Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বোতল শয়তান – রবার্ট লুই স্টিভেনসন

    রবার্ট লুই স্টিভেনসন এক পাতা গল্প40 Mins Read0
    ⤷

    বোতল শয়তান – ১

    হাওয়াই দ্বীপে এক লোক বাস করত। তার নামটা গোপন রাখছি। কারণ সে বেঁচে আছে এখনও। তাই আমরা তাকে কিউই বলে ডাকব।

    কিউই ছিল গরীব। কিন্তু সাহসী আর কর্মঠ লোক হিসেবে সুনাম ছিল তার। পড়াশোনাও জানত বেশ। তাছাড়া নাবিক হিসেবে যথেষ্ট দক্ষ ছিল। স্টীমার নিয়ে ঘুরে বেড়াত। ওয়েইল বোট নিয়ে মাঝেমধ্যেই চলে যেত হামাকুয়া উপকূলে।

    এভাবে ঘুরতে ঘুরতেই কিউই-র মনে ইচ্ছে জাগল সারা দুনিয়াটা ঘুরে দেখতে হবে। সে উদ্দেশ্যেই স্যান ফ্র্যানসিসকোগামী এক জাহাজে চেপে বসল একদিন।

    স্যান ফ্র্যানসিসকো চমৎকার শহর। বন্দরটাও চমৎকার। আর ধনী লোকেরও অভাব নেই এ শহরে। বিশেষ করে একটা পাহাড় তো মনোরম সব প্রাসাদে ছেয়ে রয়েছে।

    এ পাহাড়ের ওপর দিয়েই একদিন হেঁটে যাচ্ছিল কিউই। পকেট ভর্তি টাকা তার। দুপাশের চমৎকার সব অট্টালিকাগুলো দেখে বিস্ময় জাগছিল মনে।

    ‘কি দারুণ সব বাড়ি!’ ভাবল সে, ‘আর যারা এসব বাড়িতে বাস করে তাদের তো কোন চিন্তাই নেই। কি সুখী তারা!’

    এসব ভাবতে ভাবতেই একটা বাড়ির সামনে এসে পড়ল সে। অন্য বাড়িগুলোর চেয়ে ছোট এটা। কিন্তু খেলনার মত সুন্দর। সিঁড়িগুলো রূপোর মত ঝকঝকে। ফুলে ফুলে ছেয়ে রয়েছে বাগানটা। জানালাগুলোতে যেন হীরের ঝলকানি। থমকে দাঁড়াল কিউই। আশ্চর্য হয়ে দেখতে লাগল বাড়িটার অসাধারণ সৌন্দর্য। হঠাৎ তার নজর গেল একটা জানালার দিকে। এক লোক চেয়ে রয়েছে তার দিকে। বুড়ো মত। মাথা জোড়া টাক। মুখে সাদা দাড়ি। কেমন মলিন, বিষণ্ণ দেখাচ্ছে তাকে। কিউই অবাক হয়ে গেল। এ লোকের তো এমন মন খারাপ করে বসে থাকার কথা নয়।

    সত্যি কথা হচ্ছে, কিউই আর সেই বুড়ো একে অন্যের দিকে চেয়ে পরস্পরকে তখন হিংসে করছে। ভাবছে ‘আহা! ও কত সুখী!’

    হঠাৎ মৃদু হাসল লোকটা। হাতছানি দিয়ে কিউইকে ডাকল। ভেতরে আসার জন্যে। কিউই ঢোকার সময় দরজার কাছে দেখা হল ওদের।

    ‘এ বাড়িটা আমার,’ বলল বুড়ো, দীর্ঘশ্বাস ফেলল সে। ‘ঘরগুলো ঘুরে দেখবে?’

    মনের আনন্দে রাজি হল কিউই। বুড়ো ওকে, তল-কুঠরি থেকে শুরু করে ছাদ পর্যন্ত পুরো বাড়িটা ঘুরিয়ে দেখাল। আশ্চর্য নিখুঁত একটা বাড়ি। তাক লেগে গেল কিউই-র।

    ‘সত্যি,’ বিস্ময় কাটিয়ে বলল কিউই, ‘এ বাড়ির কোন তুলনা নেই। আমার এমন একটা বাড়ি থাকলে সারাদিন হাসিমুখে থাকতাম আমি। অথচ আপনি কিনা মুখ কালো করে বসে রয়েছেন। কারণটা কি?’

    ‘কোন কারণ নেই,’ বলল বুড়ো। তারপর জিজ্ঞেস করল, ‘তুমি এরকম বা এরচেয়েও সুন্দর বাড়ির মালিক হতে চাও? কিছু টাকা নিশ্চয় আছে তোমার সঙ্গে?’

    ‘তা আছে। পঞ্চাশ ডলারের মত, কিউই জবাব দিল। কিন্তু এরকম একটা বাড়ির দাম তো তার চেয়ে অনেক অনেক বেশি।’

    কি যেন হিসেব করল বুড়ো। ‘খুব কম হয়ে গেল,’ বলল সে। ‘তবে ইচ্ছে করলে পঞ্চাশ ডলারে এটা কিনতে পার তুমি।’

    ‘বাড়িটা?’ উৎসাহিত হয়ে জিজ্ঞেস করল কিউই।

    ‘না, বাড়িটা নয়,’ ঠাণ্ডা গলায় বলল বুড়ো। ‘বোতলটা। তোমাকে জানিয়ে দেয়া ভাল; এই যে বাড়ি, বাগান, ধন সম্পত্তি দেখতে পাচ্ছ, সব কিন্তু বোতলের কল্যাণে। সব দিয়েছে ছোট্ট একটা বোতল।’

    কাবার্ড খুলে বোতলটা বার করল সে। পেটটা গোল। লম্বা গলা। দুধের মত সাদা ওটার কাঁচ। রঙধনুর সাত রঙ খেলা করে চলেছে অনবরত। বারবার বদলে যাচ্ছে বোতলের কাঁচের রঙ। ভেতরে আবছা ভাবে নড়ে বেড়াচ্ছে কি যেন একটা। ছায়া আর আগুনের শিখার মত।

    ‘এটার কথাই বলছিলাম,’ বুড়ো বলল। সব দেখে শুনে হেসে উঠল কিউই। ‘আলিফ লায়লার গল্প ফেঁদেছেন দেখছি।’

    ‘আমার কথা বিশ্বাস হচ্ছে না?’ প্রশ্ন করল লোকটা। ‘চেষ্টা করে দেখ তো এটা ভাঙতে পার কিনা।’

    বুড়োর হাত থেকে বোতলটা নিল কিউই। ইচ্ছেমত আছাড় মারল মেঝেতে। ঠুকল সজোরে। প্রতিবারই মেঝে থেকে লাফিয়ে উঠল -ওটা। ঠিক টেনিস বলের মত। কিছুই হল না ওটার। অবশেষে ক্লান্ত হয়ে হাল ছেড়ে দিল কিউই। ঘেমে উঠেছে সে।

    ‘আশ্চর্য জিনিস তো,’ কিউই-র কণ্ঠে বিস্ময়। ‘দেখে তো মনে হয় কাঁচের তৈরি। ঠুনকো।

    ‘কাঁচই ওটা,’ বলল বুড়ো। এবার আগের চেয়ে অনেক বেশি গভীর শোনাল তার দীর্ঘশ্বাস। তবে নরকের আগুনে তৈরি। একটা বাচ্চা শয়তান বাস করে ওটার ভেতর। নড়াচড়া দেখলে না তখন? ও-ই নড়ছিল। বোতলটা যে কিনবে শয়তানের বাচ্চাটা তারই হুকুম তামিল করবে। যাই চাওয়া হোক না কেন-ভালবাসা, খ্যাতি, টাকা- পয়সা, বাড়িঘর, এমন কি শহর-সব কিছুই করে দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে ওর। কেবল মনের ইচ্ছের কথাটা উচ্চারণ করলেই হল। বোতলটা এক সময় নেপোলিয়নের কাছেও ছিল। এরই দৌলতে তিনি পৃথিবীর সম্রাট হয়েছিলেন। কিন্তু যেই বেচে দিলেন অমনি পতন হল তাঁর। ক্যাপ্টেন কুক এই বোতলের সাহায্যে অনেক নতুন জায়গা আবিষ্কার করেছিলেন। কিন্তু বোতল হাতছাড়া করতেই মারা পড়লেন। আসল কথা হচ্ছে, বোতলটা বেচে দেয়ার সাথে সাথে সব ক্ষমতা শেষ হয়ে যায়। আর বোতলের মাধ্যমে যা করে নেয়া যায় তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। নইলে চরম অমঙ্গল নেমে আসে।’

    ‘আপনি বোতল বেচতে চাইছেন কেন?’ জানতে চাইল কিউই

    ‘আমার আর কিছু চাওয়ার নেই। তাছাড়া বয়সও হয়েছে,’ বলল বুড়ো। ‘সত্যি কথাটা বলছি তোমাকে, একটা কাজই কেবল পারে না শয়তানটা। আয়ু বাড়িয়ে দেয়ার ক্ষমতা নেই ওর। আরও একটা কথা খোলাসা করে বলে দিচ্ছি, কেউ যদি বোতলটা বেচে দেয়ার আগেই মারা যায় তবে নরকের আগুনে তাকে চিরতরে পুড়ে মরতে হবে।’

    ‘বাপরে বাপ! কি ভয়ানক কথা,’ চমকে গেল কিউই। ‘আমার ও- জিনিসের দরকার নেই। বাড়ি ছাড়াও চলছে আমার। চলবেও। নরকের আগুনে পুড়ে মরতে চাই না।’

    ‘উত্তেজিত হয়ো না। একটু ভেবে দেখ,’ শান্ত স্বরে বলল বুড়ো। ‘বুঝে শুনে শয়তানটাকে ব্যবহার করলেই আর চিন্তা নেই। সব পাওয়া হয়ে গেলে বোতলটা বেচে দেবে অন্য কারও কাছে। আমার মত। তারপর পায়ের ওপর পা তুলে দিয়ে বসে বসে খাবে আর ঘুমোবে।’

    ‘কিন্তু দুটো ব্যাপারে খটকা লাগছে,’ বলল কিউই। ‘আপনার মন খারাপের কারণটা বুঝতে পারছি না আমি। আর এত কম দামে বোতল বেচে দিচ্ছেন কেন? আপনার মতলবটা কি শুনি।’

    ‘মন খারাপের কথা বলছ? দিন যে ফুরিয়ে আসছে, বাবা। নরকের আগুনে কে পুড়ে মরতে চায় বল। বোতলটার আরেকটা বিশেষত্ব আছে। সে-জন্যেই এত কমে ছেড়ে দিতে চাইছি। বহু বছর আগে বোতলটা পৃথিবীতে নিয়ে আসে শয়তানদের রাজা। তখন এটার দাম ছিল আকাশচুম্বী। সবার আগে প্রেস্টার জন কেনেন বোতলটা। কয়েক মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে। কিন্তু সবার তো আর অত টাকা নেই। ফলে পড়ে গেল ওটার দাম। তাছাড়া কম দামে বেচতে না পারলে লাভ নেই। যে দামে কিনেছ সে দামে বেচে দিলে আবার তোমার কাছেই ফিরে আসবে বোতল। পোষা কবুতরের মত। গত কয়েক শতাব্দীতে নামমাত্র দামে এসে ঠেকেছে ওটা। নব্বই ডলার দিয়ে আমি কিনেছি বোতলটা। আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে। খুব বেশি হলে ঊননব্বই ডলার নিরানব্বই সেন্টে বোতলটা বিক্রি করতে পারব আমি। তার একচুল এদিক ওদিক করা চলবে না। তাছাড়া কাউকে ঠকিয়ে বেচে দিলেও কাজ হবে না। তাহলে আবার আমার ঘাড়ে এসে চাপবে ওটা। মোদ্দা কথা, এ বোতল বেচে লাভ করতে গেলেই মরণ। সমান দামও নেয়া চলবে না। কমে বেচতে হবে। এবং ক্রেতাকে সব খুলে বলতে হবে।’

    ‘বেচে দিলেই পারেন। কে মানা করেছে?’ প্রশ্ন করল কিউই।

    ‘বেচতে পারলে কি আর বসে থাকতাম? কিন্তু কি করব, কেউ যে আমার কথা বিশ্বাস করতে চায় না। বলে বুড়োর মাথা খারাপ। আমাকে এড়িয়ে চলে সবাই। তুমি নতুন লোক দেখে সাহস করে – ডাকলাম।’

    ‘আপনি যে সত্যি কথা বলছেন তার প্রমাণ কি?’ জিজ্ঞেস করল কিউই।

    ‘প্রমাণ এখনই পাবে। তোমাকে দেখে হঠাৎই বুদ্ধিটা এল মাথায়,’ জবাব দিল বুড়ো। ‘পঞ্চাশ ডলার দিয়ে বোতলটা কিনে নাও। শয়তানটাকে হুকুম কর তোমার টাকা ফিরিয়ে দেয়ার জন্যে। তারপর দেখ। ফেরত পাবেই।’

    ‘ঠকাচ্ছেন না তো?’ মিন মিন করে প্রশ্ন করল কিউই।

    কসম কাটল বুড়ো।

    ‘ঠিক আছে। বিশ্বাস করলাম,’ কিউই বলল। টাকা দিয়ে দিল বুড়োকে। বুড়ো দিল বোতল।

    ‘বোতল শয়তান,’ ডাকল কিউই, ‘আমার পঞ্চাশ ডলার ফিরিয়ে দাও।’

    কথা ক’টা উচ্চারণ করার সাথে সাথেই আবার ভারী হয়ে উঠল ওর পকেট। এসে গেছে পঞ্চাশ ডলার।

    ‘নাহ্, সত্যিই দারুণ জিনিস,’ এবার স্বীকার করল কিউই।

    ‘দেখলে তো? বিশ্বাস হল এবার? নিশ্চিন্তে বোতলটা নিতে পার তুমি,’ বলল বুড়ো।

    কিউই-র বিশ্বাস হলেও ভয় কাটেনি। ‘এটা নিয়ে যদি বিপদে পড়ি?’ বলল সে।

    ‘বেশি লোভ না করলেই হল। বিপদে পড়বে না, আর যদি বিপদে পড়েই যাও তবে আমার কাছে ফিরে এস। আমি বোতলটা আবার কিনে নেব।’

    বুড়োর কথা এবার আর অবিশ্বাস করতে পারল না কিউই। বোতলটা টেবিল থেকে তুলে নিল সে।

    ‘তুমি আমাকে বাঁচালে, বাবা। কি বলে যে তোমাকে ধন্যবাদ জানাব-ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন।’ কৃতজ্ঞতা ঝরে পড়ল বুড়োর কণ্ঠে

    বুড়োর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে এল কিউই। বোতল বগলদাবা করে। রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভাবল, ‘বোতলের কথা সব সত্যি হলে জিতেছি বলা যায়। দেখি তো।

    প্রথমেই পকেটের টাকাগুলো গুনে দেখল সে। ঠিক যা ছিল তাই রয়েছে। ঊনপঞ্চাশটা আমেরিকান ডলার আর একটা চিলি পিস। বুড়ো মিথ্যে বলেনি তাহলে,’ ভাবল সে।

    তবু সন্দেহ পুরোপুরি দূর হচ্ছে না তার। সে ভাবল এবার অন্য কিছু পরীক্ষা করে দেখা যাক। শহরের এ অঞ্চলের রাস্তাগুলো ঝকঝকে তকতকে, পরিষ্কার। তাছাড়া ভরদুপুর বলে লোকজনের টিকিটিও দেখা যাচ্ছে না। কিউই বোতলটা রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রেখে দ্রুত পা চালাল। দুবার পিছু ফিরে চাইল সে। নাহ্, যেখানে রেখেছে ঠিক সেখানেই রয়েছে বোতলটা। ‘যাক বাবা, বাঁচা গেল!’ ভাবল সে। শেষবারের মত বোতলটা দেখে নিয়ে মোড় ঘুরল কিউই, কিন্তু বেশিদূর আর যাওয়া হল না তার। কি যেন গুঁতো মারছে কনুইতে। চেয়ে দেখে বোতল বাবাজী হাজির হয়ে গেছে। বোতলের লম্বা গলাটা সেঁটে রয়েছে কনুইয়ের সঙ্গে। আঠার মত। আর গোল পেটটা ঢুকে বসে আছে কোর্টের পকেটে।

    ‘বুড়োর কথাই ঠিক। বোতল কম দামে না বেচা পর্যন্ত মুক্তি নেই,’ আনমনে বলল সে।

    সহজে হাল ছাড়বার পাত্র নয় কিউই। আরও প্রমাণ চাই তার। দোকান থেকে এবার ছিপি খোলার যন্ত্র কিনল ও। তারপর মাঠের নির্জন এক কোণে চলে গেল। যন্ত্রটা দিয়ে বোতলের ছিপি খোলার বহু চেষ্টা করল সে। কিন্তু তার সব পরিশ্রমই পানিতে গেল। ছিপি খুলল না। যেমনকার ঠিক তেমনি রইল।

    ‘এ আবার কোনদেশী ছিপিরে, বাবা, বলল কিউই। হাত পা কাঁপতে লাগল তার। ঘেমে নেয়ে উঠল সে। বোতলের অদ্ভুত আচরণে প্রচণ্ড ভয় পেয়েছে। খানিক বাদে সামলে নিয়ে হাঁটা ধরল।

    বন্দরে ফেরার পথে একটা দোকান চোখে পড়ল তার। বিভিন্ন দ্বীপ থেকে সংগৃহীত নানা ধরনের টুকিটাকি জিনিস বিক্রি করছে এক লোক। তাকে দেখে কিউই-র মাথায় নতুন এক বুদ্ধি খেলল। দোকানে ঢুকল সে। দোকানির কাছে একশো ডলারে বেচতে চাইল বোতলটা। লোকটা তো প্রথমে হেসেই খুন। বলল বড় জোর পাঁচ ডলার দিতে পারে সে’।

    তবে বোতলটা যে অদ্ভুত তাতে কোন সন্দেহ রইল না লোকটার মনে। এমন কাঁচ কখনও চোখে পড়েনি তার। দুধ সাদা কাঁচের বোতলে অন্য রঙগুলো কি চমৎকার ভাবেই না খেলে বেড়াচ্ছে। ভেতরে আবার ছায়ার মত কি যেন ভাসছে। সব দেখে লোভ সামলাতে পারল না দোকানি। শেষমেশ ষাট ডলারে রফা হল। বোতলটা কিনে নিল সে। জানালার পাশে যে শেলফটা রয়েছে, তার তাকে রেখে দিল ওটা।

    ‘আবার দেখব বুড়োর কথা সত্যি কিনা,’ ভাবল কিউই। ‘পঞ্চাশ ডলারে বোতল কিনে ষাট ডলারে গছিয়ে দিয়েছি। ভালই লাভ করেছি। তবে বুড়োর কথামত বোতল ফিরে এলে আর কোন সন্দেহ থাকবে না আমার।’

    সুতরাং জাহাজে নিজের কেবিনে গিয়ে বসে রইল কিউই। মনে সন্দেহ। বোতলটা হয়ত না-ও ফিরতে পারে। এভাবে কেটে গেল বেশ কিছুক্ষণ।

    হঠাৎ একটা জিনিস বার করার জন্যে সিন্দুক খুলেই দেখতে পেল সেখানে বোতলটা জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। আসলে কিউই জাহাজে ফিরে আসার আগেই পৌঁছে গেছে বোতলটা। ‘বুড়ো তো ভাল আপদ গছিয়ে দিয়েছে,’ ভাবল সে। তবে বুড়োর কথা যে সত্যি তাতে কোন সন্দেহ রইল না তার।

    লোপাকা নামে কিউই-র এক নাবিক বন্ধু আছে। এ জাহাজেই রয়েছে সে। একসাথেই এসেছে ওরা। এ সময় কিউই-র কেবিনে এল লোপাকা।

    ওকে সিন্দুক খুলে অবাক হয়ে চেয়ে থাকতে দেখে বলল, ‘কি দেখছ অমন করে?’

    বোতলটা বার করে লোপাকাকে দেখাল কিউই। খুলে বলল সব ঘটনা। বোতলের ক্ষমতার কথাও বাদ দিল না।

    ‘বড় অদ্ভুত কথা শোনালে,’ সবশুনে বলল লোপাকা।

    ‘আমার ভয়, করছে,’ বলল কিউই। ‘তখন বুড়োর কথায় গলে গিয়ে কিনে ফেলেছিলাম। এখন এটা নিয়ে কি করি বল তো।’

    ‘অত চিন্তা করছ কেন! বুড়ো তো বোতল ফেরত নেবে বলেছেই। ওর কাছে আবার বেচে দিয়ে এস গে, পরামর্শ দিল লোপাকা।

    ‘না, বুড়ো মানুষটাকে আর বিপদে ফেলতে চাই না। বেচারা আজ আছে কাল নেই। ঈশ্বর না করুন বোতল বেচার আগে পটল তুললে চিরতরে ওকে আগুনে পুড়ে মরতে হবে। তারচেয়ে বরং আমিই রেখে দিই। বেচে দেব কারও কাছে,’ কিউই বলল।

    ‘আমার কাছে বেচতে পার,’ লোপাকা বলল, ‘তবে তার আগে প্রমাণ চাই। শয়তানটা তার ক্ষমতা দেখাতে পারলে বোতলটা আমিই কিনব। জানই তো একটা স্কুনার কেনার ইচ্ছে আছে আমার। বহুদিনের শখ। ওটা ‘নিয়ে বেরিয়ে পড়ব আমি। দ্বীপ-দ্বীপান্তরে ঘুরে বেড়াব। ব্যবসা করব।’

    ‘আমার চিন্তা ভাবনা আবার অন্যরকম,’ কিউই বলল। ‘কোনা উপকূলে চমৎকার একটা বাগান বাড়ি চাই আমার। যার প্রতিটা ঘরে খেলা করবে রোদ। বাগানে ফুটে থাকবে রঙিন সব ফুল। জানালায় লাগানো থাকবে দামি কাঁচ। দেয়ালে দেয়ালে ছবি ঝুলবে। মেঝেতে পাতা থাকবে পুরু কার্পেট। তিনতলা হবে বাড়িটা। রাজ প্রাসাদের মত ব্যালকনিতে রোজ বিকেলে বসে থাকব। কোন চিন্তা থাকবে না আমার। বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন নিয়ে নিশ্চিন্তে দিন কাটাতে পারব ও বাড়িতে। সে সঙ্গে প্রচুর টাকা থাকলে তো কথা-ই নেই।’

    কিউই-র কথা শুনে বুদ্ধি বাতলে দিল লোপাকা। বলল, ‘চল, হাওয়াই-এ ফিরে যাই। বোতলটা নিয়ে যাব সাথে করে। তোমার কথা সত্যি হলে ওটা কিনে নেব আমি। স্কুনার চাইর শয়তানটার কাছে।

    দু’জনে হাওয়াই ফিরে যেতে মনস্থ করল। পরদিন জাহাজে চেপে রওনা দিল ওরা। চলছে তো চলছেই। পথ যেন আর ফুরায় না। শেষমেশ বোতলসহ ফিরে এল হনলুলুতে। জাহাজ বন্দরে ভেড়ার সাথে সাথেই এক পুরানো বন্ধুর সাথে দেখা হয়ে গেল ওদের।

    ‘তোমার জন্যে একটা সুখবর আছে,’ হাসিমুখে কিউইকে বলল বন্ধুটি।

    ‘কি সুখবর? শিগগির বল,’ ব্যস্ত হয়ে বলল কিউই।

    ‘তুমি শোননি? তোমার চাচা উইল করেছেন। কোনা উপকূলে তাঁর যে জমি রয়েছে সমস্তই পাবে তুমি। তাঁর জীবদ্দশাতেই,’ বলল সে।

    ‘বল কি! তবে তো এক্ষুণি চাচার সঙ্গে দেখা করতে হয়,’ কিউই আনন্দে আটখানা।

    ‘সেজন্যে কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে তোমাকে। তোমার চাচা দেশভ্রমণে বেরিয়েছেন। শেষ বয়সটা ঘুরে ফিরেই কাটাতে চান তিনি। চমকে দেবেন বলে তোমাকে কিছুই জানাননি। এই তো, দিন দশেক হল রওনা দিয়েছেন।

    ‘এখন তবে বাড়ি বানানো বাকি রইল,’ লোপাকা বলল।

    ‘হ্যাঁ, কিন্তু টাকা পাব কোথায়?’ উদ্বিগ্ন মুখে বলল কিউই।

    ‘তুমি তোমার চাচার উকিলের সঙ্গে দেখা কর গিয়ে। তিনি হয়ত উপায় বাতলে দিতে পারবেন,’ বলল বন্ধুটি।

    ‘ঠিক বলেছ,’ সায় দিল কিউই আর লোপাকা। উকিলের কাছে গেল ওরা দু’জন। উকিল জানালেন কিউই-র চাচা ওর জন্যে ব্যাংকে বেশ কিছু টাকা রেখেছেন। তাঁর ইচ্ছে কিউই যেন কোনা উপকূলে চমৎকার একটা বাড়ি বানায়।

    একথা শুনে আশ্চর্য হয়ে গেল ওরা। চাচা-ভাইপোর ইচ্ছের কি অদ্ভুত মিল।

    ‘বাড়ি বানাবার টাকা তো পেয়েই গেলে,’ উত্তেজিত হয়ে বলল লোপাকা।

    ‘বাড়ি বানাবার কথা ভাবছেন আপনারা?’ জিজ্ঞেস করলেন উকিল। ‘ভাল একজন আর্কিটেক্টের কার্ড আছে আমার কাছে। দারুণ সুনাম তাঁর।’

    ‘তাহলে তো কথাই নেই,’ বলল লোপাকা। ‘সব কিছু হয়ে যাচ্ছে পানির মত। চল, আর্কিটেক্টের সঙ্গে দেখা করি আমরা।’

    ব্যাংকে একবার ঢুঁ মেরে ওরা দু’জনে গেল আর্কিটেক্টের কাছে। গিয়ে দেখে টেবিলের ওপর বিভিন্ন ধরনের বাড়ির নকশা বিছিয়ে বসে রয়েছেন তিনি।

    ভদ্রলোক সব শুনে বললেন, ‘নতুনত্ব চান? দেখুন এটা পছন্দ হয় কিনা।’ কিউই-র হাতে একটা নকশা তুলে দিলেন তিনি।

    নকশাটা চোখের সামনে মেলে ধরেই চিৎকার করে উঠল কিউই। এ যে তার কল্পনার সেই নকশা, ঠিক এভাবেই বানাবে বাড়িটা, ভেবে রেখেছে সে।

    ‘এই নকশাটা নেব আমি। এটা দেখেই বাড়ি বানাব। মনের মত একটা বাড়ি পেলে আর কিছু চাই না আমার,’ ভাবল সে।

    কিউই আর্কিটেক্টকে তার মনের সব ইচ্ছেগুলো জানিয়ে দিল দরজা-জানালা কেমন হবে, বাগানটা কোথায় থাকবে, ছবিগুলো কোন ঘরে টাঙাতে হবে সবই জানাল। অবশেষে আর্কিটেক্টকে সোজাসুজি জিজ্ঞেস করে বসল সে, ‘বাড়িটা বানাতে মোটমাট কত পড়বে?’ ব্যাংকে ওর কত টাকা আছে জানাল কিউই।

    আর্কিটেক্ট ওকে নানা প্রশ্ন করলেন। বহু হিসেব নিকেষ কষে যা জানালেন তার দশভাগের এক ভাগও নেই ব্যাংকে।

    কিউই হতাশ ভঙ্গিতে চাইল লোপাকার দিকে। কিউই-র চোয়াল ঝুলে পড়েছে। ‘ভেব না। টাকার ব্যবস্থা হয়ে যাবে,’ কিউইকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল লোপাকা। কিউই ভেবে পেল না লোপাকা এত নিশ্চিত হচ্ছে কি করে।

    আর্কিটেক্টের কাছ থেকে বিদায় নিল ওরা। লোপাকা তাঁকে বলল, ‘শিগগিরই আবার আসছি আমরা। আপনি কাজ শুরু করুন।

    বাইরে বেরিয়ে লোপাকা বলল, ‘তুমি এত ভেঙে পড়ছ কেন? বোতলটার কথা ভুলে গেছ? একবার চেয়েই দেখ না, টাকা হয়ত শয়তানটাই জোগাবে।

    ‘তাই তো, বোতলের কথাটা তো মনেই আসেনি,’ উত্তেজিত হয়ে উঠল কিউই।

    দু’জনে বাড়ি না ফিরে চলে এল নির্জন এক রাস্তায়। তারপর কোটের পকেট থেকে বোতলটা বার করল কিউই। আস্তে করে ডাকল, ‘বোতল শয়তান, আমার টাকা চাই। অনেক টাকা। যে টাকা প্রাসাদের মত একটা বাড়ি বানাবার পরও ফুরোবে না। ‘

    মুহূর্তেই কিউই-র কোট-প্যান্টের পকেটগুলো অসম্ভব ভারী হয়ে উঠল। টাকা। তারপর রাস্তার ওপরই পড়তে লাগল টাকার বাণ্ডিল। লোপাকা আর কিউই দু’জন মিলে কুড়োতে কুড়োতে হাঁপিয়ে উঠল একসময় থেমে গেল টাকার বৃষ্টি। ওরা বুঝল এসে গেছে প্রয়োজনীয় টাকা।

    দু’জনে তক্ষুণি আবার ফিরে এল আর্কিটেক্টের কাছে। তাঁর সঙ্গে চুক্তি করল কিউই। বাড়ির সব খরচ মিটিয়ে দিল। তারপরও প্রচুর টাকা রয়ে গেল তার কাছে। এক সঙ্গে এত টাকা দেখে আর্কিটেক্টের তো চক্ষু চড়কগাছ। এত অল্প সময়ে এত টাকা কোত্থেকে এল ভেবে পেলেন না তিনি। জিজ্ঞেস করতে যাওয়াটাও অভদ্রতা। ফলে কৌতূহল মনে চেপেই রইলেন।

    ক’দিন পর লোপাকা আর কিউই আবার বেরিয়ে পড়ল সমুদ্র- যাত্রায়। এবারের গন্তব্য অস্ট্রেলিয়া। ওরা ঠিক করল বাড়িটা বানানোর ব্যাপারে দু’জনের কেউই মাথা ঘামাবে না। আর্কিটেক্ট আর বোতল শয়তান নিজেদের ইচ্ছেমতই বানাক বাড়িটা। ওদের ওপর পূর্ণ আস্থা রয়েছে এদের দু’জনের।

    ⤷
    1 2 3 4
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমাকে জাগাও – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    Next Article বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }