Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প24 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অলৌকিক

    বি কম পাশ করেছি আজ বছর দুয়েক। তারপর থেকে অফিসে অফিসে ঘুরে তিন জোড়া চটি ছিঁড়ল, কিন্তু চাকরি জুটল না। বড়ো, মেজো, ছোটো সব অফিস ঘোরা শেষ। সব জায়গায় এক কথা। দুঃখিত, এখানে কোনো কাজ নেই। বেশ কয়েকটা অফিসে সদর দরজায় মস্ত বড়ো নোটিস লটকানো। নো ভ্যাকেন্সি।

    নিতান্ত বাপের পেনসনটুকু ছিল বলে অনাহারে দিন কাটাতে হয়নি। কোনোরকমে দু-বেলা একটা তরকারি ভাত জুটে যেত।

    টিউশনির অনেক চেষ্টা করেছি। পাইনি। আজকাল স্কুলের শিক্ষক ছাড়া কেউ টিউটর রাখতে চায় না। শুধু পড়ানো নয়, প্রশ্নপত্রও যাতে জানা যায়।

    এইরকম যখন অবস্থা, তখন অদ্ভুত এক কাণ্ড ঘটল। এমন অদ্ভুত যে এত বছর পরে ঘটনাটা মনে হলে গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে। মাঝে মাঝে ভাবি, সত্যিই কি এটা ঘটেছিল!

    পার্কে একটু বিশ্রাম করে আবার চাকরির সন্ধানে বের হলাম। বড়ো রাস্তা ছেড়ে স্যাঁৎসেঁতে গলিতে অন্ধকার সিঁড়ি বেয়ে ছোটো ছোটো অফিসে ঘোরা শুরু করলাম।

    একটা খুব পুরোনো বাড়ি। ফাটা নল বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে। শ্যাওলায় ইটগুলো সবুজ হয়ে গেছে। সিঁড়ির অনেকগুলো ধাপ ভাঙা। সামনে মাঝারি একটা সাইনবোর্ড। জেনারাল ট্রেডিং কোম্পানি।

    জানি কিছু হবার নয়, তবু বরাত ঠুকে সাবধানে সিঁড়ি দিয়ে উঠে পড়লাম।

    প্রথমে চোখে কিছু দেখতে পেলাম না, এত অন্ধকার। তারপর চোখ দুটো অন্ধকারে অভ্যস্ত হতে দেখতে পেলাম দু-চার জন লোক ঘোরাঘুরি করছে। সকলের মাথায় টুপি।

    খুব কম পাওয়ারের আলো এদিক ওদিক জ্বলছে।

    আমাকে দেখে একটা লোক এগিয়ে এল। কাছে আসতে বুঝতে পারলাম, লোকটা গুজরাটি।

    অন্য সব লোকগুলোও গুজরাটি। এটা বোধ হয় গুজরাটিদের অফিস।

    লোকটা জিজ্ঞাসা করল, কী চাই?

    করুণ কণ্ঠে বললাম, একটা চাকরি।

    আমাকে অবাক করে দিয়ে লোকটা বলল, আসুন আমার সঙ্গে।

    লোকটার পিছন পিছন একটা পার্টিশন ঘেরা কামরায় ঢুকলাম।

    ছোটো একটা টেবিল। তার ওপাশে শীর্ণকায় একটি লোক। তার মাথাতেও টুপি। ঝুঁকে পড়ে একটা চিঠি পড়ছিল।

    মুখ তুলে বলল, কী?

    আমার সঙ্গের লোকটি বলল, ভদ্রলোক চাকরির জন্য এসেছেন।

    লোকটি হাত বাড়াল, দরখাস্ত।

    দরখাস্ত দিলাম।

    পড়ে নিয়ে বলল, আপনি গ্র্যাজুয়েট। ঠিক আছে, আমরা আপাতত দেড়-শো টাকা দেব। যদি টিকে থাকতে পারেন তো দেখা যাবে।

    নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারলাম না। মনে হল ভুল শুনেছি। তখন আমার এমন অবস্থা, পঞ্চাশ টাকার চাকরি পেলে নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে করতাম।

    কি রাজি?

    সঙ্গেসঙ্গে আমি মাথা নাড়লাম।

    লোকটা বেল বাজাতে একটা বেয়ারা এসে ঢুকল।

    বেয়ারাকে দেখে মনে হল, গুজরাটি নয়, উড়িয়া।

    মেটাভাইকে ডেকে দাও।

    মেটা কামরায় ঢুকতে বলল, এঁকে একটা নিয়োগপত্র দিয়ে দাও। দেড়-শো টাকা মাইনে। প্যারেকের জায়গায় চাকরি করবে।

    মেটা অদ্ভুত দৃষ্টিতে আমার দিকে কিছুক্ষণ দেখল, তারপর বলল, আসুন।

    বাইরে এলাম।

    আপনি ওই চেয়ারাটায় ততক্ষণ বসুন। আমি আপনার নিয়োগপত্র দেবার ব্যবস্থা করছি।

    একেবারে কোণের দিকে একটা টেবিল। পিছনে চেয়ার। টেবিলের ওপর দোয়াত, পেনসিল, কলম, কাচের টেবিলচাপা।

    ওই চেয়ারে বসে পড়ুন।

    আমি চেয়ারে বসতে গিয়েই লাফিয়ে উঠে পড়লাম। কে যেন চেয়ারে বসে রয়েছে। আমি তার কোলের ওপর বসে পড়েছি।

    উঠে দাঁড়িয়েই আশ্চর্য হলাম। চেয়ার খালি। কেউ তো নেই। তবে!

    বুঝতে পারলাম আমারই ভুল। চাকরি পাবার আনন্দে মাথার গোলমাল হল নাকি!

    আবার চেয়ারে বসলাম। এক ব্যাপার। কিন্তু এবার আর আমি উঠলাম না। চেপে বসে রইলাম।

    স্পষ্ট দেখলাম, আশপাশে দাঁড়ানো গুজরাটি বাবুদের চোখ বিস্ফারিত হয়ে গেল। আস্তে আস্তে তারা যে-যার জায়গায় ফিরে গেল।

    যথাসময়ে নিয়োগপত্র হাতে এল।

    বাড়ি ফিরে প্রথমেই বাবার কাছে গেলাম। বারান্দায় পাশাপাশি দুটো চেয়ারে বাবা আর মা। রোজই আমার অপেক্ষায় এভাবে বসে থাকেন।

    চাকরি পাবার খবরটা দিতেই দু-জনে কিন্তু বলে উঠলেন, তোমার মাথায় ওটা কী?

    মাথায়? মাথায় আবার কী হল?

    বারান্দার একদিকের দেয়ালে একটা আয়না টাঙানো ছিল। তার সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে অবাক হয়ে গেলাম।

    আমার মাথায় পুরোনো একটা গুজরাটি টুপি।

    আশ্চর্য কাণ্ড, এ টুপি আমার মাথায় এল কী করে?

    সহকর্মীদের কেউ রসিকতা করে মাথায় পরিয়ে দিয়েছে? কিন্তু আমার মাথায় পরিয়ে দিল আর আমি টের পেলাম না।

    টুপিটা খুলে ঘরের কোণে ফেলে দিলাম।

    দিন পাঁচ ছয় অফিসে যাবার পর অনেক কিছু জানতে পারলাম। জানতে পারলাম আমি যে চেয়ারে বসি, সে চেয়ারে আগে প্যারেক বসত। কাজ করতে করতে প্যারেক ওই চেয়ারে বসেই মারা গেছে।

    অফিসের সকলের ধারণা প্যারেক এখনও ওখানে বসে।

    প্রথম দিন চেয়ারে বসতে গিয়েই মনে হয়েছিল আর কেউ যেন বসে রয়েছে। কিন্তু ওই এক দিনই। তারপর আর কিছু টের পাইনি।

    পরে আমার একথাও মনে হয়েছিল যে অফিসে আমি একমাত্র বাঙালি বলে অন্য সবাই আমাকে ভয় দেখিয়ে তাড়াতে চায়।

    কিন্তু আমার ভুল ভাঙল।

    মাথা নীচু করে কাজ করছিলাম, হঠাৎ টুং করে শব্দ।

    মুখ তুলে দেখি, টেবিলের ওপর যে জল ভরতি কাচের গ্লাস ছিল সেটা শূন্যে উঠে একটু কাত হল। অর্ধেকের বেশি জল শেষ হয়ে গেল। ঠিক মনে হল পাশে দাঁড়িয়ে কে যেন জল খেল।

    আমি ভীতু এমন অপবাদ কেউ কখনো দেয়নি। বরং সবাই আমাকে ডানপিটে বেপরোয়া বলেই জানে। কিন্তু চোখের সামনে ব্যাপারটা দেখে আমার মেরুদণ্ড বেয়ে যেন একটা ঠান্ডা স্রোত বয়ে গেল। বুকের স্পন্দন দ্রুততর হল।

    শুধু কি এই! লেজারে দাগ দেব বলে লাল পেনসিলটা যেমনি তুলতে গেছি, অমনি চমকে উঠে হাত সরিয়ে নিতে হয়েছে। কে যেন আগেই পেনসিলটা আঁকড়ে ধরেছিল।

    আমার পাশে মানুভাই বসত। বয়সে প্রায় আমারই সমান।

    ছুটির পর তাকে সব কিছু বললাম।

    সে মন দিয়ে সব শুনে বলল, প্যারেক এখনও অফিসের মায়া কাটাতে পারেনি। কী করেই বা পারবে, লোকটার অফিস অন্ত প্রাণ ছিল। রোজ আটটা ন-টা পর্যন্ত অফিসে বসে থাকত।

    কী বলব, সব শুনে গেলাম। এতদিন আমার ধারণা ছিল মানুষ মৃত্যুর পরেই ছাই হয়ে যায়। তার আর অস্তিত্ব থাকে না। কিন্তু চোখের সামনে অলৌকিক কাণ্ড দেখে আমার ধারণা বদলে যাচ্ছে।

    নিজের মনকে বোঝালাম। আত্মা থাক বা না থাক আমার জানবার কোনো দরকার নেই, আত্মা থাকলেও সে তো আমার কোনো অনিষ্ট করছে না। কাজেই আমার চাকরি ছাড়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। বিশেষ করে এত কষ্টে সংগ্রহ করা চাকরি।

    এরপর ব্যাপার চরমে উঠল।

    ম্যানেজার ডেকে বলল, আজ অফিসের পর থেকে আপনি লেজারটা সব লিখে ফেলবেন। কাল সকালে অডিটর আসবে। বেয়ারাও থাকবে আপনার সঙ্গে।

    পুরো লেজার লেখা মানে প্রায় ঘণ্টা তিনেকের ব্যাপার। অফিস ছুটির পর নেমে গিয়ে সামনের দোকানে কিছু খেয়ে যখন ফিরে এলাম, তখন অফিস খালি। শুধু একটা টুলে বেয়ারা বসে আছে।

    আমাকে দেখে বেয়ারা বলল, বাবু, আপনি তাহলে কাজ শুরু করুন, আমি বাড়ি থেকে খেয়ে আসি। আমার বাড়ি খুব কাছেই। আপনি আটটা অবধি তো আছেন। তারমধ্যেই আমি ফিরে আসব।

    বেয়ারা চলে গেল।

    আমি লেজার খুলে বসলাম। কতক্ষণ কাজ করেছিলাম খেয়াল নেই, হঠাৎ খট খট শব্দ হতে মুখ তুলে দেখেই আর চোখ নামাতে পারলাম না।

    ঠিক অফিসের মাঝখানে একটা কঙ্কাল মূর্তি হেঁটে বেড়াচ্ছে। মাথায় কালো টুপি। দুটো হাত পিছন দিকে। এদিক থেকে ওদিক আবার ওদিক থেকে এদিক। ঠিক যেমন ভাবে পরীক্ষার সময় গার্ডরা পায়চারি করে, ঠিক তেমনি।

    পকেট থেকে রুমাল বের করে চোখ দুটো মুছে নিয়ে ভালো করে দেখলাম। সেই এক দৃশ্য। কঙ্কাল মূর্তি পায়চারি করছে। এক ভাবে।

    কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম ফুটে উঠল। হাত অসাড়। লেজারের পাতায় একটি আঁচড়ও পড়ল না।

    ভাবলাম, চাকরি মাথায় থাক। কোনোরকমে বের হতে পারলে আর কোনোদিন এ মুখো হব না।

    কিন্তু যাবার উপায় নেই। ঠিক বের হবার মুখে কঙ্কাল মূর্তি বেড়াচ্ছে। তার কাছাকাছি যাবার সাহস আমার নেই।

    ভয়ে ভয়ে জলের গ্লাসটায় চুমুক দিলাম। গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে আসছিল।

    একটু পরেই কঙ্কাল মূর্তি আর দেখতে পেলাম না। যেমন হঠাৎ এসেছিল, তেমন হঠাৎই হাওয়ায় মিলিয়ে গেল।

    হাতঘড়ি দেখলাম, প্রায় এক ঘণ্টা চুপচাপ বসে আছি। কাজ অনেক পিছিয়ে গেল। তার মানে আরও এক ঘণ্টা দেড় ঘণ্টা বেশি থাকতে হবে।

    কী আশ্চর্য, যতক্ষণ কঙ্কাল মূর্তিটা চোখের সামনে ছিল, বেশ ভয় ভয় করছিল। এখন মূর্তিটা সরে যেতেই সাহস ফিরে এল।

    কাজে হাত দিলাম।

    লেজারে কলম ঠেকাতে গিয়েই চমকে উঠলাম। যেটুকু লেখা বাকি ছিল, অচেনা হাতের লেখায় সব ভরতি হয়ে গেছে। তার মানে আমার বাকি কাজটুকু কে করে দিয়েছে। এ হাতের লেখা আমার নয়, সে বিষয়ে আমি স্থির নিশ্চয়। শুধু লেখাই নয়, প্রত্যেক পাতার শেষে যোগফল পর্যন্ত লাল কালিতে লেখা।

    আটটার একটু আগে বেয়ারা এসে হাজির।

    আমি তাকে বললাম, আমার কাজ শেষ। তুমি অফিস বন্ধ করে দাও।

    রাস্তায় এসে বেয়ারা জিজ্ঞাসা করল, বাবু, কিছু দেখলেন নাকি?

    আমি চেপে গিয়ে উত্তর দিলাম, না, কি দেখব?

    বেয়ারা আর কিছু বলল না।

    পরের দিন অফিসে আসতেই বেয়ারা এসে দাঁড়াল। লেজার বইটা নিয়ে ম্যানেজারবাবু আপনাকে যেতে বলছেন।

    বুঝতে পারলাম অডিটর বোধ হয় এসে গেছে। হিসাব দেখার কাজ শুরু হবে।

    লেজার বই নিয়ে ম্যানেজারের ঘরে ঢুকলাম। অডিটর নেই। ম্যানেজার একলাই বসে আছে।

    আমাকে দেখে জিজ্ঞাসা করল, কি, সব লেখা হয়ে গেছে?

    হ্যাঁ। বলে লেজারটা এগিয়ে দিলাম।

    ম্যানেজার লেজারের পাতা ওলটাতে লাগল। কয়েকটা পাতা উলটেই বিস্মিত দৃষ্টিতে আমার দিকে চেয়ে বলল, একী, এ কার হাতের লেখা?

    কার হাতের লেখা আমার জানা নেই, তাই কোনো উত্তর দিতে পারলাম না।

    ম্যানেজার আস্তে আস্তে বলল, কী আশ্চর্য, এ তো অবিকল প্যারেকের হাতের লেখা। এ লেখা আপনি পেলেন কী করে?

    কীভাবে ও লেখা লেজারের পাতায় এল বললাম।

    ম্যানেজার সব মন দিয়ে শুনল। কোনো কথা অবিশ্বাস করল না।

    বলল, আপনি নিশ্চয় এতদিনে বুঝতে পেরেছেন এ অফিসে প্রেতাত্মার উপদ্রব আছে। প্রেতাত্মা মানে প্যারেকের আত্মা এখনও এ অফিসের মায়া কাটাতে পারেনি। আপনি যে চেয়ারে বসেন সেই চেয়ারে বসে কাজ করতে করতেই প্যারেক হার্টফেল করেছিল। প্যারেকের জায়গায় দু-তিন জন লোককে নেওয়া হয়েছিল, কেউ তিন দিনের বেশি টিকতে পারেনি। আপনি তবু দিন কুড়ি রয়ে গেছেন। উপদ্রবের জন্য রাতে কোনো দারোয়ান থাকতে চাইছে না। অন্য বাড়িতে অফিস সরিয়ে নেবার অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু অফিস এলাকায় জায়গা পাওয়া প্রায় অসম্ভব। পাওয়া গেলেও সেলামি আর ভাড়া এত বেশি যে আমাদের পক্ষে সে টাকা খরচ করা সম্ভব নয়।

    আমি একটু ভেবে কথাটা বলেই ফেললাম।

    একটা কাজ করলে হয়।

    কী বলুন?

    শুনেছি গয়ায় পিণ্ডি দিলে প্রেতাত্মা মুক্তি পায়। সে কি করা সম্ভব?

    ম্যানেজার দু-এক মুহূর্ত চিন্তা করল, তারপর বলল, চেষ্টা করে দেখা যেতে পারে। যাবেন আপনি?

    আমি!

    হ্যাঁ, আমি আপনার যাতায়াত আর অন্য খরচ দেব। আপনি ব্রাহ্মণ। আপনিই বরং চলে যান।

    কিন্তু প্যারেকের বাপের নাম দরকার হবে।

    সে ব্যাপারে কোনো অসুবিধে হবে না। তার নিয়োগের ফাইলেই সব বিবরণ পাওয়া যাবে। আপনি চলেই যান। সামনের শনিবার গিয়ে সোমবার ফিরে আসতে পারবেন।

    অগত্যা রাজি হয়ে গেলাম। দুর্ভোগ আমারই বেশি। প্যারেকের জায়গায় আমি এসেছি, কাজেই তার আক্রোশ আমার ওপর বেশি হওয়াই স্বাভাবিক। গয়ায় পিণ্ডি দিলে যদি আপদের শান্তি হয় তাহলে ম্যানেজার আমার ওপর খুশিই হবে।

    সেদিন বুধবার। মাঝখানে দুটো দিন বৃহস্পতি আর শুক্র। এই তিন দিনে হিসাব পরীক্ষার কাজও শেষ হয়ে যাবে।

    বুধ বৃহস্পতি দুটো দিন নির্বিবাদে কাটল।

    শুক্রবার টেলিফোন এল। যিনি হিসাব দেখতে আসেন, ঠান্ডা লেগে তাঁর একটু জ্বরভাব হয়েছে। তিনি আসতে পারবেন না। আমি যেন খাতপত্র নিয়ে তাঁর অফিসে যাই।

    ম্যানেজারের নির্দেশে তাই যেতে হল।

    অফিসে ফিরতে সাড়ে ছ-টা বেজে গেল।

    ফিরে দেখি, অফিসের দরজায় তালা দিয়ে বেয়ারা বাইরে অপেক্ষা করছে।

    আমাকে দেখে বলল, আপনার এত দেরি হল?

    সে প্রশ্নের কোনো উত্তর না দিয়ে বললাম, তুমি দরজাটা খোল, আমি খাতাপত্রগুলো রেখে এখনই আসছি।

    বেয়ারা দরজা খুলতে ভিতরে ঢুকে খাতাপত্রগুলো আমার টেবিলে রেখে বেরিয়ে এলাম। অস্বাভাবিক কিছু নজরে পড়ল না।

    আমি বাইরে আসতেই বেয়ারা দ্রুতহাতে দরজায় চাবি লাগিয়ে তিরবেগে সিঁড়ি দিয়ে নেমে গেল।

    সারাদিনের পরিশ্রমে ক্লান্ত ছিলাম। আমি আস্তে আস্তে সিঁড়ি দিয়ে নামতে লাগলাম।

    বাঁকের মুখে থমকে দাঁড়িয়ে পড়তে হল।

    কার একটা হাত আমার কাঁধের ওপর এসে পড়ল। আঙুলগুলোয় যেন এক তিল মাংস নেই, ছুরির ফলা বসানো। আমার কাঁধের মাংস ছিঁড়ে যেতে লাগল।

    যন্ত্রণায় চিৎকার করে উঠতে গিয়েই থেমে গেলাম। দেয়ালের কোণে দীর্ঘ এক কঙ্কাল মূর্তি। দুটি চোখে আগুনের শিখা। মাথায় কালো টুপি।

    এগোবার চেষ্টা করতেই কঙ্কালের দাঁতগুলো কড়মড় করে উঠল। বজ্রগম্ভীর কণ্ঠস্বর। ইংরেজিতে হুংকার।

    গয়ায় পিণ্ডি দেবার ব্যবস্থা হচ্ছে? এ অফিস থেকে আমাকে সরাবার চেষ্টা? এ অফিসের গোড়াপত্তন থেকে আমি আছি। শেষ অবধি থাকবও। কেউ আমাকে উৎখাত করতে পারবে না।

    কথার সঙ্গে সঙ্গে কাঁধের ওপর হাতের চাপ আরও জোর। মনে হল যেন মাংস ভেদ করে আঙুলগুলো হাড়ে গিয়ে ঠেকছে। দুঃসহ ব্যথা।

    বল, এ দুর্বুদ্ধি ছাড়বি কি না? বল? তোকে খতম করব।

    না, না, আমি এসব কিছু করব না। আমি আর ঢুকবই না এ অফিসে। প্যারেক, আপনি আমায় বাঁচান।

    কথাটা মনে থাকে যেন।

    ঘাড়ে একটা প্রচণ্ড ধাক্কা। ছিটকে সিঁড়ির নীচে গিয়ে পড়লাম। বোধ হয় অজ্ঞানই হয়ে গিয়েছিলাম।

    যখন চেতনা ফিরেছিল তখন অনেক রাত। কপাল কেটে রক্ত গড়িয়ে পড়ছে। কাঁধে কালসিটের দাগ।

    হাঁটতে হাঁটতে মাঝরাতে বাড়ি ফিরেছিলাম।

    বাড়ি থেকেই চাকরি ছাড়ার দরখাস্ত পাঠিয়ে দিয়েছিলাম।

    ও অফিসে আর যাইনি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    Next Article টেম্পল – ম্যাথিউ রীলি

    Related Articles

    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভূতুড়ে কাণ্ড

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভূতচরিত

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    আগন্তুক

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ফাঁসির আসামি

    February 26, 2025
    ভৌতিক গল্প হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    মৃত্যুর পরে

    February 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }