Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভগবতগীতা-সমালোচনা – জয়গোপাল দে

    জয়গোপাল দে এক পাতা গল্প67 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভগবদগীতা-সমালোচনা – ৫ম পরিচ্ছেদ

    ভগবদগীতা-সমালোচনা – ৫ম পরিচ্ছেদ

    নবম অধ্যায়ে কৃষ্ণ বলিলেন, মুক্তি প্রদান করিবার সময় ঈশ্বর ভক্তের জাতি বিচার করেন। জাতি উচ্চ হইলে সহজে মুক্তি লাভ হয়। সুতরাং পাপী শূদ্রেও যখন ঈশ্বরপরায়ণ হইলে মুক্তি পায় তখন তোমার ন্যায় ভক্তিপরায়ণ ক্ষত্রিয় যে সহজে উৎকৃষ্ট গতি লাভ করিবে, সে বিষয়ে সন্দেহ কি? (৯অ—৩৩)। হিন্দু শাস্ত্রের ঈশ্বর অনেকটা হিন্দু রাজাগণের ন্যায়, জাতি অনুসারে শাস্তি বা মুক্তি প্রদান করেন; কিন্তু বাইবেলের ঈশ্বরের নিকট সকল লোকই সমান। “God is no respecter of Persons.”

    দশম অধ্যায়ের নাম বিভূতিযোগ। এই অধ্যায়ে শ্রীকৃষ্ণ কিয়ৎক্ষণ কথোপকথনের পর আপনার বিভূতি ও ঐশ্বর্য্যের এক দীর্ঘ তালিকা প্রদান করেন। তাহা হইতে নমুনা স্বরূপে কিয়দংশ উদ্ধৃত হইল। তিনি বলিলেন,—“আমি, দৈত্য কুলে প্রহ্লাদ, হস্তিগণের মধ্যে ঐরাবত, অশ্বের মধ্যে উচ্চৈঃশ্রবা; সবিষ ভুজঙ্গের মধ্যে বাসুকি, নির্ব্বিষ ভুজঙ্গের মধ্যে অনন্ত, মৎসের মধ্যে মকর, অক্ষরের মধ্যে অকার, সমাসের মধ্যে দ্বন্দ্ব, মাসের মধ্যে অগ্রয়াহণ,” ইত্যাদি। কেবল বলিলেন না তিনি রাসভের মধ্যে কোনটি! সেটা বোধ হয়, ভক্তের বুদ্ধিপরীক্ষার্থ।

    একাদশ অধ্যায়ে অর্জ্জুন একটা মস্ত আবদার করিয়া বসিলেন, তিনি কৃষ্ণকে বলিলেন, তোমার বিশ্বরূপ দেখাও। কৃষ্ণ তথাস্তু বলিয়া তাহার পরম বন্ধুকে এক জোড়া দিব্য চক্ষু প্রদান করিলেন। পাণ্ডুনন্দন বিশ্বরূপ দর্শন করিয়া নয়ন মন সার্থ করিলেন। বিশ্বব্যাপী মূর্ত্তি বাক্য দ্বারা বর্ণনা করা অসম্ভব। কৃষ্ণানন্দের গীতাস্থ আলেক্ষ্য দর্শন করিলে পাঠকবর্গ অনেকটা আইডিয়া করিতে পারিবেন। ধনঞ্জয় দেখিলেন, কৃষ্ণের দেহ, বাহুতর বাহু, উদর, বাহু, উদর, মুখ, এবং নেত্র দ্বারা শোভিত। তাঁহার আদি, অন্ত, মধ্য কিছুই নাই এবং একাকী স্বর্গ, পৃথিবী, অন্তরীক্ষ ও সমস্ত দিগ্বলয় ব্যাপ্ত হইয়া রহিয়াছেন। কুরুশ্রেষ্ঠ অর্জ্জুন কিন্তু কোন্‌ স্থান হইতে দর্শন করিয়াছিলেন, কোন ভাষ্যকারই তাহা লেখেন নাই। মহামতি পার্থ আরও দেখিলেন, যে মহাবীর ভীষ্ম, দ্রোণ, কর্ণ, ধৃতরাষ্ট্রের পুত্রগণ, এবং অন্যান্য মহীপালবর্গ, তাহাদের যোদ্ধৃগণের সহিত কৃষ্ণের বদনবিবরে প্রবেশ করিতেছেন এবং বিশাল চন্তাঘাতে তাহাদের উত্তমাঙ্গ সকল চূর্ণীকৃত হইতেছে। বাসুদেব, এই ভয়ঙ্কর মূর্ত্তিতেই বলিলেন, আমিই লোকক্ষয়কারী সাক্ষাৎ কালরূপী হইয়া লোকসংহারে প্রবৃত্ত হইয়াছি। তুমি ব্যতিরেকে প্রতি পক্ষীয় সমস্ত বীরগণই বিনষ্ট হইবে। অতএব তুমি যুদ্ধার্থ উত্থিত হইয়া জ্ঞাতিবর্গকে সমরে বিনষ্ট করিয়া যশোলাভ এবং সমৃদ্ধ রাজ্য উপভোগ কর, (১) আমি উহাদিগকে অগ্রেই নিহত করিয়া রাখিয়াছি, এক্ষণে তুমি বিনাশের নিমিত্ত মাত্র হও। হে অর্জ্জুন, আমি অগ্রেই ভীষ্ম, দ্রোণ, জয়দ্রথ প্রভৃতি বীরগণকে বিনাশ করিয়া রাখিয়াছি; তুমি কেবল তাহাদিগের গলা একটু একটু কাটিয়া দাও, আর অধিক কিছু করিতে হইবে না। তাহাতেই তোমার কার্য্য উদ্ধার হইবেক। তজ্জন্য কিছু মাত্র ব্যথিত হইও না। অনতিবিলম্বে সংগ্রামে প্রবৃত্ত হও, নিশ্চয়ই তোমার জয় হইবে।
    এই সকল দেখিয়া শুনিয়া অর্জ্জুনের জ্ঞানমার্গ উন্মুক্ত হইল। এবং আমি হন্তা উহারা হত, এরূপ ভ্রান্তি দূর হইল। ইংরাজ বিচারপরিগণকে আমরা গীতার এই অংশটুকু পাঠ করিতে অনুরোধ করি। কারণ তাঁহারা অনেক সময় অমুক লোক অমুক লোককে হত্যা করিয়াছে ভাবিয়া নিরাপরাধীকে অনর্থক শাস্তি প্রদান করেন। কুসংস্কারবিশিষ্ট কতক গুলা দেশীয় সংবাদপত্রের সম্পাদক, ‘একজন শ্বেতকায় একজন কৃষ্ণকায়কে হত্যা করিয়াছে’ বলিয়া মধ্যে মধ্যে চীৎকার করিয়া উঠে। ভক্তি এবং শ্রদ্ধার সহিত গীতাপাঠ করিলেই বুঝিতে পারিবেন যে, বৃন্দাবনের ননি চোরাই যত অনর্থের মূল। তিনিই যথার্থ হত্যাকারী, সাহেব নিমিত্ত মাত্র। যিনি নিমিত্ত মাত্র তাঁহার আবার অপরাধ কি?
    বন্ধুর স্তব স্তুতিতে সন্তুষ্ট হইয়া নন্দদুলাল নিজ মূর্ত্তি ধারণ করিয়া বলিলেন,—হে অর্জ্জুন, “তোমা ব্যতিরেকে আর কেহ আমার তেজোময় বিশ্বব্যাপী মূর্ত্তি দর্শন করে নাই।” এই কথাটার জন্য বঙ্কিম বাবু কিছু গোলে পড়িয়াছিলেন; কেননা কুরুসভায় এবং অন্যান্য স্থানে সহস্র সহস্র লোককে এই বিশ্বব্যাপী মূর্ত্তি দর্শন করাইয়া আজ বলিলেন কি না—“আমার বিশ্বরূপ তুমি ভিন্ন আর কেহ দেখে নাই।” (কৃষ্ণচরিত্র—১৭৩ পৃষ্ঠা)। কিন্তু উপন্যাসরচকের কল্পনাময়ী লেখনী সঙ্গে সঙ্গেই একটা সুন্দর মীমাংসা করিয়া দিয়াছেন। সমস্ত বিশ্বরূপ গুলাই প্রক্ষিপ্ত। “অঙ্গুলীকণ্ডুয়ণনিপীড়িত প্রক্ষিপ্তকারির জাতি গোষ্ঠী সম্ভূত কোন কুকবি প্রণীত অলীক উপন্যাস।” (২)

    ত্রয়োদশ অধ্যায়ের নাম প্রকৃতি, পুরুষ, বা ক্ষেত্র, ক্ষেত্রজ্ঞ বিভাগ যোগ। এই অধ্যায়ে “ক্ষেত্র, ক্ষেত্রজ্ঞ, জ্ঞান এবং জ্ঞেয়” এই সকল বিষয়ের বর্ণনা আছে। “এই ভোগায়তন শরীরই ক্ষেত্র এবং এই ভারি আশ্চর্য্যের কথা যিনি বিদিত আছেন, বুধগণ তাঁহাকে “ক্ষেত্রজ্ঞ” নামে অভিহিত করেন।” সর্ব্বব্যাপী, সর্ব্বশক্তিমান, আদ্যন্তবিহীন, পরব্রহ্মই জ্ঞেয়, এবং বিষয়ে বৈরাগ্য, নিরহংকারিতা, জন্ম, জরা, মৃত্যুর দোষ দর্শন ইত্যাদি বিংশতি প্রকার জ্ঞান। “আমাদের আত্মা আমাদের শরীরাভ্যন্তরে বাস করিয়াও আমাদের সহিত কোন সম্পর্ক রাখেন না। সাক্ষীর ন্যায় আমাদের সকল কার্য্য নিরীক্ষণ করেন।” ইহাই নাকি একটা মস্ত জ্ঞানের কথা; এবং যিনি ইহা জানেন, তিনি যেরূপ কার্য্য করুন না কেন, এই বর্ত্তমান দেহ পাতে তাঁহাকে আর পুনর্জন্ম গ্রহণ করিতে হয় না। অর্থাৎ তিনি ন্যায় পথ অতিক্রম করিয়া “ইন্দ্রিয়াদি দ্বারা কোন প্রকার নিষিদ্ধ কার্য্যের অনুষ্ঠান করিলেও” তাঁহার কিছু মাত্র পাপ হয় না!!! এবং তিনি মোক্ষ প্রাপ্ত হন (শশধর তর্কচূড়ামণি ১৩অ—২৩ শ্লোকের বং অং)। “স পুরুষঃ সর্ব্বথা বিধিমভিলঙ্ঘ্য বর্ত্তমানোহপি পুনর্নাভিজায়তে। শ্রীধর। পরিত্রাণলাভের এমন সহজ উপায় আর কোন ধর্মগ্রন্থে পাওয়া যায় না। উল্লিখিত জ্ঞানের প্রশংসা গীতার নানা স্থানে পাওয়া যায়। চতুর্থ অধ্যায়ে লিখিত আছে যে,—যদ্যপি তুমি সকল অপেক্ষা অধিক পাপী হও, তথাপি এই জ্ঞানরূপ ভেলা দ্বারা সমস্ত পাপসমুদ্র হইতে উত্তীর্ণ হইবে।
    ইহা সম্বন্ধে কোন ইউরোপীয় পণ্ডিত বলেন,—“What is this knowledge, that has such wonderful effects? The blasphemous assertion (অহং ব্রহ্ম) I am God.”(৩) “The perfect beatitude will be our reward, if we can only bring ourselves to the conclusion that there is no difference between God and man; between virtue and vice; cleanliness and filth; and heaven and hell!!!”
    পাপের প্রকৃত প্রায়শ্চিত্ত অনুতাপ। কেবল মাত্র উপযুক্ত অনুতাপ দ্বারাই পাপ ধ্বংস হইতে পারে। গীতার লেখক এই মহামূল্য সত্য জানিতেন না।

    চতুর্দ্দশ অধ্যায়ে গুণত্রয় লক্ষণ বর্ণিত আছে। জগতের যাবতীয় পদার্থেই নাকি গুণত্রয় বর্ত্তমান আছে। শ্রীমান কৃষ্ণানন্দ স্বামী বলেন যে, “তৃণ হইতে ব্রহ্ম পর্য্যন্ত ত্রিগুণময়ী মায়া রজ্জুতে গ্রথিত রহিয়াছে,” তর্কচুড়ামণি মহাশয় কিন্তু ইহা স্বীকার করেন না। তিনি মনে করেন, “দুর্ব্বাসা কপিলাদি মুনিগণ ত্রিগুণের অতীত” (১৮অ—৪২)। তবে যে মধ্যে মধ্যে (স্ত্রীলোক দেখিলে রেতঃপতন প্রভৃতি) “কদাচিৎ অসৎ প্রবৃত্তির কার্য্য দেখিতে পাওয়া যায়; উহা তাহাদের স্বভাবের পরিচায়ক নহে”। (বোধ হয় বাল্যকালের বদ্‌ অভ্যাসের ফল) “অর্থাৎ নিদ্রিত ব্যক্তির মশক তাড়না করার ন্যায় দৈহিক সংস্কারানুসারে হইয়াছে”। কৃষ্ণানন্দেরও বচন প্রমাণ আছে।—“পৃথিবীতে বা স্বর্গে অথবা দেবতাদিগের মধ্যে এমন কোন পদার্থ নাই যাহাতে এই তিন গুণ বিদ্যমান নাই” (১৮অ—৪০)। চূড়ামণি মহাশয়ের স্বপক্ষে ইহাও বলা যাইতে পারে যে, মানব কিঞ্চিত চেষ্টা করিয়াই আপনাকে ত্রিগুণাতীত করিতে পারে, তখন ব্রহ্মা এবং বড় বড় মহর্ষিগণ যে তাহা আজিও পারেন নাই, তাহা সম্ভবপর বলিয়া বোধ হয় না। ভাল, এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডব্যাপী গুণ তিনটী কি?(৪) বৈজ্ঞানিক পণ্ডিত শ্রীশশধর তর্কচূড়ামণি বলেন, উহারা শক্তি (Force)। পাশ্চাত্য বিজ্ঞানের সংজ্ঞানুসারে বিচার করিলেন, উহারা জড় পদার্থ (matter), শক্তি (Force) বা জড়ের গুণ (property) বলিয়া বোধ হয় না।
    সংস্কৃত দর্শন শাস্ত্রাদিতেও উহাদিগকে জড় পদার্থ বলে না। উহারা শক্তি বা Force হইতে পারে না। কেননা শক্তি ইন্দ্রিয় গ্রাহ্য পদার্থ নয়। তাহার গুরুত্ব, বা লঘুত্বাদি গুণ সকল নাই। কিন্তু সত্ত্বাদি গুণ সেরূপ নয়। “সত্ত্বগুণ=লঘ, দীপ্তি বিশিষ্ট এবং নিরুপদ্রব। এই গুণ হইতে জ্ঞানের উদয় হয়। রজোগুণ=অনুরাগাত্মক, অভিলাষ এবং আসক্তি হইতে সমুদ্ভূত; উত্তেজক এবং গতিশীল। তমোগুণ=আচ্ছাদক, ভারবিশিষ্ট এবং অজ্ঞানসম্ভূত।” এরূপ লক্ষণ বিশিষ্ট কোন পদার্থ শক্তি হইতে পারে না। উহাদিগকে জড়ের গুণও বলা যায় না। কেননা গীতাতেই সাত্ত্বিক, রাজসিক এবং তামসিক, এই ত্রিবিধ দান, ত্রিবিধ তপ ইত্যাদির উল্লেখ আছে। দান বা তপ ক্রিয়ামাত্র, উহারা জড় পদার্থ নহে; সুতরাং উহাদের property (গুণ) থাকিবে কি প্রকারে? ইহাদের সম্বন্ধে এতখানি লেখার আবশ্যকই ছিল না। কেননা শিক্ষিত ব্যক্তি মাত্রেই জানেন যে, প্রাচীন পণ্ডিতগণ (৪) ভ্রম প্রযুক্তই এই গুণত্রয়ের অস্তিত্ব কল্পনা করিতেন। তাহাদের অস্তিত্বের কিছুমাত্র প্রমাণ নাই।
    গুণত্রয় বিভিন্ন ভাবাপন্ন হইলেও ইহাদের কার্য্য একই—দেহীকে বন্ধন। সত্ত্ব জ্ঞানাভিমানে, রজঃ কর্ম্মবন্ধনে এবং তমঃ অজ্ঞান দ্বারা জীবকে বন্ধন করে। অর্থাৎ গুণত্রয় হইতে পুনর্জন্ম হয়। ত্রিগুণের অতীত হইতে পারিলে আর জন্মান্তর পরিগ্রহ করিতে হয় না। আর যদি গুণত্রয়ের অস্তিত্বই না থাকে, তবে দেহীর পুনর্জন্ম হইবে কোথা হইতে?
    হিন্দু ধর্ম্মের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাতা স্বধর্ম্মনিরত পণ্ডিতবর শ্রীশশধর তর্ক চূড়ামণির নিকট একবার সন্তানোৎপত্তির প্রক্রিয়াটা শুনুন। “অতীব সূক্ষ্ম কেবল শক্তিমাত্র স্বরূপে অবস্থিত জীব সকল ঘটনা ক্রমে বিবিধ খাদ্য দ্রব্য অথবা নিশ্বাস বায়ুর সহিত সংশ্লিষ্ট হইয়া পিতার দেহে প্রবেশ করে। পরে তাহা হইতে এমন অভিন্ন ভাবে পিতার আত্মার সহিত মিশাইয়া যায় যে, কোন প্রকারেও তাহাদের পার্থক্য অনুভব করা যায় আ, যেন এক হইয়া যায়। পরে যখন স্ত্রী আর পুরুষের যোগ হয়, তখন ঐ বিলীন শক্তি টুকু আবার বিশ্লিষ্ট হইয়া পিতার দেহের অনুমাত্র ভৌতিক পদার্থের আশ্রয় পূর্ব্বক মাতৃ জরায়ুতে প্রবেশ করিয়া, আবার মাতৃদেহে একেবারে সমবেত হইয়া যায়; পরে মাতা হইতে দেহের পুষ্টি সাধন পূর্ব্বক, আবার মাতা হইতে বিস্খলিত হইয়া জন্মগ্রহণ করে। এক একবার মহাপ্রলয়ের পর ব্রহ্ম আর প্রকৃতি হইতে ঠিক এরূপে জীবের উৎপত্তি হইয়া থাকে।”
    এমন প্রকাণ্ড প্রকাণ্ড বৈজ্ঞানিকগণ জীবিত থাকিতে আমরা ম্লেচ্ছদিগের গ্রন্থ পড়িয়া মরি কেন? আচ্ছা, তর্কচূড়ামণি মহাশয় কোন পথে (নাসারন্ধ্র বা বদন বিবর) পিতৃদেবের শরীরাভ্যন্তরে প্রবেশ করিয়াছিলেন, তাহা কি তিনি জানিতে পারিয়াছেন? আমাদের বিশেষ অনুরোধ তিনি দন্ত দ্বারা অন্নাদি অধিক পরিমাণে চর্ব্বন না করেন। কেননা তাহাতে হয় ত তাঁহার ভাবি পুত্রের অতীব সূক্ষ্ম শরীর জড়িত থাকিতে পারে।

    ————————
    (১) সকল সময় কৃষ্ণচন্দ্র নিষ্কাম ধর্ম্ম প্রচার করেন না। মুখে নিষ্কাম ধর্ম্মের যতই কেন প্রশংসা করুন না, লাভালাভের দিকে তিনি বিলক্ষণ দৃষ্টি রাখেন। এই জন্যই Tawney সাহেব বলেন;—a vein of insincerity runs through this exhortation.
    (২) বঙ্কিম বাবুর মতে সমস্ত গীতা খানিই “প্রক্ষিপ্ত,” একাদশ অধ্যায় কি আবার প্রক্ষিপ্তের মধ্যে “প্রক্ষিপ্ত?’ প্রক্ষিপ্ত হউক বা না হউক, একাদশ অধ্যায় কোন কুকবি প্রণীত নয়। কাব্যাংশে এই অধ্যায়ই গীতার মধ্যে শ্রেষ্ঠ।
    (৩) সুখের বিষয়ে এই যে, “সকল মানবের আত্মা এবং ঈশ্বরের আত্মা এক অবিভক্ত পদার্থ” তাহা বৈদান্তিকগণ ছাড়া ভারতের অন্যান্য দার্শনিকগণও স্বীকার করিতেন না। সাংখ্যদর্শনে আত্মার বহুত্ব উত্তমরূপে প্রমাণীকৃত হইয়াছে।
    জন্মমরণকরণানাম্‌ প্রতিনিয়মাৎ অযুগপৎ প্রবৃত্তেশ্চ।
    পুরুষ বহুত্বং সিদ্ধং ত্রৈগুণ্য বিপর্য্যয়াচ্চৈব।।
    ভারতের শ্রেষ্ঠ দার্শনিক ভক্তপ্রবর রামানুজ এইরূপে অদ্বৈতবাদের অযৌক্তিকতা দেখাইয়াছেন;—
    All the Shastras tell us of two principles—knowledge and ignorance, virtue and vice, truth and falsehood. Thus we see pains everywhere, and God and human soul are also so. How can they be one? I am sometimes happy, sometimes miserable. He the spirit is always happy, such is the discrimination. How can the two distinct substances be identical? He is eternal light, with our anything to obscure it—pure one superintendent of the world. But human soul is not so. Thus a thunderbolt falls on the tree of no-distinction. How canst thou, oh slow of thought, say, I m He, who has established this immense sphere of Universe in its fulness? Consider thine own capacities with a candid mind. By the mercy of the Most High a little understanding has been committed to the. It is not for thee, therefore, O perverse one, to say, I am God. All the qualities of sovereignty and activity are eternally God’s. He is therefore a being endowed with qualities (সগুণ). How can he be devoid of qualities (নির্গুণ). Why again should this useless illusion be exercised? if you say as a sport—why should a being of unbounded joy engage in sport? To say that God has projected an illusion for deluding his creatures; or that a being essentially devoid of qualities (নির্গুণ) become possessed of qualities (সগুণ) under the influence of illusion (মায়া) is equally opposed to Godliness. You cannot, if you believe Him to be all truth, allow the possibility of his projecting a deceptive spectacle. Nor can you believe, if you believe Him to be all knowledge and all power, assent to the theory of His creating anything under the influence of Avidya (অবিদ্যা) or ignorance.
    (Monies Williams’s Religious Thought and Life in India)
    শ্রীচৈতন্যদেব অদ্বৈতবাদিগণকে তিরষ্কার করিয়া বলেন;—
    “মায়াধীশ, মায়াবশ ঈশ্বরে জীবে ভেদ।
    হেন জীব ঈশ্বর সহ কহত অভেদ।।”
    পণ্ডিতবর Charles H. Tawney সাহেব গুণত্রয় সম্বন্ধে বলেন,—Here we have an instance of the ingenious puerility which often characterizes Hindu speculations.
    (৪) সকল দর্শনেই গুণত্রয়ের অস্তিত্ব স্বীকার করে নাই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআজ যদি আমাকে জিগ্যেস করো – জয় গোস্বামী
    Next Article গীতগোবিন্দ – জয়দেব গোস্বামী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }