Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ব্রহ্ম সত্য জগৎ সত্য : উপনিষদ বিজ্ঞান রবীন্দ্রনাথ – ড. মণি ভৌমিক

    মণি ভৌমিক এক পাতা গল্প142 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    এলো মোহিনীমায়া

    ‘ব্রহ্ম সত্য, জগৎ মিথ্যা।’

    সে যে মিথ্যা কতদূর

    তখন শুনে কি তুমি বোঝোনি ঠাকুর?

    রবীন্দ্রনাথের দেবতার গ্রাস কবিতার অমোঘ দুটি লাইন। ইচ্ছে করেই বইয়ের প্রথমেই হালকা সুরে তাদের ব্যবহার করলাম।

    এই বইয়ে যে-বিষয়ে আলোচনা এগোবে তা বেশ গভীর এবং গূঢ়। আলোচনাটিকে কিন্তু যতখানি পারি সহজ এবং সাবলীল করে রেখেছি। তার কারণ, আমি আমার বক্তব্য পৌঁছে দিতে চাই সমস্ত ভারতীয়ের কাছে। এ লেখার প্রধান উদ্দেশ্য একটি ক্ষতিকর ভাবনাকে ভেঙে চুরমার করা। অন্তত হাজার বছর ধরে আমাদের মনের মধ্যে গেঁথে আছে এই ভুল ভাবনা— জগৎ মিথ্যা, জগৎ মায়া। তাকে ভেঙে চুরমার করতে হলে তো প্রচণ্ড আঘাত করতেই হবে। সেই আঘাত যাতে সহনীয় হয়, তাই চেষ্টা করেছি বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে সেই ভ্রান্ত ভাবনার বিশ্লেষণ।

    ‘ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা’— এই মিথ্যা ধারণা আজও পেরেকের মতো গেঁথে আছে ভারতীয় চেতনায়। এমনকী অনেক চিন্তাশীল ভারতীয়ের মধ্যেও এই ধারণা বদ্ধমূল যে জগৎ মিথ্যা, জগৎ মায়া। আমি ছেলেবেলায় বাবার মুখে শুনেছি, ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা। এ-যুগের বাঙালি ছেলেমেয়েও বাবা-মা’র মুখে একই কথা শুনছে! বাঙালি এত বদলেছে। তার জীবনশৈলী, মূল্যবোধ, সামাজিক প্রেক্ষিত, পারিবারিক পটভূমি, তার রাজনীতি, তার দর্শন সবকিছু বদলেছে, কিন্তু বদলেছে কি এই বদ্ধমূল ধারণা— জগৎ মিথ্যা?

    তাকে যদি জিজ্ঞেস করা যায়, ‘জগৎ মিথ্যা’ এ-কথা তুমি বলছ কেন? সে কিন্তু খুব স্পষ্টভাবে বলতে পারবে না, কেন বলছে। শুধু বলবে, বেদে বা উপনিষদে এই কথাই বলা হয়েছে, এটাই হিন্দু ধর্মের মূল শিক্ষা, সুতরাং সে হিন্দু হিসেবে এ-কথায় বিশ্বাস করে! অধিকাংশ ভারতীয়ের মতে আজও হিন্দু ধর্মের গোড়ার কথা— ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা!

    এবার তাকে যদি জিজ্ঞেস করি, বেদ বা উপনিষদের কোথায় বলা হয়েছে এ-জগৎ মিথ্যা, বলতে পারো?

    সে খানিকক্ষণ শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকবে। হয়তো সামান্য অস্বস্তিতেও ভুগবে। তারপর একটু হেসে কিংবা একটু বিরক্ত হয়ে বলবে, গুরুজনদের কাছে তো ছোটবেলা থেকে এই শিক্ষাই পেয়েছি, তাঁরা তো আর ভুল শেখাননি।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    গ্রন্থাগার
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা কবিতা
    গ্রন্থাগার সেবা
    PDF
    বাংলা সাহিত্য

     

    সমস্যা হল, এই গুরুজনরাও তাঁদের গুরুজনদের কাছে শিখেছিলেন একই ‘স্লোগান’— ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা। এইভাবেই রিলেরেসের লাঠির মতো ধারণাটা চলে আসছে হাজার বছর ধরে, বংশ পরম্পরায়। কেউ একবারের জন্যেও থেমে গিয়ে প্রশ্ন তোলেননি, কেন বলব এ-কথা? এ-কথা কি সত্যি?

    গুরুজনদের অমান্য করা হলেও এই প্রশ্নটি তোলা কিন্তু উচিত। কারণ, বেদ বা উপনিষদ কোথাও বলেনি, এই জগৎ মিথ্যা। বরং উলটো কথাই বলছে— এ-জগৎ মায়া নয়, সত্য! শুধু বেদ বা উপনিষদ নয়, আধুনিক বিজ্ঞানও বলছে একই কথা। আমরা যদি বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে জগৎকে বুঝি, তা হলে মন থেকে আমরা এই ধারণা উপড়ে ফেলতে বাধ্য হব যে এ-জগৎ মিথ্যা। কারণ, বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে যে, এক উৎস থেকে এই জগতের সবকিছুর সৃষ্টি, সেই ‘উৎস’ যেমন সত্য, তেমনি সত্য এই জগৎ। বেদ ও উপনিষদের মতেও সমস্ত মহাবিশ্বের কণায় কণায় উপস্থিত সেই ‘উৎস’, বিরাজমান সেই আদিসত্তা। সুতরাং উৎস বা আদিসত্তার মতো এ-জগৎও সত্য। আদিসত্তা সত্য অথচ সেই আদিসত্তা থেকে সৃষ্ট এই জগৎ মিথ্যা— এই ধারণা সত্য হতে পারে না।

    আমি হয়তো বহু ভারতীয়ের কাছে এ-কথা বলে তাদের এই ধারণা থেকে টলাতে পারব না যে জগৎ মিথ্যা, জগৎ মায়া। তাঁদের বিশ্বাস জীবনে মোক্ষ লাভ করতে হলে, পুণ্য সঞ্চয় করতে হলে জগৎকে মায়া ও মিথ্যা বলে ত্যাগ করে সত্যোপলব্ধির দিকে এগোতে হবে।

     

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা বই
    বাংলা কমিকস
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বই
    গ্রন্থাগার

     

    জগৎ সত্য এবং জগৎকে উপভোগ করার মধ্যে কোনও অন্যায় নেই— এ-কথা আমাদের সমাজে প্রায় বলাই যায় না। বললেই, সমাজের প্রবীণরা চিৎকার করে উঠবেন এই বলে যে, সমাজকে আমি অন্যায় ভোগবাদের লোভ দেখাচ্ছি এবং পাপের পথে নিয়ে যাচ্ছি। অধিকাংশ ভারতীয়ের মনে যেন জগৎকে উপভোগ করার ব্যাপারে একটি গভীর পাপ বা অন্যায়বোধ কাজ করে। এই পাপ বা অন্যায়বোধ তাঁদের মধ্যে ছোটবেলা থেকে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়, জগৎ হল মায়া। এই মায়া ক্রমাগত আমাদের লোভ দেখাচ্ছে অন্যায় করার জন্য, কিন্তু আমরা যেন সেই মায়ার ফাঁদে না পড়ি। মায়ার প্রলোভনে সাড়া দেওয়া হল পাপ। মায়ার বিচিত্র প্রলোভন থেকে মুখ ফিরিয়ে জগৎকে মিথ্যা বলে ত্যাগ করলেই সত্যের পথে এগোনো যাবে, জীবনের উদ্দেশ্য সফল হবে।

    এই পাপবোধ এমনভাবে গেঁথে দেওয়া হয়েছে ভারতীয় মনে যে বিপরীত চিন্তা করাটাও অন্যায়। কেন পাপ হবে জগৎকে সত্য বলে মেনে তাকে উপভোগ করলে? যদি কেউ কখনও এই প্রশ্ন করেন, তাঁকে গম্ভীর ও কঠোর ভাষায় বলা হয়, ভারতের প্রাচীনতম ধর্মশাস্ত্র বেদ ও উপনিষদকে আপনি ‘চ্যালেঞ্জ’ করছেন? বেদ আর উপনিষদের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বাণীই হল, জগৎ মায়া, জগৎ মিথ্যা। হিন্দুধর্মের সারকথাও তো তা-ই!

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    গ্রন্থাগার
    Books
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    অনলাইন বুক
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা ভাষা
    সাহিত্য পর্যালোচনা

     

    আসলে কিন্তু বেদ বা উপনিষদ একবারও বলছে না জগৎ মিথ্যা! আসলে বলছে নিরাসক্ত ভোগের কথা।

    এই বইয়ের সূচনার অধ্যায়টির নাম দিয়েছি ‘পুরানো সেই দিনের কথা।’ সেই অধ্যায়ে আমি দেখিয়েছি বেদের বেশ কিছু অংশে এবং উপনিষদের জ্ঞানকাণ্ডে কীভাবে এই জগৎকে জানবার, বোঝবার জন্য ভারতের প্রাচীন ঋষিরা সৃষ্টিরহস্য নিয়ে নানা গভীর ও জটিল প্রশ্নের সমাধান সূত্র বার করার চেষ্টা করেছিলেন আজ থেকে প্রায় ছ’হাজার বছর আগে।

    অবশ্যই বিজ্ঞানের ঘুম ভাঙেনি তখনও। তখনও ফোটেনি পরীক্ষামূলক আবিষ্কারের আলো। সেই অন্ধকার যুগে সত্যের আলোর সন্ধান করেছিলেন ঋষিরা, জগৎকে মায়া বলে ত্যাগ করে নয়, জগৎকে বাস্তব এবং সত্য বলে স্বীকার করে। প্রায় সমস্ত উপনিষদই নানাভাবে, বিচিত্র দৃষ্টিকোণ থেকে জগৎকে জানবার, তার সৃষ্টি রহস্য ভেদ করবার একাগ্র প্রচেষ্টা। তাই তো উপনিষদকে ‘জ্ঞানকাণ্ড’ নামে বেদ থেকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    আমরা ভুলে গেছি বা আমাদের ছেলেবেলার ভুল শিক্ষা আমাদের ভুলিয়ে দিয়েছে যে, বেদের দুটি ধারা পাশাপাশি প্রবাহিত ছিল। আগেই বলেছি, একটি ধারার নাম কর্মকাণ্ড। সেই অংশে শুধুই বৈদিক দেব-দেবীর স্তুতি, মন্ত্র ইত্যাদি। অন্য ধারাটি হল দার্শনিক জ্ঞানের। বিশ্বের রহস্য সন্ধানের। তাই এই ধারার নাম ‘জ্ঞানকাণ্ড’। ঋষিরা অরণ্যের নিভৃতে জ্ঞানচর্চা করতেন, জগৎ সম্পর্কে তাঁদের অদম্য জ্ঞানতৃষ্ণা নিবারণ করতেন। সেই প্রাচীন আরণ্যক যুগের দার্শনিক জ্ঞানের সন্ধানই ক্রমে পরিণতি পেল, রচিত হল উপনিষদ।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    অনলাইন বুক
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    PDF
    সাহিত্য পত্রিকা

     

    প্রথমেই আমাদের যে অত্যন্ত জরুরি কথাটা মনে রাখতে হবে, তা হল, যদি ভারতের প্রাচীন ঋষিরা জগৎকে মায়া ও মিথ্যা বলে ত্যাগ করতেন, তা হলে উপনিষদ রচিত হত না। অথচ আমাদের মধ্যে অনেকেরই ধারণা, এই উপনিষদে নাকি বলা হয়েছে জগৎ মিথ্যা! আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা হল, উপনিষদ জগতের আদিসত্তা ব্রহ্মকে উপলব্ধি করবার এবং ব্যাখ্যার চেষ্টা করেছে জগৎ থেকে আলাদা করে নয়, জগতের মধ্যেই বিস্তৃত আদিসত্তা হিসেবে।

    উপনিষদ ক্রমশ এই সত্যের সন্ধান পেয়েছিল যে ব্রহ্ম বা জগতের আদিসত্তা এক এবং অদ্বিতীয় হয়েও স্বইচ্ছায় দ্বিতীয় অর্থাৎ বহু হয়েছেন। কেন এই বহু হওয়া? মায়ার ফাঁদ পেতে আমাদের বিভ্রান্ত করার জন্যে?

    না, তা নয়, উপনিষদও বলছে, ব্রহ্ম বহু হলেন তাঁর একা লাগছিল বলে— তিনি সৃষ্টির রস আস্বাদন করতে চাইলেন। ব্রহ্মের এই বিচিত্র প্রকাশই জগৎ। তাই ব্রহ্মই জগৎরূপে প্রকাশিত হলেন। জগতের সর্বত্র সেই আদিসত্তা বিরাজ করছেন।

    যে-জগৎ ব্রহ্মেরই বিচিত্র রূপ, সে-জগৎ মিথ্যা হবে কেমন করে? ব্রহ্ম যদি সত্য হয়, তা হলে জগৎও সত্য হতে বাধ্য।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    বইয়ের
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা উপন্যাস
    Library
    সাহিত্য পর্যালোচনা

     

    ভাবলে বিস্ময়ের শেষ থাকে না যে কেমন করে জগৎ সম্পর্কে এই পরম সত্যে উপনীত হয়েছিলেন হাজার হাজার বছর আগে ভারতের ঋষিরা! কারণ আজ বোঝা যাচ্ছে, এই সত্য শুধু দার্শনিক অনুমান নয়, এই সত্যের অনেকটাই বিজ্ঞান প্রমাণিত। বিজ্ঞান স্পষ্টই বলছে— এই জগতের উৎস জগতের প্রতি অণু-পরমাণুতে উপস্থিত। সুতরাং জগৎ মায়া নয়, মিথ্যা নয়, বিশুদ্ধ বাস্তব।

    অথচ, আমরা উপনিষদ, বিজ্ঞান কারও কথাই না শুনে শুধু আমাদের গুরুজনদের ভুল ধারণা ‘জগৎ মিথ্যা’কে সেই ছোটবেলা থেকে হৃদয়ে গেঁথে নিয়েছি, যেমন করে পেরেকের মাথায় হাতুড়ি মেরে মেরে দেওয়ালে গাঁথা হয়। এমনই শক্ত সেই গাঁথুনি যে উপড়ে ফেলাই মুশকিল।

    আমাদের মন থেকে এই ধারণাকে উপড়ে ফেলার চেষ্টা করেছিলেন রামমোহন রায়। তিনিই বাঙালিদের মধ্যে নতুন করে উপনিষদ-চর্চার প্রবর্তন করেন। যাঁরা সংস্কৃত জানেন না সেই বাঙালিদের জন্যে তিনি পাঁচটি উপনিষদের বাংলা অনুবাদ করেন। রামমোহন কি এই কাজ করেছিলেন বাঙালিকে জগৎ ত্যাগ করতে শেখাতে? রামমোহন ছিলেন বাঙালির নবজাগরণের প্রথম পুরুষ। কর্ম ছিল তাঁর জীবনের ব্রত। জগৎ থেকে তিনি কোনওদিনই মুখ ফিরিয়ে নেননি। যদি জগৎকে মিথ্যা বা মায়া বলে তিনি উদাসীন হয়ে যেতেন, তা হলে তাঁর পক্ষে অন্তত সতীদাহ রোধ করা সম্ভব হত না। তিনি তাঁর কর্মপ্রেরণা, জীবন-উৎসাহন পেয়েছিলেন উপনিষদ থেকে। সেই উপনিষদকে তিনি সাধারণ বাঙালির মধ্যে কর্মপ্রেরণার এবং সত্যসন্ধানের প্রাণনরূপে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন। উপনিষদ যদি বলত জগৎ মিথ্যা, জগৎকে ত্যাগ করো, তা হলে নিশ্চিতভাবে বলা যায় কর্মবীর রামমোহন উপনিষদে উৎসাহী হতেন না, সেই উপনিষদের বাংলা অনুবাদ বাঙালির ঘরে ঘরে ছড়িয়েও দিতেন না। বাঙালিকে জগৎ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করার জন্যেই উপনিষদের বাংলা অনুবাদ করেছিলেন রামমোহন।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বই
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ভাষা
    বাংলা লাইব্রেরী
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    Books

     

    উপনিষদের আর এক সন্তান স্বামী বিবেকানন্দ। তিনি সারা বিশ্বে হিন্দুধর্মের ও উপনিষদের বাণী প্রচার করেছিলেন। তাঁর সেই প্রচারে কোথাও তিনি বলেননি জগৎকে মিথ্যা বলে ত্যাগ করার কথা। বিবেকানন্দ ছিলেন কর্মপ্রাণ। তিনি সন্ন্যাসী হয়েও জগৎ থেকে পালিয়ে যাননি। বরং আজীবন জগতের জন্যে, ভারতবাসীর জন্যে কাজ করেছেন। বলেছেন জগতের সেবাই মানুষের পরম ধর্ম। বিবেকানন্দের তেজস্বিতার দিকে তাকিয়ে অনেকের এই ধারণা হয়েছিল তিনিই যেন উপনিষদের বাণীমূর্তি। উপনিষদ যদি বলত জগৎ মিথ্যা ও মায়া, তা হলে বিবেকানন্দ উপনিষদে পেতেন না তাঁর প্রবল কর্মপ্রেরণার উৎস।

    তবু, আমি লক্ষ করেছি, আজও যদি শিক্ষিত-অশিক্ষিত বাঙালির কাছে কেউ বলেন, ‘ব্রহ্ম সত্য’, সঙ্গে সঙ্গে যাঁরা শুনলেন এই দুটি শব্দ তাঁদের জিভের ডগায় অন্য দুটি শব্দও এসে যাবে— ‘জগৎ মিথ্যা’। ‘ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা’ এই স্লোগানটি এমনভাবেই তাঁদের মনের মধ্যে গেঁথে রয়েছে। রামমোহন, বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ কেউ আমাদের জগৎ-ত্যাগের দীক্ষা দেননি। তবুও জগৎ-ত্যাগের মন্ত্রটি আমরা ভুলতে পারিনি। কেন এমন হল?

    এমন হওয়ার প্রধান কারণ, সারা ভারত জুড়ে আদি শংকরাচার্যের প্রচার— হাজার বছর আগে শংকরাচার্যই প্রচার করেছিলেন এই ধর্মীয় স্লোগান— ‘ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা’। আগেই জেনেছি, শংকরাচার্য যে দর্শন প্রচার করেছিলেন তার একটি নাম অদ্বৈতবাদ। অন্য নাম মায়াবাদ।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা ই-বই
    Library
    বাংলা লাইব্রেরী
    গ্রন্থাগার
    PDF
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা অডিওবুক

     

    অদ্বৈতবাদের মূল বক্তব্য হল, ব্রহ্ম অর্থাৎ জগতের আদিসত্তা, তিনিই হলেন পরম ও অপরিবর্তনীয় সত্য। মহাপণ্ডিত, শাস্ত্রবিদ শংকরাচার্য নতুন ব্যাখ্যা লিখলেন উপনিষদের। এবং প্রচার করলেন এই অদ্বৈতবাদ যে ব্রহ্মই একমাত্র সত্য— তিনি এক এবং অদ্বিতীয়। তাঁর কোনও দ্বিতীয় হয় না।

    অদ্বৈতবাদের এই মূল বক্তব্য— ব্রহ্মের কোনও দ্বিতীয় হয় না, ব্রহ্ম একমেবাদ্বিতীয়ম্— এইখানে এসে সংকটে পড়লেন মহাপণ্ডিত শংকরাচার্য। তিনি প্রচার করছেন অদ্বৈতবাদ— অর্থাৎ এক এবং অদ্বিতীয় ব্রহ্মের কথা— তিনিই পরম সত্য। এ-কথা উঠে এসেছে উপনিষদ থেকেই। অদ্বৈতবাদ উপনিষদেরই অঙ্গ।

    কিন্তু উপনিষদ ব্রহ্মকে অদ্বিতীয় সত্য বলেও জগৎকে মিথ্যা বলছে না। কারণ উপনিষদ বলছে, ব্রহ্মই স্বইচ্ছায় এক থেকে বহু হয়েছেন। এই জগৎ ব্রহ্মেরই বহুপ্রকাশ। সেই ‘বহু’-র মধ্যে বিরাজ করছে ‘এক’। অতএব ব্রহ্মকে সত্যজ্ঞান করলে জগৎকে মিথ্যা বা মায়া বলার কোনও প্রয়োজন নেই। উপনিষদের মতে তাই ব্রহ্ম সত্য, জগৎ সত্য। এই দুই সত্যের মধ্যে কোনও অন্তর্দ্বন্দ্ব নেই। নেই কোনও বিরোধাভাস। ব্রহ্ম সত্য। সেই সত্য থেকেই আর এক সত্যের প্রকাশ। সেই সত্যের নাম জগৎ। কারণ সত্য থেকে কখনও মিথ্যার সৃষ্টি হতে পারে না। সত্য থেকে সত্যেরই সৃষ্টি হয়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা গল্প
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    অনলাইন বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    গ্রন্থাগার

     

    তবে উপনিষদ এই দুই সত্যকে দু’ভাবে চিহ্নিত করছে। অমূর্ত আর মূর্ত। ব্রহ্ম হল অমূর্ত সত্য বা জগতের অমূর্ত আদিসত্তা। অমূর্ত ব্রহ্মের বর্ণনা দিয়ে উপনিষদ বলছে, ব্রহ্ম অশব্দ, অস্পর্শ, অরূপ, অব্যয়, অনাস্বাদেয়, নিত্য ও অগন্ধ। এই হচ্ছে ব্রহ্মের অদ্বৈতরূপ। শংকরাচার্যও মেনে নিয়েছেন এই বর্ণনা।

    একইসঙ্গে উপনিষদ বলছে এই স্পর্শময়, ঘ্রাণময়, বর্ণময়, অনিত্য, পরিবর্তনশীল ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগৎ হল অমূর্ত ব্রহ্মেরই মূর্ত প্রকাশ— অমূর্ত ইচ্ছে করেই মূর্ত হয়ে জন্মেছেন। ব্রহ্মের দুই প্রকার। মূর্ত ও অমূর্ত। দুই-ই সত্য।

    উপনিষদ এ-কথাও বলছে, যে এই দুই সত্যের মধ্যে পার্থক্য আছে। অমূর্ত ব্রহ্মের কোনও পরিবর্তন নেই, কোনও বিনাশ নেই। মূর্ত ব্রহ্ম অর্থাৎ জগৎ কিন্তু সদা পরিবর্তনশীল এবং অনিত্য। অথচ এই দুইয়ের মধ্যে কোনও বিরোধাভাস নেই। উপনিষদ বলছে, যে ব্রহ্ম অমূর্ত সত্য হয়ে চিরন্তন ও পরিবর্তনহীন আদিসত্তা, সেই ব্রহ্মই মূর্ত সত্য হয়ে পরিবর্তনশীল ও অনিত্য। একই সত্যের দুই দ্বন্দ্বহীন প্রকাশ।

    উপনিষদের ঋষিরা হাজার হাজার বছর আগে অমূর্ত ও মূর্ত সত্যকে একই আদিসত্তার দুই প্রকাশ বলে ভেবে বিশ্বরহস্যের যে সমাধান করেছিলেন, তাই সঠিক। এ-যুগের বিজ্ঞানও যথেষ্ট প্রমাণ দিয়ে সেই কথাই বলছে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা কমিকস
    বইয়ের
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার

     

    অথচ হাজার বছর আগে শংকরাচার্য উপনিষদের নতুন ব্যাখ্যায় বললেন, ব্রহ্মের অমূর্ত রূপই সত্য, ব্রহ্মের মূর্তরূপ, অর্থাৎ এই জগৎ হল মায়া, মিথ্যা। ব্রহ্মের অমূর্তরূপকে সত্য বলে মেনে নিলে আমরা তাঁর মায়ারূপকে ত্যাগ করতে বাধ্য। এই হল শংকরাচার্য প্রচারিত অদ্বৈতবাদের সার কথা। তাই অদ্বৈতবাদের অন্য নাম মায়াবাদ।

    কঠোর সন্ন্যাসী শংকরাচার্য এই জগতের বর্ণময়, গন্ধময়, ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য সুন্দর রূপকে মেনে নিতে পারেননি। মেনে নিতে পারেননি এই আপাত বিরোধাভাস যে সত্যও হতে পারে পরিবর্তনশীল, যেমন এই জগৎ। তিনি বললেন, এই সুন্দর জগৎ ব্রহ্মেরই সৃষ্ট মায়া। এই মায়ার ফাঁদে আটকে গেলে আমরা আদিসত্তা, চিরন্তন সত্য ব্রহ্মকে উপলব্ধি করতে পারব না। তাই জগৎকে ত্যাগ করো।

    আগেও বলেছি এ-কথা, জগৎকে ত্যাগ করে আমরা যদি সবাই শংকরাচার্যের মতো সন্ন্যাসী হয়ে যাই তা হলে তো সৃষ্টির উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হবে।

    শংকরাচার্য যে উপনিষদের ব্যাখ্যা নিজের মনের মতো করতে গিয়ে ভুল করেছিলেন, তা প্রথম বলেছিলেন চৈতন্যদেব। তিনি অদ্বৈতবাদ থেকে ভক্তিবাদে সরে এসে বলেছিলেন, উপনিষদের অদ্বৈততত্ত্বের যে-ব্যাখ্যা শংকর করেছেন তা উপনিষদের মূল ভাবধারার সঙ্গে সংগতি রক্ষা করতে পারেনি। চৈতন্যদেবের ভাষায় ‘গৌণার্থ করিল মুখ্য অর্থ আচ্ছাদিয়া।’ সামঞ্জস্য রক্ষা করতে না পেরে উপনিষদের যে-ব্যাখ্যা শংকর করলেন তার অর্থ পরিণতি পেল এই ভারতজোড়া প্রচারিত স্লোগানে— ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা।

     

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ই-বুক রিডার
    অনলাইন বুক
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

     

    শংকরাচার্যের মতো মেধাবী শাস্ত্রজ্ঞ মানুষ যদি আজকের বিজ্ঞানের সাহায্য পেতেন তা হলে হয়তো উপনিষদের নতুন ব্যাখ্যায় সামঞ্জস্য রক্ষা করাটা তাঁর পক্ষে অনেক সহজ হত। কারণ আধুনিক বিজ্ঞান মূর্ত ও অমূর্ত সত্যকে সমানভাবে স্বীকৃতি জানাচ্ছে, যে-স্বীকৃতি কোয়ান্টাম তথ্যের প্রমাণিত সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

    একসময়ে বিজ্ঞান বলত, মৌলকণাই সবচেয়ে আদি। কিন্তু এই আধুনিককালে কোয়ান্টাম ফিল্ড দেখাল, মৌলকণা সবচেয়ে আদি নয়। সবচেয়ে আদি হল অন্তর্নিহিত ক্ষেত্র— উপনিষদে ব্রহ্মের বা আদি উৎসের বর্ণনার সঙ্গে এই অন্তর্নিহিত ক্ষেত্রের বর্ণনা আশ্চর্যভাবে মিলে যায়।

    উপনিষদের ব্রহ্মের মতো এই অন্তর্নিহিত ক্ষেত্র বা ফিল্ড সমগ্র মহাশূন্য ও মহাকাল পরিব্যাপ্ত করে বিরাজমান। ক্রমান্বিত তার এই ব্যাপ্তি। এবং এই অন্তর্নিহিত ক্ষেত্র চিরন্তন সত্য। মহাশূন্য ও মহাকাশ ছেয়ে থাকা এই ক্ষেত্র ব্রহ্মেরই মতো ‘অব্যক্ত’।

    দেখা গেল উপনিষদের একটি মূল মন্ত্রকে সমর্থন করছে এ-যুগের বিজ্ঞান। দেখা গেল উপনিষদের মূল মন্ত্রটি বলছে, ব্রহ্মের দুটি প্রকাশ, অমূর্ত ও মূর্ত।১ এ-যুগের বিজ্ঞানও বলছে, একই ক্ষেত্রের দুটি রূপ, অমূর্ত ও মূর্ত। বিজ্ঞানের এই প্রমাণিত সত্যটি যদি শংকরাচার্য জানতেন, তা হলে হয়তো তাঁর মনের মধ্যে মূর্ত আর অমূর্ত সত্যের দ্বন্দ্ব-সমাধান খুঁজে পেতেন। তিনি উপনিষদের নব ব্যাখ্যায় সামঞ্জস্য রক্ষা করতে পারতেন। তাঁকে বলতে হত না ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা বই
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স

     

    প্রাচীন উপনিষদ ও আধুনিক বিজ্ঞানের হৃদয়কথা আশ্চর্য মধুর সাবলীলতায় প্রকাশ পেয়েছে রবীন্দ্রনাথের লেখায়:

    যে ছিল অমূর্ত, অসীম, অব্যক্ত তারই প্রকাশ ঘটেছে সীমার মধ্যে— সীমার মধ্যে অসীম, অর্থাৎ এই জগৎ, তাই এত সুন্দর—

    সীমার মাঝে, অসীম, তুমি বাজাও আপন সুর—

    আমার মধ্যে তোমার প্রকাশ তাই এত মধুর॥

    যে আদিসত্তা অমূর্ত, অর্থাৎ রূপহীন, সেই আদিসত্তাই বিশ্বজুড়ে প্রকাশ করল নিজেকে কত গন্ধে বর্ণে ছন্দে। লিখলেন রবীন্দ্রনাথ—

    কত বর্ণে কত গন্ধে কত গানে কত ছন্দে

    অরূপ, তোমার রূপের লীলায় জাগে হৃদয়পুর।

    এই অমূর্ত এবং মূর্তকেই যখন একই আদিসত্তার এপিঠ-ওপিঠ করে দেখতে পাই আমরা তখনই উন্মোচিত হয় আমাদের চেতনায় মহাবিশ্বের অন্তরসত্য—

    তোমায় আমার মিলন হলে সকলই যায় খুলে,

    বিশ্বসাগর ঢেউ খেলায়ে উঠে তখন দুলে।

    সমসময়ে রবীন্দ্রনাথই প্রথম সাহসের সঙ্গে প্রবল প্রত্যয়ে উচ্চারণ করলেন প্রাচীন ঔপনিষদিক উপলব্ধি— ব্রহ্ম সত্য জগৎ সত্য।

    সেই কথাটাই অসীম সাহসে, আমাদের এতদিনের ধারণাকে একেবারে ওলটপালট করে দিয়ে, কবিতায় বললেন রবীন্দ্রনাথ। মাত্র চারটি লাইনে তিনি যেন বিপ্লব ঘটালেন—

    রূপনারানের কূলে

    জেগে উঠিলাম;

    জানিলাম এ জগৎ

    স্বপ্ন নয়।

    আমার জন্ম তমলুকে, রূপনারায়ণ নদীর কূলে। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের ‘রূপনারান’ বোধহয় আমার চেনা সেই নদী নয়। তাঁর ‘রূপনারান’ অরূপের রূপমূর্তি। অমূর্তের মূর্ত প্রকাশের প্রতীক রূপনারানের কূল।

    সেই অরূপ-রূপের কূলে উন্মোচিত হল রবীন্দ্রনাথের সত্যোপলব্ধি: বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি সে আমার নয়।

    জগৎ মিথ্যা— এই ভুল ভেঙে দিলেন তিনি। বললেন কুণ্ঠাহীনভাবে— ‘অরূপ’ যেমন সত্য তেমনই সত্য ‘রূপ’। এ জগৎ সত্য সত্য সত্য। এ জগৎ স্বপ্ন নয়।

    জগৎ জুড়ে এনেছিলেন মোহিনীমায়া শংকরাচার্য। আচ্ছাদিত হয়ে ছিল সত্য। আমরা শংকরাচার্যের ভুল ব্যাখ্যাকে বিশ্বাস করে জগৎকে মিথ্যা বলতে শিখেছি, মায়া বলতে শিখেছি ছেলেবেলা থেকে। গুরুজনেরা যা বলেছেন তাই শিখেছি। নিজেরা কোনওদিন ভেবে দেখিনি। ভাবালেন আমাদের নতুন করে রবীন্দ্রনাথ। আমাদের চোখ থেকে শংকরাচার্য-প্রচারিত মায়ার ছায়া সরিয়ে দিলেন তিনি। আমাদের দিলেন নতুন যুগের মন্ত্র, শোনালেন নতুন সত্যের আহ্বান—

    রক্ত আমার বিশ্বতালে নাচবে যে,

    হৃদয় আমার বিপুল প্রাণে বাঁচবে যে।

    কাঁপবে তোমার আলো বীণার তারে সে,

    দুলবে তোমার তারামণির হারে সে,

    বাসনা তার ছড়িয়ে গিয়ে লয় হবে।

    .

    ১. দ্বে বাব ব্ৰহ্মণো রূপে মূর্তং চৈবামূর্তং চ। (বৃহদারণ্যক, ২।৩।১)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাইকো ২ – রবার্ট ব্লক
    Next Article হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প – মণি ভৌমিক

    Related Articles

    মণি ভৌমিক

    হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প – মণি ভৌমিক

    November 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }