Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভগবতগীতা-সমালোচনা – জয়গোপাল দে

    জয়গোপাল দে এক পাতা গল্প67 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভগবদগীতা-সমালোচনা – ৪র্থ পরিচ্ছেদ

    ভগবদগীতা-সমালোচনা – ৪র্থ পরিচ্ছেদ

    সপ্তম অধ্যায়ে হৃষীকেশ “জ্ঞান এবং বিজ্ঞান” বিষয় বর্ণনা করেন। তাঁহার বিজ্ঞানটা কিন্তু মান্ধাতার আমলের; কিঞ্চিৎ জীর্ণসংস্কার না করিলে কলেজের ছাত্রগণের নিকট তাঁহার সম্মান রক্ষা দুরূহ হইবে। তিনি বলিলেন, আমার মায়ারূপা প্রভৃতি আট ভাগে বিভক্ত। যথা;–ক্ষিতি, অপ্‌, তেজ, মরুৎ, ব্যোম, অহঙ্কার, মন এবং বুদ্ধি। ত্রয়োদশ অধ্যায়ে স্বয়ংই আবার এই প্রকৃতিকে চতুর্ব্বিংশতি ভাগে বিভক্ত করিয়াছেন। যথা;–পঞ্চমহাভূত, অহঙ্কার, বুদ্ধি, মূল প্রকৃতি, একাদশ ইন্দ্রিয় এবং পঞ্চতন্মাত্র। দুই বিভাগের সামঞ্জস্য করা বড় সহজ নয়। আর উপর উক্ত বিভাগ (Division) গুলি ইংরাজী ন্যায় (Logic) অনুসারে incomplete ebong overlaspping হইয়াছে কি না, তাহাও ভক্তবৃন্দের বিচার করা উচিত।

    শ্রীকৃষ্ণ মনে করেন, তিনি জলের রস (রসোহহম্‌ অপ্‌সু)। জলের রস পদার্থটা কি, কোন ভাষ্যকারই তাহা ব্যাখ্যা করেন নাই। শ্রীকৃষ্ণ পুনরায় বলিলেন, চারি শ্রেণীর লোকে আমাকে আরাধনা করেন; আর্ত্ত, অর্থাৎ রোগাদিতে অভিভূত, আত্মজ্ঞানাভিলাষী, অর্থাভিলাষী এবং জ্ঞানী। ইহারা সকলে পুন্যবান (সুকৃতিনঃ) এবং মহৎ (উদারাঃ) অর্থাৎ মোক্ষ-প্রাপ্ত হইবার উপযুক্ত। ম্যালেরিয়া প্রপীড়িত দরিদ্র বঙ্গ দেশের পক্ষে ইহা একটী শুভসংবাদ বটে। কেননা পীড়াগ্রস্থ বা ধনাকাঙ্খীর মোক্ষ নিশ্চিত হইলে, মুক্তির ভাবনা কাহার?

    এই অধ্যায়ে আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যার কিছু বাড়াবাড়ি। কিন্তু কি উদ্দেশ্যে আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যার অবতারণা করা হইয়াছে, তাহা আর্য্য মিশনের গীতার বিজ্ঞাপন পাঠা জানা যায়। “বহির্লক্ষ্যের অর্থ লইয়াই হিন্দুধর্ম্ম বিদ্বেষিগণ আমাদের ধর্ম্মের নিন্দা এবং তৎপ্রতি বিদ্রুপ ও উফাসাত্মক নানাবিধ কটূক্তি করিয়া থাকেন। তাঁহারা বলেন যে হিন্দু ধর্ম্ম কিছুই নহে, কেননা তন্ত্র, মহাভারত, রামায়ণ, চণ্ডী লইয়াই ত হিন্দুর ধর্মশাস্ত্র; কিন্তু এ সকল গ্রন্থের বিষয় গুলি কি? ১ম, তন্ত্র–ইহাতে মদ্য, মাংস, মৎস্য, মুদ্রা এবং মৈথুন এই গুলি সাধনের উপকরণ। অথচ এই গুলি অপেক্ষা অপকৃষ্ট বস্তু আর নাই। ২য়, মহাভারত–ইহার বিষয় সামান্য ভূমি খণ্ডের জন্য ভ্রাতৃবিরোধ। ৩য়, শ্রীমদ্‌ভাগবৎ,–ইহাতে শ্রীকৃষ্ণের লীলা ও ষোলো হাজার গোপীর সহিত তাঁহার বিহার বর্ণনা। পাশ্চাত্য সভ্যতার ও শিক্ষার গুণে আজ কাল লোকে আর অন্ধ বিশ্বাস করিতে চাহে না। সুতরাং বহির্লক্ষ্যের অর্থ লইয়া লোকে যে শাস্ত্রকে অত্যন্ত অপকৃষ্ট বলিবে, তাহার বিচিত্র কি?” শাস্ত্রের দৃষ্টান্তে দেশে পাপের স্রোত বৃদ্ধি পাইতেছে; সুতরাং শাস্ত্রের বহির্লক্ষ্যের অর্থ প্রকৃত অর্থ নয়। তাহাদের গূঢ় তাৎপর্য্য আছে। তাহাই আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা বা অন্তর্লক্ষ্যের অর্থ। যাহাই হউক, সনাতন-ধর্ম্ম প্রচারিণী সভার সভাপতি একজন পরম হিন্দু হইয়াও যে, এই গুলি স্বীকার করিয়াছেন, ইহাই আমাদের পক্ষে যথেষ্ট।

    ১ম। হিন্দু শাস্ত্রের অন্ততঃ বহির্লক্ষ্যের অর্থ অর্থাৎ লোকে এবং টীকাকারগণ যাহা করিয়া থাকেন, তাহা অত্যন্ত জঘন্য, শাস্ত্রের দোহাই দিয়া লোকে পাপ কার্য্য করে। ২য়। পূর্ব্বে লোকের বিচার শক্তি ছিল না। যাহা শুনিত বা সংস্কৃত গ্রন্থে যাহা পড়িত, তাহাই অন্ধের ন্যায় বিশ্বাস করিত। ইংরাজি শিক্ষার অনুশীলক দ্বারা লোকের বিচার শক্তি বৃদ্ধি পাইয়াছে।
    যদি এরূপ সপ্রমাণ করা যায় যে, আর্য্যমিশন যাহাকে বহির্লক্ষ্যের অর্থ বলেন, তাহাই প্রকৃত অর্থ; এবং তিনি যাহাকে অন্তর্লক্ষ্যের অর্থ বলিয়া প্রচার করিতে ইচ্ছুক তাহা মিথ্যা, তখন তাহার হিন্দু ধর্মের স্বপক্ষে বলিবার কিছুই থাকিবে না। অভিধানাদির সাহায্যে এবং শঙ্কর, শ্রীধর, মধুসূদন, রামানুজ প্রভৃতির টীকা হইতে শাস্ত্রের যাহা অর্থ হয়, তাহাই সত্য, তদ্বিপরীত অর্থই ভূল। তিনি ত নিজেই বলিয়াছেন, ইংরাজী শিক্ষা দ্বারা লোকের অন্ধ বিশ্বাস দূর হইয়াছে। সুতরাং কে আর পূজ্যপাদ ভাষ্যকারগণের অর্থ পরিত্যাগ করিয়া তাঁহার অর্থ গ্রহণ করিবে? শ্রীচৈতন্য দেব, একবার শ্রীধর স্বামীর ব্যাখ্যা খণ্ডন প্রয়াসী এক ভট্টাচার্য্যকে উপহাস করিয়া বলেন যে, ব্যাভিচারিণীরাই স্বামীর বাক্য অবহেলা করে। তাঁহার আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যার নমুনা শ্রবণ করুন।
    চৈনাচিন কুশোত্তরম্‌ (৬অ–১১) “চৈল=মনিপুর, অচিন=স্বাধিষ্ঠান, কুশ=মূলাধার” ইত্যাদি, বলা বাহুল্য, চৈলাজিন কুশোত্তরং এর প্রকৃত অর্থ চৈলং বস্ত্রং অজিনং ব্যাঘ্রাদিচর্ম্ম চৈনাজিনে কুশেভ্য উত্তরে যস্য; কুশানাম্‌ উপরি চর্ম্ম তদুপরি বস্ত্রমাস্তীর্য্য ইত্যর্থঃ (শঙ্কর, শ্রীধর স্বামী)। ক্ষিত্যপ্‌তেজের আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা আছে। ক্ষিতি=মূলাধার। অপ্‌=স্বাধিষ্ঠান। তেজ=মনিপুর। মরুৎ=অনাহত। ব্যোম=বিশুদ্ধ। (আর্য্য মিশনের গীতা ৭অ–৪)। কখন বা চৈলাজিন হইয়া যোগীর আসন রূপে অবস্থিত কখন বা পঞ্চভূত রূপে জগৎ নির্ম্মাণে উন্মুখ মনিপুর স্বাধিষ্ঠানগণই বা কে? বিলাতি শরীরব্যবচ্ছেদ শাস্ত্রেত উহাতের কোন উল্লেখই নাই। তবে যোগের অসাধ্য কার্য্য কিছুই নাই। যোগ বলে আর্য্য মিশনের পঞ্চানন ঠাকুর কত অমূল্য বৈজ্ঞানিক সত্য বাহির করিয়াছেন দেখুন। ১৪ অধ্যায়ের ৮ শ্লোকের টীপ্পনিতে লিখিত আছে যে, “শ্বাস ঈড়া ছাড়িয়া পিঙ্গলায় যাইবার মুখে এবং পিঙ্গলা ছাড়িয়া ঈড়ায় যাইবে মুখে সুষুম্না দিয়া যায়”। “শ্বাসের গতি অনুসারে মনের গতির পরিবর্ত্তন হয়”। “সাধক গুরুপদিষ্ট উপায়ে শ্বাসে সর্ব্বদা লক্ষ্য রাখেন বলিয়া তাঁহার শ্বাসের চঞ্চলতা থাকে না। তিনি প্রাণকে যেখানে ইচ্ছা রাখিতে পারেন। বিলাতি বিজ্ঞান হইতে দেশী বিজ্ঞান কতদূর উচ্চ, পাঠকবর্গ এক্ষণে তাহা বেশ হৃদয়ঙ্গম করিতে সক্ষম হইয়াছেন। হাক্‌স্লি কার্ক প্রভৃতি পণ্ডিতগণ আজিও প্রাণটা কি তাহা স্থির করিতে পারেন নাই। তাঁহারা মনে করেন, lungs (ফুসফুস) এবং heart (হৃদয়) জীবনের দুইটি পা স্বরূপ; অর্থাৎ ইহাদের কার্য্যেতে জীবনের অবস্থান। কিন্তু বাঙ্গালী বৈজ্ঞানিক প্রাণের স্বরূপ তত্ত্ব অবগত হইয়া প্রাণকে শরীরের যেখানে ইচ্ছা সেখানে রাখিতে পারেন। তিনি জানিতে পারিয়াছেন যে, প্রাণ একটা বায়ু বিশেষ। “স্থান ভেবে ঊনপঞ্চাশ আখ্যা ধারণ করিয়া এই পাঞ্চভৌতিক দেহকে চালাইতেছে”। (১৬অ–২২ শ্লোকের টীকা)। চালান তাহাতে ক্ষতি নাই, তবে গ্রন্থকারকে না বায়ুগ্রস্থ করিয়া ফেলেন।

    সপ্তম অধ্যায়ের ২৪ শ্লোকে ভগবান বলিলেন,–
    অব্যক্তং ব্যক্তিমাপন্নং মন্যন্তে মামবুদ্ধয়ঃ।
    পরং ভাবমজানন্তো মমাব্যয়মনুত্তমং।।(১)
    “আমি অব্যক্ত; কিন্তু নির্ব্বোধ মনুষ্যেরা আমার নিত্য, অব্যয়, এবং অতি উৎকৃষ্ট স্বরূপ (সচ্চিদানন্দ রূপ) অবগত না হইয়া আমাকে মনুষ্য, মীন্‌, কুর্ম্ম, ব্রহ্মা, বিষ্ণু ইত্যাদি ভাবাপন্ন মনে করেন।” এই অধ্যায়ে ঈশ্বর ভিন্ন অন্য দেবতার আরাধনার অকিঞ্চিৎকরত্ব সম্বন্ধে কতকগুলি উপদেশ আছে, তাহা আমরা গীতানুরাগী হিন্দু মহোদয়গণকে পাঠ করিতে অনুরোধ করি।
    “অন্যান্য উপাসকেরা স্বীয় প্রকৃতির বশীভূত হইয়া অর্থাৎ পুত্র লাভ, শত্রুজয়াদি বিষয় বাসনা দ্বারা অভিভূত এবং কামাদি দ্বারা হতজ্ঞান হইয়া ভূত প্রেতাদি ক্ষুদ্র দেবতার আরাধনা করিয়া থাকে”। (৭অ–২০)। আশ্বিন এবং কার্ত্তিক মাসে বঙ্গদেশে অনেক দেবতাই ষোড়শোপচারে পূজা পাইয়া থাকেন। তাহারাই এই গীতোক্ত ক্ষুদ্র দেবতা কি না তাহা ভক্ত মাত্রেরই বিশেষ করিয়া পরীক্ষা করা উচিত। কেননা বিপুল অর্থব্যয় এবং অশেষ শারীরিক এবং মানসিক কষ্ট ভোগ করিয়া ভূত পূজার ফল স্বরূপ পেতত্ব পাইতে হইলে অত্যন্ত ক্ষোভের বিষয় হইবে। শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ংই বলিয়াছেন–“দেবতা পূজকগণ দেবলোকে, পিতৃপূজকগণ পিতৃলোকে গমন করেন; যাঁহারা ভূতের উপাসক তাঁহারা ভূত হন; কিন্তু যাঁহারা ব্রহ্মোপাসক তাঁহারা ব্রহ্মকে প্রাপ্ত হন”। (৯অ–২৫)। আর দেবতা পূজারই বা আবশ্যকতা কি? বাসুদেব ত পুনঃ পুনঃ স্পষ্টাক্ষরে বলি্তেছেন–“দেবতা পূজার ফল ক্ষণস্থায়ী। বেদত্রয় বিহিত কর্ম্মে মোক্ষ হয় না। দেবপূজকদিগের পুণ্য সত্বর ক্ষয় প্রাপ্ত হয়, এবং বারম্বার জন্ম গ্রহণ করিতে হয়। (৯অ–২০-২১)। কিন্তু–
    অনন্যাশ্চিন্তয়ন্তোমাং যে জনা পর্য্যুপাসতে।
    তেষাং নিত্যাভিযুক্তানাম্‌ যোগক্ষেমং বহাম্যহম্‌।। (৯অ–২২)
    “যাহারা অনন্যমনে আমারে চিন্তা ও আরাধনা করে, আমি সেই সকল মদেকনিষ্ট ব্যক্তিদিগকে মুক্তি প্রদান করিয়া থাকি”।
    “নিকৃষ্ট জাতি বা নিতান্ত পাপাত্মা শূদ্র বা স্ত্রীলোকও ব্রহ্মকে আশ্রয় করিলে উৎকৃষ্ট গতি লাভ করিতে পারে” (৯অ–৩২)।
    যদি ব্রহ্মোপাসনাই মোক্ষলাভের একমাত্র উপায় হয়, যদি ব্রহ্মকে আশ্রয় কইলে সকল পাপ সকল দুঃখের হস্ত হইতে পরিত্রাণ পাওয়া যায়, তবে কেন ভাই অনর্থক ভূতের উপাসনা করিয়া শরীর মন কলুষিত কর!
    যাবানর্থ উদপানে সর্ব্বতঃ সংপ্লুতোদকে।
    তাবান্‌ সর্ব্বেষু বেদুষু ব্রাহ্মণস্য বিজানিতঃ।। (২য়–৪৬)
    “যেমন উদপানে (অর্থাৎ কূপ, বাপী, তড়াগ প্রভৃতি ক্ষুদ্র জলাশয়ে) যে সকল প্রয়োজন সিদ্ধ হয়; একমাত্র সংপ্লুতোদকে (মহাহ্রদে) সেই সকল প্রয়োজন সিদ্ধ হইয়া থাকে। সেইরূপ সমুদায় বেদে যে সকল কর্ম্মফল বর্ণিত আছে, সংশয়রহিত বুদ্ধি বিশিষ্ট ব্রহ্মনিষ্ট একমাত্র ব্রহ্মেই তৎসমুদায় প্রাপ্ত হইয়া থাকেন”।
    “সাকার পূজা এবং নিরাকাএর পূজা” ইহার মধ্যে কোনটী গীতার অভিপ্রেত? বাসুদেব “মৎকর্ম্মকৃৎ,” “মদ্‌ভক্ত হও” “মৃত্যুর পর আমাকে প্রাপ্ত হইবে” ইত্যাদি কথা দ্বারা নরদেহধারী কৃষ্ণ মূর্ত্তির কি পূজা করিতে বলিতেছেন? কেহ কেহ এরূপ প্রশ্ন করিতে পারেন। সমাজের ভয়ে মুক্তকণ্ঠে বলিতে না পারুন, ভগবদগীতার রচিয়তা যে বেদের প্রতি আস্থা শূন্য ছিলেন, অর্থ শূন্য যজ্ঞাদি কর্ম্মকাণ্ড এবং প্রতিমাদি পূজার তাঁহার বিলক্ষণ বিদ্বেষ ছিল, মনোযোগের সহিত ভগবদগীতা পাঠ করিলেই তাহার বিলক্ষণ আভাষ পাওয়া যায়। ইতিপূর্ব্বেই আমরা তাহার অনেক পরিচয় দিয়াছি। দ্বাদশ অধ্যায়ের প্রথম শ্লোকের টীকায় হিন্দুশ্রেষ্ঠ শ্রীধর স্বামী নিজেই স্বীকার করিয়াছেন যে, “যাঁহারা সমস্ত কর্ম্মার্পণ দ্বারা একান্ত ভক্তি সহকারে সমাহিত চিত্ত হইয়া বিশ্বরূপ, সর্ব্বজ্ঞ, সর্ব্বশক্তিমান, সগুণ (২) ঈশ্বরের উপাসনা করেন তাঁহারাই শ্রেষ্ঠ।”

    গীতার স্থানে স্থানে আদি দেব, বিশ্বকর্ত্তা পরমেশ্বরের যে বর্ণনা আছে, তাহা সান্ত সাকার মূর্তি নহে। বিস্ময়োৎফুল্ল নয়নে মহামতি পার্থ যে বিশ্বেশ্বরের বিশ্বরূপ দর্শন করিয়াছিলেন, তাহার আদি, অন্ত বা মধ্য কিছুই নাই। তিনি অখিল ব্রহ্মাণ্ডের গতি, ভর্ত্তা, প্রভু, সাক্ষী, নিবাস, শরণ (রক্ষক) এবং সুহৃৎ। তাঁহা হইতেই এই বিশ্ব সংসার উৎপন্ন হইয়াছে, তাঁহাতেই বিলীন হইবে। (৯অ–১৮)। সূত্রে যেরূপ মণিগণ গ্রথিত থাকে, বিশ্ব সংসার তদ্রুপ তাঁহাতে গ্রথিত আছে। তিনি অব্যক্ত রূপে সমস্ত বিশ্বে ব্যাপ্ত রহিয়াছেন। তাঁহাতে ভূত সকল অবস্থান করিতেছেন অথচ ইনি কিছুতেই অবস্থিত নন। (৯অ–৪)। অনাদি এবং নির্বিশেষস্বরূপ ব্রহ্মই জ্ঞেয়; সর্ব্বত্রই তাঁহার কর, চরণ, চক্ষু, মস্তক ও মুখ বিরাজিত আছে। তিনি সকলকে আবৃত করিয়া, অবস্থিতি করিতেছেন (১৩অ–১৪)।

    প্রতিমাদি পূজারও যথেষ্ট নিন্দা গীতায় দেখিতে পাওয়া যায়। “নির্ব্বোধ মনুষ্যেরাই ব্রহ্মকে মীন, কুর্ম্ম, মনুষ্যাদির রূপধারী মনে করেন,” “নিকৃষ্ট দেবতা পূজার ফল ক্ষণ স্থায়ী। তমসাক্রান্ত অজ্ঞ লোকেই প্রতিমাদিতে ঈশ্বর বিদ্যমান আছেন মনে করেন।” (১৮অ–২২)। “ঈশ্বর ভিন্ন অন্য দেবতা শীঘ্র ফল দিবেন, এইরূপ বিফল আশা সম্পন্ন; ঈশ্বরের প্রতি বিমুখ হওয়াতে বিফল কর্ম্ম পরায়ণ নানা প্রকার কুতর্কাশ্রিত বিফল জ্ঞান যুক্ত বিচেতন (বিক্ষিপ্ত চিত্ত) ব্যক্তিরা হিংসা দ্বেষাদি রাক্ষসী; কাম দর্পাদি আসুরী প্রকৃতি আশ্রয় করিয়া ঈশ্বরকে সামান্য মানবরূপধারী জ্ঞানে অবমাননা করে। রাক্ষসী এবং আসুরী প্রকৃতি নিবন্ধনই তাহারা ঈশ্বরের স্বরূপ বুঝিতে পারে না (৯অ–১২)।
    মহাত্মনস্তু মাং পার্থ দৈবীং প্রকৃতিমাশ্রিতাঃ।
    ভজন্ত্যনন্যমনসো জ্ঞাত্বা ভূতাদিমব্যয়ম্‌।। (৯অ—১৩)
    “কিন্তু হে পার্থ, মহাত্মাগণ বৈরী (সাত্ত্বিক) প্রকৃতি আশ্রয় পূর্ব্বক আমারে সকল ভূতের (জগতের) কারণ ও অব্যয় (নিত্য বা অবিনাশী) রূপ অবগত হইয়া অনন্য মনে আরাধনা করে।”(৩)
    অনেকেই গীতার পরম ভক্ত বলিয়া পরিচয় দেন, কিন্তু গীতার যাহা শ্রেষ্ঠ উপদেশ তাহাই লঙ্ঘন করিয়া কাষ্ঠ প্রস্তরাদি নির্ম্মিত নিকৃষ্ট দেবতার প্রতিমা পূজা করেন।(৪) পুত্রৈশ্বর্য্য লাভের আশায় হতজ্ঞান হইয়া, চিন্ময়, অশরীরী সচ্চিদানন্দ পরব্রহ্মের পূজা পরিত্যাগ পূর্ব্বক বহু হস্ত পদ শোভিত ভূত প্রেতাদি ক্ষুদ্র দেবতার উপাসনা করেন। গীতা-সমুদ্র-মন্থন-সমুদ্ভব অমৃতকণা পরিত্যাগ পূর্ব্বক হলাহল গ্রহণের জন্য আগ্রহ কেন? পদ্মনাভ মুখপদ্ম বিনিঃসৃত গীতামৃত পাঠ করিয়াও কি আপনাদের ভ্রান্তি দূর হইবে না? গীতার যাহা শ্রেষ্ঠ রত্ন, তাহাই পদদলিত করিয়া আপনাকে “গীতা-গত-প্রাণ” বলিয়া পরিচয় দেওয়া বৃথা।

    অষ্টম অধ্যায়ের প্রারম্ভে অর্জ্জুন কৃষ্ণকে আটটী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেন। তন্মধ্যে অষ্টম প্রশ্ন এই, “সংযতচিত ব্যক্তিরা মৃত্যু কালে কি প্রকারের ব্রহ্মকে বিবিদত হন?” ভগবান বলিলেন;— “যিনি অন্তকালে আমারে স্মরণ করিয়া কলেরব পরিত্যাগ করেন, তিনি নিঃসন্দেহে আমার স্বরূপ প্রাপ্ত হন। যে ব্যক্তি একান্ত মনে অন্তকালে যে যে বস্তু স্মরণ করিয়া দেহত্যাগ করে, সে সেই সেই বস্তুর স্বরূপ প্রাপ্ত হয়” (৮অ—)। এই বৈজ্ঞানিক তত্ত্বটী বিশদরূপে বুঝাইবার জন্য শ্রীমান কৃষ্ণানন্দ স্বামী অশেষ আয়াস সহকারে কতকগুলি নজির সংগ্রহ করিয়াছেন। যথা—(১) “তৈলপায়িকা অত্যন্ত ভয় প্রযুক্ত ভ্রমর কীট চিন্তাবশতঃ দুই তিন ঘণ্টার মধ্যে নিজদেহ পরিহার পূর্ব্বক ভ্রমর ভাবাপন্ন হয়।” (২) “নন্দিকেশরী সর্ব্বদা সদাশিবের ভাবনা করিতে করিতে, সেই দেহেই শিবরূপী হইয়াছিল।” এরূপ অপরূপ রূপান্তরের বৈজ্ঞানিক কারণ যিনি বাহির করিতে সমর্থ হইয়াছেন। তিনি বলেন, “যে যে বিষয়ের তীব্র চিন্তা মন মধ্যে ক্রিয়া করিতে থাকে, মনোময় সূক্ষ্ম শরীর তদ্‌ভাবাপন্ন হইয়া যায়।” তবে ত শ্রীক্ষেত্রবাসী যে সকল লোক মৃত্যুকালে দারুব্রহ্মের বিকলাঙ্গরূপ ধ্যান করিতে করিতে দেহত্যাগ করেন, তাহাদিগকে পর জন্মে হস্তপদাদি শূন্য হইয়া জন্মগ্রহণ করিতে হইবে। আর ম্রিয়মান্‌ ব্যক্তিকে লইয়া গঙ্গা যাত্রা করান কোন ক্রমেই উচিত নয়। কেননা স্রোতস্বিণী ভাগিরথীর পার্শ্বে শয়ন করিয়া পুণ্যসলিলার স্নিগ্ধ বারি পান, এবং তরঙ্গমালাসুশোভিতা বারিরাশি দর্শ্ন করিতে করিতে যদি কেবল জলের রূপই মনে পড়ে, তবে ত পরজন্মে তাহাকে জল হইয়া থাকিতে হইবে!
    উল্লিখিত মহামূল্য বৈজ্ঞানিক সত্যের ব্যাখ্যা করিয়া হৃষিকেশ বলিলেন, হে অর্জ্জুন, এখন তুমি বেশ বুঝিতে পারিয়াছ যে, অন্তিম কালে আমাকে স্মরণ করিতে না পারিলে মোক্ষ হইবে না। আর চিত্ত শুদ্ধ না হইলে মরণ সময় আমায় স্মরণ হইবে না। চিত্ত শুদ্ধির উপায়ও তুমি জান। উপস্থিত সংগ্রামে আত্মীয় স্বজনকে হত্যা কর।(৫) অতএব কাল বিলম্ব না করিয়া;—
    সর্ব্বেষু কালেষু মামনুস্মর যুধ্য চ।(৬)
    “সকল সময় আমাকে অনুস্মরণ কর এবং যুদ্ধ কর” এবং চিত্তশুদ্ধির এমন সহজ উপায় ইতিপূর্ব্বে আর কেহ কখন আবিষ্কার করিতে পারে নাই।

    অষ্টম অধ্যায়ের শেষ ভাগে কৃষ্ণচন্দ্র পুনরায় বিজ্ঞানালোচনায় প্রবৃত্ত হইয়া বলিলেন, জগতের শুক্ল ও কৃষ্ণবর্ণ দুইটী গতি (দেবযান এবং পিতৃযান) আছে। মৃত্যুর পর ব্রহ্মবেত্তারা এই দুই পথে গমন করেন। তন্মধ্যে একতর দ্বারা অনাবৃত্তি (মোক্ষ) ও অন্যতর দ্বারা আবৃত্তি (পুনর্জন্ম) হয়। আর্য্যমিশনের গীতার পরিশিষ্ট হইতে উদ্ধৃতাংশটী পাঠ করিলেই পাঠক বর্গ দুইটী গতির বিষয় বুঝিতে পারিবেন।
    “যে সকল অরণ্যবাসী শ্রদ্ধাবান তপস্বী হইয়া ব্রহ্মোপাসনা করেন; তাহারা মরনান্তে প্রথমতঃ অর্চ্চিরধিষ্ঠাত্রী দেবতাকে প্রাপ্ত হন। অন্তর উত্তরোত্তর অহরভিমানিনী দেবতা, শুক্ল পক্ষ দেবতা, উত্তরায়ণ দেবতা, সংবৎসর দেবতা, সূর্য্য, চন্দ্রমা, এবং বিদ্যুদধিষ্ঠাত্রী দেবতাকে প্রাপ্ত হন। এই স্থানে কোন এক অমানব পুরুষ ব্রহ্ম লোক হইতে উপগত হইয়া মৃত জীবকে ব্রহ্ম লোক প্রাপণ করিতে পারে না। একারণ ব্রহ্ম লোক হইতে একজন অমানব পুরুষ আসিয়া তদ্গত জীবকে ব্রহ্ম লোক প্রাপণ করে।” (ছন্দোগ্য উপনিষৎ পঞ্চম প্রপাঠক)। বলা বাহুল্য এরূপ বিজ্ঞান হিন্দু শাস্ত্র এবং গঞ্জিকালয়ের উপযুক্ত। এবং এইরূপ বিজ্ঞানকেই ডাক্তার মহেন্দ্র লাল সরকার বলেন;—
    Transcendental nonsense.
    —————–
    (১) এই শ্লোকের যথার্থ অর্থ হিন্দু সমাজে প্রচার হইল ঠাকুর পূজা; অতএব হিন্দু ধর্ম্ম বিনষ্ট হইবে, সৌভাগ্যক্রমে শ্রীশশধর তর্কচূড়ামণি অগ্রেই তাহা বুঝিতে পারিয়াছিলেন। সুতরাং এই ঘোর বিপত্তির নিরাকরণার্থ তিনি এই শ্লোকের অনুবাদ না করিয়া এমন এক দেড় পত্র ব্যাপী বং অং (বঙ্গানুবাদ?) লিখিয়াছেন যে যাহার সহিত মূলের কিছুমাত্র সংশ্রব নাই।
    (২) সগুণ শব্দের অর্থ সাকার এবং নির্গুণ অর্থে নিরাকার অনুবাদ করিয়া কোন কোন অনুবাদক সাধারণোকে প্রতারিত করিবার প্রয়াস পাইয়াছেন। শ্রীধর স্বামী এস্থলে নিরাকার সগুণ ব্রহ্মের কথাই বলিতেছেন। কেননা সাকার, অতএব সান্ত (সামা বিশিষ্ট) পদার্থের বিশ্বব্যাপী রূপ হইবে কি প্রকারে? নিরাকার নির্গুণ পরমেশ্বর কি, আমরা তাহা জানি না। বঙ্কিম বাবু বলেন, “আমরা নির্গুণ ঈশ্বর বুঝিতে পারি না, কেননা আমাদের সে শক্তি নাই। অতএব আইস, আমরা নির্গুণ ঈশ্বরের কথা ছাড়িয়া দিই। ঈশ্বরকে নির্গুণ বলিলে, স্রষ্টা, বিধাতা, পাতা, ত্রাণকর্তা কাহাকেও পাই না। এমন ঝকমারিতে কাজ কি?”
    (৩) কেহ কেহ বলেন “উচ্চাধিকারীর” পক্ষেই নিরাকার উপাসনা প্রশস্ত। গীতায় কিন্তু স্পষ্টাক্ষরে লিখিত আছে যে, মহাপাপী শুদ্র, স্ত্রীলোকও ঈশ্বরকে ভজনা করিয়া মোক্ষ প্রাপ্ত হয়। অতি দুরাচার লোক ও ঈশ্বর পরায়ণ হইলে সাধু বা (উচ্ছাধিকারী) হন (৯অ—৩০)।
    (৪) সত্য বটে, অজ্ঞ লোকে ঈশ্বরের স্বরূপ না জানিয়া, ঈশ্বরবোধে কোন বিগ্রহকে পূজা করিলে, অন্তর্যামী ভগবান তাহার পূজা গ্রহণ করেন [৯অ—২৩]। সকলের হৃদযজ্ঞ দয়াময় প্রভু জানেন, যে অজ্ঞ মানব তাঁহারই পূজা করিতেছে। কিন্তু গীতা পাঠা যিনি ঈশ্বরের স্বরূপ অবগত হইয়াও ইচ্ছা পূর্ব্বক মৃত্তিকাদি নির্ম্মিত মনুষ্য মূর্তির পূজা করেন, পরমেশ্বর কখনই তাহার পূজা গ্রহোন করেন না। অবজানন্তি মাং মূঢ়া মানুষীং তনুমাশ্রিতম্‌ “মূঢ় আমাকে সামান্য মানব জ্ঞানে অবজ্ঞা করিতেছে”, তিনি এরূপ বলেন।
    (৫) (৬) তৎস্মরণং হি চিত্তশুদ্ধিং বিনা ন ভবতি। অতো যুধ্যস্ব চিত্তশুদ্ধ্যর্থং। শ্রীধর স্বামী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআজ যদি আমাকে জিগ্যেস করো – জয় গোস্বামী
    Next Article গীতগোবিন্দ – জয়দেব গোস্বামী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }