Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয়ংকর স্বীকারোক্তি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প284 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বান্ধবগড়ের রাজাসাহেব

    বান্ধবগড়ের রাজাসাহেব

    শেষ ফরেস্ট লজে খোঁজ নিয়ে গাড়ির কাছে এসে সৈকত বলল, ‘না রে, কোনো ঘর খালি নেই৷ অনেক করে ম্যানেজারকে অনুরোধ করলাম৷ রেজিস্টার দেখাল লোকটা৷ সাতদিনের আগে কোনো ঘর পাওয়া যাবে না৷ কী ডিসিশন নিবি এখন?’

    গুমটির কাঠের বেঞ্চে বসেছিল ত্রিদিব৷ আমি দাঁড়িয়ে গাড়ির বনেটে হেলান দিয়ে৷ সৈকতের কথা শুনে ত্রিদিব বেশ হতাশভাবে বলল, ‘তাহলে কী হবে? বাঘ দেখা ভাগ্যে নেই৷ বরং এখান থেকে অমরকণ্টক বা খাজুরাহো চলে যাই৷’

    দরজা খুলে আমরা গাড়িতে উঠতে যাব, এমন সময় একজন হিন্দিতে বলল, ‘সাহেবরা এখানে এসে বাঘ না দেখেই ফিরে যাবেন?’

    গলা শুনে পিছনে ফিরে দেখি, একজন লোক৷ মাঝবয়সি, মাথায় পাগড়ি, পরনে ধুতি-ফতুয়া, দেখে স্থানীয় বলেই মনে হচ্ছে৷

    লোকটা মুহূর্তখানেক চুপ থেকে বলল, ‘আমি আপনাদের থাকার ব্যবস্থা করতে পারি৷ বাঘও দেখাতে পারি৷’

    ত্রিদিব বিস্মিত হয়ে বলল, ‘তাই নাকি! আপনি কি কোনো হোটেল-টোটেলের লোক?’

    সে বলল, ‘না, আমি হোটেলের লোক নই৷ তবে এখানে সব হোটেলের লোকই আমায় চেনে৷ আমার নাম মঙ্গল সিংহ৷ এখান থেকে ঘণ্টা চারেক দূরে জঙ্গলের ভিতরে এক জায়গায় থাকি৷ জায়গাটাকে বলে, ‘রাজাসাহেবের হাভেলি’৷ আমি সেখানে আপনাদের থাকার ব্যবস্থা করব৷ বাঘও দেখাব৷’ কথাগুলো বলে আমাদের উত্তরের আশায় তাকিয়ে রইল৷

    লোকটার কথা বলার ভঙ্গিতে এমন একটা আহ্বান আছে যে, আমরা ‘না’ করতে পারলাম না৷ মঙ্গল সিংহকে নিয়ে গাড়িতে উঠে বসলাম৷ চালকের আসনে ত্রিদিব৷ মঙ্গল সিংহ ত্রিদিবের পাশের সিটে বসে রাস্তা দেখিয়ে নিয়ে চলল৷ পর্ণমোচী বৃক্ষ, বিশেষত শালের জঙ্গল আর ঘাসবন৷ মঙ্গল সিংহের নির্দেশে কখনো তার মধ্যে দিয়ে, কখনো জঙ্গলকে বেড় দিয়ে এগিয়ে চললাম৷ ক্রমশ ঢুকতে লাগলাম গভীর অরণ্যের মধ্যে৷ দূরে নীল আকাশের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে আছে সাতপুরা পাহাড়৷ আমরা এগোচ্ছি সেদিকেই৷ মঙ্গল সিংহ মাঝে-মধ্যে বলতে লাগল জঙ্গলের নানা খবর৷ যাত্রাপথেই আমরা দেখতে পেলাম, একদল চিতল হরিণ আর একটা ক্রেস্টেড সার্পেন্ট ঈগল৷

    গাড়ি থেকে নেমে বাড়িটার দিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে গেলাম৷ এমন ঘন জঙ্গলের মধ্যে এত বড়ো বাড়ি! বাড়িটা অবশ্য অনেক পুরোনো তা দেখেই বোঝা যাচ্ছে৷ দোতলার কারুকাজ করা রেলিং, ছাদের কার্নিশ সব খসে গিয়েছে৷ দেউড়ির দু-পাশে অস্ত্র হাতে দাঁড়ানো পাথরের মূর্তির মাথা ভাঙা, স্তম্ভের ইট বেরিয়ে পড়েছে, পলেস্তারাহীন দেওয়াল৷

    জানতে চাইলাম, ‘জঙ্গলের মধ্যে এত বড়ো বাড়ি কে বানিয়েছিল?’

    মঙ্গল সিংহ বলল, ‘পুরো বান্ধবগড়টাই একসময় মেওয়ারের মহারাজাদের প্রাইভেট শিকার খেলার জায়গা ছিল৷ তাঁরাই বানিয়েছিলেন৷ রাজপুরুষরা শিকার খেলতে আসতেন৷ বহু সাহেবও এসেছেন৷ হাভেলির ওই যে ওখানে উঁচু ছাদওলা জায়গাটা দেখছেন, ওখানে হাতি রাখা থাকত৷ তারপর এক সময় রাজারাজড়ার যুগ শেষ হয়ে গেল, শিকার খেলাও শেষ হয়ে গেল আর তার সঙ্গে এর রমরমাও৷ তবে এখনও এটা প্রাইভেট প্রপার্টি৷’

    ত্রিদিব বলল, ‘এখন কারা থাকে?’

    মঙ্গল সিংহ একটু হতাশভাবে বলল, ‘কে আর থাকবে? শুধু আমি আর রাজাসাহেব৷’

    ‘রাজাসাহেব মানে?’ জানতে চাইল সৈকত৷

    মঙ্গল সিংহ জবাব দিল, ‘উনি একজন রাজবংশধর৷ প্রায় নব্বই বছর বয়স৷ আপনাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেব৷ এবার ভিতরে চলুন!’

    বাড়িটার অধিকাংশ ঘরই বাসযোগ্য নয় বলেই মনে হল৷ কোনো ঘরে তেমন কোনো আসবাব নেই৷ বেশ কয়েকটা ঘর-অলিন্দ পেরিয়ে আমাদের নিয়ে দোতলার একটা বারান্দায় উঠে এল মঙ্গল সিংহ৷ বারান্দা সংলগ্ন বেশ কয়েকটা ঘর৷ এ জায়গাটা বেশ সাফ-সুতরো৷ বারান্দায় ওঠার পর তিনটে জিনিস আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করল৷ দেওয়ালের গায়ে টাঙানো আছে একজন যুবা রাজপুরুষের বিরাট তৈলচিত্র৷ তার পরনে জরির পোশাক, গলায় মুক্তোর মালা, মাথায় পালক-গোঁজা, রত্নখচিত পাগড়ি৷ আর এ ছবির দু-পাশে টাঙানো একটা স্টাফ করা বিরাট বাঘের মাথা, অন্যপাশে একটা বন্দুক৷ বাঘের চোখ দুটো যেন এখনও জ্বলছে৷ মঙ্গল সিংহ বলল, ‘রাজাবাবুর ছবি৷ বন্দুকটা দিয়ে বাঘটা শিকার করেছিলেন তিনি এই হাভেলির কাছাকাছি জঙ্গলের মধ্যে৷’ কথা বলতে-বলতে আমাদের থাকার জন্য একটা ঘর খুলে দিল মঙ্গল সিংহ৷

    ২

    হাভেলির হাতায় কয়েকটা চেয়ার পেতে আমাদের বসার ব্যবস্থা করে দিয়ে গিয়েছে মঙ্গল সিংহ৷ আলো বলতে পাশে রাখা একটা হ্যারিকেন৷ অন্য কোনো আলো নেই চারপাশে৷ খাওয়া-দাওয়া সারা৷ রাত প্রায় আটটা বাজে৷ মঙ্গল সিংহ বলে গিয়েছে, কাল ভোর পাঁচটায় আমাদের বাঘ দেখাতে নিয়ে যাবে৷ আমরা যেন রাত নটায় শুয়ে পড়ি৷ রাতে হয়তো ঘর থেকেই বাঘের ডাক শোনা যেতে পারে৷ চারপাশেই তো জঙ্গল৷

    পরদিন ভোরে বাঘ দেখব আমরা৷ তাই ভিতরে-ভিতরে বেশ উত্তেজিত৷ জায়গাটাও বেশ পছন্দ আমাদের৷ অন্য ট্যুরিস্টদের কোনো হল্লা নেই এখানে৷ কিছুটা তফাতেই চাঁদের আলোয় দাঁড়িয়ে আছে গভীর শালবন৷ গল্প করছিলাম আমরা৷ দেখলাম, হাভেলির একটা মহল থেকে বেরিয়ে কে এগিয়ে আসছে? মঙ্গল সিংহ নাকি?

    লোকটা আমাদের কাছে এসে দাঁড়াতেই বুঝলাম, মঙ্গল সিংহ নয়৷ তার পরনে খাকি পোশাক, ব্রিচেস, হাই-হিল বুট, কাঁধে বন্দুক৷ দীর্ঘদেহী একজন লোক৷ তবে বয়সের ভারেই সম্ভবত এখন কিছুটা ন্যুব্জ৷ লোকটা সামনে দাঁড়িয়ে বলল, ‘আমি এই হাভেলির রাজাসাহেব৷ পরিচয় করতে এলাম৷’

    রাজাসাহেব! মানে যিনি বাঘ মেরেছিলেন? মেওয়ারের রাজবংশধর? সম্ভ্রমের সঙ্গে তাঁর দিকে তাকালাম আমরা৷ মঙ্গল সিংহ তাঁর যা বয়স বলেছিল, ততটা না হলেও আশি বছর হতেই পারে৷ ভ্রূ, বিরাট গোঁফ সব দুধসাদা হয়ে গিয়েছে, চামড়াও কুঁচকে গিয়েছে৷ তবে তাঁর অবয়ব বলে দিচ্ছে, এক সময় বেশ শক্তিশালী পুরুষ ছিলেন৷ বয়স তাঁকে পরাস্ত করতে পারেনি৷

    আমাদের পরিচয়ের পর তিনি বললেন, ‘কাল সকালে তো নিশ্চয়ই আপনারা বাঘ দেখতে যাবেন, তা মঙ্গল যখন বলেছে তখন ঠিকই দেখাবে৷ বান্ধবগড়ে এখনও অনেক বাঘ আছে৷’

    এরপর একটু থেমে তিনি বললেন, ‘তবে সেই রাজা-বাঘের মতো কোনো বাঘ নেই, যার মাথা আপনারা দেখেছেন সম্ভবত৷ পঞ্চাশ বছর আগে যে বাঘটা আমি শিকার করেছিলাম৷ বান্ধবগড়ের রাজা-বাঘ, নরখাদক বাঘ!’

    তাঁর কথা শুনে সৈকত বলে উঠল, ‘আপনার বাঘ শিকারের গল্পটা আমাদের বলবেন? শিকারকাহিনি আমরা বইয়ে পড়েছি৷ কোনো শিকারির মুখ থেকে গল্প শুনিনি৷’

    রাজাসাহেব কিছুদূরের জঙ্গলের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘জায়গাটা এখান থেকে খুব কাছেই৷ ওই জঙ্গলের মধ্যে একটা নালার ধারে যেখানে মাচায় বসে শিকারটা করেছিলাম৷ মাচা এখনও বাঁধা আছে৷ চলুন, ওখানে বসে আপনাদের গল্প শোনাব৷’

    গল্প শোনার আকর্ষণ আমাদের আছে, কিন্তু এত রাতে শালের জঙ্গলে ঢোকা কী ঠিক হবে?

    রাজাসাহেব বললেন, ‘ভয় পাচ্ছেন? আমার বন্দুক তো আছেই৷ জীবনে কোনোদিন দুটো গুলি ছুড়িনি৷ এক গুলিতেই নিকেশ হয়ে যেত শিকার৷’ কথাগুলো বলে বিড়বিড় করে তিনি যেন বললেন, ‘সাহস ছিল বটে মহেন্দ্র সিংহের!’ এ কথার মানে ঠিক ধরতে পারলাম না৷

    গা-ছমছমে শালের জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে মিনিট দশেক হেঁটে আমরা পৌঁছে গেলাম সেখানে৷ শালগাছের খুঁটির উপর ফুট দশেক উঁচু একটা মাচা৷ এ মাচাটা পরে তৈরি৷ কাঠের পাটাতনের সিঁড়ি বেয়ে আমরা মাচার উপরে উঠে বসলাম৷

    সামনে কিছুটা তফাতে মানুষ-সমান উঁচু ঝোপঝাড়৷ সে জঙ্গল কিছুটা এগিয়ে শেষ হয়েছে একটা শীর্ণ নদীর মরা খাতে৷ নালার ওপাশে শুরু হয়েছে গভীর জঙ্গল৷ সে জঙ্গল উঠে গিয়েছে চন্দ্রালোকিত সাতপুরা পাহাড়ের ঢালে৷

    সেই পাহাড়ের দিকে তাকিয়ে রাজাসাহেব বলতে শুরু করলেন তাঁর গল্প, ‘দেশ তখন স্বাধীন হয়েছে৷ আমাদের রাজত্বও চলে গিয়েছে৷ রাজপরিবারের সন্তান হিসেবে এই হাভেলির মালিকানা পেয়েছিলাম আমি৷ আসতাম আমার সমবয়সি মহেন্দ্র সিংহের টানে৷ তারা ছিল পুরুষানুক্রমে শিকারি৷ যেসব রাজা-মহারাজা এখানে শিকারে আসতেন, তাঁদের সঙ্গ দিত ও৷ জঙ্গলে পথ চিনিয়ে শিকারের কাছে পৌঁছে দিত শিকারিদের৷ তবে মহেন্দ্রর সঙ্গে আমার সম্পর্ক ঠিক প্রভু-ভৃত্যের ছিল না৷ সে ছিল আমার অভিন্নহূদয় সহচর৷ আমরা একসঙ্গে ছেলেবেলায় কত ঘুরে বেড়িয়েছি এই বনে৷ মাত্র চোদ্দো বছর বয়সে তার সাহায্যে এই বনে বাঘ শিকার করেছি আমি৷ তবে শিকার ব্যাপারটা যে ঠিক নয় সেটা বোঝার বয়স তখন আমার ছিল না৷ শরীরে রাজার রক্ত, ছেলেবেলাতেই বন্দুক হাতে তুলে নেওয়াটাই ছিল স্বাভাবিক৷ তবে আমার নরখাদক বাঘ শিকারের ঘটনাটা আরও পরের৷ তখন আমার বছর পঁচিশেক বয়স৷ আমি বেড়াতে এসেছি এখানে৷ ঠিক সেই সময় বাঘটা হানা দিতে শুরু করল এখানে৷ ওই যে নালাটা দেখছেন, ওর ভিতরেই ডেরা বাঁধল বাঘটা৷ এ নালা চলে গিয়েছে অনেক দূর পর্যন্ত৷ দু-পাশে ঘন জঙ্গল৷ বাঘের লুকিয়ে থাকার পক্ষে আদর্শ জায়গা৷ আমাদের প্রাক্তন প্রজারা আমাদের এসে ধরল, বাঘটাকে মারার জন্য৷

    ‘মহেন্দ্র সিংহকে নিয়ে আমি জঙ্গলে বেরোতে শুরু করলাম বাঘটাকে মারার জন্য৷ তাকে চাক্ষুষ না করলেও তার ‘‘খোঁচ’’ অর্থাৎ পায়ের ছাপ দেখে আমরা বুঝতে পারলাম বাঘটা একটা পূর্ণবয়স্ক প্রকাণ্ড বাঘ৷ দৈর্ঘ্যে প্রায় বারো ফুট হবে লেজের ডগা পর্যন্ত৷ ওজন হবে তিনশো কেজি৷ পরে বুঝেছিলাম আমাদের অনুমান মিথ্যে ছিল না৷

    ‘যাই হোক, বাঘটা ছিল অসম্ভব ধূর্ত৷ মানুষখেকো বাঘ যেমন হয়৷ আমরা জঙ্গলে খুঁজে বেড়াই তাকে৷ কিন্তু কিছুতেই তার নাগাল পাই না৷ কোনো কোনো পথে তার পায়ের ছাপ দেখে বুঝি, যখন আমরা তার সন্ধানে ঘুরছি, ঠিক তখন সে আমাদের নিঃশব্দে অনুসরণ করছে, কোনো অসতর্ক মুহূর্তে শিকারিকে শিকারে পরিণত করার জন্য৷ সপ্তাহ তিনেক ব্যর্থ অভিযান চলল আমাদের৷ শুধু একটা জিনিস বুঝতে পারলাম আমরা৷ সে ইদানীং আমাদের খুব কাছাকাছি ছায়ার মতো ঘুরছে৷ তার পায়ের ছাপ সে-কথাই বলছে৷

    ‘মহেন্দ্র একদিন বলল, ‘‘এভাবে কিছু হবে না৷ বাঘটা যখন কাছাকাছি আছে, তখন মাচান বেঁধে টোপের ব্যবস্থা করা যাক৷’’ আমিও রাজি হলাম তার প্রস্তাবে৷ ঠিক এই জায়গাতেই মাচান বাঁধা হল৷ কারণ, ওই নালাটা এখান থেকে দেখা যায়৷ ওখান থেকেই তো উঠে আসে বাঘটা৷ ছাগলের টোপ নীচে বেঁধে এই মাচানে রাত জাগতে শুরু করলাম আমরা৷

    ‘ছ-টা রাত পেরিয়ে গেল কিন্তু সে সামনের ওই জঙ্গল থেকে বেরিয়ে ঝাঁপাল না আমাদের রাইফেলের সামনে৷ অথচ প্রতি ভোরেই আমরা দেখি, রোজই সে আমাদের চোখ এড়িয়ে নালা থেকে উঠে এসে আশ্রয় নিয়েছে সামনের ওই ঝোপ-জঙ্গলে৷ সেখান থেকে মাচায় বসা আমাদের লক্ষ করেছে৷ তারপর আবার ফিরে গিয়েছে৷ খোঁচ দেখে ব্যাপারটা আমরা বুঝতে পারছি৷

    ‘ষষ্ঠ রাতেও যখন কিছু হল না, তখন সেদিন হাভেলিতে ফিরে মহেন্দ্র আমাকে বলল, ‘‘এভাবেও কিছু হবে না বলেই মনে হচ্ছে৷ বাঘটার ছাগলের প্রতি আগ্রহ নেই৷ ওর আগ্রহ মানুষ অর্থাৎ আমাদের উপর৷ বিশেষত, তোমার উপর৷ হয়তো তা তোমার এই জমকালো পোশাক আর পাগড়ির জন্য৷ আমি খেয়াল করে দেখেছি৷ তুমি জঙ্গলে যে পাশ দিয়ে হাঁটছ, সে পাশ ধরেই সে অনুসরণ করে আমাদের৷ অর্থাৎ ও শিকার হিসেবে তোমাকেই পছন্দ করছে৷ আমার মাথায় একটা প্ল্যান এসেছে’’৷’

    ‘‘‘কী প্ল্যান?’’ জানতে চাইলাম৷ সে যা বলল তাতে আমি স্তম্ভিত হয়ে গেলাম৷ মহেন্দ্র বলল, ‘‘তোমার পোশাকটা আমায় আজ তুমি পরতে দেবে৷ আর আমার খাকি পোশাক পরবে তুমি৷ ছাগল নয়, আজ রাতে আমি তোমার পোশাক পরে টোপ হব মাচার নীচে৷ আর উপরে থাকবে তুমি৷ আজ চাঁদনি রাত৷ ও তোমার নজর এড়াতে পারবে না৷ আর তারপর তুমি…৷’’ তাকে কথা শেষ করতে না দিয়ে আমি বলে উঠলাম, ‘‘কী বলছ তুমি? এ যে আত্মহত্যার শামিল! না, এ কাজ করা যাবে না৷’’

    ‘মহেন্দ্র হেসে বলল, ‘‘তুমি ঘাবড়াচ্ছ কেন? বাঘ যত দ্রুত ঝাঁপাক, একটা গুলির সুযোগ তুমি পাবেই৷ তাতেই কাজ হবে৷ তোমার সঙ্গে বহু শিকারে গিয়েছি আমি৷ তোমার হাতের উপর আমার ভরসা আছে৷’’

    ‘আমার নিশানার উপর নিজের যথেষ্ট ভরসা আছে৷ তবুও তাকে বোঝাবার চেষ্টা করতে লাগলাম আমি৷ ব্যাপারটা যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার জেদের কাছে হার মেনে গেলাম আমি৷ সেদিন বিকেলে আমার পোশাক পরল মহেন্দ্র আর তার এই পোশাক গায়ে দিয়ে দুজন হাজির হলাম এখানে৷ মহেন্দ্র রইল নীচে৷ আর আমি বন্দুক নিয়ে মাচায় উঠে বসলাম৷ এক সময় জঙ্গলে অন্ধকার নামল, তারপর চাঁদ উঠল৷ ঠিক আজ রাতের মতোই চাঁদের আলোয় উদ্ভাসিত জঙ্গল৷ সময় কাটতে লাগল৷ ঘণ্টা তিন-চার দাঁড়িয়ে থাকার পর মহেন্দ্র আমাকে একটা ইশারা করে ওই ঝোপ ভেঙে এগোতে শুরু করল নালার দিকে৷ তার উদ্দেশ্য বুঝতে পারলাম আমি৷ সে নালার দিকে এগোচ্ছে নরখাদকটাকে প্রলুব্ধ করে তার পিছন-পিছন এখানে টেনে আনার জন্য৷ ভয়ংকর ব্যাপার! কিন্তু তখন তাকে বাধা দেওয়ার উপায় নেই৷ চিৎকার করলে বাঘটা কাছাকাছি থাকলে মহেন্দ্রর আরও বিপদ হতে পারে৷ আস্তে-আস্তে সে হারিয়ে গেল নালার দিকে৷’

    আমরা তন্ময় হয়ে তাঁর গল্প শুনছিলাম৷ সৈকত বলল, ‘তারপর? তারপর কী হল?’

    রাজাসাহেব তাকে থামিয়ে দিয়ে বলে উঠলেন, ‘চুপ-চুপ, একদম চুপ৷ ওই তো দেখুন, মহেন্দ্র নালা থেকে উঠে আসছে,’ ফিসফিস করে কথাগুলো বলে তাঁর রাইফেলটা কাঁধের উপর উঠিয়ে নিলেন রাজাবাবু৷ তাঁর কথা শুনে নালার দিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে গেলাম আমরা৷ সত্যিই নালার দিক থেকে এদিকে এগিয়ে আসছে একজন মানুষ৷ চাঁদের আলোয় তার গায়ের জরির পোশাক ঝলমল করছে৷ এ কী করে সম্ভব? পঞ্চাশ বছরের পুরোনো গল্প চোখে দেখা যায় নাকি?

    লোকটা এক সময় আমাদের বেশ কাছাকাছি চলে এল৷ রাজাবাবুর বন্দুকের নল ঘুরতে শুরু করেছে লোকটার চারপাশের জঙ্গলের উপর৷ হঠাৎ একটা লক্ষ্যে স্থির হয়ে গেল তাঁর বন্দুকের নল৷ জ্বলে উঠল বন্দুকের উপর লাগানো টর্চ৷ সেই আলোয় আমরা দেখতে পেলাম, আলোটা ঝোপের উপর যেখানে গিয়ে পড়েছে, সেখান থেকে উঁকি মারছে একটা প্রকাণ্ড বাঘের মাথা৷ টর্চের আলোয় জ্বলজ্বল করছে তার হিংস্র চোখ৷ আর এর পরক্ষণেই কানফাটানো গর্জন করে উঠল রাজাসাহেবের হাতের বন্দুক৷ পরমুহূর্তেই টর্চের আলো নিভে গেল৷ রাজাসাহেব চিৎকার করতে থাকলেন, ‘পেরেছি! পেরেছি! মহেন্দ্র আমি পেরেছি৷’

    হতবাক আমরা, ব্যাপারটা কী ঘটল কিছুই বুঝতে পারছি না৷ আর এরপরই নীচ থেকে সেই লোকটা ছুটে মাচার কাছে এসে উপরে উঠে এল৷ আমরা দেখলাম, রাজার পোশাক-পরা লোকটা মঙ্গল সিংহ৷ তাকে দেখে একটু ধাতস্থ হয়ে আমি বিস্মিতভাবে বললাম, ‘এসব কী ব্যাপার, আমরা তো কিছুই বুঝতে পারছি না! রাজাসাহেব সত্যি বাঘ শিকার করলেন নাকি? ওই তো ওখানে এইমাত্র বাঘ দেখেছি আমরা৷’

    মঙ্গল সিংহ প্রথমে বলল, ‘কোথায় দেখেছেন?’ তারপর অচৈতন্য রাজা-সাহেবকে তুলে ধরে বলল, ‘এঁকে মাচা থেকে নামিয়ে হাভেলিতে নিয়ে যেতে সাহায্য করুন আপনারা৷’

    ৩

    হাভেলিতে ফিরে এসেছি আমরা৷ রাজাসাহেবকে তাঁর ঘরে শুইয়ে এসে বারান্দায় আমাদের মুখোমুখি দাঁড়াল মঙ্গল সিংহ৷ ঠিক সেখানে, যেখানে রাজাসাহেবের ছবিটা দেওয়ালের গায়ে টাঙানো আছে৷ মঙ্গল সিংহ কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে বলল, ‘আপনারা যা দেখলেন, তা সবই সাজানো ঘটনা৷’

    আমি বললাম, ‘তার মানে?’

    সে বলল, ‘আপনারা নিশ্চয়ই রাজাসাহেবের মুখ থেকে তাঁর বাঘ শিকারের গল্প শুনেছেন? বাকিটা আমি আপনাদের শোনাচ্ছি৷

    ‘সত্যি সেই রাতে মহেন্দ্র সিংহের প্রাথমিক উদ্দেশ্য সফল হল৷ নরখাদকটা ছিল নালার মধ্যে৷ মঙ্গল সিংহকে রাজাসাহেব ভেবে তার পিছন-পিছন উঠে এল বাঘটা৷ কিন্তু ধূর্ত বাঘটা এমনভাবে ঝোপঝাড়ের মধ্যে দিয়ে গুড়ি মেরে এল যে, মাচায়- বসা রাজাসাহেব প্রথমে দেখতে পাননি তাকে৷ মাচার নীচে এসে দাঁড়াল মহেন্দ্র সিংহ৷ সেও সম্ভবত টের পায়নি বাঘটার উপস্থিতি৷ আর এরপরই বাঘটা একটা ঝোপ থেকে বেরিয়ে কোনাকুনিভাবে ঝাঁপ দিল তাকে লক্ষ করে৷ রাজাসাহেবও সঙ্গে সঙ্গে গুলি চালালেন, কিন্তু প্রথমবার তাঁর গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হল৷ তবে দ্বিতীয় গুলিটা ফুঁড়ে দিল নরখাদকের হূদপিণ্ড৷ দুটো গুলির মধ্যে ছিল মুহূর্তের ব্যবধান৷ তবু তারই মধ্যে যা ঘটার ঘটে গেল৷ রাজাসাহেব যখন মাচা থেকে নীচে নামলেন, তখন মাটিতে পড়ে থাকা দুটো দেহই ছিল প্রাণহীন৷ ওই মুহূর্তের ব্যবধানেই নরখাদকটা দাঁত বসিয়ে দিয়েছিল মহেন্দ্র সিংহের ঘাড়ে৷

    ‘এ ঘটনার পর রাজাসাহেবের মনে ধারণা জন্মাল যে, মহেন্দ্রর মৃত্যুর জন্য তিনিই দায়ী৷ এ গ্লানি থেকে মুক্ত হতে পারলেন না তিনি৷ থেকে গেলেন এই হাভেলিতে৷ মহেন্দ্রর শিশুপুত্রকে তিনি মানুষ করার দায়িত্ব নিলেন৷ কিন্তু পরে মাথাটাও খারাপ হল৷ চাঁদনি রাত হলেই তিনি বন্দুক হাতে বেরিয়ে পড়তে শুরু করলেন জঙ্গলে৷ তাঁর মনে হয়, নরখাদকটা আর মহেন্দ্র আজও ঘুরে বেড়াচ্ছে জঙ্গলে৷ তিনি এক গুলিতে বাঘটাকে সাবাড় করে ফিরিয়ে আনবেন তাঁর মহেন্দ্রকে৷ কিন্তু ব্যাপারটা তো বিপজ্জনক৷ বাঘ তো আজও আছে জঙ্গলে৷ তাই রাজাসাহেবকে শান্ত করার জন্য আমি একটা কাজ করি৷ আমি নিজেই চাঁদনি রাতে মহেন্দ্র সাজি৷ নরখাদকের ওই মাথাটা নিয়ে গিয়ে ঝোপের মধ্যে রাখি৷ রাজাসাহেব বন্দুক নিয়ে মাচায় বসেন৷ তাতে অবশ্য সত্যি গুলি থাকে না, থাকে ফাঁকা কার্তুজ৷ ওতে শুধু আগুন আর শব্দ হয়৷ আমি যখন নালা থেকে উঠে আসি, তখন ঝোপের উপর আলো ফেলে বাঘের মাথাটা দেখতে পেয়ে গুলি চালান তিনি৷ ব্যাপারটাকে সত্যি ভেবে এরপর বেশ কিছুদিন শান্ত থাকেন রাজাসাহেব৷ আমার পরিচয়টা এবার বলি, আমিই হলাম মহেন্দ্র সিংহের সেই ছেলে৷’

    মঙ্গল সিংহের গল্প শুনে আশ্চর্য হয়ে তার দিকে তাকিয়ে রইলাম৷ সে চলে যেতে গিয়েও দাঁড়িয়ে পড়ে বলল, ‘তবে বাঘ কিন্তু দেখা হয়ে গিয়েছে আপনাদের৷’

    আমি বললাম, ‘মানে?’

    ‘আজ জঙ্গলে যাওয়ার পর খেয়াল হল, স্টাফ করা বাঘের মাথাটা নিয়ে যেতে ভুলে গিয়েছি৷ এই তো এখনও আপনাদের সামনেই টাঙানো আছে মাথাটা৷ যাকে আপনারা জঙ্গলে দেখেছেন; সেটা আসল বাঘ৷ আপনারা খেয়াল না করলেও মাচায় ওঠার পর আমি তাকে দূরে চলে যেতে দেখেছি৷

    ‘প্রকাণ্ড একটা বাঘ! সাধারণত ও বাঘটা এদিকে আসে না৷ রাজাসাহেবের বন্দুকে গুলি ছিল না৷ ইচ্ছে করলেই ও মাচা থেকে টেনে নিয়ে যেতে পারত কাউকে৷ কাল তার সঙ্গে আপনাদের মোলাকাতের চেষ্টা করব৷’

    পরদিন মঙ্গল সিংহের দৌলতে সত্যি তার দেখা পেলাম আমরা৷ জঙ্গলের মধ্যে একটা জায়গায় বিরাট একটা ঝোপের আড়াল থেকে বেরিয়ে আমাদের গাড়ির কিছুটা তফাতে রাস্তার মাঝখানে দাঁড়াল সেই মহাকায় শার্দুল ৷ রাজকীয় তার দাঁড়াবার ভঙ্গিমা৷ সূর্যের আলোয় ঝলমল করছে তার ডোরাকাটা হলুদ দেহ৷ ভাবখানা এমন, সে যেন আমাদের খেয়ালই করেনি৷ আমরা নিস্পন্দ হয়ে তাকিয়ে আছি তার দিকে৷ মঙ্গল সিংহ চাপাস্বরে মন্তব্য করল, ‘বান্ধবগড়ের আর-এক রাজাসাহেব! অরণ্যের রাজা!’

    ঠিক সেই মুহূর্তে আমার মনে পড়ল গতকাল রাতে শোনা মঙ্গল সিংহের কথাগুলো, ‘রাজাসাহেবের বন্দুকে গুলি ছিল না৷ ইচ্ছে করলেই মাচা থেকে টেনে নিয়ে যেতে পারত কাউকে৷’

    মঙ্গল সিংহের ডাকেই সংবিৎ ফিরল আমাদের৷ সে বলল, ‘চলুন, এবার হাভেলিতে ফিরতে হবে৷ রাজাসাহেব সেখানে অপেক্ষা করছেন৷’

    —

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকদা এক পানশালাতে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article রানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }