Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয় সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প498 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অদৃশ্যের কীর্তি

    এক

    বিমল আর কুমারের জন্যে ভৃত্য রামহরি যখন বৈকালী চা নিয়ে এল, কুকুর বাঘা তখন টেবিলের তলায় কুণ্ডলী পাকিয়ে শুয়ে সেইসব স্বপ্ন দেখছিল, কুকুর ছাড়া আর কেউ যে স্বপ্ন দেখতে পারে না।

    কিন্তু রামহরি চা আনবামাত্র বাঘার ঘুম চট করে ভেঙে গেল। সে প্রথমে মাথা তুললে, তারপর চায়ের টেবিলের দিকে মুখ ফিরিয়ে দুই-তিন বার নাক কুঁচকে গন্ধ নিয়েই টের পেলে, চায়ের সঙ্গে আজ চপ, কাটলেট, ওমলেট বা আমিষের কোনো সম্পর্কই নেই! অতএব বাঘা আর অকারণে চতুষ্পদে ভর দিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে শরীরকে কষ্ট দিতে চাইলে না। সে আবার চোখ মুদে স্বপ্নলোকে ফিরে গেল।

    সসার স্যান্ডউইচ সহযোগে বিমল ও কুমার পেয়ালার চা শেষ করতেই নীচে থেকে ডাক শোনা গেল, ‘বিমলবাবু! কুমারবাবু! বাড়িতে আছেন নাকি?’

    কুমার বললে, ‘ইন্সপেক্টর সদানন্দবাবুর গলা না? রামহরি, ওঁকে ওপরে নিয়ে এসো।’

    সদানন্দবাবু ভিতরে এসে দাঁড়ালেন। তাঁর মুখের ওপর স্পষ্ট ফুটে উঠেছে অত্যন্ত দুর্ভাবনার চিহ্ন।

    বিমল শুধোলে, ‘ব্যাপার কী সদানন্দবাবু? কোনো শক্ত মামলা ঘাড়ে পড়েছে নাকি?’

    চেয়ারের ওপরে বসে পড়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সদানন্দবাবু বললেন, ‘হাঁ, একটা শক্ত মামলায় জড়িয়ে পড়েছি বটে, কিন্তু এ মামলায় পুলিশ না ডেকে রোজা ডাকাই উচিত।’

    কুমার বললে, ‘তার মানে? ব্যাপারটা ভৌতিক নাকি?’

    বিমল বললে, ‘পুলিশ কেস নিয়ে আমাদের কথা কওয়া উচিত নয়, কারণ গোয়েন্দাগিরির কিছুই আমরা জানি না। কিন্তু ব্যাপারটা যদি ভৌতিক হয়, তাহলে তা নিয়ে আমরা আলোচনা করতে রাজি আছি।’

    সদানন্দবাবু বললেন, ‘তাহলে আপনিও ভূত মানেন?’ বিমল ভুরু কুঁচকে বললে, ‘ভূত? মোটেই নয় মশাই, মোটেই নয়! কিন্তু ভূতের গল্প শুনতে আমি ভারি ভালোবাসি!’

    সদানন্দবাবু বললেন, ‘ভূত-টূত আমিও মানতুম না মশাই। কিন্তু যে বেয়াড়া মামলায় পড়েছি, সেটাকে ভৌতিক ছাড়া আর কী বলব বুঝতে পারছি না।’

    বিমল বললে, ‘আপাতত হাতে কাজ নেই। আপনার ভূতের গল্প মন্দ লাগবে না। বলুন।’

    দুই

    সদানন্দবাবু বলতে লাগলেন

    ভূতের দৌরাত্ম্যের কথা প্রায়ই শোনা যায়। অমুক বাড়িতে চারিদিক থেকে ইট-পাটকেল পড়ছে, নানারকম গোলমাল হচ্ছে— এমনি সব অভিযোগ প্রায়ই থানায় আসে। কিন্তু সদলবলে তদন্ত করতে গিয়ে প্রায়ই আমরা আবিষ্কার করি যে, সেসব উৎপাতের মূলে আছে পাড়ার সব দুষ্টু লোক। ভেবেছিলুম, এবারের ব্যাপারটাও সেই শ্রেণির।

    অভিযোগ এসেছে জোড়াসাঁকোর চৌধুরি বাড়ি থেকে। চৌধুরিরা হচ্ছেন কলকাতার বনেদি পরিবার, তাঁদের বসত বাড়ির বয়স দেড়শো বছরের কম হবে না। বাড়িতে ভূতের উৎপাতের কথা কখনো শোনা যায়নি।

    কিন্তু কিছুদিন থেকে সেখানে হঠাৎ যেসব কাণ্ড শুরু হয়েছে তা অত্যন্ত আশ্চর্য! আচম্বিতে দুমদাম করে জানলা-দরজা খুলে যায়, টেবিল চেয়ারগুলো জ্যান্ত হয়ে ঘরময় ছুটোছুটি আর পরস্পরের সঙ্গে ঠোকাঠুকি করে ভেঙে খান-খান হয়ে যায়, যাদের শূন্যে ওড়বার কথা নয়, সেইসব বাসন-কোশন শূন্যে উঠে পাখির মতো খানিক এদিক-ওদিক করে আবার মাটির ওপরে আছড়ে পড়ে। অথচ কারা যে এসব কাণ্ড করছে, তা দেখা কী বোঝা যায় না। ধনী চৌধুরির বাড়ির সর্বত্র শিখ-গুর্খা দ্বারবানের পাহারা, কিন্তু অদৃশ্য শত্রুর কীর্তি দেখে তারা দস্তুরমতো হতভম্ব হয়ে গেছে।

    খবর পেয়ে চৌধুরি বাড়িতে গিয়ে হাজির হলুম। তখন সকাল বেলা, দিনের আলোয় কোনোদিকে আবছায়া নেই। আমি বাড়ির চারিদিকে পাহারাওয়ালাদের দাঁড় করিয়ে দিলুম, তাদের ওপরে হুকুম রইল, কারুকে যেন বাড়ির ত্রিসীমানার মধ্যে আসতে না দেয়।

    তারপর বাড়ির ভিতরে ঢুকলুম। সর্বপ্রথমেই আমাকে ভয়াবহ অভ্যর্থনা করলে একখানা থান ইট। কোথা থেকে কে যে ছুড়লে কিছুই বুঝতে পারলুম না। কিন্তু ইটখানা শোঁ করে আমার মাথার ওপর দিয়ে চলে গিয়ে দুম করে দেয়ালের ওপরে গিয়ে পড়ল।

    চৌধুরিদের কর্তা বগলাবাবু বললেন, ‘দেখলেন তো?’

    আমি মাথা বাঁচাবার জন্যে তাড়াতাড়ি সামনের একটা ঘরে ঢুকে পড়ে বললুম, ‘এই কাণ্ড কি সর্বদাই হচ্ছে?’

    ‘সর্বদাই! স্থান-কাল-পাত্র নেই, বাড়ির যেখানে মানুষ থাকে সেইখানেই উপদ্রব। কিন্তু উপদ্রবে আমাদের প্রাণ এরই মধ্যে যায়-যায় হয়ে উঠেছে। ঘরের কোনো দরজা বন্ধ রাখবার উপায় নেই, ভিতর থেকে বন্ধ করলে দরজার খিল কখনো আপনি খুলে যায়, কখনো বাইরে থেকে এমন ধাক্কার-পর-ধাক্কা পড়তে থাকে যে আমরাই খুলে না-দিয়ে পারি না; অথচ দেখতে পাই না কারুকেই! বাড়ির আসবাবপত্তর ভেঙে তছনছ হয়ে যাচ্ছে, চোখের সামনে এই ঘরেরই অবস্থা দেখুন না।’

    ঘরের ভিতর তাকিয়ে দেখলুম, চারিদিকে বিশৃঙ্খলা। কোথাও একখানা প্রকাণ্ড দেয়াল-আয়না মেঝের ওপর চুরমার হয়ে রয়েছে, কোথাও একখানা ভাঙা চেয়ার বা ওলটানো টেবিল, আবার কোথাও-বা ছিঁড়ে-পড়া আলোর ঝাড়ের টুকরো ছড়ানো।

    একদিকে তখনও দু-খানা আস্ত চেয়ার ছিল। আমি বসবার জন্যে তাদের একখানার দিকে অগ্রসর হলুম।

    হঠাৎ চেয়ারখানা জীবন্ত হয়ে এমন অপূর্ব তাণ্ডব নাচ শুরু করে দিলে যে, উদয়শঙ্করও দেখলে অবাক হয়ে হার মানতেন! আমি যতই তাকে হাতে-নাতে গ্রেপ্তার করবার চেষ্টা করি, সে ততই আমার হাত ছাড়িয়ে নাচতে নাচতে এঁকে-বেঁকে তফাতে সরে যায়!

    তখন হার মেনে চেয়ারখানাকে ছেড়ে আমি তাড়াতাড়ি পিছিয়ে এসে ঘরের দরজায় খিল লাগিয়ে দিয়ে বললুম, ‘ঘরের ভিতর যদি কেউ এসে থাকে, তাহলে দেখি সে কেমন করে বেরিয়ে যায়’ বলেই বন্ধ দ্বারের ওপরে পিঠ রেখে দাঁড়ালুম।

    আমার মুখের কথা ফুরোতে-না-ফুরোতেই নৃত্যশীল চেয়ারখানা সশব্দে আমার বদলে মেঝের উপর পড়ে ভেঙে গুঁড়ো হয়ে গেল! পরমুহূর্তেই শুনলুম, খিল খোলার ও দড়াস করে দরজা খোলার শব্দ! ফিরে দেখি, যে দরজা স্বহস্তে বন্ধ করে দিয়েছি আবার তা খুলে গেছে— অর্থাৎ ঘরের ভিতর যাকে বন্দি করতে চেয়েছিলুম সে আর ঘরের ভিতর নেই!

    বগলাবাবু শুকনো গলায় বললেন, ‘দেখছি আজ থেকে মানুষেরও ওপর আক্রমণ আরম্ভ হল!’

    ‘নাঃ, এ বাড়িতে আর থাকা চলে না!’—

    আমি বললুম, ‘রহস্য এখনও আমি বুঝতে পারছি না। বগলাবাবু, আমাকে বাড়ির সব ঘর একে একে দেখান দেখি!’

    প্রথমে বাড়ির একতলায় ঘরগুলো পরীক্ষা করতে লাগলুম। সাত-আট খানা ঘর পরীক্ষা করবার পর একখানা অদ্ভুত ঘর দেখলুম, একটিমাত্র দরজা ছাড়া তার কোথাও কোনো জানলা নেই। সে যেন গুহাঘর!

    বগলাবাবু বললেন, ‘এখানা হচ্ছে কর্তাদের আমলের ঘর। এমন অন্ধকূপ তাঁরা যে কেন তৈরি করিয়েছিলেন কেউ তা জানেন না। আমি এটাকে গুদাম ঘর করে রেখেছি।’

    ঘরে ঢুকে দেখলুম, তার ভিতরে রয়েছে অনেক পুরোনো আসবাব ও যজ্ঞিবাড়িতে ব্যবহার করবার জন্যে বড়ো বড়ো কড়া, পিতলের হাঁড়ি, থালা ও গামলা প্রভৃতি তৈজস পত্র।

    আমি জিজ্ঞাসা করলুম, ‘খালি ঘরে উপদ্রব হয় না?’

    বগলাবাবু বললেন, ‘নাঃ, আগেই তো বলেছি, যেখানে মানুষ থাকে না, সেখানে উপদ্রবও হয় না। ঘরের মেঝেতে কীরকম পুরু ধুলো জমে আছে, দেখছেন তো? এঘরে আমরা আসি কালে-ভদ্রে কদাচ! কিন্তু ও কী! দেখুন, দেখুন!’ বলেই তিনি অঙ্গুলি নির্দেশে দরজার নীচের দিকটা দেখিয়ে দিলেন।

    স্তম্ভিত নেত্রে দেখলুম, দরজার সামনেই ধূলিধূসরিত মেঝের ওপরে দাগের-পর-দাগ পড়েছে। সে দাগ কী করে কেন হচ্ছে জানি না। সেগুলো ঠিক যেন চোখের অগোচর শূন্য থেকে ঝরে পড়ছে আর ঝরে পড়ছে! সে দাগগুলি যদি পায়ের দাগ হয় তাহলে তেমন অদ্ভুত পায়ের দাগ আমি জীবনে দেখিনি! কেউ যেন ঠিক হাতের মতো দেখতে অদৃশ্য পায়ের আঙুলগুলো ছড়িয়ে পাঁচ আঙুলের ডগায় ভর দিয়ে হেঁটে ঘরের ভিতর ঢুকছে!

    আমরা দু-জনেই আতঙ্কে শিউরে উঠে ঘরের বাইরে এসে দাঁড়ালুম এবং সেখান থেকেই পেলুম সেই আঙুল ছড়ানো হাতের মতো, অদৃশ্য পায়ের ভীষণ দাগগুলো আবার বাইরের দিকে এগিয়ে আসছে। পদশূন্য পদচিহ্ন!

    আমি কাপুরুষ নই, পুলিশে চাকরি নিয়ে অনেক গুন্ডা, খুনে আর ডাকাতের সঙ্গে নির্ভয়ে লড়াই করেছি। ভূত প্রেতও কখনো মানিনি। কিন্তু স্পষ্ট দিনের বেলায় এই অপার্থিব দৃশ্য স্বচক্ষে দেখে আর সেখানে দাঁড়িয়ে থাকতে ভরসা হল না। কোনোরকমে সপ্রতিভ ভাব বজায় রেখে তাড়াতাড়ি সেখান থেকে সরে পড়লুম।

    ‘এখন বলুন বিমলবাবু, একী ভৌতিক কাণ্ড, না ভোজবাজি, না আমরা জেগে-জেগেই স্বপ্ন দেখেছি?’

    তিন

    বিমল অনেকক্ষণ চুপ করে ভাবতে লাগল।

    তারপর বললে, ‘সদানন্দবাবু, আমি ভূত মানি না।’

    ‘তবে এসব কী?’

    ‘পরে হয়তো বলতে পারব। আপাতত একটা কাজ করতে পারেন।’

    ‘কী কাজ, বলুন?’

    ‘বগলাবাবুকে গিয়ে বলুন, যেখানে পায়ের দাগ দেখেছেন, সেই গুদোমঘরের দরজার সামনে তিনি যেন একটা খুব মজবুত কলাপসিবল গেট লাগিয়ে দেন।’

    ‘তাতে লাভ?’

    ‘পরে বুঝতে পারবেন।’

    দুই দিন পর সদানন্দবাবু এসে বললেন,

    ‘বিমলবাবু, আপনার কথামতো কাজ করা হয়েছে, যদিও আপনার এ খেয়ালের কোনোও অর্থই হয় না।’

    বিমল হেসে বললে, ‘আমার খেয়াল নিয়ে ভেবে আপনি মাথা খারাপ করবেন না সদানন্দবাবু। চলুন, এখন আমরা বগলাবাবুর বাড়িতে যাই। কুমার, তুমিও আসবে নাকি?’

    কুমার বললে, ‘সে কথা আবার বলতে? তুমি আর আমি হচ্ছি কায়া আর ছায়া!’

    বগলাবাবুর মস্ত বড়ো অট্টালিকার কাছে গিয়ে দেখলে, বাড়ির সামনে কৌতূহলীদের বিষম জনতা! ভিড় ঠেলে বাড়ির ভিতরে ঢুকে দেখলে কয়েক জন প্রেততত্ত্ববিদ ও খবরের কাগজের রিপোর্টার প্রশ্নের-পর-প্রশ্নে বগলাবাবুকে ব্যতিব্যস্ত করে তুলেছে।

    সদানন্দবাবু বিমলের সঙ্গে বগলাবাবুর পরিচয় করিয়ে দিলেন। বিমল বললে, ‘আমি প্রথমেই আপনাদের গুমোদঘরে যেতে চাই।’

    বগলাবাবু বললেন, ‘আসুন, এই পথে।’

    একতলার দালান দিয়ে এগুতে-এগুতে বিমল জিজ্ঞাসা করলে, ‘আচ্ছা বগলাবাবু, খালি ঘরে কি কোনো উপদ্রবই হয় না?’

    ‘না। যেখানে মানুষ যায়, ভূত যেন সেখানেই তার পিছু নেয়। সে যেন আমাদের চোখের সামনে ভয় দেখিয়ে এ বাড়ি থেকে তাড়াতে চায়! ওই দেখুন, কী কাণ্ড!’

    দালানের দেয়ালে একটা মস্ত গোল ঘড়ি ঠাঙানো ছিল, হঠাৎ সেটা দেয়াল থেকে খসে মাটিতে পড়ে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেল। প্রেততত্ত্ববিদরা ও কাগজের রিপোর্টাররা প্রাণপণে পদচালনা করে এক মুহূর্তে সেখান থেকে অদৃশ্য হল।

    কুমার বললে, ‘আমি তো তাই চাই!’

    বগলাবাবু থমকে দাঁড়িয়ে পড়ে বললেন, ‘এই আমার গুদোমঘর। আপনাদের কথামতো দরজার পাল্লার সঙ্গেই আমি কলাপসিবল গেটটা তৈরি করে দিয়েছি। কিন্তু এতে কী উপকার হবে জানি না।’

    গেটটা খুলে পরীক্ষা করতে করতে বিমল বললে, ‘পৃথিবীতে সত্যিই যদি অশরীরী ভূত থাকে তাহলে কোনো উপকারেই হবে না; কিন্তু—’ মুখের কথা শেষ না-করেই সে ঘরের ভিতর গিয়ে দাঁড়াল।

    ঘরটি মাঝারি। কোথাও জানলা নেই বলে ভিতর দিকটা দিনের বেলাতেই অন্ধকার, চোখ চলে খালি দরজার কাছেই।

    সদানন্দবাবু অঙ্গুলি নির্দেশ করে বললেন, ‘এই দেখুন বিমলবাবু, সেই দাগগুলো—’

    পুরু ধুলোর ওপরে মানুষের পায়ের দাগের সঙ্গে আরও যে চিহ্নগুলো রয়েছে তাদের পদচিহ্ন বলে সন্দেহ হয় না, কারণ মানুষ বা পশু কোনো জীবেরই পায়ের দাগ সেরকম নয়! দুই হাতের আঙুল ছড়িয়ে আঙুলের ডগাগুলো ধুলোর ওপরে রাখলে এইরকম দাগ হতে পারে বটে। কিন্তু কেবল দুই হাতে ভর দিয়ে মানুষ তো হাঁটে না!

    হঠাৎ চেঁচিয়ে উঠল সদানন্দবাবু, ‘বিমল, বিমল! এই দ্যাখো, ধুলোর ওপরে আবার নতুন দাগের সৃষ্টি হচ্ছে!’

    সবাই আড়ষ্ট ও স্তব্ধ হয়ে দেখতে লাগল, জোড়া জোড়া দাগ ঘরের অন্ধকারের দিকে অগ্রসর হয়ে গেল। তারপরেই এক প্রকাণ্ড একটা পিতলের গামলা তুলে মাটির ওপরে আছড়ে ফেললে, সশব্দে!

    বিমল বলে উঠল, ‘শিগগির সবাই বাইরে চলুন!’

    এক এক লাফে প্রত্যেকেই বাইরে এসে পড়ল। বিমল ক্ষিপ্র হস্তে কলাপসিবল গেট টেনে বড়ো বড়ো দুটো তালা লাগিয়ে ও দরজার পাল্লা বন্ধ করে দিলে!

    তারপরেই ঘরের ভিতরে জেগে উঠল সে কী কান ফাটানো অমানুষিক ক্রুদ্ধ গর্জন এবং সঙ্গে-সঙ্গে বদ্ধ দরজার ওপরে ভীষণ ধাক্কার-পর-ধাক্কা! সেরকম বীভৎস ও রক্ত-ঠান্ডা-করা গর্জন পৃথিবীর কোনো জীবের কণ্ঠেই কেউ কখনো শোনেনি। সে যেন একসঙ্গে সিংহ, বন্য মহিষ ও অজগরের উন্মত্ত চিৎকার!

    বিমল বিপুল আনন্দে বলে উঠল, ‘যা ভেবেছি, তাই! বগলাবাবু, আর কেউ আপনাদের ওপরে অত্যাচার করবে না, শত্রু এখন বন্দি!’

    ‘তার মানে?’

    ‘বৈঠকখানায় চলুন। বুঝিয়ে বলছি।’

    চার

    সকলে বৈঠকখানায় গিয়ে বসল। বিমল বলতে লাগল

    আমি ভূত মানি না।

    প্রায়ই শুনি ভূতের অত্যাচারের গল্প। তাকে দেখা যায় না, অথচ সে ঢিল ছোড়ে, জিনিসপত্তর ভাঙে, চ্যাঁচায় বা নানান শব্দ করে। আমার বরাবরই বিশ্বাস ছিল, এসব ভূতের কীর্তি নয়। আজ সেই বিশ্বাস দৃঢ় হল।

    সদানন্দবাবুর মুখে যখনি শুনলুম, এখানে যে উপদ্রব করছে তাকে দেখা যায় না বটে, কিন্তু ঘরের ভিতরে আসতে বা ঘর থেকে বেরুতে হলে তার দরজার দরকার হয়। তখনি বুঝলুম এসব উপদ্রবের মূলে আছে কোনো অদৃশ্য জীব। আর ঘরে পুরে দরজা বন্ধ করলেই তাকে আটক করা যাবে।

    অদৃশ্য জীবের কথা শুনে আশ্চর্য হবেন না। বাতাসও অদৃশ্য, কিন্তু আমরা তার অস্তিত্ব অনুভব করি। অদৃশ্য হলেও মৃদু বাতাস হালকা নিরেট জিনিস নিয়ে ছোড়াছুড়ি করতে পারে। বাতাস যখন ঝড় হয়ে দাঁড়ায় তখন সে বাড়িঘরও উড়িয়ে নিয়ে যেতে পারে। মরুভূমির বালির ওপরে বাতাস কতরকম দাগ কাটে, তাকে বাতাসের পদচিহ্ন বললে ভুল হয় না। অদৃশ্য বাতাসের পক্ষে যা সম্ভব অদৃশ্য জীবের পক্ষেও তা অসম্ভব নয়। ফুটবলের ভিতরে বাতাসকে বন্দি করা যায়, এই অদৃশ্য জীবকেও আজ আমি ঘরের ভিতরে দরজা বন্ধ করে বন্দি করেছি।

    বিরাট বিশ্বে গ্রহে-উপগ্রহে কত রহস্যময় জীব আছে। মানুষের অসম্পূর্ণ জ্ঞান এখনও তা আবিষ্কার করতে পারেনি। হিমালয়ের দানব-মানুষের কথা সবে জানা গিয়েছে। মঙ্গল গ্রহেও নূতন এক জীবের কথা সবে প্রকাশ পেয়েছে। সুতরাং চন্দ্র বা অন্যান্য গ্রহে কোনোরকম জীব নেই একথা জোর করে বলা চলে না। কে জানে তাদের কেউ কেউ হয়তো মাঝে মাঝে পৃথিবীতে বেড়াতে আসে, আর আমরা তাদের ভূত ভেবে ভয় পাই।

    বগলাবাবু, আপনাদের বিভীষিকাকে আমি বন্দি করেছি। বেশি দিন ওখানে বন্ধ থাকলে হয়তো সে অনাহারে মারা পড়বে। তাকে মুক্তি দিলেও হয়তো সে আপনাদের আক্রমণ করবে। অতএব আপনাদের কর্তব্য আপনারাই স্থির করুন, আমি এখন বিদায় হলুম— নমস্কার মশাই, নমস্কার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিশোর সাহিত্য সম্ভার – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article ভূত ৭৩ – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }