Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ব্রহ্ম সত্য জগৎ সত্য : উপনিষদ বিজ্ঞান রবীন্দ্রনাথ – ড. মণি ভৌমিক

    মণি ভৌমিক এক পাতা গল্প142 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চক্ষে আমার মায়ার ছায়া টুটবে গো

    ব্রহ্ম সত্য, জগৎ মিথ্যা—এই দর্শন বহু বছর ধরে ভারতবাসীর সমবেত চেতনায় গেঁথে থাকার ফলে আমরা ক্রমশ কাজের জগৎ থেকে পিছিয়ে পড়েছি। আগেও বলেছি ছেলেবেলা থেকেই আমরা গুরুজনদের কাছে যেসব উপদেশ পাই, তার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ হল, এই জগৎ মিথ্যা, এই জগৎ মায়া, এই জগৎকে ত্যাগ করাই জীবনের পরম ব্রত।

    এই ভুল উপদেশ বহু বছর ধরে আমাদের ক্ষতি করেছে। আমরা এই ভুল ধারণার ফলেই ভিতরে ভিতরে কর্মবিমুখ হয়ে উঠেছি। আমরা ভাবতে শিখেছি, জগৎ যখন মায়া ও মিথ্যা, তখন আর কাজ করে কী হবে। কাজের মধ্যে দিয়ে জীবনে যে সাফল্য আসে, তাকে আমরা ভাবি তুচ্ছ পার্থিব সাফল্য। এই তুচ্ছ পার্থিব সাফল্যের কোনও আধ্যাত্মিক মূল্য নেই। কাজের মধ্যে আধ্যাত্মিকতার সন্ধান আমরা জাতি হিসেবে প্রায় ভুলেই গেছি। ত্যাগের দর্শন যেন আমাদের কর্মবিমুখ এবং অলস করেছে।

    এই ভুল জীবনদর্শন থেকে রবীন্দ্রনাথ আমাদের ডাক দিয়েছিলেন ফিরে আসার। তাঁর ‘নৈবেদ্য’ কাব্যগ্রন্থের ‘মুক্তি’ কবিতায়, ‘বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি, সে আমার নয়।’ সেই আহ্বান বৈপ্লবিক। আমি এ-কথা বলতে এতটুকু কুণ্ঠা করব না যে রবীন্দ্রনাথের সেই সাহসী ঘোষণাই ঘটাল ভারতীয় চেতনার নবজাগরণ। সেই আহ্বান চেষ্টা করেছিল ত্যাগের জগৎ থেকে আমাদের ইন্দ্রিয়ের দ্বার খুলে ভোগের মাধ্যমে শুদ্ধ আনন্দের জগতে ফিরিয়ে আনতে। শুদ্ধ আনন্দ মানে নিরাসক্তির সঙ্গে, আসক্তির দ্বারা আবদ্ধ না হয়ে, জড়িয়ে না পড়ে ভোগ। ভোগের বস্তুর সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে সর্বনাশ হবে। রবীন্দ্রনাথ ‘এ-জগৎ সত্য নয়’— এই দর্শনের বিরুদ্ধে ঘোষণা করলেন উপনিষদের অন্তরবার্তা থেকে আহৃত তাঁর নিজস্ব জীবনপ্রত্যয়।

    তিনি উপনিষদের সঠিক ব্যাখ্যা করে বারবার অনেকভাবে বললেন, ভারতবর্ষ আমাদের শেখায় না এ-জগৎকে মায়া ও মিথ্যা বলে পরিত্যাগ করতে। তিনি বললেন না, জগতের বন্ধন শুধুমাত্র মিথ্যা মায়ার বন্ধন। তিনি ঘোষণা করলেন প্রাচীন ঋষির অন্তরের গভীর বার্তা আধুনিক ভাষায়:

    অসংখ্য বন্ধন-মাঝে মহানন্দময়

    লভিব মুক্তির স্বাদ!

     

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পত্রিকা
    অনলাইন বুক
    বই
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    গ্রন্থাগার সেবা
    Library
    গ্রন্থাগার
    বুক শেল্ফ

     

    রবীন্দ্রনাথই প্রথম যিনি আমাদের শেখালেন জগতের অজস্র বন্ধনকে ত্যাগ না করে মেনে নেওয়ার মন্ত্র। শুধু ত্যাগ-ত্যাগ-ত্যাগের মধ্যে পাওয়া যায় না মুক্তির স্বাদ। জগতের অসংখ্য বন্ধনের মধ্যেও পাওয়া যায় মুক্তির উচ্ছ্বাস। সেই মুক্তি মহানন্দময়, বললেন রবীন্দ্রনাথ। তিনি নতুনভাবে বুঝলেন, ব্যাখ্যা করলেন উপনিষদের ঋষিবাক্য। প্রাচীন উপনিষদ তাঁরই মাধ্যমে যুক্ত হল আধুনিক কালের চেতনা ও মর্মবাণীর সঙ্গে।

    উপনিষদ বলছে, রসের আস্বাদনের জন্যেই ব্রহ্মের বা আদিসত্তার বহুরূপে প্রকাশ এবং জগতের সৃষ্টি। ব্রহ্ম হচ্ছেন সেই নৈর্ব্যক্তিক সত্তা, যিনি রস অনুভব করে আনন্দ পান। উপনিষদের ভাষায় ব্রহ্ম ‘রসস্বরূপ’। সেই আনন্দরস সারা বিশ্বজুড়ে প্রবাহিত। রবীন্দ্রনাথ উপনিষদের কথাই নতুনভাবে বললেন, জানালেন এই আনন্দরসই অমৃত, জগৎকে ত্যাগ করা মানে সেই অমৃতকে ত্যাগ করা। অসামান্য সাহসের সঙ্গে তিনি প্রকাশ করলেন উপনিষদের আধুনিক ব্যাখ্যা এই ভাষায়—

    এই বসুধার

     

    আরও দেখুন
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বইয়ের
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    অনলাইন বই

     

    মৃত্তিকার পাত্রখানি ভরি বারম্বার

    তোমার অমৃত ঢালি দিবে অবিরত

    নানাবর্ণগন্ধময়।

    (মুক্তি)

    ইন্দ্রিয়ের দ্বার বন্ধ করে জগৎকে মিথ্যা বলে ত্যাগ করলে এই মহাবিশ্বের অন্তরসত্যকেই তো ত্যাগ করা হয়। রবীন্দ্রনাথের ভাষায়—

    ইন্দ্রিয়ের দ্বার

    রুদ্ধ করি যোগাসন, সে নহে আমার।

     

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    উপন্যাস সংগ্রহ
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    অনলাইন বুক
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য

     

    যে-কিছু আনন্দ আছে দৃশ্যে গন্ধে গানে

    তোমার আনন্দ রবে তার মাঝখানে।

    আমাদের ছোটবেলা থেকে শেখানো হয়, ইন্দ্রিয়ের দ্বার খুলে যা কিছুই আমরা ভোগ করি, তা মোহ, মায়া, মিথ্যা। তাই ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগৎ ত্যাগ করতে হবে— তবেই পাব আধ্যাত্মিক মুক্তি।

    রবীন্দ্রনাথ আমাদের নবজাগরণের পরম পুরুষ হয়ে আমাদের এই ভুল ধারণা ও জীবনদর্শনের ঝুঁটি ধরে নেড়ে দিয়েছেন। দৃপ্ত সাহসে তিনি ঘোষণা করলেন, মোহের মধ্যেই, জগতের অজস্র বন্ধনের মধ্যেই লুকিয়ে আছে মুক্তির শিখা। অনন্য ভাষায় বীজমন্ত্রের মতো সংক্ষেপে তিনি লিখলেন সে-কথা—

    মোহ মোর মুক্তিরূপে উঠিবে জ্বলিয়া

    (মুক্তি)

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    অনলাইন বুক
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা ই-বুক রিডার
    Library
    বাংলা সাহিত্য
    অনলাইন গ্রন্থাগার

     

    শংকরাচার্যের মায়াবাদ যে-জগৎ থেকে হাজার বছর ধরে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য করেছিল আমাদের, রবীন্দ্রনাথ ঘটালেন এক আশ্চর্য অবিশ্বাস্য নবজাগরণ সেই জগৎকেই আমাদের কাছে নতুন মহিমায় ফিরিয়ে এনে। জগৎ যেন নতুনভাবে উদযাপিত হল তাঁর ‘দেহলীলা’ কবিতায়—

    একি জ্যোতি, একি ব্যোম দীপ্তদীপ-জ্বালা—

    দিবা আর রজনীর চিরনাট্যশালা!

    একি শ্যাম বসুন্ধরা, সমুদ্রে চঞ্চল,

    পর্বতে কঠিন, তরুপল্লবে কোমল,

    অরণ্যে আঁধার! একি বিচিত্র বিশাল

    অবিশ্রাম রচিতেছে সৃজনের জাল

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বইয়ের
    বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ই-বই

     

    আমার ইন্দ্রিয়যন্ত্রে ইন্দ্রজালবৎ!

    প্রত্যেক প্রাণীর মাঝে প্রকাণ্ড জগৎ॥

    এ-জগৎ তো সৃষ্টিই হয়েছে নিরাসক্ত ভোগের জন্যে। এ-জগতের প্রতি কণায় কণায় বিরাজমান সেই আদি উৎস, বা ব্রহ্ম,— সেই জগৎকে ত্যাগ করব কেন? কেন আমরা এই ভুল দর্শন অন্তত হাজার বছর বিশ্বাস করে চললাম? এবার যে বেরোতেই হবে ‘ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা’-র প্রচণ্ড ভ্রান্ত ধারণা থেকে, এবার যে বুঝতেই হবে মহাজগতের সঙ্গে আমাদের নাড়ির সম্পর্ক। উপনিষদের গূঢ় মন্ত্র এই কথাই জানিয়েছে। সেই কথা সহজ করে বললেন রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘প্রাণ’ কবিতায়। বললেন, আমাদের শরীরের শিরায় শিরায় যে প্রাণতরঙ্গমালা, তার যে গভীর সম্পর্ক সারা বিশ্বজোড়া প্রাণতরঙ্গের সঙ্গে। জগতের সঙ্গে আমাদের প্রাণের বন্ধনকে ত্যাগ করব কেন? বা কেমন করে?

    এ আমার শরীরের শিরায় শিরায়

    যে প্রাণ-তরঙ্গমালা রাত্রিদিন ধায়

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    গ্রন্থাগার
    বই পড়ুন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    Books
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    উপন্যাস সংগ্রহ
    সাহিত্য পত্রিকা
    Library

     

    সেই প্রাণ ছুটিয়াছে বিশ্বদিগ্বিজয়ে,

    এই প্রাণের সম্পর্ককে কি ‘মায়া’ বলে উড়িয়ে দেওয়া যায়? ‘মিথ্যা’ বলে ত্যাগ করা যায়? জগতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ নিয়ে এলেন নতুন মাত্রা, নবচেতনা। হাজার বছরের ভ্রান্ত ধারণা নস্যাৎ হল। আমরা বুঝতে পারলাম সত্যের নতুন আলোয় ওই জগতের সঙ্গে আমাদের নিবিড় সম্পর্ককে উপলব্ধি করার মধ্যেই আমাদের আধ্যাত্মিক উত্তরণ—

    সেই যুগযুগান্তের বিরাট স্পন্দন

    আমার নাড়ীতে আজি করিছে নর্তন।

    বোঝা গেল, জগৎ থেকে আমরা আলাদা নই। জগতের সঙ্গে আমাদের অন্তরের সংযোগ, নাড়ির সম্পর্ক। রবীন্দ্রনাথের ভাষায়, যুগযুগান্তের জগৎস্পন্দন যেন নাচছে আমাদের নাড়ির মধ্যে! এই জগৎকে উপনিষদ কোনও দিনই মায়া বলে দূরে সরিয়ে দেয়নি, মিথ্যা বলে ত্যাগ করতে শেখায়নি। রবীন্দ্রনাথ উপনিষদের এই মূল সুরটি নতুনভাবে আমাদের শোনালেন— বললেন যে উৎস থেকে এই জগৎ উৎসারিত, তার থেকে এ-জগতের কোনও কিছুই কখনও বিচ্ছিন্ন নয়। রবীন্দ্রনাথের ভাষায়—

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বুক শেল্ফ
    বাংলা গল্প
    বই পড়ুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    PDF
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স

     

    ‘তোমার থেকে কিছুই বিচ্ছিন্ন নেই, সমস্তই তোমার এক অমোঘ শক্তিতে বিধৃত এবং এক মঙ্গলসংকল্পের বিশ্বব্যাপী আকর্ষণে চালিত।’

    (নবযুগের উৎসব)

    এইভাবে, উপনিষদের এক আধুনিক ব্যাখ্যায় রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘নবযুগের উৎসব’ প্রবন্ধে সত্যিই উদ্ঘাটিত করলেন নতুন জগৎ-চেতনার, কেন জগৎকে মিথ্যা বলে ত্যাগ করা আমাদের হাজার বছরের ভুল তা আমরা এই প্রথম বুঝতে পারলাম। যে-সত্য একদিন প্রাচীন তপোবনের ঋষিরা উপলব্ধি করেছিলেন সেই সত্য জগৎকে মায়া বলে ত্যাগ করার মধ্যে প্রতিষ্ঠিত নয়, সেই সত্য প্রতিষ্ঠিত বিশ্বলোকের মাঝখানে এসে দাঁড়িয়ে জগৎকে ভোগ করার মধ্যে। এ-জগৎ আর তাঁদের কাছে মিথ্যা নয়, মায়া নয়। উপনিষদের এ-কথা নতুনভাবে তুলে ধরলেন রবীন্দ্রনাথ:

    ‘সারা বিশ্বজুড়ে ‘দিব্যধামকে তাঁরা তাঁদের চারিদিকেই প্রসারিত দেখেন; আর যে মানুষের মুখেই দৃষ্টিপাত করেন, …অমৃতের পুত্র বলে তার পরিচয় প্রাপ্ত হন।’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা
    বাংলা উপন্যাস
    পিডিএফ
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বই
    বাংলা বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

     

    তিনি আরও জানালেন:

    ‘মহৎ সত্যকে যাঁরা পেয়েছেন তাঁরা আর তো দরজা বন্ধ করে থাকতে পারেন না; এক মুহূর্তেই তাঁরা বিশ্বলোকের মাঝখানে এসে দাঁড়ান; নিত্যকাল তাঁদের কণ্ঠকে আশ্রয় করে আপন মহাবাণী ঘোষণা করেন।’

    রবীন্দ্রনাথ আবার লিখেছেন,

    ‘ভারতবর্ষের তপোবনে অনন্তের বার্তা এসে পৌঁচেছিল।’

    সেই অমৃতের বার্তা কী? সেই অমৃতের বার্তাই উপনিষদের বাণী। রবীন্দ্রনাথের ভাষায় সেই বাণী ফিরে এল এইভাবে—

    ‘যিনি সর্বভূতকেই পরমাত্মার মধ্যে এবং পরমাত্মাকে সর্বভূতের মধ্যে দেখেন তিনি কাউকেই আর ঘৃণা করেন না।’

    অর্থাৎ তাঁর পক্ষে এ-জগৎকে মিথ্যা বলে ঘৃণা করা, মায়া বলে দূরে সরিয়ে দেওয়া আর সম্ভব হয় না।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বইয়ের
    অনলাইন বই
    বাংলা উপন্যাস
    নতুন উপন্যাস
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    PDF
    বিনামূল্যে বই

     

    উপনিষদের ধ্যানলব্ধ সত্যের আলোয় এবং রবীন্দ্রনাথের ব্যাখ্যার বিভায় যখন এই জগৎ তার স্বমহিমায় উদ্ঘাটিত হয় আমাদের সামনে, তখন উপনিষদের ঋষির মতোই আমরা বলতে পারি— ‘বেদাহং’। অর্থাৎ আমি জেনেছি, আমি পেয়েছি।

    কী পেয়েছি? কী জেনেছি? পেয়েছি এই সত্যকে যে ব্রহ্ম সত্য। আর জেনেছি এই সত্যকে যে, জগৎও সত্য, জেনেছি এই জগৎকে মায়া বলে মিথ্যা বলে ত্যাগ করার কথা প্রাচীন ভারতের ঋষি কোনও ভাবেই কোনওদিন বলেননি।

    উপনিষদের বিশ্ববোধকে রবীন্দ্রনাথ সহজ ভাষায়, আধুনিকতার আলোয়, এইভাবে ব্যাখ্যা করেছেন—

    ‘…বেদাহমেতং, আমি এঁকে জেনেছি। কাকে জেনেছ? আদিত্যবর্ণং— জ্যোতির্ময়কে জেনেছি যাঁকে কেউ গোপন করতে পারে না।… তাঁকে দেখছি ‘তমসঃ পরস্তাৎ’— তোমাদের সমস্ত রুদ্ধ অন্ধকারের পরপার হতে।… ‘আমাদের পরিচয় এই যে, আমরা তারা যারা বলে না যে, ঈশ্বর বিশেষ স্থানে বিশেষ স্বর্গে প্রতিষ্ঠিত। আমরা তারা যারা বলে; একোবশী সর্বভূতান্তরাত্মা। সেই এক প্রভুই সর্বভূতের অন্তরাত্মা।… আমরা তারা যারা এই বাণী ঘোষণার ভার নিয়েছি— এক! এক! অদ্বিতীয় এক!’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কমিকস
    পিডিএফ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা গল্প
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    অনলাইন বই
    বই
    বাংলা সাহিত্য

     

    যে-জগৎ ব্রহ্মে বা আদিসত্তাতে বিধৃত, যে-জগতের সর্বত্র বিরাজমান জগতের উৎস বা ব্রহ্ম, সেই জগৎকে মিথ্যা বলব কোন যুক্তিতে? তা হলে তো ব্রহ্মকেও মিথ্যা বা মায়া বলতে হয়।

    রবীন্দ্রনাথ আমাদের বিশ্ববোধের পুনরায় নবজাগৃতি ঘটালেন তাঁর ‘বিশ্ববোধ’ প্রবন্ধে। তিনি নবচেতনার আলোয় তুলে ধরলেন উপনিষদের প্রাণবার্তা। তিনি আমাদের উদ্ধার করলেন মায়াবাদের ফাঁদ থেকে। তিনি লিখছেন উপনিষদেরই কথা তাঁর নিজস্ব বোধ থেকে এ-যুগের ভাষায়:

    ‘…যে তেজোময় অমৃতময় পুরুষ সর্বানুভূ হয়ে আছেন তিনিই ব্রহ্ম। সর্বানুভূ, অর্থাৎ সমস্তই তিনিই অনুভব করছেন এই তাঁর ভাব। তিনি যে কেবল সমস্তর মধ্যে ব্যাপ্ত তা নয়, সমস্তই তাঁর অনুভূতির মধ্যে।’

    কেমন করে ব্রহ্ম তাঁর অনুভূতি দিয়ে এই জগতের সমস্তর মধ্যে ব্যাপ্ত হয়ে আছেন? একটি সহজ অথচ গভীর ব্যঞ্জনাময় উদাহরণ দিয়ে বোঝালেন রবীন্দ্রনাথ:

    ‘…শিশুকে মা যে বেষ্টন করে থাকেন সে কেবল তাঁর বাহু দিয়ে তাঁর শরীর দিয়ে নয়, তাঁর অনুভূতি দিয়ে। সেইটেই হচ্ছে মাতার ভাব, সেই তাঁর মাতৃত্ব। শিশুকে মা আদ্যোপান্ত অত্যন্ত প্রগাঢ়রূপে অনুভব করেন। তেমনি সেই অমৃতময় পুরুষের অনুভূতি সমস্ত আকাশকে পূর্ণ করে সমস্ত জগৎকে সর্বত্র নিরতিশয় আচ্ছন্ন করে আছে। সমস্ত শরীরে মনে আমরা তাঁর অনুভূতির মধ্যে মগ্ন হয়ে রয়েছি।…

     

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ভাষা
    অনলাইন বুক
    বইয়ের
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    অনলাইন গ্রন্থাগার

     

    …গায়ত্রীমন্ত্রে এই বোধকেই ভারতবর্ষ প্রত্যহ ধ্যানের দ্বারা চর্চা করেছে; এই বোধের উদ্‌বোধনের জন্যই উপনিষৎ সর্বভূতকে আত্মায় ও আত্মাকে সর্বভূতে উপলব্ধি করে ঘৃণা পরিহারের উপদেশ দিয়েছেন;’

    এই জগৎকে ঘৃণা করেও ত্যাগ করা যাবে না।

    উপনিষদ বলছে, আমাদের ভালবেসেই, আমাদের জন্যেই জগৎ ‘রসো বৈ সঃ’— এত রূপে রসে ভরা। আমরা সমস্ত জগৎ জুড়ে, সর্বত্র প্রতি কণায় কণায় পাচ্ছি অখণ্ড পরমানন্দ রসকেই। এই রসেরই বিচিত্র প্রকাশের মধ্যে বিরাজমান সৃষ্টির আদি উৎস, যাকে উপনিষদ বলছে ব্রহ্ম। রবীন্দ্রনাথ তাই এই জগৎকে উপভোগ করতে চান— ভোগ করতে চান জগতের সমস্ত রস-রূপ-গন্ধ-বর্ণ। এ জগৎ যে মিথ্যা নয়, মায়া নয়, তাকে যে ত্যাগ করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না, সেই সত্যদর্শন আবার ধ্বনিত হয়ে উঠেছে তাঁর নব বিশ্ববোধের প্রার্থনায়। এই প্রার্থনা হয়ে উঠুক বিশ্বজগতের কাছে আমাদের সকলের সমবেত প্রার্থনা। এই প্রার্থনার মধ্যেই যেন ভেঙে যায় আমাদের হাজার বছরের ভুল। আমরা যেন জীবন ও জগৎকে নতুনভাবে ফিরে পাই। উপনিষদের মূল বার্তা যেন আমাদের জীবনকে প্রাণিত করে। আমরা যেন মায়াবাদের মিথ্যা থেকে মুক্তি পাই। রবীন্দ্রনাথের প্রার্থনা ধ্বনিত হোক আমাদের হৃদয়েও—

    ‘…দাও আমাকে রসে ভরে দাও; চাই না ধন, চাই না মান, চাই না কারো চেয়ে কিছুমাত্র বড় হতে। তোমার যে রস হাটবাজারে কেনবার নয়, রাজভাণ্ডারে কুলুপ দিয়ে রাখবার নয়, যা আপনার অন্তহীন প্রাচুর্যে আপনাকে আর ধরে রাখতে পারছে না, চার দিকে ছড়াছড়ি যাচ্ছে… সেই তোমার নিখিল রসের নিবিড় সমষ্টিরূপ যে অমৃত তারই একটু কণা আমার হৃদয়ের মাঝখানটিতে একবার ছুঁইয়ে দাও।… রসো বৈ সঃ। রসং হ্যেবায়ং লবধ্বানন্দী ভবতি: তিনিই রস, যা কিছু আনন্দ সে এই রসকে পেয়েই।’

    অথচ এই ‘রস’-ই নাকি মায়া!

    তা কি হয়?

    উপনিষদ যে হাজার হাজার বছর আগে বলেছিল, এই রসের মধ্যেই ব্রহ্মের বা আদিশক্তির প্রকাশ ঘটেছে।

    সারা জগৎ জুড়ে এই রসের প্লাবন।

    সেই জগৎকে মিথ্যা বলছে না উপনিষদ। মিথ্যা বলছে না বিজ্ঞান। মিথ্যা বলছেন না রবীন্দ্রনাথ।

    আমরা কেন সেই জগৎকে মিথ্যা বলার ভুল আজও করব?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাইকো ২ – রবার্ট ব্লক
    Next Article হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প – মণি ভৌমিক

    Related Articles

    মণি ভৌমিক

    হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প – মণি ভৌমিক

    November 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }