Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ব্রহ্ম সত্য জগৎ সত্য : উপনিষদ বিজ্ঞান রবীন্দ্রনাথ – ড. মণি ভৌমিক

    মণি ভৌমিক এক পাতা গল্প142 Mins Read0
    ⤷

    পুরানো সেই দিনের কথা

    ভারতের জীবন ও দর্শনের ওপর বেদ আর উপনিষদের বিপুল প্রভাব বহু যুগের। উপনিষদগুলি ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল বৈদিক যুগের শেষভাগে, বেদকে আশ্রয় করেই।

    বেদের দুটি ভাগ। একটি ভাগে আলোচিত যজ্ঞ ইত্যাদি আনুষ্ঠানিক পর্ব। অন্যভাগে বিশ্বরহস্যকে জানবার, বোঝবার ব্যাখ্যা করবার প্রচেষ্টা। প্রথম ভাগটিকে বলা হয় ‘কর্মকাণ্ড’। আর দ্বিতীয় ভাগ হল ‘জ্ঞানকাণ্ড’।

    হাজার হাজার বছর ধরে এই জ্ঞানকাণ্ডই প্রধান হয়ে দাঁড়াল। ভারতের প্রাচীন ঋষিরা এই জ্ঞানকাণ্ডেই প্রথম প্রকাশ করেছিলেন এই বার্তা যে তাঁরা জানতে চান এই জগৎকে, তাঁরা ভেদ করতে চান সৃষ্টির রহস্য দার্শনিক প্রশ্ন ও সমাধানের সাহায্যে। এই ঋষিরা মূলত গভীরপ্রসারী দার্শনিক, জ্ঞানী ও কবি। তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন দুটি— এই সৃষ্টি কোথা থেকে এল? এই সৃষ্টির উৎস কি এক না বহু?

    কিন্তু তাঁরা জানবেন কীভাবে? মহাবিশ্বকে জানবার শক্তি তাঁরা পাবেন কোথা থেকে? মনে রাখতে হবে, বিজ্ঞানের কোনও সূত্র, কোনও সংকেত সভ্যতার সেই সুদূর ভোরবেলায় ঋষিদের জানা ছিল না। তাঁদের একমাত্র অবলম্বন ছিল তাঁদের দার্শনিক মনের ধীময়তা, তাঁদের গভীর উপলব্ধি, তাঁদের সূক্ষ্ম অনুভব, তাঁদের ধ্যানের গহন মগ্নতা।

    আলো জ্বলে উঠেছিল তাঁদের ধ্যানের মধ্যে। তাঁরা ক্রমশ উপলব্ধি করলেন সমস্ত বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে আছে সৃষ্টির উপাদান। আজকের বিজ্ঞান ঠিক একই কথা বলছে। তবে হাজার হাজার বছর আগে বৈদিক ঋষিরা এই সত্যের উদ্ভাস পেয়েছিলেন তাঁদের ধ্যানের মধ্যে। তাঁরা উপলব্ধিও করলেন, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে আছে এক মহাচৈতন্য, সেই নিহিত বুদ্ধিমত্তার কাছেই প্রার্থনা করলেন, হে বিশ্বস্রষ্টা, আমায় দাও সেই ধীশক্তি, সেই মেধা, সেই চেতনা যাতে আমি এই মহাজগৎকে বুঝতে পারি— ধিয়ো যো নঃ প্রচোদয়াৎ।

    মহাজগৎ কী? সত্য না মায়া? কেমন করে সৃষ্টি হল এই মহাবিশ্ব? এই বিশাল সৃষ্টির উৎস কি এক? না বহু?

    মূলত এই প্রশ্নগুলিকে ঘিরেই ঋষিদের প্রশ্ন এবং সমাধান। এই পথেই গড়ে উঠেছে উপনিষদের দর্শন— যে-দর্শন বলছে সারা বিশ্বে পরিব্যাপ্ত এক আদিসত্তা। এই আদিসত্তা এক ও অদ্বিতীয়। একমেবাদ্বিতীয়ম্।

    এই বিশ্ববোধ বা দর্শনে কিন্তু ঋষিরা খুব তাড়াতাড়ি যে পৌঁছেছিলেন, এমন নয়। বেদের সংহিতা অংশে আমরা দেখছি বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করছেন বহুদেবতা। কিন্তু এই বহুদেবতা-নিয়ন্ত্রিত বিশ্ব থেকে ক্রমশ সরে এলেন উপনিষদের সত্যসন্ধানী দার্শনিক ঋষিরা। তাঁরা উপলব্ধি করলেন এক এবং অদ্বিতীয় আদিসত্তার দ্বারা এই মহাজগৎ নিয়ন্ত্রিত। এই আদিসত্তাকেই ঋষিরা বললেন ‘ব্রহ্ম’।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    সংহিতা
    বৃহদারণ্যকোপনিষদ
    বৈজ্ঞানিক
    বিজ্ঞান
    বাংলা ভাষা
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    Library

     

    কেমন এই ‘ব্রহ্ম’? কীভাবে এই বিশ্বসত্তাকে বর্ণনা করা যায়? উপনিষদে ক্রমে এই প্রশ্নটাই সবথেকে বড় হয়ে উঠল। উপনিষদের দার্শনিক ঋষি ক্রমে এই সত্যে উপনীত হলেন যে এই ‘ব্রহ্ম’ সারা বিশ্বব্যাপী এক প্রচ্ছন্ন সত্তা— মহাবিশ্বের প্রতি কণায় ‘ব্রহ্ম’ উপস্থিত। ‘ব্রহ্ম’ শব্দটির ধ্বনিগত অর্থ হল, যা সর্বব্যাপী, যা সকল বস্তুর মধ্যে প্রচ্ছন্নভাবে ব্যাপ্ত।১ কঠোপনিষদের আর একটি মন্ত্রে একই কথা বলা হয়েছে এইভাবে— ‘একস্তথা সর্বভূতান্তরাত্মা রূপং রূপং প্রতিরূপো বহিশ্চ’। অর্থাৎ একই আত্মা, মানে আদিসত্তা বা সৃষ্টির আদি-উৎস বিভিন্ন জীবের রূপে প্রকাশিত হয়েছে। এই একই আদিসত্তারও বহুরূপে প্রকাশ। সুতরাং উপনিষদ যে বলছে একই অদ্বিতীয় ব্রহ্ম বিশ্বের সবকিছুর মধ্যে থেকেই বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করছে, সে-বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এই হল উপনিষদের ব্রহ্মবাদের সারাৎসার। রবীন্দ্রনাথ তাঁর গানের মধ্যে উপনিষদের এই মূল বাণীটিকেই রূপ দিয়েছেন:

    প্রথম আদি তব শক্তি—

    আদি পরমোজ্জ্বল জ্যোতি তোমারি হে

     

    আরও দেখুন
    বৃহদারণ্যকোপনিষদ
    বিজ্ঞানের
    বৈজ্ঞানিক
    বিজ্ঞান
    সংহিতা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বই পড়ুন
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

     

    গগনে গগনে॥

    উপনিষদের ঋষিদের মনের মধ্যে সেই প্রাচীনকালে আরও একটি দার্শনিক প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল— কেমন এই জগৎ? এই বিশ্বজগৎ কি খণ্ড খণ্ড ভাবে ভাগ হয়ে আছে, না কি এই বিশ্বজগৎ অখণ্ড?

    উপনিষদের ঋষিরা এই প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছেন এইভাবে— বিশ্ব হল সৃষ্টি, ব্রহ্ম হল স্রষ্টা। কিন্তু উভয়েই পরস্পরের মধ্যে এক হয়ে আছে। তার কারণ, ব্রহ্ম যদিও এই জগতের স্রষ্টা, এই জগতের উপাদানও ব্রহ্ম। অর্থাৎ একই সত্তা বিশ্বের আশ্রয় এবং বিশ্বকে একমণ্ডিত করছে। যেহেতু আদিসত্তা বা বিশ্বের উৎস বিশ্বের সর্বত্র বিরাজমান, তাই এই মহাবিশ্ব অখণ্ড। এই মহাবিশ্বের সবকিছুই ব্রহ্ম। ব্রহ্মই তার জন্মের উৎস। ব্রহ্মের মধ্যেই তার ব্যাপ্তি। ব্রহ্মেই তার বিলয়।২

    নিবিড় ঘন আঁধারে এই সত্যের ধ্রুবতারা জ্বলে উঠেছিল কোন আদি যুগে উপনিষদের ঋষির ধ্যানে। রবীন্দ্রনাথ উপনিষদের এই উপলব্ধ সত্যকেই কত সহজে উচ্চারণ করলেন তাঁর গানে—

     

    আরও দেখুন
    বৈজ্ঞানিক
    সংহিতা
    বিজ্ঞানের
    বৃহদারণ্যকোপনিষদ
    বিজ্ঞান
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বুক শেল্ফ
    অনলাইন গ্রন্থাগার

     

    তুমি আদিকবি, কবিগুরু তুমি হে,/মন্ত্র তোমার মন্দ্রিত সব ভুবনে।

    সেই পুরাকালে উপনিষদের ঋষি বলেছিলেন— অপাবৃণু। অর্থাৎ, হে জগতের অন্তরসত্য, আবরণ সরিয়ে তুমি উন্মোচিত হও। আমি যেন নিজেকে তোমার মধ্যে দেখতে পাই। যেন উপলব্ধি করি তোমার-আমার কোনও ভেদ নেই। তুমি আর আমি এক। অহং ব্রহ্মাস্মি। প্রাচীন বেদের এই ধ্যানলব্ধ সত্য ফিরে এসেছে কত যুগ পেরিয়ে রবীন্দ্রনাথের গানে—

    আর রেখো না আঁধারে, আমায় দেখতে দাও।

    তোমার মাঝে আমার আপনারে দেখতে দাও॥

    উপনিষদের ঋষির মনের মধ্যে এবার জেগে উঠল আরও এক প্রশ্ন। বোঝা গেল, এই জগতের সর্বত্র ব্যাপ্ত হয়ে আছে ব্রহ্ম, অর্থাৎ জগতের উৎস। বোঝা গেল, এই জগৎকে একত্বমণ্ডিত করেছে আদিসত্তার সর্বব্যাপী বিরাজমানতা। বোঝা গেল, সেই আদিসত্তা চিরন্তন, পরিবর্তনহীন। এই নিয়ামক সত্তা নিত্য। তাই অমৃত।

     

    আরও দেখুন
    বৈজ্ঞানিক
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    বৃহদারণ্যকোপনিষদ
    সংহিতা
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বুক শেল্ফ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    ঋষির মনের মধ্যে এবার যে প্রশ্ন জাগল, তা হল, আদিসত্তা অপরিবর্তনীয়, চিরন্তন অথচ এই মহাজগতে সর্বক্ষণ এত পরিবর্তন কেন? ব্রহ্ম যদি চিরন্তন, তা হলে তার মূর্ত রূপের মধ্যে কেন পরিবর্তন ঘটছে সর্বক্ষণ? এ-প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজে পেলেন সেই প্রাচীনকালের ঋষি, বললেন দেহ অর্থাৎ মূর্ত রূপের পরিবর্তন হয়। কিন্তু জগতের অমূর্ত নিয়ামক বা আদিসত্তার কোনও পরিবর্তন হয় না। তাই এই আদিসত্তা চিরন্তন, মৃত্যুহীন। এ-কথা বলা আছে বৃহদারণ্যক উপনিষদে (৩।৭।১৫)। বিস্মিত হই যখন দেখি আজকের বিজ্ঞান উপনিষদের এই উপলব্ধিকে কতটা সমর্থন করছে। আজকের কোয়ান্টাম ফিল্ড থিয়োরি অনুসারে, সৃষ্টির অমূর্ত উৎস চিরন্তন, সৃষ্টির মূর্ত প্রকাশ সর্বদা পরিবর্তনশীল।

    কিন্তু এইখানেই শেষ হল না উপনিষদের ঋষির দার্শনিক যাত্রা। সৃষ্টির কারণ কী? কেন ব্রহ্ম সৃষ্টি করলেন জগৎ? এই রহস্যময় গূঢ় প্রশ্নের উত্তর খুঁজলেন উপনিষদের ঋষি। যে উত্তরটি পেলেন তাও তাঁর ধ্যানের মধ্যেই।

    বিশ্বসৃষ্টির কারণ কী? উপনিষদের ঋষি বললেন, রসের আস্বাদন। তৈত্তিরীয় উপনিষদে ভারতের আদি ঋষি জানালেন, ব্রহ্ম রস উপলব্ধি করতে পারেন। অর্থাৎ বিশ্বের আদিসত্তা চেতনাহীন নয়। সেই আদিসত্তার মধ্যে রসোপলব্ধির ক্ষমতা আছে। সৃষ্টির রস উপভোগ করে আনন্দ পেতে চাইলেন আদিসত্তা। উপনিষদ বলছে, আদিতে ব্রহ্ম একক-সত্তা হিসেবে একা বোধ করছিলেন, কোনও আনন্দ পাচ্ছিলেন না। তাই আনন্দের জন্যে সেই আদি ও একক সত্তা বহু হলেন। ‘একাকী থেকে আনন্দ পেলেন না বলে তিনি দ্বিতীয়কে চাইলেন।’৩

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    বৈজ্ঞানিক
    বৃহদারণ্যকোপনিষদ
    সংহিতা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ

     

    এই হল উপনিষদের ব্রহ্মবাদের মূল্যবান বার্তা— ব্রহ্মের যেন একা একা ভাল লাগছিল না। তিনি সৃষ্টির রসাস্বাদনের জন্যে দ্বিতীয় হতে চাইলেন, অর্থাৎ নিজেকেই জগত্রূপে সৃষ্টি করলেন। রবীন্দ্রনাথের কবিতায় কত সহজে ধরা পড়েছে উপনিষদ-উপলব্ধ এই সত্য—

    যে ভাবে পরম-এক আনন্দে উত্সুক

    আপনারে দুই করি লভিছেন সুখ,

    দুয়ের মিলনঘাতে বিচিত্র বেদনা

    নিত্য বর্ণ, গন্ধ, গীত, করিছে রচনা।

    বিশ্বসৃষ্টিরহস্য প্রসঙ্গে উপনিষদের বাণী কি শুধুই দার্শনিক বা কবির কল্পনা? বিস্মিত হবেন যদি বলি, না, আজকের বিজ্ঞান সৃষ্টিরহস্যের এই সমাধানকে প্রায় সমর্থনও করছে।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    সংহিতা
    বৈজ্ঞানিক
    বৃহদারণ্যকোপনিষদ
    বিজ্ঞান
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বইয়ের
    বাংলা ই-বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

     

    একটা রূপকের কথা ভাবা যেতে পারে এখানে। ধরা যাক কেউ একটা পার্টি দিয়েছে। কিন্তু সেই পার্টিতে কেউ এল না।

    প্রথম প্রশ্ন— কে দিয়েছে এই পার্টি? দ্বিতীয় প্রশ্ন, কেউ যদি না আসে তা হলে কি পার্টি বলা যাবে? তৃতীয় প্রশ্ন, সেটা কেমন পার্টি যে-পার্টিতে অতিথিরা দেখতেই পেল না যে নেমন্তন্ন করেছে তাকে!

    এবার এই গল্পে পার্টির জায়গায় নিয়ে আসুন মহাবিশ্বকে। সৃষ্টি হল মহাবিশ্ব। অথচ সেটি দেখার জন্যে কেউ নেই সেখানে।

    এই ধারণা বা হেঁয়ালিটা কিন্তু হেসে উড়িয়ে দেওয়ার নয়। এই ধারণার একটা বৈজ্ঞানিক নাম আছে— উইক অ্যানথ্রোপিক কসমোলজিকাল প্রিন্সিপল। এই ভাবনার ভিতরে একটি ছোট্ট বার্তা আছে। বার্তাটি এই— আমাদের মহাবিশ্বের প্রাথমিক অবস্থা যা ছিল, তা না হয়ে যদি অন্যরকম হত, তা হলে মহাবিশ্বকে দেখার জন্যে কেউ আমরা এখানে উপস্থিত হতে পারতাম না!

    অর্থাৎ মহাবিশ্বের একেবারে প্রাথমিক অবস্থার মধ্যেই এই ভবিষ্যৎ-প্রতিশ্রুতি ছিল যে সেখানে একদিন, বহুযুগ পেরিয়ে, আমাদের মতো বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন প্রাণীর আবির্ভাব হবে!

     

    আরও দেখুন
    বৈজ্ঞানিক
    বিজ্ঞানের
    সংহিতা
    বৃহদারণ্যকোপনিষদ
    বিজ্ঞান
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ই-বই
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

     

    পদার্থবিজ্ঞানী ফ্রিম্যান ডাইসন বলেছেন, The universe in some sense must have known that we were coming— আমরা যে একদিন আসছি বিশ্ব কোনওভাবে সেকথা জানত।

    জন হুইলারের মতো আজকের কিছু বিজ্ঞানী উপনিষদের ঋষির মতোই বলছেন, এই মহাবিশ্ব সম্পূর্ণ নয় আমাদের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ ছাড়া। রবীন্দ্রনাথের গানে প্রকাশিত হল সেই ঔপনিষদিক উপলব্ধি—

    বিশ্বসাথে যোগে যেথায় বিহারো

    সেইখানে যোগ তোমার সাথে আমারও।

    ব্রহ্মের এই বহুপ্রকাশকে উপনিষদ বর্ণনা করল ‘মধুময়’ বলে। রবীন্দ্রনাথ ব্রহ্মের এই মধুময়, আনন্দস্বরূপ প্রকাশকেই বললেন ‘অরূপের কত রূপদরশন, অমৃতের কত রসবরষণ।’

    কিন্তু ব্রহ্মের এই ‘মধুময়’ প্রকাশকেই ‘মায়াময়’ বলে বর্ণনা করলেন শংকরাচার্য আজ থেকে হাজার বছর আগে, নবম শতাব্দীতে। বললেন, ‘ব্রহ্ম সত্য, জগৎ মিথ্যা।’ উপনিষদের নতুন ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি জন্ম দিলেন মায়াবাদের। শংকরাচার্যের অদ্বৈতবাদের আর একটি নাম মায়াবাদ।

     

    আরও দেখুন
    সংহিতা
    বিজ্ঞান
    বৈজ্ঞানিক
    বিজ্ঞানের
    বৃহদারণ্যকোপনিষদ
    PDF
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    গ্রন্থাগার
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ

     

    তিনি অবশ্যই ছিলেন মহাপণ্ডিত। বেদ ও উপনিষদে প্রাজ্ঞ। কিন্তু তিনি প্রচার করলেন সারা ভারত জুড়ে এমন একটি বাণী— ব্রহ্ম সত্য, জগৎ মিথ্যা— যা সম্ভবত ভারতের সভ্যতার ইতিহাসকেই পিছিয়ে দিল হাজার বছর, আমাদের কর্মসংস্কৃতিকেই শিথিল করে দিল। জগৎকে মায়া ও মিথ্যা জ্ঞান করে আমরা কর্মবিমুখ হয়ে উঠলাম।

    কেন তিনি ব্রহ্মের ‘মধুময়’ প্রকাশকে ‘মায়া’ বললেন? আমার মনে হয় তাঁর মতো মেধাবী শাস্ত্রবিদ, দার্শনিকও দ্বন্দ্বে পড়েছিলেন বিশ্বের সৃষ্টিরহস্য প্রসঙ্গে। তিনি বিশ্বকে একমেবাদ্বিতীয়ম্ ব্রহ্মের প্রকাশ হিসেবেই দেখেছিলেন।

    কিন্তু সেই ব্রহ্মের বহুরূপকে গ্রহণ করতে গিয়ে তিনি দ্বিধায় পড়ে বললেন, আমরা ভুল করে ব্রহ্মকে বহু আকারে দেখছি। এই দেখা মিথ্যা। এই সবই মায়া। এই মায়াময় জগৎকে ত্যাগ করে এক এবং অদ্বিতীয় ব্রহ্মকেই সত্য বলে মেনে নিতে হবে।

    উপনিষদ বলল, ব্রহ্মের মধুময় প্রকাশ ব্রহ্মেরই মতো সত্য। শংকরাচার্য বললেন, ব্রহ্মের মায়াময় প্রকাশ মিথ্যা। তিনি আক্ষরিক অর্থে ব্রহ্মকে এক এবং অদ্বিতীয় মনে করে বলতে চেয়েছিলেন ব্রহ্ম কোনও অবস্থাতেই বহু হন না। অর্থাৎ এই জগৎ, যাকে আমরা ব্রহ্মের বহুরূপ ভাবছি, তা ভাবছি মায়ার ছলনায়। বিশ্বের মধ্যে আমরা ব্রহ্মের যে বহু সত্তা দেখছি, বহু রূপে প্রকাশ দেখছি, তা সম্পূর্ণ ভুল দেখা। আমরা জগতের মায়ার ফাঁদে পড়ে এই ভুলটা করছি। অতএব ব্রহ্মকে উপলব্ধি করতে, একমাত্র সত্য বলে মেনে নিতে আমাদের জগৎকে মিথ্যা বলে ত্যাগ করতে হবে।

     

    আরও দেখুন
    বৃহদারণ্যকোপনিষদ
    সংহিতা
    বিজ্ঞান
    বৈজ্ঞানিক
    বিজ্ঞানের
    Books
    PDF
    বাংলা গল্প
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বিনামূল্যে বই

     

    শংকরাচার্য অত বড় পণ্ডিত ও জ্ঞানী হয়েও ব্রহ্মের মূর্ত রূপকে সত্য বলে মেনে নিতে পারেননি। তাঁর কাছে ব্রহ্মের অমূর্ত রূপই একমাত্র সত্য। অথচ উপনিষদ ব্রহ্মের দুই রূপ, অমূর্ত ও মূর্ত, মর্ত্য ও অমৃত, স্থিতিশীল ও গতিশীল, সত্তাশীল ও অব্যক্ত বলে গ্রহণ করেছে গভীর বিশ্বাসের সঙ্গে।৪ উপনিষদের এই মন্ত্রকেই হৃদয়ে গ্রহণ করে শংকরাচার্যের হাজার বছর পরে রবীন্দ্রনাথ রূপসাগরেই ডুব দিলেন অরূপ রতন আশা করে।

    পুরানো সেই দিনের কথা শেষ করার আগে একটি কথা না বলে উপায় নেই।

    শংকরাচার্য নিজে ছিলেন সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী। তিনি জগৎকে মিথ্যা বলে সন্ন্যাসের পথে সর্বত্যাগী হয়ে চলে যেতেই পারেন।

    কিন্তু সারা ভারতকে সেই পথে যেতে উপদেশ দিয়ে তিনি ভারতের মঙ্গল করেছিলেন কি? সমস্ত বিশ্ব যদি সন্ন্যাসের পথে যায়, জগৎকে মিথ্যা জ্ঞান করে, তা হলে তো সৃষ্টির উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হয়। তা হলে বিজ্ঞানপ্রমাণিত প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছরের এই বিবর্তনের কী প্রয়োজন ছিল?

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    বৈজ্ঞানিক
    সংহিতা
    বিজ্ঞান
    বৃহদারণ্যকোপনিষদ
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বুক শেল্ফ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ইসলামিক বই

     

    অথচ তাঁর এই ‘স্লোগান’ ‘ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা’ হাজার বছর ধরে ভারতের সমবেত চেতনায় গেঁথে আছে।

    ‘জগৎ মিথ্যা’ এই ধারণা থেকে এবার আমাদের সমবেতভাবে বেরোতেই হবে। ফিরে আসতে হবে কর্মের পথে। আমাদের নতুন ‘স্লোগান’ যেন হয় ‘ব্রহ্ম সত্য জগৎ সত্য’। আজকের বিজ্ঞানেরও একই মত।

    .

    ১. একো বশী সর্বভূতান্তরাত্মা একং রূপং বহুধা যঃ করোতি। কঠোপনিষদে এই মন্ত্রটির আক্ষরিক অর্থ হল, একই ব্ৰহ্ম বিভিন্ন রূপ ধারণ করে বিভিন্ন বস্তুর মধ্যে যোগসূত্র হিসেবে জগতের সমস্ত কিছুতে প্রচ্ছন্নভাবে নিহিত।

    ২. সর্বং খল্বিদং ব্রহ্ম তজ্জলানিতি: ছান্দোগ্য উপনিষদ— ৩।১৪।১

    ৩. স বৈ নৈব রেমে। স দ্বিতীয়মৈচ্ছ। বৃহদারণ্যক— ৬।৩।৬

    ৪. দ্বে বাব ব্ৰহ্মণো রূপে মূর্তং চৈবামূর্তং চঃ। (বৃহদারণ্যক ২।৩।১)

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাইকো ২ – রবার্ট ব্লক
    Next Article হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প – মণি ভৌমিক

    Related Articles

    মণি ভৌমিক

    হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প – মণি ভৌমিক

    November 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }