Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বেগম আখতার – অলক চট্টোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প179 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শুরু ও শেষের কান্না আজও ভুলতে পারি না – প্রভাতী মুখোপাধ্যায়

    সকলেই ঈশ্বর-বিশ্বাসী নন৷ আবার অনেকেই জীবনের প্রতিটি দিন-রাত্রির সঙ্গে ঈশ্বরের অপার করুণা খুঁজে পান৷ এবং এই বিশ্বাস বস্তুটার নির্ভুল আবিষ্কারও সম্ভব নয়, যদি অবশ্য কেউ তা সততার সঙ্গে ঘোষণা করেন, তবেই তা জানা যায়৷ আমি ছোট্ট বয়স থেকেই ঈশ্বরে নিবেদিতপ্রাণ৷ এ-জীবনে যা পেয়েছি, তা ওই ঈশ্বরের অপার করুণা ছাড়া পাওয়া যেত বলে কখনও বিশ্বাস করিনি৷ এবং তার মধ্যে ‘আম্মিজি’-র কাছে পৌঁছতে পারাটা আমৃত্যু স্মরণীয় হয়ে থাকবে৷

    ঠিক কী কারণে কান্নার প্রতি মাত্রাতিরিক্ত দুর্বলতা জন্মেছে তা জানি না, কিন্তু ভালবাসা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে আবেগের কোনও রকম সম্পর্ক ঘটলেই আমার চোখে জল চলে আসে৷ এই চরিত্রগত স্বভাবটাও বোধহয় ওই ঈশ্বরেরই শিল্পকর্ম৷ যাঁদের মনে আছে, তাঁরা নিশ্চয়ই মনে রেখেছেন (তাঁদের কথাই বলছি যাঁরা ‘আজকাল’-এ প্রকাশিত আমার স্মৃতিকথা ‘ইয়াদেঁ’ পড়েছিলেন৷) যে ‘আম্মিজি’ অর্থাৎ অতুলনীয়া বেগম আখতার-এর সঙ্গে আমার প্রথম মোলাকাত-এর লগ্নেও প্রচুর কান্নাকাটির দৃশ্য আপন আবেগেই তৈরি হয়েছিল৷ তিনি চলে গেছেন প্রায় একচল্লিশ বছর আগে, কিন্তু তাঁরই দোয়া ও দয়াতে আজও প্রতিটি সকাল-সন্ধেতে তাঁকে স্মরণ করতে হয়৷ এবং সেই স্মরণের কান্না আমাকে যেভাবে ছুঁয়ে যায় তা অন্যদের বোঝানোর ভাষা আমার জানা নেই৷ কী পরিমাণ স্নেহ-ভালবাসা, তা বোঝাতে গেলে নতুন করে দুনিয়ার সব নির্মল মোহাব্বত-এর আনজাম ব্যাখ্যা করতে হবে৷ এবং আমার সাধ্যের মধ্যে তা নেই৷

    যদিও একলব্য-র উপমাটা খুবই পুরনো, প্রায় সকলেই ব্যবহার করেন, কিন্তু নির্ভুল সত্যি বলে আমাকেও তা বলতে হচ্ছে৷ ‘আম্মিজি’র গান প্রথম শুনেছিলাম রেডিওতে৷ ওঁর জীবনের প্রথম দিকের সেই রেকর্ডগুলো তখন রেডিওতে বাজানো হত, আর একলব্যের মতো আমি ঠিক সেইভাবেই গাইবার চেষ্টা করতাম৷ সোজাসুজি বললে, মনে মনে পুজো করেই দিন কাটাতাম৷ ভাবতাম ওই আওয়াজটা কী করে পাওয়া যায়! ভেবে ভেবেই কেঁদে ভাসাতাম৷ ছোটবেলায় তেমন কিছু না-বুঝে, না- জেনে গাওয়ার চেষ্টা আর কি৷ তবে সেই বয়সে যা বুঝেছিলাম, আজও প্রায় সেই বোঝাটাই একটু অন্যভাবে বলছি— ওঁর মতো কণ্ঠ বা ওঁর আশ্চর্য গায়কিতে গান গাওয়া গোটা দুনিয়ায় কারও পক্ষেই সম্ভব নয়৷ এবং আরও একটা পরম বিস্ময় হচ্ছে অত সহজ করে, অনায়াসে গাইবার ক্ষমতা! কী করে পারতেন তা তখনও বুঝিনি, আজও প্রায় সেই না-বোঝার স্তরে থেকে গেছি৷

    আমাদের যখন শেখাতে বসতেন, তখনও একেবারে সেই সহজ ভাব-ভঙ্গি ফুটে উঠত৷ সর্বদা যে একটা গানকে খুব ভেঙে, আলাদা করে শেখাতেন, তা নয়৷ তখন একটু বড় হয়েছি৷ রেডিও ছাড়া এদিক-ওদিক নানা কনফারেন্সেও গাইছি৷ সেই গাইবার সুবাদে অনেক গুণিজনের সঙ্গে পরিচয়ও ঘটছে৷ গানবাজনা শেখার প্রসঙ্গে নানা বিষয়ে বিশেষজ্ঞের উপদেশও শুনছি৷ যেমন— ‘হিয়ারিং মে গোল্ড মিলতা হ্যায়৷’ সত্যিই তাই, শুনতে শুনতেই সোনা ফলে৷ আমার বিরল সৌভাগ্য বহুদিন আমি একাই ওঁর কাছ থেকে তালিম পেয়েছি৷ এবং তাতে ওঁর স্নেহ-ভালবাসার ছবিটা যেন আরও বড় হয়ে উঠত আমার কাছে৷ উনি তখন জীবন্ত কিংবদন্তি ভারতবিখ্যাত বেগম আখতার, আর আমি একজন সাধারণ শিক্ষার্থী৷ সুদূর কলকাতা থেকে প্রচুর কাঠখড় পুড়িয়ে এবং সময় ব্যয় করে ওঁর কাছে পৌঁছেছি— এসব বোঝার কোনও উপায় থাকত না৷ যেন ওঁরই মেয়ে বা বোনঝি অথবা পাশের বাড়ির একটা মেয়ে গানের পড়া বুঝে নিতে এসেছে— এমন একটা পরিবেশ ও পরিস্থিতি৷ ওঁর ব্যক্তিত্ব দয়াময়ী অথচ রসিক মেজাজ-এর বিচিত্র মিশ্রণ৷ সব মিলিয়ে ওঁকে যেন আরও আকর্ষণীয়া করে তুলত৷ যন্ত্রের মতো কোনও ভঙ্গি উনি কখনও ধরে রাখতেন না৷ কথা বলার আওয়াজ আর গানের গলার মধ্যে বেশ পার্থক্য ছিল৷ কথা বলার আওয়াজটা বেশ গম্ভীর, বেস থেকে উঠে আসছে বলে মনে হত৷ প্রচুর কথা বলতেন, কিন্তু তার মধ্যে একটাও বাজে কথা থাকত না৷ তবে আচরণ ও কথা বলা— দুটোই মেজাজ-নির্ভর ছিল৷

    কোনও কোনও দিন সামনে রাখা হারমোনিয়ামটা টেনে নিয়ে নিজেই পুরো গানটা গেয়ে শোনাতেন, যেন তাঁর ঘরে উনি একাই গাইছেন৷ গাইবার আগে শুধু বলতেন— ‘দিমাগসে শুনো’৷ প্রথম প্রথম আমি রীতিমতো সমস্যায় পড়ে যেতাম৷ উনি গাইলে শুধু অবাক হয়ে, মুগ্ধ হয়ে শোনা ছাড়া অন্য কিছুর দিকে মাথা দেওয়া যায়? অথচ উনি ‘দিমাগসে শুনো’ বলতে বোঝাতে চাইতেন একই সঙ্গে অনেক কিছু৷ শব্দের উচ্চারণ, এক্সপ্রেশন এবং গানটার সুরের চলন নিয়ে সামগ্রিকভাবে গায়কি— সবই যেন খেয়াল করি৷

    আবার অন্য কোনওদিনে ওঁর সেই বিখ্যাত রুপোর পানের ডিব্বাটা কাছে নিয়ে বসতেন৷ সারাদিনে প্রচুর পান খেতেন৷ নিজেই সুপুরি কাটতেন সালোতা দিয়ে (সালোতা মতলব ‘জাঁতি’, আবার একটু দূরেই রয়েছে ওঁর সেই হারমোনিয়াম৷ কী আশ্চর্য দক্ষতায় যে হারমোনিয়াম বাজাতেন তা যাঁরা মনে রেখেছেন, তাঁরা জীবনে কখনও ভুলবেন বলে মনে করি না৷ সেই হারমোনিয়ামটার রিডগুলোর ওপর ওঁর (ক্রমাগত বাজানোর ফলেই সম্ভবত) হাতের আঙুলের চাপে গর্ত হয়ে গিয়েছিল৷

    শুধু আমারও বয়স হয়েছে বলে নয়, জীবনের নিজের স্টাইলের কথা মনে পড়ার জন্য হঠাৎ সেই দৃশ্যটা যেন আবার চোখের ওপর দেখতে পাচ্ছি৷ আম্মিজি চলে যাওয়ার বছরখানেক পরে আবার লক্ষ্ণৌ গিয়েছি৷ স্বাভাবিক টানে হ্যাভলক প্লেস-এর সেই বাংলোতেও গেছি৷ আম্মিজির গান শেখানোর ঘরটায় তালা দেওয়া ছিল৷ আমি যাওয়াতে সেই ঘরের তালাটা খুলে দেওয়া হয়েছিল৷ যদিও নিজস্ব অভ্যাস অনুযায়ী আমি তখন চোখে ঝাপসা দেখছি৷ চোখ মুছে সামনেই দেখতে পেয়েছিলাম একটা টেবিলের ওপরে রাখা আছে সেই গর্ত হয়ে যাওয়া রিডের চিরচেনা হারমোনিয়ামটা৷

    গান গাইতে গাইতে থেমে গিয়ে কখনও কখনও বলতেন— দেখ বেটি, অ্যায়সা করকে গানা, ইয়ে আওয়াজ যো হ্যায় উসকো সমঝকে বোল না চাহিয়ে ইত্যাদি ইত্যাদি৷ কিন্তু ওঁর পক্ষে যা অবহেলায় করা সম্ভব হত, তা অন্যদের পক্ষে কী করে করা সম্ভব হবে— ওঁর কথাবার্তায় এইসব সমস্যার কোনও অস্তিত্বই নেই যেন৷

    আম্মিজির কথাপ্রসঙ্গে নিজের কথা কিছু বলতে হচ্ছে বলে দুঃখ ও লজ্জা দুটোই পাচ্ছি৷ কলকাতা বা বাংলার বাইরে গেলেই সর্বত্র হিন্দি বলতে হবে, সেটাই দস্তুর৷ ছোটবেলা থেকেই শুধু বাংলা নয়, বাংলার বাইরেও বিস্তর অনুষ্ঠান করেছি, বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া— এইসব কারণের জন্য আমার হিন্দি-উর্দু-ভোজপুরি বলার অভ্যেস তৈরি হয়েছিল৷ সবচেয়ে বাস্তবিক সুবিধে হয়েছিল ‘পিতাজি’র (উস্তাদ বড়ে গুলাম আলি খান) কাছে গণ্ডাবাঁধা আর ওঁদের বাড়িতে সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত থেকে যাওয়ার জন্য৷ ওঁরা বাড়িতেও সারাক্ষণ খানাপিনা আউর গানায় চোস্ত উর্দু বলতেন৷ শুনে শুনে (সেখানে আমারই স্বার্থে দিমাগ ব্যবহার করতে হত) ওঁদের উচ্চারণভঙ্গিও খানিকটা শিখে নিতে পেরেছিলাম বলে মনে হয়৷ এবং সেই হিন্দি-উর্দু বলতে পারার যোগ্যতাও আমাকে আম্মিজি-র প্রিয় বেটি হতে সাহায্য করেছিল৷

    কখনও কারও ওপর নিজের ইচ্ছে বা হুকুম চাপিয়ে দিতেন না৷ তা সে যত ছোট বা বড় মানুষই হোক না কেন৷ নানা ঘটনা ও পরিস্থিতির খবর ততদিনে সকলের মতো আমিও খানিকটা জেনে গিয়েছিলাম৷ ওঁর জীবনে খ্যাতি ও প্রতিষ্ঠা ছিল, কিন্তু সেই অর্থে স্বস্তি বোধহয় ছিল না৷ কিন্তু সে কথা থাক৷ অন্য কথায় ফিরি৷ গান গাওয়াটাও ওঁর স্নেহ-ভালবাসার যেন এক তুলনাহীন উদাহরণ৷ ওঁর গাওয়া ঠুমরি, দাদরা,

    কাজরি নিয়েও কোনও প্রশ্ন নেই৷ শ্রোতারা সেইসব গানেও, যথারীতি পাগল৷ কিন্তু গজল তাঁকে গভীরতম অর্থে সম্রাজ্ঞী করেছিল৷ কলকাতায় কথা দিয়েছিলেন লক্ষ্ণৌ পৌঁছে ওঁর কাছে গেলে উনি অবশ্যই তালিম দেবেন৷ এবং উনি সেই আশ্বাসবাক্যের কিছুই ভোলেননি৷ এতকাল পরে, আম্মিজির এই জন্মশতবর্ষেও ওঁর কাছে সেই প্রথম গানটা শেখার স্মৃতি আমাকে আজও তাড়া করে ফেরে৷ অল্পবয়সে তো অনেক নির্বোধের মতো কাণ্ডও ঘটে যায়! মুচকি হেসে জিজ্ঞাসা করেছিলেন— কোন গানটা দিয়ে আমাদের শেখা ও শেখানোর অধিবেশন শুরু হবে? আমি প্রবল আনন্দ ও বীরত্বের সঙ্গে বলেছিলাম— ‘অ্যায় মোহাব্বত তেরে আনজাম পে রোনা আয়া’৷ উনি তারপর আর মুচকি নয় একেবারে গলা খুলেই হেসেছিলেন৷ পণ্ডিত, গবেষক ও রসিক লেখকরা বলেছেন ও লিখেছেন, ওই গানটা যেন আম্মিজিরই জীবন সম্পর্কিত গভীরতম সত্যের চেহারা নিয়েছে৷ অনেক জানার, বোঝার পরই কেউ এমন একটা চিরকালীন গাইবার বা শেখবার সাহস পায়, আমি উৎসাহের আনন্দে প্রকৃত অবুঝের মতো প্রথমে ‘অ্যায় মোহাব্বত’ শিখতে চেয়েছিলাম৷

    স্বয়ং ঈশ্বরের দয়ায় আমি যেমন সঙ্গীতের অবিস্মরণীয় ও অবিস্মরণীয়াদের কাছ থেকে পেয়েছি অনেক, তেমন কিছু স্মৃতিচিহ্ন চিরকালের মতো হারিয়েও ফেলেছি৷ হয়ত সেটাও আমার দুর্ভাগ্য৷ আম্মিজিও তাঁর ছোটবেলার স্মৃতি, যেমন ওঁর সঙ্গে ওঁর মা মুস্তারিবাঈ-এর ছবি, ওঁর সিনেমার ছবি, পুরনো রেকর্ড ইত্যাদি—কত কী দিয়েছিলেন! বারবার বাসাবদলের বিপর্যয়ে সব হারিয়েছি৷ জীবনে কিছু ভাঙা পাঁজর বোধহয় কখনও জোড়া লাগে না, সেই সব স্মৃতিচিহ্ন হারানোর ঘটনাগুলোও তাই৷

    বড্ড যত্ন করে শেখাতেন৷ সেই কাজে পেশাদারিত্বের চেয়ে স্নেহ- ভালবাসাই ছিল বেশি৷ গজল-এ, সব্বাই জানেন সুনির্বাচিত শব্দের সঙ্গে সুরের রঙে সুখ-দুঃখের ছবি আঁকা হয়৷ সেখানে ঠিক কীভাবে শব্দটা বলতে হবে, তার ওজন ও অর্থবোধক উচ্চারণের সময়েও, সুরসে হিলনা নেহি— সেটা মনে রাখার কথা বলতেন বারবার৷ এ-পৃথিবীর কোনও শিল্পী ওঁর মতো করে গজল-এর কথা শ্রোতাদের হৃদয়ে পৌঁছে দিতে পারেন বলে আজও বিশ্বাস করি না৷ শাকিল বাদায়ুনির লেখা গানটা শেখানোর জন্য গাইছেন, দেখো দেখো—

    ইউ তো হর শাম উমিদো মে গুজর যাতি থি

    আজ কুছ বাত হ্যায় যো শাম পে রোনা আয়া

    সেদিন আমাকে যা বলেছিলেন, তা আজও মনে আছে— ‘কথাগুলো নিজে বুঝে তবেই শ্রোতাকে বোঝাতে হবে৷’

    নির্ভুল আলফাজ অবশ্য একদিনে শেখার বিষয় নয়, আমাদেরও যতটুকু হয়েছে, তা ওই গাইতে গাইতেই হয়েছে৷ আবার জানাচ্ছি, শুনে শেখার প্রশ্নে উনি যতটা ভাল আবার ততটাই গোলমেলে৷ সে ছাত্রছাত্রীই হোক বা শ্রোতাই হন, ওই আওয়াজ শুনলেই আর শিক্ষার সতর্ক মনোভাব থাকে না, মানে উচ্ছ্বাস বা কান্না— কোনও একটা পথে চলতে হবে, তখন হিসেবি শ্রোতা থাকা খুবই কঠিন হয়৷

    শেখানোর প্রশ্নে শুনেছি অনেক বড় বড় উস্তাদ বা পণ্ডিত রীতিমতো কৃপণতা দেখান৷ কিন্তু আম্মিজি একেবারে উল্টো স্বভাবের মহিলা ছিলেন৷ সময় থাকলে শেখানো নিয়ে ওঁর পক্ষ থেকে কোনও বাধা ছিল না৷ আরও নিখুঁত করে শেখার জন্য একই গান কখনও কখনও দু’বারও শিখেছি৷ ওঁর দাদরা, কাজরি ও ঠুমরির সঙ্গে বেশ কিছু ভোজপুরি গানও শিখেছিলাম৷ সেগুলোও খুবই মজা করে, উৎসাহের সঙ্গে শেখাতেন৷

    জীবনে অনেক পরোক্ষ প্রাপ্তিও থাকে৷ এবং সেই পাওয়াও দীর্ঘদিন ধরে স্মৃতির ঘরে আলো জ্বালিয়ে রাখে৷ আম্মিজি ছোটবেলায় যখন কলকাতায় এসেছিলেন, ওঁর প্রথম গানের রেকর্ড কলকাতা থেকেই বেরিয়েছিল৷ এখানে নাকি থিয়েটারও করেছিলেন ইত্যাদি সব কথাবার্তা আমিও শুনেছি৷ তবে ওই, কেবল শুনেছি মাত্র, বয়সের প্রশ্নে আমি খুবই ছোট, সেইসব দিনের কথা কিচ্ছু জানি না৷ পরের দিকে আম্মিজির কলকাতায় প্রবল জনপ্রিয়তার কারণ অবশ্যই রেডিওতে গান গাওয়া আর তাঁর বাংলা গানের রেকর্ড প্রকাশিত হওয়া৷ জ্ঞানমামা (পণ্ডিত জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষ) আম্মিজির বিখ্যাত দাদরা ‘কোয়েলিয়া মাত কর পুকার’-এর বাংলা করে ওঁকে দিয়ে গাইয়েছিলেন— ‘কোয়েলিয়া গান থামা এবার’, সেটা বোধহয় এই বাংলায় সকলেই কোনও না কোনও সময়ে গেয়েছে বা গাইবার চেষ্টা করেছে৷ অন্য গানগুলো অর্থাৎ মোট আটটা গানের বাকি চারটে গান রবিমামার তৈরি৷ রবিমামা মানে রবি গুহমজুমদার৷ ওঁর সঙ্গে আমার রেডিও স্টেশনে এক বিচিত্র পরিস্থিতিতে পরিচয়৷ আমার গান শুনে ওঁর নাকি মনে হয়েছিল আমিই বাংলার বেগম আখতার এবং আমাকে ওঁর চাই-ই চাই৷ আমার মাকে উনি কথাগুলো এমন আগ্রহ আর অধিকারের ভঙ্গিতে বলেছিলেন যে শুনতে শুনতে হাসি পেলেও তা অস্বীকারের কোনও উপায় ছিল না৷ হাজরা রোডে রবিমামার বাড়ি৷ সেখানে গানবাজনার বিশাল আয়োজন৷ কথা আর সুর সেখানে সকাল-সন্ধে ঘুরে বেড়ায়, বেড়াতেই থাকে৷ রবিমামার লেখা ও সুর দেওয়া ‘জোছনা করেছে আড়ি/ আসে না আমার বাড়ি’-র জনপ্রিয়তায় এখনও বিস্ময়বোধ করি৷ ১৯৭৪-এ আম্মিজি মারা যাওয়ার পর রবিমামা প্রায় ভাঙাবুকের দীর্ঘশ্বাস ফেলে আমাকে বলেছিলেন— ‘কেউ জানে না, আমি উনি গাইবেন বলে কয়েকশো গান তৈরি করে রেখেছিলাম, সেইসব গান কেবল উনিই গাইতে পারতেন, অন্যরা নয়৷ ওই আওয়াজ আর এক্সপ্রেশন আমি কোথায় পাব!’

    আজও ভাবতে খারাপ লাগে, রবিমামার মতো সত্যিকারের গুণী ও রসিক মানুষকে বাংলার গানবাজনার জগৎ চেনেনি বা বোঝেনি৷ যিনি নিজে লিখে সুর দিয়ে শচীন দেববর্মণকে দিয়ে ‘তুমি এসেছিলে পরশু, কাল কেন আসোনি’ বা আম্মিজিকে দিয়ে ‘জোছনা করেছে আড়ি’ বা ‘চুপি চুপি চলে না গিয়ে’-র মতো গান গাওয়াতে পারেন, তাঁর যোগ্যতা নিয়ে কি কারও কোনও সন্দেহ থাকা উচিত? ওঁর কি আরও একটু সম্মান ও যত্ন প্রাপ্য ছিল না?

    আমি শিল্প নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতো কিছু বলতে পারব না৷ কিন্তু গান বোধহয় এমন একটা শিল্প যা মাত্র কিছুক্ষণের মধ্যেই কোনও শিল্পী বা সুরকার-গীতিকারদের প্রকৃত যোগ্যতা চিনিয়ে দিতে পারে৷ আম্মিজির কোনও গান কে কীভাবে মনে রেখেছেন তার বিস্তৃত বিবরণ দিতে পারব না, তবে সেইসব গানই জীবনের সব স্মৃতি স্বমহিমায় ফিরিয়ে দিয়েছে বারবার৷

    আমি আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখার মতো মানুষ নই৷ স্মৃতি তাই এলোমেলো হয়ে আগে-পরে এসে হাজির হচ্ছে৷ মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে ছিলাম৷ বললেই সঙ্গে সঙ্গে দেশেরই দূরে কোথাও উড়ে যাওয়ার মতো সঙ্গতি বা বন্দোবস্তর কোনওটাই ছিল না৷ পিতাজি চলে যাওয়ার আগে খবর পাইনি৷ আমাকে বলা হয়েছিল— ‘এই আলি, পিতাজি (উস্তাদবড়ে গুলাম আলি খান) তোকে খুব দেখতে চাইছেন, তুই আয়৷’ যেতে পারিনি৷ আম্মিজির চলে যাওয়ার খবরও পেয়েছিলাম রেডিও মারফত৷ সঙ্গে সঙ্গে সুদূর আমেদাবাদ যাওয়ারও বন্দোবস্ত ছিল না, করতেও পারিনি৷

    কিন্তু তিনি চিরকালই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অফুরন্ত স্নেহ-ভালবাসার সঙ্গে সঙ্গে নানা ধরনের স্বীকৃতি দিয়ে গেছেন৷ পরের বছর লক্ষ্ণৌ রেডিও স্টেশনে গাইতে গিয়েছি৷ গাইছি— ‘দিওয়ানা বনানা হ্যায় তো দিওয়ানা বনা দে’৷ অনুষ্ঠানের পর রেডিও স্টেশনেরই এক কর্মী আমাকে বললেন, ‘আপনার জন্য একজন বাইরেই অপেক্ষা করছেন৷’ আমি তো অবাক৷ লক্ষ্ণৌ-এ রেডিও স্টেশনে এসে, ভেতরে ঢুকে স্টুডিওর ঠিক বাইরে আমার জন্য কে অপেক্ষা করতে পারেন! তাড়াতাড়ি বাইরে এসে দেখি টুপি পরা দীর্ঘদেহী এক ভদ্রলোক পায়চারি করছেন৷ ফিরে তাকাতেই চিনতে পারলাম৷ আম্মিজির বাহিনোই মুক্তার আহমদজি৷ বললেন, ‘আপকি আম্মিজি অভিভি জিন্দা হ্যায়, আপ ইস তরহা গাতে রহিয়ে৷’ আমি লজ্জা পেয়ে গেলাম আর চিরকাল যা হয়, সঙ্গে সঙ্গে চোখে জলও এসে গেল৷

    আম্মিজি ঠিক কতদূর স্নেহপ্রবণ ও নিত্য শুভার্থী ছিলেন তা লিখে বোঝানো প্রায় অসম্ভব৷ বিয়ের পর যখন তালিম-এর জন্য লক্ষ্ণৌ যেতাম, তখন আমার স্বামী প্রদীপ্তশঙ্করও সঙ্গে যেত৷ একবার হঠাৎই যেতে হয়েছিল, কারণ লক্ষ্ণৌতে অনুষ্ঠিতব্য সঙ্গীত-নাটক আকাদেমির অনুষ্ঠান৷ অনুষ্ঠানের পর খুব স্বাভাবিক কর্তব্য হিসেবে ওঁর বাড়ি, আম্মিজির সেই ‘আশিয়ানা প্যালেস’-এ গিয়েছি৷ কিন্তু গিয়ে দেখি উনিও হঠাৎ দিল্লি যাবেন, গাড়িও তৈরি, ওঁকে এয়ারপোর্টে পৌঁছে দেবে৷ উনি বোরখা পরে একেবারে বাড়ির বাইরে৷ পাশে দাঁড়িয়ে আছেন ওঁর স্বামী আব্বাসি সাব৷ আমাদের হঠাৎ হাজির হওয়াটা এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে৷ কিন্তু উনি সেই অবস্থাতেই প্রদীপ্তশঙ্করের দিকে এগিয়ে এসে মুখের আবরণ সরিয়ে সহজ ও নিজস্ব অভ্যাসে যা বলেছিলেন, যা বাংলা অনুবাদ এইরকম— ‘দেখো দামাদজি, আমার বেটিকে সামলে রেখো, খেয়াল রেখো যেন নিত্য রেওয়াজ করে, আর ওর গানবাজনায় যেন কোনওরকম অসুবিধে না হয়, তোমাকেই এই দায়িত্ব দিলাম৷’ প্রদীপ্ত আজও সেই উপদেশের একটা কথাও ভোলেনি৷ স্মৃতির চরিত্রে হিসেবিপনাও থাকে কিনা সে সম্পর্কে আমি খুব নিশ্চিত নই৷ আম্মিজিকে নিয়ে আজও একই সঙ্গে অনেক কথা মনে পড়ে৷ পড়তেই থাকে৷ অফুরন্ত স্নেহ ছিল৷ একই সঙ্গে ছিল জেদও৷ যা বলবেন তা-ই করতে হবে সব্বাইকে৷ বাবার সঙ্গে প্রথম সেবার লক্ষ্ণৌ গেছি তালিম নিতে৷ সবাই যা করে তাই করতে চেয়ে বাবা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন হোটেলে থাকব আমরা দুজনে৷ উনি যখন বলবেন তখন আবার সেই ‘আশিয়ানা প্যালেস’-এ উপস্থিত হব৷ কিন্তু উনি সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন— ‘হামারি বেটি ইধারি রহেগি’৷ বাবাকে সেই শর্তেই রাজি হতে হয়েছিল৷ তখন বয়স কম ছিল৷ জীবনে বেঁচে থাকারও কিছু নিয়মকানুন আছে এবং সেগুলোও যে পরোক্ষভাবে তালিমের কাজে লাগে তা বুঝতাম না৷ তখন সেগুলো যে বোঝা সম্ভবও ছিল না সেকথা আজ বুঝতে পারি৷

    আম্মিজির বাড়িতে ওঁদের আত্মীয়স্বজন-সহ অসংখ্য লোকজন আসা-যাওয়া করতেন৷ ওঁদের মতো খানদানি পরিবারের আচার-আচরণের মধ্যেও অনেক কিছু শেখার ছিল৷ নিখুঁত-নির্ভুল উর্দু উচ্চারণের শব্দগুলো সারা দিন-সারা সন্ধে কানের মধ্যে ঢুকে পড়ত৷ সেই শব্দগুলোর মধ্যে কিছু থাকত গজল-দাদরা-ঠুমরি-কাজরির মধ্যেও৷ তবে স্নেহ-ভালবাসা থাকলে তালিমের প্রশ্নে কিন্তু কোনও ছাড় ছিল না৷ যে-গানটা আগের দিন শেখা শুরু হয়েছে, পরের দিন সেটারই এক বেসরকারি পরীক্ষা হত৷ তখন হেসে হেসে বকুনি দিতেন৷ জুবান, আলফাজ ঠিক না হলে সমঝদার শ্রোতারা আসরে হাসবে এবং সেটা একেবারেই কাম্য নয়৷ —এই কঠোর সত্য উনি তালিমের সময়েই দ্বিধাহীনভাবে বলে দিতেন৷ আম্মিজির গান গাওয়ার বিশেষত্ব নিয়ে বিশ্লেষণ করার আমি অধিকারী নই, সেটা উস্তাদরা বলতে পারবেন, তবে একটা অদ্ভুত ধরনের উপলব্ধি হত৷ যখন যে গানটা গাইতেন, মনে হত সেই গানটাই ওঁর সবচেয়ে প্রিয় গান৷ অনায়াসে গাওয়ার এমন উদাহরণ আমি জীবনে আর কোথাও দেখিনি বা শুনিনি৷

    অত বড় একজন মানুষ, শেষ বয়সে অর্থ-খ্যাতি-প্রতিষ্ঠা, সম্মান সবই পেয়েছিলেন৷ কিন্তু আমাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলার সময়ে কোনওদিন বিন্দুমাত্র অহঙ্কারের প্রকাশ দেখিনি৷ সত্তরের শুরুর দিকের সময়ে ওঁকে সাদা পোশাক পরতে দেখেছি বেশি৷ গয়না পরতে বেশ পছন্দ করতেন৷ বিশেষ করে মুক্তো ও হীরে ব্যবহার করতে দেখেছি, কিন্তু কখনও উৎকট সাজ-পোশাকে দেখিনি৷ কখনও উঁচু গলায় কথা বলতেন না৷ ওঁর চিরমধুর স্বভাবে বোধহয় তা কোনওদিন প্রয়োজনই হয়নি৷

    কান্নার সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক জীবনের শুরু ও শেষ লগ্নের৷ যিনি চলে যান তিনি তখন হয়ত আর কাঁদতে পারেন না৷ কিন্তু অন্যদের তো তখন অন্য কোনও অভিব্যক্তি থাকে না৷ আম্মিজির সঙ্গে আমার প্রথম দেখার মুহূর্তে আমি তাঁর পা জড়িয়ে কেঁদেছিলাম৷ উনি চলে যাওয়ার এক বছর পর ‘আশিয়ানা প্যালেস’-এ গিয়ে আমাদের সেই তালিম পাওয়ার ঘরে ওঁর সেই আঙুলের চাপে গর্ত হয়ে যাওয়া, ধুলো জমা হারমোনিয়ামটা দেখে কাঁদতে কাঁদতে যে গানটা গাইতে বাধ্য হয়েছিলাম, সেটাও সেই প্রথম দিন শেখা গান ‘অ্যায় মোহাব্বত তেরে আনজাম পে…’৷ পরের দিনে আয়োজিত স্মরণ অনুষ্ঠানে এসেছিলেন অসংখ্য বিখ্যাত সঙ্গীতরসিক৷ এসেছিলেন ক্যাইফি আজমি, জাভেদ আখতার, রাজেন্দ্রকুমার, জালাল আগা, সুব্রত রায় ও আরও অনেকে৷ সেখানেও শেষ গান হিসেবে গাইতেই হয়েছিল ‘অ্যায় মোহাব্বত…’৷ সকলেরই ‘রোনা’ এসেছিল বলে আজও মনে আছে৷

    অনুলিখন: অলক চট্টোপাধ্যায়

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমান্না দে – সম্পাদনা অলক চট্টোপাধ্যায়
    Next Article উটকো সাংবাদিকের ডায়েরি – অশোক দাশগুপ্ত

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }