাটিয়ে লোকজনকে ভয় দেখিয়ে রাখা হচ্ছে। গরীবদের উপর চাঁদার নাম করে জোরজুলুম চলছে। বীরেন মাণ্ডি বলে একজন প্রতিবাদ করায় তাঁকে ওরা মেরে ফেলেছে। ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের টাকা কোথায় কী ভাবে ব্যয় হচ্ছে নিশীথ তার কোনো হিসেব চাইলে দিচ্ছে না।

    এসব ভাবতে ভাবতে আমার গা গরম হচ্ছিল। দাদাকে চিনতাম। ও এগুলো মেনে নেওয়ার লোক নয়। ও কদিন ধরেই দিবাকর বিশ্বাস বলে একজনের কথা বলছিল। সে নাকি আন্ডারকভার এজেন্ট। বাঘমুণ্ডিতে সমাজকর্মী পরিচয়ে কাজ করছে। লোকটার জন্য অনেক অ্যাটাক আনসাকসেসফুল হয়েছে। লোকটাকে নিশীথ উড়িয়ে দেওয়ার কথা ভাবছে। পুলিশে, দলের যে অ্যালি আছে, সে বলেছে লোকটাকে বোঝানোর চেষ্টা করবে। সরিয়ে তো খুব একটা লাভ নেই, আই.বি দিবাকর বিশ্বাসের বদলে অন্য একজনকে পাঠিয়ে দেবে। তাছাড়া আই.বি অফিসারকে মারলে বিশাল কেসও হবে। সবাই ধরা পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। তার থেকে অনেক সোজা, লোকটাকে কেনার চেষ্টা করা। দাদা এগুলোর প্রতিবাদ করছিল। পুলিশের কাছ থেকে অস্ত্র কিনে পুলিশকে মারার যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। বলেছিল, সবথেকে বড় কীট তো পুলিশের সেই হোমরাচোমরা, যে টাকার কমিশনের বিনিময়ে নিজের কলিগদের এভাবে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। দাদা দিবাকর বিশ্বাসকে মারার পক্ষে ছিল না। বরং চাইছিল, লোকটার মারফত যেন পুলিশের সেই হোমরাচোমরার পরিচয় ফাঁস হয়ে যায়। আমি বসে বসে দাদার হতাশাটা বোঝার চেষ্টা করছিলাম। একটা দুর্নীতিকে সরাতে নেমে দাদা আরও দুর্নীতির আর্বতে ডুবে যাচ্ছিল। দাদার বিবেক সায় দিচ্ছিল না। আমি জানতাম ও ভিতরে ভিতরে পাল্টে যাচ্ছে। নিশীথের মুখোশ কী করে ফাঁস করা যায় ভাবছে।

    ঠিক রাত নটা পঁয়তাল্লিশে পিছনের দরজায় হুড়মুড়িয়ে একটা শব্দ হল। পিছনদিকটা কুয়ো, কলতলা, অন্ধকার। দরজা খুলে দেখি, দাদা! প্ৰচণ্ড ঘামছে, মুখটায় যেন কালিমাখা। দাদা চারিদিক দেখে ঘরে ঢুকে এল। জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিচ্ছিল। বললাম, “কী হয়েছে?”

    দাদা খুব চিন্তামগ্নভাবে ঘাড়ে হাত বোলাতে বোলাতে বলল, “একটা বিরাট সমস্যায় পড়েছি শিবু। দিবাকর বিশ্বাস আজ বাঘমুণ্ডিতে এসেছিল। লোকটা ও যে ধরা পড়ে গেছে, সেটা বুঝে গেছে। কদিন ধরেই ওর বুড়ো বটতলার স্কুলে বাচ্চারা আসছিল না, আজ একেবারেই আসেনি। এদিক ওদিক দেখে, খানিকক্ষণ অপেক্ষা করে ও পরিস্থিতি মাপতে শুরু করে। আর ঠিক করে যে ওখান থেকে বেরিয়ে যাবে।”

    “তুমি কী করলে?” আমি উদ্বিগ্ন হয়ে দাদাকে জিজ্ঞাসা করলাম।

    “আমি তখন সামনের চায়ের দোকানে চা খাচ্ছিলাম। লোকটা আমাকে চেনে না। এসে বলল, আমাকে একটু বাসস্ট্যান্ডে ছেড়ে দেবেন? আমি রাজি হলাম। নিশীথের চোখ এড়িয়ে লোকটাকে কলকাতায় পাঠাতে পারলে ঠিক সেটাই হবে, যা আমি চেয়েছি। হাইকমান্ড জানতে পারবে আসলে নিশীথ বিপ্লব নয়, ব্যবসা করছে।”

    দাদার তখনও সব কিছু পজিটিভ হবে এমন একটা বিশ্বাস ছিল। ও বলল, “কিন্তু বাসস্ট্যান্ডের পথটা ধরে কিছুদূর এগোতেই ধরা পড়ে গেলাম রে। নিশীথ আর সুশীল একটা বাইকে করে এসে আমার পথ আটকাল। বলল, দিবাকরকে ওর হাতে তুলে দিতে। আমি প্রতিবাদ করলাম। ও আমাকে উল্টে শাসাল, বলল একজন আন্ডারকভার এজেন্টকে পালাতে হেল্প করছি। হাইকমান্ডকে জানাবে। গণসভায় বিচার হবে। আমি কিছু করতে পারলাম না। লোকটাকে ওরা তুলে নিয়ে গেল।”

    “ওরা কি ওঁকে মেরে ফেলেছে?” আমি জিজ্ঞাসা করলাম।

    “প্রথমে কেনার চেষ্টা করবে, নাহলে মেরে ফেলবে,” দাদার মুখটায় একটা জেদের ছাপ পড়েছিল, ওরকম ভাবেই বলল, “আমি এর শেষ দেখে ছাড়ব। আপাতত কলকাতায় যেতে হবে। ওরা আমাকে গ্রামে টিকতে দেবে না। তোকে আর মাকেও না। আমি আসার পথে উমানাথনের সঙ্গে কথা বলে এসেছি, দরকারে ওঁর কাছে যাস। মায়ের বয়েস হয়েছে। কলকাতায় আমার বন্ধু আছে। অসুবিধা হবে না। আমি কদিন পরে সব সামলে, হাইকমান্ডকে পুরোটা জানানোর চেষ্টা করে ফিরে আসব। ততদিনে পরিস্থিতি পাল্টে যাবে। সামান্য এই কদিন…পারবি তো ভাই আমার?” দাদা আমার চিবুকে হাত রেখে জিজ্ঞাসা করল।”

    নিরঞ্জন চোখ বন্ধ করলেন। ওঁর দুচোখ দিয়ে জলের ধারা গড়াচ্ছিল। ধরা গলায় বললেন, “বহুদিন পর গাল ভিজল। সেই আমার দাদার সঙ্গে শেষ দেখা দর্শনা! আমি পরের দিন সকালে দিল্লী চলে গেলাম। মা গ্রামের বাড়িতে রয়ে গেল। পরে শুনলাম, দলদ্রোহীর মা হিসেবে গণসভায় তাঁর বিচার হয়েছে। দিল্লী থেকে কিছু বুঝতে পারছিলাম না, করতে পারছিলাম না। প্রায় ছমাস পরে কলকাতা ফিরলাম। সর্বত্র দাদাকে তন্নতন্ন করে খুঁজলাম। হাসপাতাল, মর্গ, দাদাদের যেসব বন্ধুদের চিনতাম, যেসব হাইড আউট জানতাম…কিচ্ছু বাদ দিইনি। শেষে একজনের সাজেশনে পেপারের অবিচুয়ারি, নিরুদ্দেশ কলাম, আনআইডেন্টিফায়েড মেল বডি বিজ্ঞাপন …” নিরঞ্জন চুপ করে গেলেন।

    আমিও চুপ থাকলাম। এসব ক্ষেত্রে কী বা বলা যায়! খানিকক্ষণের অস্বস্তিকর নীরবতা ভেঙে বলে উঠলাম,

    “আপনার দাদা যাওয়ার আগে অভিনন্দন রায়ের নাম বলে গিয়েছিলেন?”

    “হ্যাঁ। গণেশ হুঁইয়ের নামও।”

    আমি মোবাইলটা পকেটে ঢোকালাম। বললাম, “আপনি এতবছর ধরে প্রতিটা লোককে খুঁজে বেরিয়েছেন! এভাবে নিজেই শাস্তির পথ বেছে নিয়েছেন। আইনের পথে একবার চেষ্টা করে দেখলে…”

    নিরঞ্জন তীক্ষ্ণদৃষ্টিতে আমার দিকে তাকালেন। তারপর বললেন, “এত কিছুর পরেও আপনার মনে হয় আমার দেশের আইনকানুনে বিশ্বাস রাখা উচিত! আপনার মনে হয়, এই লোকগুলোকে আপনার আইন সাজা দিতে পারত?”

    “ব্যালিস্টিক রিপোর্টে অভিনন্দন রায়ের রিভলবার থেকে ফায়ার করা বুলেট প্রমাণ হয়ে যাবে। ওকে একবার প্রশ্নোত্তরের মুখোমুখি হতে দিতে হত। ওর যে হিরোইজম নিয়ে ফোর্সে এত গুঞ্জন আছে, তাকে প্রশ্ন করার সুযোগটা আপনি সরিয়ে নিলেন নিরঞ্জন।”

    নিরঞ্জন আমার দিকে তাকিয়ে হাসলেন। তারপর বললেন, “সত্যি করে বলুন তো মিস বোস, আপনার মনে হয় অভিনন্দন রায় শাস্তি পেতেন? ফরেন্সিক এভিডেন্স শতকরা পঁচাত্তর ভাগ ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জড হয়। এখানে কাউন্সেল বলত, পুরুলিয়াতে কি একটাই আই.পি.এস অফিসার? গোটা পশ্চিমবঙ্গে ঐ একজনের কাছেই ঐ ব্যাচের রিভলবার আছে? কেস ডিসমিস হয়ে যেত! বেনিফিট অফ ডাউট বোঝেন তো? তাছাড়া এই প্রতিটা লোককে আমি নিজে হাতে মারতে চেয়েছি। একমাত্র গণেশ পুলিশের জালে জড়িয়ে গেল বলে কাজটা অন্য কাউকে দিয়ে করাতে হয়েছে। মারার সময় এই প্রতিটা লোকের যন্ত্রণাগুলো আমি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করতে চেয়েছি, দাদার নাম শুনলে ওঁদের আতঙ্কিত মুখগুলোয় কী প্রভাব পড়ে দেখতে চেয়েছি …” নিরঞ্জন হাঁপাচ্ছিলেন।

    আমি চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ানোর উপক্রম করলাম। নিরঞ্জন আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, “আচ্ছা দর্শনা! আপনি আমাকে কবে থেকে সন্দেহ করেন?”

    আমি মনের দ্বৈরথটাকে আবার টের পাচ্ছিলাম। সেটা চেপে বললাম, “গত দুপুর থেকে। আপনার দাদার বন্ধু পরিমল সরকারের সঙ্গে কথা বলার পর থেকে।”

    নিরঞ্জন একটা চওড়া হাসি হাসলেন। তারপর বললেন, “তাহলে আপনার কাছে ডি.আই.জিকে সতর্ক করার অ্যাম্পল স্কোপ ছিল। আপনি কেন করেননি?”

    আমি এই প্রশ্নের উত্তর দিলাম না। আমার ইউনিফর্ম পরা যে ইমেজটাকে আমি সজোরে আঁকড়ে রেখেছি এতদিন, সেটা ভেদ করে একটা ব্যক্তি দর্শনা উঁকি মারছিল। একে আমি ভয় পাচ্ছিলাম। একে আমি চিনি না। ব্যালিস্টিক রিপোর্টের যুক্তি যে কোর্টে ঝড়ের মত উড়ে যাবে তা আমি বুঝতে পারছিলাম। ডি.আই.জির ইনভল্ভমেন্ট শুধু ঐ একটা এভিডেন্সের উপর দাঁড়িয়ে। কোনো সাক্ষী নেই, কোনো স্টেটমেন্ট নেই।

    নিরঞ্জন বললেন, “নিজের প্রতি এত হার্ড হবেন না। হামুরাবির কথা মনে রাখুন। অ্যান আই ফর অ্যান আই কোড, এই লোকগুলোর জন্য তৈরি হয়নি?”

    আমি কোনো উত্তর না দিয়ে বেরিয়ে আসছিলাম। নিরঞ্জন আমাকে আটকিয়ে বললেন, “আপনি যে অপুলিশোচিত জেশচারটি রেখেছেন, তার জন্য একটি উপহার আপনার প্রাপ্য হয়েছে।”

    “আমার কোনো উপহার দরকার নেই।” আমি ফিকে হেসে বললাম।

    “আরে দাঁড়ান। এই উপহার আপনার জীবনের সবথেকে বড় সত্যের সঙ্গে যুক্ত। তাও শুনবেন না?” নিরঞ্জন মিটি মিটি হাসছিলেন। ওর অদ্ভুতদর্শন ইনসাইজর দাঁতটা আমাকে মনে করিয়ে দিল, আমি কোথায় যেন এরকম দাঁত দেখেছি!

    নিরঞ্জন হাসিমুখেই বলতে লাগলেন, “আমার দাদার সঙ্গে একটি মেয়ের সম্পর্ক ছিল। ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। মেয়েটির মামাবাড়ি পুরুলিয়ায় ছিল। জানাজানির পর বাড়ি থেকে মেয়েটিকে অন্যত্র বিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু বিয়ের পরেও আইডিওলজিকালি দে এক্সচেঞ্জড দেয়ার ভিউজ। ওদের ফোনে যোগাযোগ ছিল। দাদা যখন কলকাতায় যায়, ঐ মেয়েটির সঙ্গে যোগাযোগ করে। দাদা তখনও দলের কারুর সঙ্গে যোগাযোগ করে উঠতে পারেনি। কলকাতাতেও সেফ ফিল করছে না। এই মেয়েটির স্বামী পুলিশে চাকরি করত। মেয়েটি দাদাকে সারেন্ডার করার পরামর্শ দেয়। দাদা তার সঙ্গে দেখা করতে তাদের কোয়ার্টারে যাবে বলে ঠিক করেছিল। কলকাতার পাবলিক বুথ থেকে আমাকে দিল্লীতে এমন কথাই জানিয়েছিল। তারপর থেকেই দাদার সঙ্গে আমার সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বহুবছর পরে পেপার হাতড়ে আমি মেয়েটির পরিচয় জানতে পারি, তার পরিবারের সঙ্গে গণেশ হুঁইয়ের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আবিষ্কার করি। আবিষ্কার করি, ঠাকুরপুকুরের ড্রাগ রিকভারির কেসটার পরপরই গণেশের সঙ্গে অভিনন্দন রায়ের যোগাযোগ গড়ে ওঠে।”

    আমি পাথরের মত স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছিলাম। চোখ দিয়ে অজান্তে জলের ধারা গড়াচ্ছিল। নিরঞ্জন যেন বহুদূর থেকে বলে চলছিলেন, “আমার পার্সটা ওরা বাজেয়াপ্ত করেছে। ওটায় আমার দাদার ছবিটা পাবেন। অনেকটা আমার মতই দেখতে ছিল। তবে মনে হয়, আপনার মেমোরিতেও তাঁর মুখখানি গাঁথা আছে।”

    আমি দরজা খুলে করিডর দিয়ে হাঁটতে শুরু করলাম। নিরঞ্জন সেনের পার্স আর খোঁজার দরকার নেই। আমার মনে পড়ে গিয়েছিল। ঝাঁকড়া মাথা যে লোকটা মায়ের বিছানার পাশে লুটিয়ে পড়েছিল, তার বিকৃত মুখমণ্ডলের দুখানি হাঁ করা ঠোঁটের ফাঁক দিয়ে দুটি উঁচু ইনসাইজর উঁকি মারছিল।

    সামনের করিডরে একটা ধুলোর ঝড় উঠল। লোকে বলে, ঝড় নাকি বৃষ্টির পূর্বাভাস বয়ে আনে!

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইলিয়াড – হোমার
    Next Article বিসাশন – পিয়া সরকার

    Related Articles

    পিয়া সরকার

    বিসাশন – পিয়া সরকার

    October 21, 2025
    পিয়া সরকার

    বিসাশন – পিয়া সরকার

    September 12, 2025
    পিয়া সরকার

    বৃশ্চিকচক্র – পিয়া সরকার

    September 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }