Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ব্যক্তিত্ব বিকাশ ও সাফল্যের সহজ পথ – ডেল কার্নেগি

    ডেল কার্নেগি এক পাতা গল্প156 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪. অবচেতন ব্যক্তিত্ব

    অবচেতন ব্যক্তিত্ব

    ‘প্রত্যেকের যুক্তিবাদী চিন্তার ঠিক নিচেই সম্ভবত ছড়িয়ে আছে অযৌক্তিক অনুভূতির একটা বিরাট এলাকা। এগুলি হলো বিচিত্র কিছু কিছু ব্যক্তিগত মতবাদ আর ধারণা। অদ্ভুত সহজাত চিন্তাশক্তির আর আবেগের বৈচিত্র্য; বিশ্বাস আর আকাঙক্ষা-এর সবটাই সেই মানুষের জীবনের আনন্দ আর নিরানন্দের আলোক ধারায় স্নাত। এই দৈত্যটা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ঘুমন্ত অবস্থায় থাকে বা কদাচিত তাকে মনের যুক্তিবাদী ধারণাকে আচমকা প্রভাবিত করতে দেখা যায়। কিন্তু একবার কোন অবস্থা বা ঘটনাকে ব্যক্তিগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে দিন, আসল মানুষটিকে একবার স্পর্শ করতে দিন-তাহলে অবাক হয়ে দেখবেন ভিতরের শক্তি কিভাবে সঙ্গে সঙ্গে সাড়া দিতে চায়…

    ‘এর মধ্য থেকেই আসে গঠনমূলক, সৃষ্টিমূলক আর কর্তৃত্বব্যঞ্জনার ভাবধারা। সেই মানুষকেই প্রতিভাবান বলতে পারা যায় যিনি খুব সহজেই অবচেতনায় অবগাহন করে এর মধ্যে কি সম্পদ আছে তা খুঁজে পান-যার অন্তর কোন ভাবেই দলিত বা দমিত হয়ে মূল্যহীন বা বিকৃত হতে চায় না’ ‘আনমাক্সিং দ্য মাইণ্ড’-ডেভিড সিবেরি

    .

    এক. হাইপেরিয়ন ও স্যাটার

    আপনাদের নিশ্চয়ই সেক্সপীয়রের নাটক হ্যাঁমলেটের কথা মনে আছে?

    এটি এক তরুণ যুবরাজ হ্যাঁমলেটের কাহিনী, যে রহস্যজনকভাবে তার পিতাকে হারানোর পর সভয়ে দেখে যে তার মা ভেঙে না পড়ে বরং শোকের সময় কাটার আগেই আবার বিয়ে করে বসে। ব্যাপারটা আরও বহুগুণ খারাপ হয়ে পড়ে যখন দেখা গেল হ্যাঁমলেটের সৎপিতা তার পিতা যতখানি ভালো ছিলেন ততখানিই খারাপ। হ্যাঁমলেট তার মাকে দুজনের ছবি দেখিয়ে সেই কথাই জানিয়ে ছিলো। এটা হাইপেরিয়ন আর স্যাটারের মাঝখানের তফাতেরই মত।

    হাইপেরিয়ন ছিলেন সূর্য-দেবতা–আলোকোজ্বল, জীবনদায়ী, স্বাস্থ্য প্রদানকারী সমস্ত ভালো জিনিস দাতা। আর অন্যদিকে স্যাটার হলো পশুর মতই একজন, সকলেরই সে ঘৃণার পাত্র।

    আসল কথাটা হলো, এই অবস্থা আমার আর আপনার ক্ষেত্রেও সত্যি। আমরা আমাদের স্বাভাবিক সত্তার উপর উঠে হাইপেরিয়ন হতে পারি।

    আমরা জানি আমরা যা প্রকাশ করি তার চেয়ে আমরা ভালো। আমরা আমাদের ভালোর খবর যেমন রাখি তেমনিই রাখি যে আমরা চরমতম মন্দও। স্যাটারের কদর্য দৃষ্টি তার গোপন আলোয় থেকে আমাদের দিতে তাকিয়ে অভ্যস্ত। আমরা দিনের আলোর মতই স্পষ্ট ঐ স্যাটারের শিঙ আর খুব দেখতে পাই (প্রাচীন মতে স্যাটার হলো অর্ধেক মানুষ আর অর্ধেক ছাগ) আমরা আরও জানি আমাদের কিছু বন্ধু অল্প সুযোগেও ঢের ভালো করেছে। আমরা তাই বোধ শক্তির অনুভূতি দিয়ে বুঝি অবস্থাটা এখানে এতই খারাপ যে আবার ভালো আমরা করতে পারছি না।

    এমন হওয়ার সত্যিই কোন কারণ নেই। এটা স্যাটারের শয়তানী ছাড়া আর কিছুই না। যে শুধু এই পুষ্পশোভিত কাননকে তার খুরের আঘাতে ছিন্নভিন্ন করে চলেছে। অল্প কথায় সে সবই নষ্ট করে দিচ্ছে। তবে আমরা তাকে তার আসল জায়গাতেই পাঠাব।

    দুঃখের কথা হলো আমরা আড়ালে এই স্যাটারকে পছন্দ করি। আমরা জানি সে আমাদের ধ্বংস করে ফেলছে। অথচ আমরা তাকে মন থেকে ছুঁড়ে ফেলে দিতে পারি না।

    এ সব ব্যাপারে দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিতে সব দেখে নিলে আখেরে কাজ দেয়। এ সবের শেষ কোথায়? যখন কেউ তার শেষ সীমায় পৌঁছায় সে বর্তমান পরিস্থিতির ব্যাপারে কি অনুভব করতে চায়?

    সে তখন নিজেই দেখতে পারবে এর অর্থ? সব কিছু দেখে নেবার পরেই সে হয়তো বলতে পারে : ‘ওঃ সময়ের কি অপচয়!’

    তা হলে এ ব্যাপারে আমাদের করণীয় কী? যার বুদ্ধিভ্রংশ ঘটেনি সে কখনই অপচয় আর ক্ষতি সহ্য করবে না, অন্ততঃ পারলে অবশ্যই। সে অবশ্য তার মূল্যবান প্রতিটি মুহূর্তের পূর্ণমূল্যই আশা করতে চাইবে। আপনি বা আমি কিন্তু কখনই আমাদের জীবনকে কোনরকমেই এলোমেলো করে ফেলতে চাইবো না। অপরদিকে, আমরা সব সময়েই নিজেদের বলি : এমন সুযোগ হয়তো আর আসবে না। এ জীবন আনন্দের রাজ্য। আসুন সবাই সেটা উপভোগ করি।

    এ পৃথিবীতে বেঁচে থাকাটাই বিরাট একটা কাজ।

    তাহলে সে কাজকে গুরুত্ব দিয়ে বিচার করছেন না কেন? একে তাই সূক্ষ্ম কোন কলাশিল্প করে তুলুন না কেন? আপনার সেরা ক্ষমতাই এতে লাগানোর ব্যবস্থা করুন।

    জীবন সম্পর্কে একটু ভাবুন। বিশেষ করে আপনার নিজের জীবন সম্বন্ধে একটু ভাবুন। আপনি কি এর পূর্ণমূল্য পাচ্ছেন? তা যদি না পান, তা হলে এ প্রশ্ন অবশ্য করতে পারেন, ‘কেন পাচ্ছিনা?’

    যখন কোথাও কোন ভুল হয়, আমরা দেখার চেষ্টা করি ভুলটা কোথায় হলো। যে কোন কলকারখানায় যেখানে কাজ হয়–নিজের কাজ জানলে লোকে এটাই জানার চেষ্টা করে।

    জীবনে বেঁচে থাকার ক্ষেত্রেও একই কথা। পৃথিবীর সব বড় বড় চিন্তাবিদরা, যেমন–সক্রেটিস, প্লেটো, বুদ্ধ, মহম্মদ আর যীশু, সকলেই এটা করেছেন।

    আমাদের তাই নিজেদের জানতেই হবে। রহস্য হলো এটাই। আমাদের নিজেদের কাছে কোন কিছুই গোপন করা চলবে না। আর এটা করলেই আমরা এ ব্যাপারে কিছু করতে পারবো, কাজ ঠিক করে নিতে পারবো, ভালো ভাবে বাঁচতে পেরে লাভের আশা করতে পারবো।

    এ রকম হওয়ার অর্থই হলো নেমে আসা–এরই নাম আত্মসমালোচনা। তবে এটা করতেই হবে। আজই তাহলে শুরু করে দিন।

    রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে কয়েকটা মিনিট এইভাবে কাজে লাগালে তার চেয়ে ভালো সময় কাজে লাগানো আর হয় না। আপনাকে ভুলে যেতে হবে আপনি কে? আপনাকে নিজের মধ্য থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। একজন সম্পূর্ণ অপরিচিতের মতই নিজেকে দেখুন। তাই যদি পারেন তাহলে তীব্র আর কঠিন দৃষ্টিতেই নিজেকে একবার দেখুন (বন্ধুত্বের ভাব ত্যাগ করে)। এটা করাই ভালো। নিজেকে কোন রকম খাতির করবেন না।

    এটাই হলো নেমে আসা। কাজটা এই চোখেই দেখবেন। সেই স্যাটারের দিকে ভালো করে তাকান। একটু লজ্জিত বোধ করুন যেহেতু এ রকম এক প্রাণী সমাজে বিচরণ করে বেড়াচ্ছে!

    আজ আর আপনার জীবনের প্রতিটি রাতেই এরকম করুন। এটা আপনার মনের পক্ষে ভালো। এ আপনার ইচ্ছাশক্তিকে সাহায্য করবে।

    এমন অনেকে আছেন যারা নিজেদের কথা লিখে রাখেন…নিজেদের সব কর্দমতা, দুর্বলত, ত্রুটি আর নীচতা।

    এতে সাহস বাড়ে, আত্মবিশ্বাস জন্মায়।

    এবার তাহলে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়ে নিজেকে এই কথাগুলো বলুন : ‘আমি সব কিছু সঠিক করতে চাই। আমি প্রাণপণে সব কিছু বদল করতে চাই।‘

    .

    দুই. দুটি সত্তা

    আমরা আমাদের নিজেদের সত্তাকে চিনি না। আমরা জানি না এই শরীর নামক যন্ত্র, আমাদের সত্তা কাজ করে চলে। তাহলে কি করে জানব একে কেমন করে ব্যবহার করতে হয়? এ ছাড়াও আমরা একে কী করে অন্যদের মতই বা করতে পারব?

    এখনও পর্যন্ত যারা এটা করতে জানেন বলে জানিয়েছেন তাদের বক্তব্য হলো এটি কাজ করে আকাঙ্খার বশবর্তী হয়।

    তাদের মত হলো এটাই সেই শক্তি যা আমাদের দিয়ে কাজ করিয়ে নেয়। কোন কাজ করার জন্য এই শক্তিই একটা পদ্ধতি বেছে নেয়।

    ইচ্ছা বেছে নিতে পারে।

    সঠিক পছন্দ, সঠিক আকাঙ্খই হলো আমাদের কাজ। তাই সঠিক আকাক্ষা করতেই শেখান। এটাই হলো মস্ত একটা ধারণা।

    কিন্তু আজকের দিনে আমরা জেনেছি বস্তুত ইচ্ছা আমাদের চালনা করে না।

    তাহলে একবার যারা এটা জানেন তাদের কথাই মনে করে দেখুন।

    যেমন ধরুন প্রচণ্ড মদ্যপানে আসক্তি আর জুয়ার নেশা যাদের আছে তাঁদের কথা। তাঁরা কিছুতেই নিজেদের আয়ত্বে আনতে পারে না তারা অবশ্যই এটা চায় না তবুও।

    তবু তাঁদের মধ্যের কোন প্রচণ্ড কিছু প্রায়ই তাদের তাড়িয়ে নিয়ে ফেরে। এই ভাবেই তাদের ইচ্ছাও ছুটন্ত একটা টগবগে ঘোড়ার সামনে হাঁটতে শেখা শিশুর মতই হয়ে পড়ে।

    এই প্রচণ্ড কিছু স্বয়ং শয়তানও হতে পারে। অথবা রক্ষাকারী কোন দেবদূত।

    এই কিছু জিনিসটা যা আমাদের স্বপ্নেও দেখা দেয় যা আমাদের কাজে উদ্যোগী করে। এটাই আমাদের শাসন করে। এটাই হলো আসল সত্তা।

    এটা থেকেই হয়তো মনে হয় মোট দুটি সত্তাই আছে।

    এর একটি বেশ সুপরিচিত। আমরা তাদের চিনতে পারি যখন আমরা জাগ্রত থাকি। এই সত্তা যেন নিজের কথা চিন্তা করে।

    এ যেন এক আলোকিত নাট্যমঞ্চ। মঞ্চের উপর যেন কিছু অভিনেতা অভিনয় করে চলেছে আর আমরা দর্শক হিসাবে কাছাকাছি রয়েছি।

    অন্য সত্তাও কিন্তু সারাক্ষণই কাছে রয়েছে। তবে আমরা সেটা দেখতে পাচ্ছি না। পারবোই বা কেমন করে? আমরা আসলে একটা পুতুল নাচের আসরেই রয়েছি।

    অন্য সত্তার কাজ হলো আলো জ্বালানো–সে আলো লাল, নীল সবুজ কত রঙেরই না হতে পারে; তাছাড়াও সে সত্তার কাজ হলো তার টানা, পুতুল নাচানো, দৃশ্য পাল্টানো ইত্যাদি।

    এই সত্তা না থাকলে কোন নাচই আর থাকবে না। অতএব এই সত্তাই হলো আসল সত্তা। এই সত্তাকেই শেখানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

    এই সত্তা যদি ঠিকঠাক কাজ করে, পুতুল নাচ ঠিক মত চলে। দর্শকরা সবাই একবাক্যে বলবেন, ‘আহা চমৎকার হয়েছে!’

    এই সত্তা খুবই তাড়াতাড়ি শিখে নিতে পারে। দুনিয়ায় এরই রয়েছে তীক্ষ্ম এক দৃষ্টি, সে সবই দেখতে পায়, সবই মনে রাখতে পারে, কিছু ভুলে যায় না।

    এ সব কিছু বিশ্বাসও করে। আর সে যা বিশ্বাস করে তাই বাস্তব হয়ে ওঠে, ঘটে চলে। আমাদের শরীরে আর মনের অভ্যন্তরে যা ঘটমান তার সব এই সত্তারই কৃত। এই সব কিছুই ঘটে কারণ এই সত্তা বিশ্বাস করে এসবই ঘটতে চলেছে।

    ডঃ কু তাই বলেছেন আপনাকে যা করতে হবে তাহলে এই সত্তাকে সব বিশ্বাস করানো। এটা কু বলেছেন তাঁর ‘সেলফ মাষ্টারি থ্র, কনসাস অটো-সাজেশান’ বইটিতে।

    এ রকম ব্যাপার আপনার নিজেরই বা অন্য যে কোন একজনের।

    এরই নাম হলো প্রভাব। এটাই হলো যাকে আপনার পছন্দ তাকে প্রভাবান্বিত করার সেরা উপায়, সে আপনি নিজেও স্বয়ং হতে পারেন।

    এই প্রকৃত সত্তার মাধ্যমে আপনি হতাশা, ক্লান্তি অসহায় ভাবনা আর অনুভূতি প্রকাশ করতে পারেন।

    এই প্রকৃত সত্তা আপনাকে দিতে পারে জীবন, স্বাস্থ্য, শক্তি বা যুক্তিগ্রাহ্য যা কিছু আপনি চাইতে পারেন।

    তবে আপনি কিছুতেই অন্য সত্তাটিকে ভিতরে প্রবেশ করতে দেবেন না। তাহলেই সব নষ্ট হয়ে যাবে। শুধু অপর সত্তাটিকে ভুলে যান। একেবারে দূরে সরিয়ে রাখুন একে ঘুম পাড়িয়ে রাখুন। এবারে আসল সত্তার সঙ্গে কথা বলুন। তাকে বলে বিশ্বাস করাতে চেষ্টা করুন :

    প্রতিটি দিন, প্রতিটি মুহূর্তেই আমি ক্রমশ ভালো, আরও ভালো হয়ে উঠছি।

    কথাটা খুব আস্তে আস্তে থেমে থেমে বলুন, সে সময় আর কিছুই ভাববেন না শুধু মনে বিশ্বাস রাখুন।

    হ্যাঁ। আজকের দিনে বিশ্বাস পাহাড়কেও গুঁড়িয়ে ফেলতে পারে। ডঃ কু’র অনুশীলনীর মধ্যে আমরা এই অলৌকিক ব্যাপারই ঘটতে দেখি।

    .

    তিন. প্রকৃত সত্তা

    আমরা প্রকৃত যা তার চেয়েও আমরা অনেক বড়।

    আমাদের মধ্যে যা সবার সেরা (মাঝে মাঝে অবশ্য সবচেয়ে খারাপও) এমন একটা অংশ যার উপস্থিতি আমরা টের পাই না।

    তাসত্ত্বেও তার উপস্থিতি কিন্তু রয়েছেই। এটাই আমাদের দশ ভাগের ন’ভাগ।

    আমাদের এমন একটা ধারণা থাকতে পারে যে আমরা আমাদের ইচ্ছে মতই চিন্তা করতে পারি বা অনুভব করতে পারি। যতদূর জানা আছে আমাদের কাজ আমাদের নিজেদের। যতদূর জানি এতে বাইরের কেউ আসেন না।

    তাসত্ত্বেও এমন অনেক কিছু আছে যে আমাদের করার কিছুই থাকে না।

    আমরা বলি : ‘আমরা চাই, তবে অমুক অমুক কাজ করতে পারি না।’

    আসলে আমরা দুটো অংশে বিভক্ত হয়ে পড়ি। এক অংশ বলে :

    হ্যাঁ, আপনার ওটাই করা উচিত। আবার অন্য অংশ কিন্তু নিজের সম্পর্কে ততটা নিশ্চিত না হওয়ায় সঠিক বলতে চায় না। তার সব মত হলো, সে যেহেতু অনুভব করে যে কাজটি উপযুক্ত নয়, সহজ নয়। ভালো য় বা হয়তো নিরাপদও নয়, এটাই।

    আমরা সন্দেহ করতে পারি না এটা সেই অপর সত্তার কাজ।

    ঐ সত্তা যেন অন্ধভাবে পর্দার আড়ালে কাজ করে যায়। এটা সারা দিন রাতই কাজ করে চলে, তার বিশ্রাম বলে কোন কিছু নেই।

    আমরা অনুভবই করি না সে ওখানে আছে।

    তারা যখন কোন বিষয়ে দ্বিমত হতে চায় তখনই আমাদের অনুভূতিতে তাদের অস্তিত্ব ধরা পড়ে। আমরা বুঝি কোথাও ভুল হয়েছে। আমরা তখনই একটু অস্বস্তি আর ইতস্ততঃ বোধ করতে থাকি। কোন কারণ ছাড়াই আমরা মেজাজ খারাপ করেও বসি। বা আমরা অন্য আচরণ করি। আমাদের একটা দুর্বলতা জাগে। আমরা বলি আমরা যোগ্য নই। আমাদের তেমন আনন্দ জাগে না। সব কিছুই আমাদের কাছে বিরাগজনক মনে হয়। আমাদের কেবল মনে হয় সবই আমাদের বিরুদ্ধে। কোন কিছুতেই মন লাগে না। আমাদের কেবল মনে হয় এ জীবনে বেঁচে থাকার কিছু নেই। কোন মানে হয় না। আর এমন একটা ধারণার যখন জন্ম হয় তখন সবই শূন্য হয়ে যায়। আমাদের অনেকেরই বোধ হয় তখন এই জঘন্য সব কিছু শেষ করেও দিতে চাই। এক ডোজ আর্সেনিক, আফিম বা একটা পিস্তলের গুলি-ব্যাস্। এর সবই করাতে থাকে পর্দার আড়ালে সেই অন্য সত্তা। এর সবই তাঁর করা। (তবে আমরা তা জানতে পারি না।)

    ডঃ কু এর নামকরণ করেছেন কল্পনা। ডঃ ফ্রয়েড, ডঃ জাং, ড: অ্যাডলএর, রয় শেরউড আর অন্যান্যরা তাকে বলেছেন অচেতন বা অবচেতন।

    তাদের বক্তব্য হলো মন হচ্ছে একটা নাট্যমঞ্চ। এ মঞ্চকে আলোকিত করছে। আর সেখানেই নাটক অভিনীত হয়ে চলেছে।

    আমাদের আসন থেকে আমরা হাবভাব, কল্পনা, অনুভূতি, ভাবনা বা ভঙ্গী সবকিছুরই নড়াচড়া করতে দেখে চলেছি।

    তবে আমরা মঞ্চের বড়জোর একদশমাংশ ভাগ দেখতে পাই। যে অভিনয় আমরা দেখতে পাই তা সম্পূর্ণ অভিনয়ের একটা অংশই মাত্র।

    এমন সব অভিনেতা আছে যারা দৃষ্টির আড়ালে, অন্ধকারে আলোর বাইরে থেকে যায়। আসল অভিনয়, যেটা সত্যিকার, অন্ধকারে চোখের আড়ালেই হয়ে চলে। যে অভিনেতাদের আমরা দেখি তারা নিছক ছায়া মাত্র। সব ব্যাপারটা আসলে ঠিক এই রকমই।

    আমাদের ওই অবচেতন অংশকে দেখতেই হবে–আর দেখতে হবে আমার নিজেকে, আমাদের পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং প্রতিদিন যাদের দেখি আর প্রভাবিত করতে চাই।

    এবার তাই দৃষ্টিমেলে লক্ষ্য রাখুন মঞ্চের উপর কারা যাতায়াত করছে আর অন্ধকারে বিলীন হতে চাইছে।

    মাঝে মাঝে আমাদের মনে হয় আমরা যেন অসহায়। আমরা তখন পারিপার্শ্বিকতাকে দোষারোপ করি। আমরা বলি এটাই আমাদের অবচেতন অংশ গড়ে তোলে।

    ঠিক। তবে সর্বতোভাবে নয়, পুরোপুরিও নয়। তাহলে আসুন, যতটা পারি আমাদের পারিপার্শ্বিকতাকে ঠিক উন্নত করে তোলার চেষ্টা করি। এই কাজটি শিশুদের আর কাজের শর্তের জন্য একান্ত জরুরী। এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো, অবশ্য, আমরা কি রকম প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করি। এটা আমাদের ক্ষমতার এলাকার মধ্যেই।

    আমরা প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে আরও ভালো হতে পারি। আমরা এ ছাড়াও আমাদের খরচের কাজেও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতে পারি।

    একজন ভালো আর খারাপ মানুষের কথাটাই একটু ধরুন। তারা দুজনেই কিন্তু মোটামুটি সমান। যেমন তাদের স্বভাব আর সহজাত মানসিকতার ইত্যাদির ব্যাপারে।

    আসুন এবার দেখা যাক যাতে কোন কিছুই অবচেতনে ডুবে না যায় যাতে আমাদের যা প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তাতে বাধা পড়তে পারে।

    .

    চার. প্রবণতা ও প্রবণতা কারক

    যে মানুষ ঠিকমত চলতে পারে তাকে সঠিক জায়গায় সঠিক মানুষই বলা যায়।

    তিনি তার নিজের কাজ জানেন। তিনি নিজের কাজে আনন্দ পান। যেভাবেই হোক কাজ তার ভালো লাগে, কাজও তার সঙ্গে মানিয়ে যায়। তিনি যার কিছু করেন সবই তার যথাসাধ্য করেন।

    এটাই হলো প্রবণতা বা ঝোঁক। তিনি তাঁর প্রবণতার পথ ধরে চলেন। আর এই কারণেই তিনি উন্নতি করেন।

    আপনিও এই প্রবণতা বাদ দিয়ে উন্নতি করতে পারবেন না। প্রত্যেকেই এটা আগে বা পরে যখনই হোক শিখতে বাধ্য হন। আপনাকেও চলতে হবে এই পথেই। আর কোনভাবেই আপনার এগুনোর পথ নেই। একবার চেষ্টা করে দেখুন–তাতে শুধু ঝামেলাই বাড়বে।

    আপনি অযোগ্য প্রমাণিত হবেন–এটা যেন গোলাকার গর্তে চৌকো গজাল। আপনি হয়তো কাজ করে যাবেন অথচ আনন্দের স্পর্শ টের পাবেন না। ঐ দিকে যার ঝোঁক আছে তার মত দক্ষতায় কাজ সম্পন্নও আপনি করতে পারবেন না। আপনি তাই হয়তো সেটা করবার কোন চেষ্টাই আর করতে চাইবেন না। এর ফলে আপনি উঁচু মানের কোন কাজই করতে পারবেন না। আপনি হয়ে যাবেন হাজার হাজার জনতার একজন মাত্র। আপনি কখনই আর একজন বিখ্যাত মানুষ হওয়ার স্বপ্নও দেখতে পারবেন না (এটাই হলো সাফল্যের আসল অর্থ)।

    আপনি নিজেকে আরও ভালোভাবে জানার চেষ্টা করুন।

    একবার দেখুন চমৎকারভাবে কি করতে পারেন। আপনি হয়তো কিছু কিছু জিনিস করতে। ভালোবাসেন। যেগুলো করতে কাজ করছেন বলে মনেই হয় না। যেগুলো আপনার কাছে খেলারই মত। এগুলো নোট করে রাখুন।

    অল্পবয়স্কদের যদি আপনি দেখাশোনার ভার পেয়ে থাকেন তাহলে তাদের প্রবণতা বা ঝোঁকের দিকে নজর রাখুন, লক্ষ্য করুন তারা মনের দিক থেকে কি করতে চায়।

    ঝোঁক বা প্রবণতা হলো এমন কিছু যা আমাদের মনপ্রাণ দিয়ে ভালো না করে কিছুতেই পারি না। আমাদের মধ্যের কিছু, এটা করতে বাধ্য করে আমাদের।

    এর সঙ্গে অবশ্য আপনি এই মুহূর্তে যা ভাবছেন তার কোন সম্পর্ক নেই, বা আমরা যা কিছু সাধারণত অভ্যাস বশে ভেবে থাকি।

    এই ‘কিছু’ শুধু আমাদের পতন ঘটায়। আমাদের মনে হয় আমাদের নিজের যেন কোন আকাঙক্ষাই নেই।

    আমাদের এক অংশ আমাদের একদিকে টানতে থাকে। আমরা নিশ্চিতভাবেই জানি সেটাই আমাদের পক্ষে ভালো। আমাদের ‘মন’ সেই দিকেই থাকে।

    তবে কাজ করা ব্যাপারটা সম্পূর্ণ অন্য ব্যাপার। এটা ঠিক এই রকম।

    ধরুন আমাদের চিন্তার সত্তা যেন একটা বাঁধ তৈরি করতে বা অন্য কিছু গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। আমরা কাজে লেগে পড়েছি। কিন্তু দাঁড়ান, ঝামেলা আসছে। প্রচুর জল জমেছে। সামনেই রাস্তা। সাধ্য থাকে বাধা দিনতো দেখি। প্রচণ্ড বেগে বাঁধের উপর সবেগে আছড়ে পড়লো জরস্রোত। সব ভেঙে গুঁড়িয়ে গেলো, কিছুরই আর চিহ্ন পর্যন্ত রইলো না। বাধটা যেন খড়কুটোর মতই ভেসে গেলো। এই বন্যার জোয়ার, সেই অবচেতন চিন্তাহীন সত্তা ঝাঁপিয়ে পড়ে সব কিছু ভাসিয়ে নিয়ে গেল।

    না বাড়িয়ে বলতে গেলে সবই এই রকম। বাস্তবে আমরা নিজেদের যা ভাবি আমরা তা নই।

    আমরা আসলে শুধু চূড়োটাই দেখতে পাই। হিমশৈলের দশভাগের নয় ভাগই আমাদের দৃষ্টির আড়ালে নিমজ্জিত থাকে। আমাদের ওটা দেখতে পাওয়ার বিন্দুমাত্রও আশা নেই।

    যেসব কাজ আমরা না করে পারি না তাদে সম্পর্কে এই রকমই ভাবি।

    এটাই আসল সত্তার কাজের ধারা। আমাদের রক্তের মধ্যে এই রকমই আমরা। আপনি কিছুতেই এই সত্তাকে এগিয়ে গিয়ে ভালোভাবে বাঁচতে পারবেন না। একে আষ্টেপৃষ্টে বেঁধে রাখুন–আপনি তবে নিজের সত্তাকে খর্ব করবেন।

    দেশের হাসপাতালগুলো রোগীতে ভর্তি–তাদের আসল সত্তাকে যেন হাত পা বদ্ধ অবস্থায় মিশরের মমীর মতই রেখে দেওয়া হয়। তারা হয়ে ওঠে স্নায়ুর রোগী-তাদের জীবনে ভাবের অভাব দেখা দেয়, স্মৃতি শক্তি লোপ পেয়ে তাদের ইচ্ছা শক্তিও লুপ্ত হয়।

    এতেই কেবল বোঝা যায় এই অবচেতন সত্তা কি ধরণের ঝামেলা সৃষ্টি করতে পারে জঙ্গলের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সত্বেও।

    এসব ছাড়াও বোঝা যাবে কি ভাবে জীবনের নানা দমন-পীড়ন কাজে বাধা, চোখরাঙানি ঝামেলা, ক্রোধ আরও অজানা অনেক কিছুই আমরা না ভেঙে পড়া পর্যন্ত বুঝি না আর কেন জানি না।

    এতে অবশ্য কখনই বোঝায় না আমাদের যা ইচ্ছা সেটাই কেবল করা, যাতে অস্তিত্বও বিপন্ন হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

    এটা একেবারেই ঠিক নয়, বরং সম্পূর্ণ অন্য।

    আমাদের প্রধানতম কাজ হলো আমাদের মধ্যে সেই ঝোঁক প্রবণতাকে যথাযোগ্য ভাবে চালনা করতে পারি আর খুঁজে পেতে পারি।

    এক কাজ করার অনেক পদ্ধতি আছে-এর যে কোনটাই আমাদের ঢের উপকার করতে পারে। এ আমাদের মধ্যের শ্রেষ্ঠত্বকে আবিষ্কার করতে পারে।

    মনে রাখবেন আমাদের সহজাত ক্ষমতা সবসময় আমাদের এগিয়ে নিয়ে চলতে চাইছে।

    শুধু লক্ষ্য রাখবেন ওই গতিময়তা যেন কোন বিপদের দিকে আমাদের কখনই ঠেলে না দেয়। লক্ষ্য রাখা চাই এটি যেন সঠিক ভাবে ঠিক পথে চালককে ঘুরিয়ে নিয়ে যায়, সঠিক পথ খুঁজে পায়।

    একে তাই সঠিক পথ নির্দেশ করুন।

    আমাদের জীবনের শ্রেষ্ঠতম উদ্দেশ্যই হলো এই সহজাত ক্ষমতাকে ঠিক পথে কাজ করতে নিয়োজিত করা।

    .

    পাঁচ. স্বয়ংক্রিয় অভিভাবন

    আপনার সম্ভবত ধারণা জন্মেছে সাফল্য আসে কেবল অপরকে প্রভাবিত করার ফলে। ধারণাটা ভালোই। এটা থাকলে আপনাকে তা হয়তো বহুদূরেই নিয়ে যাবে। তবে এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ কিছু আছে। আর সেটা হলো নিজেকে কিভাবে প্রভাবিত করতে হয়। মনে রাখবেন সাফল্য লাভ করার সবসেরা পথই হলো–তার যোগ্য হওয়া।

    আপনার নিজস্ব সত্বা আপনাকে যোগ্য বা অযোগ্য করে তুলতে পারে। আপনি আগামী কাল কি হবেন সেটা নির্ভর করছে ঠিক এই মুহূর্তে আপনি কি ধরণের। এর প্রতিবিম্বেই সৃষ্টি হয় কারণ। আপনি যদি জটিলতার সমাধান করতে পারেন তাহলে দেখতে পাবেন কোন ফলাফল নিজে থেকেই আসে না–এটা আলাদা কিছু নয়। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে আপনি দেখতে পাবেন ফলাফল বিশেষ কোন কারণেই অন্য ভাবে রূপ পরিগ্রহণ করেছে।

    এখন, নিজের সত্বার এমন সব অংশ আছে যাকে আপনি সহজে প্রভাবিত করতে পারেন না। প্রাণপণে চেষ্টা করে দেখুন, এগুলো আপনার হাতের বাইরে। একটা উদাহরণ দিচ্ছি :

    ধরুন, আপনার হৃৎপিণ্ডের শব্দ…ভুলে যাওয়ার ব্যাপার…শারীরিক আর মানসিক ক্ষত নিরাময় হওয়া। এগুলো আপনা থেকেই হতে থাকে, আপনি এসব নিয়ে কিছু ভাবুন আর না ভাবুন। চিন্তায় আচ্ছন্ন হলে, সাধারণতঃ এগুলো তাড়াতাড়ি হয় না…বা আরও ধীর করেও ফেলতে পারে না। এগুলো নিছক ধারাবাহিক ভাবেই হয়ে চলে এই যা।

    অবশ্য এমন অনেক কাজ আছে যেগুলোর ব্যাপারে আপনি নিঃসন্দেহে প্রভু। সেগুলো কখনই ঘটতে পারে না আপনার যদি ইচ্ছা না থাকে, আপনি যদি আপনার ইচ্ছাকে কাজে লাগান তাহলে কিছুতেই তা ঘটতে পারে না। যেমন আপনি ইচ্ছেমত সময়ে উঠতে পারেন বা দেরীও করতে পারেন–এসবই আপনার জ্ঞাতসারেই ঘটে। আপনি ওষুধটা খেতে পারেন বা না খেয়ে ফেলেও রাখতে পারেন। এসব কাজে আপনি স্বাধীন। আপনি যেকোন দুটো ব্যাপারে একটিকে বেছে নিতে পারেন। এ ব্যাপারেও আপনি স্বাধীন। আপনি এই সব কাজে আপনার সত্বাকে প্রভাবিত করতে পারেন।

    এসব ছাড়াও তারও সব বিষয় আছে যার কিছু স্বয়ং ঘটমান আর কিছু অংশ ইচ্ছার বশবর্তী। যেমন ধরা যায় শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়া বা ফেলা। আবার ধরুন, দাড়িকামানোর সময় অন্য কিছু চিন্তা করে চলা। কোন মানুষ সম্পর্কে, কাজ বা ঘটনা সম্পর্কেও আপনি চিন্তা করেন। এটার অর্থ আপনার মন কাজ করে চলেছে। কিন্তু আপনি আপনার সত্ত্বাকে কাজে উদ্বুদ্ধ করেন নি। এইসব ঘটনা আপনা আপনিই হয়ে চলে বলতে পারেন হয়তো। তাসত্ত্বেও, আপনার যদি ইচ্ছা হয় আপনার ইচ্ছাকে কাজে লাগিয়ে হাঁফ ছাড়তে পারেন, দাড়ি কামানোতেই মন দিতে-তখন সব কিছুতেই আপনি দূরে ঠেলে রাখতে পারেন।

    অবশ্য, প্রত্যেকেই জানেন আমরা স্বভাবতই শরীর আর মনে টগবগ করে অহরহ চলি। এই দুটিই সম্পূর্ণভাবে আলাদা।

    তাসত্ত্বেও এগুলো আপনার আর আমার মধ্যেই আছে–আছে আমাদের সকলেরই মধ্যে। এই দুটো বিপরীত মেরু পাশাপাশিই রয়ে গেছে কাঁধে কাঁধ লাগিয়ে। তারা কিন্তু আপাতদৃষ্টিতে আদৌ আলাদা কোন চরিত্র নিয়ে নেই। তারা ঠিক একজন ব্যক্তিত্বেরই জন্ম দেয়। তাদের নিজস্ব এক কার্যধারাও রয়ে গেছে।

    আমাদের যেভাবেই হোক–যতখানি আমরা সুস্থ থাকি তারা আমাদের টেনে রাখতে চায়।

    আসল কথাটা হলো : আমরা নিজেরা যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা যা সেই অবস্থায় থাকি আমাদের মন স্বইচ্ছায় কিছু করতে পারে না, পারে না আমাদের এই দেহও। তারা একসঙ্গে গ্রথিত থাকে। যে ভাবেই হোক দেহকে মনের সঙ্গে অনেকটাই কাজ করে যেতে হয়–আপনি যা কল্পনায় ভাবতে পারেন তার চেয়ে ঢের বেশি।

    অতএব শরীর অসুস্থ হলে, সে মনকেও অসুস্থ করে তুলতে পারে (একবার অসুস্থ মানুষের মনোভাবের কথা ভাবুন)।

    বা, অন্যদিক থেকে দেখলে : মন যখন ঠিক থাকে না সে শরীর খারাপ করে দেয়। যেমন আপনি যখন চিন্তিত হন, বা ভয় পান বা অসুখী থাকেন, তখন শরীর ঠিক আছে মনে হয় না। মাঝে মাঝেই আপনার খিদে থাকে না। আপনি কঠিন পরিশ্রম করতে পারেন না, ইত্যাদি।

    আমাদের ইচ্ছাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা মনকে প্রভাবিত করতে পারি, সেই ভাবেই আবার পারি দেহকেও।

    এটাই হলো আমাদের সত্বাকে সাফল্যের জন্য সরাসরি রূপ দান করতে চাওয়া। মাঝে মাঝে একাজ দুনিয়ায় সবচেয়ে কঠিন কাজ বলেই মনে হয়। বন্যঘোড়া আর দৈত্য-আবেগ আর সুপ্ত ক্ষমতা যেন এই রকমই–এবং তাই তারা প্রায়ই ইচ্ছাশক্তির পক্ষে অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে তাকে ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলতে পারে। ইচ্ছা হল অনেকটা ছেঁড়া বস্ত্রের মত। এর কোন দামই যেন নেই। সত্যিই কি তাই?

    অবশ্য এই রকম অবস্থায় নিজের সত্বাকে প্রভাবিত করার একটা পথও আছে। সত্বার একটা অংশ যার শতকরা সবটাই স্বয়ংক্রিয় নয়–তাসত্ত্বেও সে সম্পূর্ণভাবে ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল নয়।

    এই অংশ সম্বন্ধে ডঃ কু অনেকখানিই বের করতে সক্ষম হয়েছেন। এ সম্বন্ধে আমাদের কিছু ভাবনার নেই। আমরা যদি চাই এ সম্পর্কে আমাদের সচেতন না হলেও চলবে। আপনি একে ইচ্ছে করলে অচেতন বা অবচেতন বলতে পারেন।

    মনের মধ্যে প্রবেশ করার এটাই হলো খোলা পথ। এইভাবেই আমরা অনেক বদল করতে পারি, তাকে সারিয়ে তুলতে পারি। শক্তিশালী করতে পারি।

    তাই বলতে গেলে মন আর দেহের মধ্যে একটা বোঝাঁপড়া আছে–আর সেটা করার পথ হলো অবচেতন সত্বার মধ্য দিয়ে মনের মধ্যে পৌঁছে শরীরকে প্রভাবিত করে নতুন সুস্বাস্থ্য আর শক্তি ফিরে পেতে পারি।

    অবশ্য ডঃ কু’র নিজস্ব পরামর্শে যে সবই নিরাময় হতে পারে সেকথা বলতে চাওয়া খুবই বেশি বলা হবে।

    এটি মনে যে পরিবর্তন আনে তাহলে আমরা যেভাবে লোকজন, জিনিস বা ঘটমান কিছুর দিতে তাকাই সেই ভাবেই। এ মনের মধ্যে বা মন থেকে যেসব শর্ত বা কারণ সরাসরি জেগে ওঠে তাদের হাত থেকে আমাদের মুক্ত করতে পারে। আর যার উদাহরণ হিসেবে কল্পনার ক্ষেত্রে যেমন করার থাকতে পারে।

    আত্ম-অভিভাবন বা নিজস্ব-অভিভাবন বা পরামর্শ হীনমন্যতা বা ভয়ের মত ব্যাপার বিশেষ করে স্নায়ু, দুশ্চিন্তা, চিন্তা ইত্যাদির উপস্থিতিতে দূর করে দিতে পারে। এগুলো আসলে মানসিক অবস্থা।

    এই আত্ম অভিভাবনের সহায়তায় আপনি যন্ত্রণাবোধের হাত থেকে নিষ্কৃতি লাভ করতে পারেন, এটাই শেষ পর্যন্ত মনে দেখা দেয়।

    কিন্তু–আর এটা মনে রাখা অত্যন্ত জরুরী–দাঁতের যন্ত্রণাকে যদি গ্রাহ্য না করা হয় আর এইভাবেই তা দূর করাও যায় সেটা কিন্তু ঐ পচা দাঁতকে নষ্ট করে ফেলতে পারে না।

    ঠিক এইভাবেই ডঃ কু’র পদ্ধতিও মানসিক পক্ষাঘাতের হাত থেকেও তার কষ্ট দূর করতে পারে। কিন্তু এটা কখনই শুকিয়ে যাওয়া বা মৃত শিকড়সম স্নায়ুগুলোকে কিছুতেই নতুন জীবন দিতে পারে।, কারণ এ রোগ অতি সংক্রামক।

    এবার আসুন, ডঃ কু’র পদ্ধতিটা কেমন দেখে নিই।

    বারবার অবচেতন সত্বার সঙ্গে কথা বলতে থাকুন। সবচেয়ে ভালো সময় হলো রাত্রিবেলা যখন আপনার জাগ্রতভাব ক্রমে বিলীন হতে চায় আর তার স্থান গ্রহণ করে গোপন দরজা দিয়ে প্রবেশ করে অবচেতন সত্বা। এই সত্বাকে জানিয়ে দিন আপনি কি হতে চান বা করতে চান। বেশ আত্মবিশ্বাস নিয়ে কথা বলুন। একদম সঠিক থাকুন। তবে অপ্রাসঙ্গিক বা অসম্ভব কিছু বলবেন না। কথাগুলো যেন বেশ পরিষ্কার আর দ্রুর করে বলা হয়, আর বারবার বলবেন। অনেক চিকিৎসক বিশ্বাস করেন শুধু কথাগুলো ঠোঁট নেড়ে বলতে চাওয়াই যথেষ্ট-শব্দ করে উচ্চারণ করার দরকার হয় না।

    একটা উদাহরণ হিসেবে আজ রাতেই ডাঃ কু’র পদ্ধতি প্রয়োগে করে বসুন না : ‘আমি এবার আবার কাজে মনোযোগে দেব। সব মনপ্রাণ নিয়োজিত করবো, এর মাঝখানে অনেন্দ আর সুখ খুঁজে নেব।’

    প্রত্যেক সফল মানুষই এইভাবে কাজ করে থাকেন। তাহলে আপনি কেন করবেন না? আজই তবে শুরু করে দিন।

    .

    ছয়. পুরনোর বদলে নতুন সত্তা

    আপনি হয়তো ভাবছেন : এই সাফল্যের বিষয় নিয়ে এত আলোচনা কেন? আমি এত বয়স পার হয়ে এসেছি। আমি ক্রমেই অতলে নামতে চলেছি। রাতারাতি পুরনো এই খোলসা বদলে ফেলা অসম্ভব। এটা কখনই করা যায় না। নতুন অভ্যাস গড়ে তোলার মত এখন আর এসময়কে বেছে নেওয়া যায় না।

    এরকম একটা ধারণা সত্যিই মারাত্মক একটা বিষয়।

    লক্ষ লক্ষ স্ত্রী পুরুষকে এটাই আর এগিয়ে চলতে দিচ্ছে না। ধারণাটা হলো বয়স হয়ে গেলে আর কেউই নতুন করে কিছু শিখতে পারে না। এমন একটা ধারণা যে মাত্র পঁয়ত্রিশ বছরে পা রাখলেই যে কোন মানুষ একদম শীতল, পাথরে পরিণত হয়ে যায় আর কোনভাবেই তাকে গলিয়ে নতুন রূপদান করা যায় না।

    আসলে, আমাদের প্রতিদিনের জীবনে এর বিপরীতটাই কিন্তু ঘটে চলেছে।

    আপনি নিজেই হয়তো বহু মানুষের কথা জানেন বা তাদের বিষয়ে পড়ে থাকবেন যে তারা কেমনভাবে উন্নতি করে চলেছেন। শিখরে উঠছেন তাদের সারা জীবন ধরেই। তারা কোনদিনই ভাবেননি একাজ পারবেন না। তারা কখনই বলেন কি নতুন কোন কিছু ভাবতে বা নতুন আদর্শ গড়তে, নতুন ধ্যানধারণা তৈরি করতে বা পুরনো সত্বা বদল করে নতুন সত্তা তারা আর গড়তে পারবেন না।

    এই কারণেই আজকের মনস্তত্ববিদরা কখনই বিশ্বাস করেন না যে কেউ বদলে যাওয়ার ক্ষমতা ত্যাগ করতে পারে।

    কেউ যখন বলে; মানুষের মন একটু একটু করে মরচে ধরে শক্ত, অথর্ব হয়ে পড়ে, আর সেটা জীবনের একটা বিশেষ সময়েই হয়।

    ‘একদম বাজে কথা!’ মনস্তাত্ত্বিকরা প্রতিবাদ করে বলবেন।

    তারা কোনসময়েই আমরা যাকে অভ্যাস বলি তার দিকে চোখ বন্ধ করে থাকেন না। তারা জানেন যে অভ্যাসই সব জিনিসকে সহজ করে তোলে। এদের নিয়েই আমরা কোন ঝামেলা ছাড়া চলতে পারি। আসলে এদের ছাড়া আমরা চলতেই পারতাম না।

    আপনার নিজেকে একবার অভ্যাস বাদ দিয়ে কল্পনা করে নিন তো! মনে করুন, আপনি কোন বিষয় মনে করতে পারছেন না আর প্রতিটি ছোটখাটো কাজ করার সময় মনস্থির করতে হচ্ছে। এরকম হলে আপনি কিছুতেই আর কোন কাজই করে উঠতে পারবেন না। আপনি ছোটখাটো বিষয়ে এতই ব্যস্ত থাকবেন যে বড় বা দরকারী কাজ করার আর কোন সুযোগই পাবেন না।

    অভ্যাস দারুণ দরকারী জিনিস। এটা জীবনকে সহজ করে তোলে। তাছাড়াও দ্বিগুণ কাজ করে। অভ্যাসের মজাই হলো এই।

    এই অভ্যাসই মানুষের মধ্যে মনে রাখার কাজটা করে চলে। এ ছাড়া আমরা কোন কিছুই শিখতে পারতাম না, নিজেদের শেখাতেও পারতাম না।

    অভ্যাস বুদ্ধিমত্তার চিহ্ন, একথা বিশ্বাস করুন আর না করুন। এটা কোন রকম অচিন্তার অন্ধ কোন কিছু না।

    জ্ঞানতঃ কোন অভ্যাস ত্যাগ করা বা গড়ে তোলা ব্যাপারটা একটা বিরাট কিছু।

    এর অর্থ হলো কোন কিছু হয়তো বদলে যেতে পারে। আমরা ভীত নই। আমরা হারিয়ে যাই না। আমরা বেঁচে থাকতে পারি কেননা আমরাও তো বদলে যেতে পারি।

    সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমরা বদলে যেতে পারি। আমরা নতুন নতুন অভ্যাসও গড়ে তুলতে পারি।

    এই অভ্যাস তৈরি করা বা ছেড়ে দেওয়ার শক্তি ছাড়া জীবন হয়তো শেষ হয়ে যেতে পারতো বহুঁকাল আগেই। সত্যিই কি অসহায় এই জীবন।

    অতএব আপনি দেখছেন অভ্যাস এক ধরণের মনে রাখার ব্যাপার। এই ভাবে আপনার শিরা উপশিরা, স্নায়ু আর মস্তিষ্ক কাজ করে। কত দ্রুতই না এরা শিখেও নেয়।

    প্রথম এবার কিছু করার চেষ্টা করুন। কাজটা অবশ্য সহজ হবে না। তাই আবার চেষ্টা করুন। এটা তেমন কঠিন নয়। কোন কিছু না ভেবে আপনি অচিরেই করতে পারবেন। আপনার মস্তিষ্কের নিচের স্তর কাজটা করা সুরু করেছে।

    অভ্যাস কিন্তু অচিরেই একটা কদর্যতায় পরিণত হতে পারে। এ হয়তো আপনার উপর কর্তৃত্ব করতে চেয়ে আপনাকে চালনাও করতে পারে। অভ্যাস যতক্ষণ থাকবে আপনার নিজস্ব ইচ্ছা বলে কিছু থাকবে না। এমন একটা ধারণা অবশ্যই তেমন সুখবর নয় কিছুতেই।

    মনে রাখা দরকার অভ্যাস একটা ভালো দান বটে তবে অত্যন্ত খারাপ প্রভু। তাই এর জায়গাতেই একে রেখে দিন। অভ্যাসকে শেষ করতে দিন। যে কোন মূল্যেই হোক আপনাকেই প্রভুত্ব করতে হবে।

    আর এই কারণেই তাই আপনি করবেন যখন বলবেন : ‘না, এখন বদল করার পক্ষে বড় দেরী হয়ে গেছে।’

    এর কারণ কি জানেন? আপনি অভ্যাসকে বড় বেশি সুযোগ দিচ্ছেন। আপনি ভুলে গেছেন আসল প্রভু কে। আসলে আপনি নিজেকে বুদ্ধিহীন করে তুলছেন।

    এসবের অর্থই হলো আপনার মস্তিষ্কের নিম্নস্তর বড় বেশি কাজ করতে সুরু করেছে আর এর সঙ্গে উপরের স্তর একেবারেই কিছু করছে না।

    তাসত্বেও কিন্তু মস্তিষ্কের উপরের অংশই আসল প্রভু।

    এই উপরের মস্তিষ্ক ছাড়া আমাদের অভ্যাস থাকা সম্ভব নয়। আমরা শিখতেও পারবো না (অভ্যাস গড়ে ওঠার ব্যাপারটাও তাই)-আর এটা সম্ভব হতো না উপরের মস্তিষ্কের অংশ না থাকলে (এটাই বুদ্ধিমত্তা)।

    এর মূল বক্তব্য তাহলে কি?

    নিম্ন মস্তিষ্ককে ক্ষমতা দান করলে আখেরে লাভ হয় না। এর ফলে এটা নড়েচড়ে কাজ করার শক্তি নষ্ট করে দেয়। অতএব আসুন আমরা উপরের মস্তিষ্কই কাজে লাগাই। এর সাহায্যে আমরা আরও ভালো করে আরও দ্রুত কাজ সমাধা করতে পারি! আমরা কোন কিছু নতুন আর আশ্চর্যজনক কিছুতে বদলে যেতে পারি!

    আগেকার পুরনো বাজে অভ্যাস দূর হোক। নতুন আর কাজের অভ্যাসই তবে আসুক। এই ভাবেই সৃষ্টির আদি থেকে জীবন এগিয়ে চলেছে। এই কারণেই জীবন সফল হয়েছে। সাফল্যের এটাই হলো অন্যতম বিরাট একটি নিয়ম-অভ্যাসের ধারাবাহিক মৃঙ্খল গড়া আর ভেঙে ফেলার শক্তি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিক্রয় ও জনসংযোগ প্রতিনিধি হবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি
    Next Article সুখীজীবন ও কাজের সন্ধানে – ডেল কার্নেগি

    Related Articles

    ডেল কার্নেগি

    সুখীজীবন ও কাজের সন্ধানে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    বিক্রয় ও জনসংযোগ প্রতিনিধি হবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    প্রতিপত্তি ও বন্ধুলাভ – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    বক্তৃতা শিখবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    স্ত্রী যখন বান্ধবী – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    বরণীয় যারা স্মরণীয় যারা – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }