Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বৃষ্টি ও মেঘমালা – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প119 Mins Read0
    ⤷

    ০১. গাড়ি স্টার্ট নিচ্ছে না

    গাড়ি স্টার্ট নিচ্ছে না।

    চাবি ঘুরালে ভররর জাতীয় ক্ষীণ শব্দ হচ্ছে। শব্দে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হচ্ছে। হাসান লীনার দিকে তাকিয়ে বিরক্ত মুখে বলল, কী করা যায় বল তো?

    লীনা ঢোঁক গিলল। হাসানকে সে অসম্ভব ভয় পায়। অফিস বসকে ভয় পাওয়া দোষের কিছু না। ভয় লাগামছাড়া হওয়াটা দোষের। হাসান জিজ্ঞেস করেছে— কী করা যায় বল তো। নির্দোষ প্রশ্ন। স্মার্ট মেয়ে হিসেবে লীনার বলা উচিত ছিল— স্যার চলুন আমরা একটা ক্যাব নিয়ে চলে যাই। তা না বলে সে ঢোঁক গিলছে। ঢোঁক গেলার মত প্রশ্ন তো না। পি এ-র প্রধান দায়িত্ব বসের মেজাজের দিকে লক্ষ্য রাখা। তার সমস্যার সমাধান দেবার চেষ্টা করা। তা না করে সে খাতাপত্র নিয়ে জড়ভরতের মতো বসে আছে।

    হাসান বলল, লীনা কটা বাজে দেখ তো।

    লীনা আবারো ঢোঁক গিলল। তার হাতে ঘড়ি নেই। সবদিন ঘড়ি থাকে, শুধু আজই নেই। ঘড়ি পরতে ভুলে গেছে। সে যখন বাসা থেকে বের হয়ে রিকশায় উঠেছে তখন তার মা দোতলার বারান্দায় এসে বলেছেন, লীনা তুই ঘড়ি ফেলে গেছিস। লীনা বলেছে, থাক লাগবে না। এটা না করে সে যদি রিকশা থেকে নেমে ঘড়িটা নিয়ে আসত। তাহলে সময় বলতে পারত।

    হাসান বলল, তোমার ঘড়ি নেই?

    না স্যার।

    ঘড়ি কিনে নাও না কেন? ঘড়ি ছাড়া কি চলে। এই সময়ে সেকেন্ডে সেকেন্ডে ঘড়ি দেখতে হয়। ঘড়ি তো এখন সস্তা। তিনশ চারশ টাকায় সুন্দর সুন্দর ঘড়ি পাওয়া যায়।

    লীনা চুপ করে রইল। তার বলা উচিত ছিল, স্যার আমার ঘড়ি আছে। আজ তাড়াহুড়া করে অফিসে এসেছি বলে ঘড়ি আনতে ভুলে গেছি। এইসব কিছু না বলে সে মনে মনে ইয়া মুকাদ্দেমু, ইয়া মুকাদ্দেমু পড়ছে। বিপদে পড়লে আল্লাহর এই নাম জপলে বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়া যায়।

    তারা তো এখন বিপদেই পড়েছে। রাস্তার মাঝখানে গাড়ি আটকে আছে। অন্য কোনো সময় হলে গাড়ি বন্ধ হয়ে যাওয়াটা তেমন বিপদজনক হত না। কয়েকজন টোকাই এনে গাড়ি ঠেলতে ঠেলতে গ্যারাজে নিয়ে যাওয়া যেত। আজকের ঘটনা অন্য, ইয়াকুব সাহেবের অফিস থেকে বলা হয়েছে— পাঁচটা থেকে দুটার মধ্যে আসতে হবে। এই সময়ের মধ্যে এলেই স্যারের সঙ্গে দেখা হবে। ইয়াকুব সাহেবের কাছ থেকে বড় একটা কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা। কাজটা পাওয়া খুব দরকার। লীনাদের আফিসে গতমাসে হাফ-বেতন হয়েছে। এই মাসে হয়তো বেতনই হবে না। হাসান স্যারের দিকে তাকালে লীনার খুবই মায়া লাগে। মানুষটা চারদিক থেকে ঝামেলায় জড়িয়ে গেছে। গত তিনমাস অফিসের ভাড়া দেয়া হয়নি। ইলেকট্রিসিটি বিল দেয়া হয়নি। টেলিফোন বিল দেয়া হয়নি। প্রতিদিন অফিসে গিয়ে লীনা প্রথম যে-কাজটা করে তা হল টেলিফোন রিসিভারটা তুলে কানে দেয়। ডায়েল-টোন আছে কি-না তার পরীক্ষা। ডায়াল-টোন থাকা মানে– অফিস এখনো বেঁচে আছে।

    লীনা!

    জ্বি স্যার।

    কী করা যায় বল।

    লীনা কী বলবে? তার মাথায় কিছুই আসছে না। তার এই ভেবে খারাপ লাগছে যে মানুষটাকে সে সাহায্য করতে পারছে না।

    চল গাড়ি ফেলে রেখে বেবীটেক্সি নিয়ে চলে যাই।

    এর উত্তরেও লীনা কিছু বলতে পারল না। রাস্তার মাঝখানে গাড়ি ফেলে গেলে কী হয় কে জানে। গাড়ির মালিকদেরই এটা ভালো জানার কথা। লীনাদের গাড়ি নেই। তার কোনো আত্মীয়স্বজনদেরও গাড়ি নেই। লীনার ছোটমামী একবার একটা পুরনো ট্রাক কিনেছিলেন। কথা ছিল তিনি সবাইকে ট্রাকে নিয়ে সাভার যাবেন। সেষ্টা হয়নি। কারণ ট্রাক কেনার সাতদিনের মাথায় এক্সিডেন্ট করে সেই ট্রাক একটা মানুষ মেরে ফেলল। ছোটমামা ট্রাক বিক্রি করে দিলেন।

    লীনা?

    জি স্যার।

    শেষ চেষ্টা করে দেখি। গাড়ি ঠেলতে হবে। পারবে না?

    পারব স্যার।

    তুমি একী পারবে না। আরো কয়েকজন জোগাড় কর।

    লীনা লোক জোগাড় করার জন্যে ছুটে রাস্তা পার হতে গিয়ে রিকশার ধাক্কা খেয়ে হাত কেটে ফেলল। টুপ টুপ করে রক্ত পড়ছে। কিন্তু লীনা খুবই আনন্দিত যে এক্সিডেন্টের দৃশ্যটা স্যার দেখেননি। তিনি গাড়ির বনেট খুলে কী যেন করছেন। স্যার ব্যাপারটা দেখলে খুবই লজ্জার ব্যাপার হত। লীনা কাকে বলবে গাড়ি ঠেলতে? আর বলবেই বা কীভাবে? ভাই আমাদের গাড়িটা একটু ঠেলে দেবেন? কোন ধরনের লোকদের এই কথা বলা যায়? লীনা আবারো ইয়া মুকাদ্দেমু পড়তে লাগলো।

     

    তারা মতিঝিলে পৌঁছল ছটা সতেরো মিনিটে।

    সেক্রেটারি টাইপ এক লোক শুকনো মুখে বলল, আপনাদের তো পাঁচটার মধ্যে আসার কথা।

    হাসান বলল, দেখতেই পাচ্ছেন, কথামতো আসতে পারিনি। স্যার কি আছেন না চলে গেছেন?

    স্যার আছেন। তবে সময়ের পর স্যার কথা বলেন না।

    কথা বলেন না কেন–গলায় কোনো প্রবলেম? কথা বলতে কষ্ট হয়? ফেরেনজাইটিস?

    সেক্রেটারি রাগীচোখে তাকিয়ে আছে। লীনা অনেক কষ্টে হাসি চেপে আছে। বেশিক্ষণ হাসি চাপতে পারবে বলে তার মনে হচ্ছে না। অথচ এখন তার হাসির সময় না। কাজটা তারা পাচ্ছে না। সেক্রেটারি লীনার দিকে তাকিয়ে আছে। এখন যদি তিনি লীনার হাসি দেখে ফেলে তাহলে খুব সমস্যা হবে। লীনা অফিসঘর দেখতে লাগল। কী সুন্দর সাজানো অফিস। সবকিছু ঝকঝক করছে। একেক জনের বসার জায়গা কাচ দিয়ে ঘেরা। প্রত্যেকের সামনে একটা করে কম্পিউটার এরকম একটা কাচের ঘর যদি লীনার থাকত।

    হাসান তার পকেটে হাত দিতে দিতে বলল, আপনাদের এখানে কি সিগারেট খাওয়া যায়?

    সেক্রেটারি বলল, না। সিগারেট খেতে হলে বারান্দায় গিয়ে খেতে হবে।

    আপনাদের বস ইয়াকুব সাহেব তো সিগারেট খান। তিনিও কি বারান্দায় গিয়ে খান?

    আপনি নিজেকে উনার সঙ্গে তুলনা করছেন কেন?

    হাসান বলল, আমি নিজেকে উনার সঙ্গে তুলনা করছি কারণ আমরা একই গোত্রের। উনি একটা কোম্পানির মালিক, আমিও একটা কোম্পানির মালিক। যত ছোট কোম্পানি, হোক না কেন আমি মালিক তো বটেই। দ্বিতীয় যুক্তি আরো কঠিন—— আমরা দুজনই হমোসেপিয়ান। মানবসম্প্রদায়ের সদস্য। এমন না যে উনি মানুষ আর আমি মানুষ।

    লীনা হাসি চেপে রাখতে পারল না। তার এত আনন্দ লাগছে। স্যার মানুষটাকে যুক্তিতে একেবারে ধরাশায়ী করে ফেলেছেন। সেক্রেটারির চেহারাই এখন কেমন ছাগলের মতো হয়ে গেছে। লীনা মনে মনে বলল, তুই যদি আরো কিছুক্ষণ স্যারের সঙ্গে কথা বলিস তাহলে তোর চেহারা পুরোপরি ছাগলের মতো হয়ে যাবে। থুতনি দিয়ে ছাগলের মতো ফিনফিনে দাড়ি বের হয়ে যাবে রে হাঁদারাম।

    হাসান সেক্রেটারির দিকে তাকিয়ে বলল, আমি যে এসেছি এই খবরটা স্যারকে দিন। উনি যদি দেখা করতে না চান কোনো সমস্যা নেই, চলে যাব।

    দেখা হবে না। টাইমের পর স্যার কারো সঙ্গে দেখা করেন না।

    ভাই আপনার নাম কী?

    নাজমুল করিম।

    হাসান ছোট্ট নিশ্বাস ফেলে বলল, নাজমুল করিম সাহেব— আমি আপনার ভালোর জন্যই বলছি আমি যে দেরি করে হলেও এসেছি এই খবরটা স্যারের কাছে পৌছানো দরকার। আপনার হয়তো জানা নেই, উনি আমাকে জরুরী তলব দিয়েছেন। প্রয়োজনটা আমার চেয়ে উনার বেশি। কোনো একদিন স্যারের সঙ্গে আমার দেখা হল–আমি তাঁকে বললাম যে আমি এসেছিলাম, কিন্তু সামান্য দেরি হয়েছে বলে আপনি দেখা করতে দেন নি। সেটা কি ভালো হবে?

    নাজমুল করিম তাকিয়ে আছে। সে সামান্য ধাঁধায় পড়েছে, কিন্তু আগের সিদ্ধান্ত বদলাবে এরকম মনে হচ্ছে না। হাসান বলল, আচ্ছা ঠিক আছে বিদায়।

    নাজমুল করিম বলল, বসুন কিছুক্ষণ। স্যার এখন চা খাচ্ছেন। চা খাওয়া শেষ হলে খবর দিয়ে দেখব। তবে লাভ হবে না। আমি এখানে পাঁচ বছর চাকরি করছি, কোনোদিন স্যারকে দেখিনি ছটার পর কারো সঙ্গে অফিসে কথা বলতে।

    হাসান বলল, আমি বরং এই ফাঁকে সিগারেট টেনে আসি। আপনাদের বারান্দাটা কোন্ দিকে বলুন তো?

    লীনা সবুজ রঙের সোফায় বসে আছে। তার খুবই টেনশান লাগছে। এখন যদি ইয়াকুব সাহেব বলেন— দেখা হবে না, তাহলে কী হবে? হাসান স্যার লজ্জা পাবেন। এই মানুষটা লজ্জা পাচ্ছে, ভাবতেই খারাপ লাগছে। লীনার সামনে সুন্দর একটা চায়ের কাপ ভর্তি হালকা লিকারের রঙ-চা। নাজমুল করিম সাহেব এই চায়ের কাপ তার সামনে রেখেছেন। মানুষটাকে শুরুতে যত খারাপ মনে হচ্ছিল এখন ততটা মনে হচ্ছে না। বরং ভালোমানুষ বলেই মনে হচ্ছে। লীনা চায়ের কাপে চুমুক দিল। সুন্দর গন্ধ। চিনিও দেয়া হয়েছে পরিমাণ মতো। লীনা নাজমুল করিমের দিকে তাকিয়ে বলল, চা-টা খুব ভালো।

    নাজমুল করিম বলল, আমাদের বাগানের চা। আমরা মৌলভীবাজারে একটা চায়ের বাগান কিনেছি। ছোট বাগান। চারশ পঞ্চাশ একর।

    এখন লীনার নাজমুল করিম মানুষটাকে অনেক বেশি ভালো লাগছে। সে বলেনি–স্যার একটা চা-বাগান কিনেছেন, কিংবা আমাদের কোম্পানি একটা চা-বাগাল কিনেছে। সে বলছে আমরা একটা চা-বাগান কিনেছি। আমরা বলাটাই খুব কঠিন। মালিকের সম্পদ নিয়ে কেউ অহংকার করছে। শুনতে ভালো লাগে।

    নাজমুল করিমের টেবিলের উপর রাখা ইন্টারকম বেজে উঠল। লীনার বুক ধড়ফড় করা শুরু হয়েছে এক্ষুনি জানা যাবে যে ইয়াকুব সাহেব তাদের সঙ্গে দেখা করবেন না। কারণ তারা একঘণ্টারও বেশি দেরি করে এসেছে। ইয়াকুব সাহেবের মতো মানুষদের কাছে প্রতি সেকেন্ডেরও অনেক দাম। সেখানে এক ঘণ্টা দশ মিনিট–ইমপসিবল। লীনা চায়ের কাপ রেখে দিয়ে শক্ত হয়ে বসে আছে। তার ডান পায়ে টনটনে ব্যথা। যে কোনো টেনশানে ইদানীং তার এই সমস্যা হচ্ছে। পা ব্যথা করছে। কোনো একজন ডাক্তারের সঙ্গে কথা বললে ভাল হত। টেনশানে মানুষের বুক ব্যথা করে। কিন্তু পা ব্যথা তো করে না। তার বেলায় সবকিছু এমন উল্টা কেন?

    নাজমুল করিম ইন্টারকমের রিসিভার রেখে লীনার কাছে এগিয়ে এসে বললেন— স্যার আপনাদের ডাকছেন।

     

    ইয়াকুব সাহেবের কামরাটা পুরোটাই কাঠের। মেঝে, দেয়াল, মাথার উপরের ফলস সিলিং সবই কাঠ। ঘরে ঢোকেই প্রথম কথা যা মনে আসে তা হল—বাহ্‌ সুন্দর তো। তারপর আসে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে চারদিক দেখার প্রশ্ন। লীনা কোনো কিছুই খুঁটিয়ে দেখছে না। সে তাকিয়ে আছে ইয়াকুব নামের মানুষটার দিকে। সে মনে মনে ভাবছে ইয়াকুব নামের এই মানুষটার সঙ্গে তার যদি হঠাৎ কোথাও দেখা হত তাহলে কি সে বুঝতে পারত— ইনি অসম্ভব বিত্তবান একজন মানুষ।

    কাঠের বড় গোলটেবিলের পেছনে ছোট্ট চেয়ারে বৃদ্ধ একজন মানুষ জবুথবু হয়ে পা গুটিয়ে বসে আছে। মাথার চুল ছোট ছোট করে কাটা। মাথা কামানোর পর চুল গজালে যেমন দেখায় তেমন দেখাচ্ছে। ভদ্রলোকের মনে হয় শাদা রঙের প্রতি দুর্বলতা আছে। তার পরনের পায়জামা পাঞ্জাবি শাদা, গায়ে চাদর জড়িয়ে রেখেছেন, চাদরটাও শাদা। ভদ্রলোকের গায়ের রঙও অতিরিক্ত শাদা। গোল মুখ। তীক্ষ্ণ চোখ–জ্বলজ্বল করছে। লীনার যে ব্যাপারটা ভালো লাগল–তা হচ্ছে দ্রলোক খুব আগ্রহ নিয়ে তাদের দিকে তাকিয়ে আছেন। ইয়াকুব সাহেবের মতো মানুষরা যে অবস্থানে আছেন সেই অবস্থান থেকে কেউ অন্যদের দিকে এত আগ্রহ করে তাকায় না। আগ্রহ করে তাকানোকে বিত্তবানরা দূর্বলতা মনে করে।

    তোমার নাম হাসান? কেমন আছ?

    হাসান বলল, ভালো।

    ইয়াকুব সাহেব লীনার দিকে তাকিয়ে বললেন, এই মেয়ে! তোমার নাম কী?

    লীনা বলল, স্যার আমার নাম লীনা।

    তুমি কেমন আছ?

    ভালো আছি।

    ইয়াকুব সাহেব হঠাৎ খুব ব্যস্ত ভঙ্গিতে ড্রয়ার খুললেন। মনে হচ্ছে জরুরি কোনো কিছু তার হঠাৎ মনে পড়েছে। জরুরী ব্যাপারটা শেষ করে কথা শুরু করবেন। ইয়াকুব সাহেব ড্রয়ার খুলে একটা কাগজ বের করতে করতে বললেন, তোমাদের সঙ্গে মোবাইল টেলিফোন নেই তো। যদি থাকে অফ করে রাখো। আমার জটিল কোনো সমস্যা হয়েছে, মোবাইল টেলিফোনের রিঙের শব্দে চট করে মাথার যন্ত্রণা শুরু হয়। নরম্যাল টেলিফোনে হয় না। আমার ধারণা সমস্যাটা মানসিক।

    লীনা বলল, স্যার আমাদের সঙ্গে মোবাইল টেলিফোন নেই।

    ইয়াকুব সাহেব বললেন, নেই কেন? তোমাদের এতবড় ফার্ম।

    হাসান বলল, স্যার আমাদের ফার্ম বড় না, খুব ছোট।

    ইয়াকুব সাহেব হাসানের দিকে ঘুরে বসে আগ্রহের সঙ্গে জিজ্ঞেস করলেন— কত ছোট? তোমাদের অফিসে লোক কত জন?

    হাসান বলল, সব মিলিয়ে চারজন ছিল। একজনের চাকরি চলে গেছে— এখন তিনজন। আমি লীনা এবং একজন অফিস পিওন।

    কার চাকরি চলে গেল?

    হাদিউজ্জামান বলে একজন ছিল—ম্যানেজার।

    চাকরি কেন গেল? টাকাপয়সার হিসেবে গণ্ডগোল করেছে?

    অনেকটা সেরকমই।

    তিনজনে অফিস চালাতে পারছ?

    জি পারছি। আমরা যখন কাজ পাই, তখন লোক ভাড়া করি।

    তোমরা কি আমার বাগানের চা খেয়েছ?

    লীনা বলল, জ্বি স্যার।

    চায়ে গন্ধ কেমন?

    সুন্দর গন্ধ।

    ইয়াকুব সাহেব আবারো টেবিলের ড্রয়ার খুললেন। লীনার কাছে মনে হল তিনি একটা ঘড়ি বের করেছেন। এই ঘরে কোনো ঘড়ি নেই। কিংবা একটু পর পর ড্রয়ার খোলা হয়ত তাঁর অভ্যাস। বড় মানুষদের অনেক বিচিত্র অভ্যাস থাকে।

    ইয়াকুব সাহেব লীনার দিকে তাকিয়ে বললেন–আমার হাতে যে জিনিসটা দেখছ এর নাম স্টপওয়াচ। আমি তোমাকে এক মিনিট সময় দিলাম। এই এক মিনিটের ভেতর তুমি আমার বাগানের চায়ের একটা নাম দেবে। আমি বাগানের চা মার্কেটিং করব। চায়ের নাম খুঁজছি। তুমি মনে করো না যে তোমাকেই শুধু নাম জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে। যারা আমার বাগানের চা খেয়েছে তাদের প্রায় সবাইকেই এই প্রশ্ন করেছি। এক মিনিট সময় দিয়েছি। তাদের সবার নামই লেখা আছে। যার নাম শেষপর্যন্ত ঠিক করা হবে তার জন্যে পুরস্কারের ব্যবস্থা আছে।

    লীনা ভীত গলায় বলল, আমার মাথায় কোনো নাম আসছে না স্যার।

    ইয়াকুব সাহেব প্যাডের একটা কাগজ ছিড়ে লীনার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললেন— এই কাগজে তোমার নাম ঠিকানা লেখ। এখন আমি স্টপওয়াচ চালু করছি। তুমি এত নার্ভাস হচ্ছ কেন? তুমি তো পরীক্ষা দিতে বস নি। টপটপ করে ঘাম পড়ছে। আশ্চর্য তো!

    লীনার হাত পা কাঁপছে। কী কাণ্ড! হঠাৎ সে এমন ঝামেলায় পড়বে কে জানত। চায়ের নাম কিছু-একটা তো লিখতে হবে। সে কী লিখবে। এই মুহূর্তে তার মাথায় একটা নামই ঘুরছে রবীন্দ্রনাথের কবিতার বইএর নাম সঞ্চয়িতা। সে নিশ্চয়ই চায়ের নাম সঞ্চয়িতা রাখতে পারে না। টিভিতে এড় যাবে সঞ্চয়িতা চা খান। এ ধরনের কোনো নাম কাগজে লিখলে ইয়াকুব নামের মানুষটা বিরক্ত হবেন। তিনি হয়তো ভাববেন লীনা তার সঙ্গে ঠাট্টা করছে। অথচ সে ঠাট্টা করছে না। সে কারো সঙ্গেই ঠাট্টা করতে পারে না। আশ্চর্য আল্লাহ তাকে এমন গাধার মতো মগজ দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন কেন? সঞ্চয়িতা ছাড়া আর কোনো নাম কেন তার মাথায় আসছে না?

    ইয়াকুব সাহেব বললেন, সময় শেষ। নামটা কাগজে লিখে পেপার ওয়েট দিয়ে চাপা দাও। এসো এখন কাজের কথা শুরু করা যাক।

    ইয়াকুব সাহেব আবারো ড্রয়ারে হাত দিলেন। ড্রয়ার থেকে খুব সুন্দর কাজ করা কাঠের বাক্স বের করলেন। বাক্স খুলে সিগারেট বের করে নিজে একটা সিগারেট ধরিয়ে বাক্স হাসানের দিকে এগিয়ে দিতে দিতে বললেন, সিগারেটের নিকোটিনে শরীর অভ্যস্ত থাকলে সিগারেট ধরাও। জটিল আলোচনার সময় নিকোটিনের সাপ্লাইয়ের তোমার প্রয়োজন হতেও পারে। বয়সজনিত কারণে আমাকে সমীহ করার কোনো কারণ নেই।

    হাসান সিগারেট ধরাল। ইয়াকুব সাহেব চেয়ারে হেলান দিতে দিতে বললেন, আমি তোমার একটা কাজ দেখেছি।

    হাসান বলল, কোন কাজটা দেখেছেন?

    জুমলা সাহেবের বাগানবাড়ির সামনে তুমি একটা ওয়াটার-বড়ি তৈরি করেছ। সেখানে একটা পরীর মূর্তি আছে। মূর্তিটা পানিতে ডুবে আছে, শুধু তার চোখ দেখা যাচ্ছে। আমি এই কাজটা দেখে মুগ্ধ হয়েছি।

    হাসান বলল, থ্যাংক য়্যু স্যার।

    তুমি ঐ কাজটা শেষ করনি কেন?

    জুমলা সাহবের সঙ্গে আমার মতের মিল হল না। উনি বললেন, মূর্তি যদি পানিতে ডুবেই থাকে তাহলে এতটাকা খরচ করে মূর্তি বানানো হল কেন?

    আমি ওয়াটার-বড়িতে জলপদ্মের ব্যবস্থা করেছিলাম, উনি চাইলেন বিদেশী বড় বড় পাতার কী যেন গাছ। আমি বললাম, কাজ করব না। উনি আমার সব পেমেন্ট আটকে দিলেন।

    হাসান ছোট্ট নিশ্বাস ফেলে বলল, আপনাদের মতো বড়মানুষদের সঙ্গে কাজ করার একটা প্রধান সমস্যা হল–আপনাদের অর্থ আছে, কিন্তু রুচি নেই। আপনারা নিজের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন, কিন্তু যাকে কাজ দিচ্ছেন তার স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন না।

    ইয়াকুব সাহেব বললেন, তোমার ধারণা তোমার রুচি খুব উন্নত?

    হাসান বলল, আমার কল্পনার ক্ষমতা ভালো। বিত্তবান মানুষরা কল্পনা করতে পারেন না। তারা বাস্তব নিয়ে এত ব্যস্ত থাকেন যে কল্পনা করার সময় পান না। কল্পনা না করতে করতে কল্পনা করার ক্ষমতাই নষ্ট হয়ে যায়। তারা যখন কোন পরী কল্পনা করেন তখন আকাশে পরী উড়ছে এই কল্পনাই করেন। একটা পরীযে পানিতে ডুব দিয়েও থাকতে পারে এই কল্পনা করতে পারেন না।

    তোমার কথা সত্যি হলে ধরে নিতে হবে যে আমার কল্পনা করার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে গেছে।

    হাসান কিছু বলল না। ইয়াকুব সাহেব বললেন, পরে কোনো এক সময় এই বিষয়ে তোমার সঙ্গে আমি তর্ক করব। আজ কাজের কথা বলি।

    জ্বি বলুন।

    আমার একটি মাত্র মেয়ে। সে তার কন্যা নিয়ে স্বামীর সঙ্গে থাকে— ভার্জিনিয়াতে। আমার মেয়ের নাম শামা। শামার কন্যাটির নাম এলেন। এলেনের বয়স পাঁচ আগামী জুন মাসের ৯ তারিখে এলেনের বয়স হবে ছয় বছর।

    হাসানের মনে হল— ইয়াকুব সাহেব বৃদ্ধবয়সজনিত সমস্যায় ভুগছেন। বৃদ্ধ বয়সে লোকজন কথা বলতে পছন্দ করে। তাদের অবচেতন মনের কোনো অংশ হয়তো সিগন্যাল পাঠায় সময় দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে— যা কথা বলার তাড়াতাড়ি বলে নাও। বৃদ্ধ তার মেয়ে এবং নাতনীর যে ইতিহাস শুরু করেছে তার সঙ্গে হাসানের কাজের সম্পর্ক কী?

    হাসান।

    জ্বি স্যার।

    জয়দেবপুরের শালবনে আমার দুশ বিঘার মতো জমি আছে। একটা কেমিকেল ইনডাস্ট্রি করার জন্যে জায়গাটা নিয়েছিলাম পরে আর ইন্ডাস্ট্রি করা হয়নি। জায়গাটা পতিত পরে আছে। আমি সেখানে একটা পার্কের মতো করতে চাই— শিশু পার্ক।

    পার্কে কী থাকবে?

    কী থাকবে সেটা তুমি ঠিক করবে। তোমার রুচি আছে, কল্পনাশক্তি আছে। আমার যেহেতু টাকাপয়সা আছে, তোমার লজিক অনুসারেই রুচি এবং কল্পনাশক্তি থাকার কথা না। আমি তোমার রুচি এবং তোমার কল্পনার উপর ভরসা করছি।

    হাসান ব্ৰিত ভঙ্গিতে বলল, আপনি আমার কথায় রাগ করবেন না। আপনি পার্ক নিয়ে কী ভাবছেন আমার জানা দরকার।

    ইয়াকুব সাহেব বললেন, আমি কিছুই ভাবছি না। আমি শুধু ভাবছি ছনম্বর জন্মদিন এলেন ঐ পার্কে করবে এবং সে মুগ্ধ হয়ে ভাববে— এত সুন্দর জায়গা বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশে আছে! সে যেন বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে বলে মা আমি এখানেই থাকব। আমি স্টেটস-এ ফিরে যাব না। আমি আমার নিম্নমানের কল্পনায় দেখতে পাচ্ছি— সে নিজের মনে ছোটাছুটি করতে করছে— যাই দেখছে সে বিস্মিত হচ্ছে। সে ছুটে গেল জঙ্গলে সেখানে বিশাল সাইজের ডায়নোসর। এমনভাবে বানানো হয়েছে। যেন ডায়নোসরগুলি কংক্রিটের না, জীবন্তু। বুঝতে পারছ?

    জ্বি পারছি।

    এলেন মুগ্ধ হয়ে ছুটছে, হঠাৎ দেখল– রূপকথার জগৎ। রূপকথার রাজারানীদের প্রাসাদের মতো প্রাসাদ। এক জায়গায় দেখল— ডাইনীদের আস্তানা। ডাইনীরা বড় ডেগচিতে কী যেন রান্না বসিয়েছে। খুব সম্ভব নরমাংস।

    একটা লেক থাকবে। লেকের পানি তুবে ক্রিস্টাল ক্লিয়ার। লেক ভর্তি রঙিন মাছের ঝাঁক। লেকের উপর নৌকা থাকবে। ও আচ্ছা, নকল জলপ্রপাত থাকবে। একটা সুড়ং থাকতে পারে। সুড়ংঙের ভেতর দিয়ে এলেন যখন হাঁটবে, যে নানান বিস্ময়কর ব্যাপার দেখতে দেখতে এগুবে। সুড়ং যেখানে শেষ হবে সেখানে তার জন্যে একটা বিস্ময় অপেক্ষা করছে। বিস্ময়টা কী আমি জানি না। জানতেও চাই না। হাসান, এতবড় দায়িত্ব এককভাবে নেবার মতো সাহস কি তোমার আছে?

    হাসান বলল, আছে। আপনার বাজেট কত?

    ইয়াকুব সাহেব বললেন, তোমার কত দরকার?

    হাসান বলল, কত দরকার আমি বুঝতে আপ্রছি না।

    ইয়াকুব সাহেব বললেন, আমি তোমার বানানো পানিতে ডুবে থাকা পরী দেখেছি। তুমি যদি সাহস করে বলো আমি পারব। তাহলে তুমি পারবে। বাজেট নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।

    হাসান বলল, কাজ শুরুর সময় সবাই এরকম বলে— বাজেট নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। কাজ কিছুদূর আগাবার পরই বাজেট সমস্যা শুরু হয়।

    ইয়াকুব সাহেব বললেন, শখের কাজে কখনো বাজেট সমস্যা হয় না। শখের বাজেট সব সময় থাকে।

    হাসান বলল, শখের একটা সমস্যাও আছে স্যার। শখ বেশিদিন থাকে। আপনি কিছু বোঝার আগেই দেখবেন শখ চলে গেছে।

    ইয়াকুব সাহেব আরেকটা সিগারেট ধরাতে ধরাতে বললেন, হাসান শোনো। প্রতিটি মানুষই আলাদা। সেই হিসেবে একেক জন মানুষের শখের স্থায়িত্ব একেক রকম।

    স্যার আপনি পুরো কাজটা করতে চাচ্ছেন— এলেন নামের পাঁচ বছরের একটা মেয়েকে মুগ্ধ করার জন্যে। ধরুন কোনো কারণে মেয়েটি বলল—— সে এবার বাংলাদেশে আসতে পারছে না, পরে কোনো এক সময় আসবে তখনো কি আপনার শখ থাকবে?

    এলেন আসবে। কারণ আমি তাকে দেখতে চেয়েছি। আমি অসুস্থ আমি একজন ডাইং পেসেন্ট। ডাক্তাররা বলে দিয়েছেন খুব বেশি হলে আমি দুবছর বাঁচব। এই অবস্থায় এলেন আসবে না তা হয় না। তারপরেও যদি না আসে কোনো ক্ষতি নেই। আমার মুখের কথার দাম অনেক বেশি। আমার সঙ্গে তোমার সেরকম পরিচয় নেই বলেই তুমি দ্বিধায় ভুগছু। ঠিকমত বলো তুমি কি কাজটা করতে পারবে?

    পারব— যদি মানি সাম্পাই ঠিক থাকে আমি পারব। কিছুদূর কাজ করার পর টাকার জন্যে হাতগুটিয়ে বসে থাকতে হলে আমি পারব না।

    জুন মাসের নয় তারিখে পার্কের গেট খোলা হবে— পারবে?

    পারব।

    প্রশ্নটা আবার করছি : জুন মাসের নয় তারিখে পার্কের গেট খোলা হবে। পারবে?

    পারব।

    ভালো। হাত বাড়াও আমার সঙ্গে হ্যান্ডশেক কর।

    হাসান বলল, আপনার সঙ্গে হ্যান্ডশেক করার আগে আমার কিছু কথা আছে স্যার।

    বলো।

    আমি কাজটা আমার মতো করব। সেখানে আপনি কিছু বলতে পারবেন না। আপনি বলতে পারবেন না–এই ডায়নোসরটা এরকম কেন? সাইজে ছোট কেন? কিংবা এই ডায়নোসরটার মুখ বাকা কেন?

    ইয়াকুব সাহেব বললেন, আমি এলেনের সঙ্গে জুন মাসের নয় তারিখেই প্রথম পার্কে যাব।

    আমি কোথায় কী করছি এ নিয়ে আপনার সঙ্গে আলাপ করব না।

    আলাপের প্রয়োজন দেখছি না।

    আপনি আমার কোম্পানির নামে প্রথম চেক আগামীকাল ব্যাংকে জমা দেবেন। চেকে কত টাকার অংক বসানো আছে সেটা দেখে আমি বুঝতে পারব আপনি আমার কাছে কি চাচ্ছেন। কাজ শুরু হবে আগামীকাল থেকে। এই টাকা যখন শেষ হবে তখন আপনাকে বলব— আপনি আরেকটা চেক দেবেন।

    তোমার রেমুনারেশন কী হবে?

    জুন মাসের নয় তারিখে পার্ক যেদিন খোলা হবে সেদিন আপনি যদি ইচ্ছা করেন আমাকে রেমুনারেশন দেবেন। ইচ্ছা না করলে দিতে হবে না।

    তোমার কোম্পানির নাম, যে ব্যাংকে তোমার একাউন্ট আছে তার নাম এবং একাউন্ট নাম্বারটা পরিষ্কার করে এই কাগজে লিখে দাও।

    হাসান লিখল। লিখতে গিয়ে সে লক্ষ্য করল তার হাত কাঁপছে— বড় বড় নিশ্বাস পড়ছে। মনে হচ্ছে অতিরিক্ত উত্তেজনায় জ্বর এসে যাচ্ছে। ইয়াকুব সাহেব বললেন, এখন কি আমরা হেন্ডশেক করতে পারি?

    হাসান হাত বাড়িয়ে দিল।

    ইয়াকুব সাহেব বললেন, তোমরা ওয়েটিংরুমে কিছুক্ষণ অপেক্ষা কর। আমি আমার ক্যাশিয়ারকে বলছি চেক রেড়ি করতে চেক সঙ্গে করে নিয়ে যাও। আমি এক কোটি টাকায় একটা চেক লিখছি।

    লীনার কাছে মনে হল— ভূমিকম্প হচ্ছে, ঘরবাড়ি দুলছে। তার চোখে পানি এসে যাচ্ছে। সে প্রাণপণ চেষ্টা করছে চোখের পানি সামলাতে চোখের পানি সামলানো মনে হয় কঠিন হবে। কোনো একটা বাথরুমে ঢুকে কল ছেড়ে দিয়ে কিছুক্ষণ কাঁদলে কেমন হয়? এদের এত সুন্দর অফিস। বাথরুমগুলিও নিশ্চয়ই খুব সুন্দর হবে।

    টেবিলের উপর পেপার ওয়েটে চাপা দেয়া কাগজে লীনা চায়ের যে নামটা লিখে রেখেছে তার জন্যেও ভয় ভয় লাগছে। বিশ্রী একটা নাম দেয়ার কারণে ইয়াকুব সাহেব তাদেরকে হয়ত রাগ করে কাজই দেবেন না। কায়দা করে কাগজটা সরিয়ে ফেললে হয় না?

    লীনা চায়ের নাম লিখেছে ইয়া-চা। মাথায় শেষ মুহূর্তে ইয়াকুব সাহেবের নামটা এসেছে। ইয়াকুব সাহেবের নামের সঙ্গে মিলিয়ে–ইয়া চা। ছি! কি ছেলেমানুষী!

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাসর – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article বৃষ্টি বিলাস – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }