Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বৃশ্চিকচক্র – পিয়া সরকার

    পিয়া সরকার এক পাতা গল্প321 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    এইবারে বাণ চিড়িয়া নামা— চট্‌

    এইবারে বাণ চিড়িয়া নামা— চট্‌

    বৃষ্টি ক্রমাগত হয়েই চলেছিল। আমাদের জিপটা বাঘমুণ্ডির ঘন জঙ্গলের পথে এগোচ্ছিল। এ পথেই চেমতাবুরু শৃঙ্গ দেখা যায়, এ পথেই খয়রাবেড়া লেক।

    “দাঁতালের আক্রমণে গতকাল দুই যুবক যুবতী মারা গেছে। দলমা থেকে চলে আসে তো এদিকে। বুনো হাতির গতিপথ বুঝতে বনদপ্তরের লোকজন আজ সকালে রেকি করছিল। তারাই নিশীথ মাহাতোর ডেডবডিটা আবিষ্কার করেছে।”

    এই জঙ্গলের পথ এত সরু যে দুটো গাড়ি মুখোমুখি ঢুকে গেলে ঘন্টার পর ঘন্টা জ্যাম হয়। মতিদা ওয়ারলেসে ট্র্যাফিক রেস্ট্রিক্ট করার অর্ডার দিচ্ছিলেন। চেমতাবুরুর নিচে খয়রাবেড়া ড্যাম। চেমতাবুরু ছাড়াও গজাবুরু, কীর্তনীয়া, সিন্দ্রোলিয়া, প্রক্রিয়া পাহাড়, ব্লুম বেরি হিলসে ঘেরা এরিয়াটা। ডুংরির গায়ে এবং তলদেশ জুড়ে ঘন সবুজ জঙ্গল। আমাদের গাড়িটা খয়রাবেড়া বনপলাশী রিসোর্টকে পিছনে ফেলে সরু রাস্তাটা ধরে প্রায় দেড় কিলোমিটার এগিয়ে একটা পাথুরে ঢিবির পাশে গিয়ে দাঁড়াল। এখান থেকে বাকিটা হেঁটে উঠতে হবে।

    রাস্তাটা খাড়া পাহাড়ের গা বেয়ে উঠে গেছে। আসলে ধরাবাঁধা রাস্তা নয়; যে যেভাবে পারে উঠবে। প্রায় পঁয়তাল্লিশ মিনিট হাঁচড় পাচড় করে জংলী বুনো লতা মাড়িয়ে উঠেই বাঁদিকে নজর গেল। দুজন কনস্টেবল জায়গাটা কর্ডন করে রেখেছে। একটা আড়াইফুট লম্বা পাথরের আড়ালে পাঁচফুট বাই দুফুটের ঢালু একটা জায়গা, পাথরের আড়ালে ঢাকা পড়ে গেছে। জায়গাটার পাশ দিয়ে জমি আবার ঢালু হয়ে নেমে গেছে। সেখানে পাথরের ঢালে ঢালে ঘন জঙ্গল।

    চারিদিক নিস্তব্ধ। বৃষ্টিটা একটু থেমেছে। কোথা থেকে যেন কাক ডাকছিল। যত এগোতে থাকলাম, কাকের কর্কশ চিৎকার স্পষ্ট হল। পাথরের ঢিবিটার গায়ে একটা বাবলা গাছ ছিল। কাকটা আমরা এগিয়ে দাঁড়াতেই উড়ে চলে গেল। আমি আরও এক পা এগিয়ে ঢিবিটার ওপারে কী আছে দেখার জন্য মুখ বাড়ালাম। আর সঙ্গে সঙ্গে পেটের মধ্যেটা ফাঁকা হয়ে গেল। এত দিনের ডিউটিতে এত নৃশংস কোনো কিছু কোনোদিন দেখিনি। পচা গন্ধে বমি উঠে এল। দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে এল। সামনের দিকে তাকিয়ে যা দেখছিলাম, তার আকার আয়তন ঠিক করে বুঝে উঠতে দেরি হল।

    জমিটায় সদ্য মাটি কেটে একটা দুমিটার মত গভীর খাদ করা হয়েছে। বেশ কটা বাঁশের ফলা মাটিতে গাঁথা। আর সেই ফলাগুলোর মাথায় ঝুলছে একটা মানুষ। বাঁশের সূঁচালো ফলাগুলোয় তার উলঙ্গ শরীর এফোঁড় ওফোঁড়। ফলাগুলো যেখানে যেখানে বিঁধেছে, তার চারপাশে পুরু হয়ে রক্ত জমাট বেঁধেছে। উপুড় হয়ে থাকা, ঝুলন্ত শরীরটার ঘাড়ের কাছটা খুবলে খেয়েছে কোনো প্রাণী। সারা গায়ে থিকথিক করছে পোকা। মাথার পিছনদিকটায় রক্ত জমাট বেঁধে রয়েছে। আমার হাঁটুদুটো কাঁপছিল। দূর থেকে একটা গাড়ির আওয়াজ পেলাম।

    মতিদা স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পরে সামলে বললেন, ‘এ তো পানজি স্টেক!”

    আমি আবার নিচে তাকিয়ে দেখলাম। বাঁশের কঞ্চিগুলো বেশ মোটা মোটা। তার ডগাগুলো অতি যত্নে চেঁছে সূঁচালো করা হয়েছে। গর্তটার চারপাশে কিছু ডালপালা পড়ে আছে। গর্তের মাটি কাদাটে। আমি আমার মুখ থেকে ঘাম মুছে বললাম,

    “পানজি স্টেক কী?”

    “গেরিলা ওয়ারফেয়ার টেকনিক। অরিজিনালি বড় জাতের প্রাণী মারার শিকার পদ্ধতি। মানুষ মারতে প্রথম ব্যবহার হয়েছিল ভিয়েতনাম যুদ্ধে। খুব রিসেন্টলি ছত্রিশগড়ের মাওয়িস্টরা ইউজ করছে। কাঠের মধ্যে তিন চার ইঞ্চির পেরেক পুঁতে পথে ফেলে রাখে। গাছের পাতা দিয়ে ক্যামোফ্লেজ করা। পা পড়লে শেষ। কাউকে মারার হলে বাঁশের এরকম ফলা ব্যবহার করে। মেরে আধমরা করে ঝুলিয়ে রাখে। তারপর একটু একটু করে ব্লাড লস হয়ে মৃত্যু। ভয়ংকর পরিণতি!”

    “মাই গড!”

    “এই ধরণের বাঁশ এখানকার জঙ্গলে পাওয়া যায়। এখানেই তৈরি হয়েছে স্টেকগুলো।” মতিদার চেহারায় স্বভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত একটা ভয় আর গ্লানির ছাপ পড়েছিল। নিশীথ মাহাতোর ডেডবডির দিকে তাকিয়ে মতিদা বললেন, “কী ব্যাপার হল বলো তো! আবার কি নতুন করে সব শুরু হল?”

    কিছু সম্মিলিত পায়ের শব্দ দ্রুত এগিয়ে আসছিল। একটু পরেই তিনজন অফিসারের সঙ্গে এক দীর্ঘদেহী, কৃষ্ণাঙ্গ, মানুষকে দেখতে পেলাম।

    “উমানাথন।” মতিদা অস্ফুটে বললেন।

    ডক্টর উমানাথন এগিয়ে এসে পরিষ্কার বাংলায় বললেন, “কী ব্যাপার, জরুরি তলব যে?”

    ***

    নিশীথ মাহাতোর ডেডবডি সরাতে সরাতে বেলা ঢলে এল। সমস্যা অনেকগুলো। এক বিকট গন্ধে কনস্টেবলদের পেটের নাড়িভুড়ি বেরিয়ে আসছিল। দ্বিতীয় হল বডিটাকে পানজি স্টেকগুলোর থেকে মুক্ত করা। দুটো অপশন ছিল। এক বাঁশের ফলাগুলোকে মাটি থেকে উপড়ে ফেলা। দ্বিতীয়টা হল ফলাগুলো থেকে বডিটাকে টেনে বার করে আনা। উমানাথন অনেক ভেবে, দ্বিতীয়টার পক্ষে রায় দিলেন।

    দীর্ঘক্ষণের কাজের পর একটা ঝিম মত এসেছিল সবার। বিকেলের শেষ আলোয় ক্লান্ত, ঘর্মাক্ত, চিন্তিত, ক্ষুধার্ত মুখগুলো চুপচাপ কাজ করে চলছিল। বিশাল একটা ক্রাউড জমেছিল ক্রাইমসিনের চারধারে। ফোর্স দিয়ে সেসব হটিয়ে দেওয়া হয়েছে। মিডিয়ার লোককেও এত অবধি অ্যালাউ করা হচ্ছে না। তবে যেভাবেই হোক, ক্রাইম সিনের ফুটেজ তারা জোগাড় করবেই, এ কথা জানা। জনমোর্চা কংগ্রেসের জেলা সভাপতি একঘণ্টা আগে ঘটনাস্থল থেকে ঘুরে গেছেন। সাধারণত এই ধরণের ঘটনায় বিরোধী পার্টির সঙ্গে একটা চাপানউতোর চলে। গুলিগোলা চালিয়ে পলিটিকাল মার্ডার হলে তো কথাই নেই। মিডিয়াকে ব্যবহার করে নিজেদের অস্ত্রে শান দেন নেতারা। তবে, নিশীথ মাহাতোর খুনটা এত নৃশংস, যে কোনো পক্ষ থেকেই ইমিডিয়েট কোনো কমেন্ট আসবে বলে মনে হয় না। জেলা সভাপতির স্তম্ভিত, বিভ্রান্ত চেহারা দেখে মনে হল পার্টিও বোধহয় ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ টেকনিক অবলম্বন করবে।

    মতিদা আমার সঙ্গে পরবর্তী পদক্ষেপ আলোচনা করছিলেন। ডগ ইউনিট কোনো স্মেল পায়নি। এই পথে কোনো ট্যুরিস্ট আসে না। বনদপ্তরের লোক মাঝে মাঝে টহল দেয়। সেদিক থেকে দেখতে গেলে পাণ্ডববর্জিত জায়গা। আশেপাশের জায়গাগুলো থেকেও সেরকম কোনো ক্লু পাওয়া গেল না। গতটায় পায়ের ছাপ লাগলেও বৃষ্টি পড়ে কাদা হয়ে সব নষ্ট হয়ে গেছে। আশেপাশের কাটা ডালপালাগুলো দিয়ে গর্তটা ঢেকে আড়াল করা ছিল। যথাসময়ে সেগুলো সরিয়ে, বডি উপর থেকে ডাম্প করে ফেলা হয়েছে।

    “কিছু কি বুঝতে পারলি দর্শনা?” মতিদা হাতের কপিটায় কাটাকুটি কাটতে কাটতে জিজ্ঞাসা করলেন। মতিদার গলায় আনপ্রফেশনাল তুইটা শুনতে ভালো লাগছিল।

    “আপনি যা বুঝেছেন তার থেকে বেশি কিছু না। খুব ওয়েল প্ল্যানড একটা মার্ডার! মোটামুটি তিনটে সিদ্ধান্তে আপাতত পৌঁছানো যাচ্ছে!”

    মতিদা আমার দিকে সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে তাকালেন।

    “এক, যে বা যারা এটা করেছে তারা নিশীথবাবুর প্রতিটা অ্যাক্টিভিটি ক্লোজলি খেয়াল করেছে। দুই, খুনী প্রথম থেকেই নিশীথ মাহাতোকে মারতেই চেয়েছে। কিডন্যাপিংয়ের এক ও একমাত্র উদ্দেশ্য এটাই ছিল। টাকা মিসিং থাকাটাকে আমি এই ভয়ানক খুনের ব্যাকগ্রাউন্ড বলে ভাবতে পারছি না।” আমি চুপ করে গেলাম।

    “তুই তিনটে সিদ্ধান্তর কথা বলেছিলি।”

    “খুনী শুধু নিশীথ মাহাতোর প্রাণ নিতেই চায়নি। সে ভয়ঙ্কর একটা মৃত্যু ডিজাইন করেছিল। জানি না এভাবে কতক্ষণ নিশীথ মাহাতো বাঁশের ফলার উপর ঝুলেছিলেন। হয়তো ডাক্তার বলতে পারবেন।”

    উমানাথন একমনে কাজ করেছিলেন। সেদিকে তাকিয়ে মতিদা অন্যমনস্কভাবে বললেন, “খুব বীভৎস একটা মৃত্যু, দর্শনা।”

    “হ্যাঁ মতিদা।”

    “মাওয়িস্টরা ছাড়া আর কে এভাবে! কিন্তু এবার তো কোনো ক্লেইম নেই ওদের তরফে! ঠিক বুঝতে পারছি না।”

    “হেমন্ত আর সোনালি মাহাতোর স্টেটমেন্ট কিন্তু মিলছে না মতিদা। আরও গ্রিল করলে রেলিভ্যান্ট কিছু বেরিয়ে আসবে।” আমি বললাম।

    “আমরা সবাই তো এখানে। বিভাসকে বলে এসেছি দফায় দফায় হেমন্তকে জেরা করতে। সোনালির ব্যাপারটা কাল তুমি আর আমি সামলে নেব।”

    উমানাথন হাতের গ্লাভস খুলে এগিয়ে আসছিলেন। কনস্টেবলরা প্রতিটা বাঁশের ফলা প্লাস্টিকে মুড়িয়ে সাইডে সরিয়ে রাখছিল। নিশীথ মাহাতোর বডিটাকে চিত করা হয়েছে। সারা শরীর সাদা, ফ্যাটফ্যাটে। মুখের চামড়া কুঁচকে রয়েছে, অথচ চোখদুটো ফুলে বীভৎস আকার ধারণ করেছে। নাকের ফুটো আর কষের ধার থেকে শুকনো রক্ত লেগে রয়েছে মুখে। ইন্টারনাল অর্গান রাপচারের চিহ্ন এসব।

    “টাইম অফ ডেথ অ্যাপ্রক্সিমেটলি এইট্টি আওয়ারস এগো। কজ অফ ডেথ অবভিয়াস। হি ওয়াজ পুট অ্যালাইভ অন দিজ স্টেকস। পি.এমে বাকিটা লিখবো।” উমানাথন আমাদের দিকে তাকিয়ে বললেন। ভদ্রলোকের শান্ত বডিল্যাঙ্গুয়েজ দেখে বোঝার উপায় নেই উনি টানা চারঘন্টা কাজ করে এসেছেন। চোখদুটো লালচে, অথচ চকচক করছে। আমি হাত জোড় করে নমস্কার জানিয়ে বললাম, “নমস্কার। বিধুর কাছে থেকে আপনার কথা অনেক শুনেছি। অসীমের কাছ থেকেও।”

    বিধু বা অসীমের নামে ভদ্রলোকের মুখে আলাদা কোনো এক্সপ্রেশন ফুটে উঠল না। খুব তীব্রদৃষ্টি নিয়ে উনি নিশীথ মাহাতোর ডেডবডি দেখছিলেন। ঠিক কী যেন ওঁর চোখে দেখলাম…উল্লাস আর জিঘাংসা মিলে মিশে যে আবেগটা তৈরি হয়, তার ছাপ অন্য কোথাও না পড়লেও, চোখের তারায় আর হাতের মুঠোয় পড়ে। ডক্টর উমানাথন ওঁর মুঠোদুটো শক্ত করে ছিলেন।

    আমি বলে উঠলাম, “নিশীথ মাহাতোকে তো চিনতেন? কী মনে হয়?” উমানাথনের মুখে খুব চাপা একটা হাসি খেলে গেল। তারপর বললেন, “পুলিশকে খুনের তদন্তে সাহায্য করতে পারি, ততটা বোধহয় চিনতাম না।”

    মতিদার ফোন বাজছিল। কানে লাগিয়ে বললেন, “হ্যাঁ পাওয়া গেছে…. জেরাটা কন্টিনিউ করছ তো?” ওপাশ থেকে যে কথা এল সেটা শুনে ভুরু কুঁচকে বললেন, “কী বলছ বুঝতে পারছি না।”

    বিভাস বোধহয় আবার কোনো কথা বলল। মতিদা খুব উত্তেজিত হয়ে বললেন, “হোয়াট!”

    মতিদা কান থেকে ফোন নামিয়ে আমার দিকে তাকালেন। দুচোখে অবিশ্বাসের দৃষ্টি।

    ***

    হেমন্ত মাথাটা খিমচে ধরে বসেছিল। চোখদুটো টকটকে লাল, মুখে কালি পড়ে গেছে। মতিদা চেয়ার টেনে সামনে বসে বললেন,

    “যা বলছিস ভেবেচিন্তে বলছিস?”

    হেমন্ত হাউহাউ করে কেঁদে ফেলল। ভাঙা গলায় বলল, “আমি আর পারছি না স্যার। আমি কিছু করিনি। আমাকে ছেড়ে দিন স্যার।”

    “টাকাটা কোথায়?” মতিদা চিবিয়ে চিবিয়ে বললেন।

    “বাড়িতে স্যার। আমি একটাকাও খরচা করিনি, মাক্কালি বলছি স্যার।”

    “প্রথম থেকে বল। একটা কথাও যেন মিস না হয়। নাহলে সোজা ঠাণ্ডা ঘরে চালান হয়ে যাবি, কেউ টের পাবে না হেমন্ত।” মতিদার গলায় বরফের শীতলতা।

    “বলছি স্যার। সেদিন দুপুরে দোকান খুলে দেখি আলমারির কাচ ভাঙা। সারা ঘরে রক্ত ছড়িয়ে। বৌদি তখন স্যারের ফোন বারবার ট্রাই করছিল।”

    “শুধু স্যারকেই ফোন করছিল?”

    “আরও কার কার নাম্বার ট্রাই করেছে জানি না।” হেমন্ত হাঁপাচ্ছিল।

    “তারপর বল।”

    “তারপর বৌদি আমাকে জিজ্ঞাসা করল, আগের রাতে কটায় বেরিয়েছি? বেরোনোর সময় কাউকে দেখেছি কিনা?”

    “তুই কী বললি?”

    “বলেছি তো স্যার। আগের স্যারকে গত দুঘন্টা ধরে বলেছি।” হেমন্ত কাঁচুমাচু মুখ করে বলল।

    “শালা বানচোদ!” মতিদা উঠে কষিয়ে একটা থাপ্পড় লাগালেন হেমন্তকে। “যতবার জিজ্ঞাসা করব ততবার বলবি হারামি।”

    “স্যার…” হেমন্ত থরথর করে কাঁপতে কাঁপতে বলল, “অসীম স্যার এসেছিলেন দোকানে। আমি বেরিয়ে যাওয়ার ঠিক আগেই।”

    “কোন অসীম?”

    “স্যার থানার অসীম স্যার।”

    “তুই চিনিস?”

    “হ্যাঁ স্যার। আগেও এসেছেন অনেকবার।”

    “ঠিক করে বল। তোর দাঁত ভেঙে দেব মেরে।” মতিদা বাঘের মত এগিয়ে গেলেন হেমন্তর দিকে। হেমন্ত হাত তুলে নিজের মুখ বাঁচালো।

    বিভাস মতিদার কানে কানে কিছু একটা বলল। আমি জানতাম ও কী বলছে। সোনালি মাহাতোর কল রেকর্ডস অলরেডি আমি দেখে ফেলেছি। দেড়টা থেকে আড়াইটে অবধি অসীমের নাম্বারে ট্রাই করেছে মেয়েটি। ফোন সুইচড অফ ছিল। আর নিশীথ মাহাতোর কল রেকর্ডসে জ্বলজ্বল করছে অসীমের নাম্বার। রাত এগারোটা পনেরোয় কল করেছে অসীম। বিভাসের এই পয়েন্টে সন্দেহ হয়, আর ও হেমন্তকে চেপে ধরে।

    মতিদা কল লিস্টের পাতা উল্টে গম্ভীর হয়ে গেলেন।

    “টাকাটার কী হল বল!”

    “বৌদি…বৌদি…” হেমন্ত ফুঁপাতে ফুঁপাতে বলল, “বৌদি বলল এই ড্রয়ারের টাকাগুলো তুই রাখ। পুলিশ কিছু বললে বলবি ড্রয়ারে এত টাকা ছিল, এখন নেই। নিজেই আলমারি থেকে বাক্সগুলো বার করে মেঝেতে ছড়িয়ে দিল। বলল, অসীম স্যারকে দেখেছি কাউকে বলার দরকার নেই।”

    “ড্রয়ারে কত টাকা ছিল কী করে গুনলি?”

    “গুনিনি স্যার; যা ছিল সব ব্যাগে করে বাড়ি নিয়ে এসলাম। এখনও জানি না কত টাকা আছে।”

    “তাহলে তিরিশ বললি কেন?”

    “বৌদি বলল।’

    “বৌদি টাকা গুনেছিল?”

    “না।”

    “তবে?”

    “বিল বই দেখে বলল, যা আছে তুই নিয়ে যা হেমেন। শুধু পুলিশকে বলবি, টাকা ছিল এখন নেই।”

    “এতক্ষণ ধরে সাজানো কথা বলছিলিস কেন?”

    হেমন্ত মুখ গুঁজে থাকল। কোনো উত্তর দিল না। “টাকার লোভ?”

    “আমি খুব গরীব স্যার। দোকানে পাঁচ হাজার টাকা পাই। বাড়িতে এগারোটা মেম্বার। ঠিকমত খাবার জোটে না।” হেমন্ত হু হু করে কেঁদে উঠল।

    শ্যামল ব্যানার্জি দরজা ঠেলে ঢুকলেন। মুখে একটা হাসি হাসি ভাব। মতিদার কাছে এসে বললেন, “অসীম হোলির দিন ডিউটিতে আসেনি। পরের দিনও নয়। ওর ডান হাতটা কিন্তু কেটে গেছে স্যার। এখনও ব্যান্ডেজ জড়ানো। কোথাও গিয়ে হাতাহাতি করেছিল নাকি…” বাঘমুণ্ডি থানার এস.এইচ.ও তাঁর কথা শেষ করলেন না। তাঁর এবড়োখেবড়ো দাঁতের উপর নরমাংস ভক্ষণের মত উদগ্র উল্লাস কিলবিল করে উঠল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইলিয়াড – হোমার
    Next Article বিসাশন – পিয়া সরকার

    Related Articles

    পিয়া সরকার

    বিসাশন – পিয়া সরকার

    October 21, 2025
    পিয়া সরকার

    বৃশ্চিকচক্র – পিয়া সরকার

    October 21, 2025
    পিয়া সরকার

    বিসাশন – পিয়া সরকার

    September 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }