Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভগবানের সাথে কিছুক্ষণ – কৃষণ চন্দর

    মোস্তফা হারুন এক পাতা গল্প80 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভগবানের সাথে কিছুক্ষণ – ৫

    পাঁচ

    রাতে খোলার ঝুপড়িতে চাটাই বিছিয়ে আমরা দু’জন পাশাপাশি শুয়েছিলাম। শোবার পূর্বক্ষণে আমরা আমাদের পুরনো বেশে ফিরে এলাম। মনেই হবে না যে, কিছুক্ষণ আগে আমরা দুটো নধরকান্তি বালকের বেশে ছিলাম। ভগবান দুটো হাতের অঞ্জলি রচনা করে তার উপর শুলো। আমি গায়ের পুরনো ছেঁড়া জামাটা খুলে দূরে ছুঁড়ে মারলাম। ভীষণ গুমট লাগছিল।

    ভগবান বলল, ‘ভীষণ গরম তো। তোমাদের এসব ঝুপড়িতে ইলেক্ট্রিকের ব্যবস্থা নেই?’

    আমি বানিয়ে বললাম, ‘ইলেকট্রিক ছিল বই কি। মাস তিনেক ভাড়া বাকী পড়েছিল, তাই লাইন কেটে দিল। তারপর থেকে অন্ধকারেই দিন কাটাচ্ছি।’

    ‘সত্যি, ফ্যান না হলে যা অসুবিধা। বড্ড গরম লাগছে আমার। স্বর্গে থাকতে থাকতে অভ্যেসটা একেবারে যা তা হয়ে গেছে। একটু অসুবিধা হলেই বিতিকিচ্ছা লাগে।’

    ‘যদি বলো একটা কথা জিজ্ঞেস করি ভগবান।’

    ‘বলো।’

    ‘স্বর্গ বলতে কোন কিছু আছে কি?’

    ‘আছে।’

    ‘নরক?’

    ‘নরকও আছে।’

    ‘পাপ?’

    ‘আছে।’

    ‘পূণ্য?’

    ‘তাও।’

    ‘পাপের জন্যে শাস্তি, পূণ্যের স্বর্গ?’

    ‘হাঁ।’

    ‘সত্যি, তুমি পাপীদের শাস্তি দাও?’

    ‘দেই বই কি।’

    ‘অথচ আমি বলি পাপীদের স্বর্গের প্রয়োজন সবচাইতে বেশী। পাপি -যাদের মন পাপাচারে অন্ধকার ছিল, যাদের হাত ছিল রক্তাক্ত, যাদের দৃষ্টিতে নিষ্ঠুরতা উপচে পড়তো, যারা প্রতি পদে পদে পৃথিবীতে বাধা প্রাপ্ত হতো। আমি বলি, স্বর্গের প্রয়োজনটা তাদেরই সবচাইতে বেশী। কেননা, যেখানে অন্ধকার সেখানেই না আলো পৌঁছে দেবার প্রয়োজন। পাপাচারে যাদের হাত রক্তাক্ত, শুধু মাত্র তাদের জন্যেই ক্ষমা থাকা উচিত। কিন্তু তা না করে এমন বিধান কেন রেখেছ? যারা ‘প্রথম থেকেই পূত-পবিত্র, যাদের প্রাণে পাপজনিত কোন অশান্তি ছিল না, তাদেরকেই বেছে বেছে শান্তির পারাবার স্বর্গে পাঠাচ্ছ। আর যারা সারা জীবন পাপাচারে বিদগ্ধ, পরকালে তাদেরকে পাঠাচ্ছ নরকে। তাহলে দেখা যাচ্ছে, তুমি স্বর্গকে স্বর্গে পাঠাচ্ছ, আর নরককে নরকে পাঠাচ্ছ। আসলে এসব করার পেছনে তোমার উদ্দেশ্যটা কি শুনি?’

    ‘তা না করে আমি কি করব? আমার জায়গায় তুমি হলে কি করতে? তোমার কি ইচ্ছে?’

    ‘আমার মতে, তুমি কখনো কখনো পাপী লোকদেরকেও এক আধবার স্বর্গে জায়গা দিও। পক্ষান্তরে, ভাল লোকদেরকেও নরকের শাস্তি ভোগ করতে দিও। পেত্যেক লকেরই এটা জানা উচিত -সে কি হারিয়েছে। যে পাপে ক্ষমা নেই এবং যে পূণ্যে বেদনা নাই, তার মহাত্ম্য কোথায়?’

    ‘তার মানে তুমি বলতে চাচ্ছ, বিনা ক্লেশেই এসব কুঁড়েঘরে বিজলী বাতি আসুক! কিন্তু মিষ্টার, মানুষকে পরিশ্রম করতে হবে। নিজের বুদ্ধিবৃত্তি কাজে লাগাতে হবে। আমি তো তাদেরকে জন্ম দিয়েই ক্ষান্ত। ভালমন্দ সবকিছু তাদের প্রয়াসের উপর নির্ভরশীল। মানুষ চেষ্টা করেই তার ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারবে।’

    ‘ললাটের লিখন মানুষ চেষ্টাকরে কেমন করে খন্ডাবে?’

    ‘পারবে। পারবে বলেই তো এই গুরুদায়িত্ব মানুষকে দেয়া হয়েছে, দেবতাদেরকে দেয়া হয়নি।’

    এরপর বেশ কিছুক্ষণ নীরবতা। চারিদিক নিথর। আমার চোখ ঘুমে ঢুল ঢুল। ভগবানের কতগুলো অস্ফুট-কথা আমার কানে ভেসে ভেসে আসছিল।

    ভগবান বলছিল, ‘কিন্তু এই পাপ-পূণ্য, সাজা-পুরস্কার –এসবের উর্দ্ধে রয়েছে জন্ম এবং মৃত্যুর পরিক্রমা। জন্ম এবং মৃত্যু, কারো সাধ্য নেই একে নিয়ন্ত্রণ করে। ঠিক এই মুহুর্তে সৌরজগতে একটি তারকা উল্কা হয়ে ফেটে পড়ছে মর্তের মাটিতে। কি অভিনব তার নিমজ্জন। মৃত্যুর পূর্বক্ষণে সে হাসতো খেলতো। আশায় পরিপূর্ণ ছিল তার প্রতিটি মুহুর্ত। হাসি কান্না, দূঃখ বেদনা মিশ্রিত জীবনের এই কি পরিসমাপ্তি…….ঠিক একই সময়ে বিশ্বব্রহ্মান্ডের অপর প্রান্ত থেকে সম্পূর্ণ নতুন এক তারকা কি অপরাধ করেছিল যে, তাকে মৃত্যুবরণ করতে হলো এবং নবজাত তারকা এমন কি পূণ্য করছিল যে, এই মুক্ত আলো-বাতাস আর নীলাভ আকাশের উন্মুক্ত অঙ্গনে তার জন্ম হল? তাই আমাকে অযথা পাপ-পূণ্য স্বর্গ-নরক আলো-আঁধারকে একত্রিত করে একটি অস্তিত্বের ঘোষণা করেছি, সে হলো মানুষ। এখন আমি মানুষের পাপ-পুণ্যের আলাদা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে চাই না। ওসব তোমাদের মাথাব্যথা, তোমরা ওসব নিয়ে ভাবো।’

    ভগবানের সে অস্ফুট আওয়াজ আমার কানে ভেসে আসছিল। ভেসে আসছিল দূর দূরান্তের পাহাড় পর্বত উপত্যকা থেকে। আমি আধো ঘুমে আধো জাগরণে ঝিমুচ্ছিলাম। হঠাৎই আমার মনে হলো কে যেন আমার পা চাপড়ে দিয়েছে। আমি ধরমড় করে উঠে বসলাম। ভগবান বলল, ‘হতভাগা, এত সকালেই ঘুম আসছে তোর? এখন তো সবে রাত শুরু হলো।’

    আমি ভ্যাবাচেকা খেয়ে বললাম, ‘তুমিতো ভগবান, তোমার কি? ঘুম নিদ্রা বলে তো তোমার কিছুই নেই। কিন্তু আমি মানুষ বেচারীর তো ঘুম না গেলে চলবে না। সারা দিনের পরিশ্রান্ত, ক্লান্ত। আর শোনো, ওসব দুস্তি ইয়ার্কী আমার ধাতে সয় না। শোন, বঞ্চিত, হতভাগ্য এসব কথা শুনতে আমার খুব খারাপ লাগে। তোমার সাথে আমার দুস্তি খাটে? তুমি হলে গিয়ে ভগবান। তোমার সাথে আমার পাল্লা দেয়া চাট্টিখানি কথা নয়। অতএব, মাফ করো, আমাকে একটু ঘুমতে দাও এই মুহুর্তে।’

    বলেই আমি পাশ ফিরে শু’লাম। ভগবান আবারও তেমনি অস্ফুট স্বরে বলতে লাগলো, ‘হায়, আমিই বা কি ধরনের জীবন গ্রহণ করলাম, একেবারে একা নিঃসঙ্গ। সবাই আমার পূজারী, আমার বন্ধু কেউ নয়। কারো পিঠ চাপাড়ে শালা হতভাগা বলে একটা কথা বলতে পারি না। সারা সৃষ্টি জগতে এমন একজনও নেই যে আমাকে বন্ধু ভেবে দুটো গালি দেবে। হায়, দুঃসহ নিঃসঙ্গতা……।’

    জানি না এমন কতক্ষণ সে স্বগতোক্তি করেছিল আপন মনে। আমি তার এমন দুর্বোধ্য কথা-বার্তায় কান না দিয়ে বরং নাক ডেকে ঘুমাতে লাগলাম। আমার যখন ঘুম ভাঙ্গল, সকাল হয়ে গেছে। ঝুপড়ির বেড়ায় কঞ্চির ফাঁক দিয়ে লম্বমান একটা আলোকরশ্মি তীরের মতো এসে পড়েছে ছোট পরিসরে। আমি ধড়মড় করে উঠে বসলাম। চেয়ে দেখি, আমার পাশের চাটাইতে ভগবান নেই –একটা বছর আটেকের নাদুস নুদুস ছেলে অঘোরে ঘুমাচ্ছে। কত সুন্দর তার ত্বক, কত সুন্দর তার চোখের পালক, কত মসৃণ তার ললাট। শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে সাথে তার ছোট দেহটা মৃদু মৃদু দুলছিল।

    এই ধরণীর শিশুদের দেখতে এসে ভগবানের পরদিনও কেটে গেল বোম্বেতে। আজ আমি মনোহর নামে একটা গুজরাটি ছেলের সাথে তার পরিচয় করিয়ে দিলাম। মনোহরের কাঠির মতো ছিল দেহখানি। কিন্তু কথায় ভীষণ তেজ ছিল। ক্ষুধার্ত চোখ দুটো তার সারাক্ষণ ধিকি ধিকি জ্বলছে। চোখে-মুখে সব সময় যেন একটা শিকারের অন্বেষা। দরজায় টোকা দিয়ে যখন সে আমাদের ঝুপড়ির ভেতরে ঢুকে পড়ল এবং চাটাইতে দুটি সমবয়েসী শিশুকে দেখতে পেল, অনেকটা হোঁচট খাবার মতো সে আমতা আমতা করে বলল, ‘এ ছেলে, তোমার শেঠ কোথায়? আমাকে ইঙ্গিত করে বলল। আমাকে সে মোটেই চিনতে পারল না। কেন না, আমিও শিশুর বেশ ধারণ করেছি।’

    আমি বললাম, ‘শেঠ তো বাইরে।’

    মনোহর আমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘তুমি শেঠের ছেলে মনে হচ্ছে?’

    আমি মাথা দুলিয়ে সম্মতি জানালাম। মনোহর এবার ভগবানের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘ও কে?’

    ‘ও একটি ছেলে, আমার সাথে আছে।’

    মনোহর চুপসে গেল। কিছুক্ষণ আমার দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকল। তার পর বলল, ‘শোনো, শেঠকে বলো তার লটারীতে চৌকা এসেছে। টাকা ন’টা আমার কাছে, সন্ধ্যার দিকে এসে দিয়ে যাবো।’ বলেই আমার আপাদমস্তকটা একবার দেখে নিয়ে বলল, ‘ধরবে নাকি তুমিও? বড় মজার লটারী।’

    ‘হ্যাঁ।’ আমি সম্মতি দিলাম।

    ‘কিসে ধরবে?’

    ‘তিন থেকে পাঞ্জা।’

    ‘কতো ধরবে?’

    ‘দু’ আনার।’

    বলতেই মনোহর একটা কাগজের টুকরা বের করে তাতে তা নোট করে নিল। আমি ভগবানের কাছ থেকে দু’আনা ধার নিয়ে তাকে দিলাম। মনোহর ভগবানের এদিকে একবার তাকাল। তারপর আমাকে জিজ্ঞেস করল, ‘এ ছাড়াও খেলবে নাকি?’

    ‘কিসের খেলা?’ ভগবান প্রশ্ন করল।

    ‘লটারী।’ মনোহর বলল।

    ‘সেটা আবার কি ধরনেরর খেলা?’

    মনোহর তার দিকে তাচ্ছিল্য ভরে তাকাল। আমি তাকে বললাম, ‘ও কালই গ্রাম থেকে এসেছে কিনা।’

    মনোহর ভগবানের কাছ ঘেঁষে বসে পড়ল। এবং তাকে বুঝাতে শুরু করল, ‘লটারীতে ছটা নম্বর হয়ে থাকে। ওপেন’টু ক্লোজ ধরা যায়। ওপেনও ধরা যায়। সন্ধ্যার দিকে যখন লটারী খোলা হবে তোমার নাম্বার যদি আসে, তাহলে তুমি টাকা প্রতি ন’টাকা পেয়ে যাবে।’

    ‘এক টাকার বদলে ন’টাকা?’ ভগবান বিস্মিয় প্রকাশ করে।

    ‘হ্যা।’

    ‘কিন্তু এক পাপের বদলে একই পাপ, এক পূণ্যের বদলে একই পূণ্য হয়ে থাকে, কিন্তু……’

    ‘এসব পাপ-পূণ্য কি বলছে ছেলেটি?’

    মনোহর জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকালো। আমি চট করে বললাম, ‘গ্রাম থেকে এসেছে তো, এসব ওদিককার হিসেব।’

    ‘আচ্ছা বুঝেছি। তো যা বলছিলাম, একের বদলে পাবে নয়। আর যদি না পাও, তাহলে মাত্র এক টাকাই গচ্চা যাবে।’

    ‘বেশ তো মজার খেলা তাহলে এটা।’ বলেই ভগবান উৎফুল্ল হয়ে উঠল।

    ‘নাও, তাহলে এক্ষুণি আমি চার আনা ধরলাম।’

    ‘নাও, তাহলে তাড়াতাড়ি ধর। আমার আবার হাতে সময় কম।’

    ‘সময়ের কি কোন শেষ আছে?’ ভগবান বলল।

    মনোহর বলল, ‘তোমার বন্ধুটি কিসব আজব ধরনের কথাবার্তা বলছে। সময়ের শেষ নেই মানে?’

    ‘তুমি কোন স্কুলে পড়?’

    ‘স্কুল? কিসের স্কুল? বি.এ. পাশ করে কত লোক ঘোড়ার ঘাস কাটে। কত লোক পোষ্টাফিসের বাইরে বসে মানুষের চিঠি লিখে রোজ দশ আনার বেশী কামাতে পারে না। অথচ আমি এই করে ভগবানের ইচ্ছায় দশ টাকা কামিয়ে থাকি। তাই পড়াশুনা করে কি হবে শুনি। যাক, লটারী খেলবে ত, ঝটপট কর, নয়তো আমি চললাম। আমার ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে।’

    মনোহর চলে গেলে ভগবান বলল, ‘এই ছোকড়া লটারীর ধান্দা করছে। বার বছর বয়স হয়েছে, অথচ পড়াশুনার নামটি নেই। এসব লটারী তো আসলে জুয়া খেলা।’

    ‘বোম্বাই শহরের তিন-চতুর্থাংশ নাগরিক জুয়া খেলে থাকে। খেলায় জিতার আশা নিয়ে সকালকে সন্ধ্যা করে। শুধু আশার ছলনে ভুলি। তুমি কি এই আশার আনন্দটুকু তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে চাও?’

    ‘কিন্তু ওতো এখনো ছোট মানুষ। ওর অনাগত জীবনের সকল আশা ভরসা এভাবে বিনষ্ট হবে কেন?’

    ‘বোম্বাইতে হাজার হাজার শিশু এ করেই দিনাতিপাত করছে। রাস্তাঘাট, ষ্টেশন, বাজার, অলি-গলি –সর্বত্রই এরা বিচরণ করছে। যেখানেই যাবে এদের দেখা পাবে।’

    ‘ওপেন টু ক্লোজ –মনোহর লটারীর ওপেন টু ক্লোজ অবধি ন’টাকা দিয়ে থাকে। কিন্তু তোমরা ওপেন টু ক্লোজ –মানে জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি কি নিয়ে থাক? মারামারি, কাটাকাটি, বেকারত্ব, দারিদ্র্য এবং হানাহানি নিয়েই তো তোমাদের জীবন।’

    আমি একটু উত্তেজিত হয়ে বললাম, ‘বুঝেছি, তোমার মেজাজটা ঠিক নেই। চলো বেরিয়ে পড়ি।’

    ‘চলো।’ তারপর দিকচক্রবালের দিকে তাকিয়ে ভগবান বলল, ‘আমি আজ সন্ধ্যার দিকেই স্বর্গে চলে যাব ভাবছি।’

    ছয়

    মহম এলাকায় খৃষ্টান ছেলেপিলেদের জমজমাট মেলা বসেছিল। সেন্ট এন্ড রিজ চার্চের প্রশস্ত প্রাঙ্গণ লোকে লোকারণ্য। রং-বেরং ফুলের সাজ চারিদিকে। প্রাঙ্গণের এককোণে রয়েছে মাতা মেরীর আবক্ষ প্রস্তর মূর্তি। লোকেরা গড় হয়ে প্রণাম করছিলো একে একে। রং-বেরং-এর কাপড় পরিহিত ছেলে, বুড়ো এবং মহিলারা গির্জার ভেতরে যেয়ে মোম জ্বেলে আসছিল দলে দলে।

    গির্জার কম্পাউন্ডের বাইরে ছেলে-বুড়ো সবাই চড়ক গাছে চড়ে আনন্দ উপভোগ করছিল। নানাবর্ণের যীশু খ্রীষ্টের ছবি বেচাকেনা চলছিলো। গিল্টি করা সোনার সুদৃশ্য পুতুল, আমেরিকানদের তৈরী পাতলুন এবং অন্যান্য পরিচ্ছদের নকশী বোতাম, চকলেট, মিষ্টি, লিপষ্টিক, কাগজের ফুল, রেশমী রুমাল ইত্যাদিও বিক্রি হচ্ছিল। মোটকথা চারিদিকে বেশ মনোমুগ্ধকর মেলা চলছিল। আনন্দ উচ্ছ্বাস আর হৈ-হুল্লোড়ে রীতিমত কানে তালা লাগার যোগাড়।

    ভগবান একটা উল্লেখযোগ্য ব্যবধান রেখে এই মেলা অবলোকন করছিল। বহুক্ষণ ধরে এই রকমারী মেলা খুঁটে খুঁটে দেখছিল সে। সুন্দর সুন্দর ফুটফুটে শিশু, সুসজ্জিত পোশাক-আশাক আর মেলার রং-বেরং-এর আয়োজন দেখে ভগবানের মনটাও বেশ লাগছিল। বাহ্‌! কি সুন্দর শিশুরা আর ওদের মা-বাপ ভাই-বোনেরাও কত সুন্দর দেখতে। বেশ লাগছে। বিশ্বের সকল শিশুদেরই এমন হওয়া চাই। পুরো দুনিয়াটাই এই শিশুদের মতো হাস্যোজ্জল হবে। এইটেই আমি চাই।

    আমার বড্ড ক্ষুধা পেয়েছিল। আমি গট গট করে চার প্লেট পানি পুরি গলধঃকরণ করলাম। এর আগে ক’টা চকলেটও খেয়েছি। দু’পকেটে প্রচুর মিষ্টি ভরে নিয়ে ভগবানের এসব দার্শনিক উক্তিগুলো হাসিমুখে শুনছিলাম। মাঝখানে আমি ফোড়ন কেটে বললাম, ‘এই জগতে জীবনের যে দর্শন তুমি পেশ করছ ছ’সাত বছরের শিশুদের থেকেই তুমি তা কেমন করে আশা করো? জানি না, তুমি কোন্‌ দুনিয়ার কথা বলছ?

    ভগবান অশ্রু ছল ছল চোখে তার সামনের অগনিত শুচিশুভ্র শিশুদের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘এমন শুচিশুভ্র সুন্দর আর সুসভ্য পরিবারের শিশুদের দেখার জন্যেই তো আমি স্বর্গ থেকে এসেছিলাম। এ রকম শিশুদেরকেই আমি দু’চোখ ভরে দেখবো, এই ছিল আমার কামনা।’

    আমি বললাম, ‘তাহলে তোমার ইস্পিত শিশুদের পেয়ে গেছ। দু’চোখ ভরে দেখেও নিয়েছ তাদের। এবার স্বস্তির নিঃশ্বাস টেনে তুমি স্বর্গের দিকে রওনা দিতে পারো।’

    ‘তা পারি বৈকি।’

    ‘তা হ’লে চলো এবার আমরা ফিরে চলি। মনের ইচ্ছা পূরণ হয়ে গেছে। এবার স্বর্গে যেয়ে তুমি ইচ্ছা মতো একটা চমকপ্রদ রিপোর্ট পেশ করতে পারবে।’

    ‘তাতো বটে। আমি আশা করছি, আজ সন্ধ্যেতেই স্বর্গে রওনা হয়ে যাবো।’

    সুশ্রী ও সুসজ্জিত শিশুদের উপর আর একবার নজর বুলিয়ে নিয়ে ভগবান বললো, ‘তা’হলে চলো, মহমের বাস ষ্ট্যান্ডে যেয়ে তোমাকে বাসে তুলে দেই। তোমার পাড়ি তো বেশ লম্বা।’

    ‘আচ্ছা চলো।’ বলেই আমরা দু’জন কম্পাউন্ডের বাইরে চলে এলাম।

    বাইরে আসতেই সামনে পড়লো মোমবাতি বিক্রেতা একটা ছোট ছেলে। আমাদের দেখেই ছেলেটা পিছু নিল এবং বলতে লাগলো, ‘আমি এতিম ছেলে…নেহাত এতিম…তিন আনায় দু’টো মোমবাতি বিক্রি করি। দয়া করে দু’টো মোমবাতি নিয়ে যাও। ক্রাইষ্ট তোমাদের মঙ্গল করবে…মাত্র তিন আনা…মাদার ফাদার ডেড…দয়া করে নিয়ে যাও।’

    ছেলেটি আমাদের পিছে পিছে অনেকদূর এলো। ভগবান তার কথা শুনে প্রথমটায় গলে গিয়েছিল। হাত বাড়িয়ে দু’টো মোমবাতি নিতেও যাচ্ছিল। কিন্তু আমি বাধা দেওয়াতে আর নিলো না। কিন্তু দূর থেকে তার শান্ত স্নিগ্ধ স্বর ভেসে আসছিল। আর আকুলি বিকুলি শুনে আমার মনটাও গলে গেল। আমি বললাম, ‘নিয়েই নাও দু’টো মোমবাতি। মাত্র তিন আনার ব্যাপার। সারাক্ষণ ঘ্যান ঘ্যান প্যান প্যান আর ভালো লাগে না।

    ভগবান স্মিত হেসে আমার দিকে তাকালো।

    পকেট থেকে তিন আনা বের করে ছেলেটিকে দিলো এবং দুটো মোম নিয়ে নিল।

    ছেলেটি বলল, ‘ক্রাইষ্ট, সেভ ইওর সোল।’

    ছেলেটি তিন আনার বদলে মোফতে দু’টো দোয়াও করল। – ‘গড ব্লেস ইউ।’

    পুওর অরফান, মাদার ফাদার ডেড – তিন আনার দুটো দোয়া।

    আমরা পায় পায় কিছুদূর এগিয়ে এলাম। চলতে চলতে আমি ভগবানকে বললাম, ‘ক্রাইষ্ট, সেভ ইওর সোল। তোমার কোন সোল আছে, কোন আত্মা?’

    ‘আমার আবার কিসের আত্মা? দুঃখ-সুখ বলতে যার কিছু নেই, তার আত্মা থাকবে কোত্থেকে? আত্মা তো আমি তাদের দিয়েছি যারা দুঃখ-সুখ, হাসি-আনন্দ বহন করে চলে।’

    ‘আচ্ছা ভগবান, স্বাদ, আয়ু এবং অনুভূতি – এগুলো আসলে কি?’

    ‘শুধু একটা খেয়াল, একটা অনুভূতি ছাড়া আর কিছু নয়।’

    ‘লোকেরা তা’হলে কি শুধু একটা খেয়ালের বশে মোমবাতি জ্বালিয়ে থাকে?’

    মোমবাতি কেন, একটা খেয়ালের বশে সারা জীবনটাই তো সে প্রজ্জলিত করে রাখে।’

    ‘তা তুমিই ভালোজানো।’ আমি বললাম।

    ভগবান বলল, ‘একটা খেয়াল ছাড়া আর কি? একটা খেয়াকের জন্যেই তো মানুষকে কাঠের সাথে বেঁধে আগুন দিয়ে পোড়ায়, গভীর কবর খনন করে দেহটাকে পুঁতে দেয়, রেশমী দড়ি লাগিয়ে প্রাণবায়ু নির্গত করে, ক্রুশ বিদ্ধ করে মারে। কিন্তু তারপরও তো খেয়ালের শেষ নেই।’

    সাত

    পায় পায় আমরা বান্দ্রার বাস ষ্ট্যান্ডে এসে দাঁড়ালাম। আমি আর কিছু ভাবতে পারছিলাম না। ভাবতে ভাবতে আমার মাথা ভোঁ ভোঁ করছিল। মনে হচ্ছিল আরো যদি ভাবতে যাই, পাছে দেহটা এখানে থেকে যাবে, আর আমি উড়ে যাবো নিসীম দিগন্তে। অতএব এসব রেখে বাসে উঠে বসাই শ্রেয় মনে করলাম আমরা দু’জনে। ডবল ডেকার বাস ছিল সেটা। আমরা সরাসরি দোতলায় যেয়ে বসলাম। উপরে বেশ বাতাস লাগছিল। উপর থেকে চারদিকের দৃশ্যও বেশ ছবির মতো মনে হচ্ছিল। আমরা দু’জন পাশাপাশি ঘে’সে বসলাম। আমাদের ডানদিকের সিটে একটি স্কুলগামী সুদর্শন এবং ভাল পোশাক-আশাক পরা ছেলে বসেছিল। কাঁধে ঝুলানো তার চামড়ার ব্যাগে এক গাদা বই রয়েছে। বাঁ হাতে একটা ছোট নোট বুক খাতা রয়েছে। বুক পকেটে একটা ফাউন্টেন পেন রয়েছে। ছেলেটির আপাদমস্তক ইউনিফরম ছিল সাদা ধবধবে। বড্ড ভালো লাগছিল ছেলেটিকে আমার। আমরা বারবার ছেলেটির দিকে সপ্রশংস দৃষ্টিতে তাকাচ্ছিলাম, কিন্তু ছেলেটি আমাদের দিকে কোন ভ্রক্ষেপ করলো না।

    ইতিমধ্যে টিকিটের তাড়া এলো। ভগবান টিকেট কেনার জন্যে পকেটে হাত দিল। কিন্তু পকেটে হাত দিয়ে ভাগবান একেবারে ‘থ’ বনে গেল। চোখ ছানাবড়া। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ‘কি হয়েছে?’

    জবাব দিল, ‘আমার পকেট সাফ।‘

    ‘কখন নিলো?’

    ‘তা কেমন করে বলব?’

    মানিব্যাগের বদলে ভগবানের হাতে একটা সাদা মোমবাতি। মোমবাতি দেখিয়ে ভগবান বলল, ‘সেই চার্চের ছেলেটির কাছ থেকে মোমবাতি কেনার সময় পর্যন্ত ত আমার মানিব্যাগ ঠিকঠাক ছিল। তারপর আমরা বাস ষ্ট্যান্ডে এসে দাঁড়ালাম। বাস ষ্ট্যান্ড পর্যন্ত তো আমাদের সাথে তৃতীয় কোন ব্যক্তির যোগযোগ হয়নি। মনে হচ্ছে এই কেরামতি সেই গরীব ছেলেটির…যে নিজেকে পুওর অরফান বলে চেচাচ্ছিল…মাদার ফাদার ডেড…’ আমি জোরে জোরে হাসছিলাম।

    ‘অথচ অশ্রুসিক্ত সেই ছেলেটিকে কত নিষ্পাপ এবং ভালো মনে হচ্ছিল।‘

    ভগবান চরম বিষ্ময় প্রকাশ করে আবার বলল, ‘হাঁ, চোখে জল ছিল আর হাতে ছিল কাঁচি।’

    কন্ডাক্টর হাকল, ‘পয়সা বের করো।’

    ভগবান মোমবাতিটা এগিয়ে দিয়ে বিনীতভাবে বলল, ‘এটা নিয়ে নাও। এটা জ্বালালে তোমার আত্মা শান্তি পাবে। গীর্জা থেকে এনেছি।’

    কন্ডাক্টর বিরক্তি প্রকাশ করে বলল, ‘আত্মা শান্তি পাবে, কিন্তু চাকুরী তো চলে যাবে। জলদি জলদি পয়সা বের করো।’

    ‘আমার কাছে তো পয়সা নেই। দয়া করে এমনি দুটো টিকিট দাও। আমি তোমাকে দোয়া করব। গড ব্লেস ইউ।’ ভগবান বিনয় প্রকাশ করে আবার বলল।

    কন্ডাক্টর বলল, ‘আবে ছোকড়া, আমার সাথে তামাসা হচ্ছে বুঝি? এক্ষুনি নিচে নামিয়ে পুলিশে দিয়ে দেব। পয়সা বের কর্‌। সাথে সাথে তুইওবার হ বাস থেকে।’ বলেই বাস কন্ডাক্টর এবার আমাকে ধরল।

    আমি মুখ কাচুমাচু করে বললাম, ‘আমার পয়সাও ওর কাছে ছিল। পকেট মার হয়ে গেছে, আমি কি করব?’

    বাস কন্ডাক্টর চরম বিরক্তি প্রকাশ করে ঘন্টা বাজাল। বাস আস্তে আস্তে থামতে লাগল। বাস থামতে দেখে পাশের সাদা ইউনিফরম পরা ছেলেতি মুচকি হেসে বলল, ‘তোমরা, দু’জন

    কোথায় যাবে?’

    আমি বললাম, বাইকাল্লা ষ্ট্রিট।’

    ছেলেটি বলল, ‘আমিও ওখানেই নামবো। চলো আমি তোমাদের পয়সা দিয়ে দিচ্ছি। ওখানে নেমে তোমাদের বাসা থেকে আমার পয়সাটা দিয়ে দিও।’

    ভগবান জবাবে একটা কিছু বলতে যাচ্ছিল। আমি তাকে চোখে টিপ দিয়ে নিরস্ত করলাম।

    সেই ছেলেটি যখন টিকেটের পয়সা দিচ্ছিল এমন সময় বাস মহম ষ্ট্যান্ডে এসে থামলো।

    একজন পুলিশ দোতলায় উঠে এসে চারদিকে সন্দেহজনক দৃশটি মেলে তাকাচ্ছিল।

    ভগবান জিজ্ঞেস করল, ‘পুলিশ এভাবে কি দেখছে?’

    ছেলেটি বলল, ‘এখানে এলেই মদের জন্যে তল্লাশী হয়। বোম্বেতে মদ নিষিদ্ধ করা হয়েছে কিনা।’

    ‘তুমি কি বোম্বেতে নতুন এসেছ?’ পুলিশতি ভগবানকে জিজ্ঞাসা করল।

    ‘হ্যাঁ।’ ভগবান জবাব দিল।

    ‘তুমি যেখান থেকে এসেছ, সেখানে মদের করবার কেমন চলে?’

    ভগবান বলল, ‘বেশ চলে। সেখানে তো রীতিমতো মদের সরোবর রয়েছে।’

    ‘তাহলে তো তোমাদের তল্লাশী নিতে হয়।’

    বলেই পুলিশ আমাদের দুজনের তল্লাশী নিয়ে নিলো। স্কুলের ছেলেটি আমাদের দু’জনের ভাবসাব দেখে মুখ টিপে হাসতে লাগল। পুলিশও ছেলেটির দিকে তাকিয়ে হাসল। এরপর পুলিশটি চলে গেল। বাসও ষ্ট্যান্ড ত্যাগ করে আস্তে আস্তে চলতে লাগলো।

    ছেলেটি এবার উঠে এসে আমাদের সামনে বসল এবং ভগবানকে উদ্দেশ্য করে বলল, ‘তোমার পকেটে কত টাকা ছিল?’

    ‘হিসাব তো ছিল না, তবে যা ছিল, সবই গেছে।’

    ‘তবুও অনুমান করে বলো কত ছিল?’

    ‘তা আমি কেমন করে বলব? বোম্বেতে যা কিছু নিয়ে এসেছিলাম সবকিছু নিয়ে গেছে। একটা পাই পয়সাও আমার কাছে নেই।’

    ‘এখানে কোথায় থাকো?’

    ‘কোথাও থাকি না। এসেছিলাম এর কাছে। এর কাছেও কোন কাজ নেই।’ ভগবান আমাকে দেখিয়ে বলল।

    ছেলেটি আমার দিকে তাকালো।

    আমি তাকে বললাম, ‘মাষ্টার, আমরা তো রাস্তার ছেলেপিলে। কোন কাজ-কাম নেই। স্কুল-পাঠশালাতেও আমরা যাই না। এখন ধরে নিতে পারো, তোমার টিকেটের পয়সাটা মারা গেছে। বাইকাল্লাতে আমাদের কোন বাসা নেই। এখন সব জেনেশুনে পয়সাটি মাফ করে দিতে পারো, নয়তো পুলিশে দিয়ে দাও।’

    ছেলেটি আমার কথা শুনে মিটি মিটি হাসতে লাগল। পকেট থেকে একটা সাদা রুমাল বের করে কপালের ঘাম মুছে নিলো ইতিমধ্যে। সম্ভবতঃ এ ধরনের কথাবার্তা সে জীবনে প্রথমবার শুনলো। কেননা, ছেলেটি সত্যিই উঁচু ধরনের কোন অভিজাত পরিবারের ছেলে। আমাদের দুরবস্থা দেখে নিজের পয়সা দিয়ে টিকেট কিনে দিয়েছিল। কিন্তু…

    বাইকাল্লা ব্রিজের কাছে বাস থামতেই ছেলেটি নামতে উদ্যত হলো এবং বলল, ‘তোমরা যদি আমার পয়সাটা না দিতে পারো তাহলে আমার ব্যাগটা কিছুদূর বহন করে নিয়ে দিতে হবে।’

    ‘কদ্দূর?’

    ‘বাসা পর্যন্ত।’

    আট

    ভগবান চামড়ার ব্যাগটা বগলে নিয়ে ছেলেটিকে অনুসরণ করে চলতে লাগল। আমিও তাদের পেছনে চলতে লাগলাম। সামনে ট্রামের লাইন পেরিয়ে আমরা এক থমথমে গলিতে ঢুকে পড়লাম। তারপর অন্য আরেক গলিতে। তারপর অন্য আরেক গলিতে। তারপর তৃতীয় গলি অতিক্রম করে কতকগুলো কাঠের গুড়ির স্তুপের কাছে যেয়ে আমরা উপনীত হলাম। কাঠের স্তুপের উপর ময়লা টুপি, ময়লা গেঞ্জি এবং ময়লা লুঙ্গি পরিহিত একটি বখাটে ছেলে বসেছিল। বয়েস সতের আঠার বছরের কাছাকাছি হবে। তার মুখাবয়ব কালো এবং সবুজ মিশ্রিত রং-এর সমন্বিত একটা রূপ বলে মনে হলো। গায়ের রংটা শ্যমলা। চেহারা বদসুরত এবং মুখভর্তি কালো কালো দাগ। কালো লুঙ্গির ভেতরে হাত ঢুকিয়ে গা খুজলাতে খুজলাতে আমাদের সঙ্গের ছেলেটিকে জিজ্ঞাসা করল, এরা কারা?’

    ‘আমার বন্ধু।’

    ‘সতিকার বন্ধু, না বাটপার?’

    ‘নেহাত গরীব, কোন কাজটাজ নেই এদের হাতে।’

    ‘কি কাজ করবে?’ ময়লা কাপড় পরিহিত ছেলেটি আমাদের দিকে চোখ ঘুরিয়ে বলল।

    ‘কাজ পেলে তো করব।’ আমি বললাম।

    জবাবে সে কিছু বলল না। চামড়ার ব্যাগওয়ালা ছেলেটিকে উদ্দেশ্য করে বলল, ‘এনেছ?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘কৈ, বের করো।’

    ছেলেটি তার চামড়ার ব্যাগ থেকে তিনটি বোতল বের করল। বলা বাহুল্য, বোতল তিনটি ছিল মদের। ছেলেটির ব্যাগে কোন বই ছিল না। স্কুলের ছেলের ছদ্মবেশে অবশেষে……

    ভগবান বিস্ময়ে হাঁ করে তাকিয়ে রইলো। ভগবান বলল, ‘আমি তো মনে করেছিলাম, তুমি স্কুলের ছাত্র।’

    ‘হাকুকে এখনো চেননি তোমরা!’ বলেই সে অট্টহাসিতে ফেটে পড়ল।

    আবার বলল, ‘আমি তো ভাই মদের স্কুলের ছাত্র। দশ বছর থেকে আমি এই পেশা করে আসছি। এখন তো স্কুল পাশ করে হুইস্কির কলেজে ঢুকেছি।’

    হাকু এবার ময়লা কাপড় পরিহিত ছেলেটিকে জিজ্ঞাস করল, ‘তোর বাবা কোথায়?’

    ‘খেতে চলে গেছে। আমাকে বলে দিয়েছে, হাকু এলে পয়সা দিয়ে বোতলগুলো নিয়ে নিবি। আর শালা তুমি কি না এতো দেরী করে এলে!’

    ‘নাও, টাকা বের করো।‘ হাকু বলল।

    ‘এত তাড়াহুড়া কেন, এক পেগ আগে গলাতে ঢেলে নিই……’ বলেই ময়লা কাপড় পরিহিত ছেলেটি কাঠের গুড়ির পেছন দিক থেকে গোটা চারেক গ্লাস বের করে নিয়ে এলো।

    ভগবান বলল, ‘তোমরা এত ছোট, অথচ মদপান করছ দিব্যি। এমনটি তো আর দেখিনি।’

    হাকু খিল খিল করে হেসে উঠে বলল, ‘এতে এমন দোষ কি? মদের কারবারই যখন করছি, মদকে ভয় পেলে তো চলবে না। যব পেয়ার কিয়া তো ডরনা কিয়া? নাও, তোমরাও একটু টেস্‌ করে দেখো।’

    বড় ছেলেটি চারটি গ্লাসেই মদ ঢেলে নিলো। মদ ঢেলে বোতলটির বাকী মদটুকুর সাথে পানি মিশিয়ে নিয়ে মুখ বন্ধ করে বলল, ‘এবারে আমার বাবা শালা একটুও টের পাবে না যে, মাঝখানে আমরা এই কারবারটা করেছি। নাও, নাও, তোমরা তাড়াতারি গ্লাস খালি করে দাও। বাবা এসে পড়ল বলে। বাবা যদি দেখেই ফেলে, তাহলে মারতে মারতে প্লাষ্টার করে ফেলবে।’

    হাকু এবং সেই ছেলেটি গট গট করে পান করছিল। আমরা একটা মোক্ষম সুযোগ মনে করে এই ফাঁকে কেটে পড়লাম। আমাদের কেটে পড়তে দেখে ওরা হাঁ করে তাকিয়ে রইলো। ওরা আমাদের পিছু নিল না। কোনরকম বাঁধাও দিল না। ওরা আমাদেরকে আস্ত বোকা বলেই মনে করল।

    বাইকাল্লা পুলের কাছে পৌঁছে আমরা পদব্রজে দাদর পুলের দিকে এগিয়ে যেতে লাগলাম। আমি ভগবানকে বললাম, ‘এবার কোথায় যাবে?’

    ‘কেন, তোমার বাসায়।’

    ‘কিন্তু তোমার তো আজ ফিরে যাবার কথা ছিল।’

    ‘আপাততঃ স্থগিত রাখলাম।’

    ‘কেন, হাকুকে দেখে?’

    ভগবান প্রতি উত্তরে কিছু বলল না। আমি চেয়ে দেখলাম, ভগবানের চোখ দুটো অশ্রুতে ভারাক্রান্ত হয়ে এসেছে।

    আমি ভগবানকে বলতে চেয়েছিলাম, ভগবান তোমার মত ভাল মানুষটি আর হয় নয়া, তোমার মতো সংবেদনশীল, উদার এবং নিষ্পাপ মন আর দেখিনি। কিন্তু চোখের জলে যদি এই সমাজ বদলে যেতে পারতো তাহলে প্রতি ভোরে শিশিরের অশ্রু দুর্বা ঘাসে ঘুমিয়ে থাকতো না।

    সে রাতে খোলার ঘরে বড্ড গরম এবং ক্ষুধা-তেষ্টায় আমি রীতিমত ঘেমে উঠেছিলাম।

    আমি ক্রুদ্ধ হয়ে ভগবানকে বললাম, ‘তুমি কেন যে আমার কাছে এলে? এই শহরে শত শত লক্ষপতি ব্যবসায়ী, কোটিপতি ঠিকাদার এবং মিল মালিকরা রয়েছে। তারা তোমাকে পেলে আদর-যত্ন করে রাখতো। কোন কষ্ট হতো না তোমার সেখানে। কিন্তু তুমি জেনেশুনে আমার কাছে কেন কষ্ট করতে এলে?’

    ভগবান বলল, ‘আমি ভগবান, যেখানে ইচ্ছা যেতে পারি। তোমার আস্পর্ধা তো কম নয়। তোমার তো শোকরিয়া আদায় করা দরকার যে, আমি অন্য কারো কাছে না যেয়ে তোমার ঝুপড়িতে এসেছি। অথচ তুমি উল্টা আমাকে শাসাচ্ছ।’

    ‘না শাসিয়ে কি করব? সেই সকাল থেকে উপোস করে আছি। খৃষ্টানদের গির্জাতে সেই যে একটু মিষ্টি খেয়েছি, তারপর থেকে এখন পর্যন্ত একটু চা পর্যন্ত পেটে পড়েনি। দিন ভর তোমার সাথে পই পই করে ঘুরলাম আর তুমি কিনা কোন পকেটমারের দ্বারা তোমার পকেটটা সাফ করিয়ে নিয়ে আমার উপর চড়াও হয়েছ।’

    ভগবান বলল, ‘তোমার যে ক্ষুধা পেয়েছে সেটা আমি টের পেয়েছি।’

    আমি রেগেমেগে বললাম, ‘আমি তো আর তোমার মতো ভগবান নই যে, আমার ক্ষুধা লাগবে না।’

    ভগবান চুপসে গেলো।

    আমি বললাম, ‘চুপ করে কেন রয়েছ? আমাদের জন্ম দিয়েছ, আমাদের বেঁচে থাকার উপকরণ কেন দাওনি। এই কি আমাদের কপালে ছিল, এই খোলার ঘরে জ্বলে-পুড়ে হা-পিত্যেশ করে মরব? যাও তোমার স্বর্গে তুমি চলে যাও। সেখানে গিয়ে অন্ততঃ আমাদের মত এই গরীবদের একটা মরার উপায় করো যেন।’

    ভগবান বলল, ‘আমার তো এখনো যাবার সময় হয়নি। আমি যে উদ্দেশ্যে দুনিয়াতে এসেছি, সে উদ্দেশ্য এখনো আমার পুরো হয়নি।

    ‘তাতো বুঝলাম। এখন পয়সা নেই, তুমিতো জানো –সেই দুটো মোমবাতি ছাড়া আর কিছু নেই আমার কাছে। মোমবাতিতে তো আর পেট ভরবে না।

    ‘ভগবানজী, তুমিও তো আজেবাজে লোকের মত আজেবাজে বকছ।

    ‘তাহলে আমি কি করব?

    ‘কি করবে তা আমি জানি না। আমার সাংঘাতিক ক্ষুধা পেয়েছে। তুমি স্বর্গ থেকে পয়সা আনিয়ে নাও।’

    ‘স্বর্গ থেকে কেউ পয়সা পাঠাবে না।

    ‘কেন, কার হুকুমে তারা পাঠাবে না?

    ‘আমার হুকুমেই তারা পাঠাবে না, সকল আইন-কানুন আমি নিজেই তৈরী করেছি, এখন নিজেই আমি কেমন করে সেসব আইন-কানুন ভঙ্গ করব?

    ‘তুমি দেখছি আজব ধরনের জীব। সারা বোম্বাই শহরে তুমি একমাত্র আমাকেই দেখলে! বিরক্ত করবার আর মানুষ পেলে না, ফিল্মষ্টার ভাগ কাপুর রয়েছে ইঁদুর শাহ কলন্দরের মুরীদ। দিনে দু’বার মাজারে না গিয়ে সুটিং করতে যায় না। চার লাখ টাকা ব্লাকে নেয়। কট্রাক্টে থাকে মাত্র পঁচিশ হাজার। তার বাড়ির গেটের তোরণ ইয়া বড়। তুমি তার কাছেও তো যেতে পারতে।

    ‘একবার আমি তার হৃদয়ের ঘ্রাণ নিয়ে দেখেছি, তাতে কোন গন্ধ নেই।’

    ‘তাহলে হাপুরজী কাপুরজী দালানের সেই বাড়িতেও তো যেতে পারতে। আমি তাদের সবকিছু জানি। মিডল ইষ্ট থেকে ষাট টাকা দামে প্রতি তোলা সোনা স্মাগল করে কিনে এখানে এনে একশ পঁচিশ টাকায় বিক্রি করে দেয়। প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার সোনা স্মাগল করে থাকে। সরকারের বড় বড় ঠিকাদারী কাজে দাও মারে। তবে খুবই দানশীল এবং পুণ্যবান ব্যক্তি। এ বছরেই সে দুটো মন্দির, দুটো মসজিদ এবং দুটো গুরুদ্বার নিজের পকেটের চাঁদা থেকে তৈরী করেছে। তুমি তার কাছে গেলেই ভালো করতে।

    ভগবান বলল, ‘আমি লোকটির দুটো চোখ দেখেছি। তার চোখে কোন লজ্জা-শরম নেই।’

    নয়

    ‘তুমি এখানে না এসে আমা পুচকারণীর মহলে গিয়েও উঠতে পারতে। বোম্বের সবচাইতে বড় কাহবাখানা। আমা পুচকারণী গোটা পঞ্চাশেক কাহবাখানার (কাফেখানা) মালিক। এসব কাহবাখানাগুলোতে একরাতে যে আমদানী হয়, চিচামল কারখানার দেড় হাজার মজদুরের ত্রিশ দিনের উপার্জনের চাইতে অনেক বেশী। পুচকারণী প্রতিদিন দু’বার করে পূজা করে এবং দু’ঘন্টা ধরে তোমার চরণে পড়ে থাকে।’

    ভগবান বলল, ‘আমি তারও বুকে কান পেতে শুনেছি, তার বুকে কোন নিষ্পাপ শিশুর কলধবনি শুনতে পাইনি।’

    ‘তাহলে তুমি পীর কেরামত আলীর দরবারেও যেতে পারতে। বোম্বের সবচাইতে বড় আধ্যাত্মিক পীর সে। সব সময় মোরাকাবায় পড়ে থাকে।’

    ‘তাও জানি, কিন্তু খয়রাতি পয়সায় তার জীবন চলে।’

    ‘তাহলে রামু ধোপা?’

    ‘সে নিত্য তার বউকে মারপিট করে।’

    তা না হলে আমাদের পাশের বাসার কেরানীর বাসা…….?’

    ‘আমি তার নাক পছন্দ করি না।’

    ভগবানের কথা শুনে আমি না হেসে পারলাম না। ভগবানও হেসে উঠলো। কিছুক্ষণের মধ্যে আমার মনের পুঞ্জীভূত ক্রোধটা মাটি হয়ে গেল। আমি বললাম, ‘তুমি জাতে হলে ভগবান, তোমার আবার পছন্দ অপসন্দ’…

    ‘এরা তো আমারই তোইরী। আমার সৃষ্ট জীবের উপর আমিই বা হাসি কেমন করে?’ ভগবান মুচকি হেসে বলল।

    আমি বললাম, ‘বেশতো কথা হলো, এখন এটাতো বোঝ, হাসাহাসি যতই করি না কেন, তাতে ক্ষুধার নিবৃত্তি হয় না, ক্ষুধা বরং বেড়ে যায়।’

    ‘মনে হচ্ছে, এবারে আমার ক্ষুধা পাচ্ছে।’

    ‘তোমার ক্ষুধা পাচ্ছে, তার মানে?’

    ‘সম্ভবতঃ পৃথিবীর নিয়মে আমি সংক্রমিত হয়ে পড়েছি।’

    আমি একুট চিন্তা করে বললাম, ‘আমার এক বন্ধু আছে, নাম তার ঘিনু। আদিবাস ছিল আজমগড়ে। ধুতি পরে। লম্বা টিকি রাখে। দিনভর গোয়ালাগিরি করে, রাতের বেলা মদের ধান্ধা করে। তার কাছে গেলে খাবার তো পাবেই, তদুপরি দু’এক পেগও ……তবে মহম অবধি পায়ে হেঁটে যেতে হবে।’

    ‘চল, তাই চলো।’

    ‘কিন্তু সে যদি পীড়াপীড়ি করে, দু’এক পেগ নিতে হবে কিন্তু।’

    ‘তা নোব।’

    ‘যদি দুর্ভাগ্যক্রমে পুলিশ এসে পাকড়াও করে তাহলে তোমাকেই জেলে যেতে হবে।’

    ‘তা যাব। তাতে এমন দোষের কি?’

    ‘ভালভাবে ভেবে-চিন্তে দেখো। পরে আমাকে কিন্তু দোষারোপ করতে পারবে না। পরদিন যখন খবরের কাগজে বের হবে যে, ভগবান জেলে, তখন তোমার লজ্জায় মাথা কাটা যাবে না?’

    ‘লজ্জায় মাথা কাটা যাবার বাকী আছে কোথায়? বোম্বে শহরের এই যে শত শত মন্দিরের মাঝে আমার মূর্তিকে লোহার গরাদের মাঝে বন্দী করে রেখেছে, তাতে আমার লজ্জা হতে কি বাকী আছে?’

    ভগবান অনেকটা আক্ষেপের সুরে বলল। আমি তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়ার জন্যে চপ্পল খুঁজতে লাগলাম।

    মহমক্রেক। এখানে বছরে দু’ দু’বার ‘দি গ্রেট রয়াল সার্কাসের শামীয়ানা টানানো থাকে। শামীয়ানার কাছেই ঘিনুর ঝুপড়ি। প্রকৃত পক্ষে তার বাসাবাড়ি গোর গাঁয়ে। কিন্তু সেখানে থেক তো ধান্ধাবাজী করা যায় না। অতএব সে পুলিশের ক্যাম্পের কাছে এই ডেরা বানিয়ে নিয়েছে। পুলিশের কাছে থাকলে সাহসটা বাড়ে।

    ঘিনুর সাথে আমার দেখা হয়নি বেশ অনেকদিন হয়ে গেছে। এজন্যে আমাকে দেখেই সে খুশীতে বাগ বাগ। ওর মধ্যে একটা গুণ ছিল, সে মুখ দেখে সহজেই মানুষের মন বুঝতে পারতো। পেটে দানা-পানি পড়েনি বুঝতে পেরে অন্য কথা রেখে প্রথমেই সে আমাদের দু’জনের সামনে দু’পেগ রেখে দিল। তারপর বলল, ‘ঝটপট আগে মুখে তুলে নাও। খুব ক্ষুধা পেয়েছে তোমাদের, বুঝতে পেরেছি। কিছুক্ষণ পর আরো খাবার আনিয়ে দেব। ভগবানের ইচ্ছায় আমার কারবার আজকাল ভালই চলছে। যেমন দুধ বিক্রি হচ্ছে, তেমনি তোমার এই পানি …’

    ঘিনু এ কথা বলেই নিজেই টিকিটায় একটা গিরা দিয়ে গুছিয়ে নিল। তারপর ভগবানের একটা প্রতিকৃতির সামনে গড় হয়ে প্রণাম করল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিষাদ সিন্ধু – মীর মশাররফ হোসেন
    Next Article আমি গাধা বলছি – কৃষণ চন্দর

    Related Articles

    মোস্তফা হারুন

    গাঞ্জে ফেরেশতে (চলচ্চিত্র ইতিহাসের দলিলগ্রন্থ) – সাদত হাসান মান্টো

    November 13, 2025
    মোস্তফা হারুন

    আমি গাধা বলছি – কৃষণ চন্দর

    November 13, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }