Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বেগম আখতার – অলক চট্টোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প179 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বেগম আখতার এবং তাঁর সমকালীন শিল্পী ও উর্দু কবিদের প্রসঙ্গে – এস কালিদাস

    কী করে, ঠিক কোন ভাষায় বেগম আখতারকে তাঁর সমসাময়িক শিল্পীদের সঙ্গে তুলনা করা যায়? বিশেষ করে সিদ্ধেশ্বরী দেবী বা রসুলন বাঈয়ের কথা যদি মনে পড়ে? একথা ঠিক তাঁদের সঙ্গে বেগম আখতারের গায়নভঙ্গিরও কিছু মিল আছে৷ এটাও সত্যি যে তাঁরা প্রায় একই ধরনের সামাজিক-সংস্কৃতি থেকে গানবাজনার জগতে এসেছিলেন৷ গানও গাইতেন প্রায় একই ধরনের লঘু-উচ্চাঙ্গসঙ্গীত৷ অর্থাৎ ঠুমরি, কাজরি, চৈতি, দাদরা এবং গজল৷ তবে এটাও মনে রাখতে হবে সিদ্ধেশ্বরী ও রসুলন গজল বিশেষ গাইতেন না৷ সেই দিক থেকে গজলই ছিল বেগমের নিজস্ব দক্ষতার আসল ক্ষেত্র৷ বেগমের স্বামী আব্বাসি সাহেব তাঁর প্রতিভাময়ী স্ত্রীর গানের ভুবনে, বিশেষ করে গজলের জন্য উপযুক্ত গানের কথা নির্বাচনের প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন৷ তিনি তাঁর শিক্ষাদীপ্ত যোগ্যতায় উচ্চমানের উর্দু কবিতার নির্বাচনে বেগমকে সাহায্য করতেন৷ বেগম তাঁর সহজ-সুন্দর শিল্পীর আচরণে উর্দু ভাষার কবি ও লেখকদের সঙ্গে বন্ধুত্ব স্থাপন করেছিলেন৷ শীলা ধর একদা এই প্রসঙ্গে বলেছিলেন— ‘বেগম আখতারকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করেছিল তাঁর নিজস্ব সাঙ্গীতিক মেজাজ৷ এবং এই কথাটা বিন্দুমাত্র বাড়াবাড়ি নয়৷’ নিজের বক্তব্যের সমর্থনে শীলা আরও বলেছিলেন— ‘সঙ্গীতশিল্পীরা নিশ্চয় আমার সঙ্গে একমত হবেন এবং স্বয়ং সিদ্ধেশ্বরীজি এই সত্য নিজেও জানতেন যে, বেগম আখতার ছোট্ট সময়ের পরিসরেও এক অসাধারণ সাঙ্গীতিক জাদু দেখাতে পারতেন৷ বেগমের গান সরল সৌন্দর্যের এক তুলনাহীন উদাহরণ প্রতিষ্ঠা করত৷ শ্রোতাদের সামনে বেগম এই অসাধারণ প্রাণবন্ত সঙ্গীত অনায়াসে পরিবেশন করতেন৷’

    সিদ্ধেশ্বরী দেবী ও রসুলন বাঈ—এই দুজনের মধ্যে আখতারির সঙ্গে রসুলনের সখ্য ছিল গভীরতর৷ রসুলন আখতারির সঙ্গে কয়েকবার লক্ষ্ণৌতে বসবাসও করেছিলেন৷ অন্যদিকে সিদ্ধেশ্বরী দেবী, যাঁকে সহজ স্বীকৃতিতে ‘কুইন অফ বেনারস’ বলা যায়, তিনি প্রকৃত অর্থেই অনেক বেশি তালিম পেয়েছিলেন৷ শুধু তা-ই নয়, তাঁর গানের নিবেদনভঙ্গিও ছিল অনেক বেশি সিরিয়াস৷ তাঁর গান শুনলেই বোঝা যেত তিনি উত্তর ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের ব্যাকরণগত দিকটা সম্পর্কেও অধিকতর পারদর্শী৷ বেগম ও সিদ্ধেশ্বরীর প্রতিদ্বন্দ্বিতাও সেই সময়ের এক স্বীকৃত লড়াই ছিল৷ বস্তুত, একথাও বলা যায়, বেগম আখতার ও সিদ্ধেশ্বরী দেবী—দুজনে যেন লঘু উচ্চাঙ্গসঙ্গীতের মধ্যে পুরব অঙ্গের গায়কির দুই পৃথক মেরু৷ এ প্রসঙ্গেও শীলা ধরের মন্তব্য মেনে নিতেই হয়— ‘রসুলন হচ্ছে একেবারে প্রাচীন মদ্যর মতো, একই সঙ্গে মসৃণ ও গভীর সৌন্দর্যের আধার৷ অন্যদিকে সিদ্ধেশ্বরী যেন স্বর্গের পাখি, যে প্রবল আবেগ ও অফুরন্ত উদ্যমে স্বর্গের দিকেই উড়ে চলেছে৷ তুলনায় বেগম আখতারের সাঙ্গীতিক নিবেদনের কৌশল অনেক সূক্ষ্ম৷ তাঁর গানের নিয়ন্ত্রণ সর্বদাই এক আভিজাত্যের প্রকাশ৷’

    সেলিম কিদওয়াই একদা আমাদের বেগম আখতারের সঙ্গে তাঁর সময়ের বিখ্যাত উর্দু কবি জিগর মোরাদাবাদী বা শাকিল বাদায়ুনি (যাঁদের কবিতা তিনি অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিজের হৃদয়স্থিত আনন্দ-বেদনার গজল হিসেবে পরিবেশন করতেন) সম্পর্কে উচ্ছ্বাসের কথা জানিয়েছিলেন৷ আমরা সকলেই জানি, গীতিকার বেহজাদ তো প্রায় বেগমের সভাকবির মতো স্বীকৃতি পেয়েছিলেন৷ জনপ্রিয়তার প্রশ্নে বেগম আখতারের সবচেয়ে বিখ্যাত গজল— ‘দিওয়ানা বনানা হ্যায় তো দিওয়ানা বনা দে’ শুনে মনে হয় গানটা বিশেষ ভাবনায় তাঁর জন্যই লেখা৷ সেলিম জানিয়েছিলেন, একদিন আমি তাঁর সঙ্গে ফিরাক গোরখপুরীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম৷ তিনি দিল্লির পাহাড়গঞ্জ এলাকায় একটা ছোট্ট হোটেলে থাকতেন৷ বেগম তার আগের রাতে তাঁর লেখা গজল একটা মেহফিল-এ পরিবেশন করেছিলেন এবং তারই রেকর্ডিং গোরখপুরীর জন্য নিয়ে গিয়েছিলেন৷ একই সঙ্গে বেগম আখতার কাইফি আজমিরও খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন৷ দুজনের মধ্যে যথেষ্টই কৌতুক-পরিহাসের সম্পর্ক ছিল৷ এঁরা ছাড়া আরও অনেক উর্দু কবি ছিলেন যাঁরা সেই আমলে কেবল বেগম আখতারের জন্য কবিতা লিখেই পরিচিতি পেয়েছিলেন৷’

    কথায় কথায় সেলিম কিদওয়াই বেগমের মানসিকতা নিয়ে আরও বলেছিলেন— ‘একজন কবির খ্যাতি ও প্রতিষ্ঠার প্রত্যক্ষ নির্মাতা হিসেবে তিনি কি কখনও দম্ভ করতেন? কখনও না৷ তাঁর চরিত্রে কোনওরকম দাম্ভিকতার ছোঁয়া মাত্র ছিল না৷ যদি তাঁর মনে গর্ব বা অহঙ্কার থেকেও থাকে, তিনি কক্ষনো তা প্রকাশ করেননি৷ কিন্তু এটাও সত্যি কথা, যদি স্বয়ং বেগম আখতার কোনও কবির কবিতা গজল হিসেবে পরিবেশন করেন তাহলে সেই কবির আর কী চাওয়ার থাকতে পারে?’

    একজন অপরিচিত প্রেমিকের শোকের কবিতা

    ভালবাসা সত্যিই বাঁচায় এবং মারে৷ অসহায় হাসমত ভালবেসে মরার এটা আরও একটা উদাহরণ৷ শোনা যায় অবিন্যস্ত আলুথালু চুলের এই ভবঘুরে ভালবাসাপাগল নাকি একদা অযোধ্যার এক প্রতিষ্ঠিত পরিবারের সন্তান ছিল৷ ঠিক কোথা থেকে, কবে এই হাসমত লক্ষ্ণৌ এসেছিল তা কেউই ঠিকঠাক জানেন না৷ যখন হাসমত এই দুনিয়ার বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে স্বাভাবিক জ্ঞানের অধিকারী ছিল, তখন সেই পুরনো লক্ষ্ণৌয়ের রাস্তায় লেবু, রসুন, পেঁয়াজ, কাঁচালঙ্কা ইত্যাদি বিক্রি করত৷ এবং সেগুলো কোনও সাধারণ লঙ্কা, লেবু, পেঁয়াজ নয়, কারণ সেই হাসমত নাকি পুরনো লক্ষ্ণৌয়ের রাস্তায় গানের গলায় চেঁচিয়ে ফেরি করত— ‘আখতারি কী বাগকে নিম্বু লে লো, আখতারি কী বাগকে রসুন লে লো৷’ খুব স্বাভাবিকভাবে এই প্রায়-পাগলের খবর বেগম আখতারের কানেও পৌঁছেছিল৷ তিনি একই সঙ্গে মজাও পেতেন আবার বিভ্রান্তও হতেন৷ কারণ এটা তাঁর প্রত্যাশার বাইরে ছিল৷ কিন্তু বেগম আখতারের ব্যারিস্টার স্বামী তখন লক্ষ্ণৌয়ের একজন প্রতিষ্ঠিত, অভিজাত ব্যক্তিত্ব৷ তিনি হাসমত-এর এই আচরণে স্বাভাবিকভাবে হতচকিত ও অপদস্থ হয়েছিলেন৷ তাঁর নির্দেশে বাজারের গুন্ডারা নাকি হাসমত-কে কয়েকবার মারধরও করেছিল৷ কিন্তু যে-পৃথিবী মনের, ভালবাসার, সেখানে সম্পূর্ণ নিবেদিতপ্রাণ হাসমতকে কে থামাবে! সে তার নিজের মতোই একই মেজাজে তার কাজ করত৷ নিজের মেজাজে নিষ্কাম প্রেমিক হিসেবে সে বেগম আখতারের মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের প্রতি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করেছিল৷

    ১৯৭৪-এর ৩০ অক্টোবরের রাতে বেগম আখতারের দূর আমেদাবাদে ঘটে যাওয়া আকস্মিক মৃত্যুসংবাদ হাসমত জেনেছিল অল ইন্ডিয়া রেডিওর খবরে৷ এবং সেই মুহূর্তেই তার চারপাশের নিজস্ব বাস্তবিক জগতে এক প্রবল আলোড়ন শুরু হয় এবং সে তৎক্ষণাৎ স্নায়বিক অসুস্থতায় ভুগতে আরম্ভ করে৷ প্রায় সঙ্গে সঙ্গে বেশ কয়েক টুকরো কাঠকয়লা জোগাড় করে রাস্তায় বড় বড় অক্ষরে লিখতে শুরু করে ‘হায়! আখতারি!’ সে পুরনো লক্ষ্ণৌ-এর রাস্তার পথচারীবৃন্দ সেই লেখা অবাক হয়ে দেখতে থাকেন৷ হাসমত যখন চৌক (একদা যেখানে লক্ষ্ণৌ-এর গণিকারা থাকতেন) এলাকায় নেশাগ্রস্ত মাতালের পদচারণায় ঘুরছিল, তখন তার উচ্চকণ্ঠের আওয়াজে কবি বেহজাদ-এর সেই বিখ্যাত রচনা শোনা যাচ্ছিল—

    দিওয়ানা বনানা হ্যায় তো দিওয়ানা বনা দে,
    বরনা কাঁহি কিসমৎ তুমহে মুঝ সা না বানা দে
    অ্যায় দেখনা ওয়ালো মুঝসে হাঁস হাঁসকে না দেখো,
    তুমকো ভি মুহাব্বত কাঁহি মুঝ সা বনা দে,
    হামারি আতারিয়া পে আও সাঁবিরিয়া,
    দেখা-দেখি বালম হুই যায়ে৷

    পথচারীদের হয়ত মনে হচ্ছিল গানের এই পঙক্তিগুলো স্বয়ং আখতারি এসে হাসমতের মনের কানে বলে যাচ্ছেন৷ হাসমত সেই এলোমেলো পদক্ষেপে যখন দোদুল্যমান জুঁই আর গোলাপের ‘গজরা’ পেরিয়ে যাচ্ছিল, তখন সেই রাতের আঁধারে আখতারির গজলের অন্য এক পঙক্তি হাসমতের গলায় বেজে উঠল—

    ‘রাজাজি সোওতান কে লম্বে লম্বে বাল,
    উলঝ মাৎ জানা হো রাজাজি’

    অনেক পরে, গভীর রাতের স্তব্ধ প্রহরে হাসমতকে পথের ধারের একটা পরিত্যক্ত হাভেলির নড়বড়ে সিঁড়িতে উঠতে দেখা গিয়েছিল৷ সেখানেই নাকি এক ধরনের প্রহরীর কাজও করত৷ তার সঙ্গেই সেখানে শুয়ে থাকত একটা ছাগল৷ পরবর্তী ইদের জন্য সে ক্রমাগত মোটা হচ্ছিল৷ হাসমত তার কানেও একটা দাদরা শুনিয়ে দিল— ‘বহুৎ দিন বিতে সাইয়াঁ কো দেখে’৷ এবং পরের দিন থেকে লক্ষ্ণৌতে আর কেউ কখনও হাসমত-এর গলা শুনতে পায়নি৷

    কিছু নিজস্ব পছন্দ

    ঠুমরি

    ননদিয়া কাহে মারে বোল

    রাগ খামাজ-এর ওপর নির্মিত এটা এক পুরনো, প্রচলিত ঠুমরি৷ বেগম আখতার পুরব অঙ্গের গায়কিতে গাইতেন৷ প্রতিটি শব্দের উচ্চারণে বিস্তারিত ধীরগতির মেজাজে রাগের চরিত্র প্রতিষ্ঠিত হত৷ বেগমের নিজস্ব, নিখুঁত সুন্দর ও সূক্ষ্ম সাঙ্গীতিক কল্পনাশক্তির ছবিও সেই গানে ফুটে উঠত৷

    কাজরি

    ছা রহি কালি ঘটা

    বর্ষার গান হিসেবে এই কাজরিটি বেগম আখতারের নিজেরও খুব পছন্দ ছিল৷ গানটাকে এতটাই পছন্দ করতেন যে কয়েক দশক ধরে উনি এর নানা চেহারায় গেয়ে রেকর্ড করেছিলেন৷ এটি এক অতুলনীয় গান৷ মেঘমায়ায় আলোড়িত বর্ষায় গীত এই গানে বিরহপীড়িত ভালবাসার ছবি সুরে ও গায়নভঙ্গিতে স্মরণীয় করে রাখা বোধহয় শুধু বেগম আখতারের পক্ষেই সম্ভব ছিল৷

    দাদরা

    জারা ধীরে সে বোলো কোই শুন লেগা

    রাগ ‘গারা’-র ওপর সুরারোপিত এই দাদরা যেন তীব্র সুগন্ধের ঝাঁঝালো ফুলের মতো একটা গান৷ নির্লজ্জ প্রেমিকার প্রেমের বহিঃপ্রকাশে নাটকীয় এই গানটি শুধুমাত্র বেগমের জন্যই লিখে দিয়েছিলেন কবি শামিন জয়পুরী৷ বেগমের মাদকতাময় কণ্ঠে মোহগ্রস্ত হয়ে মুগ্ধ হওয়ার মতো গান৷

    কোয়েলিয়া মাৎ কর পুকার

    বেগম আখতারের শিল্পীজীবনের প্রথমদিকের রেকর্ড করা গান৷ গানটি গোটা দেশেই অসাধারণ জনপ্রিয়৷ তিনি নিজেই এই গানটি একাধিকবার রেকর্ড করেছিলেন৷ বাংলা কথাতেও গানটি রেকর্ড করা হয়েছে৷ ‘পূর্বী দাদরা’ হিসেবে বিশেষভাবে চিহ্নিত এই গানটিতে গায়িকা কোয়েল পাখিকে বসন্তের আগমনের উল্লাসধ্বনি প্রকাশ করতে বারণ করছেন, কারণ তিনি আগে থেকেই বিরহের গভীর বেদনায় কাতর৷

    গজল

    দিওয়ানা বনানা হ্যায় তো

    এই গজলটাকে বেগম আখতারের বেদনার্ত জীবনকাহিনীর ‘টাইটেল সঙ’ বলা যেতে পারে৷ গানটি তিরিশের দশকে লিখেছিলেন বেহজাদ লক্ষ্ণৌয়ী৷ ‘আখতারিবাঈ’ হিসেবে গানটি সেই সময়ে রেকর্ড করা হয়েছিল৷ গানের কথা হিসেবে খানিকটা কল্পনাশক্তির অভাব দেখা গেলেও সাঙ্গীতিক আবেদনের প্রশ্নে এই গজলটির আবেদন অবিস্মরণীয়৷ মল্লিকা পুখরাজ একদা আমাকে বলেছিলেন, ‘শ্রোতারা বেগমের গলায় গানটা শুনে মোহাবিষ্ট হয়ে পাগলের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতেন৷’

    কোই ইয়ে কহেদে গুলশন গুলশন

    এই সুপরিচিত গজলটি লিখেছিলেন উর্দু ভাষার শেষ সুখ্যাত রোম্যান্টিক বোহেমিয়ান কবিদের অন্যতম, প্রবল জনপ্রিয় সংস্কারবর্জিত কবি জিগর মোরাদাবাদী৷ বেগম আখতারের গাওয়া জনপ্রিয় গজলগুলোর মধ্যে সেরা গানগুলোর এই গানটা সহজেই অন্যতম সেরা হিসেবে বিবেচিত হবে৷ এই গানটির অননুকরণীয় গায়নভঙ্গিতে বেগমের নিজস্ব প্রতিভা গানের কথার সঙ্গে সুরের এক অনবদ্য সম্পর্ক স্থাপন করেছে৷

    ইয়ে না থি হামারি কিসমৎ

    এই ধ্রুপদী গজলটি লিখেছিলেন উর্দু কবিদের মধ্যে গুণগতমানের প্রশ্নে সর্বোচ্চ স্থানের অধিকারী স্বয়ং মির্জা আসাদুল্লা খান গালিব৷ এখনও পর্যন্ত বহু গজল গাইয়ে এই গানটা গেয়েছেন এবং গানটির জনপ্রিয়তা অবিশ্বাস্য৷ খ্যাতিময়ী ও অসামান্য সুন্দরী অভিনেত্রী-গায়িকা সুরাইয়া স্বয়ং ১৯৫৪ সালে মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্র ‘মির্জা গালিব’-এ গানটি গেয়েছিলেন৷ সেই ছবিটির পরিচালক ছিলেন সোহরাব মোদি, সঙ্গীত পরিচালনা করেছিলেন গুলাম মহম্মদ৷ সুতরাং এক দশক আগে গাওয়া প্রবল জনপ্রিয় গানটি নতুন করে রেকর্ডে গাওয়ার কাজটা খুব একটা সহজ ছিল না৷ কিন্তু বেগম আখতার নিজস্ব ঢঙে গানটা গেয়ে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করে দিয়েছিলেন কেন তাঁকেই ‘গজল কুইন’ বলা হয়৷

    অ্যায় মোহাব্বৎ তেরে আনজাম পে রোনা আয়া

    আক্ষরিক অর্থে এই গানই বেগম আখতারের বেদনাময় জীবনের সমাপ্তি-সঙ্গীত৷ তাঁর জীবনের শেষপর্বে কবি শাকিল বাদায়ুনি মর্মস্পর্শী শব্দের গজলটি যেন বেগমের জীবননাট্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই লিখেছিলেন৷ সঙ্গীত সম্মেলনের শেষ প্রহরে যেমন অধিকাংশ শিল্পীদের নির্বাচিত রাগ ‘ভৈরবী’-ই হয়, তেমন মোহাব্বৎ-এর চরিত্র বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য এই গানটিও রাগ ‘ভৈরবী’-তে নির্মিত৷ এই কবিতায় চোখের জলে ভেসে যাওয়া শিল্পী যখন প্রেমের সমাপ্তি ঘোষণা করছেন, জীবনেরও তখন যেন সন্ধ্যা ছোঁয়া দিনের শেষপ্রহর৷

    মূল ইংরেজি থেকে লেখাটির অনুবাদ করেছেন অলক চট্টোপাধ্যায়

    লেখক-পরিচিতি

    এস কালিদাস প্রায় তিন দশক ধরে ভারতীয় শিল্পকলা নিয়ে একাধিক ভারতীয় পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি করছেন৷ তিনি সুখ্যাত ইংরেজি পত্রিকা ‘ইন্ডিয়া টুডে’-র ‘আর্ট এডিটর’ ছিলেন৷ এবং সংবাদপত্র ‘দি টাইমস অফ ইন্ডিয়া’ ও ‘পাইওনিয়ার’ সিনিয়র এডিটর পদাধিকারীদের মধ্যে একজন ছিলেন৷ তিনি একজন উপযুক্ত শিক্ষাদীপ্ত মিউজিকোলজিস্ট৷ তিনি স্বদেশ ও বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কনজারভেটরিতে বক্তৃতা দিয়েছেন৷ গত শতাব্দীর নব্বই দশকের মাঝামাঝি সময়ে একাধিক ডকুমেন্টারি ছবিও নির্মাণ করেছেন এবং সেগুলি উচ্চপ্রশংসিতও হয়েছে৷ ‘হায় আখতারি’ নামে তিনি বেগম আখতারের জীবন নিয়ে একটি ডকুমেন্টারিও নির্মাণ করেছেন৷ ‘রসযাত্রা’ নামে তিনি তাঁর সঙ্গীতগুরু মল্লিকার্জুন মনসুর-এর জীবননির্ভর ডকুমেন্টারির চিত্রনাট্য লিখেছিলেন৷ সেই ছবিটি ১৯৯৪-এ ‘ইন্ডিয়ান ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড’ স্বর্ণকমল জয় করেছিল৷ তিনি বিখ্যাত মডার্নিস্ট পেইন্টার ও শিল্প-সমালোচক ও জে স্বামীনাথন-এর সুযোগ্য পুত্র৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমান্না দে – সম্পাদনা অলক চট্টোপাধ্যায়
    Next Article উটকো সাংবাদিকের ডায়েরি – অশোক দাশগুপ্ত

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }