Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বোতল শয়তান – রবার্ট লুই স্টিভেনসন

    রবার্ট লুই স্টিভেনসন এক পাতা গল্প40 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বোতল শয়তান – ৩

    ‘ওদিকে ককুয়ার মাথায় এখন কেবল একটি চিন্তাই ঘুরপাক খাচ্ছে। সুখী হতে হবে। কিউইকেও সুখী করতে হবে। সমুদ্র তীরে প্রথম দর্শনেই ভাল লেগে গিয়েছিল যুবকটিকে। তখন থেকে এক মুহূর্তের জন্যেও ভুলতে পারেনি ওর কথা। এত অল্প সময়ে ওকে এত বেশি ভালবেসে ফেলেছে ককুয়া যে প্রয়োজন পড়লে বাবা-মা, সবাইকে ছেড়ে ওর কাছে চলে যাবে সে। কিন্তু ভাব ভঙ্গিতে এসবের কিছুই সে বুঝতে দেয়নি কিউইকে।

    ঘোড়ায় চেপে বাড়ি ফিরে চলল কিউই। সে কী আনন্দ তার। খুশিতে ভরে গেছে মন। সারাটা পথই গান গেয়ে পেরোল সে। বাড়ি যখন ফিরে এল তখনও গান থামেনি। ব্যালকনিতে বসে পেট পুরে খেল কিউই। ওর চীনা কাজের লোকটি ওর ফূর্তির কারণ বুঝতে না পেরে অবাক হয়ে চেয়ে রইল। মালিকের আজ এত কিসের আনন্দ মাথায় আসছে না তার।

    সূর্য ডুবে গেল সমুদ্রে। আঁধার নেমে এল। কিউই-র ব্যালকনিতে জ্বলে উঠল প্রদীপ। কিউই ওখানে পায়চারি করল আর গলা ছেড়ে গান গাইল। ওর গান শুনে জাহাজের নাবিকরা পর্যন্ত অবাক বনল। ওরা বলাবলি করল, বড় মিষ্টি গলা লোকটির।

    ‘পানি গরম কর। গোসল করব,’ কাজের লোকটিকে বলল কিউই।

    লোকটি যখন পানি গরম করার জন্যে নিচে নেমে এল তখনও গান গেয়ে চলেছে কিউই। পানি গরম হলে সে মনিবকে ডেকে আনল। বাথরূমে ঢুকে বাথটাবে পানি ভরার সময়ও কিউইকে গান গাইতে শুনল সে।

    কিন্তু তার খানিক বাদেই হঠাৎ থেমে গেল গান। বেশ কিছুক্ষণ বাইরে দাঁড়িয়ে চুপ করে অপেক্ষা করল কাজের লোকটি। তারপর চিৎকার করে জানতে চাইল মনিবের কোন অসুবিধে হচ্ছে কিনা।

    ভেতর থেকে জবাব এল, ‘সব ঠিক আছে। তুমি যাও।’

    কিন্তু আসলে ঠিক নেই। ফলে গান থেমে গেছে ও বাড়িতে। আসল ঘটনা হচ্ছে, গোসল করার জন্যে কাপড় খুলতেই কিউই দেখে তার শরীরে সাদা একটা দাগ। ঠিক যেন ছাতা পড়া ছোট একটা পাথর। আর বুঝতে বাকি রইল না কিউইর, কুষ্ঠ হয়েছে তার।

    এই রোগ হওয়া যে-কারও জন্যেই চরম দুর্ভাগ্য। আর যে প্রেমে পড়েছে, শীঘ্রিই বিয়ে করতে যাচ্ছে তার জন্যে তো কথাই নেই। তার মানে প্রেমিকা, এত সুন্দর বাড়ি, বন্ধু-বান্ধব সব ছেড়ে চলে যেতে হবে মলোকাইতে। কুষ্ঠরোগীদের আশ্রমে। কিউই-র মনের সব ইচ্ছেগুলো কাঁচের মত ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।

    খানিকক্ষণ বাথটাবে চুপ করে বসে রইল কিউই। ঘটনার আকস্মিকতায় থমকে গিয়েছিল সে। তারপর কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে এল বাইরে। নিজেকে প্রশ্ন করল: ‘আমি কি দোষ করেছি যে ঈশ্বর আমাকে এতবড় শাস্তি দিলেন? কেনইবা ককুয়ার সঙ্গে আমার দেখা করিয়ে দিলেন তিনি। আমি আর কোনদিন বিয়ে করতে পারব না। কোন্ মুখে ওর কাছে যাব আমি? ওর সুন্দর হাতে কখনও হাত রাখতে পারব না। এ দুঃখ আমি রাখি কোথায়?’

    সারাটা রাত ব্যালকনিতে হেঁটে বেড়াল কিউই। ঘুম পালিয়েছে চোখ থেকে।

    ককুয়াকে বিয়ে করে সারা জীবন সুখে স্বচ্ছন্দে কাটানর কথা ভেবেছিল কিউই। এমন কঠিন অসুখ হবে স্বপ্নেও কি ভাবতে পেরেছিল সে? এখন অন্য কেউ হয়ত বিয়ে করবে ককুয়াকে। কিন্তু সে কি কিউই-র মত ভালবাসবে তাকে? কিউই যে ওকে প্রাণের চেয়েও বেশি ভালবেসে ফেলেছে। কিন্তু এখন আর উপায় কি? ককুয়ার কোন ক্ষতি করতে পারবে না সে। ওকে কিছুতেই বিপদে ফেলতে পারবে না।

    রাতে বিছানায় শুয়ে ছটফট করতে লাগল কিউই। ঘুম আসছে না কিছুতেই। কেটে যাচ্ছে সময়। মাঝরাতের পর বোতলটার কথা হঠাৎ মনে পড়ল ওর। পেছনের বারান্দায় চলে এল সে। ভাবল সেদিনের কথা যেদিন বোতল থেকে উঁকি মেরেছিল শয়তানটা। ভাবনাটা মাথায় আসতেই রক্ত হিম হয়ে গেল ওর।

    ‘বোতলটা ভয়ঙ্কর,’ ভাবল কিউই, ‘আরও ভয়ঙ্কর, ভেতরের শয়তানটা। কিন্তু রোগমুক্ত হবার আর ককুয়াকে বিয়ে করার অন্য কোন উপায় তো দেখছি না। বোতলটাই এখন একমাত্র ভরসা। ককুয়াকে পাওয়ার জন্যে দরকার হলে আবার শয়তানের খপ্পরে যাব।

    পরদিন জাহাজে চাপবে ঠিক করল সে। হনলুলু যাবে। লোপাকাকে খুঁজে বার করতেই হবে। ফিরে পেতে হবে বোতলটা। এছাড়া আর যে কোন উপায় নেই। একদিন যেটা দূর করে দেয়ার জন্যে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল সেটাই এখন আকুলভাবে ফিরে পেতে চাইছে কিউই।

    সারা রাত দু চোখের পাতা এক করতে পারল না সে। কিয়ানোকে চিঠি লিখল। জানাল ক’দিনের জন্যে বাইরে যাচ্ছে। পরদিন বন্দরে এল সে। জাহাজে চাপবে, অন্যান্য লোকেরাও এসে জড়ো হয়েছে এখানে। হনলুলু যাবে সবাই।

    একটা দোকানের সামনে ছাউনির নিচে বসে গল্প-গুজব করছে লোকগুলো। ওদের মাঝখানে মনমরা হয়ে বসে রইল কিউই। আগ্রহ বোধ করছে না কোন কিছুতেই। এসময় হঠাৎ বৃষ্টি পড়তে শুরু করল। ভিজিয়ে দিচ্ছে সব বাড়ি-ঘর। সমুদ্রের ফেনা সজোরে বাড়ি খাচ্ছে পাথরে। সেদিকে চেয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলল কিউই। এই সাগরের পারেই দেখা হয়েছিল কুয়ার সঙ্গে! ‘দেখা না হওয়াই ভাল ছিল,’ ভাবল সে।

    ‘কিউই-র মন ভাল নেই,’ বলল একজন। তার কথায় মাথা নাড়ল অন্যেরা। ওদের কথা যেন কানেই যাচ্ছে না ওর। বসে রইল চুপচাপ।

    এসময় জাহাজ এল। সবাই গিয়ে উঠল ডেকে। একা এক কোণে গিয়ে চুপটি করে বসে রইল কিউই। তার চোখ চলে গেল ককুয়াদের বাড়ির দিকে। সমুদ্রতীরে দাঁড়িয়ে রয়েছে বাড়িটা। লম্বা পাম গাছগুলো চোখে পড়ছে। ‘তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচব না, ককুয়া,’ সেদিকে চেয়ে থেকে বলল কিউই।

    এভাবে সন্ধে নেমে এল। জ্বলে উঠল কেবিনগুলোর বাতি। যাত্রীরা সব গোল হয়ে কয়েকটা জটলা পাকিয়ে তাস খেলতে বসল। প্রায় প্রত্যেকের হাতেই মদের গেলাস। সারা রাতই তাস খেলল ওরা। আর ওদিকে কিউই একাকী পায়চারি করল ডেকে। সারা রাত।

    পরদিন সন্ধে বেলা জাহাজ ভিড়ল হনলুলু বন্দরে। জাহাজ থেকে নেমেই কিউই লোপাকার খোঁজ করতে লাগল। একে ওকে জিজ্ঞেস করল, লোপাকাকে তারা কেউ দেখেছে কিনা।

    লোকজনের মুখে জানতে পারল লোপাকা স্কনার কিনেছে। ওটা নিয়ে চলে গেছে সমুদ্র অভিযানে। সুতরাং লোপাকার সঙ্গে দেখা করা সম্ভব হল না। মনটা ভেঙে গেল ওর। মাথায় একটাই চিন্তা, ককুয়াকে বোধহয় আর পাওয়া হল না।

    কিউই-র হঠাৎ এক উকিলের কথা মনে পড়ল (নাম গোপন রাখছি)। লোপাকার বন্ধু। এ শহরেই থাকেন। তাঁর খোঁজ করতে লোকে জানাল তিনি ইদানীং প্রচুর টাকা কামিয়েছেন। একেবারে আঙুল ফুলে কলাগাছ। প্রাসাদোপম এক বাড়ি বানিয়েছেন। কথাটা শুনে আশান্বিত হয়ে উঠল কিউই। ঠিকানা নিয়ে সেই উকিলের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হল সে। তার অনুমান হয়ত সঠিক হতে পারে।

    বাড়িটা সবে তৈরি হয়েছে বোঝা যায়। বাগানের গাছগুলো এখনও ছোট-ছোট।

    উকিলের সঙ্গে দেখা করতে তিনি বললেন, ‘আমি কি করতে পারি বলুন।’

    ‘আমি লোপাকার বন্ধু। ও আমার কাছ থেকে একটা জিনিস কিনেছে। ওটা এখন খুব প্রয়োজন আমার। আপনি কি আমাকে সাহায্য করতে পারেন এ ব্যাপারে?’

    উকিলের মুখ সহসা গম্ভীর হয়ে গেল। ‘বুঝতে পারছি আপনি কিসের কথা বলছেন। বোতলটা আমি বেচে দিয়েছি।’

    কিউই-র মাথায় হাত উঠে এল। কত আশা নিয়েই না এসেছিল সে। উকিল ওর অবস্থা দেখে সান্ত্বনা দিয়ে বললেন, ‘চিন্তার কিছু নেই। যার কাছে বেচেছি সে কাছেই থাকে। আমি তার নাম-ঠিকানা দিয়ে দিচ্ছি।’

    উকিলকে ধন্যবাদ জানাল কিউই। ঠিকানা নিয়ে চলল সেই লোকের বাড়িতে। গিয়ে শুনল বোতল বেচে দিয়েছে সে-ও। সে যেতে বলল আরেক জায়গায়। এভাবে দিনের পর দিন ঘুরতে লাগল কিউই। তবে যেখানেই যায় সেখানেই চোখে পড়ে প্রাচুর্যের চিহ্ন। সবার নতুন বাড়ি, নতুন ঘোড়ার গাড়ি, পোশাকের চাকচিক্য। সব দেখে কিউই বুঝতে পারল তার অনুসন্ধান ব্যর্থ হবে না।

    কিউই ভাবল যারা সুখে আছে, যাদের মুখে হাসি তাদের কাছে গিয়ে লাভ নেই। তারা বোতল শয়তানের কাছ থেকে সব সুযোগ সুবিধা আদায় করে নিয়ে বোতল বেচে দিয়েছে। মুক্তি পেয়েছে। তবে যার মুখে হাসি নেই, সেই বুড়োটার মত মন খারাপ করে বসে রয়েছে সেরকম কারও কাছেই পাওয়া যাবে জিনিসটা।

    শেষ পর্যন্ত ঠিকানা নিয়ে বারিতানিয়া স্ট্রীটে এক বাড়িতে গেল সে। এ বাড়িটাও যথারীতি নতুন। ঘরে ঘরে জ্বলছে বৈদ্যুতিক আলো। কিন্তু বাড়ির মালিককে দেখামাত্রই কিউই বুঝতে পারল আসল জায়গায় এসে গেছে সে। ভেতর ভেতর খুশিতে নাচতে লাগল ও। অবশ্য লোকটিকে দেখে ভয়ও পেল। লোকটির বয়স বেশি নয় তবে মড়ার মত ফ্যাকাসে দেখাচ্ছে তাকে। মনে হচ্ছে সর্বদা মৃত্যু চিন্তায় কাতর। চোখের দৃষ্টিতে আতঙ্কের ছাপ। যেন ভয়ঙ্কর কোন কিছুর জন্যে অপেক্ষা করছে।

    ‘আর ঘুরতে হবে না,’ মনে মনে বলল কিউই। তারপর লুকোছাপা না করে বলে ফেলল, ‘আমি বোতলটা কিনতে এসেছি।’

    কথাটা যেন বিশ্বাসই হয়নি লোকটির। অবাক হয়ে চেয়ে রইল ওর দিকে।

    ‘বোতল!’ কোনমতে বলতে পারল লোকটি, ‘বোতল কিনতে এসেছেন?’ বুকে জড়িয়ে ধরল সে কিউইকে। খানিক বাদে হাত ধরে টেনে ঘরে নিয়ে গেল। পট থেকে দুটো কাপে কফি ঢালল। একটা এগিয়ে দিল কিউই-র দিকে।

    ‘ধন্যবাদ,’ বলল কিউই। ‘বোতলটা কিনব আমি। ওটার দাম কত এখন?’ প্রশ্নটা শোনামাত্রই লোকটির হাত থেকে কফির কাপটা মেঝেতে পড়ে গেল। তবে ভ্রূক্ষেপ করল না সে। অপ্রকৃতিস্থের মত চেয়ে রইল কিউই-র দিকে।

    ‘দাম!’ বলল সে, ‘দাম জানা নেই আপনার?’

    ‘না। সেটাই জানতে চাইছি,’ জবাব দিল কিউই। ‘আপনি এমন করছেন কেন? দামের ব্যাপারে কোন গোলমাল আছে?’

    ‘ওটার আর দাম নেই, মিস্টার কিউই,’ বলল লোকটি।

    ‘আমার কাছে আছে। ওটা চাই আমার। দামটা বলুন দয়া করে। আমি তারচেয়ে কমে কিনে নেব।’

    ‘আমি ওটা দু’সেন্ট দিয়ে কিনেছি,’ গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলল লোকটি।

    ‘কি বললেন?’ প্রায় চেঁচিয়ে উঠল কিউই। ‘দু’সেন্ট? তারমানে এক সেন্টে কিনতে হবে আমাকে। আর কিনলে—’ কথা শেষ করতে পারল না কিউই। চোখে সর্ষে ফুল দেখতে লাগল। এক সেন্টের চেয়ে কম দামি মুদ্রা আর নেই। ফলে এখন যে বোতলটা কিনবে সে আর বেচতে পারবে না। চিরতরে নরকের আগুনে পুড়ে মরতে হবে তাকে।

    হঠাৎ হাঁটু গেড়ে বসে কিউই-র পা জড়িয়ে ধরল লোকটি। ‘ঈশ্বরের দোহাই, বোতলটা কিনুন,’ প্রায় কেঁদে ফেলল সে। ‘আমার যা আছে সব নিন আপনি। আমাকে বাঁচান। বাধ্য হয়ে বোতলটা কিনেছিলাম আমি। নইলে দেনার দায়ে জেলে যেতাম। এখন মনে হচ্ছে সেই-ই ভাল ছিল।’

    ‘আমি আপনার মনের অবস্থা বুঝতে পারছি,’ কিউই বলল। ‘আপনি ভাববেন না, বোতলটা আমি নেব। এছাড়া আমারও আর কোন উপায় নেই।’

    এক সেন্ট দিয়ে বোতলটা কিনে নিল কিউই। ওটা হাতে পেয়েই ফিসফিসিয়ে হুকুম করল, ‘বোতল শয়তান, আমার কুষ্ঠ সারিয়ে দাও।’ যেই না বলা অমনি শরীরে অদ্ভুত এক অনুভূতি হল তার। কিউই বুঝল কাজ হয়ে গেছে।

    ওখানে আর দাঁড়াল না সে। বোতল বিক্রেতার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ফিরে চলল হোটেলে। ঘরে ফিরে প্রথমেই কাপড় খুলে ফেলল সে। তারপর আয়নার সামনে দাঁড়াল। শরীরের কোথাও কোন দাগ চোখে পড়ল না তার। খুশি হয়ে উঠল কিউই। তবে খুশির ভাবটা রইল না বেশিক্ষণ। মাথায় কেবল ঘুরপাক খাচ্ছে একটিমাত্র চিন্তা। কারও কাছে বোতল বেচতে পারবে না সে, পুড়ে মরতে হবে নরকের আগুনে। শিউরে উঠল কিউই।

    অনেকক্ষণ বাদে খানিকটা স্বাভাবিক হয়ে এল সে। কিন্তু ঘরে একা বসে থাকতে ভাল লাগছে না। কেমন ভয় ভয় করছে। নিচে হোটেলের বলরূমে নাচ-গান হচ্ছে। ওখানে চলে গেল সে। সমবেত লোকজনকে ফূর্তি করতে দেখে মন অনেকখানি হালকা হল। সে রাতটা বেশ ভালই কাটল ওর।

    পরদিন প্রথম জাহাজটাতেই চেপে বসল কিউই। ফিরেই দেখা করল কিয়ানো আর তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে। দু’জনের সম্মতিতে ক’দিন পর বিয়ে করল ককুয়াকে। তারপর স্ত্রীকে নিয়ে চলে গেল নিজের বাড়িতে।

    এখন ঘটনা হচ্ছে, ওরা দু’জনে যতক্ষণ এক সঙ্গে থাকে ততক্ষণ সব কিছু ভুলে থাকে কিউই। কিন্তু ও নিজে এক মুহূর্তের জন্যে একা হলেই শয়তান আর নরকের চিন্তা মাথায় ভর করে। কল্পনায় দেখতে পায় অতল এক পিপেতে তার জন্যে তেল গরম করা হচ্ছে। লকলক করছে আগুনের শিখা ওদিকে ককুয়া এসবের কিছুই জানে না। সে মনের আনন্দে হেসে খেলে বেড়ায়। গান গায়। পুরো বাড়িটাকে সে মাথায় করে রেখেছে।

    কিউই ওর ফূর্তি দেখে আনন্দ পায়। আবার ভবিষ্যতের চিন্তায় ভয়ে কুঁকড়েও যায়। চুপচাপ এক কোণে বসে দীর্ঘশ্বাস ফেলে। কাঁদে। কিন্তু ককুয়াকে বুঝতে দেয় না কিছু। ফলে ককুয়া জানে না ওকে পাওয়ার জন্যে কী মূল্য দিতে হয়েছে কিউইকে।

    কিন্তু এভাবে কি আর বেশিদিন চলে? ককুয়ার উচ্ছলতা কমে গেল ধীরে ধীরে। এখন তার গান আর শোনাই যায় না প্রায়। এতদিন কিউই একা মন খারাপ করে বসে থাকত। এখন স্বামী-স্ত্রী দু’জনেরই মুখ কালো। দু’জনেই দু’জনকে এড়িয়ে চলে। কেউ কারও সঙ্গে বিশেষ কথা বলে না।

    কিউই নিজের দুঃখে এত বেশি কাতর যে ককুয়ার এই আমূল পরিবর্তন তার নজর এড়িয়ে গেল। ওদিকে অভিমানের পাহাড় জমেছে ককুয়ার বুকে।

    কিউই এতসবের কিছুই জানে না। একদিন হঠাৎ ওর কানে কান্নার শব্দ এল। শব্দটা আসছে ব্যালকনি থেকে। কিউই ছুটে গিয়ে দেখে ককুয়া মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে কাঁদছে।

    ‘তুমি কাঁদছ কেন, ককুয়া? কি হয়েছে তোমার?’ অবাক হয়ে প্রশ্ন করল কিউই। ওকে টেনে তুলল মেঝে থেকে। মুছিয়ে দিল চোখের পানি।

    ‘বিয়ের আগে সবাই তোমাকে সুখী বলে জানত। কিন্তু আমাকে বিয়ে করার পর থেকে তোমার মুখে হাসি নেই, মনে আনন্দ নেই, ‘ ফোঁপাতে ফোঁপাতে বলল ককুয়া। ‘আমি কি তোমাকে কোন কষ্ট দিয়েছি? আমাকে পেয়ে তুমি সুখী নও?’

    ‘অবশ্যই সুখী। আমার চেয়ে সুখী আর কেউ নেই। শোন, ককুয়া, ওর হাতটা ধরার চেষ্টা করল কিউই। পারল না। ঝটকা মেরে ছাড়িয়ে নিল ককুয়া। ‘ককুয়া, শোন,’ আবার বলল কিউই, ‘তোমার জন্যে আমি সব করতে পারি, করেওছি। সে-সব কথা তোমাকে জানানো দরকার। নইলে তোমার ভুল ভাঙবে না।’

    সেই প্রথম থেকে যা যা ঘটেছে সব খুলে বলল কিউই।

    ‘আমাকে তুমি এত ভালবাস? আমার জন্যে তুমি এত সব করেছ?’ বলল ককুয়া। জড়িয়ে ধরল স্বামীকে।

    ‘করেছি। তবে নরকের কথা কিছুতেই ভুলতে পারছি না যে, ‘ কিউই বলল।

    ‘তুমি ভেব না, কিউই। যে আমাকে এত ভালবাসে তার জন্যে সব করতে পারি আমি। দরকার পড়লে নিজের জীবন দিয়ে বাঁচাব তোমাকে, বলল ও।

    ‘এখন আর সে সুযোগ নেই, প্রিয়তমা, আমার নরকভোগ কেউ ঠেকাতে পারবে না,’ কিউই বলল।

    ‘তুমি কিচ্ছু জান না,’ ককুয়া বলল। ‘পুরো পৃথিবীটা তো আর আমেরিকা নয়। এক সেন্টের চেয়ে কম দামি মুদ্রা ইংল্যাণ্ডে আছে। ওরা বলে ফার্দিং। আধ সেন্টের সমান।

    ‘তবে ইংল্যাণ্ডে গিয়ে সুবিধে হবে না। কারণ আধ সেন্ট দিয়ে বোতল কিনে ক্রেতা আর বেচতে পারবে না। তারচেয়ে বরং ফ্রান্সে যার আমরা। ওখানে সেন্টাইম নামে ছোট্ট একটা মুদ্রা আছে। আমাদের এক সেন্টের সমান ওদের, পাঁচ সেন্টাইম। সুতরাং চার সেন্টাইম দিয়ে বোতল কেনার লোকের অভাব হবে না। কি, তোমার চিন্তা দূর হল?’ কথা শেষ করে জানতে চাইল ককুয়া।

    কিউই-র মুখে তখন হাসি ধরছে না। মাথা ঝাঁকাল সে।

    .

    পরদিন তৈরি হয়ে নিল ককুয়া। কিউই-র সিন্দুকটা মালপত্রে ঠাসল সে। বোতলটা রাখল এক কোণে। দামি দামি সব কাপড়-চোপড় দিয়ে ভরে ফেলল সিন্দুকটা। এত কাপড়ের কি দরকার জানতে চাইল কিউই। ককুয়া বলল, ‘লোকজনকে বোঝাতে হবে আমাদের প্রচুর টাকা। আর সব দিয়েছে বোতল শয়তান। নইলে ওরা বোতল কিনতে চাইবে কেন?’

    ওর কথায় সায় দিল কিউই। স্ত্রীর ওপর পূর্ণ আস্থা রয়েছে তার। এতদিনের পুষে রাখা কষ্টটা ককুয়ার কাছে খোলাসা করে দিয়ে অনেকখানি হালকা বোধ করছে এখন সে। নতুন জীবন পেয়েছে যেন। সামনে আশার আলো দেখতে পাচ্ছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমাকে জাগাও – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    Next Article বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }