Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ব্রহ্ম সত্য জগৎ সত্য : উপনিষদ বিজ্ঞান রবীন্দ্রনাথ – ড. মণি ভৌমিক

    মণি ভৌমিক এক পাতা গল্প142 Mins Read0
    ⤶

    শেষ কথা / কৃতজ্ঞতাস্বীকার

    শেষ কথা

    সান্টা মনিকায় আমার ষোলো তলার শান্তিনীড়ে বসে লিখছি এই বইয়ের শেষ ক’টি পাতা। আমার পশ্চিমাস্য বারান্দার সামনে প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে এইমাত্র ডুবে গেছে সূর্য। সারা আকাশ জুড়ে, মেঘের স্তরে স্তরে, ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে এই বিপুল সাগরের ওপর মহান সূর্যাস্তের উত্তরদীপ্তি। প্রশান্ত মহাসাগরের সূর্যাস্ত এই জগতের এক জাদুবাস্তব। চোখে না দেখলে বিশ্বাস হয় না। চোখে দেখলে মনে পড়ে রবীন্দ্রনাথের লাইন— এ কী মায়া লুকাও কায়া! সঙ্গেই মনে পড়ে রবীন্দ্রনাথের আর একটি কথা— এ জগৎ স্বপ্ন নয়। সত্যিই তো আমার চোখের সামনে ঘটছে এই সূর্যাস্ত। প্রতিদিন ঘটে। এক-এক দিন তার এক-এক রূপ। সূর্য ডুবে যাওয়ার অনেক পরেও মেঘের গায়ে বিছিয়ে থাকে তার বিদায়বেলার বর্ণ। বদলে বদলে যায় সেই বর্ণের বুনন। ক্রমশ যেন সেই অনির্বচনীয় আলোর বিদায়বার্তা মিলিয়ে যায় আসন্ন রাত্রির আঁধারে। অনন্তকাল ধরে চলেছে এই রূপের হাট। সমুদ্রের নিরন্তর বিস্তৃতি, তার সৈকতে তরঙ্গের অন্তহীন কল্লোল, আমাকে এনে দেয় মহাকালের প্রতিভাস। শেষ নাহি যে, শেষ কথা কে বলবে।

    ওই সূর্যাস্তের দিকে তাকিয়ে মনে হচ্ছে আরও এক কথা। যেন সত্যের অন্য মুখ দেখতে পাচ্ছি। এই মুহূর্তে যদি আমি এখানে না থাকতাম, যদি আমরা কেউ না আসতাম এই জগতে, যদি চেতনার কোনও অস্তিত্ব না থাকত এই মহাবিশ্বে, কী হত পশ্চিম আকাশে ছড়িয়ে যাওয়া এই অলৌকিক রূপবন্যার? এই রূপকে আমি আমার চোখ দিয়ে অন্তরে গ্রহণ করছি। এই রূপের বাণী যেন আমি আমার মনে-প্রাণে শুনতে পাচ্ছি। এই রূপ অনেক দূরের আকাশের তবু কী গহনভাবে স্পর্শময়! আমার পাঁচটি ইন্দ্রিয়ই যেন এক সুরে আমাকে বলছে, তাকিয়ে থাকো ওই আকাশের দিকে, উপভোগ করো ওই রূপ। আমার হৃদয় গেয়ে উঠছে রবীন্দ্রনাথের গান:

    গগনে গগনে আপনার মনে কী খেলা তব।
    তুমি কত বেশে নিমেষে নিমেষে নিতুই নব॥

    জটার গভীরে লুকালে রবিরে, ছায়াপটে আঁকো এ কোন্ ছবি রে।

    মেঘমল্লারে কী বল আমারে কেমনে কব॥

    সত্যিই, মেঘমল্লারের গায়েই যেন ঘটছে এই সূর্যাস্ত। যেন সত্যিই তার অন্তরে বহু কোটি বছর ধরে লুকিয়ে আছে এক গভীর বাণী। এই সূর্যাস্ত আমাদের বলতে চায়, তারও যে বড় প্রয়োজন আমাদের। তার ভাষার হয়তো সবটুকু আমরা বুঝি না— ‘মেঘমল্লারে কী বল আমারে কেমনে কব!’ কিন্তু তবু সেই ক্রমে আবছা হয়ে আসা সোনালি আলোর দিকে তাকিয়ে মনে হচ্ছে, ‘সে সোনার আলো শ্যামলে মিলালো,… লুকালে ছায়ায় মেঘের মায়ায় কী বৈভব।’ ওই ‘বৈভব’ শব্দটিই অন্তরশব্দ।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কবিতা
    গ্রন্থাগার সেবা
    সাহিত্য পত্রিকা
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা লাইব্রেরী
    বইয়ের
    সেবা প্রকাশনীর বই
    PDF
    বাংলা শিশু সাহিত্য

     

    সারা জগৎ জুড়ে এই যে বর্ণ-গন্ধ-রূপের খেলা চলছে, এই যে চারিদিকে এমন অফুরন্ত ঐশ্বর্যের মেলা— কেন সৃষ্টি হল এই অনন্ত বৈভব? এই বৈভবের হৃদয়ে লুকিয়ে আছে কোন বীজমন্ত্র? জগতে ছড়িয়ে থাকা রূপবৈভবের অন্তরের বাণীটির ব্যাখ্যা করেছেন রবীন্দ্রনাথ ‘শান্তিনিকেতন’ গ্রন্থের ‘দেখা’ প্রবন্ধে—

    ‘আলোক তাই প্রত্যহই আমাদের চক্ষুকে নিদ্রালসতা থেকে ধৌত করে দিয়ে বলছে, তুমি স্পষ্ট করে দেখো, তুমি নির্মল হয়ে দেখো, পদ্ম যেরকম সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হয়ে সূর্যকে দেখে তেমনি করে দেখো। কাকে দেখবে? তাঁকে, যাঁকে ধ্যানে দেখা যায়? না তাঁকে না, যাঁকে চোখে দেখা যায় তাঁকেই। সেই রূপের নিকেতনকে যাঁর থেকে গণনাতীত রূপের ধারা অনন্তকাল থেকে ঝরে পড়ছে। চারি দিকেই রূপ— কেবলই এক রূপ থেকে আর এক রূপের খেলা; কোথাও তার আর শেষ পাওয়া যায় না— দেখেও পাই নে, ভেবেও পাই নে। রূপের ঝরনা দিকে দিকে থেকে কেবলই প্রতিহত হয়ে সেই অনন্তরূপসাগরে গিয়ে ঝাঁপ দিয়ে পড়ছে। সেই অপরূপ অনন্তরূপকে তাঁর রূপের লীলার মধ্যেই যখন দেখব তখন পৃথিবীর আলোকে একদিন আমাদের চোখ মেলা সার্থক হবে, আমাদের প্রতিদিনকার আলোকের অভিষেক চরিতার্থ হবে।’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বইয়ের
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা ই-বই
    বাংলা সাহিত্য

     

    অর্থাৎ জগতের বৈভব থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বলছেন না রবীন্দ্রনাথ। বলছেন না মহাবিশ্বের এই রূপ মায়া, বলছেন না জগৎকে ত্যাগ করে আমাদের ব্রহ্মকে পেতে হবে। বরং ঠিক উলটো কথাই লিখছেন তিনি ‘শান্তিনিকেতন’ গ্রন্থে ‘সৌন্দর্য’ প্রবন্ধে। রবীন্দ্রনাথ বলছেন ব্রহ্ম সত্য, কিন্তু জগৎ নয় মিথ্যা।

    ‘তাঁর সত্যকে আমরা স্বীকার করতে বাধ্য। সত্যকে এতটুকুমাত্র স্বীকার না করলে আমাদের নিষ্কৃতি নেই। সুতরাং, অমোঘ সত্যকে আমরা জলে স্থলে আকাশে সর্বত্র দেখতে পাচ্ছি।

    কিন্তু, তিনি তো শুধু সত্য নন, তিনি ‘আনন্দরূপমমৃতং’। তিনি আনন্দরূপ, অমৃতরূপ। সেই তাঁর আনন্দরূপকে দেখছি কোথায়?’

    দেখছি সেই আনন্দরূপের প্রকাশ সারা বিশ্বে। সত্যকে জানতে সেই আনন্দরূপকেও উপভোগ করতে হবে, মায়া বলে ত্যাগ করলে ভুল হবে।

    এই লেখার শুরুতেই বলেছি, মেঘমল্লারের গায়ে এই যে সূর্যাস্ত, যেন সত্যিই তার অন্তরে লুকিয়ে আছে এক গভীর বাণী। এই সূর্যাস্ত কিছু চায় আমাদের কাছে, মহাবিশ্বের সমস্ত প্রকাশই কিছু চায় আমাদের কাছে। সেই প্রকাশ সম্পূর্ণ নয় আমরা ছাড়া। আমরা যে তাকে দেখছি, এই দেখার প্রয়োজন আছেই তার কাছে। আমাদের উপভোগ ছাড়া, অংশগ্রহণ ছাড়া মহাবিশ্বের প্রকাশ অর্থহীন। লিখছেন রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘সৌন্দর্য’ প্রবন্ধে—

     

    আরও দেখুন
    বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা কবিতা
    Library
    বাংলা গল্প
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা ভাষা
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বিনামূল্যে বই

     

    ‘…এই যে অপরূপ রহস্যময় সৌন্দর্যের আয়োজন, এ আমাদের কাছে কোনো মাসুল কোনো খাজনা আদায় করে না, এ আমাদের স্বাধীন ইচ্ছাকে চায়— বলে, আমাতে তোমাতে আনন্দ হোক; তুমি স্বত আমাকে গ্রহণ করো।’

    মহাবিশ্বের অন্তর থেকে যেন একটি প্রেমের বাণী উৎসারিত হয়ে উঠছে। যিনি এক এবং অদ্বিতীয়, সেই আদিসত্তা বহু হয়েছেন নানা রূপে, বিচিত্র বর্ণে— এই মহাজগৎ যেন আমাদের প্রতি সেই আদিসত্তারই প্রেমের প্রকাশ— এই ভাবটিই গান হয়ে উঠেছে রবীন্দ্রনাথের ভাষায়—

    এই-যে তোমার প্রেম, ওগো হৃদয়হরণ,

    এই-যে পাতায় আলো নাচে সোনার বরন॥

    এই-যে মধুর আলসভরে মেঘ ভেসে যায় আকাশ’পরে,

    এই-যে বাতাস দেহে করে অমৃতক্ষরণ॥

     

    আরও দেখুন
    Library
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    অনলাইন বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা কবিতা
    Books
    বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ভাষা

     

    প্রভাত-আলোর ধারায় আমার নয়ন ভেসেছে,

    এই তোমারি প্রেমের বাণী প্রাণে এসেছে।

    এই মহাবিশ্ব সেই একমেবাদ্বিতীয়মের প্রকাশ। সেই আদি ‘এক’-কে সত্য বলে স্বীকার করলে, তার বিচিত্র প্রকাশকে মায়া ও মিথ্যা বলব কোন উপায়ে? সে-কথা রবীন্দ্রনাথ কত সহজে বলতে পারলেন—

    তোমারি মধুর রূপে ভরেছ ভুবন—

    মুগ্ধ নয়ন মম, পুলকিত মোহিত মন॥

    বিজ্ঞানের এক বিস্ময়কর নতুন আবিষ্কার হয়তো এখনও অনেকের জানার সুযোগ হয়নি। তাই আবার মনে করিয়ে দিচ্ছি একই উৎস থেকে যে সমগ্র বিশ্বজগৎ উৎসারিত— এ-শুধু উপনিষদের ধ্যানলব্ধ উচ্চারণ নয়, এ-কথা বিজ্ঞানপ্রমাণিত দৃঢ় সত্য। তা হলে সেই সত্যকে স্বীকার করে, সত্যের প্রকাশকে মিথ্যা বলব কেমন করে? আমরা দেখেছি কীভাবে বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে, সমস্ত মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে চিরন্তন অমূর্ত কোয়ান্টাম ক্ষেত্র থেকে। সমস্ত ক্ষেত্রের মূর্ত রূপকেই বলা যেতে পারে মহাবিশ্বের সৃষ্টির নিত্য খেলা। এই মূর্ত আর অমূর্ত্য সত্য পরস্পরের সঙ্গে ওতপ্রোত, অবিচ্ছিন্ন। বিজ্ঞানের চোখে তাই স্রষ্টা ও সৃষ্টি দুই-ই সমানভাবে সত্য।

     

    আরও দেখুন
    ই-বই ডাউনলোড
    পিডিএফ
    সাহিত্য পত্রিকা
    Books
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা কমিকস
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    সেবা প্রকাশনীর বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার

     

    তবে একটি কথা এখানে মনে রাখতে হবে— আমি যখন বলছি এক এবং অদ্বিতীয় আদিসত্তা যে বহু হয়ে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য অস্তিত্ব রূপে প্রকাশিত এবং সেই রূপ, সেই সৌন্দর্য, সেই বৈভব আমাদের উপভোগ করা উচিত, কারণ আমাদের ভোগের জন্যেই জগৎ সৃষ্টি হয়েছে— এ জগৎ ব্রহ্মের মতোই সত্য— তখন কিন্তু আমি ভোগবাদের প্রচার করছি না। আমি কোনওমতেই বলছি না আর সব কিছু ভুলে ভোগই জীবনের আদর্শ।

    মহাবিশ্বকে এবং জীবনকে উপভোগ করার প্রসঙ্গে উপনিষদের বীজমন্ত্রটি আরও একবার স্মরণ করছি। রবীন্দ্রনাথ এই মন্ত্রটি সম্পর্কেই বলছেন— ‘উপনিষদে একটি সংকেত আছে— ত্যক্তেন ভুঞ্জীথাঃ, ত্যাগের দ্বারাই লাভ করো, ভোগ করো। মা গৃধঃ, লোভ কোরো না।’ ‘ত্যক্তেন ভুঞ্জীথা’: অর্থাৎ ত্যাগের দ্বারা ভোগ— তার মানে কী? রবীন্দ্রনাথ ওই একই প্রবন্ধে (বিশ্ববোধ: শান্তিনিকেতন) দুটি মাত্র শব্দে ব্যাখ্যা করেছেন— ‘বীতরাগ হওয়া।’ অর্থাৎ ভোগের মধ্যেও আমাদের অনাসক্ত থাকতে হবে। যা আমার নয় তা লোভ করলে হবে না। অলোভী হতে হবে। জড়িয়ে পড়লে হবে না। নিরাসক্ত হতে হবে। লোভী হলেই সর্বনাশ। আসক্ত হলেই দুঃখ। ভোগ করো, মহাবিশ্বের ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য সৌন্দর্যকে উপভোগ করো, কিন্তু কোনও কিছুর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে দুঃখ পেয়ো না। জড়িয়ে না-পড়া, আসক্ত না-হওয়া, লোভ না-করা— এই সবই হল ত্যাগ। এই সব ত্যাগের মধ্যে ভোগ করো— এই হল উপনিষদের বীজমন্ত্র। ত্যাগ মানে জগৎকে মিথ্যা বলেই ত্যাগ করা নয়।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    Library
    বাংলা অডিওবুক
    অনলাইন বুক
    PDF
    ই-বই ডাউনলোড
    পিডিএফ
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

     

    এবার আসা যাক চেতনার সারাংশের প্রসঙ্গে। উপনিষদ বলছে, বিশ্বের আদিসত্তার মধ্যেই আছে চেতনা, তাই আদিসত্তা বা সৃষ্টির উৎস যেমন ছড়িয়ে আছে সমস্ত সৃষ্টির মধ্যে, তেমনি ছড়িয়ে আছে চেতনাও। ব্রহ্ম বা সেই আদিসত্তা সচেতনভাবে বহু হতে চেয়েছিলেন— তাই সৃষ্টি হল মহাবিশ্ব, তাঁরই প্রকাশ ঘটল বহুরূপে। এ-কথা উপলব্ধি উপনিষদের। কেন বহু হতে চাইলেন ব্রহ্ম? সৃষ্টির রস-উপলব্ধির জন্য। আদিতে তিনি ছিলেন একক সত্তা। সৃষ্টির মধ্যে তিনিই হলেন বহু সত্তা। সেই একক-সত্তার মধ্যে যে চৈতন্য ছিল তাই পরিব্যাপ্ত হল বিশ্বজুড়ে সৃষ্টির বুননে। রবীন্দ্রনাথ বিশ্বচেতনা প্রসঙ্গে তাঁর নিজস্ব উপলব্ধির কথা বলেছেন অসামান্য ভাষায়। এই উদ্ধৃতি খুবই তাত্পর্যপূর্ণ বলে আগে ব্যবহার করেছি, এখনও করছি—

    ‘যে তেজোময় অমৃতময় আদিসত্তা সর্বানুভূ হয়ে আছেন তিনিই ব্রহ্ম। সর্বানুভূ, অর্থাৎ সমস্তই তিনি অনুভব করছেন… তিনি যে কেবল সমস্তের মধ্যে ব্যাপ্ত তা নয়, সমস্তই তাঁর অনুভূতির মধ্যে। সেই… অনুভূতি সমস্ত আকাশকে পূর্ণ করে সমস্ত জগৎকে সর্বত্র নিরতিশয় আচ্ছন্ন করে আছে। সমস্ত শরীরে মনে আমরা তাঁর অনুভূতির মধ্যে মগ্ন হয়ে রয়েছি।… গায়ত্রীমন্ত্রে এই বোধকেই ভারতবর্ষ প্রত্যহ ধ্যানের দ্বারা চর্চা করেছে; এই বোধের উদ্‌বোধনের জন্যেই উপনিষৎ সর্বভূতকে আত্মায় ও আত্মাকে সর্বভূতে উপলব্ধি করে ঘৃণা পরিহারের উপদেশ দিয়েছেন…’

     

    আরও দেখুন
    Books
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    সেবা প্রকাশনীর বই

     

    উপনিষদের মতো রবীন্দ্রনাথও বিশ্বাস করেন, সারা মহাবিশ্বজুড়ে রয়েছে চেতনার উপস্থিতি। সর্ব বস্তুতে আদিসত্তার চেতনাও বিদ্যমান।

    উপনিষদের মতো, রবীন্দ্রনাথের মতো এবং এ-যুগের কিছু বিশিষ্ট বিজ্ঞানীদের মতো আমি বিশ্বাস করি মহাবিশ্বের বুননের মধ্যেই পরিকীর্ণ হয়ে আছে চেতনা। চেতনার অবদান ছাড়া এমন সুন্দর, সুসংগত, বোধগম্য, সুচারু এক মহাবিশ্ব তৈরি হতে পারত না। চেতনার উৎস এবং মহাবিশ্বের আদি-উৎস যে একই— তাও আমার বিশ্বাস। শুধু আমার নয়। কোয়ান্টাম তথ্যবিদ শ্রোডিঙ্গারের মতো আরও অনেক বিজ্ঞানীর মনেই এই বিশ্বাস দৃঢ় হয়েছে। বিখ্যাত গণিতবিদ রজার পেনরোজ় বলেছেন, ‘চেতনা হচ্ছে মহাবিশ্বের এক অংশ। সুতরাং যে-কোনও থিয়োরি যার মধ্যে চেতনার কোনও জায়গা নেই, সেই থিয়োরির পক্ষে মহাবিশ্বের যথাযথ বর্ণনায় পৌঁছোনো মূলত সম্ভব নয়।’

    আমরা জানি এক অতি ক্ষুদ্র বিন্দু থেকে বহুর উৎপত্তি, কারণ এক বহু হতে চাইল। এ-কথা উপনিষদের। ওই অতি ক্ষুদ্র কোষ থেকে মহাবিশ্ব শুরু হতে পারত অসংখ্যভাবে। কিন্তু তা হল না। তার কারণ এই মহাবিশ্বসৃষ্টির অপরিহার্য শর্তই যেন ছিল একদিন এই বিশ্বে ধীশক্তিসম্পন্ন প্রাণীর আবির্ভাব। সেই মতবাদ অ্যানথ্রোপিক প্রিন্সিপলের। পুনরায় বলছি, ভুবনবিখ্যাত চিন্তাবিদ পদার্থবিজ্ঞানী জন হুইলার তাঁর ‘অ্যাট হোম ইন দ্য ইউনিভার্স’ গ্রন্থে লিখেছেন ‘মহাবিশ্বের জন্মে অবশ্যই অংশগ্রহণ করেছে মহাবিশ্বের এই দর্শক।’ কে এই মহাবিশ্বের দর্শক? সেই দর্শক হল চেতনা! তাই বিশ্বাস করা যায় না কি যে এ-বিশ্ব চেতনা ছাড়া হত না উৎসারিত?

     

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    অনলাইন বুক
    Library
    বাংলা সাহিত্য
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    অনলাইন গ্রন্থাগার

     

    সৃষ্টির শুরু থেকেই মহাবিশ্বের বুননের সঙ্গে নিহিত ও পরিব্যাপ্ত এই চেতনা। আমরা, ধীশক্তিসম্পন্ন প্রাণীরা, সেই নিহিত চেতনার প্রকাশ মাধ্যম। একই চেতনাপ্রবাহের সূত্রে আমরা এক হয়ে রয়েছি, বিধৃত রয়েছি সেই আদিসত্তার সঙ্গে। আমরা বিচ্ছিন্ন নই। আমরা একই চেতনার আত্মীয়তায় আবদ্ধ। আমাদের চেতনার উৎস সেই আদিসত্তার চেতনা। এই বিশ্বাস উপনিষদ থেকে যেন নিয়ে এসে আমাদের মধ্যে বিতরণ করেছেন রবীন্দ্রনাথ। আদিসত্তা সচেতনভাবেই আমাদের মধ্যে পাঠাচ্ছেন তাঁর অন্তর-উৎসারিত বিশুদ্ধ আনন্দ। কারণ আমাদের সচেতন অংশগ্রহণ, উপভোগ ছাড়া যে তাঁর এই সৃষ্টি সম্পূর্ণ নয়। রবীন্দ্রনাথ লিখছেন—

    তাই তোমার আনন্দ আমার ’পর

    তুমি তাই এসেছ নীচে—

    আমায় নইলে, ত্রিভুবনেশ্বর,

    তোমার প্রেম হত যে মিছে॥

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বিনামূল্যে বই

     

    আদিসত্তারই সচেতন ইচ্ছা তরঙ্গ তুলছে আমাদের জীবনে বিচিত্ররূপে,

    মোর জীবনে বিচিত্ররূপ ধরে

    তোমার ইচ্ছা তরঙ্গিছে॥

    সেই আদিচেতনা বা সত্তাকেই রবীন্দ্রনাথ বলেছেন রাজার রাজা। সেই রাজার রাজাও চাইছেন আমাদের প্রেম, আমাদের সচেতন স্বীকৃতি। ব্রহ্মের এই যে মনোহরণ রূপ, এই যে বিচিত্র প্রকাশ, সে তো আমাদেরই প্রেমের জন্যে। এই সৃষ্টির পূর্ণ রূপটি প্রকাশ পায় আদিসত্তার সঙ্গে আমাদের যুগলসম্মিলনে—

    তাই তো তুমি রাজার রাজা হয়ে

    তবু আমার হৃদয় লাগি

    ফিরছ কত মনোহরণ বেশে,

     

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা উপন্যাস
    Books
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ইসলামিক বই
    পিডিএফ
    বাংলা ভাষা
    বাংলা গল্প

     

    প্রভু, নিত্য আছ জাগি।

    তাই তো, প্রভু যেথায় এল নেমে

    তোমারি প্রেম ভক্ত প্রাণের প্রেমে

    মূর্তি তোমার যুগলসম্মিলনে সেথায় পূর্ণ প্রকাশিছে॥

    ব্রহ্মের এই প্রকাশ উপনিষদের বর্ণনায় ‘মধুময়’। আনন্দরূপে আদিসত্তার আত্মপ্রকাশ— এই উপলব্ধি উপনিষদের। রবীন্দ্রনাথ সেই আনন্দরূপকে মিথ্যা বা মায়া বলে ত্যাগ না করে অমৃত বলে স্বাগত জানালেন। বললেন যুগে যুগে তিনি মুগ্ধ হয়েছেন অরূপের রূপদর্শনে, অমৃতের রসবরষনে।

    আমারও প্রার্থনা, যেন একদিন উপনিষদের জ্ঞানলব্ধ উপলব্ধির আলোয়, রবীন্দ্রনাথের প্রজ্ঞালব্ধ মননের আলোয়, আর বিজ্ঞানের সন্ধানলব্ধ আবিষ্কারের আলোয় দাঁড়িয়ে আমরা সবাই বলতে পারি, ‘বেদাহং’। অর্থাৎ আমি জেনেছি আমি পেয়েছি।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    পিডিএফ
    বাংলা গল্প
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

     

    কী জেনেছি?

    ব্রহ্মকে, সেই আদিসত্তা, সৃষ্টির সেই উৎসকে।

    কী পেয়েছি?

    সত্যকে— সেই সত্য এই, ব্রহ্ম সত্য জগৎ সত্য।

    সেই আদিসত্তার কাছে ভুবনজুড়ে আমাদের সমবেত প্রার্থনা যেন আবার রবীন্দ্রনাথের ভাষাতেই আমাদের হৃদয় থেকে উৎসারিত হয়—

    ‘…দাও আমাকে রসে ভরে দাও;… তোমার যে রস হাটবাজারে কেনবার নয়, রাজভাণ্ডারে কুলুপ দিয়ে রাখবার নয়, যা আপনার অন্তহীন প্রাচুর্যে আপনাকে আর ধরে রাখতে পারছে না, চার দিকে ছড়াছড়ি যাচ্ছে… সেই তোমার নিখিল রসের নিবিড় সমষ্টিরূপ যে অমৃত তারই একটু কণা আমার হৃদয়ের মাঝখানটিতে একবার ছুঁইয়ে দাও।…তিনিই রস, যা কিছু আনন্দ সে এই রসকে পেয়েই।’

    সূর্য প্রায় অস্ত গেছে। আকাশে আঁধার নামছে। তবু তার গায়ে ফুটে আছে আবিরের আভা। এ যেন অসীমের গায়ে আদিসত্তার বাণী। এই বাণী মনের মধ্যে গেঁথে দিচ্ছে, এই যে দিগন্তভরা সৌন্দর্য, এই যে মহান সূর্যাস্ত, এই যে রসের প্লাবন— সব কিছু সেই আদিসত্তারই প্রকাশ। বায়ু মধু বহন করছে। নদী আর সমুদ্র মধু ক্ষরণ করছে। মধুময় বনস্পতি। মধুময় ঊষা। মধুময় রাত্রি। মধুময় পৃথিবীর ধূলি। মধুময় সূর্য। উপনিষদের বার্তায়: বায়ু মধু বহন করছে। নদী আর সমুদ্র মধু ক্ষরণ করছে। মধুময় বনস্পতি। মধুময় ঊষা। মধুময় রাত্রি। মধুময় পৃথিবীর ধূলি। মধুমান সূর্য।

    মনে রাখবেন, এই প্রকাশকে, এই জগৎকে মিথ্যা বলছে না বিজ্ঞান, মিথ্যা বলছে না উপনিষদ, মিথ্যা বলছেন না রবীন্দ্রনাথ।

    তাই মায়াবাদ যেন চিরদিনের জন্যে শেষ হয়। যেন কুহেলিকা দূর হয়। যেন আবরণ সরে যায়। যেন আঁধার কেটে যায়।

    অপাবৃণু, হে জগৎ তুমি প্রকাশিত হও। খুলে ফেলো আবরণ। উন্মোচিত হোক তোমার অন্তরের সত্য। সরে যাক পরদা।

    আঁধার ভেদ করে ফুটে উঠুক সত্যের আলো।

    উপনিষদের বীজমন্ত্রটি জেগে উঠুক আমাদের হৃদয়ে। বিজ্ঞানের সত্যে গাঢ় হোক আমাদের বিশ্বাস। রবীন্দ্রনাথের বিশ্ববোধ প্রাণিত করুক আমাদের সমবেত চেতনাকে।

    ব্রহ্ম সত্য জগৎ সত্য

    একমেবাদ্বিতীয়ম্

    এখন আবার সেই মজার কথা বলি, এ-যুগের অনেকেই মনে করেন ব্রহ্ম মিথ্যা, কিন্তু জগৎ সত্য। এই ভুলটিও ‘ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা’র মতোই চরম ভুল। এই ভুলটা আধুনিক কর্মব্যস্ত জীবনে অনেকেই করছেন। তাঁরা মনে করছেন জাগতিক সাফল্যই জগতের একমাত্র উদ্দেশ্য। কাজ এবং কেরিয়ারের সেই চাপ ক্রমাগত নষ্ট করে মানসিক শান্তি, ফলে হয় শরীর ও মনের বিচিত্র অসুখ। তখন সেই চাপ আর ব্যস্ততার মধ্যে আমরা শান্তি চাই, আনন্দ চাই। রবীন্দ্রনাথ দেখান সেই শান্তির পথ—

    কর্ম যখন প্রবল আকার গরজি উঠিয়া ঢাকে চারি ধার

    হৃদয়প্রান্তে, হে জীবননাথ, শান্তচরণে এসো॥

    বিজ্ঞান বলছে, আমরা একই উৎস থেকে এসেছি। সেই উৎসও বিরাজমান সর্বত্র। সুতরাং আমরা যে-উৎস থেকে এসেছি সেই উৎসের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন সম্ভব হবে না কেন? বিজ্ঞান কিন্তু এখনও দেখাতে পারেনি কী পদ্ধতি বা উপায়ে সেই সংযোগ হতে পারে। প্রসংগত দলাই লামা নিউরো সায়েন্টিস্টদের চ্যালেঞ্জ করেছেন তাঁকে এমন একটি হেলমেট বা সেইরকম কোনও জিনিস দিতে যেটা তাঁকে নিয়ে যাবে সেই মানসিক অবস্থায় যা তিনি পান ধ্যানের পর। তিনি বলেছেন, যদি হেলমেট তাঁকে দিতে পারে সে-মানসিক অবস্থা তা হলে তিনি ধ্যান করে অত সময় নষ্ট করবেন কেন!

    জানি না বিজ্ঞানীরা এ রকম হেলমেট কোনওদিন তৈরি করতে পারবে কি না। জানি কিন্তু আমাদের বেদ-উপনিষদের ঋষিরা বহু যুগ ধরে অভিজ্ঞতা ও প্রচেষ্টার ফলে উৎসের সঙ্গে একাত্ম হওয়ার পদ্ধতির সন্ধান পেয়েছিলেন। সেই পদ্ধতিগুলির মধ্যে পড়ে যোগ ধ্যান প্রার্থনা পূজা কীর্তন ও সমবেত আরাধনা।

    উৎসের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের সব পদ্ধতির মধ্যে একটি সাধারণ সূত্র আছে। স্বভাবতই আমাদের মন বহুপথগামী। তাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন। তাই আমরা সবাই জানি এই গান ‘পাগলা মনটারে তুই বাঁধ।’ মনটাকে বাঁধতে কিছুর ওপর ‘ফোকাস’ করতে হয় মনকে। মনের নিয়ন্ত্রিত ফোকাস ছাড়া উৎসের সঙ্গে সংযোগ সম্ভব নয়। বারবার চেষ্টা করতে করতে আমাদের চেতনা হঠাৎ এক স্তর থেকে অন্য স্তরে ‘কোয়ান্টাম’ লাফ দিয়ে উত্তীর্ণ হয়। এই গভীর অভিজ্ঞতা আসে এক অপ্রত্যাশিত সহজ পথে। এই উপলব্ধি যাঁর না হয়েছে তাঁর কাছে এটা অবিশ্বাস্য বলে মনে হবে। কিন্তু এই উপলব্ধি যে মনের ভ্রম নয়, বাস্তব সত্য, তা বিজ্ঞাননির্ভর নানা পদ্ধতির সাহায্যে প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে— যেমন, ব্রেন-ইমেজিং, ব্রেন ওয়েভ স্ক্যানিং, স্কিন রেজিটেন্স, হার্টবিট কাউন্ট, রক্তের হরমোন লেভেল ও নিউরোট্রান্সমিটার সেরাটনিন লেভেলের পরীক্ষা। আমার সৌভাগ্য যে আমি উৎসের সঙ্গে এই একাত্মতাবোধে বারবার পৌঁছোতে পেরেছি। সারা বিশ্বে আমার অনেক পদার্থবিজ্ঞানী বন্ধুরাও পেরেছেন। পদার্থবিজ্ঞানে নোবেলজয়ী ব্রায়ান জোসেফসন কুণ্ঠাহীনভাবে বলতে দ্বিধা করেননি যে তিনি ভারতীয় পদ্ধতিতে রোজ ধ্যান করেন। ধ্যান থেকে তিনি যদি উপকৃত না হতেন তা হলে এমন কথা বলতেন কি? নেহরুর মতো অ্যাগনস্টিকও স্বীকার করেছেন যে এই উপলব্ধির বর্ণনা যেহেতু সারা বিশ্বে বিচিত্র সময়ে, বিচিত্র দেশে, বিচিত্র ধর্মে বিস্ময়করভাবে এক যে তার অস্তিত্ব অস্বীকার করার উপায় নেই। সুতরাং আমাদের জীবনকে উন্নততর করার জন্যে যেন এই অমূল্য সম্পদকে আমাদের জীবনে গ্রহণ করতে পারি। ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা, বা ব্রহ্ম মিথ্যা জগৎ সত্য, এই চরম ভ্রান্তিতে যেন জড়িয়ে না পড়ি।

    দেখা যাচ্ছে, পশ্চিম ভুবনে এবং পূর্ব পৃথিবীর একটি বড় অংশ জুড়ে কাজের জগৎটাই এত বড় হয়ে উঠছে, সেই পার্থিব ব্যস্ততা গ্রাস করে ফেলছে আমাদের অস্তিত্বের কেন্দ্রীয় সত্য ব্রহ্মকে। আর ভারতবর্ষে ‘জগৎ মিথ্যা’ প্রচারের ফলে ক্রমে গড়ে উঠেছে সেই জীবনদর্শন যার মধ্যে পার্থিব কাজ ক্রমশ বঞ্চিত হচ্ছে তার যথাযথ স্বীকৃতি থেকে। একদিকে আধ্যাত্মিকতার জগৎ, অন্যদিকে কাজের জগৎ— দুই-ই সমান সত্য, এ-কথা মনে রেখে আমাদের পৌঁছোতে হবে সুচারু ভারসাম্যে, দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে হবে ব্রহ্ম সত্য জগৎ সত্য। আমরা যেন ‘ব্রহ্ম সত্য’ মেনে নিয়েও ‘জগৎ মিথ্যা’ এই ভ্রান্ত ধারণার আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলতে পারি আমাদের হৃদয়ে হৃদয়ে। যেন আমাদের ভাবনাতে জ্বালাতে পারি নতুন চেতনার আলো। যেন পৌঁছোতে পারি নতুন যুগের ভোরে। ‘ব্রহ্ম সত্য’— উপনিষদের এই ঘোষণা বিশ্বাস করেই যেন রবীন্দ্রনাথের ভাষায় বলতে পারি—

    শুভ কর্মপথে ধ’র নির্ভয় গান।

    সব দুর্বল সংশয় হোক অবসান।

    চির শক্তির নির্ঝর নিত্য ঝরে

    লহ’ সে অভিষেক ললাট’পরে।

    বলতে পারি— ব্রহ্ম সত্য জগৎ সত্য।

    .

    কৃতজ্ঞতাস্বীকার

    প্রথমেই স্বীকার করছি বেদ উপনিষদ ও রবীন্দ্রনাথ বিষয়ে রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের গবেষণা ছাড়া এই বইটি লেখা সম্ভব হত না। রঞ্জনের সঙ্গে লস অ্যাঞ্জেলেস ও হাওয়াইয়ে এই বইটি লেখার সময়ে আমি যে ‘সিনার্জি’ উপলব্ধি করেছি তা হয় একমাত্র আমার বিজ্ঞানী সতীর্থদের সঙ্গে কাজ করার সময়ে। রঞ্জনের সঙ্গে আমি আগেও কয়েকটি বইয়ের কাজ করেছি। আমি বিজ্ঞানী হিসেবে perfectionist। সুতরাং অন্যবারের মতো এবারও এই বইটি লেখার সময়ে তার ধৈর্যপরীক্ষায় সে উত্তীর্ণ হয়েছে।

    সুন্দর ছবিগুলির জন্যে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি ন্যাশনাল এরোনটিকস অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অফ ইউ এস এ (নাসা), স্পেস টেলিস্কোপ সায়েন্স ইনস্টিটিউট (STSCI), জেট প্রপালশান ল্যাবরেটরি (NASA/JPL— Caltech), হাবল সাইট, দ্য হাবল হেরিটেজ টিম (AURA/STSCI/NASA) ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (EAA) এবং অন্যান্যদের।

    আমি কৃতজ্ঞ আনন্দ পাবলিশার্স-এর সুবীর মিত্র আর তাঁর সুদক্ষ সহকর্মীদের কাছে। তাঁদের আগ্রহ ও সযত্ন প্রচেষ্টা না থাকলে বইটি এত সুন্দরভাবে প্রকাশিত হত না।

    মণি ভৌমিক

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাইকো ২ – রবার্ট ব্লক
    Next Article হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প – মণি ভৌমিক

    Related Articles

    মণি ভৌমিক

    হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প – মণি ভৌমিক

    November 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }