Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভবঘুরে ও অন্যান্য – সৈয়দ মুজতবা আলী

    সৈয়দ মুজতবা আলী এক পাতা গল্প253 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দেহি দেহি

    কিছুদিন পূর্বে আমার এক আত্মজন এসে আমাকে শুধাল, আপনার কি অত্যন্ত অর্থাভাব হয়েছে?

    আমি ইহুদিদের মতো পাল্টা প্রশ্ন শুধালুম, কেন, তোমার কি অর্থ প্রাচুর্য হয়েছে। ধার দেবে? সে ধনী আমি জানি।

    বললে, সিনেমার কাগজে যে লিখেছিলেন!

    আমি বললুম, আমার যতদূর জানা আছে, একমাত্র এই বাঙলা দেশেই বহু সিনেমার কাগজ সাহিত্যিকদের কাছে লেখা চায়, এবং এমন দেশে সিনেমার কাগজ সাহিত্যের তোয়াক্কা তো করেই না, উল্টো ভালো ভালো সাহিত্যের কাগজ সিনেমা সম্বন্ধে লেখে। এ সম্মানটা আমাদের যতদিন দেখাচ্ছে ততদিন সেটা নেব না কেন?

    দ্বিতীয়ত, এই ধরো তোমার মনিহারি দোকানে আমরা পাঁচজন যাই, দর কষাকষি করিনে। ওই সময়ে গাঁয়ের খদ্দেরও ভয়ে বেশি দরদর করে না। ফলে তোমার দোকানের টোন্ অন্য দোকানের চেয়ে ভালো হয়নি– বুকে হাত দিয়ে কও! অন্য দোকানে এখনও মেছোহাটার দরাদরি ভুল বললুম– মেছোহাটেও এখন দর কষাকষি বিস্তর কমে গেছে, যবে থেকে মধ্যবিত্ত শ্রেণি চাকর না পাঠিয়ে নিজেরা বাজার যেতে আরম্ভ করেছে। ভালো সাহিত্যিকরা–আমার কথা বাদ দাও–যতদিন জলসাতে লিখবে ততদিন তো সে কুরুচির প্রশ্রয় দিতে পারবে না।

    তৃতীয়ত, স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ কুন্তলীন তেলের পুরস্কার পাবার জন্য সেখানে কম্পিট করেছিলেন। তেলের ব্যবসার দোকান ও ফিল্মের কাগজে তফাতটা কি?

    বাকিটা বলার পূর্বেই বাবাজি শুধালেন, আপনি কি রবীন্দ্রনাথ?

    আমি তৈরি ছিলুম। বললুম, এর উত্তর আমি জানি, বাঙলা দেশ জানে– তুমি বুঝি জানো না–?

    সেই যে গল্প আছে;– দুই বন্ধু রাস্তা দিয়ে যাবার সময় কুকুরের ঘেউ ঘেউ শুনে একজন ভয় পাওয়াতে অন্য জন সাহস দিয়ে বললে, ইংরেজি প্রবাদ জানিস,- বার্কিং ডগ ডাজ নট বাইট- যে কুকুর ঘেউ ঘেউ করে সে কামড়ায় না। দ্বিতীয় জন বললে, প্রবাদটা তুই জানিস, আমিও জানি। কিন্তু কুকুরটা কি জানে? আমি রবীন্দ্রনাথ নই সে কথা আমি জানি, আমার পাঠক সম্প্রদায়ও জানে– এখন প্রশ্ন তুমি জানো কি না?

    বাধা দিয়ে বললে, কিন্তু—

    আমি বললুম, মেলা ঘেউ ঘেউ করো না। শোনো।

    চতুর্থত, তুমি ফিলিম দেখতে যাও, আর আমি ফিলিমের কাগজে লিখতে পারব না?

    পঞ্চমত, তুমি জানতে কী করে আমি জলসায় লিখেছি? লোকমুখে?

    ছেলেটি সত্যবাদী। বললে, না, নিজে পড়েছি।

    আমি বললুম, লাও! তুমি যে কাগজ পড় আমি সেটাতে লিখব না? তবে কি তুমি জলসাতে অশ্লীল লেখার সন্ধানে গিয়ে আমার লেখা পড়ে হতাশ হয়েছ? তবে কি ফিল্মের কাগজে শ্লীল লেখা, তথাকথিত উচ্চাঙ্গ গবেষণামূলক কিংবা মডার্ন কবিতার উন্নাসিক) পত্রিকায় অশ্লীল লেখার চেয়ে ভালো?

    আপনি তো প্যারাডক্সে ফেললেন। সে যে স্রোক্রাতিসের গল্প–

    আমি বললুম, কোনটা?

    একগাল হেসে বললে, কেন? আপনারই কাছ থেকে শোনা। নিরপরাধ সোক্রাসিকে যখন বিষ খাইয়ে মারার সরকারি হুকুম হল তখন তার স্ত্রী ক্ষান্তিপে কেঁদে বলেছিলেন, তুমি কোনও অপরাধ করোনি আর তোমার হল প্রাণদণ্ড। সোক্রাতিস বললেন, তবে কি আমি অপরাধ করে মৃত্যুদণ্ড পেলে এর চেয়ে ভালো হত?

    (পাঠক সম্প্রদায় আমার সূক্ষ্ম হাত-সাফাইটি লক্ষ করলেন কি? ইদানীং আমার বদনাম হয়েছে যে, আমি একই কথা বার বার বলি। সেইটে পরের মুখে বলিয়ে অথচ নিজের শাবাশিটি কী কায়দায় নিলুম)!

    তার পর বললুম, ষষ্ঠত, থাক্‌গে। প্রথম কারণটাই যথেষ্ট। ন্যায়শাস্ত্রও তাই বলে, প্রথম কারণ যথেষ্ট হলে অন্য কারণে যাবে না। সেই ইরানি গল্পটি শোনোনি

    অনেক কালের কথা। ইরানে তখন ইংরেজের এমনই আধিপত্য যে, হুকুম ছিল ইরানের বৃহত্তম বন্দরেও যদি ইংরেজের ক্ষুদ্রতম মাল জাহাজ পৌঁছয় তবে তার সম্মানে কামান দাগতে হবে। এখন হয়েছে কী, ঘটনাক্রমে একটি ইরানি ছোকরা ফরাসি দেশে লেখাপড়া সেরে এসে আপন দেশে ছোট্ট একটি বন্দরে প্রধান আপিসারের কর্ম পেয়েছে। ফরাসি দেশে সে আবার শিখে ফেলেছে মেলা বড় বড় কথা, সাম্য মৈত্রী স্বাধীনতা, আরও বিস্তর যা তা। মাথা গরম।

    প্রথম দিনেই সেই বন্দরে এসেছে এক বিরাট মানওয়ারি জাহাজ ব্যাটল শিপ না কী যেন কয়! ছোকরা কামান দাগলে না, পাড়ে গিয়ে জাহাজের অভ্যর্থনা জানালে না।

    আধঘণ্টা যেতে না যেতেই তার দফতরে দুম্ দুম করে ঢুকলেন জাহাজের অ্যাডমিরাল না কী যেন চাই আপিসার। মুখ লাল, গোঁফ লাল, দাঁত পর্যন্ত লাল।

    ইরানি ইয়াংম্যান। অতএব অতিশয় ভদ্র। দাঁড়িয়ে উঠে বিস্তর বজুর, ইত্যাদি জানালে। ইংরেজ শুধু চেঁচাচ্ছে, কামান দাগলে না কেন, ইউ, ইউ ইত্যাদি।

    ছোকরা বললে, স্যার, ইয়োর অনার, একসেলেন্সি, শান্ত হয়ে বসুন। কামান না দাগার বাইশটি কারণ ছিল। না বসলে বলি কী করে?

    ইংরেজ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নিজেই কামান দাগার মতো চেঁচিয়ে বললে, বলে যাও বাইশটা কারণ।

    ছোকরা বললে, প্রথম কারণ : বারুদ ছিল না।

    ইংরেজ ঝুপ করে চেয়ারে বসে পড়ে বললে, ব্যস্! আর একুশটা কারণ বলতে হবে না। একটাই যথেষ্ট। বারুদ ছিল না, কামান দাগবে কী করে!

    তার পর বললুম, গল্পটা মনে রেখো। কাজে লাগবে। বিশেষ করে যখন তোমার হাতে থাকবে মাত্র একটি কারণ– বাইশটে নেই। সদম্ভে গল্পটি বলে এমনভাবে তাকাবে যেন তোমার হাতে আরও পঞ্চশত তর্কবাণ ছিল।

    বাবাজি গলায় এক ঢোক চা ফেলে এমনভাবে কোঁত করে গিললে যে, মনে হল আমার উপদেশটি ট্যাবলেটের মতো সঙ্গে সঙ্গে পেট-তল করলে। তার পর শুধালে, আপনি ফিল্মি কাগজে লেখেন অথচ ফিল দেখতে যান না, তার কারণটা কী?

    আমি অনেকক্ষণ চুপ করে ভাবলুম। এ বিষয় নিয়ে এই যে আমি প্রথম ভাবলুম তা নয়। এবং এটা শুধুমাত্র একলা আমারই ভাবনা, তা-ও নয়।

    বাবাজি ফের বললে, দিশি ফিল্মের স্ট্যান্ডার্ড বিদেশির মতো নয় বলে?

    এটার উত্তর আমি জানি। বললুম, কে বললে তোমায় বিদেশি ছবির মান উঁচু। বিদেশি ছবির ভালোগুলো আসে এ দেশে। ওদেশের নিজের কনজস্পশনের ছবি তো তুমি দেখনি। সেগুলো যে কী রদ্দি তা তো তুমি জানো না। আর ওরা ভাবে আমাদের সব ছবিই সত্যজিৎ রায়ের তৈরি।

    তা হলে?

    আমি দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে বললুম, এ এক বিরাট সমস্যা। তার পুরো ধাক্কা এদেশে এখনও এসে লাগেনি। ইয়োরোপ-আমেরিকার গুণী জ্ঞানীরা রীতিমতো চিন্তিত হয়ে পড়েছেন, পঁচিশ বৎসর পরে ঐতিহাসিকরা কি শেষটায় বলবে, সভ্য মানুষের পতন আরম্ভ হয়েছিল বিংশ শতাব্দীতে? এ যুগের সিনেমা, ট্র্যাশ নভেল, অশ্লীল সাহিত্য, বাচ্চাদের জন্য রগরগে খুন-ডাকাতির ছবির বই তো ছিলই– এখন এসে জুটেছে টেলিভিশন।

    আইন করে বন্ধ করে দেয় না কেন?

    আমেরিকাতে এমেরিকান সিভিল লিবার্টিস ইউনিয়ন নামক একটি নাগরিক স্বাধীনতার প্রতিষ্ঠান আছে। যখনই কোনও অশ্লীল পুস্তক বা ওই-জাতীয় কোনও জিনিসের বিরুদ্ধে পুলিশ মোকদ্দমা করে তখন ওই প্রতিষ্ঠান এসে পুলিশের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে বলে, পুলিশ সাহিত্যিকের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছে। সরকার পক্ষের উকিল যখন প্রত্যুত্তরে বলেন, এসব রাবিশ সাহিত্য নামের উপযুক্ত নয়, তখন অন্যপক্ষ বলে, সে হচ্ছে নিছক রুচির কথা। বিপদ আরও এক জায়গায় রয়েছে। পুলিশপক্ষ এখনও এমন একটা সংজ্ঞা বের করতে পারেনি যা দিয়ে শ্লীল-অশ্লীলের পরিষ্কার পার্থক্য করা যায়। এ নিয়ে দুঃখ করে কী হবে; সংস্কৃত অলঙ্কারশাস্ত্রেও এ নিয়ে বিস্তর আলোচনার পর গুণীরা একমত হয়ে বলতে পারেননি শ্লীল-অশ্লীলে পার্থক্য করা যায় কী প্রকারে বলেছেন আমাদের বাঘা পণ্ডিত গোঁসাইজি। ইয়োরোপ-আমেরিকায় আবার আরেক বিপদ। যারা ডাহা অশ্লীল জিনিসের সামান্যতম প্রতিবাদ জানান তাদের বিরুদ্ধে অমনি মার মার কাট কাট অট্টরব জেগে ওঠে–সঙ্গে সঙ্গে তারা গুটিকয়েক চোখা চোখা বাক্যবাণ শুনতে পান– এরা প্রগতির শত্রু, এরা আর্টের শত্রু। এ পক্ষে যে সবাই স্বার্থপর নীচ লোক রয়েছে তা নয়। ভালো ভালো ডাক্তারেরা বলেছেন, অশ্লীল সাহিত্য, খুনোখুনির ছবি ওইসব জিনিস তৃষ্ণার্ত জনের নৈতিক স্বাস্থ্য উন্নতি হয়তো নাও করতে পারে কিন্তু ওইসব দেখেশুনে তাদের নৈতিক ব্যালানস অনেকটা রক্ষা পায়। তখন প্রশ্ন উঠবে, কিন্তু যারা ওসব জিনিস সম্বন্ধে তৃষ্ণার্ত নয় তাদের হাতে পড়লে? উত্তরে এঁরা বলেন, তাদের যে কোনও ক্ষতি হয় সেটা তো কোনও সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কোনও কমিশন, কোনও তদন্ত করে প্রমাণ করতে পারেননি।

    ফল দাঁড়িয়েছে এই যে, আজ আমেরিকাতে অশ্লীল সাহিত্য বা ছবির বিরুদ্ধে কার্যত কোনও আইনই নেই। তাই সেদিন আমেরিকার এক বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন কয়েকটি অতি আধুনিক ছাত্র- (এদের বলা হয় পোস্ট-হাইব্রাও) একখানি অশ্লীল মাসিক বের করলে অবশ্য তাদের মতে নয়, ভাইস চেন্সেলারের মতে– তখন কিছু না করতে পেরে ডাক বিভাগের শরণাপন্ন হলেন; তাদের পুরনো ঝাপিতে একটি অতিপ্রাচীন রক্ষাকবচ আছে–ডাক বিভাগ যদি মনে করেন কোনও চিঠি বা প্যাকেটে অশ্লীল বস্তু আছে তবে তারা সেটি গ্রহণ করবেন না। এই করে অন্তত কাগজটার প্রসার ঠেকানো গেল, প্রচার বন্ধ হল না।

    সর্বনাশ! তা হলে উপায়? এদেশেও তাই হবে নাকি?

    তুমি ভবিষ্যতের ভয় পাচ্ছ, এদিকে অনেকেই যে মনে করেন আমাদের দিশি ছবি যথেষ্ট অথবা যথা-অনিষ্ট– অশ্লীল হয়ে বসে আছে তাদের কথা ভাবছ না কেন? আমি আদপেই অস্বীকার করছিনে যে আমাদের অনেক ছবিতে অশ্লীলতার ইঙ্গিত থাকে। কিন্তু আমাদের মডার্ন কবিতায় কোনও কোনও কবি যে আর্টের নামে অশ্লীলতার চরমে পৌঁছন তার বেলা কী? তোমার যদি মনে হয়, ফিল্ম ভেবেচিন্তে বাঁদর গড়ছে, গড়ুক। তোমার দেখবার ইচ্ছে নেই, না দেখলেই হল। কিন্তু কবিরা যে শিব গড়তে বাঁদর গড়ছেন সেখানে তুমি শিব দর্শনে গিয়ে পেলে বাদর– তার কী? তার তো কোনও সেন্সর বোর্ড নেই। অথচ এরা তো রবীন্দ্রনাথ, রাজশেখর, সুকুমার রায়কে হটিয়ে দিতে পারেননি। মনমোহন সিরিজের বিক্রি বেশি, তা তারাশঙ্করের বেশি? আসলে শ্লীল হোক অশ্লীল হোক, যে বস্তু সত্য রসের (আর্টের) পর্যায়ে উঠে না সেটা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। সংস্কৃত সাহিত্যে নিশ্চয়ই বিস্তর অশ্লীল বস্তু লেখা হয়েছিল– না হলে শ্লীল-অশ্লীল নিয়ে আলঙ্কারিকেরা আলোচনা করলেন কেন? তাই আজ আশ্চর্য হই, সেসব অশ্লীল বই টিকে রইল না কেন?

    তার অর্থ এই নয়, অশ্লীলতার বিরুদ্ধে আপত্তি করার কোনও প্রয়োজন নেই- অবশ্য তোমার যদি মনে হয় ফিল্মগুলোর অনেকটাই অশ্লীল। আমি অন্য কথাগুলো বললুম, যাতে করে তুমি ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে নিরাশ না হও। গণতন্ত্র যখন করেছ তখন গণ-কলচর, গণসাহিত্য, গণ-ফিল্ম হবেই হবে। তার জন্য তৈরি থাকা উচিত। কিন্তু গণতন্ত্রের তুমি আমি দু জনেই যখন গণ তখন আমরা আমাদের রুচি অনুযায়ী আমাদের যেখানে যেখানে বাধে সেখানে আপত্তি জানিয়ে যাব। আর সত্যজিৎ রায় তো আছেনই। তাঁর নীরব আপত্তিই তো সবচেয়ে জোরালো আপত্তি। আবার তিনিও যদি পুরিটানিজমের চূড়ান্তে পৌঁছে শুচিবায়ুগ্রস্ত হয়ে মানুষের অন্যতম ক্ষুধা যে ক্ষুধাকে কবিরা যুগ যুগ ধরে সুন্দর মধুর রূপে প্রকাশ করেছেন– উপেক্ষা করেন, তবে তিনিও উপেক্ষিত হবেন। তার কারণ মানুষ অশ্লীলতা চায়, সে নয়। তার কারণ কোনও জিনিসের চরমে পৌঁছলে সে জিনিস দিয়ে আর্ট হয় না।

    তাই এক ফারসি আলঙ্কারিক আর্টের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে অন্যান্য নানা মূল্যবান কথার ভিতর বলেছেন, আর্টসনাতন-ই-হদ-ই-হর চিজ। এর সব কটি কথাই বাঙলায় চলে। সনাতন=শনাক্ত করা, চেনা, জানা, হদ=হদ, সীমা; হর=প্রত্যেক, চিজ= বস্তু, চিজ। অর্থাৎ প্রত্যেক বস্তুর সীমা কোন জায়গায় সেইটে বুঝে লেখাই আর্ট সৃষ্টি করা।

    ***

    বাবাজি চলে যাওয়ার পর অলস কৌতূহলে একখানা ফরাসি মাসিক হাতে তুললুম। নাম প্রাভ অর্থাৎ প্রমাণ–বাঙলায় এ মাসিক বের করতে হলে নাম হবে প্রামাণিক। ১৯৫০ খৃস্টাব্দে ইয়োরোপে যে কংগ্রেস ফর দি লিবার্টি অব কালচার সংস্কৃতি স্বাধীনতা সঙ্ প্রতিষ্ঠিত হয়, তার দশম অধিবেশন হয় বার্লিনে, এই জুলাই মাসে। সে অধিবেশনে সভাপতির ভাষণ দেন বিখ্যাত ফরাসি সাহিত্যিক, সমাজতত্ত্ববিদ দেনিস দ্য রুজমে– প্রাভের আগস্ট সংখ্যায় সেটি ছাপা হয়েছে। স্বাধীনতার ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে ব্যাখ্যান দিতে গিয়ে দ্য রুজমোঁ বলেছেন :

    এই যে আমরা প্রত্যেক জিনিসের চরমতম চূড়ান্তে পৌঁছে গিয়ে এক জিনিস থেকে অন্য জিনিস আহাম্মুখের মতো আলাদা আলাদা করে রাখছি– একদিকে আর্টের সৌন্দর্যচর্চা অন্যদিকে দৈনন্দিন জীবনের শ্রীহীন আয়ুক্ষয়, একদিকে কঠিন পরিশ্রম অন্যদিকে গভীর মানসিক চর্চা, একদিকে বিমূর্ত সূক্ষ্ম জ্ঞানান্বেষণ অন্যদিকে টেকনিকেল ফলিত কর্ম,- এরা যে প্রতিদিন একে অন্যের দিকে তাকিয়ে বিকৃত মুখভঙ্গি করছে, এর অবসান হোক।

    এর প্রয়োজন পশ্চিম মহাদেশেই বেশি। কিন্তু এখন মহাদেশকে একত্র হয়ে তাদের আপন আপন সঞ্চয় বিশ্ববাসীর উপকারের জন্য তুলে ধরতে হবে :

    ইয়োরোপের চিন্তাবৃত্তিজাত ফল (যার থেকে টেকনিকেল কর্মবুদ্ধি বেরিয়েছে),

    আফ্রিকার প্রাণশক্তি (যা সে বাঁচিয়ে রেখেছে, আর সকলের চেয়ে ভালো, তার সঙ্গীত, নৃত্য, ছন্দ, অনুভূতির কল্যাণে),

    ভারতের আত্মা– যুগ যুগ ধরে সঞ্চিত তার ঐতিহ্যগত সম্পদ।

    আমার মস্তকে বজ্রাঘাত! এদিকে ইয়োরোপ হাত পেতেছে আমাদের দিকে সর্বোচ্চতম সম্পদের জন্য কে না জানে সর্বোত্তম সম্পদ আত্মার উপলব্ধি– আর এদিকে আমি মরছি আমেরিকার ভয়ে!!

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রেম – সৈয়দ মুজতবা আলী
    Next Article মুসাফির – সৈয়দ মুজতবা আলী

    Related Articles

    সৈয়দ মুজতবা আলী

    চাচা কাহিনী – সৈয়দ মুজতবা আলী

    December 6, 2025
    সৈয়দ মুজতবা আলী

    পঞ্চতন্ত্র ১ – সৈয়দ মুজতবা আলী

    December 6, 2025
    সৈয়দ মুজতবা আলী

    ময়ূরকণ্ঠী – সৈয়দ মুজতবা আলী

    December 6, 2025
    সৈয়দ মুজতবা আলী

    দ্বন্দ্বমধুর – সৈয়দ মুজতবা আলী

    December 6, 2025
    সৈয়দ মুজতবা আলী

    অসি রায়ের গপপো – সৈয়দ মুজতবা আলী

    December 6, 2025
    সৈয়দ মুজতবা আলী

    দেশে বিদেশে – সৈয়দ মুজতবা আলী

    December 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }