Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয় সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প498 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অভিশপ্ত মূর্তি

    রমেশের মতে গরম যখন চরম হইয়া উঠে এবং বিশুদ্ধ বাতাস না পাইয়া প্রাণপাখি ‘খাঁচা ছাড়ি-খাঁচা ছাড়ি’ করিতে থাকে, বিকালে তখন গড়ের মাঠের ‘কার্জন পার্কে’ গিয়া হাঁ করিয়া হাঁপ ছাড়াই বাঁচিবার পক্ষে সবচেয়ে প্রশস্ত এবং সহজ উপায়। অতএব, তারা কয় বন্ধুতে প্রত্যহ এই প্রশস্ত ও সহজ উপায় অবলম্বন করিত।

    সেদিনও তারা ‘কার্জন পার্কে’ গিয়া জমিয়াছিল।

    রমেশ ঘাসের ওপরে উড়ানি বিছাইয়া শুইয়াছিল, যোগেশ একটা মৌরির বিড়ি বারংবার নিবিয়া যাইতেছে দেখিয়া ক্রমেই চটিয়া উঠিতেছিল, সুরেশ একমনে একখানা বিলাতি ডিটেকটিভ উপন্যাস পড়িতেছিল এবং উমেশ সকৌতুকে দূরের এক বেঞ্চের দিকে স্থিরচক্ষে তাকাইয়াছিল। সেই বেঞ্চখানার ওপরে দু-জোড়া সাহেব-মেম বসিয়াছিল। তার মধ্যে যে সাহেবটি তাকিয়ার মতো মোটা তাঁর মেমটি বাখারির মতো রোগা আর যে সাহেবটি বামনের মতো বেঁটে তাঁর মেমটি প্রায় জিরাফের মতো ঢ্যাঙা— এমন বিসদৃশ চার-চারটি চেহারা এক জায়গায় দেখিতে পাওয়ার সৌভাগ্য, বড়োই দুর্লভ!

    হঠাৎ পিছন হইতে চেনা গলায় একজন বলিল, ‘আমি যে তোমাদের খুঁজে খুঁজে হয়রান হয়ে গেলুম!’

    সবাই তাড়াতাড়ি ফিরিয়া দেখিল, পরেশ। অমনি একসঙ্গে প্রশ্ন হইল, ‘কীহে, তুমি না পুরী গিয়েছিলে?’ ‘কবে ফিরলে হে?’ ‘জায়গাটি কেমন লাগল?’ ‘আর কোথাও গিয়েছিলে নাকি?’

    পরেশ আগে সকলকার মাঝখানে আসিয়া বসিল। তারপর কোঁচানো উড়ানিখানি খুলিয়া সাবধানে কোলের ওপর রাখিয়া বলিল, ‘ভাই, আমি চতুর্মুখ নই, সুতরাং একসঙ্গে তোমাদের চার-চারটি প্রশ্নের জবাব দেওয়া আমার পক্ষে অসম্ভব। তবে একে-একে বলছি শোনো। হ্যাঁ, আমি পুরী গিয়েছিলুম। আজ সকালে ফিরেছি। জায়গাটা ভালো লাগল। দোষের মধ্যে আমাদের কালো রং সেখানকার জলহাওয়ায় ঘোরতর হয়ে ওঠে। পুরী থেকে আমি কনারকে গিয়েছিলুম—’

    রমেশ চমকাইয়া বলিল, ‘অ্যাঁঃ কনারকে!’

    ‘ওকী, কনারকের নামে তুমি অমন চমকে উঠলে কেন?’

    ‘না না ও কিছু নয়, তুমি যা বলছিলে বলো!’

    ‘সে হবে না। আগে বলো তুমি চমকালে কেন?’

    ‘সে অনেক কথা!’

    ‘তা হোক— বলো!’

    ‘শুনলে তোমরা বিশ্বাস করবে না!’

    ‘যদি ভালো লাগে আর মাসিকপত্রের ছোটোগল্পের মতো চর্বি চর্বণ না হয়, তাহলে আমরা উনিশ বার জেল-ফেরতা দাগী চোরের কথাও বিশ্বাস করতে রাজি আছি!’

    ‘কিন্তু-কিন্তু’

    ‘কিন্তু তুমি বড়ো বেশি ল্যাজে খেলছ রমেশ!’

    অগত্যা বাধ্য হইয়া রমেশ তার কথা শুরু করিল

    দুই

    অনেক দিন আগেকার কথা, আমরা কয় বন্ধুতে কোনারক দেখতে গিয়েছিলুম। কোনারকের মন্দিরের কথা তোমরা অনেকেই জানো, সুতরাং আমি আর মন্দিরের কথা বলতে চেষ্টা করব না।

    কোনারকের আশেপাশে মাঝে মাঝে দু-চারিখানি ছোটোখাটো গাঁ আছে; এ-সব গাঁয়ে লোকজন খুব কম। যারা থাকে তারা হচ্ছে চাষাভুষো ও গয়লা শ্রেণির।

    কোনারক দেখতে যেদিন আমাদের আসবার কথা, সেইদিন বৈকালে আমরা অমনি একখানি গাঁয়ের ধার দিয়ে বেড়িয়ে ফিরছিলুম।

    কৌতূহলী চোখে এদিকে-ওদিকে তাকাতে তাকাতে আসছি। হঠাৎ একটা গাছতলায় পুতুলের মতো কী-একটা নজরে ঠেকল। এগিয়ে গিয়ে দেখি, সত্যিই এক পাথরের মূর্তি। তার নীচের দিকটা বালিতে পুঁতে গিয়েছে।

    মূর্তিটি রমণীর, গড়ন দেখে মনে হল কোনরকের সেকেলে শিল্পীদের কেউ এটিকে গড়েছে। কেননা তেমন রূপে-ভরা দেহ, হাসি-ভরা মুখ, ভাবে-ভরা চোখ বড়ো যে-সে কারিগরের কল্পনায় সম্ভব নয়। উড়িষ্যার প্রাচীন শিল্পের এটি একটি জ্বলন্ত নিদর্শন।

    এহেন মূর্তি এখানে অযত্নে পড়ে আছে কেন, দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে অবাক হয়ে তাই ভাবছি। এমন সময় দেখি ‘আসুছন্তি ব্রজবাসী’ বলে গান গাইতে গাইতে, পাশ দিয়েই একজন গাঁয়ের লোক যাচ্ছে।

    তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলুম, ‘হ্যাঁরে, এ পুতুলটা এখানে পড়ে আছে কেন?’

    উড়িষ্যা ভাষায় সে যা বললে তার মর্ম বুঝলুম এই যে, গাঁয়ের মধুসূদন শ্রীচন্দনের বাড়িতে এ-মূর্তিটি আগে ছিল, কিন্তু সে মরে যাবার পর তার ছেলেরা এটাকে এখানে ফেলে দিয়ে গেছে।

    ‘ফেলে দিয়ে গেছে কেন রে?’

    অত্যন্ত কুণ্ঠিতভাবে লোকটি বললে, ‘কেন যে সে তা জানে না।’ তার মুখ দেখে মনে হল, সে যেন কী লুকোচ্ছে।

    ‘আচ্ছা, তুই এই পুতুলের গা থেকে বালিগুলো সরিয়ে ফেল দেখি! বখশিশ পাবি?’

    লোকটা কেমন শিউরে উঠে তিন হাত পিছিয়ে গেল। তারপর দংশনোদ্যত সাপের দিকে লোকে যেমন করে তাকায় তেমনি ভীরু চোখে মূর্তির দিকে তাকিয়ে বললে, সে পারবে না।

    খামোকা লোকটা আঁতকে উঠল কেন? মূর্তিটি যেন তার পাষাণ নয়ন তুলে করুণ হাসি হাসছে; আপনার নীরব ভাষায় যেন বলছে, ‘আমাকে উদ্ধার করো— এই আসন্ন সমাধি থেকে আমাকে উদ্ধার করো!’

    লোভে আমার মনটা ভরে গেল। অপূর্ব শিল্পের এই উজ্জ্বল রত্নটিকে যদি কলকাতায় নিয়ে যেতে পারি, তাহলে আমার বাড়ি আলো হয়ে উঠবে!

    ফিরে দেখি পিছনে সে লোকটা আর নেই, হনহন করে সে গাঁয়ের দিকে চলে যাচ্ছে।

    বন্ধুরাও আমাকে ফেলে অনেক দূরে এগিয়ে গেছেন। চেঁচিয়ে ডাকতে সবাই ফের ফিরে এলেন।

    সকলে মিলে বালি সরিয়ে মূর্তিটাকে আবার টেনে তুললুম। সেটি একটি নর্তকীর নগ্নমূর্তি; এতক্ষণ আর আধখানা বালির ভিতরে ঢাকা ছিল বলে তার অপরূপ রূপ ভালো করে বুঝিনি, এখন তার সবটা পেয়ে আমাদের চোখে যেন তাক লেগে গেল। কী সুন্দর তার দাঁড়াবার ভঙ্গি! কী অপূর্ব তার হাত-পায়ের শ্রী ছাঁদ! আর পাথরের মূর্তি যে এতটা জীবন্ত হতে পারে, আমি তা জানতুম না। মনে হল, শিল্পী আর একটু চেষ্টা করলেই এর মৌনব্রত ভঙ্গ হয়ে যেত!

    ভেবেছিলুম মূর্তিটিকে এখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যেতে গেলে, গাঁয়ের লোকে নিশ্চয়ই ওড়িয়া ভাষায় যৎপরোনাস্তি রুদ্ররস প্রকাশ করবে। কিন্তু আশ্চর্য এই যে, টু-শব্দটি পর্যন্ত করলে না।

    তিন

    সন্ধ্যার পর আমরা কোনারকের কালো দেউলের কালো ছায়ার ভিতর থেকে বেরিয়ে সীমাহীন বালুকা সাগরের তীরে এসে দাঁড়ালুম।

    আমরা চারখানা গোরুর গাড়ি ভাড়া করেছিলুম। অন্য তিনখানা গাড়িতে দু-জন করে লোক উঠল, কিন্তু আমার গাড়িতে সেই মূর্তিটি ছিল বলে আমি ছাড়া আর কারুর জায়গা হল না।

    অস্পষ্ট চন্দ্রালোকে ঘুমন্ত সেই অনন্ত বালুপ্রান্তরকে চাকার শব্দে জাগ্রত করে, গোরুর গাড়িগুলো ঢিমিয়ে-ঢিমিয়ে চলতে লাগল। উপরে আকাশ, নীচে সেই ধূ-ধূ মরুভূমি। চারদিকে আর কিছুই নেই— না গ্রাম, না মানুষ, না গাছপালা।

    সারাদিন ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ঘুরে ঘুরে দেহ-মন যেমন এলিয়ে পড়েছিল— আস্তে আস্তে গাড়ির ভিতরে দেহটাকে ছড়িয়ে দিলুম; আর আমার পাশেই নর্তকীর সেই পাষাণ মূর্তিটি স্তব্ধ মৃতদেহের মতো আড়ষ্ট হয়ে পড়ে রইল।

    ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে এক অদ্ভুত স্বপ্ন দেখলুম— সেই পাষাণী নর্তকী যেন প্রাণ পেয়ে জ্যান্ত হয়ে উঠেছে। টানা-টানা বিদ্যুৎভরা চোখ তুলে আমাকে দেখতে পেয়ে, কুন্দদন্তে অধর চেপে সে ফিক করে হেসে ফেলল। তারপর সামনের দিকে ধীরে ধীরে তার দু-হাত বাড়িয়ে দিলে— আমাকে ধরবার জন্যে।

    সেই জীবন্ত পাষাণীর স্পর্শ থেকে তাড়াতাড়ি যেমন সরে আসতে যাব অমনি চট করে ঘুম ভেঙে গেল।

    চোখ কচলে উঠে বসে দেখি, পাথরের প্রতিমূর্তিটা গাড়ির ভিতরে পাতলা অন্ধকারে আবছায়ার মতো দেখা যাচ্ছে। হঠাৎ দেখলে মনে হয় সে মূর্তি যেন এক ঘুমন্ত মানুষের। বাইরে তো মড়ার মতো হলদে আধখানা চাঁদ একরাশ এলোমেলো কালো মেঘের উপরে স্তম্ভিত হয়ে আছে। গভীর রাত্রি অত্যন্ত স্তব্ধ; কেবল খুব দূর থেকে চিরজাগ্রত সমুদ্রে অশ্রান্ত হাহাকার বাতাসের ঠান্ডা দীর্ঘনিশ্বাসের সঙ্গে ভেসে ভেসে আসছে।

    হঠাৎ আমার কানে একটা শব্দ গেল। গাড়ির ভিতরে কে ফোঁস করে একটা নিশ্বাস ফেললে। প্রথমে ভাবলুম, আমার ভ্রম। কিন্তু তারপর ভালো করে শুনে বুঝলুম— না, ভ্রম নয়, ভিতর থেকে নিশ্চয় কারুর নিশ্বাস শোনা যাচ্ছে।

    গাড়োয়ান ছোঁড়াটা তখন নেমে গাড়ির আগে আগে হেঁটে চলছিল।

    প্রতিমূর্তিটার দিকে তাকিয়ে দেখলুম, সে তেমনি স্থিরভাবে পড়ে আছে।

    ঝাঁ-করে মনে হল, কোনারকের সেই গেঁয়ো লোকটার রহস্যপূর্ণ আচরণ। বখশিশের লোভেও সে এই মূর্তিটার গায়ে হাত দিতে রাজি হয়নি! এ মূর্তিটাকে নিয়ে কিছু গোলমাল আছে নাকি? নইলে, দেখতে যাকে এত সুশ্রী, তাকে গাছতলায় অমন করে ফেলে দেওয়া হয়েছিল কেন?

    নিশ্বাস তখনও উঠছে-পড়ছে! শুধু তাই নয়, গাড়ির ভিতরে বিছানার তলায় খড় বিছানো ছিল; সেই খড়গুলো হঠাৎ খড় খড় করে উঠল— কে যেন এপাশ ফিরে শুল।

    আমি ভূত মানি না। কিন্তু তবু কেন জানি না আমার বুকের কাছটা কেমন ছ্যাঁৎ-ছ্যাঁৎ করে উঠল! গাড়ির ভিতর পানে চাইতে আর ভরসা হল না। খালি মনে হতে লাগল— যেন কার দু-দুটো পাথুরে চোখের থমথমে চাহনি ধারালো ছুরির কনকনে ফলার মতো ক্রমাগত আমার পিঠের উপরে এসে বিঁধছে আর বিঁধছে! শেষটা এমনি অস্বস্তি বোধ হতে লাগল যে, আমি আর কিছুতেই সেখানে তিষ্ঠতে পারলুম না। এক লাফে সে গাড়ি থেকে নেমে পড়ে অন্য এক গাড়িতে গিয়ে উঠলুম। সেখানে আমার দুই বন্ধু শুয়ে ঘুমোচ্ছিলেন; গুঁতোগুঁতি করে কোনো গতিকে বাকি রাতটা কাটিয়ে দিলুম।

    ভোর হল। প্রান্তর তখনও শেষ হয়নি।

    নিজের গাড়িতে ফিরে আসতেই দেখি— আমার বিছানার উপরে একটা কুকুরছানা, কুণ্ডলী পাকিয়ে দিব্যি আরামে শুয়ে নিদ্রাসুখ উপভোগ করছে।

    কান ধরে সেটাকে তুলে বাইরে ফেলে দিলুম। ছানাটা কেঁউ কেঁউ করে উঠতেই গাড়োয়ান ছোঁড়া ছুটে এল। বললে, ‘বাবু, মেরো না, মেরো না, ও আমার কুকুর!’

    ‘তোর কুকুর!’

    ‘হ্যাঁ বাবু, ওর মা মরে গেছে; তাই ও আমার সঙ্গে সঙ্গে গাড়িতেই থাকে।’

    বুঝলুম, গেল রাত্রে গাড়িতে কার নিশ্বাস শুনেছিলুম! কিন্তু তবু—

    চার

    কলকাতায় এসে নর্তকীর সেই প্রতিমূর্তিটিকে আমার বাইরের ঘরের একটি ছোটো টেবিলের উপরে দাঁড় করিয়ে দিলুম।

    আমার স্ত্রী তাকে দেখবার জন্যে একদিন বাইরের ঘরে নেমে এলেন। অনেকক্ষণ ধরে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ভঙ্গিভরে ব্যঙ্গ করে তার দিকে চেয়ে বললে, ‘কালামুখীর দাঁড়াবার আর ঢং দ্যাখ না— দি ঠাস করে গালে এক চাপড়!’ রমা মূর্তির গালে সকৌতুকে একটি চড় বসিয়ে দিলে।

    কিন্তু সেই সঙ্গেই সে আর্তনাদ করে দু-পা পিছিয়ে গেল! আমি অবাক হয়ে দেখলুম, তার মুখ একেবারে পাঙ্গাশ হয়ে গেছে!

    ‘কী হল রমা, অমন করে উঠলে কেন?’

    ‘আমার হাত ও কামড়ে দিয়েছে!’

    ‘কামড়ে দিয়েছে! ক্ষেপে গেলে নাকি?’

    ‘ওকে চড় মারতেই ও-যেন আমাকে কটাস করে কামড়ে দিলে! বিশ্বাস হচ্ছে না? এই দেখ, হাত দিয়ে আমার রক্ত পড়ছে!’

    তাই তো, রমার হাত দিয়ে সত্যিই রক্ত গড়াচ্ছে যে! হতভম্বের মতো মূর্তির দিকে চাইলুম; কিন্তু তখনি বুঝতে পারলুম আসল ব্যাপারটা কী! নর্তকীর নাকের ডগাটি শিল্পী অত্যন্ত সূক্ষ্ম করে ক্ষুদেছে! রমার হাত তার উপরে পড়াতেই আঁচড়ে গেছে আর কী!

    কিন্তু রমা বিশ্বাস করলে না। আমার মুখে সে আগেই শুনেছিল, এ মূর্তিকে আমি কী করে কেমন অবস্থায় পেয়েছিলুম। সে বললে, ‘একে যখন লোকে ফেলে দিয়ে গিয়েছিল, তখন এ আপদকে ঘাড়ে করে বয়ে তোমার বাড়িতে আনবার কী দরকার ছিল?’

    স্ত্রীলোকের কী কুসংস্কার! আমি হেসে বললুম, ‘যাও যাও, আর পাগলামি করতে হবে না— হাতে জল দাও গে যাও!’

    ভয়ে-ভয়ে নর্তকীর দিকে তাকিয়ে রমা ঘর থেকে নীরবে বেরিয়ে গেল।

    আমিও কিন্তু কেমন ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে নর্তকীর দিকে চেয়ে রইলুম। রূপের গরবে ভরা হাসিমুখে, আমার দিকে দু-খানি নিটোল বাহু বাড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে যেন কার অভিশাপেই সে আজ নিশ্চল পাষাণে পরিণত হয়ে নিস্তব্ধ; নইলে ওই মুখের কলহাস্যরোলে এবং ওই চরণে রুনু-রুনু নূপুরনিক্কণে এখনি আমার ঘর পরিপূর্ণ হয়ে উঠত।

    পাঁচ

    বিনোদকে তোমরা সকলেই জানো বোধ হয়। এখন তার যে ভয়ানক দশা হয়েছে, তার জন্য দায়ী কে জানো?— নর্তকীর ওই প্রতিমূর্তিটা। বিনোদ যদি নর্তকীর প্রতিমা না দেখত, তাহলে ভালো আঁকিয়ে বলে দেশ-বিদেশে আজ তার নাম ছড়িয়ে পড়ত। সে একজন মানুষের মতো মানুষ হয়ে উঠত। বিনোদের শোচনীয় পরিণাম তোমাদের কারুর অজ্ঞাত নেই, কিন্তু তার আসল কারণ খালি আমিই জানি।

    বিনোদ কলকাতায় থাকত না। কলকাতায় যখন আসত তখন আমার বাড়িতেই এসে উঠত। আমি ছিলুম তার সবচেয়ে বড়ো বন্ধু।

    সেবারে কলকাতায় এসে দেবদাসীর এই মূর্তিটা দেখে সে আনন্দে একেবারে বিভোর হয়ে পড়ল। উচ্ছ্বসিত স্বরে বললে, ‘রমেশ, এ যে অমূল্য রত্ন! বন্ধু, তুমি লাখ টাকা পেলেও আজ আমি এত খুশি হতুম না।’ বিনোদ কাছে-দূরে আশপাশ সুমুখ ও পিছন থেকে নানারকমে ঘুরে-ফিরে প্রতিমূর্তিটা দেখলে। তারপর তার গায়ের পরে আপনার হাত রেখে আবার বললে, ‘এ সেই অতীতের বিশ্বকর্মার গভীর সাধনার ফল, এ যুগের সাধ্য কী এমন প্রতিমা গড়তে পারে! দেখ বন্ধু, এক পাষাণ-দেহে কী অপূর্ব সুষমা, হাত-পায়ের কী বিচিত্র ভঙ্গিমা! আমি যদি সম্রাট হতুম আর এ যদি মানুষ হত, এর একটি চাহনির জন্যে আমি সাম্রাজ্য বিকিয়ে দিতুম! হায়, এ হচ্ছে পাষাণী! একে ভালোবাসলেও প্রতিদানে আমি কিছুই পাব না! তবু দেখ, এ পাষাণও শিল্পীর হাতের মায়াস্পর্শ পেয়েছে বলে মনে হচ্ছে, যেন এই কঠিন পাথরের আড়ালে আড়ালে প্রাণের লুকানো ধারা চুপি চুপি বয়ে যাচ্ছে— হাত দিলে যেন হাতে তার উত্তাপ পাওয়া যায়!’

    এই বলে বিনোদ সেই প্রতিমার গায়ে হাত দিলে; কিন্তু পরমুহূর্তেই বিদ্যুতের হাতের মতো হাতখানা গুটিয়ে হতভম্বের মতো দাঁড়িয়ে রইল।

    আচমকা তার এই ভাবান্তর দেখে আমি আশ্চর্য হয়ে বললুম, ‘কীহে, ব্যাপার কী?’

    বিনোদের খানিকক্ষণ বাক্যস্ফূর্তি হল না। তারপর একবার সেই মূর্তির দিকে, আর একবার আমার দিকে ফ্যালফেলে চোখে চেয়ে আমতা আমতা করে বললে, ‘কি সত্যি?’

    ‘কী সত্যি হে?’

    ‘দেখ রমেশ, এই মূর্তির গায়ে যেমনি হাত রাখলুম অমনি আমার কি মনে হল জানো? মনে হল ওর দেহের ভিতর থেকে হৃৎপিণ্ডটা দুপদুপিয়ে নেচে উঠল!’

    আমি উচ্চস্বরে হেসে বললুম, ‘মূর্তিটা দেখে তোমার এত আনন্দ হয়েছে যে তুমি একেবারে বাহ্যজ্ঞান হারিয়ে বসে আছ!’

    বিনোদ প্রতিমার গায়ে আবার হাত দিয়ে একটু হেসে বললে, ‘তাই বটে— আমারই ভ্রম। কই, এখন তো আর তা মনে হচ্ছে না। দেহ এখন স্তব্ধ, স্থির মৃত্যুর মতো শীতল! তারপর একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে আবার বললে, ‘হায়রে, পাষাণকে কি বাঁচানো যায়! তা যদি পারতুম, তাহলে আমরা, শিল্পীরা, আজ শত শত নিখুঁত আদর্শ মানুষ গড়ে সমস্ত সংসারকে সুন্দর করে তুলতুম!’

    ছয়

    আমার একটি বদ অভ্যাস আছে। রাত অন্তত দেড়টা-দুটো না বাজলে সহজে আমার ঘুম হয় না। প্রথম রাতটা আমি বই-টই পড়ে কাটিয়ে দি।

    সে রাত্রে যখন পড়া সাঙ্গ করে উঠলুম, ঘড়িতে তখন দুটো বাজতে দশ মিনিট। আলো নিবিয়ে শুতে যাচ্ছি, এমন সময় বারান্দায় কার পায়ের শব্দ পেলুম।

    এত রাত্রে জেগে কে? আশ্চর্য হয়ে জানলা দিয়ে মুখ বাড়িয়ে দেখি বিনোদ বেড়াচ্ছিল। বারান্দার এদিক থেকে ওদিক পর্যন্ত সে অস্থিরভাবে বেড়াচ্ছিল। সে রাত্রে গরমটা পড়েছিল কিছু অতিরিক্ত। ভাবলুম, গরমে বোধ হয় তার ঘুম ভেঙে গেছে, তাই সে বাইরে বাতাস পাবার জন্যে বেরিয়ে এসেছে। এই ঠিক করে তাকে আর না ডেকেই আমি শুয়ে পড়লুম।

    পরদিন সকাল বেলায় বিনোদের সঙ্গে যখন দেখা হল, বললুম, ‘কীহে, কাল ভালো করে ঘুম হয়নি বুঝি?’

    সে বিস্মিত স্বরে বললে, ‘তুমি জানলে কী করে?’

    আমি বললুম, ‘কাল রাত দুটোর সময়ে তুমি যখন বারান্দায় এসেছিলে আমি তখন জেগেছিলুম।’

    বিনোদ আমার কাছে সরে এসে খুব মৃদুস্বরে বললে, ‘ভাই, কাল এক আশ্চর্য স্বপ্ন দেখেছি। নর্তকীর মূর্তিটার একটা নকল তুলতে তুলতে আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলুম। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে কী স্বপ্ন দেখছিলুম জানো? দেখলুম, মূর্তিটা যেন হঠাৎ জীবন্ত হয়ে উঠল। যদিও তার দেহ যেমন ছিল তেমন পাথরেরই ছিল। এক-পা এক-পা করে আমার কাছে এগিয়ে এসে হাসতে হাসতে সে বললে, ”তোমার কথা আমি শুনেছি, তুমি আমাকে ভালোবাসতে চাও না?” আমি বললুম, ”হ্যাঁ”, ”তাহলে আমিও তোমাকে ভালোবাসব, আর কখনো ছাড়ব না”— এই বলে সে আমাকে প্রাণপণে আলিঙ্গন করলে! তার সেই শক্ত পাথরের হাতের চাপে আমার দম যেন আটকে আসতে লাগল। আমি জোর করে যেমন তার হাত ছাড়াতে যাব অমনি ঘুম ভেঙে গেল। তারপর কিছুতেই আর ঘুম আসে না। সেই বিদঘুটে স্বপ্নের কথা কোনোমতেই আর ভুলতে পারলুম না। সেটা নিয়ে ভাবতে ভাবতে মাথাটা এমনই গরম হয়ে উঠল যে শেষটা ঘর থেকে বেরিয়ে এলুম। কাল সারারাত অনিদ্রায় কেটেছে।’

    কোনারকের প্রান্তরে আমি যে স্বপ্নটা দেখেছিলুম, সেটাও অনেকটা এই ধরনের। আমার বুক কী-এক বিপদ ভয়ে গুরগুর করে উঠল। তবে কি সত্যসত্যই এ মূর্তিটার ভিতরে অস্বাভাবিক কিছু আছে? একটু উত্তেজিত স্বরে বললুম, ‘বিনোদ, ও ঘরে আর তুমি শুয়ো না।’

    আমার স্বরে চমকে উঠে বিনোদ বললে, ‘কেন বলো দেখি?’

    নিজেকে সামলে নিয়ে বললুম, ‘তুমি ও মূর্তিটার কথা বড়ো বেশি ভাবছ। হয়তো আজও তুমি ওকে আবার স্বপ্নে দেখবে।’

    বিনোদ হাসতে হাসতে বললে, ‘দেখলুমই-বা, তাতে হয়েছে কী!— স্বপ্ন তো সত্য নয়!’

    তাকে আমি আর কখনো হাসতে দেখিনি। সেই হাসিই তার শেষ হাসি।

    সাত

    তারপর সেই ভয়ঙ্কর রাত্রি— সে রাত্রির কথা আমার জীবনে কখনো ভুলব না।

    সে রাত্রেও আমি টেবিলের সামনে বসে একখানা বই পড়ছিলুম। রাত তখন একটার কাছাকাছি। চারিদিকে স্তব্ধতা যেন থমথমে করছে।

    কোথাও কিছু নেই। হঠাৎ একটা ভারী জিনিস পড়ার শব্দ হল। সঙ্গেসঙ্গে ভয়ানক এক আর্তনাদ!— সে কী চিৎকার! চারিদিকের গভীর নীরবতার মধ্যে সে আর্তনাদ যেন আকুলভাবে ঝাঁপ দিয়ে কোথাও থই না-পেয়ে কাঁপতে কাঁপতে ডুবে গেল।

    এক লাফে আমি দাঁড়িয়ে উঠলুম।

    আমার স্ত্রীও ধড়মড়িয়ে জেগে বিছানায় উঠে বসে সভয়ে বললে, ‘ও কী গো, ও কী!’

    আবার আর্তনাদ! এবার তত জোরে নয়, কিন্তু অত্যন্ত যন্ত্রণা ভরা। এ যে বিনোদের স্বর!

    আমি আর দাঁড়ালুম না, ঝড়ের মতো বেরিয়ে বাইরের ঘরের দিকে ছুটে গেলুম।

    বাইরের ঘরের দরজা ঠেলতেই দড়াম করে খুলে গেল। ভিতরে ঘুটঘুট করছে অন্ধকার। মনে হল, সে অন্ধকার যেন হা করে আমাকে গিলতে আসছে! শুনলুম সেই অন্ধকারের মধ্যে থেকে অতিকষ্টে গেঁঙিয়ে-গেঁঙিয়ে বিনোদ বলছে ‘ছাড়-ছাড়— ওরে পিশাচী, ছেড়ে দে— ছেড়ে দে— ছে—’ আর কথা বেরুল না। কেউ যেন তাকে এত জোরে চেপে ধরলে, যে তার স্বর একেবারে বন্ধ হয়ে গেল!

    তোমরা বুঝবে না, সে যে কী এক মহাভয়ে আমার সর্বাঙ্গ নেতিয়ে পড়ল। পারলে, তখনি আমি ছুটে পালাতে পারতুম। কিন্তু সে শক্তিও আমার ছিল না। ঠক ঠক করে কাঁপতে কাঁপতে মাটির উপরে আমি দু-হাতে ভর দিয়ে বসে পড়লুম। অন্ধকার ঘরের ভিতরে কেমন একটা অস্পষ্ট ঝটপটানি শব্দ হতে লাগল। কেউ যেন কারুর সঙ্গে জোঝাজুঝি করছে, কিন্তু প্রাণপণ চেষ্টাতেও মুক্তিলাভ করতে পারছে না!… ক্রমে ক্রমে সেই ঝটপটানি শব্দটা থেমে গেল। তারপর, সব চুপচাপ। আর একটু তেমনভাবে থাকলেই আমি নিশ্চয়ই অজ্ঞান হয়ে যেতুম। কিন্তু বাড়ির যে যেখানে ছিল সবাই জেগে উঠে হইচই করতে করতে সে ঘরে ছুটে এল, আলো দেখে আমার আচ্ছন্ন ভাবটা ধীরে ধীরে কেটে গেল।

    আড়ষ্ট চোখে দেখলুম, নর্তকীর সেই প্রতিমূর্তিটা টেবিলের ওপর থেকে মাটিতে উপুড় হয়ে সটান পড়ে আছে, আর তারই তলায় বিনোদের দেহ নিথর হয়ে রয়েছে!

    সবাই মিলে ধরাধরি করে পাথরের সেই ভারী মূর্তিটি বিনোদের ওপর থেকে তুলে ফেললুম। বিনোদের বুকে হাত দিয়ে দেখলুম, সে বেঁচে আছে।

    তখনই ডাক্তার ডেকে আনা হল।

    সেই মূর্তির চাপে বিনোদের দেহ আষ্টেপৃষ্টে থেঁৎলে গিয়েছিল। অনেক কষ্টে সে প্রাণে বাঁচল বটে, কিন্তু তার মাথা একেবারে খারাপ হয়ে গেল। এখন তার কাছে গেলে সে ক্রমাগত বলতে থাকে, পাষাণীর স্পর্শে বুক তার পাষাণ হয়ে গেছে।

    আট

    রমেশ চুপ করিল। খানিকক্ষণ শ্রোতারা কেউ কোনো কথা কহিল না।

    তারপর যোগেশ আপনার নিবন্ত বিড়িতে খুব একটা জোর টান মারিয়ে বলিল, ‘সে লক্ষ্মীছাড়া মূর্তিটার কী হল?’

    রমেশ বলিল, ‘তাকে ভেঙে গুঁড়ো করে ফেলে দিয়েছি।’

    সুরেশ বলিল, ‘সেটা নিশ্চয়ই ভৌতিক মূর্তি, নইলে—’

    রমেশ বাধা দিয়া বলিল, ‘না, আমি ভূত মানি না।’

    ‘তাহলে বিনোদের অমন দশা হল কেন?’

    মূর্তিটা বোধ হয় কোনো গতিকে তার ঘাড়ের ওপর পড়ে গিয়েছিল। এর মধ্যে ভৌতিক কী আছে?’

    ‘তবে সেটাকে ভাঙলে কেন?’

    ‘তারই জন্যে আমার বন্ধুর অমন অবস্থা হল, সেই রাগে… কিন্তু মূর্তিটাকে ভাঙবার সময়েও আর এক কাণ্ড ঘটে। চাকররা যখন হাতুড়ি দিয়ে মূর্টিতার ওপরে ঘা মারছিল, তখন হঠাৎ তার গা থেকে একখানা ভাঙা পাথর ঠিকরে একটা চাকরের কপালে গিয়ে এমনি জোরে লাগে যে, সে তখনি অজ্ঞান হয়ে ঘুরে পড়ে যায়।

    উমেশ কপালে চোখ তুলিয়া বলিল, ‘কী ভয়ানক! তবু তুমি বলতে চাও, এটা ভৌতিক ব্যাপার নয়?’

    রমেশ উঠিয়া দাঁড়াইয়া বলিল, ‘না, আমি ভূত মানি না।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিশোর সাহিত্য সম্ভার – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article ভূত ৭৩ – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }