Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বৃশ্চিকচক্র – পিয়া সরকার

    পিয়া সরকার এক পাতা গল্প321 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আদিম কালের চাঁদিম হিম

    আদিম কালের চাঁদিম হিম

    টেবিলের উপর নিশীথ মাহাতোর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা জিনিসগুলো রাখা ছিল। বিশেষ কিছু না, খানদশেক ফাইল, অজস্র রিসিপ্ট, ডাক্তারি কিছু ডকুমেন্ট এবং একটি অ্যাটাচিকেস। কী গুরুত্ব থাকতে পারে এগুলোর! অ্যাটাচিকেস আর ডায়েরিটা সোনালি কোনোদিন দেখেনি বলছে।

    বাদামি ডায়েরিটার পাতা আরেকবার উল্টে দেখলাম। সামনে পিছনে কোথাও মালিকের নাম লেখা নেই। হলদে হয়ে যাওয়া পাতায় নীল, সবুজ, কালো, লাল বিভিন্ন রঙয়ের কালি ব্যবহার করে লেখা। ট্যাঁশ গরু, আহ্লাদী, কুমড়োপটাশ, কাঠবুড়োর ছবি কোনোটা পেনসিল স্কেচ, কোনোটা প্যাস্টেল করা। ডায়েরিটায় এন্ট্রি শুরু হয়েছে ৫ই জুন ২০০৪, শেষ হয়েছে ২০শে আগস্ট, ২০০৫। সেসময় নিশীথ মাহাতো এরিয়া কমান্ডার ছিলেন। কার লেখা হতে পারে এই ডায়েরি! কোনো মাস্টারমশাইয়ের কি? যিনি সুকুমারের মত শিশুপাঠ্য ছড়া লিখতেন? নিজের খেয়ালে গোটা ডায়েরি জুড়ে আঁকিবুকি কেটে গেছেন ভদ্রলোক। প্রথম দিকের ছড়াগুলো চনমনে …

    “চলতে গিয়ে কেউ যদি চায়
    এদিক ওদিক ডাইনে বাঁয়
    ধাইধপাধপ চলবে গোলা
    দেওয়ালজোড়া কানের মেলা”

    পরেরগুলো একটু বিষণ্ণতা মাখা, যেমন এটা…

    “বিদঘুটে রাত্তিরে ঘুটঘুটে ফাঁকা,
    গাছপালা মিশমিশে মখমলে ঢাকা।
    জটবাঁধা ঝুলকালো বটগাছতলে,
    ধকধকে জোনাকির চকমকি জ্বলে,
    ছায়াগুলো কানেকানে ফিশফাশ হাসে,
    রোগারোগা মুখে শুধু দানা-পানি ঠোসে,
    পুবদিকে মাঝ রাতে ছোপ দিয়ে রাঙা
    গরীবের চাঁদ ওঠে আধখানা ভাঙা।”

    বা শেষের যে কবিতাটি! সেটা বাকিগুলোর থেকে কেনই বা এত অন্যরকম!

    “মিথ্যে লড়াই মিথ্যে ফাইট
    ভেল্কি, ফাঁকি, অলরাইট।
    শেকহ্যান্ড আর দাদা বল
    সব শোধবোধ ঘরে চল।”

    হতাশা, অপ্রাপ্তি, বঞ্চনার ছাপ স্পষ্ট কবিতাটায়! ডায়েরি লেখাটা কেমন যেন হঠাৎ করেই শেষ হয়ে গেছে। নিশীথ মাহাতো কেন এতগুলো বছর ধরে এই ডায়েরি নিজের কাছে লুকিয়ে রেখেছেন! আদৌ কোনো গুরুত্ব আছে কী! ঘটনাক্রম যেদিকে এগোচ্ছে, সেদিকে এগোতে এই ডায়েরির রহস্যোদ্ধার কতটা জরুরী তা বোঝা যাচ্ছে না। মতিদা যদি কিছু বলতে পারেন।

    অসীম, সোনালি আর নিশীথের ছায়া ত্রিকোণটা থেকে কেসটাকে সরিয়ে নিয়ে ভাবতে শুরু করলাম। নিশীথ মাহাতোর চরিত্রটাকে মনে মনে একটা ব্লেডের তলায় রেখে নিপুণহাতে কাঁটাছেড়া করতে ইচ্ছা করছিল। পনের বছর আগে যে মানুষ সশস্ত্র প্রতিষ্ঠানবিরোধী, পনের বছর পর সে দমদার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব! বিধুর কথাগুলো মনে পড়ল। চাপা রাগ, ক্ষোভ জমে জমে সত্যি কি এমন ভয়াবহ খুনের কারণ তৈরি হয়! কত গভীরে গিয়ে সেই রাগের কারণ খুঁজতে হবে তা বুঝতে পারছিলাম না। মূল সমস্যা তথ্যপ্রমাণের অভাব। গিরগিটির মত ভোলবদল করা, সমাজসেবার আড়ালে সাধারণ মানুষের অসহায়তার সুযোগ নেওয়া, ভুঁইফোড় রিসোর্টের গ্রাসে গরীবলোকের জমিকে সহজে বিলিয়ে দেওয়া লোকটাকে খুন করার ইচ্ছা নিশ্চয়ই অনেকজনের হয়েছিল, কিন্তু ইচ্ছাটাকে বাস্তবে রূপ দিল কে! ডায়েরিটার দিকে আবার নজর পড়ল। এর মালিকেরও কি নিশীথের প্রতি রাগ ছিল? যদি থাকে তবে নিশীথ ডায়েরিটাকে স্যুভেনির বানিয়ে নিজের কাছে রেখেছিলেন কেন! সেটা তো তাঁর চরিত্রবিরোধী। পুড়িয়ে দিলেই সমস্যা মিটে যেত।

    নিশীথ মাহাতোর কল রেকর্ডসে চোখ বুলাতে শুরু করলাম। সেরাতে রাত সাড়ে এগারোটার পর কোনো কল হয়নি। অসীম যদি খুন না করে থাকে, তবে কে সেই ব্যক্তি যার জন্য নিশীথ মাহাতো গভীর রাতে পিছনের দরজা খুললেন। কেন খুললেন!

    একটা খুন হল, খুনের সম্ভাব্য কারণ আন্দাজ করা যাচ্ছে, অথচ সূত্র নেই। নিজেকে সেই ফুটবলারের মত মনে হল, যার সামনে গোলপোস্ট তো রয়েছে কিন্তু ফুটবলটা কোথায় যেন হারিয়ে গেছে। পাশে দিব্যজ্যোতি বসে মোবাইলে খুটুর খুটুর করছিল, ওর সঙ্গে এদিক ওদিকের কথা বলতে শুরু করলাম। কিন্ত মোল্লার দৌড় মসজিদ অবধি। ঘুরে ফিরে কথা সেই অসীম, সোনালি আর নিশীথ মাহাতোতে গিয়ে ঠেকল। কেসটায় পরকীয়ার গন্ধ লেগে যাওয়ায় পুলিশ মহলেও উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

    পাশের ঘর থেকে শ্যামল ব্যানার্জির চিৎকার চেঁচামেচি ভেসে আসছিল। পুলিশের একটা পি.সি.আর ভ্যান থানার কাছে খারাপ হয়েছিল। সেটাকে সারিয়ে পুরুলিয়া ফেরত পাঠানোর দায়িত্ব ছিল বিধুর উপর। পুরুলিয়া থেকে ফোন করে বলেছে, যে গাড়িটা সদ্য গ্যারেজ থেকে সারিয়ে পাঠানো হয়েছে, সেটায় নাকি একই সমস্যা দেখা দিয়েছে। বিধুর নাম ধরে গালিগালাজ করছিলেন এস.এইচ.ও। থানা থেকে পেমেন্টের জন্য টাকা নিয়ে গেছে অথচ ঠিকমত কাজ করায়নি। আমার খারাপ লাগলেও চুপ করে থাকলাম। যে ছেলে সম্পূর্ণ অপরিচিত একজনকে নিজের পকেট থেকে টাকা খরচা করে ভাবরাভাজা খাওয়ায়, সে সামান্য কটা টাকা ঝেঁপে দেওয়ার জন্য এরকম করবে আমার বিশ্বাস হচ্ছিল না।

    সাতটা বেজে গিয়েছিল। ওয়ারলেসের বিপ বিপ, হুটারের শব্দ, বহু মানুষের হাঁটাচলা, থানার করিডরের কম পাওয়ারের বাল্বের আলো, দূরের কোনো মাইক থেকে ভেসে আসা গানের ক্ষীণ আওয়াজ…এ সবই আমাকে আরও ক্লান্ত করে তুলছিল। রুমে ফিরে একপ্রস্থ রান্নাবান্না করতে হবে ভেবে গায়ে জ্বর আসছিল। হঠাৎ বিভাসকে দেখলাম হন্তদন্ত হয়ে থানায় ঢুকছে। এক কনস্টেবলকে আমি আর মতিদা কোথায় জিজ্ঞাসা করল। কিছু একটা সমস্যা হয়েছে ভেবে, আমি উঠে গিয়ে দরজার কাছে দাঁড়ালাম।

    বিভাস আমাকে দেখতে পেয়েছিল। হাঁটার স্পিড বাড়িয়ে, এগিয়ে এসে হাতে একটা পেন ড্রাইভ তুলে দিল। ওর চোখ মুখ বলছিল কিছু একটা আশ্চর্য জিনিস পাওয়া গেছে, থ্রিলার সিনেমার ঠিক মাঝামাঝি যেমন সিনেমার গতিপথটা বোঝা যায়।

    ডেস্কটপে ড্রাইভটা থেকে প্লে করতেই একটা নাইট ভিশন ফুটেজ দেখতে পেলাম। ডেটটা ২৮শে মার্চ, সোমবার। দোলের আগের দিন। স্ক্রল করে টাইমটা সাতটা কুড়িতে নিয়ে এল বিভাস, আর স্ক্রিনের দৃশ্যে সাদা পাঞ্জাবী পায়জামা পরা এক ব্যক্তিকে দেখা গেল। বাইক থেকে নেমে চারিদিকে দেখতে দেখতে খয়রাবেড়ার জলের দিকে এগিয়ে গেল। পিছনে আরেকজনকে দেখতে পেলাম। হীরক দত্ত দ্রুত পা চালিয়ে আসছেন লেকের দিকে। সাদা পাঞ্জাবির লোকটার হাতে একটা মাঝারি মাপের পুঁটুলি মত ছিল। আরেকবার চারিদিকে তাকিয়ে জলে ছুঁড়ে ফেলে দিলেন। তারপর পিছনে ঘুরতেই হীরক দত্তর সঙ্গে দেখা হল। হীরকবাবু এগিয়ে গিয়ে কী একটা জিজ্ঞাসা করতে যাচ্ছিলেন, লোকটা উত্তর না দিয়ে দ্রুত পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে গেল। হীরকবাবু লোকটাকে থামিয়ে কী যেন জিজ্ঞাসা করতে গেলেন, লোকটা এবার হাত দিয়ে হীরক দত্তকে সরিয়ে দ্রুত বাইকের দিকে এগিয়ে গেল। বাকিটা নিরঞ্জনের জবানবন্দীর মত। টাল সামলাতে না পেরে হীরকবাবু পড়ে গেলেন। বিভাস এই পয়েন্টে এসে ভিডিও পজ করে দিল।

    জুম টুল ব্যবহার করে ম্যাগনিফাই করে, আবার প্লে করল। সাদা পাঞ্জাবির লোকটার মুখ এবার প্রায় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল।

    “কী মনে হচ্ছে?” আমি বিভাসের দিকে তাকিয়ে বললাম।

    ও মাথা নাড়িয়ে বলল, “হ্যাঁ, আমি সিওর।”

    ওর সঙ্গে আমার অর্থবহ দৃষ্টি বিনিময় হল, আমি মতিদাকে ফোন করার জন্য মোবাইলটা তুললাম।

    ***

    “এতে নতুন কী লাভ হবে বুঝছি না।” মতিদা বিরক্তিতে মাথা নাড়ালেন। ভিডিও থেকে ফ্রেম ফ্রিজ করে একটা প্রিন্টআউট বার করা হয়েছিল। সাদা পাঞ্জাবিতে নিশীথ মাহাতো বাইক থেকে নামছেন।

    “সোনালি মাহাতোকে এটা দেখিয়েছ? কিছু বলতে পারল?” মতিদা জিজ্ঞাসা করলেন।

    “না। কিছু জানে না বলছে। তাছাড়া সেসময় ও…”

    “বাপের বাড়িতে ছিল। জানি আমি।” মতিদা আমাকে থামিয়ে দিলেন। ওঁর ঠোঁটদুটো ভাঁজ হয়ে একটা বিশেষ আকার নিয়েছিল, যাতে বুঝলাম মতিদা ছবিটা নিয়ে ভাবছেন।

    “কী ফেলতে এসেছিল সেটা জেনে কী লাভ হবে দর্শনা? কতকিছু হতে পারে…কেসের সঙ্গে লিঙ্কটা করতে হবে তো…” মতিদা সরাসরি আমার দিকে তাকালেন।

    আমার ভিতরে ভিতরে অসহায় লাগছিল। যদি সম্ভব হত, আজই এখনই খয়রাবেড়ার জলে ডুবুরি নামাতাম। আপাতত এই হাঞ্চটুকুকে জাস্টিফাই করার জন্য মনের ভিতরে ঘুঁটি সাজাচ্ছিলাম।

    “আসলে অসীমকে নিয়ে একটা ডাউট থেকেই যাচ্ছে…” আমি একটু কিন্তু কিন্তু করে বললাম।

    “কীসের ডাউট! এখন তো মোটিভটা আরও স্পষ্ট। ঘুষের টাকা নিয়ে মন কষাকষি, রাগারাগি…তারপর খুন। ডাউট কোথায় বল?”

    “অসীমের মতো একজন অফিসার এত কাঁচা কাজ করবে বলে বিশ্বাস হয় না, আমি আপনাকে আগেই একথা বলেছি। তাছাড়া বড়ি কীভাবে অকুস্থল থেকে সরানো হল? মার্ডার ওয়েপন কী? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর তো এখনও পাইনি আমরা!”

    “সেটা তদন্তসাপেক্ষ। আমাদেরই ফেলিওর। অসীমকে এস.পি অফিসে জেরা করা হচ্ছে, নিশ্চয়ই কিছু বেরিয়ে আসবে।” মতিদা কাঠ কাঠ ভঙ্গিতে উত্তর দিলেন।

    “আর ওর জামাকাপড়ের ফরেন্সিক রিপোর্ট এসেছে?”

    “নাহ। মিনিমাম দু সপ্তাহ লাগবে।”

    “ওহ!”

    আমার কণ্ঠস্বরে বোধহয় সামান্য ধৈর্যচ্যুতি মিশেছিল, মতিদা ভুরু তুলে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, “এছাড়া আর কিছু বলবি?”

    আমি মাথা নাড়িয়ে বললাম, “হ্যাঁ…অসীম ওর স্টেটমেন্টে বলেছে যে যখন ও পলাশপ্রিয়ায় ঢোকে, তখন নিশীথ মাহাতো হিসেব করছিলেন। খেতে বসেছিলেন নিশ্চয়ই তার পরে, যেহেতু খাবারের আধখাওয়া থালাটা স্টুলে রাখা ছিল। তর্কাতর্কি করতে করতে খাবার খাবেন না ধরে নিচ্ছি।”

    মতিদা চোখ কুঁচকে শুনছিলেন। ফাইল থেকে কী মনে হওয়াতে পি.এম রিপোর্টটা বার করলেন। দু পাতা উল্টিয়ে বললেন, “হুম। নিশীথের পেটে অপাচ্য খাবার পাওয়া গেছে।”

    “তার মানে আততায়ী অসীমের বেরিয়ে যাওয়ার পরে আসতে পারে? যখন নিশীথ খেতে বসেছেন?”

    মতিদা হেসে দুদিকে মাথা নাড়িয়ে বললেন, “অসীম যদি নিজেই ঘুরে আসে, তবে তোর এই যুক্তিটা খাটছে না দর্শনা।”

    আমি মরিয়া হয়ে বললাম, “খাটছে মতিদা। অসীম যদি খুনী হয়, তবে লাখখানেক টাকা ফেলে গেল কেন? বোনের বিয়ের জন্য লোনের টাকা থেকে তুলে এনেছিল এক লাখ, এত সহজে ছেড়ে যাবে! আমি সিওর কারেন্সিগুলোর নাম্বার অসীমের ব্যাঙ্ক উইথড্রয়ালের সঙ্গে মিলে যাবে।”

    মতিদা যুক্তিটা মনের মধ্যে নিয়ে নাড়াচাড়া করলেন। তারপর বললেন, “তুই কী চাইছিস বল?”

    “একটা ডুবুরি নামান খয়রাবেড়াতে। আমার বিশ্বাস এই কেসের লিঙ্ক, লেকের জলের অতলে তলিয়ে আছে।”

    “বেশ। এই লাস্ট কিন্তু। কোনোকিছু সাবস্ট্যানশিয়াল না পাওয়া গেলে অসীমের বিরুদ্ধে চার্জশিট ফাইনাল করে ফেলব। তুই কিন্তু ব্যাগড়া দিতে পারবি না।” আমি ফিকে হেসে বললাম, “অগত্যা।”

    ***

    খয়রাবেড়ার আসল নাম কায়রাবেড়া। স্থানীয় ভাষায় কায়রা মানে কলা, আর বেড়া মানে জঙ্গল। পুরুলিয়া জনপ্রিয় ট্যুরিস্ট স্পট হয়ে ওঠার পরপরই, স্থানীয় উপভাষায় দেওয়া নামগুলো বদলে গেছে। মুররাবুরু হয়েছে পাখি পাহাড়, পাটালবাঁধ হয়েছে মার্বেল লেক, ঠুড়গা ড্যাম হয়েছে টুরগা ড্যাম। স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে ক্ষোভ আছে বিস্তর।

    খয়রাবেড়ার জল সেচের কাজে ব্যবহার করা হয়। প্রকৃতি এত নির্জন এখানে, যে দূরে একটা কাক ডাকলেও শোনা যায়। পথে পলাশের জঙ্গল পেরিয়ে এসেছি। আগুনরঙা পলাশে অসহ্য রূপসী চারধার, দেখলে চোখ ঝলসে যায়। লেকের জল বরং স্নিগ্ধ, ঘন সবুজ তার রঙ। লেকের ঠিক পিছনে বনপলাশী রিসোর্ট আর সেই অভিশপ্ত পাহাড়। চেমতাবুরু আর বারা পাহাড়ের শৃঙ্গ দেখা যায় নিচ থেকে।

    খয়রাবেড়ার টলটলে জলে ডুবুরি অনেকক্ষণ ধরে তোলপাড় করছিল। এপার ওপার হাতড়িয়ে বিরাট লেকের জলে হাবুডুবু খাচ্ছিল ওরা। মধ্যিখানটায় জল বেশ গভীর। লেকের জল যে নিস্তরঙ্গ থাকে তাও নয়। বনপলাশীর নিজস্ব বোটিংয়ের ব্যবস্থা আছে। ট্যুরিস্টরা সে সুবিধা নেন। এছাড়াও সেচ দপ্তর ক্যানালে জল ছাড়লে লেকের জল কমে বাড়ে। জিনিসটা ভেসে যদি কোথাও চলে গিয়ে না থাকে, তবে ঝিলের নিচে পাঁকে আটকে থাকার আশা আছে।

    বেলা গড়াচ্ছিল। ঘড়ি প্রায় সকাল দশটা ছুঁই ছুঁই। আমরা সাতটা থেকে এখানেই পড়ে ছিলাম। ব্রেকফাস্ট হয়নি। দুজন ডুবুরি নেমেছিল, কিছু পায়নি তারা। এই লোকটি তৃতীয়। বারবার ডুব দিচ্ছে আর কিছুক্ষণ পর পর দম ছেড়ে উঠে আসছে।

    মতিদা একটা চেয়ারে বসে খানিকক্ষণ তদারকি করে উঠে গেছেন। বিভাস দূরে দাঁড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছে। আমি একা ঠায় দাঁড়িয়েছিলাম। যত সময় গড়াচ্ছিল, হতাশা জাঁকিয়ে বসছিল। লেকের জল ছলাৎ ছলাৎ শব্দ করে পাড়ে ধাক্কা খেয়ে ফিরে যাচ্ছিল।

    মতিদা কোথা থেকে ঘুরে পাশে এসে দাঁড়ালেন। হাতের ঘড়ি দেখে বললেন, “তাহলে উঠে আসতে বলি?”

    আমি একটা দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলে হ্যাঁ বললাম। আর ঠিক তখনই ঝিলের উত্তর পশ্চিম কোণ থেকে হাতটা উঠল। ডুবুরি সংকেত দেখাল কিছু পাওয়া গেছে। মিনিট দশেক পরে, নীল প্লাস্টিকে মোড়া, সাদা নাইলন দড়ি দিয়ে বাঁধা একটা ভারি প্যাকেট জল থেকে তুলে এনে আমাদের পায়ের কাছে ফেলল ডুবুরি।

    প্যাকেটটা খুলতে আমরা বাকরুদ্ধ হয়ে গেলাম। বিভাসের মুখ থেকে একটাই শব্দ বেরোল, “গাঁড় মেরেছে!” কথাটা বলে বিভাস মতিদার দিকে তাকিয়ে ঢোক গিলল।

    কিন্তু মতিদা এতই অবাক হয়ে গিয়েছিলেন যে ওঁর কানে সেকথা ঢুকল না। অস্ফুট স্বরে বললেন, “এগুলো কী!”

    নীল প্লাস্টিকে মোড়া প্যাকেটটায় একটা লোহার ছোট সলিড রডের সঙ্গে মানবশরীরের গোটাকয়েক হাড় রাখা। পাঁজরের হাড়, হাতের আলনা, রেডিয়াস, পায়ের ফিমার বোন এগুলো চিনতে পারলাম। হাড়গুলো ক্ষয়ে গিয়েছে বেশ, দেখে মনে হল কোনো হিউমিড জায়গায় রাখার ফলে ছিদ্রযুক্ত হয়ে গিয়েছে। হাড়গুলোকে ডুবিয়ে রাখার জন্য লোহার রডের সঙ্গে ফেলা হয়েছিল তাতে কোনো সন্দেহ থাকল না।

    মতিদা স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। রুমাল দিয়ে ঘাড় মুছে বললেন, “কেস তো জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। কিছু বুঝতে পারছিস?”

    আমি হাড়গুলো ক্লোজলি দেখছিলাম। হলদেটে রঙের হাড়গুলো ক্ষয়ের ফলে বিশ্রীভাবে বিকৃত। দেখে মনে হয় চাপ পড়লেই গুড়ো গুড়ো হয়ে যাবে। মানুষের হাড় তো নিশ্চয়ই, কিন্তু এই কটা কেন! গুনে দেখলাম সাকুল্যে ১৩ ১৪টা টুকরো হবে। বাকিগুলো তবে কোথায় গেল!”

    বিভাস প্লাস্টিকটার সামনে উবু হয়ে বসে দেখছিল। একটা হাড় সাবধানে হাতে তুলে নিয়ে বলল, গায়ে কী সব কালচে ছোপ লেগে আছে স্যার। এরকম তো আগে দেখিনি!”

    মতিদা গম্ভীর হয়ে ভাবছিলেন। বিভাস হাড়গুলোকে দেখতে দেখতে বলল, “ইতালির এক পাগল খুনীর কথা পড়েছিলাম স্যার। লোকটা সারা জীবনে সাঁইত্রিশটা খুন করে বডিগুলোকে নিজের বাড়ির উঠোনে পুঁতে দিয়েছিল। তারপর সেগুলো স্কেলিটন হয়ে গেলে, সেগুলো থেকে হাড়গোড় খুলে খুলে শহরের এদিক ওদিক ফেলে রাখতো। পুলিশ খুঁজে খুঁজে হয়রান হত। কিন্তু নিশীথ মাহাতো কেন গোনাগুনতি হাড় এনে লেকের জলে ফেললেন, সেটা তো বুঝছি না স্যার!”

    মতিদা বিভাসের কথাটা একেবারে উড়িয়ে দিলেন না। বললেন, “বডি পার্টস কেটে এদিক ওদিক ছড়িয়ে রাখার অনেক কেস হিস্ট্রি পাবে। পনেরো ষোলো বছর আগে আমাদের পুরুলিয়াতেই এসব হতে দেখেছি। কিন্তু হাড় এভাবে…”

    আমি হাড়গুলো আইডেন্টিফিকেশনের কথা ভাবছিলাম। পুলিশ অ্যানালে এরকম বহু কেসের কথা পড়েছি। সম্ভাব্য ভিকটিমের নাম জানা গেলে, তার ছবির ফেশিয়াল ফিচারের সঙ্গে খুলির ছবির ডিজিটাল সুপারইমপোজিশন ঘটিয়ে বহু ক্ষেত্রে আইডেন্টিফাই করা হয়েছে। বাঘা বাঘা সফ্টওয়্যারের যুগে এখন এসব জল ভাত। কিন্তু কঙ্কালটা যদি পুরো না পাওয়া যায়, বিশেষতঃ খুলিটাই যদি গায়েব থাকে, তবে কীভাবে আইডেন্টিফিকেশন সম্ভব!

    মতিদার দিকে তাকিয়ে বললাম, “ফরেন্সিকে দেওয়া যাক। অন্তত কত বছরের পুরোনো তো জানা যাবে। তার থেকে যদি কোনো সূত্র পাই…”

    মতিদা মাথা নাড়িয়ে বললেন, “অ্যাপ্রক্সিমেট টাইম অফ ডেথ, মৃত্যুর সময় ভিকটিমের বয়স, তার থেকে মিসিং পার্সনস ফাইল, তার পর সম্ভাব্য সালের লিস্ট থেকে ভিকটিমকে খুঁজে বার করা…লম্বা প্রসেস। এক মাসের মধ্যে চার্জশিট রেডি না করলে তোর আমার কারুর চাকরিই থাকবে না দর্শনা! তদন্ত করার সুযোগ পাব কিনা বলতে পারছি না।”

    “তাহলে বেলগাছিয়ায় পাঠানোর ব্যবস্থা করি স্যার?” বিভাস পাশ থেকে বলল।

    মতিদা গালে হাত দিয়ে কিছুক্ষণ চিন্তা করলেন। তারপর বললেন, “উমানাথনকে একবার পাঠা। ইনফর্মালি যদি কিছু বলতে পারেন, তারপর বেলগাছিয়ায় দে। ওখান থেকে তো পনের দিনের আগে কিছু জানা যাবে না। অত সময় নেই।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইলিয়াড – হোমার
    Next Article বিসাশন – পিয়া সরকার

    Related Articles

    পিয়া সরকার

    বিসাশন – পিয়া সরকার

    October 21, 2025
    পিয়া সরকার

    বৃশ্চিকচক্র – পিয়া সরকার

    October 21, 2025
    পিয়া সরকার

    বিসাশন – পিয়া সরকার

    September 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }