Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বেগম আখতার – অলক চট্টোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প179 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আর কেউই বেগম আখতার হতে পারবেন না – শান্তি হীরানন্দ

    ১২ বছর বয়সে লাহোর রেডিও-তে ভজন গাইতাম৷ কিন্তু ভাল প্রশিক্ষণ ছিল না৷ সেই সময়ে দাঙ্গার কারণে সেখানে রেডিওতে সংখ্যায় খুব বেশি অনুষ্ঠানও হত না৷ রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য বাধ্য হয়ে আমাদের পরিবার লক্ষ্ণৌতে ফিরে আসে৷ সেখানে ১৯৪৭-এর পর আকাশবাণীতে গান গাইতে শুরু করি৷ ওই সময়েই বেগম আখতার নিয়মিত লক্ষ্ণৌ-এর রেডিও স্টেশনে আসতেন৷ আমার সঙ্গে অবশ্য তখনও দেখা হয়নি৷ উনি আসতেন, গান গেয়ে চলে যেতেন৷ এদিকে, আমাদের মতোই জি সি অবস্তি নামে লাহোর রেডিওর এক আধিকারিক লক্ষ্ণৌ বদলি হয়ে এসেছিলেন৷ তখন আমি আহজাজ হুসেন খাঁ-র কাছে বাড়িতে নিয়মিত ভজন শিখছি৷ একদিন জি সি অবস্তি আমার বাবা-মায়ের সামনে আমাকে ডেকে বললেন— ‘যদি তুমি ভাল করে গান গাইতে চাও তবে সবার আগে ভাল করে গান শিখে নাও৷ বেগম আখতারের কাছে শিখতে পারো৷’ ১৯৫২ সালের গোড়ার দিকে একদিন আমি বেগম আখতারের বাড়িতে গেলাম৷ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পরে হাইহিল জুতো পায়ে এক বেঁটেখাটো মহিলা এসে দাঁড়ালেন৷ এলোমেলো শাড়ি পরিহিতা সেই মহিলাকে আমি তখনও চিনি না৷ তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন— ‘তোমাকে অবস্তিজি পাঠিয়েছে?’ আমি বললাম— ‘হ্যাঁ৷’ তিনি বললেন— ‘তুমি কী গাও?’ বললাম— ‘ভজন গাই৷’ উনি বললেন— ‘গেয়ে শোনাও৷’ শোনালাম৷ উনি বললেন— ‘তুমি তো দেখছি ভালই গাও৷’ আমি বললাম— ‘আমি আপনার কাছে গান শিখতে চাই৷’ উনি বললেন— ‘কাল এসো৷’ ওঁর কথামতো পরদিনই গেলাম৷ উনি আমাকে নিজের শিষ্যা করে নিলেন৷ সেই আমার শিক্ষার শুরু৷

    আমি তখনও কোনও বাদ্যযন্ত্র বাজাতে জানতাম না৷ শুধুমাত্র তানপুরা বাজাতে পারতাম৷ উনি আমাকে ধীরে ধীরে রাগ ‘তিলং’-এর পাল্টা শেখালেন৷ কখনও কখনও পর পর দু-তিনদিন শেখাতেন৷ আবার কখনও একটানা ৪-৫ দিন শেখানোর নামই নিতেন না৷ গজল, ঠুমরি শিখতে গিয়ে ভীষণ ঘাবড়ে যেতাম৷ তিনি বলতেন— ‘শুধু অনুসরণ করো৷’ এইভাবেই চলল৷ তার আগে আমার নিজের সঞ্চয়ের খাতা একেবারে সাদা ছিল৷ উনি যেমন শিখিয়েছিলেন, তেমনি গেয়েছি৷ আজও তাই-ই গাই৷ আমি ওঁর গান ছাড়া আর কিছুই শিখিনি৷ বুঝিনি৷ জানিওনি কোনওদিন৷

    ‘আম্মি’ নিজে আমাকে তাঁর জীবনের গল্প যা যা বলেছিলেন, সেগুলিকেই আমি আজও ধ্রুব সত্য বলে মানি৷ কখনওই আমার কাছে কিছু গোপন করেননি৷ জেনেছি, আম্মির মা একদা ফৈজাবাদে থাকতেন৷ তাঁরা দুই বোন ছিলেন৷ আনোয়ারি ও আখতারি৷ মাত্র দেড় বছর বয়সে আনোয়ারি মারা যান৷ সেই সময়ে তাঁদের চরম দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়তে হয়েছিল৷ নিয়মিত খাবারও জুটত না৷ বিয়েবাড়ি-সহ মহল্লার যে-কোনও অনুষ্ঠানে গিয়ে বসে পড়তেন৷ তবে, তাঁর মা জানতেন আখতারির গানের গলা খুব ভাল৷ সেই সময়ে লক্ষ্ণৌতে ইলিয়াস খাঁ নামে একজন সেতার বাজাতেন, বেগমের বাবার সঙ্গে তাঁর জানাশোনা ছিল৷ তিনি মেয়েকে তাঁর কাছে নিয়ে যান৷ তাঁরই পরামর্শে উস্তাদ ইমদাদ হুসেন খাঁয়ের কাছে গান শেখানোর জন্য তাঁকে ভর্তি করা হয়৷ উস্তাদ ইমদাদ হুসেন খেয়াল শেখাতেন৷ আখতারি কিছুদিন শিখলেন বটে৷ কিন্তু, সেই তালিম বেশিদূর এগোয়নি৷ এরপর ইমদাদ হুসেন বলেন— ‘পাটিয়ালার উস্তাদ আতা মহম্মদ খাঁ খুব ভাল গান শেখান৷ আমি নিজে তাঁর সঙ্গে কথা বলব৷ আখতারিকে গান শেখানোর জন্য অনুরোধ করব৷’ তারপর থেকে খাঁ সাহেব ফৈজাবাদে এসে তাঁদের বাড়িতে থেকে গান শেখানো শুরু করেন৷ আখতারির তখন মাত্র ৮-৯ বছর বয়স হবে৷ ভোর ৪টে থেকে উঠে আলাপ করতেন৷ পাল্টা করতেন৷ আবার বিকেল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত তালিম চলত৷ এইভাবে উস্তাদ আতা মহম্মদ খাঁ সাহেবই তাঁকে প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন৷ এবং খাঁ সাহেব ওঁদের সঙ্গেই রয়ে গিয়েছিলেন৷ আখতারির বিয়ের পর তিনি মুলতানে ফিরে গিয়েছিলেন৷

    আমি যখন তালিম নিচ্ছি তখন লক্ষ্ণৌতে বেগমকে সবাই চিনতেন৷ সেই সময়ে কলকাতাতেও খুবই জনপ্রিয় ছিলেন তিনি৷ একটি গ্রামোফোন কোম্পানির রেকর্ড দিয়ে শুরু করেছিলেন৷ বোধ হয় তার নাম ছিল ‘ঘোষ মেগাফোন কোম্পানি’৷ মাত্র ১৫-১৬ বছর বয়সেই মঞ্চে প্রচুর গান গেয়েছিলেন আম্মি৷ বহু থিয়েটারেও কাজ করেছেন৷ তখনই শ্রীযুক্ত ঘোষ তাঁর গ্রামোফোন কোম্পানির জন্য গান রেকর্ডের অনুরোধ করেন৷ তবে, লক্ষ্ণৌতে তিনি কখনও মঞ্চে প্রকাশ্যে গান গাইতেন না৷ কারণ তিনি তাঁর স্বামীর কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন৷

    বেগমের গানের মধ্যে পাটিয়ালা ঘরানার ছাপ ছিল৷ পাশাপাশি পূর্বী ঘরানাও ছিল৷ যেমন ঠেহরাও ও পুকার৷ ঠুমরিতে এক নতুন ঘরানার জন্ম দিয়েছিলেন আম্মি৷ না তা পূর্বের, না পাটিয়ালার ঘরানা৷ এক মিশ্র গায়কী ঘরানা তৈরি করেছিলেন৷ কণ্ঠস্বর এত মধুর ছিল যে শ্রোতারা সবকিছু ভুলে যেতেন৷ তিনি নিজেও সব ভুলে মনপ্রাণ দিয়ে গাইতেন৷

    বেগম আখতারের আরও দুই শিষ্যা আছেন অঞ্জলি ব্যানার্জি ও রীতা গাঙ্গুলি৷ পরে শুনেছি কলকাতার প্রভাতীও শিখেছেন৷ তবে, প্রভাতী মুখার্জিকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি না৷ অঞ্জলিকে আমি ভাল করে চিনি৷ আমার যখন গান্ডা বাঁধা হয়, প্রায় তখনই ওঁর গান্ডা বাঁধা হয়েছিল৷ রেডিওতেও গাইতেন৷ খুব ভাল গান করেন৷ এখন তিনি নয়ডায় থাকেন৷ খুব একটা প্রকাশ্যে আসেন না৷ রীতা এখনও সক্রিয় আছেন৷ গান গাইছেন৷ তবে, রীতা কবে এবং ঠিক কীভাবে বেগম আখতারের কাছে গান শিখেছেন সেটা কিন্তু আমি জানি না৷ কারণ আমার সামনে ওঁর গান্ডা বাঁধা হয়নি৷ আমি শুনেছি, উনি নাকি শিখেছেন৷ তবে, উনি বেগমের সঙ্গে বহু মঞ্চে একসঙ্গে গান গেয়েছেন৷ গান্ডা বাঁধা শিক্ষা শুরুর এমন একটা অনুষ্ঠান, যেখানে গুরু তাঁর শিষ্য বা শিষ্যার হাতে তাগা বাঁধেন৷ গুরু তাঁর শিষ্যদের গুড়-ছোলা খেতে দেন৷ সেদিন থেকেই আনুষ্ঠানিক গুরু-শিষ্যের সম্পর্ক স্থাপিত হয়৷ এই দিন থেকে একটানা ৪০ দিন তালিম চলে৷ এই ৪০ দিন শিষ্য বা শিষ্যার বাইরে বেরনো চলে না৷

    আমার কাছে সঙ্গীতের সবকিছুই ছিলেন আমার আম্মি৷ যখন আমি প্রথম তাঁকে দেখি৷ আর যেদিন তিনি মারা যান, এর মধ্যে কখনও আমি একবারের জন্যেও তাঁর অবাধ্য হইনি৷ তিনি যা বলেছেন অন্ধের মতো তা-ই করে গেছি৷ আমার পরিবারে কেউ কখনও গান গাইতেন না৷ সবাই লেখাপড়া নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন৷ আমিই একমাত্র গান শিখতাম, গান গাইতাম৷ প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান নিয়ে এম এ পাস করেছিলাম, পড়াশোনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা ছিলাম৷ কিন্তু, আমার মা আমাকে ভাল করে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন যে আমাকে গানই গাইতে হবে৷ আম্মি ও আমার মায়ের মধ্যে নিবিড় বন্ধুত্ব ছিল৷ আমার মা আমাকে নিজে বলেছিলেন, ‘তোমার শিক্ষাগুরুই তোমার মা৷ কখনও অবাধ্য হবে না৷ উনি যা বলবেন শুনবে৷’ আমি তা-ই সারা জীবন ধরে মেনে চলেছি৷ আম্মিও আমাকে মেয়ে বলেই মনে করতেন৷ আমার ব্যাপারে কখনও খারাপ কিছু ভাবতেই পারতেন না৷ কেউ যদি বলতেন, এই মেয়েটিকে আমার কাছে রেখে যান আমি গান শিখিয়ে দেব৷ আম্মি বলতেন, না৷ এ আমার বেটি৷ এর কিছু হলে আল্লাহর কাছে মুখ দেখাতে পারব না৷ আমাকে নিজের সম্পদ ভাবতেন৷ অনেক সময় মাসের পর মাস অনুষ্ঠানের জন্য আমি আম্মির সঙ্গে লক্ষ্ণৌ-এর বাইরে থেকেছি৷ তা নিয়ে আমার পরিবারের কেউ কখনও কোনও প্রশ্ন করেনি৷ আজ আমি যতটুকু গাইতে পারি, সবই তাঁর আশীর্বাদের জন্য৷ এখন আমরা যেভাবে গান গাইতে শেখাই, তখন কিন্তু তেমনটা ছিল না৷ শিক্ষাগুরুর গাওয়া দেখে দেখে শিখতে হত৷ আমিও তাই করেছি৷ ওই গান গাইতে গাইতেই কখন যে ওঁর সঙ্গে আত্মার বন্ধনে জড়িয়ে গেছি বুঝতেই পারিনি৷

    লক্ষ্ণৌতে বেগম আখতার-এর রামপুরের নবাবের প্রাসাদে যাওয়া এবং সেখানকার বহু অলঙ্কার নিয়ে চলে আসা নিয়ে বহু চর্চা আছে৷ এসবের বেশিরভাগটাই মিথ্যে৷ জনপ্রিয় গুজব৷ আসলে সে-সময় নবাব, রাজা ও জমিদাররা সঙ্গীতশিল্পীদের মাসোহারা দিয়েই রাখতেন৷ তা না হলে সেই সময়ের শিল্পীরা জীবনযাপন করতেন কীভাবে? রামপুরের নবাব আহমেদ রজা যখন আখতারির গান শুনলেন, তখন মুগ্ধ হয়ে তাঁকে ডেকে পাঠালেন৷ এবং নিজের মহলে ঘর দিলেন৷ আখতারি ও তাঁর মায়ের থাকা-খাওয়া-সহ সমস্ত কিছুর বন্দোবস্তও করলেন৷ নবাব মাঝেমাঝে তাঁর গান শুনতেন৷ নবাবদের যেমন হয়, প্রায়শই নানা উপহার দিতেন৷ তার ওপর রজা সাহেব নিজেও খুব ভাল কম্পোজিটর ছিলেন৷ নিজে গান গাইতেনও৷ আম্মির একটা বিখ্যাত গান ‘তুম যাও যাও মু সে না বোলো সওতনকে’, এই গানটির কম্পোজিশন করেছিলেন রজা সাহেব৷ অন্যদিকে, আম্মিজিরা ছিলেন পেশাদার শিল্পী৷ ফলে যে যা উপহার দিতেন এঁরা সেগুলো নিতেন৷ তাই বলে কখনও লুটপাট করে কিছু নিয়ে নেওয়ায় বিশ্বাসী ছিলেন না৷ নবাব রজা আলি খুশি হয়ে রুপোর পানদান, দামি আয়না ইত্যাদি উপহার দিয়েছিলেন৷ সেগুলি আমিও দেখেছিলাম৷ কিন্তু, সেই আমলের ন’লাখি হার নিয়ে আসার যে-কথা লোকমুখে শোনা যায়, তা মোটেই সত্যি নয়৷ চলচ্চিত্র-পরিচালক মেহবুবের ‘রোটি’ সিনেমায় গান করার জন্য আম্মি রামপুর থেকে বম্বে গেলেন, তারপর আর কখনও রামপুরে ফেরেননি৷

    আম্মির বিয়েও হয়েছিল লক্ষ্ণৌতে৷ এক সময় বম্বেতেও অনেক বছর ছিলেন৷ মালাবার হিলস-এর বাড়িতে৷ কিন্তু, তিনি আবার গানেই ফিরতে চাইছিলেন৷ সিনেমার সবকিছু ছেড়ে উস্তাদ ওহিদ খাঁয়ের কাছে খেয়াল শিখতে শুরু করেন৷ এইসময় লক্ষ্ণৌয়ের একটি থিয়েটারে আব্বাসি সাহেবের সঙ্গে আলাপ হয়৷ তিনি কাকুরির তালুকদার ছিলেন৷ আব্বাসি সাহেব লন্ডন থেকে পড়াশোনা করে আসা একজন ব্যারিস্টারও ছিলেন৷ তিনি আম্মির গানের খুবই ভক্ত ছিলেন৷ বিয়ের শর্ত রাখেন, বিয়ে করতে হলে গান গাওয়া চলবে না৷ বিশেষ করে লক্ষ্ণৌতে তো নয়ই৷ শুনেছি এই শর্তে এককথায় রাজি হয়ে গিয়েছিলেন আখতারি৷ ৭ বছর আর গান করেননি৷ কারণ, তিনি তখন বাইরের ব্যস্ত-জীবনে ক্লান্ত হয়ে উঠেছিলেন৷ সাংসারিক জীবনে প্রবেশ করতে চাইছিলেন৷ বেগম সঈদা রাজা নামে এক মহিলার সেই বিয়ের আয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল৷ তিনি একজন সুবক্তা সরকারি আধিকারিক ছিলেন৷ লক্ষ্ণৌ রেডিওতে উর্দু বিভাগে জনপ্রিয় সংবাদ পাঠিকা ছিলেন সঈদা৷ আম্মির সঙ্গে তাঁরও খুব ভাল বন্ধুত্ব ছিল৷ সঈদা আপা এক আই এ এস অফিসার মিঃ রাজার স্ত্রী ছিলেন৷ স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি মিঃ আহমেদকে বিয়ে করেন৷ তিনিই আব্বাসি সাহেবের সঙ্গে আম্মির বিয়ে দিয়েছিলেন৷ এই ব্যাপারটা বিস্তারিত বলতে চাই না৷ এটা ওঁর একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়৷ তবে, বিয়ের পর লক্ষ্ণৌয়ে হ্যাভলক রোডের একটি বাড়ি কিনে দিব্যি সুখে সংসার করছিলেন তাঁরা৷ ওঁর মা থাকতেন চিনা বাজারে, নিজেদের বাড়িতে৷ ১৯৫০ সালে ওঁর মা মারা যাওয়ার পর ভীষণ ভেঙে পড়েন আম্মি৷ তখন ওঁর স্নায়বিক সমস্যাও দেখা দিয়েছিল৷ আব্বাসি সাহেবকে চিকিৎসকরা বললেন, ওঁকে গান গাইতে দিন৷ না হলে উনি পাগল হয়ে যাবেন৷ ১৯৫০ সালের পর আবার গান শুরু করলেন আম্মি, রেডিও লক্ষ্ণৌতে৷ লক্ষ্ণৌ রেডিওতে সুনীল বোস ছিলেন৷ তিনিও সাহায্য করেছিলেন৷ ‘৫২-তে আম্মির সঙ্গে আমার প্রথম দেখা হয়েছিল৷ তখনও দেখেছিলাম, আব্বাসি সাহেবের সামনে তিনি গান গাননি৷ আব্বাসি সাহেব কোর্টে বেরিয়ে যাওয়ার পর আম্মি গান গাইতে বসতেন৷ তিনি তাঁর প্রতিজ্ঞা রেখেছিলেন৷

    প্রথমে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে মেনে না নিতে পারলেও জীবনের নানা সমস্যার মধ্যে থেকেও তাঁদের সবারই মন জয় করেছিলেন তিনি৷ নিজের মমতা, ব্যক্তিত্বের মাধুর্য ও সহানুভূতির মাধ্যমে ‘আখতারি বাঈ’ থেকে ধীরে ধীরে ‘বেগম আখতার, এবং সেখান থেকে ‘আম্মি’ এবং ‘আচ্ছি আম্মি’ হয়ে উঠেছিলেন তিনি৷

    উঁচুমানের দক্ষ তবলিয়া মুন্নে খাঁকে নিয়ে অনেক গল্প শোনা যায়৷ আজও মনে আছে, একদিন, শামিম নামে একটি মেয়ের সঙ্গে আমার আলাপ করিয়ে আম্মি বলেছিলেন, তিনি তাঁর দূরসম্পর্কের বোন৷ পরে আম্মির তবলিয়া মুন্নে খাঁয়ের সঙ্গেই তাঁর বিয়ে হয়৷ এই মুন্নে খাঁ আম্মির গান খুব সমঝদারির সঙ্গে বুঝতেন৷ আম্মির সঙ্গে ওঁর খুব ভাল তালমিল ছিল৷ আম্মিই নিজের উদ্যোগে শামিমের বিয়ে দিয়েছিলেন মুন্নে খাঁয়ের সঙ্গে৷ মুন্নে খাঁ আম্মির সঙ্গে সব সময় থাকতেন৷ বম্বেতে থাকাকালীন সেখানেও তিনি আম্মির সঙ্গে ছিলেন৷ পরে শামিমের সঙ্গে তাঁর যখন বনিবনা হল না তখন তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়৷ কিন্তু, তার পরেও মুন্নে খাঁ প্রায়শই আম্মির কাছে আসতেন৷

    আম্মির জীবনে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার ক্ষেত্রে বেগমের মা মুস্তারি বাঈয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল৷ আম্মির তো সেই অর্থে মামা, চাচা, দাদা, বাবা কেউই ছিলেন না৷ মা-ই ওঁর জীবন ছিল৷ সেই কারণেই আম্মি তাঁর মাকে হারিয়ে একেবারে ভেঙে পড়েছিলেন৷

    ৭ বছর তিনি অনুষ্ঠানের গান থেকে দূরে ছিলেন৷ এই সময় তিনি কেবল লক্ষ্ণৌ-এর রেডিওতেই গাইতেন৷ কিন্তু, তখন তাঁদের সংসারের বিপুল খরচ জোগানোর কোনও উপায় ছিল না৷ শম্মোর (শামিম) ১২টি সন্তান ছিল৷ আব্বাসি সাহেবও অবসর নেওয়ার পর আরও টানাটানি চলছিল৷ তখনও তিনি সব মুখ বুজে কত কিছু সহ্য করেছেন! কিন্তু অনবরত গান গেয়েছেন৷ সবার সব খরচ জুগিয়েছেন৷ সকালে গাড়ি এসে ওঁকে স্টুডিওতে নিয়ে যেত আবার ছেড়ে দিয়ে যেত৷ এইভাবেই চলত৷

    অনেক পরে দিল্লিতে কনস্টিটিউশন ক্লাবে শঙ্করলাল ফেস্টিভ্যালে প্রথম আমাকে নিজের সঙ্গে গান গাইয়েছিলেন৷ আজও ওঁর গান ছাড়া আর কারও গানই আমার ভাল লাগে না৷ আমি যেন ওঁর পাপোশ হয়েও কত শান্তিতে ছিলাম৷ আজ সঙ্গীতের অনেক কিছুই ভাল লাগে না৷ আম্মিকে ছাড়া আমি আজও কিছুই ভাবতেই পারি না৷

    অনেক গানের স্মৃতি আজও মনের মধ্যে ঘুরে বেড়ায়৷ দাদরা, ঠুমরি, কাজরি ইত্যাদির মধ্যে ঠুমরিতে ‘আবকে শাওন ঘর আয়া’ গানটা আমার চিরকালই বড্ড ভাল লাগে৷ গানটা শুনলেই আজও আমার সব পুরনো স্মৃতি মনে পড়ে যায়৷ সব্বাই জানেন, কাজরি বর্ষার গান৷ ‘বরষণ লাগি শাওয়ন বুন্দিয়া’ শুনলে বুক কেঁপে ওঠে৷ দাদরায় ‘শাম বিনা লাগে না আঁখিয়া হামার’৷ গজলে ‘দিলকি বাত কহি নেহি যাতি’৷ প্রত্যেকটি গানের মধ্যেই জীবনদর্শনের প্রতিফলন আছে৷ প্রত্যেকটি গান মন ছুঁয়ে যায়৷ আমি কখনও বুঝতে পারতাম না উনি কখন কী গাইবেন! উনি নিজেও বোধহয় মঞ্চে উঠেও জানতেন না কী গাইবেন৷ হঠাৎ যা খুশি শুরু করে দিতেন৷ ফলে ওঁর সঙ্গে গান গাওয়া সর্বদা খুবই ভয়ের বিষয় ছিল৷

    অনেক স্মৃতি আজও অক্ষয় হয়ে আছে৷ যে ঘটনাগুলো মনে পড়ে, তার মধ্যে অন্যতম হল অনেক সময় উনি কখনও কখনও গান গাইতে শুরু করেই হাউহাউ করে কাঁদতেন৷ আমি অবাক হয়ে যেতাম৷ অনেক প্রশ্নও করতাম৷ কী হয়েছে জানতে চাইতাম৷ উনি কিন্তু কিছুই বলতেন না৷ কিছুক্ষণ পরে আবার গাইতেন৷ এখন বুঝি, ওঁর জীবনে বহু দুঃখ ছিল৷ গান গাইতে শুরু করলেই সেই দুঃখ জীবন্ত হয়ে জেগে উঠত৷ তিনি তথাকথিত শিক্ষিত ছিলেন না৷ কিন্তু, শিল্পী হিসেবে শ্রোতাদের মন ছুঁয়ে যেতে ওঁর কোনও জুড়ি ছিল না৷ অনেক সময় অকারণে রেগে যেতেন৷ খেপে উঠতেন৷ কেঁদে ফেলতেন৷ প্রকৃত শিল্পীর মতোই আবেগপ্রবণ ছিলেন৷

    অনেক মজার কথাও মনে পড়ে৷ উনি সাধারণত অন্যের কম্পোজ করা গান গাইতেন না৷ নিজেই কম্পোজ করে নিতেন৷ আশ্চর্যজনকভাবে, তাৎক্ষণিক দক্ষতায় কম্পোজ করতে পারতেন৷ বিস্ময়কর গায়নদক্ষতার জন্য মনে হত, সেই গজলটি যেন ওঁর জন্যেই লেখা হয়েছে৷ একবার আমরা বম্বে থেকে লক্ষ্ণৌতে ফিরে আসছি৷ উনি ট্রেনেই যাতায়াত করতেন৷ স্টেশনে ট্রেন ছেড়ে দেওয়ার পর দৌড়ে এসে প্রখ্যাত গজল লিখিয়ে শাকিল বদায়ুনি একটা চিরকুট দিয়ে গেলেন৷ বললেন, এই গজলটা আমি আপনার জন্যই লিখেছি৷ আম্মি সেই চিরকুটটা আমার হাতে দিয়ে বললেন হাতব্যাগে ঢুকিয়ে রাখতে৷ ওঁর হাতব্যাগটা ছিল যেন প্যান্ডোরার বাক্স৷ দুনিয়ার সবকিছুই থাকত সেটার মধ্যে৷ ট্রেনে সবসময় প্রথম শ্রেণীতে যাতায়াত করতেন৷ একসঙ্গে সেই কামরার ৪টি আসনই বুক করতেন৷ নিজস্ব গোপনীয়তার দিকটা সতর্কতার সঙ্গে খেয়াল রাখতেন৷ অসম্ভব ধূমপায়ী ছিলেন৷ উনি চাইতেন উনি শুয়ে থাকবেন, আর আমি ওঁর পা টিপে দেব৷ খুব সকালে উঠে চা খাওয়ার অভ্যেস ছিল৷ শাকিলজির গজলটার কথা বলছিলাম, ভোপালে পৌঁছে চা খেয়ে আমাকে বললেন চিরকুটটা বের করে দিতে৷ সঙ্গে একটা ছোট্ট বাদ্যযন্ত্র ছিল৷ সেটিকে বের করে চিরকুটটা হাতে নিয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই গেয়ে উঠলেন, ‘এ মহব্বত তেরে আনজাম পে রোনা আয়া’৷ সেই বিখ্যাত গজলের সৃষ্টি হল৷ আমি অবাক বিস্ময়ে সেদিন তাঁর সেই ঐশ্বরিক ক্ষমতার সাক্ষী হয়েছিলাম৷

    সেবার মাঝরাতে তাঁর সিগারেট ফুরিয়ে গেছে৷ তিনি সিগারেট ছাড়া থাকতেই পারতেন না৷ রাতে কোনও এক অজানা স্টেশনে ট্রেন দাঁড়িয়েছে৷ উনি বললেন, দেখ কোথায় সিগারেট পাওয়া যায়৷ আমি বললাম, এত রাতে সিগারেট, কোথায় যাব? আশপাশে তো কোনও দোকানও দেখছি না৷ ট্রেন ছাড়বে ছাড়বে করছে৷ দূরে গার্ড লণ্ঠন হাতে দাঁড়িয়ে সিগনাল দিচ্ছেন৷ উনি আমাকে বললেন— ‘এদিকে আয়, বুদ্ধু কোথাকার!’ ট্রেনের দরজা থেকে মুখ বের করে গার্ডকে হাঁক দিলেন, ‘ওরে আমার ভাই, এদিকে আয়৷’ বেচারা গার্ড মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা ছিলেন৷ গার্ড এসে সবিনয়ে জানতে চাইলেন, কোনও সমস্যা হয়েছে? উনি বললেন, সিগারেট শেষ হয়ে গেছে৷ এখানে কোথাও সিগারেট পাওয়া যাবে? গার্ড সাহেব জানিয়ে দিলেন— ‘এখানে কোথাও সিগারেট পাওয়া যাবে না৷ অনেক দূর যেতে হবে৷ ট্রেন ছেড়ে দেবে৷’ গার্ডের দু-হাতে থাকা লাল-সবুজ পাতাকা এবং লণ্ঠন কেড়ে নিলেন আম্মি৷ আশীর্বাদক ভঙ্গিতে বলতে শুরু করলেন— ‘তোমার ছেলেমেয়ের ভাল হোক৷ তোমার ভাল হোক বাবা৷’ তাঁর হাতে ২০০ টাকা গুঁজে দিয়ে বললেন, ‘সিগারেট এনে দে বাবা৷’ হঠাৎ দেখলাম, ম্যাজিকের মতো ঘটনাটা ঘটে গেল৷ সেই টিপিক্যাল পাথরমুখো গার্ড ভদ্রলোকই দৌড়ে গিয়ে কোথা থেকে সিগারেট এনে দিলেন৷ তারপর ট্রেন চলল৷

    খাবার বানাতে খুব ভালবাসতেন৷ তবে, উনি খাবার বানালে বিকেল ৪টের আগে খাবার মিলত না৷ বড্ড খুঁতখুঁতে ছিলেন৷ নতুন কড়াই, নতুন বাসনপত্র এনে তারপর রান্না বসাতেন৷ আমাদের পেটে ছুঁচো দৌড়লেও কারও কিচ্ছু বলার উপায় ছিল না৷ তবে হ্যাঁ, সত্যি বললে, সেই বিলম্বিত লয়ে পাকানো খানাও ছিল ওঁর গানের মতো অতুলনীয়৷

    মাত্র ৬০ বছর বয়সে মারা গেছেন৷ আরও বেশি বয়সে ওঁর মৃত্যু হলে জীবনকাহিনী কী হত জানি না৷ আম্মি যাঁদের জন্য নিজের সবকিছুই বিলিয়ে দিয়ে গেছেন তাঁরাও তাঁকে দেখতেন কিনা আমার সন্দেহ ছিল৷ শেষের দিকে আমি দিল্লিতে, উনি লক্ষ্ণৌতে থাকতেন৷ আমার পক্ষেও ওঁর সঙ্গে দেখা করা মুশকিল হত৷ তবে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত উজ্জ্বল ভাবমূর্তি নিয়েই উনি চলে গেছেন৷ এটাই ভাল হয়েছে৷

    পদ্মশ্রী উপাধি পাওয়ার পর আমি আম্মির সমাধিস্থল সংরক্ষণে জোর দিই৷ সেজন্য জমির প্রয়োজন ছিল৷ একটি গম খেতের পাশে ওঁর সমাধিস্থল করেছিলেন ওঁরা৷ সেখানে সংরক্ষণ করতে যেতে ওঁর স্বামীই আপত্তি করলেন৷ বললেন, বেগম শাম্মোর ছেলেমেয়েদের জন্য নাকি ওই গম খেত রেখে গেছেন৷ শাম্মোর ৩ স্বামীর ১২-১৩ জন ছেলেমেয়ে আম্মির সমাধিস্থলের আশপাশের সব জমি নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে বিক্রি করে দিয়েছেন৷ সেখানে পৌঁছনোর কোনও রাস্তা ছিল না৷ অন্যের বাড়ির ছাদে উঠে আম্মির সমাধিস্থল দেখতে হত৷ এই কাজে আমি লক্ষ্ণৌ-এর সেলিম কিদোয়াই ও মাধবী কুকরেজার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সম্পূর্ণ সাহায্য পেয়েছি৷ ২০০৮-০৯ সাল থেকে তথ্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের কাছে বহু দরবার করে শেষমেশ আমার আম্মি বেগম আখতারের সমাধিস্থল সংরক্ষণের জন্য বরাদ্দ আদায় করেছি৷ সংরক্ষণ করতেও সক্ষম হয়েছি৷ এই কাজে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের দুই সচিব মিঃ ব্যানার্জি ও মিঃ সরকার সবরকমভাবে আমাদের খুবই সাহায্য করেছিলেন৷

    এ বছর বেগম আখতারের জন্মশতবার্ষিকী পালিত হচ্ছে৷ অসামান্য শিল্পীদের কখনও কোনও তুলনা পাওয়া যায় না৷ তেমনই বেগম আখতার আর কেউ হতে পারবেন না৷ যতই আমার কণ্ঠস্বর ওঁর সঙ্গে মিলুক না কেন, উনি উনিই৷ আমি অত্যন্ত ভাগ্যবান৷ উনি ছিলেন আমার মা, আমার পথপ্রদর্শক, আমার গুরুমা৷ শিক্ষাগুরুর সঙ্গে নিজের নাম জুড়ে যাওয়ার মতো সৌভাগ্য জীবনে কতজনের হয়! এখন একটাই প্রার্থনা, যে ক’দিন বেঁচে আছি আম্মির নামের সঙ্গেই জড়িয়ে থাকতে চাই৷ জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত৷

    অনুলিখন: রাজীব চক্রবর্তী

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমান্না দে – সম্পাদনা অলক চট্টোপাধ্যায়
    Next Article উটকো সাংবাদিকের ডায়েরি – অশোক দাশগুপ্ত

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }