Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    সমুদ্র পাল এক পাতা গল্প55 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জীবনদাতা ভূত – সমুদ্র পাল

    জীবনদাতা ভূত

    ভবেশ গুপ্ত অনেক দিন বেকার হয়ে বসেছিলো। অবশেষে একটা চাকরী পেলো বটে, কিন্তু সে একটা অতি ভয়ংকর জায়গায়। সহজে সেখানে কেউ যেতে চায় না। যারা গেছে, তারা আর কেউই ফেরেনি। অদ্ভুতভাবে তাদের সব মৃত্যু হয়েছে। রোগ নেই, ব্যাধি নেই, সারাদিন কাজকর্ম করে সে রাতে ঘরে শুয়েছে। সকালে দেখা গেছে সে আর জীবিত নেই।

    ঘরে শুয়ে শুয়েই সে মারা গেছে। মুখ বিশ্রী কিম্ভূতকিমাকার হয়ে গেছে।

    সব কিছু দেখে মনে হয়—একমাত্র ভয়ই তার মৃত্যুর কারণ।

    কিন্তু কিসের ভয়?

    কেউ তা এখনো জানতে পারেনি।

    তবে লোকে বলে, ভূতের ভয়েই সে হঠাৎ এভাবে মারা গেছে।

    এখানে নাকি ভীষণ ভূতের উপদ্রব।

    ভবেশগুপ্ত এসব কথায় কান দেয়নি, বিশ্বাসও করেনি।

    ছোটবেলা থেকেই সে খুবই সাহসী। এসব আজব ব্যাপার সে কোনো কালেই বিশ্বাস করে না।

    সে ভাবলো, চোর-ডাকাত হলে দেখা যাবে; কিন্তু ভূত? সে শহুরে ছেলে ঐ সব ভূত-ফুত মানে না।

    চাকরী নিলো ভবেশ।

    সন্ধ্যার ট্রেনে উঠে পড়লো সে।

    বড় লাইন থেকে গাড়ি বদল করে ছোট লাইনের গাড়িতে চড়তে হয়। সেই লাইনের ওপরেই সব শেষে ছোট্ট স্টেশন—শিমুলডিহি।

    নির্মল আকাশ। ভবেশ ট্রেনে বসে আকাশের শোভা দেখতে দেখতে চললো। মাঝে মাধ্যে নানা স্টেশন! স্টেশনে টিম্ টিম্ করে আলো জ্বলে। ট্রেন একটু দাঁড়ায়— আবার চলে।

    দেখতে দেখতে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়লো ভবেশ। তার কামরায় এখনো আটদশজন লোক।

    ঘুম ভাঙল অনেক রাতে।

    দেখলো কামরা ফাঁকা।

    একজন বুড়ো মতো লোক চাদর মুড়ি দিয়ে চুপ করে বসে আছে।

    লোকটা বেশ লম্বা। চোখ দু’টো বেশ জ্বলজ্বল করছে। মুখটা প্রায় ঢাকা–ভালো করে দেখা যায় না ।

    ভবেশকে উঠতে দেখে বললে — কোথায় যাওয়া হবে?

    —শিমুলডিহি।

    —চলুন আমিও ওখানেই যাচ্ছি।

    —আপনি কি ওখানেই থাকেন ?

    —না।

    —আচ্ছা, চৌধুরী কোম্পানীর যে কারখানাটা তৈরী হচ্ছে সেটা চেনেন?

    —চিনি।

    —-স্টেশন থেকে কতো দূর ?

    —কাছেই।

    —আচ্ছা, ঐ কারখানায় কাজ নিয়ে দু’তিনজন নাকি আগে মারা গেছে। কারণটা কি জানেন ?

    —না। তা, আপনি এখানেই চাকরি নিয়ে এলেন বুঝি ?

    —কি আর করি, বেকার ছিলাম। তাই পেটের দায়ে…

    —যদি মারা যান।

    —তা হ’লে ছেলেপুলে, বাবা-মা না খেয়ে মরবে।

    —হুঁ। বুড়ো মা-বাবাকে খেতে দেওয়া ভালো। অনেকে তা দেয় না। যেমন আমার ছেলে ছিলো পাজী। বলে সে উঠে দাঁড়ালো। বললে—চলি।

    —আচ্ছা নমস্কার ।

    —হ্যাঁ, চলুন স্টেশন এসে গেছে। ভবেশ বিছানা বাক্স নিয়ে নামলো। কিন্তু লোকটি যে কোথায় গেল আর দেখা গেল না।

    ভবেশ স্টেশন মাস্টারকে সব কথা খুলে বললো। স্টেশন মাস্টার বললো—একজন লোক এসেছে আপনাকে নিয়ে যেতে।

    —তাই নাকি ?

    লোকটি এলো। সে বললে-স্যার, আপনার কোয়াটার আছে।

    —তাই নাকি !

    লোকটার সঙ্গে ভবেশ কোয়ার্টারে গেল। তখন ভোর হয়ে এসেছে। লোকটার নাম কমল। সত্যিই সে বেশ বিনয়ী লোক। ভবেশ বললে—একটা কথা—

    —বলুন।

    —এই ঘরেই আগের লোকেরা সব মারা গেছে তাই না ?

    —হ্যাঁ। তবে আপনার ভয় নেই। ভূতে কিছু করবে না।

    —কেন? কেন ভূতে আমায় কিছু করবে না?

    —আপনি যে বদ্যি।

    —ও।

    কথাটা শুনলেও ভবেশ আশ্বাস পেলো না। বললে — আচ্ছা, দু’জন দারোয়ান আছে না? তারা সব কোথায় ?

    —সব ভাঙ্ খেয়ে স্টেশনের পাশে ঘুমোচ্ছে। আপনি যে আসবেন তা তো তারা জানতো না।

    — তো বটে।

    —টাকা-পয়সা সঙ্গে আছে তো?

    —না। কোম্পানী মাত্র দুশো টাকা দিয়েছে। কাজ শুরু হ’লে পরে আরও পাঠাবে।

    —টাকা সাবধানে রাখবেন।

    —সে তো নিশ্চয়ই।

    —কাল থেকেই কাজ শুরু হবে তো, স্যার ?

    —নিশ্চয়ই এই জন্যেই তো আমার এখানে আসা।

    —ঠিক আছে। কমল আর কিছু প্রশ্ন করলো না।

    পরদিনই কাজ শুরু হলো। প্রথম কাজ হলো গাছপালা, জঙ্গল কাটা। বড় বড় গাছের জঙ্গল সব কেটে সাফ করতে হবে। তারপর কারখানা হবে। আগের লোকেরা অনেক টাকা এনেছিলো, কিন্তু কাজ বিশেষ হয়নি। টাকা লোকগুলি মারা যাবার সঙ্গে সঙ্গে উধাও।

    ভবেশ তাই প্রথমেই কাজে মন দিলো। হনুমান সিং, তেওয়ারী আর কমলকে বললো যতো পারো লোকজন সব ডেকে আনো ।

    অতএব কুলি-কামিন জোগাড় হলো। বিপুল উৎসাহে জঙ্গল কাটা শুরু হলো টাকা তিনদিনেই শেষ।

    তৃতীয় দিনে ভবেশ হেডঅফিসে টেলিগ্রাম করলো। এক্ষুনি আরও টাকা চাই। অন্ততঃ এক হাজার।

    হেড অফিস দু’দিন পরে একজন ইন্সপেক্টর পাঠালো। তিনি এসে সব দেখে শুনে তো অবাক। পাঁচদিনে বিরাট অঞ্চলের গাছ কাটা শেষ জমিও পরিষ্কার হয়ছে অনেকটা। তিনি খুশিমনে চলে গেলেন।

    পরদিন ফিরলেন স্পেশাল ইঞ্জিন বুক করে। সঙ্গে নিয়ে এলেন দু’হাজার টাকা। দু’হাজার টাকা দিয়ে বেলা বারোটা নাগাদ তিনি চলে গেলেন।

    ভবেশ কিন্তু একেবারেই নিশ্চিন্ত ছিলো না। সে স্টেশন মাস্টারের সঙ্গে ইতিমধ্যেই ঘনিষ্ঠতা করে নিয়েছিল। ভবেশ তাকে জিজ্ঞেস করেছিল—একটা কথা আপনার কাছে জানতে চাই—এই মানে—এই সব লোক যারা মারা যায়, তা কি ভূতুড়ে ব্যাপার নাকি?

    ভদ্রলোক মুচকি হাসলেন।

    ভবেশ অবাক হয়ে বললো— হাসছেন যে! আপনি ভূত বিশ্বাস করেন নাকি ?

    —না।

    —আপনিই বুঝুন, ভূতে মানুষ মারতে পারে—কিন্তু টাকা পয়সা চুরি হলো কেন ? -তা ঠিক।

    —তাই মনে হয়, এটা কোনো কু-লোকের কু-কীর্তি।

    —কারা মনে হয় ?

    —তা জানি না। তবে আপনি এক কাজ করবেন।

    —কি বলুন তো?

    —টাকা এনে আপনি ঐ টিনের চালের কোয়ার্টারে শোবেন না ।

    —তা হ’লে ?

    আপনি স্টেশনে শোবেন। আর টাকা রাখবেন এই স্টেশন ঘরের সিন্দুকে । ভবেশ ভেবে দেখলো, তিনি মন্দ বলেন নি। স্টেশন মাষ্টারকে বললো- আপনি খুব ভালো পরামর্শ দিয়েছেন। সিন্দুকেই টাকা রাখবো।

    —হ্যাঁ, চাবিও কাছে রাখবেন। জানালা দরোজা বন্ধ করে শোবেন।

    —আচ্ছা।

    ভবেশ বুঝলো স্টেশন মাস্টার লোকটি সজ্জন। সে সত্যিই তার হিতাকাঙ্খী। সে এসব কথা আর কাউকে বললো না ।

    সেদিন দু’হাজার টাকা আসতেই ভবেশ স্টেশন মাস্টারের স্মরণ নিলো। স্টেশন মাস্টার তাঁর নিজের কোয়ার্টারে শোন। তাই স্টেশনের ঘরে তিনি ভবেশকে শুতে দিলেন।

    ভবেশ টাকাটা সিন্দুকে রেখে চাবিটা কোমরে গুঁজে রাখলো।

    এবার যেন সে কিছুটা নিশ্চিন্তই হলো।

    দরোজা ভালো করে বন্ধ করে শুলো সে। তবে জানালা বন্ধ করলো না। জানলাতে গরাদ দেওয়া। তাই কে ঢুকবে?

    সারাদিন পরিশ্রম করেছে—বড্ড ক্লান্ত। তাই শুয়ে পড়বার সঙ্গে সঙ্গেই সে ঘুমে কাদা হয়ে গেল।

    কতোক্ষণ যে সে ঘুমিয়েছিল তা খেয়াল নেই। ঘুম ভাঙলো মাঝরাতে। দেখে আশ্চর্য কান্ড, সে বিছানায় শুয়ে নেই।

    সে মেঝেতে শুয়ে। তার হাত-পা বাঁধা। মুখটাও একজন বাঁধছে! দু’জন লোকে তাকে শক্ত করে ধরে আছে। দু’জনেরই মুখ কালো কাপড় বাঁধা। তাদের চেনা যায় না। ভবেশ ভাবছিলো এরা ঢুকলো কেমন করে ?

    তাকিয়ে দেখে জানালার একটা গরাদ ভাঙা। তার মানে, ওরা গরাদ ভেঙে ভেতরে ঢুকেছে!

    নিজের বুদ্ধিহীনতায় নিজেকেই সে ধিক্কার দিলো।

    সে বললো—বাবা, টাকা পয়সা নাও প্রাণে মেরোনা।

    —চাবি কোথায় ? একজন বললো।

    ভবেশ কোনোমতে বললো – কোমরে। কোমর থেকে লোকটা চাবি খুলে নিয়ে সিন্দুক খুললো। বিরাট টাকার থলে। তাতে নোট, টাকা, রেজকি—সব মিলিয়ে দু’হাজার টাকা আছে। একজন জানালার কাছে ছিলো। অন্যজন সিন্দুক খুলছিলো।

    ভবেশ প্রমাদ গুণলো। মনে মনে ভগবানকে ডাকতে লাগলো ভবেশ।

    হঠাৎ একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেল ।

    একজন লম্বা লোক যেন হঠাৎ হাওয়ায় ভর করে জানালা দিয়ে ভেতরে ঝাঁপিয়ে ।

    পড়লো ভবেশ হকচকিয়ে গেল। এ যে সেই সেদিনের ট্রেনে দেখা লম্বা লোকটা। এখানে ও এলো কি করে?

    লোকটাকে দেখেই জানালার কাছের লোকটা পালিয়ে গেল । সিন্দুকের কাছের লোকটার নিকটে গিয়ে সে কি যেন করলো। সঙ্গে সঙ্গে সিন্দুক-চোর আর্তনাদ করে উঠলো। মৃত্যুযন্ত্রণার শব্দ। ভবেশও জ্ঞান হারালো

    ভোরের দিকে ভবেশের জ্ঞান ফিরলো। সে দেখলো মেঝেতে শুয়ে আছে। দরোজা ভেঙে ঘরে ঢুকলেন স্টেশন মাষ্টার। সঙ্গে চারজন পুলিশ—আর সেই কোম্পানীর ইন্সপেক্টর সাহেবটি।

    ভবেশকে টাকা দিয়ে তিনি নিশ্চিন্ত হননি। তাই তিনিও স্টেশন মাষ্টারের বাড়িতে গোপনে অপেক্ষা করছিলেন।

    ভবেশকে মুক্ত করা হলো।

    ভবেশ দেখে ঘরের কোণে সিন্দুকের পাশে পড়ে আছে একজন চোর। তার মুখের কাপড় সরালে দেখা গেল সে হনুমান সিং।

    টাকার থলেটা মেঝেতে পড়ে আছে। আর তারই ছোরা তার বুকে মেরে কে যেন তাকে হত্যা করে গেছে।

    তারপর তেওয়ারিকেও পাওয়া গেল একটা গাছের নিচে! তার বাঁ পা-টা ভেঙেছে। তাকে দু’ঘা লাগাতেই সে সব স্বীকার করলো—আমরা দু’জনেই আগের লোকদের মেরে টাকা চুরি করেছি। এবারও করতে এসেছিলাম। কিন্তু হঠাৎ কোত্থেকে এলো তালগাছের মতো লম্বা ঐ লোকটা!

    সেই তো এসে হনুমান সিং-এর ছোরা দিয়েই তাকে খুন করেছে। টাকার তোড়াটা ফেলে রেখে গেছে।

    তেওয়ারী পালাচ্ছিলো! লোকটা তাকে ধরে তার পা ভেঙে দিয়েছে। এতোক্ষণে ভবেশ ঘটনাটা বুঝতে পারলো।

    ঐ তালগাছের মতো লোকটাই তার প্রাণ রক্ষা করেছে।

    সে লোকটা নিশ্চয়ই মানুষ নয়—কোনো একটা প্রেতাত্মা ।

    তার অসহায় অবস্থার কথা ভেবে প্রেতাত্মাই এভাবে তার প্রাণ ও টাকা রক্ষা করেছে। ভবেশের চোখে জল ভরে এলো

    সে মনে মনে বললো—হে অদৃশ্য আত্মা, তুমিই আজ আমার প্রাণ বাঁচিয়েছো। তুমি আমার অন্তরের প্রণাম গ্রহণ করো। তবে কমল একথা মানলো না।

    সে বললো—আগেই বলেছিলাম না, বদ্যিকে মারতে পারবে না। আপনি বদ্যি বলেই তো প্রেতাত্মা আপনাকে বাঁচালো ৷

    ভবেশ সে কথার কোনো জবাব দিতে পারলো না ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগ্রীকদের চোখে ভারতবর্ষ – নির্বেদ রায়
    Next Article ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    Related Articles

    সমুদ্র পাল

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }