Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ব্রহ্ম সত্য জগৎ সত্য : উপনিষদ বিজ্ঞান রবীন্দ্রনাথ – ড. মণি ভৌমিক

    মণি ভৌমিক এক পাতা গল্প142 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আনন্দ অমৃতরূপে বিশ্বের প্রকাশ

    রবীন্দ্রনাথের বিশ্বভাবনায় মিলছে আধুনিক বিজ্ঞান এবং প্রাচীন উপনিষদ। আধুনিক বিজ্ঞান মহাবিশ্বের ভিত্তিস্তরে গভীর প্রত্যয়ে ক্রমেই আবিষ্কার করেছে তার অখণ্ডতা। উপনিষদেও বলা হয়েছে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের অখণ্ডতার কথা। বলা হয়েছে, একই আদিসত্তার প্রকাশ ঘটেছে অগ্নিতে, জলেতে, ওষধিতে, বনস্পতিতে— এই আদিসত্তা মহাবিশ্বের সর্বত্র প্রবিষ্ট, প্রকাশিত।

    উপনিষদের এই শ্লোকটির১ প্রায় আক্ষরিক অনুবাদ করলেন রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘নৈবেদ্য’ কাব্যগ্রন্থের ৫৭ সংখ্যক কবিতায়:

    তপোবন তরুচ্ছায়ে মেঘমন্দ্রস্বর

    ঘোষণা করিয়াছিল সবার উপরে

    অগ্নিতে, জলেতে, এই বিশ্বচরাচরে,

    বনস্পতি ওষধিতে এক দেবতার

    অখণ্ড অক্ষয় ঐক্য।

    ব্রহ্ম শুধু এই বিশ্বের সর্বত্র উপস্থিত নেই, তিনি এই অখণ্ড মহাবিশ্বকে চালিতও করছেন। তাঁরই প্রতাপে অগ্নি তাপ দান করে, সূর্য উত্তাপ বিতরণ করে, ইন্দ্র, বায়ু ও মৃত্যু আপন আপন কাজ করে যাচ্ছে। এই বিশ্বাস কঠোপনিষদের।২ এই ভাবটিই হুবহু উচ্চারিত হল রবীন্দ্রনাথের কবিতায়:

    …বিশ্বচরাচর

    ঝরিছে আনন্দ হতে আনন্দ-নির্ঝর।

    অগ্নির প্রত্যেক শিখা ভয়ে তব কাঁপে,

    বায়ুর প্রত্যেক শ্বাস তোমারি প্রতাপে

     

    আরও দেখুন
    PDF
    বাংলা লাইব্রেরী
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা অডিওবুক
    নতুন উপন্যাস
    পিডিএফ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    অনলাইন বুক
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা উপন্যাস

     

    তোমারি আদেশ বহি মৃত্যু দিনরাত

    চরাচর মর্মরিয়া করে যাতায়াত।

    (নৈবেদ্য: ৫৮)

    মহাবিশ্বের অখণ্ডতার অন্য একটি দিকের ওপর আলোকপাত করেছেন অন্তত কিছু বিখ্যাত বিজ্ঞানী। আমার বই ‘বিজ্ঞানে ঈশ্বরের সংকেত’-এ তার আলোচনা করেছি।

    সেই বিজ্ঞানীরা বলছেন, সমগ্র বিশ্বের মধ্যে, তার বুননে বুননে, ছড়িয়ে আছে অখণ্ড চৈতন্য। উপনিষদের ঋষিও উপলব্ধি করেছিলেন বিশ্বের অন্তর্নিহিত অখণ্ড চৈতন্যের অস্তিত্বকে। উপনিষদ সারা বিশ্বব্যাপী বিরাজমান এই অখণ্ড চৈতন্যকেই বলছে ব্রহ্ম।৩

    রবীন্দ্রনাথের কাব্যে তাঁর বিশেষ এষণা তাঁকে নিয়ে গেছে সারা বিশ্বের বুননে ছড়িয়ে থাকা অখণ্ডচৈতন্যের উপলব্ধিতে। বিজ্ঞান-সমর্থিত সত্য ও উপনিষদের বিশ্ববোধ মিশে গেছে রবীন্দ্রনাথের ধ্যানে। তাঁর বিশ্বপ্রজ্ঞার মধ্যে ফুটে উঠেছে অসীম চৈতন্যের পরপারে দাঁড়িয়ে এক জ্যোতির্ময় সত্তা:

     

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ভাষা
    বুক শেল্ফ
    ই-বই ডাউনলোড
    গ্রন্থাগার সেবা
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা কমিকস

     

    সৃষ্টিলীলা প্রাঙ্গণের প্রান্তে দাঁড়াইয়া

    দেখি ক্ষণে ক্ষণে

    তামসের পরপার,

    যেথা মহা অব্যক্তের অসীম চৈতন্যে ছিনু লীন।

    আজি এই প্রভাতকালে ঋষিবাক্য জাগে মোর মনে।

    করো করো অপাবৃত, হে সূর্য, আলোক-আবরণ,

    তোমার অন্তরতম পরম জ্যোতির মধ্যে দেখি

    আপনার আত্মার স্বরূপ।

     

    আরও দেখুন
    ই-বই ডাউনলোড
    সাহিত্য পত্রিকা
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ভাষা
    বইয়ের
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    Books
    বাংলা ই-বই

     

    (জন্মদিনে: ১৩)

    রবীন্দ্রনাথের ভাবনা, তাঁর দর্শন একদিকে যেমন উপনিষদের দ্বারা প্রাণিত, অন্যদিকে বিজ্ঞানের দ্বারাও অনেকটাই সমর্থিত। মহাবিশ্ব-বিষয়ে প্রাচীন ভারতের উপলব্ধির সঙ্গে আধুনিক বিজ্ঞানের সত্যসন্ধানের সকল বিভেদ যেন শেষ হয়ে গেছে রবীন্দ্রনাথের গানে, কবিতায়। রবীন্দ্রচেতনায় উপনিষদের প্রভাব সুদূর প্রসারিত। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের বিশ্ববোধ ছিল না বিজ্ঞানবিহীন।

    আজীবন রবীন্দ্রনাথ ছিলেন আলোর উপাসক। একই সঙ্গে বিজ্ঞান ও উপনিষদ তাঁর আলোক-এষণার প্রেরণা। ঈশোপনিষদের আলোক-উপাসনার বীজমন্ত্র১ ধ্বনিত হয়েছে রবীন্দ্রকাব্যে বারবার। ‘পূরবী’ কাব্যের ‘সাবিত্রী’ কবিতাটির কথা মনে পড়ছে। রবীন্দ্রনাথের এই কবিতার বিষয় সূর্যের আলো ও প্রাণ। যে-আলো দূর করে অন্ধকার, যে-আলো প্রাণের উৎস:

    তোমারি হোমাগ্নি মাঝে আমার সত্যের আছে ছবি,

     

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পত্রিকা
    Books
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা ভাষা
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা বই
    বাংলা ই-বই

     

    তারে নমো নম।

    তমিস্র সুপ্তির কূলে যে বংশী বাজাও, আদিকবি,

    ধ্বংস করি তম,

    সে বংশী আমারই চিত্ত, রন্ধ্রে তারি উঠিছে গুঞ্জরি

    মেঘে মেঘে বর্ণচ্ছটা, কুঞ্জে কুঞ্জে মাধবীমঞ্জরী,

    নির্ঝরে কল্লোল।

    তাহারি ছন্দের ভঙ্গে সর্ব অঙ্গে উঠিছে সঞ্চরি

    জীবনহিল্লোল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা গল্প
    বাংলা অডিওবুক
    গ্রন্থাগার
    বই পড়ুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা শিশু সাহিত্য

     

    আদিসত্তাকে মহাবিশ্বের আদিকবি বলে আবার কল্পনা করলেন রবীন্দ্রনাথ।

    মহাবিশ্বের অন্তরে এবং রবীন্দ্রনাথের অন্তরেও যেন আলোর বাঁশি বাজাচ্ছেন এই আদিকবি। আলোর বাঁশিই লুপ্ত করছে অন্ধকার, জাগাচ্ছে প্রাণের হিল্লোল। মহাবিশ্বের সঙ্গে এভাবেই প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে রবীন্দ্রনাথের অখণ্ডতা— তাঁর নিবিড় সম্পর্ক। রবীন্দ্রনাথের এই উপলব্ধি কিন্তু ঈশোপনিষদের আলোকবন্দনা ও ঋক্‌বেদের গায়ত্রীমন্ত্র১ থেকে একেবারেই দূরের নয়। ঋক্‌বেদের গায়ত্রীমন্ত্র১ বলছে, সূর্য শুধু জগৎকেই প্রকাশ করছে না, সেই সঙ্গে যুক্ত হয়ে আছে আমাদের বোধের সঙ্গে, চৈতন্যের সঙ্গে।

    গায়ত্রীমন্ত্রের সূর্যবন্দনা যেন ফিরে এসেছে আধুনিক উচ্চারণে রবীন্দ্রনাথের প্রবন্ধে:

    ‘সূর্যের আলোর ধারা তো আমাদের নাড়িতে নাড়িতে বইছে। আমাদের প্রাণমন, আমাদের রূপরস, সবই তো উৎসরূপে রয়েছে ঐ মহাজ্যোতিষ্কের মধ্যে। সৌরজগতের সমস্ত ভাবীকাল একদিন তো পরিকীর্ণ হয়ে ছিল ওরই বহ্নিবাষ্পের মধ্যে। আমার দেহের কোষে কোষে ঐ তেজই তো শরীরী, আমার ভাবনার তরঙ্গে তরঙ্গে ঐ আলোই তো প্রবহমান। বাহিরে ঐ আলোরই বর্ণচ্ছটায় মেঘে মেঘে পত্রে পুষ্পে পৃথিবীর রূপ বিচিত্র; অন্তরে ঐ তেজই মানসভাব ধারণ করে আমাদের চিন্তায় ভাবনায় বেদনায় রাগে অনুরাগে রঞ্জিত। সেই এক জ্যোতিরই এত রং, এত রূপ, এত ভার, এত রস। ঐ-যে জ্যোতি আঙুরের গুচ্ছে গুচ্ছে এক এক চুমুক মদ হয়ে সঞ্চিত, সেই জ্যোতিই তো আমার গানে গানে সুর হয়ে পুঞ্জিত হল। এখনি আমার চিত্ত হতে এই যে চিন্তা ভাষার ধারায় প্রবাহিত হয়ে চলেছে, সেকি সেই জ্যোতিরই একটি চঞ্চল চিন্ময় স্বরূপ নয় যে জ্যোতি বনস্পতির শাখায়-শাখায় স্তব্ধ ওঙ্কার-ধ্বনির মতো সংহত হয়ে আছে? হে সূর্য, তোমারই তেজের উৎসের কাছে পৃথিবীর অন্তর্গূঢ় প্রার্থনা ঘাস হয়ে গাছ হয়ে, আকাশে উঠছে, বলছে, জয় হোক! বলছে, অপাবৃণু, ঢাকা খুলে দাও! এই ঢাকা-খোলাই তার প্রাণের লীলা, এই ঢাকা-খোলাই তার ফুল-ফলের বিকাশ। অপাবৃণু, এই প্রার্থনারই নির্ঝর-ধারা আদিম জীবাণু থেকে যাত্রা করে আজ মানুষের মধ্যে এসে উপস্থিত, প্রাণের ঘাট পেরিয়ে চিত্তের ঘাটে পাড়ি দিয়ে চলল। আমি তোমার দিকে বাহু তুলে বলছি, হে পূষন্, হে পরিপূর্ণ, অপাবৃণু, তোমার হিরণ্ময় পাত্রের আবরণ খোলো, আমার মধ্যে যে গুহাহিত সত্য, তোমার মধ্যে তার অবারিত জ্যোতিঃস্বরূপ দেখে নিই। আমার পরিচয় আলোকে-আলোকে উদ্ঘাটিত হোক।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা গল্প
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বই পড়ুন
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা কবিতা

     

    * * *

    আমাদের ঋষি প্রার্থনা করেছেন, তমসো মা জ্যোতির্গময়, অন্ধকার থেকে আলোতে নিয়ে যাও। চৈতন্যের পরিপূর্ণতাকে তাঁরা জ্যোতি বলেছেন।… ধিয়ো যো নঃ প্রচোদয়াৎ— আমাদের চিত্তে তিনি ধীশক্তির ধারাগুলি প্রেরণ করছেন।

    ঈশোপনিষদে বলছেন, হে পূষন্, তোমার ঢাকা খুলে ফেলো, সত্যের মুখ দেখি; আমার মধ্যে যিনি সেই পুরুষ তোমার মধ্যে।’

    (যাত্রী)

    মন্ত্রের মতো এই লেখা, যার মধ্যে মুছে গেছে গদ্য ও কবিতার বিভেদরেখা। এই আধুনিক মন্ত্রের মধ্যে উচ্চারিত হয়েছে রবীন্দ্রনাথের ধ্যান-উপলব্ধ সত্য। রবীন্দ্রনাথ এখানে গভীরভাবে অনুভব করেছেন মহাবিশ্বের অখণ্ডতাকে। যে-জ্যোতি আঙুরের গুচ্ছে গুচ্ছে মদ হয়ে সঞ্চিত, সেই জ্যোতিই পুঞ্জিত তাঁর গানে গানে সুর হয়ে। ধ্যানমগ্ন, অচঞ্চল, চিরন্তন অমূর্ত শক্তিকেই যেমন তিনি দেখতে পেলেন গাছের শাখায় শাখায় ওঙ্কার-ধ্বনির মতো সংহত হয়ে থাকা জ্যোতির মধ্যে, তেমনি তিনি উপলব্ধি করলেন সেই জ্যোতির মূর্ত চঞ্চল স্বরূপকেও। অদ্বৈত যে দ্বৈত হতে পারে, উপনিষদের এই প্রত্যয়কেই রবীন্দ্রনাথ প্রকাশ করলেন তাঁর নিজস্ব মন্ত্রমগ্ন ভাষায়। তারপর বললেন, বিশ্বব্যাপী অখণ্ড চৈতন্যের কথাও— সেই জ্যোতিই যেন চৈতন্যকে আমাদের মধ্যে ধীশক্তি রূপে প্রেরণ করছে। এই জগতের সঙ্গে আমরা এক অখণ্ড সূত্রে বিধৃত। তিনি উপনিষদের ভাষাতেই বললেন, ‘অপাবৃণু’। এই সত্য যেন উন্মোচিত হয়। যে-সত্যের উদ্ভাসে আমরা বুঝতে পারি, অমূর্ত ব্রহ্মই সারা বিশ্বে মূর্তরূপ ধরে ছড়িয়ে আছেন। তিনি মূর্তে-অমূর্তে সমান সত্য। ব্রহ্মের প্রকাশিত রূপ এই জগৎকে ভুল বলার ভ্রান্তি শুরু হয়েছিল হাজার বছর আগে। সেই ভুল থেকে না বেরতে পারলে সেটা হবে আরও এক ভুল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ই-বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা উপন্যাস
    পিডিএফ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বই পড়ুন

     

    রবীন্দ্রনাথ গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন বৃহদারণ্যক উপনিষদের মধুমন্ত্রের দ্বারা।১ মধুমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে তিনি উপলব্ধি করেছিলেন, যে-অখণ্ড ভাবের মধ্যে এই মহাবিশ্ব এই জগৎ ধৃত হয়ে আছে সেই ভাব হল ভুবনব্যাপী অন্তর্নিহিত আনন্দের। তাঁর গানের ভাষায় অকপটে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর ধ্যানের এই অনুভব: ‘আনন্দধারা বহিছে ভুবনে।’ মহাবিশ্বে পরিকীর্ণ আনন্দধারাই উপনিষদের পরিব্যাপ্ত হৃদয়বার্তা। উপনিষদের সেই মধুমন্ত্র— যে-মন্ত্রে উচ্চারিত অখণ্ড বিশ্ববোধ— সেই মধুমন্ত্রই ফিরে এসেছে রবীন্দ্রনাথের কবিতায়—

    এ দ্যুলোক মধুময়, মধুময় পৃথিবীর ধূলি—

    অন্তরে নিয়েছি আমি তুলি

    এই মহামন্ত্রখানি,

    চরিতার্থ জীবনের বাণী।

     

    আরও দেখুন
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা গল্প
    গ্রন্থাগার
    অনলাইন বুক
    পিডিএফ
    বাংলা কমিকস

     

    বিজ্ঞান এবং উপনিষদ— উভয়েরই প্রত্যয় জগতের অখণ্ডতার কোনও ক্ষয় নেই আদিস্তরে। মহাবিশ্বের সেই অখণ্ডতা চিরন্তন। মহাবিশ্বের এই অখণ্ডতার অনুভব এবং ধ্যানই প্রকাশিত হয়েছিল কোন সেই আদিকালে তপোবনের নিভৃতে উপনিষদের মন্ত্রে। রবীন্দ্রনাথও বললেন তাঁর কবিতায়, প্রায় মন্ত্রের উচ্চারণে, মহাবিশ্বের ক্ষয়হীন চিরন্তন অখণ্ডতার কথা— সেই শাশ্বত সত্যের কোনও মৃত্যু নেই

    দিনে দিনে পেয়েছিনু সত্যের যা কিছু উপহার

    মধুরসে ক্ষয় নাই তার।

    তাই এই মন্ত্রবাণী মৃত্যুর শেষের প্রান্তে বাজে—

    সব ক্ষতি মিথ্যা করি অনন্তের আনন্দ বিরাজে।

    (আরোগ্য: ১)

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা লাইব্রেরী
    পিডিএফ
    বাংলা অডিওবুক
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা সাহিত্য
    অনলাইন বই
    নতুন উপন্যাস

     

    উপনিষদের হাজার হাজার বছরের প্রাচীন গহন গম্ভীর বার্তাই নব রসে দীক্ষিত হয়ে, নব বর্ণে রঞ্জিত হয়ে, নব যুগের প্রত্যয়ে প্রাণিত হয়ে ফিরে এসেছে রবীন্দ্রনাথের কাব্যে, গানে এই অক্ষয় সত্যকে আমাদের কাছে উন্মোচিত করতে যে, জগতের মৃত্যুহীন অখণ্ড সত্তা প্রকাশিত হয়েছে অসীম গৌরবে জগতের মধুময়তার মধ্যেই।

    বিজ্ঞানে প্রাণিত উপনিষদে দীক্ষিত রবীন্দ্রনাথ এই নিগূঢ় সত্যের অনুভবে উত্তীর্ণ হলেন, মহাবিশ্বের এই অখণ্ডতার উৎস সেই আদিজ্যোতি, যে-আদিজ্যোতিকে বাদ দিয়ে মহাবিশ্বের অখণ্ড চৈতন্যের প্রকাশকে ভাবা যায় না। তাঁর এই ধ্যান এবং উপলব্ধির শিকড় প্রসারিত উপনিষদে। রবীন্দ্রনাথ বললেন তাঁর এই বিশ্বাসের কথা প্রান্ত জীবনের কবিতায়— যেভাবে শুধু তিনিই বলতে পারেন—

    আলোকের অন্তরে যে আনন্দের পরশন পাই,

    জানি আমি তার সাথে আমার আত্মার ভেদ নাই।

    এক আদি জ্যোতি উৎস হতে

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    অনলাইন বুক
    Books
    বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা কমিকস
    বাংলা বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    অনলাইন গ্রন্থাগার

     

    চৈতন্যের পুণ্যস্রোতে

    আমার হয়েছে অভিষেক,

    ললাটে দিয়েছে জয়লেখ,

    জানায়েছে অমৃতের আমি অধিকারী;

    (আরোগ্য: ৩২)

    জগতের যে আদিসত্তা, যে উৎস, তার সঙ্গে আমরা অবিচ্ছিন্ন সূত্রে আবদ্ধ রয়েছি। এই সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার নয়। আদিসত্তা বা সৃষ্টির উৎসের সঙ্গে আমাদের নিবিড় নিরবচ্ছিন্ন সম্পর্ক ক্ষয়হীন বলেই জগৎ বিধৃত এক অখণ্ড মধুময়তায়। এই জগৎকে মিথ্যা বলে ত্যাগ করলে তো সেই আদিসত্তা, আমাদের উৎসের সঙ্গেই আমাদের সম্পর্ক ছিন্ন করতে হয়! কিন্তু তা তো সম্ভব নয়। লিখলেন রবীন্দ্রনাথ—

     

    আরও দেখুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা গল্প

     

    পরম-আমির সঙ্গে যুক্ত হতে পারি

    বিচিত্র জগতে

    প্রবেশ লভিতে পারি আনন্দের পথে।

    (আরোগ্য: ৩২)

    উপনিষদের ঋষির ধ্যানেও যেমন, রবীন্দ্রনাথের উপলব্ধিতেও তেমন,— মহানন্দ ও মহাবেদনা এক হয়ে যায় মহাবিশ্বের আদিসত্তার রূপ যখন জেগে ওঠে মনের মধ্যে—

    একি পুলকবেদনা বহিছে মধুবায়ে!

    ‘পুলকবেদনা’ শব্দটির মধ্যে এক হয়ে আছে আনন্দ-ব্যথার মিশ্রিত রাগ। তারই মধ্যে বিরাজিত জগতের শাশ্বত স্বরূপ—

    এই করেছ ভালো, নিঠুর হে, নিঠুর হে, এই করেছ ভালো।

    এমনি করে হৃদয়ে মোর তীব্র দহন জ্বালো॥

    আমার এ ধূপ না পোড়ালে গন্ধ কিছুই নাহি ঢালে,

    আমার এ দ্বীপ না জ্বালালে দেয় না কিছুই আলো॥

    সত্যের এই অপরূপ রূপের উদ্ঘাটনের জন্যেই তো উপনিষদের ঋষির প্রার্থনা।১ উপনিষদের সেই প্রার্থনাই হাজার হাজার বছর পেরিয়ে রবীন্দ্রনাথ পৌঁছে দিলেন আমাদের প্রাণে।

    নক্ষত্রবেদীর তলে আসি

    একা স্তব্ধ দাঁড়াইয়া, ঊর্ধ্বে চেয়ে কহি জোড়হাতে—

    হে পূষন, সংহরণ করিয়াছ তব রশ্মিজাল,

    এবার প্রকাশ কর তোমার কল্যাণতম রূপ,

    দেখি তারে যে পুরুষ তোমার আমার মাঝে এক।

    (প্রান্তিক: ৯)

    উপনিষদ বলছে, চেতনা উন্মোচিত হলে, আবরণ সরে গেলে, ঢাকনা খুলে গেলে, অন্ধকার অপসারিত হলে জগতের প্রতি কণায় কণায়, অণু-পরমাণুতে বিরাজমান উৎসের উপলব্ধি আমাদের হৃদয়েও আসে। উপনিষদের এই শাশ্বতবাণী কত যুগ-যুগান্তরের ব্যবধান পেরিয়ে পৌঁছোল আমাদের কাছে রবীন্দ্রনাথের ভাষায়।

    এই ঘন আবরণ উঠে গেলে

    অবিচ্ছেদে দেখা দিবে

    দেশহীন কালহীন আদিজ্যোতি,

    শাশ্বত প্রকাশপারাবার,

    সূর্য যেথা করে সন্ধ্যাস্নান,

    যেথায় নক্ষত্র যত মহাকায় বুদবুদের মতো…

    (রোগশয্যায়: ২০)

    তপোবনের উদার আকাশের তলায় উপনিষদের ঋষি তাঁর ধ্যানের মধ্যে পেয়েছিলেন এই সত্য— আনন্দরূপম অমৃতং যদ্‌বিভাতি। এই ঋষিবাণী গেঁথে গেল রবীন্দ্রনাথের চৈতন্যে। তাঁর কবিতায় নতুন ভাষায়, নব যুগের আলোয় ধরা দিয়েছে ভারতের প্রাচীন ঋষির ধ্যান থেকে উঠে আসা সত্য—

    জীবনের দুঃখে শোকে তাপে

    ঋষির একটি বাণী চিত্তে মোর দিনে দিনে হয়েছে উজ্জ্বল—

    আনন্দ অমৃতরূপে বিশ্বের প্রকাশ।

    (রোগশয্যায় ২৫)

    সেই অমৃতরূপই জগতের অখণ্ডতা। ব্রহ্ম-সত্যের সঙ্গে জগৎ-সত্য না এক হলে, না মিশলে, জগতের অখণ্ডতাই তো ভেঙে যাবে। বিজ্ঞান এই অখণ্ডতাকে প্রমাণ করেছে। উপনিষদ এই অখণ্ডতাকে ধ্যানে পেয়েছে। পেয়েছে প্রজ্ঞায়। রবীন্দ্রনাথ জগতের এই অখণ্ডতাকে সহজ করে বুঝিয়ে দিলেন আমাদের—

    অন্তহীন দেশকালে পরিব্যাপ্ত সত্যের মহিমা

    যে দেখে অখণ্ড রূপে

    এ জগতে জন্ম তার হয়েছে সার্থক।

    (রোগশয্যায়: ২৫)

    জগৎকে মিথ্যা বললে, ব্রহ্মের সঙ্গে আমাদের অখণ্ডতাবোধ থেকেই আমরা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাব।

    ঔপনিষদিক বিশ্বচেতনা ও রাবীন্দ্রিক বিশ্বদর্শন যখন উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে একই ধ্যানের আলোয়, আমরা দেখতে পাই তার অভিন্ন স্বরূপ। আবার বলছি, বিজ্ঞানের মতে মহাশূন্য শূন্য নয়। সম্পূর্ণ বায়ুবিহীন ভ্যাকুয়ামের মধ্যেও কাজ করে এক ভূতুড়ে ক্ষেত্রের শক্তি। এখন এই ধারণা বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে যে সমস্ত মৌলকণার মধ্যে রয়েছে নিহিত বিভিন্ন কোয়ান্টাম ক্ষেত্রের উদ্দীপনা। আর সারা জগৎ জুড়ে সব কোয়ান্টাম ক্ষেত্র সব দিকেই বিস্তৃত। সুতরাং মহাশূন্য শূন্য নয়। মহাশূন্য যেন এক বিশাল রান্নার কড়াই যার মধ্যে সর্বদা, অন্তহীনভাবে চলছে ফুটন্ত কোয়ান্টাম কার্যকলাপ। বলা যেতে পারে, মহাশূন্য যেন তাঁত বোনার অদৃশ্য কল। সেই বহুস্তরী বুননের মধ্যে মহাশূন্য জুড়ে কী বিস্তৃত হয়ে আছে? বিস্তৃত হয়ে আছে কোয়ান্টাম ফিল্ড। এবং সবথেকে মজার ব্যাপার যা একেবারেই জাদুবিস্ময়, সেই কোয়ান্টাম-ফিল্ড বুননবস্ত্রের প্রতিটি সূক্ষ্ম অংশের মধ্যেই রয়েছে পুরো উৎসটি! অর্থাৎ বস্ত্রের প্রতিটি অংশেই সম্পূর্ণ উৎস উপস্থিত!

    আগেই বলেছি এ যুগের কিছু প্রথিতযশা বিজ্ঞানী বলছেন, সমগ্র বিশ্বের বুননে বুননে ছড়িয়ে আছে অখণ্ড চৈতন্য। উপনিষদও কি বলছে না প্রায় একই কথা?১ মহাশূন্য শূন্য নয়। সেখানে ভরে আছে প্রাণ। সেখানে চলছে এক অনন্ত বিশ্বলীলা। মহাশূন্য যেন ভরে আছে আনন্দের অনন্ত প্রকাশে। তা যদি না হত তা হলে এ জগৎ হয়ে যেত নিশ্চল, প্রাণহীন, অর্থহীন। মহাশূন্যে প্রাণের লীলা আছে বলেই তো সেই অসীম প্রাণবুনন, আনন্দপ্রবাহ আমাদের প্রাণিত করে।

    আর রবীন্দ্রনাথ কী বললেন? আজকের বিজ্ঞান মহাশূন্যের বুননের সম্পর্কে যা জানে, তাঁর সময়ে তা জানত না। তবু উপনিষদের দীক্ষা তাঁর সামনে খুলে দিল সত্যের দ্বার। উপনিষদই ঘটাল তাঁর চোখের সামনে থেকে অন্ধকারের অপসারণ। তিনি দেখলেন—

    শূন্য, তবু সে তো শূন্য নয়।

    তখন বুঝিতে পারি ঋষির সে বাণী—

    আকাশ আনন্দপূর্ণ না রহিত যদি

    জড়তার নাগপাশে দেহমন হইত নিশ্চল।

    কোহ্যেবানাৎ কঃ প্রাণাৎ

    যদেষ আকাশ আনন্দো ন স্যাৎ।

    (রোগশয্যায়: ৩৬)

    মহাশূন্যের সঙ্গে আমরা প্রাণের সূত্রে আবদ্ধ, তাকে শূন্য বলে ত্যাগ করার, অস্বীকার করার যে কোনও উপায় নেই, মহাশূন্যের সঙ্গে বিশ্বজগৎ যে ওতপ্রোতভাবে সংলগ্ন, এ-কথা বৈজ্ঞানিক সত্য। সৃষ্টির উৎস, সেই আদিসত্তা মহাশূন্যেও বিরাজ করছে। ব্রহ্মকে সত্য বলে মেনে নিলে তাই মহাজগৎকেও সত্য বলেই মেনে নিতে হবে। জগৎ মায়া নয়। এমনকী মহাশূন্যও মায়া নয়। আমরা সবাই এক অখণ্ড সত্তার মধ্যে বিধৃত। ঈশোপনিষদের শুরুতেই তাই বলা হল, এই জগতের সমস্তই ব্রহ্মের দ্বারা আচ্ছাদিত। এই জগৎ সর্বদাই চলমান, সর্বদাই পরিবর্তনশীল, গতিই এই জগতের জীবন-অভিজ্ঞান। ভেবো না, জগৎ পরিবর্তনশীল বলেই জগৎ সত্য নয়, জগৎ মায়া। কারণ, এই চলমান জগৎ একটি শাশ্বত সত্তারই অভিব্যক্তি। জগতের এই নিত্য পরিবর্তনশীল রূপটি সম্ভব হয়েছে, কারণ তার আশ্রয়, তাকে ধারণ করে আছে এক নিত্যসত্তা। এই চিরন্তন সত্তাই আদিসত্তা, উৎস, ব্রহ্ম। জগৎকে ব্রহ্মই আচ্ছাদন করে আছে। কিংবা, বলা যেতে পারে, এই উৎস, আদিসত্তা বা ব্রহ্মই সারা জগতের সমস্ত কিছুর অন্তরে বাস করে বিশ্বজগতের মধ্যে দিয়ে নিজেকে প্রকাশ করছেন।১

    শংকরাচার্যের প্রসঙ্গ আরও একবার টেনে আনা যাক। উপনিষদ বলছে সেই গূঢ় সাংকেতিক বার্তাটি, যার থেকে শংকরাচার্য বোধহয় বললেন জগৎকে ত্যাগ করো, জগৎ মিথ্যা। উপনিষদ বলছে, সারা জগতের সব কিছুর মধ্যেই ব্রহ্ম প্রকাশমান, ব্রহ্মের সত্তা-ছাড়া কোনও কিছুরই অস্তিত্ব নেই। যখন আমরা এইভাবে ভাবতে পারি, তখনই সঠিকভাবে আমরা জগৎকে ভোগ করতে পারি। ব্রহ্মময় জগৎকে ভোগ করার মধ্যে আসক্তির কোনও স্থান নেই। আমরা লোভহীনভাবে নির্লিপ্তির সঙ্গে ভোগ করতে পারি।২

    এতক্ষণ এতকথা বলার সারাৎসার হল এই— জগৎ মিথ্যা নয় মোটেই। জগৎ মায়া নয় একেবারেই। উপনিষদ আমাদের শিখিয়েছে কীভাবে এই জগৎকে ভোগ করতে হয়। উপনিষদের এই শিক্ষা আমাদের আলোচনার প্রেক্ষিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তাই পুনরায় বলছি, যে জগতের সর্বত্র ব্রহ্ম বিরাজমান সেই জগৎকে ত্যাগ করার কথা কখনওই উপনিষদ বলছে না। উপনিষদ বরং বলছে, এই জগৎকে ভোগের মধ্যে যদি আনন্দ নিয়ে আসতে চাও, যদি ভোগকে দুঃখ থেকে দূরে রাখতে চাও, তা হলে জগৎকে নির্লোভভাবে, নিরাসক্তভাবে ভোগ করো। ভোগের বস্তুর সঙ্গে জড়িয়ে পোড়ো না। ভোগের বস্তুর সঙ্গে জড়িয়ে পড়লেই দুঃখ, তাকে লোভ করে পেলেই দুঃখ। কিন্তু নির্লোভ নিরাসক্ত ভোগের মধ্যে শুধুই আনন্দ।

    এবারে আবার আসা যাক শংকরাচার্যের কথায়। ঈশোপনিষদের শুরুর দুটি সংকেত, ‘ঈশা বাস্যমিদং সর্বং’ আর ‘তেন ত্যক্তেন’, শংকরাচার্যের মতো মহাপণ্ডিত যেন বুঝেও বুঝতে চাননি? তিনি ব্যাখ্যা করলেন এইভাবে— জগৎ ব্রহ্মের প্রকাশ, জগৎকে আচ্ছাদন করে আছেন ব্রহ্ম, তাই জগৎকে আমরা সত্য বলে ভাবি। কিন্তু জগৎ মিথ্যা। জগৎকে আচ্ছাদন করে আছে ব্রহ্মের মায়া। জগৎ ব্রহ্মের মায়াবী প্রকাশ। এইভাবে যদি ভাবা যায় তা হলে সমস্ত জগৎকে, স্ত্রী-পুত্র-বিত্ত-স্বর্গের কামনা— সব কিছু ত্যাগ করা যাবে। এবং সব কিছু ত্যাগ করলেই ব্রহ্মাকে পাওয়া যাবে।

    হয়তো নষ্টের গোড়া ঈশোপনিষদের শুরুর শ্লোকের দ্বিতীয় শব্দ ‘বাস্যমিদং’-এর মধ্যে লুকিয়ে থাকা ‘ব্যস্যম্’ শব্দটি। এক, গায়ে ঢাকা দেওয়ার আচ্ছাদন, অর্থাৎ পরিধেয় পরিচ্ছদ। দুই, বাস করার যোগ্য।

    শংকরাচার্য ‘ব্যস্যম্’-এর প্রথম অর্থটি গ্রহণ করে বললেন, সারা জগৎ হল মায়ার আচ্ছাদন— সবটাই মিথ্যা। এই মায়ার আচ্ছাদনে ব্রহ্মের প্রকাশও মিথ্যা। ওই মিথ্যার মধ্যে, মায়ার বন্ধনে জড়িয়ে থাকলে সত্যকে পাওয়া যাবে না। জীবনের উদ্দেশ্য সত্যকে পাওয়া। অতএব জগৎকে মিথ্যা বলে ত্যাগ করো। ব্রহ্ম সত্য, জগৎ মিথ্যা।

    কিন্তু উপনিষদ বলছে ঠিক উলটো কথা। অর্থাৎ ‘ব্যস্যম্’ শব্দটিকে তার দ্বিতীয় অর্থে ব্যবহার করেছে উপনিষদ। উপনিষদ বলছে, ব্রহ্ম জগৎকে ঢেকে রাখেননি, তিনি জগতের প্রতিটি বস্তুকে নিজের বাসযোগ্য মনে করে তার মধ্যে বিরাজ করছেন। বিজ্ঞানও এরকম ভাবনা যথেষ্ট প্রমাণের সঙ্গে, প্রত্যয়ের সঙ্গে সমর্থন করে বলছে মহাবিশ্বের সবকিছুর মধ্যেই আদি উৎস উপস্থিত। সুতরাং যে-জগতের প্রতিটি বস্তুর মধ্যেই মহাসৃষ্টির আদিসত্তা, অর্থাৎ উৎস বিদ্যমান সেই জগৎকে ত্যাগ করার কোনও প্রশ্নই নেই। এই জগৎকে ব্রহ্মের মতোই সত্যজ্ঞান করতে হবে। এবং সেই জগৎকে নিরাসক্তভাবে ভোগ করার মধ্যেও কোনও অন্যায় নেই। জগৎ তো আমাদেরই জন্যে সৃষ্টি হয়েছে। ‘আমায় নইলে ত্রিভুবনেশ্বর তোমার প্রেম হত যে মিছে’, বললেন রবীন্দ্রনাথ। শুধু এই জগতের আনন্দকে নির্লোভভাবে, অনাসক্তির সঙ্গে ভোগ করলে দুঃখের কোনও কারণ থাকবে না। উপনিষদ তাই সেই সংকেতটুকু সংক্ষেপে পাঠিয়েছে আমাদের কাছে— তেন ত্যক্তেন ভুঞ্জীথাঃ। এই সংকেতটাকেও এমনভাবে ব্যাখ্যা করলেন শংকরাচার্য জগৎ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্যে— যা আমার মনে হয় না উপনিষদের প্রাণের কথা, বিশ্বাসের বার্তা।

    ‘তেন’ শব্দটির চারটি ব্যাখ্যা হতে পারে— এক, সেইজন্য। দুই, সেই অনিত্য বস্তুর দ্বারা। তিন, ব্রহ্ম বা আদিসত্তার দ্বারা। চার, সেই ত্যাগের দ্বারা। শংকরাচার্য জগৎকে মিথ্যা প্রমাণ করার জন্যে ঔপনিষদিক সংকেতের চতুর্থ অর্থটি গ্রহণ করলেন! তিনি বললেন, তেন ত্যক্তেন, অর্থাৎ সেই ত্যাগের দ্বারা ‘ভুঞ্জীথাঃ’ অর্থাৎ আত্মাকে, মানে নিজেকে পালন করবে। সোজা কথায়, জগৎকে মিথ্যা বলে ত্যাগ করে সেই ত্যাগের দ্বারা (তেন ত্যক্তেন) নিজের আত্মাকে পালন করো।

    অন্য তিনটি অর্থ কিন্তু জগৎকে ভোগ করার আভাস দিচ্ছে। বলছে এ-জগৎ মিথ্যা নয়। প্রথম অর্থ— যেহেতু জগতের মধ্যে ব্রহ্মের প্রকাশ ঘটেছে, সেই কারণে এই জগতের আনন্দকে নির্লোভভাবে ভোগ করতে হবে। দ্বিতীয় অর্থ— যেহেতু জগৎ পরিবর্তনশীল ও অনিত্য বস্তুর দ্বারা গঠিত, তাই ভোগের বস্তুর সঙ্গে লিপ্ত না হয়েও এই জগৎকে ভোগ করতে হবে। তৃতীয় অর্থ— ‘তেন’, মানে ব্রহ্ম কর্তৃক প্রদত্ত জগৎকে নির্লোভভাবে ভোগ করবে— লোভ করবে না।

    শংকরাচার্য ঈশোপনিষদের এই সংকেতের তিনটি প্রথম অর্থের একটিকেও না গ্রহণ করে যেন নিজের জেদেই জগৎকে মিথ্যা প্রমাণিত করতে তাঁর মায়াবাদকে সমর্থন করতে চতুর্থ অর্থটি গ্রহণ করে বললেন ‘তেন’ মানে সেই ত্যাগের দ্বারা ‘ভুঞ্জীথাঃ’ নিজের আত্মাকে পালন করবে।

    কোন ত্যাগ? মিথ্যা বলে জগৎকে ত্যাগ। কারণ ব্রহ্ম সত্য, জগৎ মায়া, মিথ্যা!

    আরও একবার মনে করিয়ে দিচ্ছি হাজার বছর আগে শংকরাচার্যের এই ব্যাখ্যা আর তার প্রচার ভারতবর্ষের সভ্যতাকে শত শত বছর পিছিয়ে দিয়েছে। দৈনন্দিন জগৎকে অবহেলা করে, পার্থিব সাফল্যকে অবজ্ঞা করে। ‘জগৎ মিথ্যা’ এই ভ্রান্ত ধারণাই নষ্ট করেছে আমাদের কর্মসংস্কৃতি, আমাদের করে তুলছে আলস্যপ্রবণ, এবং এত বছর ধরে আমাদের মনের মধ্যে এই বদ্ধমূল ধারণার জন্ম দিয়েছে যে এই জগতে বিশেষ কাজকর্ম করে লাভ নেই, কারণ জগৎ মিথ্যা।

    সম্প্রতি আবার একটি উলটো স্রোতও প্রবলভাবে দেখা দিয়েছে। আধুনিক ভারতের কর্মব্যস্ত ছেলেমেয়েরা ভুলে যাচ্ছে নির্লোভ নিরাসক্ত হওয়ার কথা। তারা যেন ভাবছে, ব্রহ্ম মিথ্যা, জগৎ সত্য। তাদের মনে রাখতে হবে, জাগতিক ভোগ থেকে ততক্ষণই আনন্দ পাওয়া যায় যতক্ষণ আমাদের মধ্যে কাজ করে নির্লিপ্তি, যতক্ষণ আমরা জড়িয়ে না পড়ি ভোগের বস্তুর সঙ্গে।

    এই বইটি লিখলাম একটি মাত্র উদ্দেশ্যে, তা হল শংকরাচার্যের প্রচারিত ‘জগৎ মিথ্যা’ এই ধারণা থেকে যেন আমরা চিরদিনের জন্যে বেরিয়ে আসতে পারি, যেন হাজার বছরের এই ভুলটিকে এবার শুধরে নিতে পারি। সেই শুধরে নেওয়ার ভুল ভাঙার পথ আমাদের উপনিষদই দেখিয়েছে। দেখিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ, যে-কথা আমরা বারবার বলেছি। আবার যাওয়া যাক উপনিষদের কাছে। ঈশোপনিষদের দ্বিতীয় মন্ত্রেই রয়েছে আমাদের ভুল ভেঙে ফেলার ডাক।১

    ঈশোপনিষদের এই দ্বিতীয় মন্ত্রটি পরিষ্কার বলল, জগৎকে মিথ্যা জ্ঞান না করে যদি আমরা সকলে কাজ করে যাই, কর্তব্য করে যাই, তা হলে আমাকে সেই মহানন্দের মধ্যে একশো বছর বেঁচে থাকতে ইচ্ছে করবে (জিজীবিষেৎ শতং সমাঃ)। কিন্তু মানুষ কর্মের মধ্যে, ভোগের মধ্যে, লিপ্ত হয়ে যেয়ো না (ত্বয়ি নরে কর্ম ন লিপ্যতে)। অন্য কোনও পথ নেই (নান্যথেতোঽস্তি)।

    শংকরাচার্য ঈশোপনিষদের এই দ্বিতীয় শ্লোকটিকেও ঔদ্ধত্যের সঙ্গে ব্যাখ্যা করে বললেন, উপনিষদ কাজের পথ দেখিয়েছে সাধারণ মানুষদের জন্য! শংকরাচার্যের মতে, ঈশোপনিষদের প্রথম মন্ত্রটিতে বলা হয়েছে একমাত্র সন্ন্যাসীদের জন্যেই জ্ঞানের পথ— যে-পথে যেতে জগৎকে মিথ্যা বলে ত্যাগ করতে হবে। আর কর্মের পথ আত্মজ্ঞানলাভে বঞ্চিত সাধারণ মানুষদের জন্য! এই ব্যাখ্যা সত্য থেকে সাধারণ মানুষকে দূরে নিয়ে যায়। যাঁরা ব্রহ্মকে পেতে চান, তাঁদের পথ কর্মত্যাগের পথ, জগৎ ত্যাগের পথ। তাই তাঁদের জন্য জগৎ মিথ্যা, ব্রহ্মই সত্য। কিন্তু সৃষ্টি চলার জন্যে সব মানুষকে তো সন্ন্যাসী হলে চলবে না। তাদের জন্যে জগৎ মিথ্যা সে যে মিথ্যা কতদূর!

    শংকরের এই হাজার বছরের ভুল প্রচার থেকে বেরোবার সময় এসেছে। এই বই সেই কথাই মনে করিয়ে দেবে পাতায় পাতায়। আমার উদ্দেশ্য— উপনিষদের মন্ত্রের মধ্যে যেন আমরা জগৎকে সত্যরূপে ফিরে পাই, যেন দিনে দিনে সেই অনন্ত বর্ণময় সত্যের আমরা যোগ্য হয়ে উঠতে পারি— অগ্রদূত রবীন্দ্রনাথের ধ্যানমগ্ন, সারস্বত সহায়তায়। এই কথাটা আপনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন।

    শংকরাচার্য যাই বলে থাকুন, ঈশোপনিষদের প্রথম ও দ্বিতীয় মন্ত্রে যে গূঢ় কথাটি বলা হল, তার অর্থ জগৎ সত্য— জগৎ কোনওভাবেই মিথ্যা নয়। উপনিষদের প্রথম মন্ত্রে যে-ত্যাগের কথা বলা হয়েছে, তা কর্মত্যাগ নয়, জগৎ ত্যাগ নয়, তা আসলে জগৎকে দুঃখহীনভাবে, অনন্ত আনন্দের সঙ্গে ভোগ করার জন্যে আসক্তি ত্যাগের মন্ত্র। এবং সাধারণ মানুষের কাছেই উপনিষদের এই উপদেশ। দ্বিতীয় মন্ত্রটিও সাধারণ মানুষের জন্যেই, যেখানে বলা হয়েছে জীবনধারণ করতে মানুষকে কাজ করতেই হবে। উপনিষদ বলুন, গীতা বলুন,১ সব জায়গাতেই জগৎকে সত্য বলে কাজের ডাক— কিন্তু সেই কাজ যেন বাসনাহীন হয়।

    উপনিষদ থেকে রবীন্দ্রনাথ শুধু ধ্যানের দীক্ষা পাননি, পেয়েছিলেন কাজের মন্ত্রও— সে-কথা যেন আমরা ভুলে না যাই। উপনিষদের বাণীর দ্বারা প্রাণিত হয়েই তিনি জগৎকে সত্যরূপে গ্রহণ করেছিলেন, বিশ্ব মায়া নয়, এ জগৎ স্বপ্ন নয়, তিনি ডাক দিয়েছিলেন এই জগৎকে বীতরাগ হয়ে উপভোগ করার, এই জগতের মধ্যে কাজ করার। সে-ডাক আমরা শুনেও যেন শুনতে পাইনি।

    যুগে যুগে এমন মানুষ আসেন পৃথিবীতে যিনি আমাদের নতুন করে দেখতে শেখান, ভাবতে শেখান, বুঝতে শেখান। আমাদের প্রণোদিত করেন নতুন দেখার দেখায়। উপনিষদের ঋষিরা ছিলেন এমন মানুষ যাঁরা নতুনভাবে দেখতে শিখিয়েছিলেন সৃষ্টিকে। তাঁরা কখনই বলেননি জগৎ মিথ্যা।

    রবীন্দ্রনাথ আর এক যুগপুরুষ যিনি আমাদের নতুনভাবে ভাবতে প্রেরণা দিলেন। তাঁর মধ্যে একত্রিত হয়েছে উপনিষদের বিশ্ববোধ, বিজ্ঞানের উন্মোচন। তিনি এক আধুনিক ঋষির মতো সূর্যের কাছে প্রার্থনা করলেন সেই ধ্যানজ্যোতি, সেই অপূর্ব আলো, সেই বিশ্বব্যাপী চৈতন্যের একটি অংশ যার দ্বারা তিনি অনুভব করতে পারবেন বিশ্বসৃষ্টির অন্তরে নিহিত সত্যকে—

    হে প্রভাতসূর্য,

    আপনার শুভ্রতম রূপ

    তোমার জ্যোতির কেন্দ্রে হেরিব উজ্জ্বল,

    প্রভাতধ্যানেরে মোর সেই শক্তি দিয়ে

    করো আলোকিত;

    দুর্বল প্রাণের দৈন্য,

    হিরণ্ময় ঐশ্বর্যে তোমার

    দূর করি দাও,

    পরাভূত রজনীর অপমান সহ।

    (রোগশয্যায়: ১৫)

    রবীন্দ্রনাথের প্রার্থনা যেন হয়ে ওঠে আমাদেরও প্রার্থনা। আমাদেরও ধ্যান যেন সত্যের কিরণে হয়ে ওঠে উজ্জ্বল। আমরা যেন জগতের ঐশ্বর্যের আলোয়, সৌন্দর্যের উদ্ভাসে দূর করতে পারি আমাদের প্রাণের দৈন্য। আমরা যেন গত হাজার বছরের পরাভূত রজনীর অপমান, অন্ধকার থেকে এই উপলব্ধির আলোয় মুক্তি পাই। যেন বুঝতে পারি, ব্রহ্ম সত্য জগৎ সত্য। অখণ্ড এই মহাবিশ্বে এর চেয়ে মহত্ত্বর, পরমতর সত্য নেই। আজকের বিজ্ঞানলব্ধ বিশ্ববোধের আলোও সেই পথে।

    ১. যে দেবঽগ্নৌ যোঽপসু যোবিশ্বংভুবনমাবিবেশ।

    যো ওষধিষু যো বনস্পতিষু তস্মৈ দেবায় নমোনমঃ॥

    ২. ভয়দস্যাগ্নিস্তপতি ভয়াত্তপতিসূর্যঃ।

    ভয়াদিন্দ্রশ্চ বায়ুশ্চ পঞ্চমঃ।

    ৩. সর্বং খল্বিদং ব্রহ্ম তজ্জলানিতি॥ ছান্দোগ্য উপনিষদ ৩।১৪।১

    ১. ‘হিরণ্ময়েন পাত্রেণ সত্যস্যাপিহিতং মুখম’

    ১. তৎ সবিতুর্বরেণ্যং ভর্গো দেবস্য ধীমহি।

    ধিয়ো যো নঃ প্রচোদয়াৎ॥

    ১. মধুবাতা ঋতায়তে মধু ক্ষরন্তি সিন্ধবঃ

    মধু নক্তম উতোষসো মধুসৎ পার্থিব রজঃ।

    ১. হিরণ্ময়েন পাত্রেণ সত্যস্যাপিহিতং মুখম্।

    তত্ত্বং পূষণ্‌ অপার্বৃণু সত্যধর্মায় দৃষ্টয়ে॥

    ১. কোহ্যেবানাৎ কঃ প্রাণাৎ।

    যদেষ তাকাশ আনন্দো ন স্যাৎ।

    ১. ঈশা বাস্যমিদং সর্বং যৎ কিঞ্চ জগত্যাং জগৎ।

    ২. তেন ত্যক্তেন ভুঞ্জীথাঃ মা গৃধঃ কস্যস্বিদ ধনম্‌।

    ১. কুর্বন্নেবেহ কর্মাণি জিজীবিষেৎ শতং সমাঃ।

    এবং ত্বয়ি নান্যথেতোঽস্তি ন কর্ম লিপ্যতে নরে॥

    ১. ব্রহ্মণ্যাধায় কর্মাণি সঙ্গং ত্যক্ত্বা করোতি যঃ।

    লিপ্যতে ন স পাপেন পদ্মপত্রমিবাম্ভসা॥ (গীতা ৫।১০)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাইকো ২ – রবার্ট ব্লক
    Next Article হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প – মণি ভৌমিক

    Related Articles

    মণি ভৌমিক

    হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প – মণি ভৌমিক

    November 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }