Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বোতল শয়তান – রবার্ট লুই স্টিভেনসন

    রবার্ট লুই স্টিভেনসন এক পাতা গল্প40 Mins Read0
    ⤶

    বোতল শয়তান – ৪

    কদিন সমুদ্র যাত্রার পর ফ্রান্সের তাহিতি দ্বীপে এসে পৌঁছল ওরা।

    ককুয়া বলল, ‘লোকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইলে ভাল একটা বাড়ি ভাড়া করতে হবে আমাদের। আর প্রচুর টাকা ওড়াতে হবে।’

    ‘ঠিক বলেছ, বলল কিউই। স্ত্রীর কথামত ঘোড়ার গাড়ি কিনল সে। অনেক টাকা বেরিয়ে গেল তাতে। অবশ্য সেজন্যে কোন মাথাব্যথা নেই ওদের। ককুয়া সাহসী মেয়ে। কিউই-র মত ভীতু নয়। সে বোতল শয়তানকে যখন তখন হুকুম করতে লাগল। ফলে টাকার অভাব হল না।

    ককুয়া ঠিকই বলেছিল। খুব দ্রুত লোকের চোখে পড়ে গেল ওরা। লোকে বলাবলি করতে লাগল হাওয়াই থেকে বিরাট বড়লোক এক দম্পতি এসেছে এখানে। ইচ্ছেমত টাকা ওড়াচ্ছে। গাড়িতে চেপে ঘুরে বেড়াচ্ছে। দামি দামি পোশাক পরছে। লোকের তাক লেগে গেল।

    প্রথমেই ওরা তাহিতির ভাষা শিখে নিল। খুব একটা কষ্ট হল না ওদের। কেননা ভাষাটা প্রায় হাওয়াইয়ান ভাষার মতই, কেবল কিছু অক্ষর আলাদা। ভাষা শিখে নিয়েই বোতল বেচার কাজে লেগে পড়ল ওরা। তবে কাজটা অত সহজ নয়, বুঝতে পারল অল্পদিনেই। যে বোতলের এত গুণ সেটা ওরা মাত্র চার সেন্টাইমে বেচে দিতে চাইছে বলে কেউই প্রায় বিশ্বাস করল না ওদের কথা। তাছাড়া বোতলের বিপদ সম্পর্কেও জানাতে হয় লোককে। সব শুনে অনেকে বিশ্বাসই করে না, হেসে উড়িয়ে দেয়। অনেকে আবার ভয়ে পিছিয়ে যায়।

    অবস্থা এমন দাঁড়াল, ওদের এড়িয়ে চলে সকলে। ছোট ছেলে- মেয়েরা দেখলেই ছুটে পালায়। ওরা কথা বলতে চাইলে বড়রা নানা- অজুহাত দেখায়। সরে পড়ে।

    হতাশ হয়ে পড়ল ওরা। প্রতিদিন ছোটাছুটির পর রাতে চুপচাপ বসে থাকে বাড়িতে। ক্লান্ত হয়ে। দু’জনের কেউই কথা বলে না।. বলতে ইচ্ছেও করে না, মাঝে মাঝেই নীরবতা ভাঙে ককুয়ার কান্নার শব্দ। প্রায়ই ওরা একসঙ্গে প্রার্থনা করে। কখনওবা আবার মেঝেতে বোতলটা রেখে ওটার দিকে চেয়ে বসে থাকে। বোতলের ভেতরকার ছায়ার নড়াচড়া দেখে এক দৃষ্টে।

    একরাতে ঘুম ভেঙে গেল ককুয়ার। চোখ মেলে দেখে পাশে কিউই নেই। হঠাৎ কান্নার শব্দ কানে এল তার। বাইরে বেরিয়ে দেখে নিচে উঠনে গড়াগড়ি দিয়ে কাঁদছে কিউই। ব্যথায় মনটা ভরে গেল ককুয়ার। ছুটে কিউই-র কাছে যেতে মন চাইল তার। ওকে সান্ত্বনা দিতে ইচ্ছে করল। কিন্তু নিজেকে সংযত করল সে। স্ত্রীর কাছে সবাই নিজেকে সাহসী পুরুষ হিসেবে প্রমাণ করতে চায়। এ অবস্থায় কিউইকে সান্ত্বনা দিতে গেলে চরম লজ্জা পাবে ও। তাতে ওর দুঃখ বাড়বে বই কমবে না। ফলে ঘরে ফিরে গেল ককুয়া।

    ‘সব কিছুর জন্যে আমিই দায়ী। আমাকে ভালবাসে বলেই এত বড় ঝুঁকি নিয়েছে ও। অভিশপ্ত জীবনের পরোয়া করেনি। ওর ভালবাসার প্রতিদান দেব আমি। দরকার হলে চিরতরে পুড়ে মরব নরকের আগুনে,’ ভাবল ককুয়া। কিউইকে বাঁচানর সিদ্ধান্ত নিল সে।

    চুপিসারে তক্ষুণি ঘর থেকে বেরিয়ে এল ককুয়া। মুঠোয় তার চারটে সেন্টাইম। রাস্তায় নেমে এসে দেখে কালো মেঘের আড়ালে ঢাকা পড়েছে চাঁদ। চারদিক নিঝুম। গোটা শহরটাই ঘুমে বিভোর, কোথায় যাবে বুঝতে পারল না সে। ঠিক এসময় কানে এল কাশির শব্দ।

    ককুয়া চেয়ে দেখে গাছের ছায়ায় দাঁড়িয়ে রয়েছে বুড়ো মত এক লোক।

    ‘আপনি এই শীতের মধ্যে কি করছেন?’ বুড়োকে জিজ্ঞেস করল সে।

    বুড়ো কাশতে কাশতে যা বলল তার সারমর্ম হচ্ছে: তার কেউ নেই। খুব গরীব সে; এ দ্বীপে বেশিদিন হয়নি এসেছে।

    ‘আপনি আমার একটা উপকার করবেন? মৃদু কণ্ঠে জানতে চাইল ককুয়া। ‘মনে করুন আপনার মেয়ে অনুরোধ করছে। আমিও তো আপনার মতই নতুন এখানে। হাওয়াই থেকে এসেছি।’

    ‘ও, তুমিই সেই ডাইনী?’ আঁতকে উঠল বুড়ো। ‘আমার মত বুড়ো মানুষের ক্ষতি করতেও বাধে না তোমার? না, তোমার কোন ব্যাপারে নেই আমি।’

    ‘আগে আমার কথা শুনুন, বলল ককুয়া, তারপর ভেবে দেখবেন।’

    বুড়োকে পুরো ঘটনা খুলে বলল ককুয়া। তারপর বলল, ‘আমি নিজে বোতলটা কিনতে চাইলে কিছুতেই বেচবে না ও। কিন্তু আপনি গেলে খুশি মনে বেচে দেবে। আমি আপনার জন্যে অপেক্ষা করছি এখানে। আপনি দয়া করে চার সেন্টাইম দিয়ে কিনে আনুন বোতলটা।

    খাল আমি আপনার কাছ থেকে ওটা তিন সেন্টাইমে কিনে নেব। বাবা, এটুকু করুন আমার জন্যে।’

    ‘ঠিক আছে। যাব আমি,’ বলল বুড়ো।

    ‘আপনার অনেক দয়া, বাবা,’ কৃতজ্ঞতা ঝরে পড়ল ককুয়ার কণ্ঠে।

    চার সেন্টাইম নিয়ে বুড়ো চলল কিউই-র কাছে। ওদিকে রাস্তায় একাকী দাঁড়িয়ে ভয়ে কাঁপতে লাগল ককুয়া।

    খানিক বাদে বোতল হাতে ফিরে এল বুড়ো। ‘তোমার স্বামী বোতল বেচে বাচ্চা ছেলের মত কেঁদেছে। মুক্তির আনন্দে আজ বড় শান্তিতে ঘুমাবে সে,’ ককুয়ার দিকে বোতলটা বাড়িয়ে দিয়ে বলল বুড়ো।

    ‘কোন সন্দেহ করেনি তো?’ প্রশ্ন করল ককুয়া।

    ‘আরে না, ও বোতল বেচেই খালাস,’ মৃদু হেসে বলল বুড়ো।

    ‘ওটা আমাকে দেয়ার আগে,’ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল কুয়া, ‘শয়তানকে বলুন, আপনার কাশি সারিয়ে দেবে।’

    ‘তার দরকার নেই। আজ বাদে কাল যাব কবরে। শয়তানের দয়া চাই না আমার। কিন্তু তুমি বোতলটা নিচ্ছ না কেন? ভয় লাগছে?’ বলল বুড়ো।

    ‘না, তা নয়,’ শান্ত কণ্ঠে বলল ককুয়া। ‘খুব দুর্বল লাগছে। আমাকে একটা মিনিট সময় দিন।’

    গভীর মমতায় ওর দিকে চাইল বুড়ো। ‘আমার কোন ভবিষ্যৎ নেই, মা। তোমার আছে। বোতলটা বরং আমিই রেখে দিই,’ নরম কণ্ঠে বলল সে।

    ‘ওটা দিন,’ দ্রুত বলল ককুয়া। ‘এই নিন পয়সা।’

    ‘ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন,’ প্রার্থনা করল বুড়ো।

    বুড়োর কাছ থেকে বোতলটা কিনে নিল ককুয়া। তারপর ধন্যবাদ জানিয়ে রওনা দিল। কোথায় চলেছে সে, কোন রাস্তা ধরে চলেছে কিছুই জানা নেই তার। ককুয়ার মনে হচ্ছে সব রাস্তাই নরকে গিয়ে মিশেছে। সব রাস্তাই তার জন্যে সমান এখন। সারা রাত ছোটাছুটি করল ককুয়া। এদিক সেদিক। রাস্তার পাশে শুয়ে কাঁদল।

    পরদিন সকাল হলে হুঁশ ফিরল তার। ফিরে এল বাড়িতে। ঘরে ঢুকে দেখতে পেল কিউইকে। বুড়োর কথাই ঠিক। তার স্বামী পরম শান্তিতে ঘুমাচ্ছে। বড় নিশ্চিন্ত দেখাচ্ছে তাকে। ওর ঘুমন্ত মুখখানার দিকে চেয়ে শান্তি পেল ককুয়া।

    ‘প্রিয় স্বামী, আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি। তুমি এখন চিন্তামুক্ত। কিন্তু আমার ঘুম হারাম হয়ে গেছে। দুনিয়াটা আমার কাছে মূল্যহীন। চিরতরে অন্ধকার হয়ে গেছে আমার ভবিষ্যৎ,’ ভাবল ককুয়া।

    এসব ভেবে স্বামীর পাশে শুয়ে পড়ল সে। সারা রাতের দুশ্চিন্তা আর ক্লান্তির ফলে বুজে এল দু’চোখ।

    পরদিন সকালে ওকে জাগাল কিউই। শুভ সংবাদটা দেয়ার জন্যে। অনবরত বকবক করতে লাগল সে। কিভাবে বোতলমুক্ত হয়েছে সে খবর শোনাল। ককুয়া যে অন্যমনস্ক সেটা খেয়ালই করল না। সকালে কিছুই খেল না ককুয়া। কিউই তবু বুঝতে পারল না কিছু। সে পেট পুরে খেল। দেশে ফেরার পরিকল্পনা করল। ওকে এ শহরে নিয়ে এসে উদ্ধার করার জন্যে ধন্যবাদ জানাল ককুয়াকে। আর বুড়োর বোকামির কথা বলে আনন্দ পেল।

    ‘বুড়ো বোতল নিয়ে করবেটা কি?’ আপন মনেই প্রশ্ন করল কিউই।

    ‘নিশ্চয় ভাল কোন উদ্দেশ্য আছে,’ নরম গলায় বলল ককুয়া।

    হো হো করে হেসে উঠল কিউই। ‘গাধা বুড়ো কোথাকার। তিন সেন্টাইম দিয়ে ওর কাছ থেকে কে কিনবে বোতল? চার সেন্টাইমে বেচতেই জান বেরিয়ে গেছে আমাদের। ওর পোড়া কপাল, পুড়েই মরতে হবে ওকে,’ হাসতে হাসতে কথাগুলো বলল কিউই।

    ‘এভাবে বোলো না। ভয় করে। যে বোতল কিনে বাঁচাল তোমাকে তার জন্যে একটুও মায়া হচ্ছে না? ওর জন্যে তো আমাদের প্রার্থনা করা উচিত।’

    ককুয়ার মুখে সত্যি কথা শুনে রেগে উঠল কিউই। ‘তোমার যত ইচ্ছে প্রার্থনা কর গিয়ে। আমাকে ভালবাসলে এসব কথা বলতে পারতে না। আমি যে শয়তানের কবল থেকে মুক্ত হলাম সেটা কিছু নয়, না?’

    রেগেমেগে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেল কিউই। একাকী বসে রইল ককুয়া। চিন্তিত। হতাশ। দু’সেন্টাইমে বোতল বেচতে হবে। কিন্তু কিনবে কে? তাছাড়া কিউই দেশে ফেরার জন্যে তাড়া লাগাচ্ছে। দেশে ফিরে গেলে এ বোতল আর কোনদিনই বেচা যাবে না। সবচেয়ে কষ্ট পাচ্ছে সে কিউই-র ব্যবহারে। ওকে ভুল বুঝছে সে। তবে কিউই-রও দোষ নেই। ওর তো জানার কথা নয় আসলে কি ঘটেছে।

    সিন্দুকের ভেতর থেকে বোতলটা বার করল ককুয়া। ওটার দিকে চাওয়া মাত্রই ভয়ে কাঁপতে লাগল সে। আবার রেখে দিল যথাস্থানে।

    খানিক বাদে রাগ পড়লে ফিরে এল কিউই, ওকে নিয়ে ক্যারিজে চেপে বেড়াতে যাবে।

    ‘শরীরটা ভাল নেই,’ বলল ককুয়া, ‘আজ থাক। অন্য আরেকদিন যাব।

    ভয়ানক রেগে গেল কিউই। ‘অকৃতজ্ঞ!’ চিৎকার করে বলল সে, ‘তোমার জন্যে কি না করেছি আমি! ও, তুমি চেয়েছিলে আমি চিরতরে আগুনে পুড়ে মরি, তাই না? বোতল বেচতে পেরেছি বলে দুঃখ হচ্ছে তোমার?’

    ঘর থেকে ছুটে বেরোল, কিউই। সারাদিন টো টো করে ঘুরল। তারপর গেল সরাইখানায়। প্রচুর মদ পান করল। এখানে এক বুড়ো মাতালের সঙ্গে পরিচয় হল ওর। নাবিক। দাগী আসামী। বহু বছর জেল খেটেছে। মদ পেলে দুনিয়ার আর কিছু বোঝে না সে। কিউই-র টাকায় গলা পর্যন্ত গিলল বুড়ো। তবু তার তৃপ্তি হল না। গেলাসটা আবার বাড়িয়ে দিল কিউই-র দিকে। কিউই জানাল তার পকেট খালি। তাই শুনে বলল বুড়ো নাবিক, ‘তোমার না বলে অনেক টাকা। রোতল না কি যেন আছে একটা।’

    ‘এখন আর নেই। তবে অসুবিধে হবে না। তুমি বস, আমি বউয়ের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আসছি,’ বলল কিউই।

    ‘বউয়ের কাছে টাকা রাখ নাকি তুমি? উঁহুঁ, কাজটা ঠিক করছ না। মেয়েমানুষকে মোটেও বিশ্বাস করবে না। আর টাকা-পয়সার ব্যাপারে তো নয়ই। ওরা জানে কেবল ছলনা। বউয়ের ওপর চোখ রাখবে, বুঝেছ?’

    বুড়ো নাবিকের কথাগুলো কিউই-র খুব মনে ধরল।

    ‘বুড়ো ঠিকই বলেছে। বউ আমাকে ভালবাসে না। আমার ভাল চায় না। ওকে আমি আর বিশ্বাস করি না,’ ভাবল কিউই।

    বুড়োকে সরাইখানায় বসিয়ে রেখে বাড়ির পথ ধরল সে। রাত হয়ে গেছে ততক্ষণে। ঘরে আলো জ্বলছে। পেছন দরজা দিয়ে চুপিসারে বাড়িতে ঢুকল ও।

    শোবার ঘরের দরজা সামান্য ফাঁক করে দেখে ককুয়া মেঝেতে বসে রয়েছে। প্রদীপ জ্বলছে ঘরে। গোল পেট, লম্বা গলার দুধসাদা বোতলটা তার সামনে রাখা।

    দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় ঠায় দাঁড়িয়ে রইল কিউই। তারপর শিউরে উঠল। তার মনে হল বোতলটা আবার ফিরে এসেছে তার কাছে। সেই যে একবার স্যান ফ্র্যানসিসকোতে তার সিন্দুকের ভেতর ফিরে এসেছিল, ঠিক তেমনিভাবে। এবারও নিশ্চয়ই দামের ব্যাপারে কোন

    গণ্ডগোল হয়েছে। হাঁটু কাঁপতে লাগল তার। পরক্ষণেই অন্য একটা চিন্তা মাথায় এল। সেটাও কম ভয়ঙ্কর নয়।

    ‘ব্যাপারটা দেখতে হচ্ছে,’ ভাবল কিউই। দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে পিছিয়ে গেল সে। তারপর আবোল-তাবোল বকতে বকতে ঘরের দিকে এগোল। যেন এইমাত্র ফিরেছে। ঘরে ঢুকল হুড়মুড় করে। ততক্ষণে বোতল সরিয়ে ফেলা হয়েছে মেঝে থেকে। ককুয়া বসে ছিল। ওকে ঢুকতে দেখে উঠে দাঁড়াল।

    ‘পয়সা দাও। মদ খাব,’ জড়ানো গলায় বলল কিউই। ককুয়া ওকে নিষেধ করল না। করলেও শুনবে না তার স্বামী। জানে সে।

    সোজা সিন্দুকটার কাছে গেল কিউই। ডালা খুলে বার করল টাকা। চাইল সিন্দুকের কোণে। ওখানেই সে রাখত বোতলটা। ওটা এখন নেই ওখানে। ককুয়া নিশ্চয় কাপড়-চোপড়ের নিচে লুকিয়ে রেখেছে। .

    সিন্দুকটা বন্ধ করল কিউই। ককুয়ার মনের অবস্থা এতদিনে বুঝতে পারল সে। কোন সন্দেহ নেই তার। ককুয়াই কিনেছে বোতলটা

    ‘ককুয়া, আমি রাতে নাও ফিরতে পারি,’

    ‘বলল কিউই। ‘তুমি খেয়ে দেয়ে শুয়ে পড়।’

    একথা শুনে ওর দু’হাঁটু জড়িয়ে ধরল ককুয়া। ঝরঝর করে কেঁদে ফেলল।

    ‘আমাকে ফেলে যেয়ো না। আমি একা থাকতে পারব না,’ কাঁদতে কাঁদতে বলল ককুয়া।

    ‘যেতে আমাকে হবেই,’ ককুয়াকে ফেলে রেখেই বেরিয়ে গেল কিউই।

    সিন্দুক খুলে পয়সা নেয়ার নাম করে কেবলমাত্র সেন্টাইমগুলো তুলে নিয়েছিল কিউই। মদ খাওয়ার কোন ইচ্ছেই ছিল না তার। ককুয়াকে ও

    খামোকা সন্দেহ করেছে সে। এখন রাগ হচ্ছে নিজের ওপর। ওরই জন্যে শয়তানের কবলে পড়েছে ককুয়া। যে করে হোক বাঁচাতেই হবে ওকে। আবার বোতল কিনবে সে। এসব ভাবতে ভাবতে চলল কিউই।

    ফিরে গেল সরাইখানায়। ঢুকে দেখে বুড়ো নাবিক অপেক্ষা করছে তার জন্যে।

    ‘পয়সা পেলাম না। তবে সেজন্যে চিন্তা নেই। বোতল রয়েছে আমার স্ত্রীর ব.ছে। ওটা কিনলেই পয়সা এসে যাবে। যত খুশি মদ গিলতে পারবে তখন,’ বলল কিউই।

    ‘আমি ওসব বোতল-ফোতলে বিশ্বাস করি না,’ বলল বুড়ো নাবিক।

    ‘প্রমাণ পাবে এখনই,’ মৃদু হাসল কিউই। ‘এই দু’সেন্টাইম নিয়ে আমার বাড়িতে যাও। আমার স্ত্রীকে বলবে বোতল কিনতে চাও তুমি। ও শোনামাত্রই বেচে দেবে। তারপর তোমার কাছ থেকে বোতলটা কিনে নেব আমি। এক সেন্টাইমে। দেখবে মদের অভাব হবে না। তবে তোমাকে যে আমি পাঠিয়েছি এটা যেন কিছুতেই জানতে না পারে ও,’ বলল কিউই।

    ‘আজগুবি সব কথা। বিশ্বাস হয় না,’ বলল বুড়ো।

    ‘সন্দেহ হচ্ছে?’ প্রশ্ন করল কিউই। ‘তবে এক কাজ কর। বোতল কিনে যা খুশি তাই চেয়ো তুমি। টাকা, মদ যা ইচ্ছে। দেখবে বোতলের কেরামতি। তখন বিশ্বাস হবে।’

    ‘ঠিক আছে, দেখব। তবে আমার কাছে মিথ্যে বলে পার পাবে না তুমি,’ বুড়ো বলল।

    বেরিয়ে গেল মাতাল বুড়ো। ওর জন্যে বসে বসে অপেক্ষা করতে লাগল কিউই।

    দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর শুনতে পেল কে যেন হেঁড়ে গলায় গান গাইতে গাইতে আসছে। গলা শুনে বুঝতে পারল এ সেই বুড়ো নাবিক।

    লোকটা ঢোকার আগেই সরাইখানা থেকে বেরিয়ে এল কিউই। দেখে বুড়ো টলমল করছে। এই পড়ে তো সেই পড়ে। বোঝা যায় প্রচুর মদ গিলেছে। ওর কোটের পকেটে শয়তানের বোতলটার গলা দেখা যাচ্ছে। আর হাতে রয়েছে অন্য আরেকটি বোতল। সেটা থেকে ঢকঢক করে মদ ঢালছে গলায়।

    ‘পেয়েছ ওটা?’ প্রায় চিৎকার করে উঠল কিউই।

    ‘বহু কষ্টে। তোমার বউয়ের ধারণা তুমি তাকে উদ্ধারের জন্যে বোতলটা কিনতে চাইছ,’ জড়ানো গলায় বলল বুড়ো।

    ‘তারপর?’ উত্তেজনায় প্রায় কাঁপছে কিউই।

    ‘তারপর আর কি। ভালমানুষের মত জিজ্ঞেস করলাম বোতলের দাম এখন কত। যেন জানা নেই আমার। ফলে সন্দেহ করতে পারেনি ও। ব্যস, কিনে নিলাম বোতলটা।’

    ‘দাও, আমি কিনব ওটা।’

    ‘ইস্, শখ কত!’ ভেংচি কাটল মাতাল বুড়ো। ‘আমার কাছে ওসব আবদার চলবে না।’

    ‘কি বলছ তুমি?’ অবাক হয়ে জানতে চাইল কিউই।

    ‘বোতলটা পছন্দ হয়েছে আমার। এটা বেচব না আমি। শয়তানটাকে হুকুম করব আর যখন যত খুশি মদ খাব, লাল চোখে ওর দিকে চেয়ে বলল বুড়ো।

    ‘বেচবে না?’ ঢোক গিলে বলল কিউই।

    ‘জ্বী না,’ আবার ভেংচি কাটল বুড়ো। ‘তবে চাইলে এক ঢোক মারতে পার।’

    ‘আগে আমার কথা তো শোন,’ মিনতি করল কিউই। ‘বোতল না বেচলে কি শাস্তি জানা আছে তোমার? সোজা নরকে যাবে।’

    ‘বোতল বেচলেও যাব,’ পাল্টা বলল বুড়ো। ‘এ বোতল নিয়েই নরকে যেতে চাই আমি। তুমি অন্য আরেকটা জোগাড় করে নাওগে যাও।’

    ‘বোকামি কোরো না.’ ওকে বোঝাতে চেষ্টা করল কিউই। ‘তোমার : ভালর জন্যেই বলছি। বোতল বেচে দাও আমার কাছে।’

    ‘উঁহুঁ, তোমার কোন কথাই শুনব না আমি। ভেবেছ মদ খেয়ে জ্ঞানবুদ্ধি সব লোপ পেয়েছে আমার তাই না? আমি অত বোকা নই। ভাল চাইলে মানে মানে কেটে পড়,’ বলল বুড়ো। কিউই-র কথা শোনার পাত্র নয় সে।

    বোতল হাতে নিয়ে রাস্তা ধরে টলতে টলতে এগোল বুড়ো নাবিক। হারিয়ে গেল চোখের আড়ালে।

    সেদিকে চেয়ে ছিল কিউই। হঠাৎ সংবিৎ ফিরে পেয়ে বাড়ির দিকে ছুটল সে ঝড়ের বেগে। ককুয়াকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে তার। বাড়ি ফিরে জড়িয়ে ধরল স্ত্রীকে। চোখের জলে ভাসল দু’জনে। এরপর ক’দিন বাদে ফিরে গেল দেশে। চমৎকার সেই বাড়িতে সুখে দিন কাটাতে লাগল তারা।

    ***

    ⤶
    1 2 3 4
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমাকে জাগাও – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    Next Article বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }