Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয়ংকর স্বীকারোক্তি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প284 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    এক টুকরো কাচ

    এক টুকরো কাচ

    ৷৷ ১৷৷

    সমুদ্র অফিসের বড়বাবুর চেম্বারের বাইরে দাঁড়াতেই শুনতে পেল তিনি কাউকে বলছেন, ‘ভাবা যায়! একদম বাড়ির ভিতর ঢুকে খুন করে দিয়ে গেল লোকটাকে! কলকাতা শহরটা একেবারে রসাতলে গেল!’

    সমুদ্র দরজা ফাঁক করতেই বড়বাবু টেলিফোনের রিসিভারটা একটু নামিয়ে সমুদ্রর দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘নিশ্চয়ই অফিস থেকে পালাবার কথা বলতে এসেছেন?’

    সমুদ্র লজ্জিতভাবে জবাব দিল, ‘আমার এক পিসিমা হাসপাতালে৷ তাই মানে ইয়ে….৷’

    বড়বাবু বললেন, ‘আজ পিসিমার হাসপাতাল, কাল বন্যাত্রাণে সাহায্য তুলতে যাওয়া, পরশু মড়া পোড়াতে যাওয়া, এ সবের জন্য অফিস-পালানো লেগেই থাকে! আমার আর কী! যান৷ তবে নিকেলসন কোম্পানির কাগজগুলো যেন এ সপ্তাহে রেডি হয়৷’—এই বলে তিনি আবার টেলিফোনে মন দিলেন—‘হ্যাঁ, যা বলছিলাম, বীভৎস কাণ্ড, গলা কেটে দু-ফাঁক…!’

    সমুদ্র আর দাঁড়াল না, ‘থ্যাঙ্ক ইউ স্যার’ বলে সেখান থেকে সরে সিঁড়ি দিয়ে নেমে সোজা অফিসের বাইরে ফুটপাতে এসে দাঁড়াল৷ তারপর অফিস পাড়ার ব্যস্ত রাস্তায় মিশে গেল৷

    সে কিছুক্ষণের মধ্যেই পৌঁছে গেল লালবাজারে ডেপুটি কমিশনারের চেম্বারের বাইরে৷ যিনি ঘণ্টাখানেক আগে ফোন করেছিলেন তাকে৷ দরজার সামনে বেয়ারাকে সে ‘সাহেবকে বলো সমুদ্র বসু এসেছেন’ বলতেই কয়েক মুহূর্তের মধ্যে দরজা খুলে গেল৷ সমুদ্র ঘরে ঢুকে সটান কমিশনারের টেবিলের মুখোমুখি চেয়ারে বসল৷

    কমিশনার একটু অনুযোগের সুরে বললেন, ‘আসতে এত দেরি করলেন! নিশ্চয়ই অফিসে ছিলেন? কেন যে ঐ অফিসে কেরানির চাকরি নিয়ে পড়ে আছেন কে জানে? অন্য কোনো বড় অফিসে মোটা মাইনের চাকরির যোগ্যতা তো ছিল৷ আর আপনি তো সংসার পাতেননি, পৈত্রিক বিষয় যা আছে তাতেই চলে যেত, চাকরিটা তো না করলেও চলত৷’

    সমুদ্র সেলোটেপ দিয়ে আটকানো তার ভাঙা মোবাইল ফোনটা টেবিলের ওপর নামিয়ে রেখে বলল, ‘তা বটে৷ আমার চাকরিটা না করলেও চলত৷ আসলে, বলতে পারেন ব্যক্তিগত জীবনের ছদ্মবেশ৷ আপনাদের কল্যাণে কম চোর-ডাকাত তো শত্রু হল না৷ চশমার নীচে গোলগোল চোখ, উস্কোখুস্কো চুল, হাতে ভাঙা মোবাইল, কখনও বা শুকতারা, সন্দেশ, সরকারি অফিসের ছা-পোষা কেরানিকে, আর যাই হোক গোয়েন্দা বলে সন্দেহ করে না৷ ক’দিন আগে যে ব্যাঙ্কের ঘটনায় জালিয়াত ভুবন মল্লিককে ধরলাম, সে খবরটা খবরের কাগজে আমার পাশের চেয়ারে বসে পড়ছিল একজন সহকর্মী৷ সে ধারণাই করতে পারল না যে কাগজে যে সমুদ্র বসুর নাম বেরিয়েছে সে লোকটা আমি৷ বেশ মজার ব্যাপার!’

    কমিশনার শুনে মন্তব্য করলেন, ‘বুঝলাম! এবার যে কারণে আপনাকে ডেকেছি সেটা বলি….৷’

    তাঁকে কথা শেষ করতে না দিয়ে সমুদ্র বলল, ‘নিশ্চয়ই কৈবর্ত লেনে ব্যারিস্টার অবনী ঘোষের খুনের ব্যাপারের জন্য? তবে আমাকে কেন? আপনার সরকারি গোয়েন্দারা তো আছে৷’

    কমিশনার একটু বিস্মিতভাবে বললেন, ‘কীভাবে জানলেন?’

    সমুদ্র বলল, ‘ভোরবেলা টেলিভিশনে খবরটা আসার পর থেকেই এ নিয়ে সারা শহরে শোরগোল পড়ে গেছে৷ আমার অফিসের বড়বাবুও টেলিফোনে কাকে যেন ঘটনাটা বলছিলেন৷’

    কমিশনার বললেন, ‘ঠিক তাই৷ সরকারি গোয়েন্দাদের হাতে এই তদন্ত না দিয়ে এটা আপনাকে দেব কারণ এ ঘটনার সন্দেহভাজনরা সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি৷ তদন্ত করতে গিয়ে পান থেকে চুন খসলে বিপদ৷ মিডিয়া ছেড়ে কথা বলবে না৷’

    সমুদ্র হেসে বলল, ‘কিছু হলে ব্যাপারটা সরকারি পুলিশকর্মীদের বদলে আমার ঘাড়ে চাপাবেন তাই তো? বেশ তাই হবে৷ এবার ব্যাপারটা খুলে বলুন৷’

    কমিশনার বললেন, ‘ঘটনাটা মোটামুটি এই—অবনী ঘোষ প্রথিতযশা ব্যারিস্টার৷ বয়স ষাটের কোঠায়, বিপত্নীক৷ বছরখানেক হল ওকালতি পেশা ছেড়ে দিয়েছিলেন৷ একজন চাকরকে নিয়ে কৈবর্ত লেনের পৈত্রিক বাড়িতে থাকতেন৷ প্রচুর পয়সার মালিক, তবে একটু দুর্মুখ স্বভাবেরও ছিলেন, যে কারণে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল না৷ বন্ধু বলতে ছিলেন তিনজন৷ তাঁরাও তাঁরই মতো সমাজে প্রতিষ্ঠিত ও গণ্যমান্য ব্যক্তি৷ প্রখ্যাত অভিনেতা অরিন্দম মল্লিক, ন্যাশানাল চ্যাম্পিয়ন বক্সার ফটিক কর্মকার, ন্যাশানাল মেডিকেল কলেজের বিখ্যাত সার্জেন ডক্টর পরেশ গুপ্ত৷ চারজনই সমবয়সী৷’

    সমুদ্র বলল, ‘হ্যাঁ, এদের তিনজনের নামই শুনেছি, কাগজে টেলিভিশনে ছবিও দেখেছি৷ তারপর?’

    কমিশনার বললেন, ‘এই তিনজনই শুধু যাওয়া-আসা করতেন অবনীর বাড়িতে৷ রোজ সন্ধ্যায় সেখানে তাসের আড্ডা বসত৷ কালও তাঁরা গেছিলেন৷ রাত দশটা নাগাদ খেলা সাঙ্গ হলে তাঁরা বেরিয়ে যান৷ অবনীবাবুর চাকর হরি দু-দিনের ছুটিতে বাড়ি গেছিল৷ আজ সকালে সে ফিরে দেখে সদর দরজা খোলা আর বেডরুমে অবনীবাবুর গলাকাটা লাশ পড়ে আছে৷ খুনি নিশ্চয়ই মৃতের পরিচিত কেউ, নইলে তিনি তাকে বেডরুমে নিয়ে যেতেন না৷ আমার ধারণা তাঁর তিন বন্ধুর মধ্যেই কেউ ফিরে এসে ব্যাপারটা ঘটিয়েছে৷ যদিও আমি হরিকে আটক করেছি যাতে বাইরের লোকের চোখে সন্দেহের তির অন্যদিকে ঘুরে যায়৷ সন্দেহভাজন তিনজনকেই তদন্তর সাহায্যের জন্য সবিনয়ে বিকাল চারটেতে এখানে আসতে বলেছি৷ কোনো মার্ডার ওয়েপন পাইনি৷ লাশ মর্গে পাঠিয়েছি৷ আনঅফিশিয়ালি রিপোর্টটা কিছুক্ষণের মধ্যেই জেনে যাব৷’

    সমুদ্র ঘড়ি দেখে বলল, ‘এখন বেলা দুটো৷ আপনার অতিথিরা আসার আগে চলুন অকুস্থল থেকে ঘুরে আসি৷ আর প্রতাপকেও আসতে বলি৷ সে আমার বন্ধু কাম সহকারী৷ সে আবার সাহিত্যের পোকা৷ বিশেষত রহস্য-রোমাঞ্চ গল্পের৷’

    কৈবর্ত লেনে পৌঁছে গেল সমুদ্ররা৷ পুরোনো দিনের প্রকাণ্ড বাড়ি৷ তার সামনে কৌতূহলী লোকজনের জটলা৷ পুলিশের গাড়ি থেকে নেমেই কমিশনার সাহেব জনতার উদ্দেশে বললেন, ‘আপনারা কয়েকজন থাকবেন৷ সাক্ষী দিতে হবে৷’ নিমেষে ভিড় ফাঁকা হয়ে গেল৷ কে আর পুলিশ-আদালতের ঝামেলায় নিজেদের জড়াতে চায়? প্রতাপও হাজির হয়ে গেছিল৷ তাকে নিয়ে কমিশনার সাহেবের সঙ্গে বাড়ির ভিতর ঢুকল সমুদ্র৷ সঙ্গে জনাকয়েক পুলিশকর্মী৷ প্রথমে বিরাট বৈঠকখানা৷ সার সার আলমারিতে আইনের বই ভর্তি৷ একটা ওক কাঠের টেবিল ঘিরে কিছু চেয়ার৷ টেবিলে এক সেট তাসও পড়ে আছে৷ এ ঘর পেরিয়ে দোতলার সিঁড়ি বেয়ে তারা পৌঁছল দোতলার সেই বেডরুমে৷ বেশ বড় ঘর৷ মাঝখানে একটা খাট, পরিপাটি বিছানা৷ অবনী ঘোষ মনে হয় শোবার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তার আগেই ব্যাপারটা ঘটে৷ তবে ঘরের অন্য অংশ লণ্ডভণ্ড৷ একটা চেয়ার, তেপায়া মাটিতে উল্টে আছে৷ একটা ছোট আয়না মাটিতে পড়ে চুরমার৷ কাচ ছড়িয়ে আছে মেঝেতে৷ আক্রমণকারীর সঙ্গে একটা ধস্তাধস্তি হয়েছিল সম্ভবত৷ ঘরের এককোণে মেঝেতে চাপচাপ রক্ত কালো হয়ে জমাট বেঁধে আছে৷ তার চারপাশে চকখড়ির গণ্ডি কেটেছে পুলিশের লোক৷ কমিশনার সে জায়গাটা দেখিয়ে বললেন, ‘ওখানেই লাশটা পড়েছিল৷ অবনী শীর্ণকায় ছিলেন৷ সম্ভবত ঘরের কোণে ঠেলে ধরে তাঁর গলাতে অস্ত্র চালিয়েছিল খুনি৷’

    সমুদ্র ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগল ঘরটা৷ হঠাৎ কমিশনার সাহেবের মোবাইল বেজে উঠল৷ ফোনে কথা বলার পর তিনি সমুদ্রকে বললেন, ‘ময়না তদন্তর একটা মৌখিক রিপোর্ট পেলাম৷ রাত সাড়ে দশটা থেকে দু’ঘণ্টার মধ্যে খুনটা ঘটেছে৷ ধারালো কোনো কিছু দিয়ে একটানে শ্বাসনালী কাটা হয়েছে৷ একটা অদ্ভুত ব্যাপার৷ মৃতের ক্ষতস্থানে নাকি মিহি কাচের গুঁড়ো মিলেছে!’ সমুদ্র সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে বসে পড়ে ভাঙা কাচের টুকরোগুলোর দিকে তাকিয়ে বলল, ‘কাচের গুঁড়ো! তাহলে কী এ কাচ দিয়ে…কিন্তু কোনো কাচে তো রক্ত লেগে নেই!’ তারপর সে বলল, ‘হতে পারে খুনি সেই কাচের টুকরো সঙ্গে নিয়ে গেছে৷ যাই হোক এখন এ কাচগুলো আমি সঙ্গে নিচ্ছি৷ আপাতত আমার দেখা শেষ৷ আমি একটু বাড়ি হয়ে তারপর আপনার অফিসে অতিথি আপ্যায়নে যাব৷’ প্রতাপ একটা রুমালে সাবধানে তুলে নিল ভাঙা আয়নার সব টুকরোগুলো৷ সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে কমিশনার তাঁর অফিসে চলে গেলেন৷ আর সমুদ্র প্রতাপকে নিয়ে একটা ট্যাক্সি ধরে নিজের বাড়ি ফিরল৷

    বাড়ি ফিরেই সমুদ্র একটা টেবিলে সেই ভাঙা আয়নার টুকরোগুলো নিয়ে বসে গেল৷ এ যেন জিগজাগ পাজেলের মতো ব্যাপার! টেবিলের ওপর মিলিয়ে মিলিয়ে কাচের টুকরোগুলো সাজাতে লাগল সে৷ কিছু সময় পর টেবিলের ওপর এক ফুট বাই দেড় ফুট মাপের আয়না তৈরি হয়ে গেল৷ তখনও সমুদ্রর হাতে ধরা একটা ছোট্ট আয়নার টুকরো৷ নিজের মনেই যেন সমুদ্র বলে উঠল, ‘অদ্ভুত ব্যাপার তো!’ তারপর একটা ছোট্ট আয়নার টুকরো কাগজে মুড়ে যত্ন করে পকেটে রাখল৷

    প্রতাপ বলল, ‘কী অদ্ভুত ব্যাপার?’

    সমুদ্র তার উত্তর না দিয়ে বলল, ‘চলো একঘণ্টা ঘুমিয়ে নিয়ে তারপর বেরোব৷ স্নায়ুতন্ত্রকে বিশ্রাম দেওয়া প্রয়োজন৷’

    ৷৷ ২৷৷

    ঠিক বিকাল চারটেতেই কমিশনার সাহেবের চেম্বারে পৌঁছে গেল সমুদ্র আর প্রতাপ৷ কমিশনার সাহেব বললেন, ‘অরিন্দম মল্লিক আর ফটিক কর্মকার এসেছেন৷ পরেশ গুপ্ত এখনও আসেননি৷ দু-জনকে গেস্টরুমে বসিয়ে কফি খাওয়াচ্ছি৷ তবে বেশিক্ষণ তাঁদের আটকানো যাবে না৷ দুজনেই সেলিব্রিটি৷ কমপ্লেন হলে বিপদে পড়ব৷ অরিন্দমকে দেখতে তো পুলিশকর্মীদের ভিড় জমে গেছে! আপনারা পাশের ঘরে যান, আমি ওঁদের একজন করে পাশের ঘরে পাঠাচ্ছি৷’

    সমুদ্ররা পাশের ঘরে গিয়ে বসল৷ কিছুক্ষণের মধ্যেই সে ঘরে প্রথমে ঢুকলেন অরিন্দম মল্লিক৷ বয়স পঞ্চাশ হলেও এখনও যুবকদের মতো চেহারা৷ হাসিমুখ হলেও ঠোঁটের কোণে একটা বিষণ্ণতা৷ হয়তো তা বন্ধুবিয়োগের জন্যই৷ সিনেমার পর্দায় বহুবার সমুদ্ররা এই অভিনেতাকে দেখেছে৷ নমস্কার বিনিময় করে বসার পর সমুদ্র তাঁকে হেসে বলল, ‘আপনার বহু ছবি দেখেছি৷ ‘জীবন সংগ্রাম’ ছবিতে তো আপনার অভিনয়ের কথা লোকের মুখে মুখে ফেরে৷ তা এখন কী ছবি করছেন?’

    ভদ্রলোক হেসে বললেন, ‘ধন্যবাদ৷ এখন ‘ইন্দ্রপ্রস্থ’ নামে একটা ছবি করছি৷ টালিগঞ্জেই শু্যট হচ্ছে৷ মহাভারতের একটা অংশ নিয়ে ছবি৷ কৃষ্ণর ভূমিকায় আছি৷ ইদানীং এসব ছবি পাবলিক ভালো খাচ্ছে৷’

    সমুদ্র বলল, ‘বাঃ, আপনার আর সময় নষ্ট না করে কাজের কথা জেনে নিই৷ কাল অবনীবাবুর বাড়ি থেকে ক’টায় বেরিয়েছিলেন? সবাই একসঙ্গে বেরিয়েছিলেন? তারপর কোথায় গেছিলেন?’

    অরিন্দম মল্লিক বললেন, ‘রাত দশটা নাগাদ একসঙ্গেই তিনজন বেরোই৷ সবার বাড়ি উত্তর কলকাতাতেই৷ আমার বাড়ি আমহার্স্ট স্ট্রিট, পরেশ থাকে শোভাবাজার, আর ফটিক থাকে ঠনঠনিয়া কালীবাড়ির কাছে৷ তিনজনেরই নিজস্ব গাড়ি৷ আমি সোজা বাড়ি ফিরেছিলাম৷’

    সমুদ্র জানতে চাইল, ‘আপনাদের সম্পর্ক কেমন ছিল? ইদানীং তাঁর সঙ্গে কারো মনোমালিন্য ঘটেছিল? কাল তাসের আসরে কিছু ঘটে?’

    অরিন্দম জবাব দিলেন, ‘সম্পর্ক মোটামুটি ভালোই ছিল৷ আমাদের একটু নাম আছে বলে সাধারণ পাবলিকের সঙ্গে তেমন মেশা যায় না৷ তবে কাল তাসের আড্ডায় একটা ছোট ঘটনা ঘটেছিল, সেটা খুনোখুনির পর্যায়ে যাবে না৷ আর যাই হোক ফটিক তাকে খুন করতে পারে না৷ পরেশও নয়৷’

    সমুদ্র বলল, ‘ব্যাপারটা একটু দয়া করে বলবেন?’

    অরিন্দম একটু ইতস্তত করে বললেন, ‘সত্যি কথা বলতে কী তাসটা আমরা বাজি ধরেই খেলি৷ কাল আমি অবনীর পার্টনার, পরেশ ফটিকের৷ অবনীর সন্দেহ হয় ফটিক জুয়াচুরি করছে৷ সে চোর বলে ফটিককে৷ পাল্টা ফটিক তার কলার চেপে ধরে৷ আমি আর পরেশ অবশ্য তাদের ছাড়িয়ে দিই৷ ব্যাপারটা মিটমাট হয়ে যায়৷ পরের দানে ফটিকই অবনীর পার্টনার হয়ে খেলে৷’

    সমুদ্র বলল, ‘আমার শেষ প্রশ্ন, খুনের ঘটনায় আপনার কাউকে সন্দেহ হয়?’

    অরিন্দম বেশ জোরের সঙ্গে বললেন, ‘না৷’

    অরিন্দম মল্লিক বেরিয়ে যাবার পরই ফটিক কর্মকার ঘরে ঢুকলেন৷ কদমছাঁট চুল, থ্যাবড়া নাক, পেশিবহুল বেঁটেখাটো কেমন একটা গুন্ডা-গুন্ডা চেহারা৷ ঘরে ঢুকেই সমুদ্রদের দিকে সন্দিগ্ধ চোখে তাকিয়ে তিনি রুক্ষভাবে বললেন, ‘যা জানার তাড়াতাড়ি জিগ্যেস করুন৷ আমার আজ একটা বক্সিং কোচিং ক্যাম্প উদ্বোধনে যাবার কথা৷’

    সমুদ্র হেসে বলল, ‘আপনার বেশি সময় নেব না৷ আচ্ছা, অবনীবাবু লোকটা কেমন ছিলেন? ইদানীং আপনাদের কারো সঙ্গে তাঁর ঝগড়াঝাটি হয়েছিল?’

    প্রশ্ন শুনে ফটিক কর্মকার বললেন, ‘দেখুন, আমরা খেলোয়াড়রা সোজাসাপটা কথা বলি৷ অবনী মোটেও সুবিধার লোক ছিল না৷ ব্যবহার খুব বাজে ছিল৷ নেহাত অন্য কোথাও যাবার জায়গা নেই বলে ওর বাড়ি তাসের আড্ডায় যেতাম৷ আমার আর পরেশদার সঙ্গে তো প্রায়ই ঝগড়া বাধত৷ তবে পরেশদার সঙ্গে ইদানীং তার সম্পর্কটা তলায় তলায় ভালো যাচ্ছিল না৷ নার্সিংহোম করার জন্য পরেশদা কিছু টাকা নিয়েছিলেন অবনীদার কাছ থেকে৷ সময় পেরিয়ে যাবার পরও সম্ভবত তিনি তা ফেরত দেননি৷ কাল সন্ধ্যায় আমি যখন অবনীদার ঘরে ঢুকছি, তখন তীব্র কথা কাটাকাটি হচ্ছিল দুজনের৷ আমি ঢুকতে তা থেমে গেল৷’

    সমুদ্র এরপর জানতে চাইল, ‘কাল অবনীবাবুর বাড়ি থেকে বেরিয়ে আপনি কোথায় গেছিলেন?’

    প্রশ্নটা শুনেই একটু উত্তেজিতভাবে ফটিক কর্মকার বললেন, ‘আপনারা কী আমাকে সন্দেহ করছেন? আমি সোজা বাড়ি ফিরেছি৷’

    সমুদ্র বলল, ‘আমার শেষ প্রশ্ন, এই খুনের ঘটনাতে আপনি কাউকে সন্দেহ করেন?’

    তিনি জবাব দিলেন, ‘এটা বার করা আপনাদের কাজ৷ এবার আমি উঠলাম, নমস্কার৷’ এই বলে দরজার দিকে এগোলেন ফটিকবাবু৷

    আবার কমিশনার সাহেবের ঘরে ফিরে এল সমুদ্ররা৷ কমিশনার জিগ্যেস করলেন, ‘কী বুঝলেন?’

    সমুদ্র বলল, ‘যতটুকু বুঝলাম তাতে বর্তমানে ফটিক কর্মকার আর পরেশবাবুর সঙ্গে ভিক্টিমের সম্পর্ক তেমন মধুর ছিল না৷ আচ্ছা, পরেশবাবু এলেন না কেন বলুন তো?’

    কমিশনার সাহেব বললেন, ‘দাঁড়ান একটা ফোন করি ওনাকে৷’ কিছুক্ষণের মধ্যেই কমিশনার সাহেবের স্পিকার ফোনে ভেসে এল ডক্টর পরেশ গুপ্তর গলা, ‘ডক্টর গুপ্ত বলছি৷’

    কমিশনার সাহেব নিজের পরিচয় দিয়ে বললেন, ‘আপনি আজ এলেন না কেন?’

    ডক্টর গুপ্ত বললেন, ‘কাজ ছিল তাই যাইনি৷ আমাদের মতো লোককে কী ডেকে পাঠালেই যাওয়া যায়?’

    ‘আপনি তাহলে কি কাল আসবেন?’

    ‘না, আমি কাল থেকে ক’দিনের জন্য কলকাতার বাইরে যাব৷’

    ‘কিন্তু এখানে আপনার আসাটা যে খুব জরুরি ছিল পরেশবাবু৷’

    কমিশনার সাহেবের এ কথা শুনে ডক্টর গুপ্ত বেশ কর্কশভাবে বললেন, ‘আমি সেটা মনে করছি না৷ অযথা বিরক্ত করবেন না আমাকে৷ তেমন হলে আদালতের সমন পাঠান৷ যা বলার সেখানেই বলব৷’ এরপর তিনি লাইন কেটে দিলেন৷

    কমিশনার সাহেব সমুদ্রকে বললেন, ‘পুরো ব্যাপারটাতে কী বুঝলেন? ডক্টর গুপ্ত কি কোনো কিছু এড়াতে চাচ্ছেন?’

    সমুদ্র বলল, ‘আপাতত এক অরিন্দম মল্লিক বাদে অন্য দুজনের দিকেই কিছুটা সন্দেহের তির উঠছে৷ এবার একবার আপনি হরিকে ডাকুন৷’

    কিছুক্ষণের মধ্যেই এক কনস্টেবলের সঙ্গে কাঁপতে কাঁপতে ঘরে ঢুকল হরি৷ ঘরে ঢুকেই সে কাঁদতে কাঁদতে বলল, ‘আমি বাবুকে খুন করিনি৷ বিশ্বাস করুন আমি খুন করিনি৷’

    সমুদ্র বলল, ‘তা বুঝলাম৷ কিন্তু তোমার বাবুর ঐ তিনজন বন্ধু ছাড়া আর কেউ আসা-যাওয়া করত? তিনি অন্য কোথাও যেতেন?’

    হরি জবাব দিল, ‘না, আর কেউ আসত না৷ বাবু এমনিতেও বাড়ি থেকে আজকাল বেরোতেন না৷ দরকারে আমাকেই বাইরে পাঠাতেন৷’

    সমুদ্র জানতে চাইল, ‘আচ্ছা তোমার বাবু হঠাৎ কাজকর্ম ছেড়ে দিয়েছিলেন কেন যেন?’

    সে জবাব দিল, ‘শুনেছি বাবুর জন্য নাকি অল্পবয়সী একটা ছেলের যাবজ্জীবন জেল হয়৷ ব্যাপারটাতে বাবুর মন খারাপ হয়৷ তিনি কাজ ছেড়ে দেন৷ তবে ছেলেটা কে তা জানা নেই৷’

    সমুদ্র বলল, ‘ঠিক আছে তুমি এবার যাও৷’

    সে চলে যাবার পর সমুদ্র বলল, ‘এবার আমি উঠি৷ সবার কথাই শুনলাম, কিন্তু আমাকে ভাবাচ্ছে ছোট্ট একটা জিনিস৷’

    ৷৷ ৩৷৷

    বাইরে এসে একটা ট্যাক্সি নিল সমুদ্র বাড়ি ফেরার জন্য৷ প্রতাপ তার মুখ দেখে বুঝতে পারল গভীর চিন্তামগ্ন সে৷ পরিস্থিতিটা একটু হালকা করার জন্য সে বলল, ‘এই সুযোগে হঠাৎ অরিন্দম মল্লিকের মতো অভিনেতাকে দেখা হয়ে গেল৷ ‘ইন্দ্রপ্রস্থ’ সিনেমাটাও দেখতে হবে৷ উনি কিন্তু বেশ ভালো অভিনয় করেন৷’

    তার কথা শুনেই সমুদ্র হঠাৎ বলে উঠল, ‘আরে, আমিও দুর্যোধনের মতো অন্ধ নই তো! এই ড্রাইভার গাড়ি থামাও৷’ গাড়ি থামলে সে প্রতাপকে বলল, ‘তুমি লালবাজারে ফিরে কমিশনার সাহেবকে একটু থাকতে বলো, আমি আসছি৷’ প্রতাপ গাড়ি থেকে নামতেই; ট্যাক্সি নিয়ে কোথায় যেন উধাও হয়ে গেল সমুদ্র৷ সে মাঝে মাঝে এমন খ্যাপামি করে৷ প্রতাপ অন্য একটা ট্যাক্সি নিয়ে এগোল লালবাজারের দিকে৷

    ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই ফিরে এল সমুদ্র৷ তার চোখ-মুখ তখন খুশিতে উজ্জ্বল৷ কমিশনার সাহেবকে বলল, ‘চলুন খুনিকে ধরতে যেতে হবে, শুধু তার স্বীকারোক্তির জন্য ছোট্ট একটা মিথ্যা বলতে হবে আমাদের৷ বলতে হবে অবনীবাবুর ঘরে সিসি টিভি বসানো ছিল, আর তাতেই সব ধরা পড়ে গেছে৷ চলুন চলুন!’

    আধঘণ্টার মধ্যেই আমহার্স্ট স্ট্রিটের একটা বিরাট বাড়ির দরজায় কড়া নাড়ল পুলিশদল৷ দরজা খুলতেই বাড়িতে ঢুকে পড়ল সমুদ্ররা৷ সম্ভবত সদ্য বাইরে থেকে ফিরেছেন অরিন্দম৷ সমুদ্রদের দেখে তিনি বললেন, ‘কী ব্যাপার?’ কোনো ভণিতা না করে সমুদ্র বলল, ‘আপনাকে আমাদের সঙ্গে যেতে হবে৷ অবনীবাবুকে খুনের অপরাধে আপনাকে আমরা গ্রেপ্তার করতে এসেছি৷’

    অরিন্দম চিৎকার করে উঠলেন, ‘আপনারা কী পাগল! আপনাদের কাছে কী প্রমাণ আছে? আমি মানহানির মামলা করব!’

    এবার অমোঘ অস্ত্র প্রয়োগ করল সমুদ্র৷ সে বলল, ‘সিসি টিভির ফুটেজ৷ আপনার বা আমাদের কারো জানা ছিল না যে ঘরে ক্যামেরা বসানো আছে৷ একটু আগে আলমারির আড়াল থেকে সেটা উদ্ধার হয়েছে৷ সব ধরা আছে তাতে৷’

    সমুদ্রর কথা শুনে কাঁপতে কাঁপতে বসে পড়লেন অরিন্দম৷ আর নিজেকে তিনি সামলাতে পারলেন না৷ দু-হাতে মুখ ঢেকে তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, আমিই খুন করেছি৷ ওর জন্যই আমার ভাইয়ের একটা কেসে যাবজ্জীবন হয়েছিল৷ ওকে অনেক অনুরোধ করেছিলাম মামলা না লড়তে৷ আমি প্রতিশোধ নিলাম৷’

    খুনের দৃশ্য সিসি টিভিতে ধরা না থাকলেও এবার সমুদ্রর কাছে থাকা গোপন টেপরেকর্ডারে রেকর্ড হতে থাকল তাঁর স্বীকারোক্তি৷

    প্রিজন ভ্যান অরিন্দম মল্লিককে নিয়ে লালবাজারে রওনা হবার পর কমিশনার সাহেবের গাড়িতেই বউবাজারের বাসায় ফিরছিল সমুদ্ররা৷ কমিশনার সাহেব সমুদ্রকে বললেন, ‘কোনো তেমন প্রমাণ ছাড়াই আপনি কীভাবে খুনিকে সনাক্ত করলেন বলুন তো?’

    সমুদ্র পকেট থেকে একটা কাগজের পুরিয়া বের করল৷ তার মধ্যে থেকে বেরিয়ে এল ছোট্ট একটা আয়নার টুকরো৷ সেটা দেখিয়ে সমুদ্র বলল, ‘ব্যাপারটা খুলে বলি৷ নিহতের গলায় কাচের গুঁড়ো পাওয়া গেছে শুনে আমি ভাঙা আয়নার টুকরোগুলো বাড়ি নিয়ে গেছিলাম৷ ভেবেছিলাম আয়নার কোনো টুকরো হয়তো কম হবে৷ যা দিয়ে খুন করার পর খুনি সেটা সঙ্গে নিয়েছে৷ কিন্তু দেখলাম ব্যাপারটা উল্টো৷ সব টুকরো জোড়া লাগার পর এই টুকরোটা বাড়তি হল৷ এই টুকরোটা আয়নার থেকে অনেক বেশি উজ্জ্বল৷ তাহলে কি খুনি যে কাচের টুকরো এনেছিল তার থেকেই এটা ভেঙে পড়েছিল?

    ‘ট্যাক্সিতে বাড়ি ফেরার সময় প্রতাপ বলল, অরিন্দমবাবুর অভিনীত ‘ইন্দ্রপ্রস্থ’ সিনেমাটা দেখতে হবে৷ সঙ্গে সঙ্গে ইন্দ্রপ্রস্থ নিয়ে মহাভারতের সেই অংশ মনে পড়ে গেল৷ ময়দানব পাণ্ডবদের জন্য স্ফটিকের ইন্দ্রপ্রস্থ বানিয়েছিল৷ যেখানে স্ফটিক আর জলের পার্থক্য না করতে পেরে জলে পড়েছিলেন দুর্যোধন৷ আর দ্রৌপদী তাই দেখে বলেছিলেন, ‘অন্ধর ছেলে অন্ধ!’ স্ফটিক মানে নিশ্চয়ই কাচ দিয়ে স্টুডিওতে সেট বানানো হবে৷ আমি ছুটলাম টালিগঞ্জে সেই স্টুডিওতে৷ দেখলাম ইন্দ্রপ্রস্থ যে কাচ দিয়ে বানানো হয়েছে তা হুবহু এই কাচ৷ প্রাথমিক অবস্থায় সন্দেহ কিন্তু ঘুরে যাচ্ছিল ফটিক কর্মকার বা পরেশ গুপ্তর দিকে৷ কিন্তু ভেবে দেখলাম পরেশ গুপ্ত গলা কাটলে তাঁর সার্জিক্যাল ছুরিই সহজলভ্য৷ আর ফটিকবাবুর সঙ্গে মৃতের টাটকা গণ্ডগোল৷ তিনি এ সময় খুন করার ঝুঁকি নেবেন না৷ সবাই তাঁকে সন্দেহ করবে৷ কাজেই আমার হাতে শেষ পর্যন্ত রইল এই এক টুকরো কাচ! যুক্তিপূর্ণ অনুমান অনেক সময় প্রমাণের থেকে অনেক বেশি জোরালো হয়৷ অবশ্য অরিন্দম স্বীকার না করলে মুস্কিল হত৷ অডিওটেপটা যত্ন করে রাখবেন৷’

    —

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকদা এক পানশালাতে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article রানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }