Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয় ভয়ঙ্কর – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প474 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নেকড়ের নিমন্ত্রণ

    বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরো সার্জারি বিভাগের সদ্য পাশ করা তরুণ চিকিৎসকদের সামনে বক্তৃতা করছিলেন বিখ্যাত নিউরো সার্জেন প্রফেসর হ্যারল্ড। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষ। মাত্র কয়েকদিন আগেই নিউরো সার্জারি বিভাগে সর্বোচ্চ পরীক্ষার রেজাল্ট বেরিয়েছে। বিভিন্ন দেশের ছাত্ররা দেশে ফিরে যাবার আগে মিলিত হবার জন্য আয়োজন করেছিল এই সভার।

    প্রফেসর তার বক্তৃতা শেষ করলেন এইভাবে—’আমি আমার সাধ্যমতো তোমাদের শিক্ষাদানের চেষ্টা করেছি। তবে আমি তো আর প্রফেসর উলফ নই, কিছু সীমাবদ্ধতা নিশ্চয়ই আমারও আছে। তবে এটুকু বলতে পারি, তোমরা যা শিখেছ তা এই পেশার পক্ষে যথেষ্টই বলা যায়। আশা করি দেশে ফিরে তোমরা প্রত্যেকেই স্নায়ু শল্যচিকিৎসক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হবে ও মানবসেবায় আত্মনিয়োগ করবে।’ তুমুল করতালির মধ্যে বক্তৃতা শেষ করলেন প্রফেসর হ্যারল্ড।

    দর্শকাসনে প্রথম সারিতেই বসেছিল সুজয়। সে এবার নিউরো সার্জারি বিভাগে প্রথম বিভাগে প্রথম হয়েছে। প্রফেসর হ্যারল্ডের প্রিয় ছাত্র সে। কিন্তু লন্ডন তথা পৃথিবীর অন্যতম স্নায়ু শল্যচিকিৎসক হ্যারল্ড তার বক্তৃতা শেষে বেশ সম্ভ্রমের সঙ্গে ‘প্রফেসর উলফ বলে যে ব্যক্তির নাম উচ্চারণ করলেন, তিনি কে? বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য অধ্যাপকরাও তো কোনোদিন বলেননি এই নাম! সবাই তো বলেন নিউরো সার্জারি সংক্রান্ত ব্যাপারে লন্ডন শহরে শেষ মন্তব্য করার লোক হ্যারল্ডই। সুজয় ভেবে নিল হ্যারল্ডের কাছ থেকে তার কৌতূহলের নিরসন করতে হবে।

    হ্যারল্ডের বক্তৃতার সঙ্গে সঙ্গেই সভাও শেষ হয়ে গেল। মঞ্চ থেকে নামার সময় সুজয়কে ইশারা করলেন প্রফেসর। সে ইঙ্গিত বুঝতে পারল। প্রিয় ছাত্রকে তাঁর বাড়িতে ডিনারে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখছেন তিনি। তাঁর গাড়িতেই সুজয়কে এখন আমন্ত্রণ রক্ষা করতে যেতে হবে। সঙ্গীদের থেকে বিদায় নিয়ে রাতে হোস্টেলে ফিরবে বলে কনফারেন্স রুমের বাইরে বেরিয়ে সুজয় কিছুক্ষণের মধ্যেই উঠে বসল প্রফেসর হ্যারল্ডের গাড়িতে। ঝাঁ চকচকে আলোকোজ্জ্বল নগরীর রাস্তা ধরে গাড়ি ছুটল লন্ডনের এক অভিজাত অঞ্চলে হ্যারল্ডের বাড়ির উদ্দেশে।

    প্রফেসরের বাড়িতে আগেও বেশ কয়েক বার এসেছে সুজয়। কম্পাউন্ড ঘেরা ভিক্টোরিয়া আমলের বাড়িটাতে স্ত্রীকে নিয়ে থাকেন প্রফেসর। সুজয়ের সমবয়সি তাদের একমাত্র ছেলে গ্লাসগোতে থেকে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পাঠ নিচ্ছে। মিসেস হ্যারল্ড হাসিখুশি স্নেহশীল মহিলা। সুজয় তার ছেলের সমবয়সি বলেই তিনি হয়তো কিছুটা বাড়তি স্নেহ করেন সুজয়কে। সে প্রফেসরের বাড়িতে পৌঁছবার পর মিসেস হ্যারল্ড বেশ আন্তরিকতার সঙ্গে খাতিরযত্ন করে খাওয়ালেন সুজয়কে। ডিনার পর্ব সাঙ্গ হলে প্রফেসরের স্টাডিতে মোমের আলোতে গল্প করতে বসল তিনজন।

    প্রশ্নটা সুজয়ের মনে ঘুরঘুর করছিল অনেক্ষণ ধরে। কিছু হালকা আলাপ আলোচনার পর সুযোগ বুঝে প্রফেসরকে প্রশ্নটা করে ফেলল, ‘আপনি যে আজ বক্তৃতায় প্রফেসর উলফের নাম বললেন, তিনি কে? তার নাম কোনোদিন শুনিনি তো!’

    সুজয় প্রশ্নটা করতেই মিসেস হ্যারল্ড যেন একটু চমকে উঠে বললেন, ‘ও গড!’ প্রফেসর হ্যারল্ড মুহূর্তখানেক চুপ করে থেকে বললেন, ‘বক্তৃতা করতে গিয়ে অনেকদিন পর ও নাম আচমকাই মুখে চলে এসেছিল আমার। অসম্ভব প্রতিভাধর মানুষ সে। আমার মতে নিউরো সার্জারিতে ওর মতো জ্ঞান আর দক্ষতা ইংল্যান্ডে আর কারও নেই। চিকিৎসাশাস্ত্র বাদ দিয়েও বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখা, যেমন, পদার্থবিদ্যা-রসায়ন-ইঞ্জিনিয়ারিং-এ সবেতেই ওর পাণ্ডিত্য অসীম। তুমি যদি ওর সংস্পর্শে আসতে তাহলে আরও বেশি শিখতে। একটা চুলের মতো নার্ভকেও আশ্চর্যভাবে ও লম্বালম্বি চিরে ফিলতে পারে। এমনই দক্ষতা ওর! তবে লোকটা একটু অদ্ভুত ধরনের। বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার সঙ্গেই অধ্যাপনার কাজে ঢুকেছিল। তার সঙ্গে আমার বেশ সখ্যতাও ছিল। কিন্তু চাকরি ছেড়ে দিল। বার্মিংহামে পূর্বপুরুষদের বিশাল দুর্গবাড়িতে নানারকম গবেষণা করে দীর্ঘদিন সময় কাটাচ্ছে সে।’

    মিসেস হ্যারল্ড এবার স্বামীর কথা শুনে বললেন, ‘গবেষণা না ছাই, লোকে তো বলে কবরখানা ঘেরা ওই প্রাচীন বাড়িতে বসে প্রেতচর্চা করে লোকটা। কেউ কেউ তো বলে উলফ আসলে মানুষ নয়। দিনেরবেলাতে তাকে কোনোদিন দেখা যায় না। রাতে যে ওই বাড়িতে ঘুরে বেড়ায় সে আসলে উলফের প্রেতাত্মা।’

    প্রফেসর স্ত্রীর কথায় মৃদু প্রতিবাদ করে বললেন,’ব্যাপারটা আসলে ঠিক নয়। উলফ প্রতিবেশীদের কারওর সঙ্গে মেশে না। পল্লি অঞ্চলে একাকী কেউ বাস করলে গ্রাম্য মানুষরা ওরকম নানা গল্প ছড়ায়।’

    সুজয় লোকটার পরিচয় শুনে কৌতূহলী হয়ে বলল, ‘তাঁর সঙ্গে আপনার যোগাযোগ আছে? তাঁর কাছে কিছু শিখতে পারলে ভাগ্যবান মনে করতাম নিজেকে।’

    প্রফেসর কিছুক্ষণ চুপচাপ থেকে বললেন, ‘সে অর্থে প্রায় কুড়ি বছর তার সঙ্গে আমার যোগাযোগ তেমন নেই। লন্ডন শহরের কোলাহল থেকে ও নিজেকে দূরে রাখে। বছর পাঁচেক আগে ও আমাকে শেষ একটা চিঠি পাঠিয়েছিল নিউরো সার্জারি সংক্রান্ত কাজকর্মের বিষয়ে। পাছে কেউ ওর কাজে ব্যাঘাত ঘটায় তাই ওর বাড়িতে টেলিফোন লাইন নেই। আমি ওর নামে তোমাকে একটা চিঠি লিখে দিতে পারি। তার সঙ্গে তোমার সার্টিফিকেটের একটা প্রতিলিপি যুক্ত করে তুমি একটা চিঠি লেখো ওকে। দ্যাখো যদি ওর সাড়া মেলে।’

    সুজয় বলল, ‘তাহলে লিখে দিন। দেখি যদি ওঁর সাক্ষাৎ পাওয়া যায়।’

    মিসেস হ্যারল্ড আঁতকে উঠে সুজয়কে বললেন, ‘তুমি সত্যিই সেখানে যাবে নাকি? আমার এক বোনপো থাকে ওদিকে। সে বলছিল উলফ ক্যাসেলের ত্রিসীমানায় কেউ যায় না। রাতে নাকি ওই কবরখানা থেকে নানারকম শব্দ ভেসে আসে। দপ করে জ্বলে ওঠে নীলাভ আলো! একবার গ্রামেরই এক চোর রাতের বেলায় গিয়েছিল ওদিকে। পরদিন মৃত অবস্থায় কবরখানার বাইরের রাস্তায় পাওয়া যায় তাকে। লোকটার দেহে কোনো ক্ষতচিহ্ন না থাকলেও চোখে-মুখে ছিল স্পষ্ট আতঙ্কের ছাপ!’

    প্রফেসর হ্যারল্ড স্ত্রীকে ধমক দিয়ে বললেন, ‘কেন বাজে গল্প ওকে শোনাচ্ছ? ও যদি সত্যিই উলফের সংস্পর্শে আসতে পারে তবে ও আরও নতুন কিছু শিখতে পারবে।”

    প্রফেসরের ধমক খেয়ে মিসেস হ্যারল্ড রাগ করে অন্য ঘরে চলে গেলেন। তবে যাবার আগে স্নেহশীল মায়ের মতো সুজয়কে বলে গেলেন, ”তুমি কিন্তু ওখানে যেয়ো না। উলফ নাকি ‘উলফ’—মানে ‘নেকড়েও’ পোষে।’

    ।। ২।।

    মিসেস হ্যারল্ড যাই বলুন না কেন, প্রফেসর কিন্তু সত্যিই একটা চিঠি লিখে দিলেন প্রফেসর উলফের নামে। তারপর সেলফ থেকে পুরোনো একটা ফটোগ্রাফ বার করে সুজয়ের সামনে ধরে বললেন, ‘এই হল কুড়ি বছর আগে উলফের ছবি। অনেক বছর তাকে না দেখলেও অনুমান করতে পারি তার চুলগুলো এখন আমারই মতো সাদা হয়ে গেছে। তোমার তাকে চেনার সুবিধার জন্য ছবিটা দেখালাম।’ সুজয় মোমের আলোতে ছবিটা দেখল। একজন মধ্যবয়সি মানুষের ছবি। মাথার পেছনে টেনে বাঁধা ঘন কালো চুল। ছুঁচলো চিবুক। প্রশস্ত কপাল আর তিক্ষ্ন নাসা যেন পরিচয় দিচ্ছে তাঁর মেধাশক্তির। সবচেয়ে উজ্জ্বল তাঁর চোখ দুটো। বুদ্ধিদীপ্ত সেই চোখ যেন ছবির ভিতর থেকে সুজয়ের দিকে তাকিয়ে হাসছে। একটা রহস্যময় দৃষ্টি আছে সেই চোখে। সুজয় বেশ কিছুক্ষণ ছবিটা দেখে সেটা ফেরত দিল। প্রফেসরকে। তাঁর বাড়ি ছেড়ে বেরোবার সময় প্রফেসর এরপর শুধু বললেন, ‘তবে লোকটা তো একটু পাগলাটে ধরনের। কাজেই আশাহত হলে দুঃখ পেয়ো না।”

    প্রফেসরের বাড়ি থেকে হোস্টেলে ফিরে এসে বেশ উত্তেজনা অনুভব করল সুজয়। চোখ বন্ধ করলেই সে দেখতে পাচ্ছে ছবির সেই লোকটা, প্রফেসর উলফ তার দিকে তাকিয়ে হাসছে।

    পরদিন সকালে উঠেই প্রফেসর উলফের উদ্দেশে একটা চিঠি লিখে ফেলল সে। প্রফেসর হ্যারল্ডের চিঠিতে উলফের ঠিকানা লেখা ছিল। সেই ঠিকানাতে হ্যারল্ডের কথামতো দুটো চিঠি আর প্রথম বিভাগে প্রথম হবার সার্টিফিকেটের প্রতিলিপি সেদিনের ডাকেই পাঠিয়ে দিল সে।

    দিন তিনেকের মধ্যেই অপ্রত্যাশিতভাবে চিঠির জবাব এসে গেল। নোংরা একটা কাগজে কালচে লাল কালির আঁকাবাঁকা হরফে লেখা চিঠি। তার ভাষা সংক্ষিপ্ত ও কর্কশ।

    ‘আপনার আবেদন ও সার্টিফিকেট দেখলাম। তবে ওই সার্টিফিকেট আমার কাছে নিতান্ত কাগজের টুকরো মাত্র। আমার কাছে শিক্ষানবিশ থাকতে হলে পরীক্ষা দিতে হবে। তাতে কৃতকার্য না হলে আমার মূল্যবান সময় নষ্ট করার জন্য গলাধাক্কা খাবেন। যেমন এর আগে কয়েকজন খেয়েছেন। আপনার কোনো ক্ষতির দায়িত্ব আমার নয়। পরীক্ষা দিতে রাজি থাকলে আগামী ৩১ অক্টোবর রাত দশটায় বার্মিংহাম ক্রসিংয়ে অপেক্ষা করবেন। অবশ্যই একলা আসবেন। আমার গাড়ি সেখানে আপনাকে নিতে আসবে।

    স্বাক্ষর

    মার্টিমার উলফ

    উলফ ক্যাসেল, বার্মিংহাম।”

    চিঠির ভাষাটা বেশ আশ্চর্য লাগল সুজয়ের। তারপর চিঠিটা খুঁটিয়ে দেখে চমকে উঠল সে। মৃদু আঁশটে গন্ধ আছে কাগজটাতে। সম্ভবত চিঠির লাল কালিটা হল রক্ত। মুহূর্তের জন্য মিসেস হ্যারল্ডের কথাগুলো মনে হল তার। বেশ অদ্ভুত লোক তো মিস্টার উলফ। রক্ত দিয়ে চিঠি লেখেন। কিছুক্ষণ চিন্তা করে সুজয় সিদ্ধান্ত নিল এরকম অদ্ভুত লোককে অন্তত একবার চাক্ষুস করতে হবে। প্রফেসর হ্যারল্ডের মতে যিনি লন্ডনের শ্রেষ্ঠ স্নায়ু শল্যচিকিৎসক।

    ।। ৩।।

    নির্ধারিত দিনে লন্ডন থেকে রাত ন-টা নাগাদ বার্মিংহামে পৌঁছে গেল সুজয়। তারপর ট্যাক্সি নিয়ে রওনা হল বার্মিংহাম ক্রসিংয়ের দিকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ফাঁকা হাইওয়ে ধরল গাড়ি। বেশ ঠান্ডা এদিকটাতে। এ অঞ্চলে আগে কোনোদিন আসেনি সুজয়। গাইড বুকে শুধু লেখা, বার্মিংহোম ক্রসিংয়ের মাইল পাঁচেক দূরে নর্মান আমলের প্রাচীন এক কবরখানা আছে, আর আছে এক প্রাচীন জমিদারবাড়ি। সম্ভবত ওটাই উলফ ক্যাসেল।

    নির্দিষ্ট সময়ের একটু আগেই ক্রসিংয়ে এসে পৌঁছল সুজয়। জনমানবহীন জায়গা। ফাঁকা হাইওয়ে চলে গেছে আরও উত্তরে। পশ্চিমে ফাঁকা মাঠ আর পূর্ব দিকে উইলোর জঙ্গলের ভিতর থেকে একটা মেঠো রাস্তা এসে মিলেছে হাইওয়ের সঙ্গে। তারপর সেটা হাইওয়ে ছেদ করে এগিয়েছে মাঠের মধ্যে দিয়ে। এজন্যই জায়গাটার নাম মনে হয় ক্রসিং। গাড়ি থেকে রাস্তায় নেমে ভাড়া মেটাবার সময় ড্রাইভার হঠাৎ কৌতূহলি হয়ে বলল, ”কোথায় যাবেন আপনি? এত রাতে এখানে কিন্তু কোনো গাড়ি পাবেন না। আশেপাশে জনবসতি নেই।” সুজয় জবাব দিল, ‘উলফ ক্যাসেল যাব। গাড়ি আসবে আমাকে নিতে।’

    লোকটা চমকে উঠে বলল, ‘উলফ ক্যাসেল। এত রাতে। ওটা তো কবরখানা। আজ কী দিন খেয়াল আছে তো? ৩১ অক্টোবর ‘হ্যালোউইন ডে’। মৃত আত্মারা কবর ছেড়ে এ রাতে উঠে আসে। ওখানে যাবেন?’ সুজয় বলল, ‘হ্যাঁ, বিশেষ কাজ আছে।’

    লোকটা জবাব শুনে কয়েক মুহূর্ত বিস্মিতভাবে তাকিয়ে থেকে নিজের বুকে ক্রুশ চিহ্ন এঁকে গাড়ি ঘুরিয়ে চলে গেল ফেরার জন্য। চাঁদের আলোতে নির্জন রাস্তায় একলা দাঁড়িয়ে সুজয়।

    ঠিক রাত দশটায় সুজয় দেখতে পেল একটা গাড়ির বিন্দুর মতো দুটো হেড লাইটের আলো। উইলো বনের কাঁচা রাস্তা ধরে এগিয়ে আসছে হাইওয়ের দিকে।

    গাড়ি এসে দাঁড়াল সুজয়ের ঠিক সামনেই। লড়ঝড়ে, পুরোনো মডেলের কালো রঙের ফোর্ড গাড়ি। হলদে ম্যাটম্যাটে আলো ছড়াচ্ছে হেডলাইট দুটো। সামনের কালো কাঁচটা সামান্য নামল। চালকের আসন থেকে একজন বলল, ‘আপনি নিশ্চয়ই উলফ ক্যাসেলে যাবেন? তাহলে উঠে বসুন।’

    সুজয় গাড়িতে উঠে পড়ল। হাইওয়ে থেকে নেমে উইলো বনের ভেতর দিয়ে দুলতে দুলতে এগোল গাড়ি। গাড়ির ভিতর অন্ধকার। কেমন যেন একটা পুরোনো গন্ধ ভেতরটাতে। চালকের আসন আর সুজয়ের বসার জায়গার মধ্যে বেশ অনেকটা ফাঁক। ড্রাইভারের উঁচু কলারের ওভারকোটের ওপরে সাদা চুল সমেত মাথার কিছু অংশ শুধু দেখা যাচ্ছে। মুখ দেখা যাচ্ছে না। আলাপ জমাবার জন্য সুজয় তার উদ্দেশে বলল, ‘শহরতলিতে রাতে বেশ ঠান্ডা পড়ে! আশেপাশে কোনো লোকজন থাকে না?’

    লোকটা কোনো জবাব দিল না। সুজয় এবার জানতে চাইল উলফ ক্যাসেল পৌঁছতে কত সময় লাগবে?”

    লোকটা যেন অনিচ্ছাকৃতভাবে অদ্ভুত জবাব দিল, ‘না পৌঁছলে বলতে পারব না।”

    সুজয় বুঝতে পারল তার সঙ্গে কথা বলার ইচ্ছা তার নেই। লোকটা মনে হয় তার মালিকের মতোই অদ্ভুত। একথা ভেবে বাইরে চোখ রাখল সূজয়। আধো অন্ধকারে রাস্তার দু-পাশে গাছগুলো ভূতের মতো দাঁড়িয়ে। তার মধ্যে দিয়ে রাস্তা যেন এগিয়েছে কোনো ভৌতিক জগতের দিকে।

    একসময় জঙ্গল শেষ হল। চাঁদের আলোতে দেখা দিল এক বিস্তীর্ণ প্রান্তর। তার মধ্যে জেগে আছে অসংখ্য বেদি আর তার মাথায় সার সার ক্রুশ চিহ্ন। চাঁদের আলোতে ধবধব করছে সেগুলো। মাঠের অপর প্রান্তে অনেক দূরে প্রাচীন এক স্থাপত্য যেন দেখা যাচ্ছে, সম্ভবত ওটাই উলফ ক্যাসেল। একটা ভাঙা তোরণ অতিক্রম করে প্রাচীন কবরখানায় প্রবেশ করল গাড়ি। তারপর খুব ধীর গতিতে কবরের সারির পাশ কাটিয়ে চলতে লাগল। চারপাশে শুধু কবর আর কবর। প্রাচীন কবরগুলোর মাথায় ক্রুশ কোথাও হেলে পড়েছে, কোথাও আবার শ্বেতপাথর ফুঁড়ে মাথা তুলেছে ঝোপঝাড়।

    বাইরের দিকে চোখ রেখে চলেছিল সুজয়। হঠাৎ কিছু দূরে একটা কবরের বুক ফুঁড়ে একটা নীল আলো দপ করে জ্বলে উঠে নিভে গেল। এরপর কিছু দূরে আর একটা, তারপর আরও একটা।

    সুজয়ের মনে পড়ে গেল মিসেস হ্যারল্ডের কথা। তিনি বলেছিলেন এই ভৌতিক আলোর ব্যাপারে। সুজয় একটু বিস্মিত হয়ে ড্রাইভারকে বলল, ‘ও কীসের আলো?’

    সুজয় তার উত্তর না পেয়ে সামনে তাকাতেই দেখতে পেল, চালকের আসন শূন্য। সেখানে কেউ নেই। অথচ গাড়িটা চলছে। ড্রাইভার কি অসুস্থ হয়ে সামনে ঢলে পড়ল? সামনে ঝুঁকে দেখতে গিয়ে সুজয় কপালে ঠোক্কর খেল। ড্রাইভারের সিটের ঠিক পিছনেই স্বচ্ছ কাচের পার্টিশন আছে। সেটা আগে আধো অন্ধকারে সে বুঝতে পারেনি। তবে তার ভিতর দিয়ে ওপাশটা দেখা যাচ্ছে, চালকের আসনে কেউ নেই। তবুও স্টিয়ারিংটা ঘুরছে। কবরগুলোকে কাটিয়ে ধীরে ধীরে এগোচ্ছে গাড়ি। সুজয়ের মাথার ভিতরটা কেমন যেন গোলমাল পাকিয়ে যাচ্ছে। সে বলে উঠল— ‘আপনি কোথায়?’ ঠিক সেই সময় ঝাঁকুনি খেয়ে দাঁড়িয়ে গেল গাড়ি। আর গাড়ির চারপাশের কবরগুলোতে জ্বলে উঠতে লাগল নীল আলো। আর এরপরই জানলার পাশে একটা বিরাট কবরের মাথার ক্রুশটা সশব্দে ভেঙে পড়ল, ধীরে ধীরে ফাঁক হয়ে গেল কবরের উপরিভাগ। তার ভিতর থেকে উঠে বসল একটা অবয়ব। ঠিক সেই সময় একটা নীল আলো ঝলসে উঠল। সেই আলোতে সুজয় দেখল কবর থেকে উঠে বসেছে একটা কঙ্কাল। সে তার রক্তমাংসহীন হাত দিয়ে টেনে ধরতে চাইছে গাড়ির চাকা। সুজয়ের মনে হল— সে কি ঠিক দেখছে। তাহলে কি মিসেস হ্যারল্ডের শোনা গল্প ঠিক? হ্যালোউইন ডে-তে কি সত্যিই জেগে ওঠে প্রেতাত্মারা! তা কী করে সম্ভব। কিন্তু চোখকে সে অবিশ্বাস করবে কীভাবে?

    গাড়িটা আবার চলতে শুরু করল। আর তার সঙ্গে সঙ্গে তার যাত্রাপথের দু-পাশে ঘটতে লাগল অবিশ্বাস্য সব ঘটনা। কোথাও কবর ফুঁড়ে উঠে আসছে কঙ্কাল! কোথাও রাস্তা আগলে দাঁড়িয়ে আছে কবন্ধ! কোথাও আবার শোনা যাচ্ছে পৈশাচিক হাসি। গাড়িটা লক্ষ্য করে ছুটে আসছে এসব কিছু। মনটাকে শক্ত রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছে সুজয়। নিজের মনকে সে বার বার বলার চেষ্টা করতে লাগল, এ হতে পারে না! এ হতে পারে না! তার এতদিনের শেখা বিজ্ঞান কিছুতেই মিথ্যা হতে পারে না। দুটো পরস্পরবিরোধী চিন্তার লড়াই হতে লাগল মনের মধ্যে। একসময় কোথা থেকে যেন ছুটে এল একপাল নেকড়ে। তাদের দেহগুলো যেন অন্ধকারে জ্বলছে। চাঁদের আলোতেই ঝিলিক দিচ্ছে তাদের ধবধবে হিংস্র দাঁতের পাটি। গাড়িটার সঙ্গে তারা ছুটতে লাগল। ভিতরে পাথরের মূর্তির মতো বসে রইল সুজয়। দমবন্ধ করা আতঙ্কে তার মনে হতে লাগল এক একটা মুহূর্ত যেন এক একটা ঘণ্টা।

    এগিয়ে চলল গাড়ি। কতক্ষণ এভাবে সে গাড়িতে বসে রইল খেয়াল নেই তার। একসময় সে খেয়াল করল বিশাল এক তোরণের মধ্যে দিয়ে প্রবেশ করছে গাড়ি। নেকড়েগুলো সেই তোরণে পৌঁছে থেমে গেল। একটা অন্ধকার টানেল অতিক্রম করে বিরাট একটা আলোকোজ্জ্বল কক্ষে পৌঁছে থেমে গেল গাড়ি। তার দরজাও খুলে গেল।

    আলো দেখে একটু ইতস্তত করে গাড়ি ছেড়ে নামল সুজয়। প্রাচীন কক্ষ, ছাদ অনেক উঁচুতে। দেওয়ালের গায়ে টাঙানো আছে বিভিন্ন তৈলচিত্র, প্রাচীন ঢাল-বর্শা অস্ত্র। সম্ভবত এটাই নর্মান আমলের প্রাচীন উলফ ক্যাসেল। সে দেখল একজন লোক এগিয়ে আসছে তার দিকে। তাঁর তীক্ষ্ম নাসা, উঁচু কপাল, আর তার নীচে হ্যারল্ডের দেখানো ফটোগ্রাফের সেই উজ্জ্বল চোখ। মাথার চুল শনের মতো সাদা। পরনে কলার উঁচু ওভারকোট। প্রফেসর উলফ।

    লোকটা সুজয়ের সামনে এসে করমর্দনের জন্য হাত বাড়াল। সুজয় স্পর্শ করল সেই হাত। সেই হাত যেন বরফের মত ঠান্ডা। এরপর নিঃশব্দে হাসল লোকটা। সুজয় স্পষ্ট দেখতে পেল প্রফেসরের ঠোঁটের ভিতর থেকে উঁকি দিচ্ছে ক্যানাইন। ঠিক সেই মুহূর্তে তাঁর চুল আর কোট দেখে সুজয়ের মনে হল এই যেন তার গাড়ির অদৃশ্য হয়ে যাওয়া চালক। হয়তো এরপর সে সত্যি সংজ্ঞা হারাত। কিন্তু তার আগে মনের সব শক্তি একত্রিত করে লোকটার চোখে চোখ রেখে বলে উঠল, ‘আপনি নিশ্চয় প্রফেসর উলফ? আমি আপনার কাছে পরীক্ষা দিতে এসেছি।”

    ভদ্রলোক তার কথা শোনা মাত্রই তাঁর নকল শ্বদন্ত দুটো খুলে ছুড়ে ফেলে সুজয়ের পিঠ চাপড়ে বলে উঠলেন, ‘আরে পরীক্ষা তো তুমি দিয়েই ফেলেছ। আর শেষ পরীক্ষাতেও এত ভালোভাবে পাশ করবে ভাবতে পারিনি। ভেবেছিলাম তুমি সংজ্ঞাহীন অবস্থায় এখানে আসবে। আর কাল সকালেই তোমায় বিদায় করব। যেমন এর আগে কয়েকজনকে করেছি। তোমাকে আমার সহকারী করতেই হবে।”

    মুহূর্তের মধ্যেই হাসি ফুটে উঠল সুজয়ের মুখে। সে বলল, ‘আপনি কাণ্ডগুলো ঘটালেন কীভাবে?’

    প্রফেসর উলফ বলেলেন, ‘গাড়িটা আসলে দূর নিয়ন্ত্রিত গাড়ি। রিমোটে চালাচ্ছিলাম। আমার ঘরে স্ক্রিন আছে। ড্রাইভার ছিল না ওতে। ড্রাইভার আর তোমার মাঝে কাচের পর্দাটা আসলে থ্রিডি স্ক্রিন। গাড়ির জানালার কাচগুলো ক্ষেত্র বিশেষে ওই কাজ করেছে। পর্দায় ছবি ফুটে উঠেছে। ড্রাইভারের কথাগুলো আমি ঘরে বসে বলছিলাম। কবরখানার কঙ্কালগুলো আসলে সাজানো ইলেকট্রিক পুতুল। যেমন হরর হাউসে সাজানো থাকে।’

    ‘কিন্তু ওই নেকড়েগুলো তো পুতুল নয়।’

    ‘ওগুলো আমার ট্রেইনড ওয়াচ ডগ। গায়ে ফসফরাস মাখিয়েছি বলে অন্ধকারে ওরা জ্বলছিল। একা এত বড় বাড়িতে থাকি তো, ওদের ভুতুড়ে কুকুর ভেবে চোরডাকাত এ বাড়ির কাছে ঘেঁষে না।”

    ‘কিন্তু আমাকে ভয় দেখাবার জন্য এতসব আয়োজন কেন?’ শেষ প্রশ্ন করল সুজয়।

    সুজয়ের দিকে কয়েক মুহূর্ত তাকিয়ে প্রফেসর উলফ বললেন, ”ভবিষ্যতে যে নিউরো সার্জেন হতে যাচ্ছে তার নিজের নার্ভ কতটা শক্ত তা পরখ করতে হবে তো? নইলে অপারেশন টেবিলে কোনো দুর্ঘটনায় ভয়ংকর ক্ষতবিক্ষত রোগীকে সে কীভাবে ছিনিয়ে আনবে মৃত্যুর মুখ থেকে? ওইসব ক্ষেত্রে ডাক্তারের নার্ভ কতটা শক্ত তার ওপরেই তো রোগীর জীবন নির্ভর করে।’

    এরপর তিনি সুজয়ের পিঠে সস্নেহে হাত রেখে বললেন, ‘চলো এবার ভেতরে যাওয়া যাক। তোমাকে ভয় দেখাবার জন্য হাতটা বরফ জলে চুবিয়ে রেখে কনকন করছে। ফায়ারপ্লেসে হাত সেঁকতে হবে। তারপর আজ রাতেই তোমাকে একটা হাতের ডিসেকশন দেখাব। মানুষের হাত। ভয় পাবে না তো?’

    তারা দু-জনেই হেসে উঠল তারপর।

    —

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article আঁধারে গোপন খেলা – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }