Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ব্রহ্ম সত্য জগৎ সত্য : উপনিষদ বিজ্ঞান রবীন্দ্রনাথ – ড. মণি ভৌমিক

    মণি ভৌমিক এক পাতা গল্প142 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভুবনজোড়া আসনখানি

    আগের পরিচ্ছেদটি শেষ হয়েছে একটি জরুরি প্রশ্নে— আমরা কি এই জগৎকে মিথ্যে বলার মারাত্মক ভুল আজও করে চলব? ভুলটা করে চলছি, আজও আমাদের মধ্যে বহু শিক্ষিত নারী-পুরুষের মনে ‘জগৎ মিথ্যা’ এই ধারণা বাসা বেঁধে আছে। তার কারণ কি উপনিষদে এমন একটি সংকেত আছে যা আমরা ভুল বুঝেছি, ভুল ব্যাখ্যা করেছি?

    সংকেতটি হল, ত্যক্তেন ভুঞ্জীথাঃ। মাত্র দুটি শব্দ, যা গত হাজার বছরে ভারতের মানসিকতা ও সারা দেশের কর্মসংস্কৃতিটাই বদলে দিয়েছে। আমি বলব, ‘ত্যক্তেন ভুঞ্জীথাঃ’-র ভুল ব্যাখ্যা আমাদের সভ্যতাকেই পিছিয়ে দিয়েছে। এবং আমাদের ফেলে দিয়েছে এমন একটি দ্বন্দ্বের মধ্যে যে দ্বন্দ্বের কোনও সমাধান হল না আজও!

    ‘ত্যক্তেন ভুঞ্জীথাঃ’-র ভুল ব্যাখ্যা করে বলা হয়েছে, উপনিষদ বলছে ত্যাগ করতে—এই বিশ্বজগৎকে মায়া বলে মিথ্যা বলে ত্যাগ করতে। উপনিষদের এই ভুল ব্যাখ্যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে শংকরাচার্যের মায়াবাদের সারাৎসার— ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা। অতএব গত হাজার বছর ধরে উপনিষদের বাণী এবং শংকরাচার্যের মায়াবাদী প্রচারকে কাজে লাগিয়ে ক্রমাগত এই পেরেকের মাথায় হাতুড়ি মারা হল যে জগৎকে মিথ্যা বলে ত্যাগ না করলে জগতের মায়া আমাদের ব্রহ্ম থেকে, সত্য থেকে দূরে ভুল পথে নিয়ে যাবে। সেই পথে অনন্ত নরক সুনিশ্চিত— এমন একটি ভয়ও দেখানো হল ভারতবাসীকে।

    কিন্তু ‘ত্যক্তেন ভুঞ্জীথাঃ’-র মধ্যে যে শুধু ত্যাগ নয়, ত্যাগের মধ্যে ভোগের সংকেতও লুকিয়ে আছে, সেটি উপনিষদের শংকরাচার্য-প্রভাবিত প্রবক্তা ও ব্যাখ্যাকাররা চেপে গেলেন। চেপে যাওয়ার বা ভুল ব্যাখ্যার কারণ, তাঁরা চাননি জগতের আনন্দে মানুষ যুক্ত হোক। তাঁরা চেয়েছিলেন মানুষের মধ্যে গড়ে উঠুক ধর্মভয়, মৃত্যুভয়, পাপবোধ, বিষণ্ণতা। মানুষ ভুলে যাক সে অমৃতের সন্তান।

    বারেবারেই বলছি, নবযুগের প্রাণপুরুষ রবীন্দ্রনাথই প্রথম যিনি সহজ ও সাহসী ব্যাখ্যায় হাজার বছরের এই ভ্রান্তিকে শুধরে দিয়েছেন! তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ না হয়ে আমাদের উপায় নেই। একটি ধাক্কায় তিনি বিপ্লব ঘটিয়ে দিয়েছেন ভারতের ত্যাগপ্রবণ, কর্মবিমুখ, অলস, জগৎ থেকে মুখ ফেরানো মানসিকতার। রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘বিশ্ববোধ’ প্রবন্ধে লিখেছেন, উপনিষদ বলছে—

    ‘এই-যে সমস্তকে পাওয়া, সমস্তকে অনুভব করা, এর একটি মূল্য দিতে হয়। কিছু না দিয়ে পাওয়া যায় না। এই সকলের চেয়ে বড় পাওয়ার মূল্য কী? আপনাকে দেওয়া। আপনাকে দিলে তবে সমস্তকে পাওয়া যায়। আপনার গৌরবই তাই— আপনাকে ত্যাগ করলে সমস্তকে লাভ করা যায় এইটেই তার মূল্য, এইজন্যই সে আছে।’

    যাঁরা শংকরাচার্যের মায়াবাদে বিশ্বাসী তাঁরা উপনিষদের এই বাণীর অপব্যাখ্যা করে বললেন, জগৎকে ত্যাগ করো, সব মিথ্যা। উপনিষদের মূল বক্তব্য কিন্তু ত্যাগ না করলে ভোগ করা যায় না। ভোগের মূল্য হচ্ছে ত্যাগ। উপনিষদের এই সার কথাটি তাঁরা বুঝে বা না-বুঝে এড়িয়ে গেলেন।

    এড়িয়ে গেলেন না রবীন্দ্রনাথ। তিনিই বৈপ্লবিক সাহসে একেবারে এ-যুগের ভাষায় সাধারণ মানুষের প্রাণের মধ্যে ঢেলে দিলেন উপনিষদের সারমর্ম তাঁর ‘শান্তিনিকেতন’ গ্রন্থের ‘বিশ্ববোধ’ প্রবন্ধে—

    ‘…উপনিষদে একটি সংকেত আছে: ত্যক্তেন ভুঞ্জীথাঃ। ত্যাগের দ্বারাই লাভ করো, ভোগ করো। মা গৃধঃ। লোভ কোরো না।’

    রবীন্দ্রনাথ উপনিষদের সঠিক ব্যাখ্যা করে শুধুমাত্র ত্যাগের কথাই বললেন না কিন্তু— বললেন, ত্যাগের মধ্যে দিয়ে ভোগ করার কথা! ‘ত্যক্তেন’ মানে ত্যাগের দ্বারা। ‘ভুঞ্জীথাঃ’ মানে ভোগ করো।

    ত্যাগের দ্বারা ভোগ? সে আবার কেমন কথা? একদিকে ত্যাগ। অন্যদিকে ভোগ। এই বিপরীত স্রোতকে উপনিষদ মেশাতে বলছে? কী করে সম্ভব?

    যাঁরা উপনিষদের ভুল ব্যাখ্যা করলেন তাঁরা ‘ত্যক্তেন ভুঞ্জীথাঃ’-র পরের দু’টি শব্দও আড়ালে রেখে দিয়েছিলেন। শব্দ দুটি হল ‘মা গৃধঃ’। ছোট্ট এক সংকেত, কিন্তু ব্যঞ্জনায় গভীরপ্রসারী। উপনিষদ বলছে, ভোগ করো। কিন্তু লোভ কোরো না। এই লোভ-না-করাই হল ত্যাগ। লোভ না করা মানে যা ভোগ করবে— অর্থাৎ এই জগতের রূপ-রস-ধর্ম-গন্ধ-আনন্দ, এই জীবনের বিচিত্র সম্ভার ও অবদান— সেই সবের সঙ্গে জড়িয়ে যেয়ো না। অর্থাৎ মনে কোরো না সব তোমার। ভোগের বস্তুর সঙ্গে লিপ্ত হয়ে যেয়ো না। ভোগ করো। কিন্তু সংসক্ত, সম্পৃক্ত হোয়ো না। ভোগের বস্তুর সঙ্গে, জগতের সঙ্গে এই অলগ্নতা, এই জড়িয়ে-না-পড়াই ত্যাগ। জগৎকে মিথ্যা বলে ত্যাগ করার প্রয়োজন নেই। কারণ জগৎ সত্য। শুধু ভোগের সঙ্গে লিপ্ত হয়ে যাওয়া চলবে না। উপনিষদ ত্যাগ বলতে এই নির্বেদকেই বোঝাচ্ছে।

    তবু আমাদের শেখানো হল জগৎকে ‘মিথ্যা’ বলতে। এই ভুলের উৎসটি খুঁজে পেয়েছেন রবীন্দ্রনাথ, বলেছেন সে-কথা দুর্বার সাহসের সঙ্গে—

    ‘বুদ্ধদেবের যে শিক্ষা সেও বাসনাবর্জনের শিক্ষা। গীতাতেও বলছে, ফলের আকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করে নিরাসক্ত হয়ে কাজ করবে। এই সকল উপদেশ হতেই অনেকে মনে করেন, ভারতবর্ষ জগৎকে মিথ্যা বলে কল্পনা করে বলেই এইপ্রকার উদাসীনতার প্রচার করেছে। কিন্তু কথাটা ঠিক এর উল্টো।’

    (বিশ্ববোধ)

    ‘কিন্তু কথাটা ঠিক এর উল্টো’— এ-কথা আজ থেকে প্রায় একশো বছর আগে লিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ। মায়াবাদের বিরুদ্ধে এমন প্রবল প্রতিবাদের কথা লিখতে কতটা সাহসের প্রয়োজন আজ তার হয়তো আমরা আন্দাজই করতে পারব না।

    কিন্তু এখানেই থামলেন না তিনি। মায়াবাদকে বিদ্রূপ করলেন এইভাবে—

    ‘যে লোক আপনাকেই বড়ো করে চায় সে আর-সমস্তকেই খাটো করে। যার মনে বাসনা আছে সে কেবল সেই বাসনার বিষয়েই বদ্ধ, বাকি সমস্তের প্রতিই উদাসীন। উদাসীন শুধু নয়, হয়তো নিষ্ঠুর। এর কারণ এই, প্রভুত্বে কেবল তারই রুচি যে ব্যক্তি সমগ্রের চেয়ে আপনাকেই সত্যতম বলে জানে; বাসনার বিষয়ে তারই রুচি যার কাছে সেই বিষয়টি সত্য, আর সমস্তই মায়া। এই সকল লোকেরা হচ্ছে যথার্থ মায়াবাদী।’

    রবীন্দ্রনাথ যা বললেন তার সারমর্ম হল এই— তারাই জগৎকে মিথ্যা বলে যারা বিশ্বজগতের চেয়ে নিজেদের বড় বলে মনে করে, সত্য বলে মনে করে। মায়াবাদের মধ্যে লুকিয়ে আছে মিথ্যা অহংকার— সেই কথাটি সাহস আর বিদ্রূপের সঙ্গে ধরিয়ে দিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ।

    কিন্তু তা সত্ত্বেও আজও আমাদের মধ্যে অনেকেই শুধু ব্রহ্মকেই সত্য বলে মানেন, তাঁর সৃষ্ট জগৎকে মিথ্যা বলেই তাঁরা ভাবতে শিখেছেন বাল্যকাল থেকে— গুরুজনদের কাছে এই একই কথা শুনে শুনে। তাঁরা জগৎকে ভোগ করার মধ্যে যে কোনও অন্যায় নেই, তা মানতে পারছেন না ভিতর থেকে। তাঁরা আজও মায়াবাদের শিকার। মনে করেন জগৎ মায়া, মিথ্যা।

    রবীন্দ্রনাথ শুধু মায়াবাদকে বিদ্রূপ করেননি, পথ দেখিয়েছেন মায়াবাদ থেকে বেরোবার। মায়াবাদের ‘মিথ্যা’ থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হল, নিজেকে ব্যাপ্ত করা, ছড়িয়ে দেওয়া, অহংকার ও বাসনার বন্ধন কাটিয়ে এই জগৎকে ভোগ করা, এই জগৎকে ব্রহ্মেরই মতো সত্য বলে গ্রহণ করা। রবীন্দ্রনাথ ঠিক কী বলেছেন এবার পড়া যাক—

    ‘মানুষ নিজেকে যতই ব্যাপ্ত করতে থাকে ততই তার অহংকার এবং বাসনার বন্ধন কেটে যায়।…

    …ততই তাকে বৃহৎ ত্যাগের জন্যে প্রস্তুত হতে হয়। একেই তো বলে বীতরাগ হওয়া। এইজন্যেই মহত্ত্বের সাধনামাত্রই মানুষকে বলে: ত্যক্তেন ভুঞ্জীথাঃ। বলে: মা গৃধঃ।…

    এই যে বাধাহীন চৈতন্যময় বিশ্ববোধটি ভারতবর্ষে অত্যন্ত সত্য হয়ে উঠেছিল এই কথাটি আজ আমরা যেন সম্পূর্ণ গৌরবের সঙ্গে আনন্দের সঙ্গে স্মরণ করি। এই কথাটি স্মরণ করে আমাদের বক্ষ যেন প্রশস্ত হয়, আমাদের চিত্ত যেন আশ্বান্বিত হয়ে ওঠে। যে বোধ সকলের চেয়ে বড়ো সেই বিশ্ববোধ, যে লাভ সকলের চেয়ে শ্রেষ্ঠ লাভ সেই ব্রহ্মলাভ— কাল্পনিকতা নয়;…’

    প্রাণের মধ্যে বিশ্ববোধ না গড়ে উঠলে, বিশ্বজগৎকে সত্য বলে ভাল না বাসলে সত্যকে জানা যায় না— উপনিষদের এই প্রাণবার্তাটুকু তুলে ধরলেন রবীন্দ্রনাথ। উনি নিজেই পরিষ্কার ভাবে ব্যাখ্যা করে বলেছেন,

    ‘আসক্তি আমাদের চিত্তকে বিষয়ে আবদ্ধ করে। চিত্ত যখন সেই বিষয়ের ভিতরে বিষয়াতীত সত্যকে লাভ করে, তখন প্রজাপতি যেমন গুটি কেটে বের হয় তেমনি সে বৈরাগ্য-দ্বারা আসক্তি বন্ধন ছিন্ন করে ফেলে। আসক্তি ছিন্ন হয়ে গেলেই পূর্ণ সুন্দর প্রেম আনন্দ রূপে সর্বত্রই প্রকাশ পায়। তখন, আনন্দরূপমৃতং যদবিভাতি— এই মন্ত্রের অর্থ বুঝতে পারি। যা-কিছু প্রকাশ পাচ্ছে সমস্তই সেই আনন্দরূপ, সেই অমৃতরূপ। কোনো বস্তুই তখন আমি প্রকাশ হচ্ছি বলে আর অহংকার করে না, প্রকাশ হচ্ছেন কেবল আনন্দ, কেবল আনন্দ। সেই প্রকাশের মৃত্যু নেই।’

    কোথা থেকে মায়াবাদের বিরুদ্ধে এমন তীব্র প্রতিবাদে এ-কথা বলার সাহস পেলেন রবীন্দ্রনাথ? পেলেন উপনিষদ থেকেই।

    উপনিষদের মতে, বিশ্বজগতের মধ্যে ব্রহ্ম বা আদিসত্তা বা উৎসকে জানার মধ্যেই সত্যকে জানা যায়। ব্রহ্মকে জানবার চেষ্টা না করলে সে-পথ ধ্বংসের পথ। কিন্তু ব্রহ্মকে জানার চেষ্টা করা মানে জগৎকে ত্যাগ করা নয়। আবার জগৎকে ত্যাগ না করা মানে ভোগে জড়িয়ে পড়া নয়, সে-পথও সর্বনাশের।

    তা হলে শংকরাচার্যের মতো একজন সর্বশাস্ত্রবিদ, প্রখর যুক্তিবাদী, ধীময় মানুষ কেন বললেন, ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা? জগৎকেও সত্য বলে কেন তিনি মেনে নিতে পারেননি?

    আমার মনে হয়, সত্যের মূর্ত ও বিমূর্ত উপস্থিতির মধ্যে যে বিরোধাভাস আছে তা তিনি তাঁর নিজস্ব যুক্তি দিয়ে সমাধান করতে পারেননি। কারণ হাজার বছর আগে বিজ্ঞানের যুক্তি এই বিরোধভাসের সমাধানের পর্যায়ে পৌঁছোয়নি। কিন্তু আজ পৌঁছেছে। আবার উপনিষদের উপলব্ধ সত্যকেও মেনে নিতে পারেননি তিনি। সত্যের প্রকাশ মহাবিশ্বে দুইভাবে। এক বিমূর্ত সত্য। যার কোনও পরিবর্তন নেই। কোনও বিনাশ নেই। সত্যের আর এক প্রকাশ মূর্ত। সত্যের এই মূর্ত প্রকাশই হল জগৎ। মূর্ত সত্য কিন্তু পরিবর্তনশীল। শংকরাচার্য এই পরিবর্তনশীল সত্যকেই ‘সত্য’ বলে গ্রহণ করতে পারলেন না। তিনি এই পরিবর্তনশীল সত্য অর্থাৎ জগৎকে ত্যাগ করার বাণী প্রচার করলেন।

    আজকের কোয়ান্টাম বিজ্ঞান বলছে, জগতের এই পরিবর্তনশীল সত্য আর বিশ্বজগতের প্রতি কণায় বিরাজমান ‘উৎস’ যা শাশ্বত সত্য, তাদের মধ্যে কোনও বিরোধ নেই, দুই-ই সমান সত্য। বিজ্ঞানের এ-কথা একেবারেই প্রমাণিত সত্য। হাজার হাজার বছর আগে ভারতের প্রাচীন ঋষি, বিজ্ঞানের সাহায্য ছাড়াই ধ্যানের মাধ্যমে উপনীত হয়েছিলেন এই সত্যে যে, সৃষ্টির উৎস মিশে আছে এই বিশ্বজগতের বুননের সঙ্গে— তাকে অস্বীকার করার উপায় নেই। আর যেহেতু সেই আদিউৎস বিশ্বের সর্বত্র ওতপ্রোত জড়িয়ে, সেই বিশ্বজগৎকে মিথ্যা বলে ত্যাগ করারও কোনও উপায় নেই।

    এবার রবীন্দ্রনাথে ফিরে যাওয়া যাক। তিনি যেভাবে যত সহজে বুঝিয়ে বলতে পারেন, সে তো আর কেউ পারেন না। এই বিশ্ব সম্পর্কে উপনিষদের অন্তরবার্তাটি ব্যাখ্যা করলেন রবীন্দ্রনাথ—

    ‘…য একঃ, যিনি এক; অবর্ণঃ, যাঁর বর্ণ নেই; বিচৈতি চান্তে বিশ্বমাদৌ, যিনি সমস্তের আরম্ভে এবং সমস্তের শেষে…।’

    এই সহজ ব্যাখ্যার পরে নিজের অনুভবের কথা, উপলব্ধির কথা অতুলনীয়ভাবে প্রকাশ করলেন রবীন্দ্রনাথ—

    ‘হে সর্বানুভূ, তোমার যে অমৃতময় অনন্ত অনুভূতির দ্বারা বিশ্বচরাচরের যা-কিছু সমস্তকেই তুমি নিবিড় করে বেষ্টন করে ধরেছ, সেই তোমার অনুভূতিকে এই ভারতবর্ষের উজ্জ্বল আকাশের তলে দাঁড়িয়ে একদিন এখানকার ঋষি তাঁর নিজের নির্মল চেতনার মধ্যে যে কী আশ্চর্য গভীররূপে উপলব্ধি করেছেন তা মনে করলে আমার হৃদয় পুলকিত হয়। মনে হয়, যেন তাঁদের সেই উপলব্ধি এ দেশের এই বাধাহীন নীলাকাশে, এই কুহেলিকাহীন উদার আলোকে আজও সঞ্চারিত হচ্ছে। মনে হয়, যেন এই আকাশের মধ্যে আজও হৃদয়কে উদ্ঘাটিত করে নিস্তব্ধ করে ধরলে তাঁদের সেই বৈদ্যুতময় চেতনার অভিঘাত আমাদের চিত্তকে বিশ্বস্পন্দনের সমান ছন্দে তরঙ্গিত করে তুলবে।’

    বিশ্বজগৎকে এইভাবে অন্তরে গ্রহণ করার কথা বললেন রবীন্দ্রনাথ। বললেন প্রাচীন ঋষিবাণীর কথা— যে-বাণীর উৎস মহাবিশ্বের সঙ্গে চেতনার বিশুদ্ধ বন্ধন। জগতের মূর্ত সত্য আর সৃষ্টি-উৎসের অমূর্ত সত্য— দুই-ই এক, উপলব্ধ হয়েছিল ভারতের প্রাচীন ঋষির ধ্যানে। এইভাবেই সেই ধ্যানের মধ্যে ধরা দিয়েছিল জগতের এক পরিপূর্ণ মূর্তি। রবীন্দ্রনাথ প্রাচীন ভারতীয় দর্শনের এই সারাৎসারকে ব্যাখ্যা করলেন নিজের ভাষায়, বোঝালেন কীভাবে ভোগের মধ্যে ত্যাগ সম্ভব, কেন ভোগ না করলে ত্যাগের মহিমায় উত্তীর্ণ হওয়া যায় না—

    ‘কী আশ্চর্য পরিপূর্ণতার মূর্তিতে তুমি তাঁদের কাছে দেখা দিয়েছিলে— এমন পূর্ণতা যে কিছুতে তাঁদের লোভ ছিল না। যতই তাঁরা ত্যাগ করেছেন ততই তুমি পূর্ণ করেছ, এইজন্যে ত্যাগকেই তাঁরা ভোগ বলেছেন।’

    উপনিষদের এই সহজ কথাটাই তলিয়ে গিয়েছিল গত হাজার বছর ধরে মায়াবাদের অতলে। সাহসী ডুবুরির মতো সেই সারমর্মটিকে অতল থেকে উদ্ধার করে আনলেন রবীন্দ্রনাথ:

    ‘তাঁদের দৃষ্টি এমন চৈতন্যময় হয়ে উঠেছিল যে, লেশমাত্র শূন্যকে কোথাও তাঁরা দেখতে পান নি, মৃত্যুকেও বিচ্ছেদরূপে তাঁরা স্বীকার করেন নি।’

    মহাবিশ্বের মধ্যে আপাত স্ববিরোধকে বুঝতে পারেননি শংকরাচার্য। বুঝতে পেরেছিলেন তাঁর চেয়ে অনেক প্রাচীন ঋষিরা। বুঝতে পেরেছে এ যুগের বিজ্ঞান। এই স্ববিরোধের এক অপূর্ব ব্যাখ্যা করেছেন রবীন্দ্রনাথ—

    ‘এইজন্যে অমৃতকে যেমন তাঁরা তোমার ছায়া বলেছেন তেমনি মৃত্যুকেও তাঁরা তোমার ছায়া বলেছেন: যস্য ছায়ামৃতং যস্য মৃত্যুঃ। এইজন্যে তাঁরা বলেছেন: প্রাণো মৃত্যুঃ প্রাণস্তক্মা। প্রাণই মৃত্যু, প্রাণই বেদনা। এইজন্যেই তাঁরা… বলেছেন: নমস্তে অস্তু আয়তে। নমো অস্তু পরায়তে। যে প্রাণ আসছ তোমাকে নমস্কার। যে প্রাণ চলে যাচ্ছ তোমাকে নমস্কার। প্রাণে হ ভূতং ভব্যং চ। যা চলে গেছে তা প্রাণেই আছে, যা ভবিষ্যতে আসবে তাও প্রাণের মধ্যেই রয়েছে।’

    ভারতের প্রাচীন ঋষি তাঁর ধ্যানের অন্তরে, জগতের পরিবর্তনশীল রূপের মধ্যে বিস্ময়করভাবে চিরন্তন অপরিবর্তনীয় সত্যের উদ্ভাস খুঁজে পেয়েছিলেন। কোথাও তাঁরা অপরিবর্তনীয় ব্রহ্ম আর পরিবর্তনশীল জগতের মধ্যে বিরোধ দেখতে পাননি, বরং উপলব্ধি করেছিলেন সত্যের এই ‘রূপ’ একই সূত্রে গাঁথা। লিখেছেন রবীন্দ্রনাথ—

    ‘তাঁরা অতি সহজেই এই কথাটি বুঝেছিলেন যে, যোগের বিচ্ছেদ কোনোখানেই নেই। প্রাণের যোগ যদি জগতের কোনো এক জায়গাতেও বিচ্ছিন্ন হয় তাহলে জগতে কোথাও একটি প্রাণীও বাঁচতে পারে না। সেই বিরাট প্রাণসমুদ্রই তুমি। যদিদং কিঞ্চ প্রাণ এজতি নিঃসৃতং। এই যা-কিছু সমস্তই সেই প্রাণ হতে নিঃসৃত হচ্ছে এবং প্রাণের মধ্যেই কম্পিত হচ্ছে। নিজের প্রাণকে তাঁরা অনন্তের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন করে দেখেন নি, সেইজন্যেই প্রাণকে তাঁরা সমস্ত আকাশে ব্যাপ্ত দেখে বলেছেন: প্রাণো বিরাট্।’

    বিশ্বজগতের সঙ্গে, যে-কারণেই হোক, হয়তো প্রাণের সম্পর্ক স্থাপন করতে পারেননি শংকরাচার্য। তিনি উপলব্ধি করেননি এই সত্য যে, তাঁর প্রাণ সারা জগতে পরিব্যাপ্ত অনন্ত প্রাণের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন। রবীন্দ্রনাথের প্রাণের কথা, ‘প্রাণ, প্রাণ, প্রাণ, সমস্ত প্রাণময়,— কোথাও তার রন্ধ্র নেই, অন্ত নেই।’ উপনিষদও জগতের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা এই অখণ্ড অনবচ্ছিন্ন প্রাণকে উপলব্ধি করেছে, সত্য বলে জানিয়েছে। এ-কথা উপলব্ধি করেননি শংকরাচার্য। তাই তিনি ব্রহ্ম আর জগৎকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখেছেন। দেখেননি অখণ্ডভাবে। যদি তা দেখতেন তা হলে বলতে বাধ্য হতেন, ব্রহ্ম সত্য, জগৎ সত্য।

    একমেবাদ্বিতীয়ম্ যিনি, সেই অদ্বৈত এক যে বহু হয়ে জগতে প্রকাশমান, এবং সেই অপরিবর্তনীয় চিরন্তন ‘এক’ এবং পরিবর্তনীয় ‘বহু’ যে সমান সত্য, একই সত্যের দুটি প্রকাশ মাত্র, তাদের মধ্যে কোনও বিরোধ নেই, উপনিষদের এই গূঢ় বার্তাটি শংকরাচার্য বুঝতে পারেননি বা হয়তো বুঝতে চাননি। এই বিরোধ শুধুমাত্র আপাত— এ-কথা বুঝেছিলেন হাজার হাজার বছর আগে ভারতের ঋষি। এ-কথা বলছে আধুনিক বিজ্ঞান। এ-কথা বলছেন রবীন্দ্রনাথ এইভাবে— ব্রহ্ম আর জগৎকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে,

    ‘…আমরা হারাচ্ছি তাঁকে যিনি সকলকে নিয়েই এক হয়ে আছেন— যিনি তাঁর প্রকাশকে বিচিত্র করেছেন কিন্তু বিরুদ্ধ করেন নি।’

    জগৎকে এই যে আমরা মিথ্যা ভাবতে, মায়া বলতে শিখেছি অন্তত গত হাজার বছর ধরে, এই যে আমরা ক্রমশ দূরে সরে গেছি উপনিষদের বিশ্ববোধ থেকে, তাতে ভারতবাসীর কী বিপুল ক্ষতি হয়েছে তা আমরা ভেবে দেখি না। ভাবলে পায়ের তলার মাটি কেঁপে উঠবে। রবীন্দ্রনাথ বর্ণনা করেছেন আমাদের এই সমষ্টিগত গভীর ক্ষতির। তাঁর মতো করে এত সংক্ষেপে, এমন ব্যঞ্জনাময় করে আমরা কেউই বলতে পারব না। তাই তাঁর উদ্ধৃতি দিয়েই শেষ করছি এই পরিচ্ছেদ—

    ‘…আজ আমাদের মধ্যে দুর্গতির সীমা পরিসীমা নেই; যা ভালো তা কেবলই বাধা পায়, পদে পদেই খণ্ডিত হতে থাকে, তার ক্রিয়া সর্বত্র ছড়াতে পায় না।… এমনি করেই ভূমাকে আমরা হারালুম, মনুষ্যত্বকে তার বৃহৎ ক্ষেত্রে দাঁড় করাতে আর পারলুম না, নিরর্থক কতকগুলি আচার মেনে চলাই আমাদের কর্ম হয়ে দাঁড়াল, শক্তিকে বিচিত্র পথে উদারভাবে প্রসারিত করা হল না, চিত্তের গতিবিধির পথ সংকীর্ণ হয়ে এল, আমাদের আশা ছোটো হয়ে গেল, ভরসা রইল না, পরস্পরের পাশে এসে দাঁড়াবার কোনো টান নেই, কেবলই তফাতে তফাতে সরে যাবার দিকেই তাড়না, কেবলই টুকরো টুকরো করে দেওয়া, কেবলই ভেঙে ভেঙে পড়া— শ্রদ্ধা নেই, সাধনা নেই, শক্তি নেই, আনন্দ নেই। যে মাছ সমুদ্রের সে যদি অন্ধকার গুহার ক্ষুদ্র বদ্ধ জলের মধ্যে গিয়ে পড়ে তবে সে যেমন ক্রমে অন্ধ হয়ে ক্ষীণ হয়ে আসে, তেমনি আমাদের যে আত্মার স্বাভাবিক বিহারক্ষেত্র হচ্ছে বিশ্ব, আনন্দলোক হচ্ছেন ভূমা, তাকে এই সমস্ত শতখণ্ডিত খাওয়া-ছোঁওয়ার ছোটো ছোটো গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ করে প্রতিদিন তার বুদ্ধিকে অন্ধ, হৃদয়কে বন্দী এবং শক্তিকে পঙ্গু করে ফেলা হচ্ছে।’

    এই ক্ষতি থেকে আমাদের উদ্ধার পেতেই হবে। এই বিনষ্টি থেকে, সর্বনাশ থেকে বেরোবার পথ আমাদের পেতেই হবে। কে আমাদের আলো দেখাবে? রবীন্দ্রনাথ বললেন,

    ‘এর যে যথার্থ উত্তর সে আমাদের দেশেই আছে। ইহ চেৎ অবেদীৎ অথ সত্যমস্তি, ন চেৎ ইহ অবেদীৎ মহতী বিনষ্টিঃ। ইঁহাকে যদি জানা গেল তবেই সত্য হওয়া গেল, ইঁহাকে যদি না জানা গেল তবেই মহাবিনাশ। এঁকে কেমন করে জানতে হবে? না, ভূতেষু ভূতেষু বিচিন্ত্য। প্রত্যেকের মধ্যে, সকলেরই মধ্যে, তাঁকে চিন্তা করে, তাঁকে দর্শন করে।… সেই একই অমৃত, সেই একের থেকে বিচ্ছিন্নতাই মৃত্যু।’

    শুধু ব্রহ্মকে সত্য বললে, আর জগৎকে মিথ্যা, মায়া বলে ত্যাগ করলে আমরা নিজেরাই সত্য থেকে বিচ্ছিন্ন হব। এবং সেই বিচ্ছিন্নতাই আমাদের নিয়ে যাচ্ছে সর্বনাশের পথে। এই সর্বনাশ থেকে আমাদের বাঁচতেই হবে। জাগ্রত হতে হবে নতুন চেতনার উদ্ভাসে। উপনিষদ ও রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে সুর মিলিয়ে আমরাও যেন বলতে পারি—

    ভুবনজোড়া আসনখানি

    আমার হৃদয়-মাঝে বিছাও আনি॥

    রাতের তারা, দিনের রবি, আঁধার-আলোর সকল ছবি,

    তোমার আকাশ ভরা সকল বাণী—

    আমার হৃদয়-মাঝে বিছাও আনি॥

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাইকো ২ – রবার্ট ব্লক
    Next Article হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প – মণি ভৌমিক

    Related Articles

    মণি ভৌমিক

    হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প – মণি ভৌমিক

    November 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }