Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ব্যোমকেশ সমগ্র – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1885 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পরিশিষ্ট: ১ -ব্যোমকেশ ও সত্যবতীর প্রস্থান

    পরিশিষ্ট: ১ -ব্যোমকেশ ও সত্যবতীর প্রস্থান – প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত

    সকালবেলা, সাড়ে সাতটা বেজেছে। সত্যবতী কেয়াতলা থেকে রিক্সা করে গড়িয়াহাট মার্কেটে যাচ্ছিল, এমন সময় মোড়ের মাথায় খবরের কাগজের স্টলে চোখ পড়ল। একটা কাগজ কিনে পাতা ওল্টাতেই দেখে বড় হরফে একটা বিজ্ঞাপন ছাপা হয়েছে—শরদিন্দু অম্‌নিবাসের শেষ খণ্ড শিগগির বের হবে। পাঠক-পাঠিকাদের প্রকাশক ধন্যবাদ জানাচ্ছেন তাঁরা এতদিন এই গ্রন্থাবলীকে যথেষ্ট সমাদর করেছেন। সত্যবতীর মনে হল যাক এতদিনে কাজটা শেষ হল। প্রথমে যতটা তাড়াতাড়ি হচ্ছিল শেষের দিকে অতটা নয়; পনের বছর লেগেছে। তাহলেও একটা কাজ শেষ হল তো। বেচারি শরদিন্দুবাবু। জীবনের একটা বড় অংশ ব্যোমকেশ-সত্যবতীর জন্য তিনি ব্যয় করেছেন। ভদ্রলোক একটা গাড়ি দেবেন বলেছিলেন সেকথা রাখতে পারেননি। মারা গেলে আর কি করা যাবে? সেই যে কে যেন এক অধ্যাপকের সঙ্গে হাতিবাগানে থিয়েটার দেখতে গিয়েছিলেন সেখানে অভিনেতা একজন খুন হয়ে গেল; তারপর তো পুলিসের হাঙ্গামা। আগে থেকেই তাঁর শরীর ভাল যাচ্ছিল না। থিয়েটারের হুজ্জুতি না উঠলে তিনি হয়ত আরও কিছুদিন ভাল থাকতেন। এই ভাবতে ভাবতে সত্যবতীর চোখ ছলছল করে উঠল। রিক্সা এর মধ্যে গড়িয়াহাট বাজারে এসে গিয়েছিল। সত্যবতী দুটি ব্যাগ হাতে করে নামল। অন্যদিন সত্যবতী খুব উৎসাহে বাজার করে। আজ তার সেরকম উৎসাহ ছিল না; বাজার করতে করতে শরদিন্দুবারুর কথা মনে পড়ায় কিরকম অন্যমনস্ক হয়ে যাচ্ছিল। আলু, বেগুন, ঝিঙে, পটল, লঙ্কা, থোড়, উচ্ছে সে তত বাঁধাই আছে তার জন্য ভাবতে হবে না। চিংড়িমাছও কিনল। ভীষণ দাম, তা হোক। ব্যোমকেশ লাউচিংড়ি খেতে চেয়েছে। অন্যদিকে চোখ পড়ল, দেখল একটু দূরে একটা ঝুড়িতে অনেক ইলিশ মাছ রয়েছে। রোজ বাজারে ‘মুখপোড়া ইলিশ’ উঠছিল আজ তার বদলে ভাল জাতের নধর ইলিশ মাছ। একটা প্রায় এক কিলো ওজনের ইলিশ মাছ কিনল। দুজন প্রাণীর জন্য একটু বেশি হল, তা হোক্‌গে, ফ্রিজে রেখে দিলে চলবে। লাউ কিনতে ভুলে গেল। একবার বাড়ি গিয়ে পৌঁছলে পুঁটিরাম যা হয় করবে কিন্তু লাউচিংড়ি আর হবে না; ব্যোমকেশের কপালে নেই। ফিরতি রিক্সায় উঠে একবার ভাবল ফিরে গিয়ে একটা লাউ কিনে আনে কিন্তু বেশ গরম পড়ে গিয়েছে। মনে হল আবার এতটা পথ ফিরে যাব? লাউ না হলে এমন কি ক্ষতি হবে?

    কেয়াতলায় বাড়িতে পৌঁছে দোতলায় উঠে দরজায় বেল টিপল। কেবল দুজনের জন্য পুরো বাড়ি রাখবার কোন মানে হয় না তাই ব্যোমকেশ একতলাটা ভাড়া দিয়ে দিয়েছে। সত্যবতী প্রথমটা একটু আপত্তি করেছিল কে না কে এসে উঠবে কিন্তু ব্যোমকেশ সে কথা শোনেনি। যাই হোক ভাড়াটেদের সঙ্গে কোন গোলমাল হয়নি; তারা বেশ ভদ্র। আর ব্যোমকেশের বিষয়ে লেখা-টেখা পড়ে তার উপরে ভক্তিও হয়েছে। বেল টিপতে না টিপতে পুঁটিরাম দরজা খুলে বাজারের থলিদুটো ভিতরে নিয়ে গেল। স্নানের ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে সত্যবতী বলল, ‘এই শুনছ।’ বলতে দোষ নেই সত্যবতীরও একটু বয়স হয়েছে। আগেকার দিনের মত আর তন্বী নেই। সিঁড়ি দিয়ে তাড়াতাড়ি উঠে হাঁপাচ্ছিল। হাঁপাতে হাঁপাতে আবার বলল, ‘এই শুনছ।’ স্নানের ঘরের দরজায় ছিটকিনিতে একটু আওয়াজ হল। দরজা খুলে ব্যোমকেশ বেরিয়ে এল। তার দাড়ি কামানো হয়ে গিয়েছে, ভিজে তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছছিল, বলল, ‘এত চেঁচাচ্ছ কেন? হয়েছে কি? গরমে একেবারে ঘেমে নেয়ে গিয়েছ যে। দেখছ ন’টা বাজেনি এখনও, কিরকম গরম পড়েছে।’ সত্যবতী বলল, ‘সাধে কি চেঁচাচ্ছি। আমি আজকাল কিছু বললেই তোমার চেঁচানি মনে হয়। খবরের কাগজটা দেখ তাহলেই বুঝবে চেঁচালেও কোন দোষ হত না।’ ব্যোমকেশ কাগজটার উপর চোখ বুলিয়ে চুপ করে রইল। তারপর বলল, ‘আমরা শেষ হয়ে যাচ্ছি। ভাবতেও খারাপ লাগছে। এখনও তো অনেক কিছু করবার বাকি ছিল। শার্লক হোম্‌স মরে গিয়েও কি ফিরে আসেনি। তাছাড়া তার ‘কেসবুকে’র কথা তো সবাই জানে। ব্যোমকেশেরও একটা ‘কেসবুক’ বের হতে পারত। সত্যবতী বলল, ‘তুমি যেমন আলসে, বাড়ি থেকে বের হতে বললেই তোমার প্রাণ বেরিয়ে যায়, তোমার আবার ‘কেসবুক’।’ ব্যোমকেশ বলল, ‘ঐ তো তোমার দোষ, চট করে রেগে যাও। আমার কত কথা তো লেখাই হয়নি। শেষের দিকে শরদিন্দুবাবু আবার ইতিহাসের গল্প-টল্প নিয়ে মেতেছিলেন কিনা। সেগুলো সিনেমা হয়েছে। খুব যে ভাল ছবি হয়েছে বলব না।’ সত্যবতী একটু চটে গিয়ে বলল, ‘ভাল খারাপের তুমি কি বুঝবে বল। তুমি এক ঠ্যাঙাড়েদের কথা বুঝতে পার।’ এমন সময় পুঁটিরাম ঘরে ঢুকে বলল, ‘মা, লাউ কোথায়? বাবুর জন্য লাউচিংড়ি হবে বলেছিলেন।’ সত্যবতী একটু বিব্রত হয়ে বলল, ‘এই যাঃ ভুলে গেছি। না ঠিক ভুলিনি; ফেরার পথে মনে পড়ল। তখন এত রোদ্দুর উঠে গিয়েছে আর ফিরে যেতে ইচ্ছে করল না। ভাবলাম পুঁটিরাম আছে যা হোক্‌ করে নেবে। পুঁটিরাম, তুমি বাবা একবার বাজারে যাবে?’ পুঁটিরাম বলল, ‘আপনাদের চা করে দিয়ে যাচ্ছি।’ বলে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। পুঁটিরাম চলে যেতেই ব্যোমকেশ কট্‌মট্‌ করে সত্যবতীর দিকে তাকিয়ে বলল, ‘না ও যাবে না।’ সত্যবতী বলল, ‘কেন গেলে কি হয়? রাস্তায় বেরোলে তোমার চাকরের গায়ে ফোস্কা পড়বে?’ ব্যোমকেশ বলল, ‘সত্যবতী, তুমি তো এরকম ছিলে না। তোমার মন ভারি কোমল ছিল। দোষের মধ্যে তুমি খুব কাঁদতে। তোমার রং কালো বটে তবে তোমার বড় বড় চোখে বেশ মানাত।’ সত্যবতী বলল, ‘ওসব হেঁদো কথা রাখ। এখন কি করা যায় বল। তোমার গল্প তুমি নিজে একবার চেষ্টা করে দেখবে?’ ব্যোমকেশ বলল, ‘ও আমাকে দিয়ে হবে না। গল্প লেখা ডাকাত ধরার চেয়েও শক্ত।’ সত্যবতী বলল, ‘আমাকে ভুল বোঝাবার চেষ্টা কোর না। আমি কি জানি না তোমার কী বুদ্ধি? সেই যে চীনে পাড়ার মেসে মেঝেতে কান পেতে নীচের ঘরের কথাবার্তা একটু একটু শুনেছিলে তাতে কতবড় একটা চোরাকারবারীর দল ধরা পড়ে গেল। তখন থেকে তো অজিতের সঙ্গে ভাব তোমার। বলতে বটে ‘সত্যান্বেষী’ কিন্তু কে তোমাকে চিনত? অজিত এখন কোথায় আছে কে জানে? শুনলাম দূরে কোথায় ব্যবসা করছে। গাড়িও কিনেছে নিশ্চয়।’ ব্যোমকেশ উত্তর দিল না। সত্যবতী আবার বলল, ‘সেই যে আর একবার তুমি একটি মেয়ের নীল চোখ দেখে আসল কথাটা বুঝে ফেললে। তখন অবশ্য তোমার বেশ নাম হয়েছে।’ ব্যোমকেশ আরও কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। বোধহয় অজিতের কথা তারও মনে পড়ছিল। খানিকক্ষণ পরে বলল, ‘সত্যবতী, যদি রাগ না কর তো একটা কথা বলি।’ সত্যবতী অনেকদিন ব্যোমকেশের এরকম গলা শোনেনি। সে বলল, ‘কিছু বলবে তো, দাঁড়াও, লাউয়ের পয়সা দিয়ে আসি।’ এই বলে উঠে গেল। দু মিনিট পরে ফিরে এসে বলল, ‘কি বলছিলে এইবার বল।’ ব্যোমকেশ বলল, ‘কিছুদিন থেকে আমিও ভাবছি কি করা যায়। এদিকে কাজকর্ম তো প্রায় ছেড়েই দিয়েছি। অভিনয়ের সময় exit লাইন ভুলে গেলেই বিপদ। রঙ্গমঞ্চে দাঁড়িয়ে নিজেকেই কেমন বোকা বোকা মনে হয়।’ সত্যবতী বলল, ‘সে কি গো, এখনি exit লাইন কি? আমার তো নানারকম প্ল্যান আছে। তিনটে বড় টব এনে রেখেছি বৃষ্টি পড়লেই তাতে দুটো কাঞ্চন আর বোগেনভিলিয়া লাগিয়ে দেব। সেগুলো তো বড় হবার আগে আমি কোথাও চলে যাবার কথা ভাবতেই পারছি না।’ ব্যোমকেশ বলল, ‘ঐ তো মেয়েদের দোষ, সবজায়গায় সংসার পেতে বসে আছ। আমার ঠাকুমা বাড়ির গাছের মোচা, গোরুর দুধ আর রান্নাঘরের চালে লাউয়ের ডগা এইসবের মায়ায় এমন জড়িয়েছিলেন যে তাঁর শ্রীক্ষেত্র যাওয়া হল না। যাদের সঙ্গে পুরী যাবার কথা ছিল তারা ডাকতে এসে হতাশ হয়ে বকতে বকতে চলে গেল। তোমারও তো সেই দশা হয়েছে দেখছি।’ সত্যবতী বলল, ‘তুমি কি করে বলছ দুই একরকম। পুরী গেলে তো ফিরবার পথ আছে কিন্তু তুমি যা বলছ তাতে ফিরবার কোন পথ নেই। এখানেই বা এমন কি মন্দ আছি।’ ব্যোমকেশ বলল, ‘আহা, তুমি বুঝছ না। চিরকাল তো এমন থাকবে না। মানুষ সাজতে গেলেই বয়স বলে একটা জিনিস আছে তো। এই আমাকেই দেখ ছুটতে গেলেই হাঁপ ধরে। পিছনে পিছনে ছুটবে এমন ‘মোরিয়েটি’ আমার কেউ নেই কিন্তু তার পিছনে ছুটছি এমন ভাবতেও আমার হাঁপ ধরে। মানুষ হয়ে বেঁচে থাকবার অসুবিধেও অনেক। বাজার তো দিন দিন চড়ছে। তবু দেখ আমাদের দুজনের কি এমন খরচ লাগে। অবিশ্যি পুঁটিরামকেও ধরবে আমাদের সঙ্গে। নীচেটা তো ভাড়া দিয়ে দিয়েছি, বই থেকেও আসছে কিছু। তাছাড়া এমন ডিটেকটিভ আছেন যাঁরা ঘর থেকেই বের হন না। ঘরে বসেই সব সমস্যা সমাধান করেন। আসল কথা আর আমার ভাল লাগছে না।’ এইসময় পুঁটিরাম ঘরে ঢুকে বলল, ‘মা, অনেক বেলা হয়ে গেছে। আমার রান্না হয়ে এল। বাবু এবার স্নান করে নিলে ভাল হত।’ সত্যবতীর তো সকালেই স্নান করা অভ্যাস। অন্যদিন হলে ব্যোমকেশের এইসময় স্নান হয়ে যেত কিন্তু আজ সত্যবতীর সঙ্গে কথাবার্তায় দেরি হয়ে গেল। তাছাড়া কিছুদিন হল ব্যোমকেশেরও কিরকম ‘শিথিল স্বভাব’ হয়ে গিয়েছিল। সে বলল, ‘আমি স্নান করে নিচ্ছি।’ এই বলে তোয়ালে কাঁধে ফেলে স্নানের ঘরে ঢুকল।

    বেলা প্রায় বারোটা বাজতে চলেছে। ইতিমধ্যে দৃশ্য পরিবর্তন হয়েছে। ব্যোমকেশ ও সত্যবতী খেতে বসেছে। খাবার টেবিলটি ছোট তবে চারজন বসতে পারে। টেবিলের উপরে ভাত, মুগের ডাল, ইলিশ মাছের ডিমের ভাজা, লাউচিংড়ি, ইলিশ মাছের ঝোল। একটি বড় পাত্রে বাড়িতে পাতা দই। রাত্রে শুতে যাবার আগে সত্যবতী পেতে রেখেছিল। এটা তার বহুদিনের পুরনো অভ্যাস। ব্যোমকেশ খাবার সময় একটু দই খেতে ভালবাসে। খাবার সময় বিশেষ কথাবার্তা হল না। একই কথা বারে বারে মনে হতে লাগল। ব্যোমকেশ শেষ পর্যন্ত না থাকতে পেরে বলল, ‘একেবারে ‘ফেড-আপ’ হয়ে গেছি। অজিত ট্যাক্সির কারবার করলে তার ওখানে অন্তত ট্যাক্সি চালাবার কাজ পাওয়া যেত।’ সত্যবতী শুধু বলল, ‘বাজে বোকো না।’ ব্যোমকেশ খবরের কাগজ নিয়ে নাড়াচাড়া করতে লাগল কিন্তু কথা আর জমল না। এমন সময় পুঁটিরাম ঘরে ঢুকে বলল, ‘মা, আমি একটু বাইরে যাচ্ছি, দেশের লোক এসেছে। বিকেলে চা ক’টার আনব? সত্যবতী বলল, ‘যা গরম চা খেতে ইচ্ছে করছে না। যাক্‌ পাঁচটার সময় সময় নিয়ে এস; তার আগে দরকার নেই। আরও আধঘন্টা কেটে গিয়েছে। এমন সময় নীচ থেকে কে ‘ব্যোমকেশ বাড়ি আছ’ বলে হাঁক দিল। সত্যবতী বলল, ‘কে চেঁচাচ্ছে দেখ। বেল টিপছে না কেন?’ ব্যোমকেশ বলল, ‘লোডশেডিং তো আরম্ভ হয়ে গেছে ঘণ্টাখানেক আগে তা খেয়াল করনি। এই হচ্ছে শহর। মাছ ছোঁবার উপায় নেই এত দর। লোডশেডিং দিনে তিনবার করে হচ্ছে। দোতলায় জল তুলবার জন্য যে পাম্প চালাব তার উপায় নেই।’ এই বলে নীচে গিয়ে দরজা খুলল। দুমিনিট পরে ব্যোমকেশ যাকে নিয়ে ঘরে ঢুকল তাকে দেখে সত্যবতী যেমন খুশি তেমন অবাক। সত্যবতী বলল, ‘অজিত, আজ সকালেই তোমার কথা হচ্ছিল। কতদিন তোমার সঙ্গে দেখা হয়নি। কোথায় আছ, কি করছ কিছুই জানি না।’ অজিত বলল, ‘সব কথা হবে ধীরে ধীরে। তোমরা কি করছ সে কথাও তো আমার জানা দরকার। এখন এক গ্লাস ঠাণ্ডা জল দাও তো। কি গরম!’ সত্যবতী বলল, ‘জল দিচ্ছি, ঘোল করে দেব? কিন্তু খুব ঠাণ্ডা হবে না। দেখছ না কারেন্ট নেই।’ এই বলতে বলতেই পাখা ঘুরতে আরম্ভ করল। ব্যোমকেশ বলল, ‘দেখেছ অজিতের কি ক্ষমতা। ওর এত ক্ষমতা যখন আমরা একসঙ্গে ছিলাম টের পাইনি।’ অজিত বলল, ‘এখানে থাকতে ক্ষমতা দেখবে কি করে? তুমিই তো সবকিছুকে আচ্ছন্ন করে রাখতে, আমাকেও। তোমাদের সঙ্গে শেষ দেখা হবার পর পাঁচ বছর কেটে গিয়েছে। দেখ ব্যোমকেশ, যা ঘটে তা মঙ্গলের জন্যই ঘটে। আমি জানি তুমি একথা বিশ্বাস করবে না; তাহলে আমার কথা শোন। বইয়ের ব্যবসা তো চলল না অথাৎ চালাতে পারলাম না। সে কি আমার কাজ! কোথায় কার কাছে একটু সস্তায় কাগজ পাওয়া যায় তার পিছনে ঘোরাঘুরি, দপ্তরীকে তোয়াজ করা। বই ছাপা হলেও ঘুম হত না যদি দপ্তরীর বাড়ি আগুন লেগে যায়, সব ফর্মা পুড়ে যাবে। লেখকদের কথা আর বোলো না। যাদের কিছু নামডাক হয়েছে তাদের কি রোয়াব। বলে তিন হাজার টাকা দিয়ে যাও আগে, ভেবে দেখছি তোমাকে কি দেব। কিংবা তিন ফর্মার ম্যাটার ছুঁইয়ে দিয়ে বলে এইটে প্রেসে পাঠিয়ে দিন, তারপর যেমন লিখব এসে নিয়ে যাবেন। কিছু পুরনো বইয়ের যার কপিরাইট নেই কিন্তু বাজার আছে তাই ছাপতে গেলুম। দেখি সব প্রকাশক একই কথা ভেবে রেখেছে কাজেই দাঁড়াব কোথায়। তোমাদের সঙ্গে তখন দেখাসাক্ষাৎ হয় না। এক গুজরাটি ভদ্রলোকের সঙ্গে আমার পরিচয় ছিল। সে বলল, ‘অজিতবাবু, আপনি যা করছেন ওতে কোন নাফা নেই।’ আমি চোখ বুজে তার সঙ্গে নেমে পড়লাম; ফল কিছু খারাপ হয়নি বুঝতেই পারছ।’ ব্যোমকেশ বলল, ‘কিসের ব্যবসা?’ অজিত বলল, ‘বলছি। ব্যবসা তো একটা নয়। রাজনন্দনগাঁও বলে একটা রেল স্টেশন আছে জান। ইদানীং তো তুমি প্লেন ছাড়া নড়তে না। সেকালে যখন ট্রেনে চড়তে তখন বোম্বাই যেতে দেখেছ নিশ্চয় কলকাতা থেকে ন’শ কিলোমিটার দূরে। সেখানে আমার ইটের কারবার—ইটের ভাঁটা আর তার সঙ্গে আনুষঙ্গিক। সেখান থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার দূরে আমার আর একটা ব্যবসা আছে কাগজ তৈরি করবার মিল। সেখানে এখনও প্রোডাক্‌সন আরম্ভ হয়নি। বইয়ের ব্যবসা যখন শুরু করেছিলাম তখন কাগজওলারা তো আমাকে বিলক্ষণ ঘুরিয়েছে। ভাবলাম আমি একবার দেখি ঘোরাতে কেমন লাগে। জায়গাটার নাম ‘তিনসোনা’। ছোট ছোট তিনটে পাহাড় আছে, ঝরণা, রাত্রে মাঝে মাঝে নেকড়ে বের হয়। জায়গাটা খুব সুন্দর। সত্যবতীর ভাল লাগবে। আমি বলছি কি তোমরা আমার সঙ্গে চল। দুটো জায়গাই দেখ, যে জায়গাটা পছন্দ হবে সেইখানে থেকে যাবে।’ সত্যবতী বলল, ‘আমার তো ভাল লাগছে, শুনেই যেতে ইচ্ছে করছে।’ অজিত বাধা দিয়ে বলল, ‘সে আমি বুঝতে পেরেছি।’ ব্যোমকেশ বলল, ‘আমি ওখানে গেলে তোমার এমন কি কাজে লাগব?’ অজিত বলল, ‘সেকথা বোল না। আমার পাঁচ বছর ব্যবসা করে অনেক জ্ঞান হয়েছে। তুমি যদি স্পেশাল অফিসার হয়ে যেতে বা ম্যানেজার হয়ে যেতে তাহলে লোকে ভাববে তুমি একজন ইট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ অথবা কাগজের মিলের সঙ্গে তোমার অনেকদিনের সম্পর্ক। আর যদি ডিরেক্টর হয়ে যাও তাহলে এসব কথা উঠবেই না। আর ব্যোমকেশ বক্সীকে ওখানে চিনে ফেললে অসুবিধে হবে ভাবছ? ব্যোমকেশ, তুমি হয়ত রাগ করবে কিন্তু কলকাতা ও দিল্লীর বাইরে কে তোমাকে চিনবে? দরকার হয় তো ওখানে গিয়ে একটু গোঁফ রাখতে পার।’ সত্যবতী বলল, ‘গোঁফ, রামঃ। তাহলে আর গিয়ে কাজ নেই।’ অজিত খুব তাড়াতাড়ি বলল, ‘না না, গোঁফের দরকার নেই। সব কিছুই তো বদলে যায়। আমাকে দেখছ না আমি কিরকম বদলে গেছি।’ সত্যবতী অনেকক্ষণ থেকে ঠাহর করে অজিতকে লক্ষ্য করছিল, দেখছিল অজিত কিরকম বদলে গিয়েছে। অজিতের গায়ে মাংস লেগেছে। জায়গাটার আবহাওয়া নিশ্চয় ভাল। পোশাকও বদলেছে। আগে তো ধুতি পাঞ্জাবি ছাড়া কিছু পরত না। এখন দামী কাপড়ের ট্রাউজার ও শার্ট। অজিত আবার বলল, ‘শোরগোল করে কাজ নেই। সঙ্গে গাড়ি আছে, গাড়ির ভিতরে আমার স্যুটকেস আছে, চল বেরিয়ে পড়ি। আমি তো আজকেই যাব বলেই বেরিয়েছিলাম। একটু ঘুরে যাব, রাজনন্দনগাঁও যেতে দু’একদিন দেরি হবে। দেরি হলে তোমাদের এমন কি অসুবিধে? পুঁটিরাম কি বাড়িতে আছে?’ সত্যবতী বলল, ‘না, কার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছে। পাঁচটায় চা নিয়ে আসবে।’ অজিত বলল, ‘তাহলে চল, তাড়াতাড়ি চলে যাই। পনের মিনিট সময়।’ সত্যবতী বলল, ‘দাঁড়াও, একটু গোছগাছ করতে হবে না।’ অজিত বলল, ‘গোছগাছ আবার কি? এমনভাবে যাব যাতে বুঝতে পারবে না আমরা চলে গেছি। সেই তো মজা। আমি বলি কি ব্যোমকেশ, কয়েকটা ট্রাউজার আর বুশশার্ট করেছিলে তার একটা পরে নাও, বাকিগুলো সঙ্গে নিয়ে নাও। সত্যবতী, তুমি একটা হাল্কা শাড়ি পরে নাও আর সচরাচর যেসব শাড়ি পর না তার মধ্যে থেকে চার পাঁচটা নিয়ে নাও। তোমরা কেউ বাইরে যাবার জুতো পর না। বাড়ির চটি পরে চল।’ ব্যোমকেশ বলল, ‘কিছু টাকা নেওয়া দরকার। বাড়িতে তো মোটে শ’ চারেক টাকা আছে। এখন তো ব্যাঙ্ক বন্ধ হবার সময় হয়ে এল। চারশ টাকা থেকে আবার পুঁটিরামের জন্য কিছু রেখে যাব তা নাহলে ও খাবে কি?’ সত্যবতী বলল, ‘এই তোমার বুদ্ধি! ভুলে গেলে গড়িয়াহাট রোডের কাছে যে ব্যাঙ্ক আছে তাতে তোমার আমার জয়েন্ট একাউন্ট আছে। সেটা তো বিকেলে খোলে। তাতে তো বিশেষ হাত দেওয়া হয় না, কয়েক হাজার জমেছে। সেটা তুলে নিলেই হবে। এ ব্যাঙ্কের টাকা যেমন আছে থাক। তুমি বরং ব্যাঙ্ক দুটোর চেক্‌ বই নিয়ে চল।’ চারটে বাজবার কিছু আগে অজিতের গাড়ি সত্যবতী ব্যোমকেশকে নিয়ে বেরিয়ে গেল। তাদের জামাকাপড় খবরের কাগজে জড়ানো। গাড়ির বুটে অজিতের স্যুটকেসের পাশে প্যাকেটটা পড়ে রইল।

    বাড়ি থেকে বেরিয়ে তারা প্রথমে ব্যাঙ্কে গেল। ব্যোমকেশ গাড়ি থেকে নামল না। সত্যবতী আর অজিত গিয়ে টাকাটা তুলে আনল। তখন ভিড় ছিল না, বারো-তের মিনিটের মধ্যে কাজ হয়ে গেল। সাত হাজার টাকা তুলে নিল; আরও কিছু পড়ে রইল। ব্যোমকেশ বলল, ‘সবটা না তুলে ভালই করেছ।’ গাড়ি সেখান থেকে প্রথমে মার্কেটের কাছে গেল। গাড়ি একজায়গায় পার্ক করে অজিত সত্যবতীকে বলল, ‘কয়েকটি শাড়ি, বাইরে বেরোবার চটি এবং অন্যান্য টুকিটাকি যা লাগবার কিনে নাও। আমি ততক্ষণ ব্যোমকেশের জুতো কিনছি।’ সত্যবতী জিনিস কিনে এসে দেখল অজিতের সওদা শেষ হয়ে গেছে। শুধু ব্যোমকেশের জুতোই কেনেনি, দুটো ফ্ল্যাস্কও কিনেছে। একটায় ঠাণ্ডা জল ভর্তি আর একটায় চা। তাছাড়া এক বাক্স ভর্তি চিকেন স্যান্ডউইচ, ছ’টা ন্যাংড়া আম আর একটা সস্তা দামের স্যুটকেস। অজিত বলল, ‘সব তো হয়ে গেল, কেনাকাটার আর কিছু বাকি নেই। চল এবার বেরিয়ে পড়ি।’ সত্যবতী বলল, ‘দুর্গা, দুর্গা।’ রোদ পড়বার আগেই তাদের গাড়ি হাওড়া ব্রিজ পেরিয়ে গেল। ব্যোমকেশ একটু অন্যমনস্ক। অজিত তাকে বলল, ‘কি হে সত্যান্বেষী, ‘রিটার্ন অফ শার্লক হোমস’-এর কথা মনে পড়ছে।’ ব্যোমকেশ উত্তর দিল না। একটা আনকোরা সিগারেটের বাক্স বার করে একটা সিগারেট ধরাল। তার সিগারেটের বাক্সটা বাড়িতে ফেলে এসেছিল।

    সবে পাঁচটা বেজেছে। পুঁটিরাম আধঘণ্টা আগে বাড়ি ফিরেছে। তার হাতে একটা ছোট ট্রে। তাতে টি পট, দুটি পেয়ালা আর একটা প্লেটে কয়েকটা নারকেল নাড়ু। বসবার ঘরে ঢুকে দেখল কেউ নেই। পুঁটিরাম শোবার ঘরের দরজার সামনে এসে বলল, ‘মা, চা এনেছি।’ কোন উত্তর পেল না। দরজায় টোকা দিয়ে আবার বলল, ‘চা এনেছি মা।’ তারপর টেবিলের উপর চায়ের ট্রেটা রেখে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। কুড়ি মিনিট পরে এসে দেখল ট্রে সেইরকমই রয়েছে। শোবার ঘরের দরজার সামনে একটু চেঁচামেচি করে দরজা খুলে ঘরে ঢুকে দেখল কেউ নেই। দুপুরে কেউ সেখানে শুয়েছে বলে মনে হল না। পুঁটিরাম ভাবল ব্যাপারখানা কি! এরকমভাবে তো কেউ কখনও বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়নি। আরও কিছুক্ষণ পুঁটিরাম চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকল কিন্তু কেউ ফিরে এল না। পুঁটিরাম ভাবল বাবুর প্রকাশকদের সঙ্গে দেখা করা যাক। তাদের যদি বাবু কিছু বলে গিয়ে থাকেন। দেরাজ খুলে দেখল একটা খামে কয়েকটা দশ টাকার নোট ও কিছু খুচরো রাখা আছে। তার থেকে পুঁটিরাম একটা দশ টাকার নোট ও কিছু খুচরো তুলে নিল। যাওয়া আসার খরচ আছে তো। এমন সময় দেখল ড্রয়ারের ভিতরে আর একটা জিনিস রয়েছে। প্রথমে চোখ সরিয়ে নিল। লোভ থেকে দূরে থাকাই ভাল। এক মিনিট পরে হাত ঢুকিয়ে বাক্সটা বার করে আনল। দশটা সিগারেটের মধ্যে তিনটে শুধু খরচ হয়েছে, সাতটা তখনও বাকি। পুঁটিরাম একটা সিগারেট সন্তর্পণে তুলে নিয়ে বাক্সটা ঠিক জায়গায় রেখে দিল। তারপর আধময়লা ফতুয়ার উপর ধোপদুরস্ত শার্ট গায়ে দিয়ে চটি ফট্‌ফট্‌ করে সিঁড়ি দিয়ে নেমে গেল। দরজায় তালা লাগাল। ব্যোমকেশ ফিরে এলেও কোন অসুবিধে নেই, তার কাছে তো ডুপ্লিকেট চাবি থাকেই। সিগারেটটা রাস্তায় বেরিয়ে তবেই ধরাবে। একটু পা চালিয়ে চলতে হবে, এরপর কলেজ স্ট্রীটের বাসে উঠতে গেলে ভিড়ের ধাক্কা খেতে হবে।

    এই রচনাটি পূর্বে শরদিন্দু অম্‌নিবাস দ্বাদশ খণ্ডের ভূমিকা হিসাবে মুদ্রিত হয়েছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138 139 140 141 142 143 144 145 146 147 148 149 150 151 152 153 154 155 156 157 158 159 160 161 162 163 164 165
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঐতিহাসিক কাহিনী সমগ্র – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article ব্যোমকেশের গল্প – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবিতাসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    দাদার কীর্তি – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিষের ধোঁয়া – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    রিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ছায়াপথিক – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }