Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয় ভয়ঙ্কর – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প474 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    র‌্যামেসিস রা-এর রক্তধারা

    তাঁবুর কাছেই একটা ঢিপির ওপর বসে আহার সেরে নিচ্ছিলাম আমি। ভিতরে ভিতরে ভীষণ উত্তেজিত লাগছিল। আমি যেখানে বসে আছি তার কিছু দূরেই দাঁড়িয়ে আছে এক অনুচ্চ পিরামিড। অনুচ্চ মানে, উচ্চতা আড়াইশো ফুট হবে। তবে কায়রোর অনুবর্তী গিজার গ্রেট পিরামিডের তুলনায় একে শিশুই বলা যায়। ওই পিরামিডের অভ্যন্তরে আজ আমার নৈশ অভিযান। আমি পুরাতত্ত্ব গবেষক হার্বাট, আমার জীবন-যৌবন যার খোঁজে উৎসর্গ করে আজ বার্ধক্যের সীমানায় এসে উপনীত হয়েছি, অমানুষিক পরিশ্রম করে দিনের পর দিন, বছরের পর বছর অতিবাহিত করেছি এক ঊষর মরুভূমির দেশে, তা আজ আমার প্রায় করতলগত।—ফারাও দ্বিতীয় র‌্যামেসিসের বংশধর, র‌্যামেসিস রা-র কবর! ওই পিরামিডের এক গোপন কক্ষে লুকিয়ে রাখা আছে তা। ফারাও র‌্যামেসিসের মতো অতুলনীয় কীর্তি কাহিনি তিনি স্থাপন করে যেতে পারেননি। দ্বিতীয় র‌্যামেসিসের রাজত্বকাল ছিল আজ থেকে ৩০০০ বছর আগে। মিশরের ইতিহাসে সব থেকে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় তাঁর রাজত্বকাল। আবু সিম্বলের গ্রেট টেম্পল সহ বহু পুরাকীর্তির জনক তিনি। ফারাও র‌্যামেসিস ও তাঁর প্রিয় রানি নেফারতিতির বহু মূর্তি আজও খোদিত আছে বহু প্রাচীন মন্দির গাত্রে। কিন্তু র‌্যামেসিস রা-র খোঁজ পাওয়া যায় না কোথাও। কোনো উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক স্থাপত্য তৈরি করে যেতে পারেননি এই র‌্যামেসিস রা, মন্দিরগাত্রে উৎকীর্ণ করেননি নিজের নাম। তাই ইতিহাস তাকে ভুলে গেছে। বহমান নীল নদের স্রোত, আর সদা সঞ্চরণশীল বালির সমুদ্র ঢেকে দিয়েছে র‌্যামেসিস রা-র নামটাকেও। আমি তার সন্ধান পাই আজ থেকে পঁচিশ বছর আগে ফ্রান্সের ল্যুভর মিউজিয়ামের মিশর গ্যালারির এক অতি প্রাচীন পার্চমেন্ট প্যাপিরাস থেকে। আর তারপরই শুরু করি অনুসন্ধান। কঠিন পরিশ্রম আর অধ্যবসায় আমাকে পঁচিশ বছর পরে আজ পৌঁছে দিয়েছে অভীষ্ট লক্ষ্যের দ্বারপ্রান্তে। হ্যাঁ, আমি নিশ্চিত, ওই পিরামিডের এক গোপন কক্ষেই আড়াই হাজার বছর ধরে ঘুমিয়ে আছেন ফারাও র‌্যামেসিস রা। আপনার হয়তো মনে হতে পারে ‘রা’ তো বিখ্যাত কেউ ছিলেন না, তাহলে এই পিরামিডের এই পদপ্রান্তে পৌঁছতে, এত কৃচ্ছ্রসাধন করলাম কেন আমি? হ্যাঁ, এ কথা আগেই বলেছি যে তিনি মিশরের ইতিহাসে তেমন কোনো নজির স্থাপন করতে পারেননি। হয়তো করার চেষ্টাও করেননি। মাত্র তিন দশক তিনি রাজত্ব করেন এই নীলনদ অববাহিকায়। আর ওই তিন দশকই তিনি ব্যয় করেছিলেন মানবদেহবিদ্যা অধ্যয়নে। দেহবিজ্ঞানে প্রাচীন মিশরীয়রা বহু ধরনের উৎকর্ষতা লাভ করেছিলেন, নশ্বর দেহকে হাজার হাজার বছর ধরে অবিকৃত রাখার কৌশল তাঁরা আবিষ্কার করেছিলেন তা আমরা জানি। ল্যুভরের প্যাপিরাসে হিয়ারোগ্লিফিকে বর্ণিত কথাগুলো যদি সত্যি হয় তাহলে ‘রা’ ওই বিদ্যাতে চূড়ান্ত পাণ্ডিত্য অর্জন করেছিলেন, রক্ত বিষয়ক এমন কিছু তিনি আবিষ্কার করেছিলেন, যা নাকি ভবিষ্যতের পৃথিবীকে তাক লাগিয়ে দেবে। এ বিষয়ে তিনি এক পুঁথি রচনা করেন, যা তাঁর ইচ্ছানুসারে তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর সারকোফেগাস অর্থাৎ কফিনের পাথুরে আধারের মধ্যেই রাখা হয়। এবার হয়তো বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না যে কীসের অন্বেষণে সারাটা জীবন কাটিয়েছি আমি? ‘রা’—ওই পুঁথি। হয়তো তাক লাগিয়ে দেবে সারা পৃথিবীকে। হ্যাঁ, এমন ব্যাপারের সুষ্পষ্ট ইঙ্গিত দেওয়া আছে পার্চমেন্টে। যদিও রক্ত সম্বন্ধীয় আবিষ্কারের ব্যাপারটা আসলে কী, তা বলা নেই ল্যুভরের পার্চমেন্ট প্যাপিরাসে।

    খেতে খেতে উঠে দাঁড়িয়ে পশ্চিমদিকে তাকালাম আমি। অনেক দূর পর্যন্ত সেদিকে দেখা যাচ্ছে। এখন শেষ বিকাল। একটু পরেই সন্ধ্যা নামবে। ওই যে দূরে দিগন্তে একটা রেখা চিকচিক করছে, ওটাই নীল নদ। আমি দেখার চেষ্টা করলাম আমার যে দুজন স্থানীয় মিশরীয় সঙ্গীর ফিরে আসার কথা, তারা ফিরে আসছে কিনা? আমার নির্দেশেই ওরা এখানে যেসব কুলির দল ছিল তাদের ছেড়ে আসতে গেছে নীল নদের অনতিদূরবর্তী এক গ্রামে। গতকাল পর্যন্ত ওই কুলির দল এখানেই খননকার্যে লিপ্ত ছিল। ওদের আমি সরিয়ে দিলাম কারণ, সমাধিকক্ষের গোপনীয়তা বজায় রাখতে চাই আমি। যে দুজন ফিরে আসবে তারাও সঙ্গে না থাকলেই ভালো ছিল। কিন্তু আরও কয়েকটা পাথরের দেওয়াল ভাঙতে হবে। অত প্রাচীন পাথুরে শবাধারটাও খুলতে হবে, যা আমার পক্ষে একা করা সম্ভব নয়, তাই ওদের রাখতে হয়েছে। তবে আমার গোপনীয়তার কারণ এই নয় যে, আমি অবৈধভাবে পিরামিডে প্রবেশ করেছি বা কবর চোরদের মতো কবরের সোনাদানা লুণ্ঠন করতে চাই। সরকারি অনুমতিপত্র আমার আছে, তাছাড়া সরকার এই টেম্পলকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে। অর্থাৎ ইতিপূর্বে সরকারিভাবে অনুসন্ধান চালিয়ে কোনো কবরের সন্ধান পাওয়া যায়নি। আমার ভয়ের কারণ হল, স্থানীয় খননকারীদের মধ্যে অনেকে বড় বড় প্রত্ন-অভিযাত্রী দলের হয়ে এজেন্টের কাজ করে। ছোট ছোট অভিযাত্রীদের সঙ্গে ঘোরে তারা। তারপর দৈবাৎ তেমন কিছু বড় ধরনের আবিষ্কার হলে, তারা সঙ্গে সঙ্গে বড় দলের কাছে সে খবর পৌঁছে দেয়। অর্থবল, লোকবলে বলীয়ান বড় অভিযাত্রীরা এসে কোনো হতভাগ্যের সারা জীবনের কৃতিত্ব, পরিশ্রম আত্মসাৎ করে। এ ঘটনা বহু ঘটে। আমি একা, বলতে গেলে প্রায় নিঃস্ব এই মুহূর্তে। আমি চাই না ওরকম কোনো বড় দল এসে ছিনিয়ে নিক আমার পরিশ্রমের ফল। তাই আমার এই গোপনীয়তা।

    কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকার পর আমি আমার নৈশ অভিযানের সঙ্গীদের উটের পিঠে চেপে ফিরে আসতে দেখলাম। আশ্বস্ত হলাম আমি। এরপর আমি ফিরে তাকালাম পিরামিডের দিকে। অস্তাচলগামী সূর্যের লাল আভা ছড়িয়ে পড়েছে পিরামিডের শীর্ষে। অপূর্ব লাগছে! ভাবলাম একটা ছবি তুলে রাখি। ঢিপি থেকে নেমে তাঁবুর দিকে ক্যামেরা আনবার জন্য এগোতে যাচ্ছি, ঠিক সেই সময় দেখতে পেলাম একটা লোককে সমাধি মন্দিরে কয়েক হাত তফাতে দাঁড়িয়ে চেয়ে আছে অস্তাচলগামী সূর্যের দিকে। ঈষৎ ঝুঁকে প্রার্থনার ভঙ্গিতে যেন সে দাঁড়িয়ে। এখানে লোক এল কোথা থেকে? আমি একটু অবাক হয়ে দাঁড়িয়ে চেয়ে রইলাম তার দিকে। একটু পর যেন আমার অস্তিত্ব সম্বন্ধে সচেতন হল লোকটা। মুখ তুলে দেখল আমাকে। তারপর ধীর পায়ে সামনে ছোট বালিয়াড়িটা অতিক্রম করে আমার সামনে এসে দাঁড়াল। তার পরনের শতছিন্ন স্থানীয় পোশাক দেখে আমার তাকে ভিখারি গোত্রের লোকই মনে হল। খাদ্যের লোভে এরা যেখানে খননকার্য চলে সেখানে তাঁবুর আশেপাশে ঘুরঘুর করে। এ জাতীয় লোক আমি দেখেছি।

    সামনে এসে দাঁড়াবার পর, আমার মুখের দিকে একবার তাকিয়ে তার দৃষ্টি নিবদ্ধ হল আমার হাতে তখনও ধরা একটা খণ্ড রুটির ওপর। তাতে তার ওপর আমার প্রাথমিক ধারণা বদ্ধমূল হল। কয়েক মুহূর্ত দেখার পর আমি তাকে বললাম, ‘এ রুটি তুমি খাবে?’ লোকটা আমার কথা শুনে মুহূর্তখানেক চুপ করে থেকে প্রশ্ন করল, ‘ও রুটি তুমি এঁটো করেছ?’

    লোকটার প্রখর আত্মমর্যাদা দেখে অবাক হয়ে গেলাম। মৃদু হেসে বললাম, ‘না, এ টুকরো আমি এঁটো করিনি। তুমি নাও।’ এই বলে রুটিটা তার দিকে বাড়িয়ে দিলাম।

    লোকটা কিন্তু হাত বাড়াল না। একটু ইতস্তত করে সে বলল, ‘রুটির জন্য কী করে দিতে হবে তোমার?’ আমি বললাম, ‘কিছু করতে হবে না। এমনিই দিচ্ছি। আরও দিতে পারি, তাঁবুতে আছে।’

    আমার কথা শুনে লোকটা ঘাড় নেড়ে বলল, ‘না, আমি দান গ্রহণ করি না।’ চমকে উঠে আমি ভালো করে তাকালাম তার দিকে। লোকটার সুগোল চিবুক, চওড়া কপাল, গায়ের রং, কাঁধের কৌণিক গড়ন, সংকীর্ণ নিতম্ব দেখে আমার অভিজ্ঞ চোখ মুহূর্তের মধ্যে আমাকে জানিয়ে দিল, খাঁটি মিশরীয় রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে ওর ধমনীতে! চোখদুটো কেমন গভীর আর উজ্জ্বল। তার ওই প্রশস্ত কপালের আড়ালে যেন লুকিয়ে আছে প্রচণ্ড ধীশক্তি। এমন লোক সচরাচর দেখা যায় না। আমি তাকিয়ে রইলাম তার দিকে, আর সেও আমার দিকে।

    কিছুক্ষণ পর উটের পায়ের শব্দ আর কথাবার্তার শব্দে সম্বিত ফিরল আমার। আমার সঙ্গীরা কাছে এসে পড়েছে। পিরামিডে ঢোকার আগে কিছু প্রস্তুতি বাকি আছে। এই লোকটাকে এবার সরাতে হবে। আমি লোকটার হাতটা টেনে রুটিটা ধরিয়ে দিয়ে বললাম, ‘যাও এবার।’ লোকটা কিন্তু গেল না। রুটি হাতে দাঁড়িয়ে রইল। এবার আমার একটা অস্বস্তি শুরু হল। ও দাঁড়িয়ে আছে কেন? ঠিক এই সময় আমার উটওলা স্থানীয় লোক দুজন আমাদের সামনে এসে দাঁড়াল। আর ওই লোকটাকে দেখে চিৎকার করে বলে উঠল, ‘ভাগ ভিখারি, ভাগ এখান থেকে! ‘ভিখারি’ কথাটা কানে যেতেই লোকটার চোখ দুটো যেন দপ করে জ্বলে উঠল। আমার সেই সঙ্গীর প্রতি প্রচণ্ড ঘৃণায় চিৎকার করে সে বলল, ‘আমি ভিখারি নই, ভিখারি তোমরা। যারা অর্থের লোভে সমাধিমন্দিরের পবিত্রতা নষ্ট কর! মৃতদেহের প্রতি অসম্মান কর! ভিখারি তোমরা।’

    যে লোকটা তাকে চলে যেতে বলেছিল সে এবার হঠাৎ তার জ্ঞানগর্ভ কথা শুনে উট চালানোর কাঁটাঅলা লাঠিটা ছুড়ে মারল ছিন্ন পোশাক পরা মিশরীয়কে লক্ষ্য করে। ঘটনাটা ঘটল আমি তাকে বাধা দেবার আগেই। সেটা গিয়ে লাগল লোকটার কনুইতে। কাটার খোঁচায় সঙ্গে সঙ্গে রক্তপাত শুরু হল। লোকটা হাত দিল কনুইতে। তারপর হাতের তালুতে রক্ত নিয়ে মেলে ধরল নিজের চোখের সামনে। রক্তটা দেখে মুহূর্তের জন্য কেমন যেন একটা অদ্ভুত হাসি ফুটে উঠল তার চোখের কোণে। এরপর সেই অদ্ভুত লোকটা আর দাঁড়াল না। আমার দিকে একবার তাকিয়ে ধীরে ধীরে অদৃশ্য হয়ে গেল পিরামিডের আড়ালে।

    লোকটা চলে যাবার পর যে লোকটা লাঠি ছুড়েছিল তাকে আমি তিরস্কার করলাম তার এই ব্যবহারের জন্য। তারপর আমি তাদের নিয়ে তাঁবুর দিকে এগোলাম আসন্ন নৈশ অভিযানের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে। অভিযানের উত্তেজনায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আমি ভুলে গেলাম ওই লোকটার কথা।

    সূর্য ডুবে গেল। তারপর যখন চাঁদ উঠল তখন গোছগাছ করে তাঁবুর বাইরে এসে দাঁড়ালাম আমরা। চন্দ্রালোকে উদ্ভাসিত সারা উপত্যকা। তার মধ্যে আমাদের কিছু দূরে দাঁড়িয়ে আছে পিরামিড, যেখানে ঘুমিয়ে আছেন ফারাও র‌্যামেসিস রা। আড়াই হাজার বছর পর আমিই প্রথম মানুষ যে প্রবেশ করব ঘুমন্ত রাজার কক্ষে। সঙ্গী দুজনকে নিয়ে আমি এগোলাম পিরামিডের দিকে। খানিকক্ষণের মধ্যেই পিরামিডের অন্ধকার গর্ভে প্রবেশ করলাম আমরা। ভিতরে ঢোকার পরই মশাল জ্বালিয়ে নিল সঙ্গী দুজন। আমার হাতে ইলেকট্রিক টর্চ। আপনি নিশ্চয় ভাবছেন আমরা নীচের দিকে নামব? কারণ, পিরামিডের যে অংশ পৃথিবীর দিকে দৃশ্যমান হয় তা নিরেট হয়। আর ভূগর্ভস্থ কক্ষে থাকে সমাধি। এ পিরামিডেও ভূগর্ভস্থ কক্ষ আছে বটে তবে তা লোককে ফাঁকি দেবার জন্য। এই প্যাপিরাস থেকে আমি জেনেছি, এই ব্যতিক্রমী পিরামিডে সমাধিকক্ষ লুকোনো আছে পিরামিডের উপরিভাগে। যে খবর অন্য কেউ না জানার কারণে ইতিপূর্বে পিরামিডে প্রবেশ করলেও তারা সমাধিকক্ষের সন্ধান পায়নি। সাধারণ নিয়ম অনুসরণ করে তারা অনুসন্ধান করেছিল ভূগর্ভে। নইলে কবে প্রত্নবিদ বা চোরের দল পৌঁছে যেত সমাধি কক্ষে!

    পিরামিডের ভিতরে ঢুকে কাজ শুরু করলাম। মাটির প্রায় সমতলে একটা ছদ্ম দেওয়াল আমার নির্দেশে গাঁইতি দিয়ে সঙ্গীরা ভেঙে ফেলতেই তার আড়াল থেকে বেরিয়ে এল নিচু ছাদওলা সংকীর্ণ এক সিঁড়ি। মশালের আলোতে মাথা নিচু করে গুঁড়ি মেরে ওপরে উঠতে শুরু করলাম আমরা। ভ্যাপসা বাতাসে শ্বাস নিতে ভীষণ কষ্ট হচ্ছে। আড়াই হাজার বছরের জমে থাকা ধুলোতে সর্বাঙ্গ মাখামাখি হয়ে যাচ্ছে। হাত লেগে যেখানে দেওয়ালে ধুলোস্তর সরে যাচ্ছে, সেখানেই দেওয়ালের গায়ে ফুটে উঠেছে বিচিত্র সব প্রাচীন চিত্র। নানা মিশরীয় দেবতার ছবি। তার কোনোটা বা বাজপাখির মাথা আর মানুষের দেহধারী আকাশদেব হোরাসের ছবি, কোনোটা ভেড়ার মাথাওলা দেবতা হ্যাথোরের, কোনোটা আবার সূর্যদেব ”আমন রা-র। সিঁড়ি সোজা ওপরে ওঠেনি। ঘুরে ঘুরে ওপরে উঠছে। মাঝে মাঝে অপরিসর সব কক্ষ। তার দেওয়ালও বিচিত্র সব ছবিতে চিত্রিত।

    আনুমানিক দেড়শো ফিট ওপরে ওঠার পর একটা পাথুরে দেওয়াল আমাদের পথ আটকে দাঁড়াল। বেশ শক্ত দেওয়াল। সে দেওয়াল ভাঙতে আমাদের ঘণ্টাখানেক সময় লাগল। তার ওপাশে এক প্রশস্ত সিঁড়ি সোজা ওপরে উঠে গেছে। সেখানে পা রেখেই বুঝতে পারলাম এই সিঁড়ি আমাদের পৌঁছে দেবে আমাদের অভীষ্ট কক্ষের কাছে। সিঁড়ির দু-পাশে দেওয়ালে আঁকা রয়েছে মৃত ফারাওয়ের শেষযাত্রার ছবি।

    সত্যি সেই সিঁড়ি আমাদের কিছুক্ষণের মধ্যে পৌঁছে দিল এক চত্বরের মতো জায়গায়। তার এক পাশে একটা দরজা, চত্বর সংলগ্ন কক্ষে প্রবেশের জন্য। আর সেই দরজার সামনে পা ছড়িয়ে বসে দরজা আগলাচ্ছেন প্রাচীন মিশরীয়দের কুকুরদেহী মৃত্যুদেব অনুবিসের পাথুরে মূর্তি। মশালের আলোতে তার চোখ আর থাবার নখ জ্বলজ্বল করছে। কেমন একটা বঙ্কিম হাসি ফুটে আছে তার মুখে। সে হাসি পরিহাস করছে অর্বাচীন আগন্তুকদের। কারুকাজ করা প্রাচীন কাঠের দরজার দু-পাশে পাথুরে দেওয়ালে খোদিত স্বর্গদেব অসিরিসের মূর্তি। যা দেখে আমার বুঝতে অসুবিধা হল না ওই দরজাই হল সমাধিকক্ষের প্রবেশ মুখ। উত্তেজনায় আমার পা তখন কাঁপতে শুরু করেছে।

    চৌকাঠের ধুলো সরিয়ে দরজা খুলতেই একটা কাণ্ড ঘটল। ভিতরের কক্ষের একপাশের পাথুরে দেওয়ালের এক পাশ যেন ঘরঘর শব্দে সরে গেল! আর সেখান দিয়ে একরাশ চাঁদের আলো এসে প্লাবিত করল সমাধিকক্ষ। আমরা পা রাখলাম ঘরের ভিতর। ঘরের ঠিক মাঝখানে একটা বেদি মতন জায়গাতে রাখা আছে পাথরের তৈরি শবাধার—ফারাও র‌্যামেসিস রা-র সারকোফেগাস, দেওয়ালের গায়ে নানা কুলুঙ্গিতে মমির অন্তযন্ত্র রাখার ফুলদানি আকৃতির সোনার পাত্র, ফারাওয়ের ব্যবহৃত বহুমূল্য সব জিনিস! চাঁদের আলোতে ঝলমল করছে সেসব। প্রাথমিক বিস্ময়ের ঘোর কাটাতে বেশ কিছুক্ষণ সময় লাগল সবার। তারপরই আমি সঙ্গীদের নির্দেশ দিলাম সারকোফেগাসটা খুলে ফেলার জন্য। তারা গাঁইতির চাড় দিয়ে শবাধারটা খোলার চেষ্টা করতে লাগল। আর আমি উন্মুক্ত দেওয়ালের কাছে গিয়ে তাকালাম বাইরের দিকে। চাঁদের আলোতে বাইরে বহুদূর পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। বুঝতে পারলাম এখন আমরা পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করছি। আড়াই হাজার বছর পর চাঁদের আলো, মুক্ত বাতাস প্রবেশ করেছে এই কক্ষে। ভাবতেই আমার কেমন অদ্ভুত লাগল! আমি তন্ময় হয়ে তাকিয়ে রইলাম চাঁদের দিকে।

    হঠাৎ বেশ শব্দ করে শবাধারের আচ্ছাদন মেঝেতে খসে পড়ল। যারা কাজ করছিল তারা ঝুঁকে পড়ল শবাধারের ভিতরে। আমিও এগোলাম সেদিকে। কিন্তু তার কাছাকাছি পৌঁছবার আগেই আমার সঙ্গী দুজনের একজন চিৎকার করে অপরজনকে বলল, ‘এ রাজার ঐশ্বর্য আমরাই নেব। শেষ করে দে সাহেবটাকে!’ মুহূর্তের মধ্যে আমি বুঝতে পারলাম কী হতে যাচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গেই ঘরের একটা দেওয়ালের কাছে প্রাণ বাঁচাবার জন্য সরে এলাম আমি। আর আমার সঙ্গী দুজন গাঁইতি হাতে এগিয়ে আসতে লাগল আমার দিকে। অসহায় ভাবে আমি তাকিয়ে রইলাম তাদের দিকে। ক্রমশই এগিয়ে আসছে তারা! তারা তখন আমার প্রায় কাছাকাছি এগিয়ে এসেছে, ঠিক সেই সময় দরজা দিয়ে ঘরের ভিতর প্রবেশ করল এক মূর্তি। তাকে দেখে গাঁইতি হাতে লোক দুটো থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল। চাঁদের আলো এসে পড়েছে সেই লোকটার মুখে। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে আমি চিনতে পারলাম তাকে। বিকেলের রুটির জন্য আসা সেই মিশরীয়! ও এই কবরের খোঁজ পেল কীভাবে?”

    লোকটা এগিয়ে আসতে লাগল গাঁইতি ধরা লোক দুজনার দিকে। হঠাৎই এরপর আমার সঙ্গী দুজনের গলা দিয়ে বেরিয়ে এল ভয়ার্ত চিৎকার। গাঁইতি ফেলে লোকটাকে দেখে পালাবার জন্য ছুটল উন্মুক্ত দেওয়ালের দিকে। দেওয়ালের বাইরে যে মহাশূন্যতা খেয়াল রইল না তাদের। প্রাণভয়ে ঘর ছেড়ে বাইরে লাফ দিতেই অতল গহ্বর গ্রাস করে নিল তাদের। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই ঘটে গেল ব্যাপারটা।

    আমার সঙ্গী দুজনের অন্তর্ধানের পর লোকটা ফিরে তাকাল আমার দিকে, তারপর আমার উদ্দেশে শান্ত কন্ঠে বলল, ‘তুমি চলে যাও এখান থেকে। সম্পদ লুন্ঠন করে কবর অপবিত্র কোরো না। শান্তিতে ঘুমোতে দাও ফারাওকে।’

    আকস্মিক মৃত্যুর মুখ থেকে রক্ষা পাবার বিহ্বলতা কাটিয়ে আমি ত্রাণকর্তার জবাবে বললাম, ‘আমি কবর লুন্ঠন করতে আসিনি। এসেছি ফারাওয়ের পুথির খোঁজে। আমি জানতে চাই তাতে এমন কী লেখা আছে যা হাজার বছর পরও মানুষকে বিস্মিত করবে। ওই পুথিটাই শুধু প্রয়োজন। যা রাখা আছে ওই শবাধারে।”

    কয়েক মুহূর্ত স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকার পর মিশরীয় আমার কথা শুনে বলল, ”হ্যাঁ, ওটা ওখানেই আছে। ওটা তুমি পাবে না। তবে তোমার প্রশ্নের জবাব তুমি পাবে। তোমার রুটির দাম মিটিয়ে দেব আমি।’ এই বলে সে উন্মুক্ত কফিনের কাছে এগিয়ে গিয়ে আমাকে ইশারাতে কাছে ডাকল। কম্পিত পায়ে আমি এগিয়ে গেলাম সেখানে, তারপর লোকটার আঙুলের নির্দেশে উকি দিলাম সারকোফেগাসের ভিতর। স্বর্ণভুষণে সজ্জিত ফারাও র‌্যামেসিস- রা শুয়ে আছেন দারুকাঠের কফিনে। তার বুকের ওপর রাখা আছে অমূল্য সেই পুথি। ফারাও তার হাত দুটো দিয়ে পুথিটা চেপে ধরে রেখেছেন। আর এরপরই ফারাওয়ের মুখ বসানো সোনার মুখোশ দেখে চমকে উঠলাম আমি। আমি জানি ওই মুখোশ জীবিত ফারাওয়ের মুখের হুবহু প্রতিলিপি হয়। আর ওই মুখের আর এক মালিক জীবন্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে আমার সামনে। হুবহু এক মানুষ! আমার সঙ্গীরা কেন বাইরে ঝাঁপ দিল তা বুঝতে পারলাম আমি। চমকে উঠে আমি সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মূর্তিকে বললাম, ‘তুমি কে?’

    মিশরীয় জবাব দিল, ‘ভয় পেয়ো না, আমি মানুষ। র‌্যামেসিস রা-র বংশধর।’ আমি বিস্মিত হয়ে তাকিয়ে রইলাম তার দিকে।

    লোকটা এবার আমাকে বলল, ‘পুথিতে কী লেখা আছে তা নিশ্চয়ই এখন অনুমান করতে পারছ তুমি? এবার তাহলে কক্ষ ত্যাগ করো।’

    আমি তার কথা শুনে অবাক হয়ে বলতে যাচ্ছিলাম, ‘পুথি পাঠ না করে আমি কী করে বুঝলাম ওতে কী লেখা আছে?’ কিন্তু তার আগেই আমার চিন্তাশক্তি ঝিলিক দিয়ে উঠল! হ্যাঁ, আমি বুঝতে পারলাম ওতে কী লেখা আছে। লেখা আছে রক্তের বিশুদ্ধতা রক্ষা করার এমন এক কৌশল, যাতে কয়েক হাজার বছর পরও বংশধরদের মধ্যে ফুটিয়ে তোলা যায় নিজের প্রতিলিপি। হুবহু একরকম! যার প্রমাণ আমার সামনে বিদ্যমান। আমি আর কথা বললাম না। কফিনে শায়িত প্রজ্ঞাবান ফারাওয়ের প্রতি নীরবে অন্তরের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে এলাম। পিছনে ঘরের ভিতরে একটা শব্দ হল, বুঝতে পারলাম দেওয়ালের ফাটলটা আবার বন্ধ হয়ে গেল। তারপরে বন্ধ হয়ে গেল দরজাও।

    পরদিন সকালে আমি তখন আমার নৈশ অভিযানের সহচরদের কবর দিয়ে উটের পিঠে মালপত্র বাঁধছি, কিছুক্ষণ আগেই একটা বড় দল এখানে এসেছে সিনেমার শুটিং করার জন্য, অনেক লোকজন তখন পিরামিডের চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে ফারাওদের পোশাকে সেজে, হঠাৎ কানে এল আমার কাছাকাছি একজন লোক তার সঙ্গীকে বলল, ‘ওই ঢিপির ওপর যে ভিখারিটা বসে আছে তাকে খাবার দিতে গেলাম নিল না! ও বলে কিনা ও রাজার বংশধর। দান নেয় না।’ কথাগুলো শুনে তার সঙ্গী বলল, ‘লোকটা নির্ঘাত পাগল হবে!’

    কথাগুলো কানে যেতেই আমি চমকে তাকালাম ঢিপির দিকে। ঢিপির ওপর বসে সেই মিশরীয় তাকিয়ে আছে আমার দিকে। লোক দুজনের কথাগুলো মনে হয় তার কানেও পৌঁছেছে। একটা চাপা হাসি ফুটে উঠেছে তার ঠোঁটের কোণে। মাথা ঝুঁকিয়ে সে আমার উদ্দেশে বিদায় সম্ভাষণ জানাল। আমি প্রত্যুত্তরে মাথা ঝুঁকিয়ে উঠে বসলাম উটের পিঠে। র‌্যামেসিস রা-র পিরামিড তখন প্রভাতী সূর্যকিরণে ঝলমল করছে।

    —

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article আঁধারে গোপন খেলা – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Our Picks

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }