Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয় সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প498 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জাগ্রত হৃৎপিণ্ড

    সত্য! মন আমার অশান্ত— অতি, অতিশয় অশান্ত! কিন্তু কেন তোমরা আমাকে পাগল মনে করবে? ব্যাধি আমার অনুভূতিকে নষ্ট করতে পারেনি, বরং প্রখর করে তুলেছে অধিকতর। আমার শ্রবণশক্তির তীক্ষ্নতা যথেষ্ট! স্বর্গের আর মর্তের সব কিছুই আমি শুনতে পাই। কানে শুনি নরকেরও অনেক কথাই। তবু কি বলবে আমি পাগল? শোনো! কেমন শান্তভাবে গুছিয়ে গুছিয়ে আমার কথা বলব তোমাদের কাছে।

    আমার মগজে এমন কথা জাগল কেন, তার কারণ নির্দেশ করা অসম্ভব। কিন্তু কল্পনাটা আমাকে ভূতের মতো পেয়ে বসেছিল— কিবা রাত্রি, কিবা দিন! উদ্দেশ্য ছিল না কিছুই, ছিল না কোনো ক্রোধের উত্তেজনা।

    বুড়োকে আমি ভালোই বাসতুম। কখনো সে আমার কোনো অপকারই করেনি। কখনো তার কাছে আমি অপমানিত হইনি। তার টাকাকড়ির ওপরেও আমার কোনো লোভ ছিল না।

    কিন্তু একটা কারণ আছে বোধ হয়। তার ওই চোখটা! হ্যাঁ, তাই-ই বটে, তাই-ই বটে! তার একটা চোখ দেখতে ছিল শকুনের মতো এবং তার ওপরে ছিল ছানির মতো পাতলা পর্দা। সেই চোখটা দিয়ে যখন সে তাকিয়ে দেখত আমার পানে, তখন যেন জল হয়ে যেত আমার বুকের রক্ত! ক্রমে সেটা হয়ে উঠত অসহনীয়, মনে মনে আমি স্থির করে ফেললুম, বুড়োকে মেরে একেবারে ঘুচিয়ে দেব ওই চোখের ঝঞ্ঝাট!

    কারণ আর কিছুই নয়। তোমরা আমাকে পাগল ভাবছ? কিন্তু তখন আমাকে দেখলেই বুঝতে পারতে যে, কতদিকে নজর রেখে কত সাবধানে আমি কাজ হাসিল করেছি কত বড়ো চালাকের মতো! হত্যাকাণ্ডের এক হপ্তা আগে থেকেই বুড়োর সঙ্গে কী মিষ্টি ব্যবহারই করেছি!

    আমরা এক বাসাতেই থাকতুম। প্রতিদিন ঠিক রাতদুপুরে তার ঘরের দরজা ঠেলে খুলতুম; কিন্তু কত যে ধীরে ধীরে, তা আর কহতব্য নয়! দরজা অল্প একটু ফাঁক করে প্রথমে আস্তে আস্তে গলিয়ে দিতুম কেবল আমার মাথাটা। সমস্ত মুখখানা ঘরের ভেতরে নিয়ে যেতে আমার সময় লাগত ঝাড়া একঘণ্টা! পাগল কখনো এত সাবধান হতে পারে?

    আমার হাতে থাকত একটা চোরা লন্ঠন। দরজার কাছে দাঁড়িয়েই লন্ঠনের খুব ছোট্ট একফালি আলো খুলে ফেলতুম বুড়োর সেই শকুন-চোখের ওপরে। কিন্তু উপরি-উপরি সাত-সাতটা রাত এই কাণ্ড করেও সেই শকুন-চোখটাকে খোলা অবস্থায় পেলুম না। চোখটা বন্ধ থাকলে আমি কাজ করি কেমন করে? হতাশ হয়েও আমার কিন্তু বুড়োর ওপরে একটুও রাগ হত না, খাপ্পা হয়ে উঠতুম কেবল সেই অপয়া চোখটারই ওপরে। কেন সে বন্ধ হয়ে থাকে, কেন?

    রোজ সকালেই আবার যেতুম বুড়োর ঘরে। এমন ভালোমানুষটি সেজে তার সঙ্গে মন খুলে গল্প করতুম আর মন-রাখা কথা কইতুম, ঘুণাক্ষরেও সে সন্দেহ করতে পারেনি যে, প্রতি রাত্রে ঘরে ঢুকে আমি তাকে দেখি ঘুমন্ত অবস্থায়!

    তারপর অষ্টম রাত্রি! সেদিন হয়েছিলুম আমি আরও বেশি সাবধান! এমন ধীরে ধীরে ঘরের মধ্যে ঢুকেছিলুম যে, ঘড়ির মিনিটের কাঁটার গতিও ততটা মন্থর হতে পারে না। একটু-একটু করে এগিয়ে যাচ্ছি— পা মাটিতে পড়ছে কি জানি না!

    তবু বুঝি বুড়ো শুনতে পেলে! সে যেন হঠাৎ ধড়ফড় করে জেগে উঠল!

    ভাবছ তখুনি আমি পালিয়ে এলুম? মোটেই নয়! ঘরের ভেতরে কালো পিচের মতো অন্ধকার। ঠান্ডা লাগবার ভয়ে সব জানলা বন্ধ। বুড়ো ফাঁক-করা দরজাটা দেখতে পেল না। আমি চোরা-লন্ঠনের টিনের দরজাটা খুলি-খুলি করছ —বুড়ো হঠাৎ সশব্দে বিছানার ওপরে উঠে বসে সচমকে বললে, ‘কে, কে ওখানে?’

    আমি চুপ! প্রায় ঘণ্টা খানেক সেইখানেই স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইলুম। বুড়োও নিঃসাড়, আবার শুয়ে পড়ল বলেও মনে হল না। বোধ হয় সে বসে বসে কান পেতে শুনছে!

    তারপরেই বুড়ো গোঁ-গোঁ শব্দ করে উঠল। সে হচ্ছে দারুণ আতঙ্কের শব্দ! তা দুঃখ বা যাতনার ধ্বনি নয়, মানুষ মারাত্মক ভয় পেলেই চাপাগলায় এমন আর্তনাদ করে এবং সে ধ্বনি আসে একেবারে অন্তরাত্মার ভেতর থেকেই। আমি ও ধ্বনিকে ভালো করেই জানি। বহু রাত্রে— ঠিক মধ্যরাত্রে, সারা পৃথিবী যখন ঘুমন্ত, আমার আতঙ্কগ্রস্ত অন্তরাত্মার ভেতর থেকে ঠিক ওইরকম আর্তধ্বনি ও তার ভয়াবহ প্রতিধ্বনি শুনতে পেয়েছি— আমি শুনতে পেয়েছি! হ্যাঁ, ও-ধ্বনিকে আমি খুব চিনি! বুড়োর মনের ভাব বুঝতে আমার বিলম্ব হল না।

    কিছু-একটা শব্দ শুনে সেই যে সে জেগে উঠেছে, এখনও আর ঘুমোতে পারেনি। বেড়ে উঠছে— ক্রমেই বেড়ে উঠছে তার আতঙ্ক! ‘যা শুনেছি, ভুল শুনেছি’— এই বলে সে নিজের মনকে প্রবোধ দেওয়ার চেষ্টা করছে, কিন্তু পারছে না।

    কখনো ভাবছে, ‘বোধ হয় বাতাসের শব্দ। নয়তো ইঁদুররা চলাফেরা করছে। হয়তো কোথা থেকে একটা ঝিঁঝিপোকা ডেকে উঠেছে!’

    কিন্তু বৃথা— বৃথা! কোনো যুক্তিতেই সে মনকে বোঝাতে পারছে না। তা পারবে কেন? মৃত্যু যে তার শিয়রে এসে দাঁড়িয়েছে— কালো ছায়াপাত করেছে তার মনের ভেতরে! তাই ঘরের ভেতরে যদিও সে কিছু দেখতে পাচ্ছে না, কিছু শুনতে পাচ্ছে না, তবু সে অনুভব করতে পারে আমার উপস্থিতি।

    বহুক্ষণ অপেক্ষা করার পরও যখন দেখলুম, আজ রাত্রে বুড়োর চোখে ঘুম আসা আর অসম্ভব, তখন স্থির করলুম চোরা লন্ঠনের টিন সরিয়ে একফালি আলো বাইরে ফেলা দেখা যাক, ব্যাপারটা কী দাঁড়ায়! তাই করলুম, কিন্তু কত, কত চুপি চুপি যে করলুম তোমরা তা আন্দাজ করতে পারবে না। বাইরে বেরিয়ে এল একগাছি লতাতন্তুর মতো সূক্ষ্ম আলোকরেখা।

    এবং সে আলোককণা গিয়ে পড়ল একেবারে বুড়োর শকুন-চোখের ওপরেই!

    চোখটা আজ আর বন্ধ নয়, ড্যাব-ড্যাব করে তাকিয়ে আছে! সঙ্গে-সঙ্গে খাপ্পা হয়ে উঠলুম আমি। সেই ছানির মতো পর্দা-পড়া বিশ্রী শকুন-চোখ, যা দেখলেই আমার দেহের অস্থিমজ্জার ভেতর দিয়ে বয়ে যায় কনকনে তুষারস্রোত! বুড়োর মুখ বা দেহের কিছুই আমি দেখতে পাচ্ছিলুম না, কিন্তু আলো গিয়ে পড়েছে যথাস্থানেই!

    সেইসময়ে আমার কানে এল একটা শব্দ। একটা নিম্ন, চাপা, দ্রুত ধ্বনি— ঘড়িকে তুলো দিয়ে ঢেকে রাখলে যেমন শব্দ হয়। ও শব্দও আমার অজানা নয়। ও হচ্ছে বুড়োর হৃৎপিণ্ডের দুপদুপুনি! দামামা বাজলে সৈনিক যেমন চাঙ্গা হয়ে ওঠে, আমাকেও তেমনি জাগ্রত করে তুললে সেই শব্দ!

    কিন্তু তখনও আমি নিশ্চল হয়ে দাঁড়িয়ে রইলুম মূর্তির মতো। আমার হাত একটুও কাঁপছে না, স্থির হয়ে আছে শকুন-চোখের ওপরে নিক্ষিপ্ত আলোকরেখা। ইতিমধ্যে হৃৎপিণ্ডের সেই দুপ-দুপ শব্দ বেড়ে উঠেছে ক্রমে-ক্রমে— বোধ হয় চরমে উঠেছে বুড়োর আতঙ্ক! শব্দ বাড়ছে, আরও বাড়ছে মুহূর্তে-মুহূর্তে! গোড়াতেই বলেছি, মন আমার অশান্ত। সত্যই তাই। সেই নিশুত রাত, সেই পুরাতন বাড়ির নিদারুণ স্তব্ধতার মধ্যে হৃৎপিণ্ডের সেই অদ্ভুত শব্দ আতঙ্কে আচ্ছন্ন করে তুললে আমার প্রাণমনকেও। তবুও আরও কিছুক্ষণ আমি অপেক্ষা করলুম।

    কিন্তু কী মুশকিল— দুপ-দুপ দুপ-দুপ দুপ-দুপ! শব্দ যে ক্রমেই উচ্চতর হয়ে উঠছে! এইবারে হয়তো ফেটেই যাবে ওর হৃৎপিণ্ডটা! একটা নতুন দুশ্চিন্তা আমাকে করলে আক্রমণ। যদি কোনো প্রতিবেশী শব্দটা শুনতে পায়? না, আর দেরি নয়! বুড়োর শেষমুহূর্ত উপস্থিত!

    প্রচণ্ড চিৎকার করে চোরা-লণ্ঠনের আবরণ সরিয়ে ফেলে এক লাফে আমি বুড়োর বিছানার কাছে গিয়ে পড়লুম। বুড়োও বিকট চিৎকার করে উঠল— কিন্তু মাত্র একবার! পরমুহূর্তেই তাকে আমি টেনে এনে মাটির ওপরে পেড়ে ফেললুম, তারপর খাটের তোষক দিয়ে তার দেহটা জড়িয়ে চেপে ধরলুম প্রাণপণে। তারপর এক মিনিট, দুই মিনিট, তিন মিনিট এবং আরও কয়েক মিনিট ধরে বুড়োর কলিজাটা করতে লাগল দুপ-দুপ-দুপ! শব্দ এখন হোক-গে যাক, ঘরের দেওয়াল ফুঁড়ে তা বাইরের কোনো লোকের কানে গিয়ে পৌঁছোতে পারবে না তো!

    তারপর, থেমে গেল শব্দ। বুড়ো মরেছে। তোষক সরিয়ে তার বুকের ওপরে হাত রাখলুম। স্থির বুক। বুড়ো মরে কাঠ হয়ে গিয়েছে। স্তব্ধ রাত। খণ্ড-খণ্ড করে ফেললুম মৃতদেহটা। মেঝেয় ছিল কাঠের পাটাতন। তারই খানিকটা সরিয়ে দেহের অংশগুলো নীচে রেখে ওপরে আবার রেখে দিলুম পাটাতনের কাঠ। তারপর এমন সাবধানে কাজ করলুম যে, ঘরের কোথাও রক্তের ছিটেফোঁটা পর্যন্ত রইল না। দেখছ তো, কী চালাক আমি? হাঃ হাঃ হাঃ!

    ঘড়ি বেজে উঠল ঢং ঢং ঢং ঢং! রাত চারটে। আমার সব কাজ সমাপ্ত— আর আমাকে পায় কে?

    ঘন ঘন সদর দরজার কড়া নাড়তে লাগল অত্যন্ত জোরে-জোরে!

    নিশ্চিন্ত মনেই নীচে নেমে গিয়ে খুলে দিলুম সদর দরজা। পুলিশের লোক— ইনস্পেকটর ও পাহারাওয়ালা। ব্যাপার কী?

    এরই মধ্যে পাড়ার কেউ থানায় গিয়ে খবর দিয়েছে যে এই বাড়ির ভেতর থেকে বিকট স্বরে কে চেঁচিয়ে কেঁদে উঠেছে। পুলিশ কর্মচারীরা তাই তদন্ত করতে এসেছে।

    শুনে আমার একটুও ভয় হল না। হাসতে হাসতে বললুম, ‘দুঃস্বপ্ন দেখে আমিই ঘুমের ঘোরে চেঁচিয়ে উঠেছিলুম।’

    ‘এই বাসায় এক বৃদ্ধও থাকেন না?’

    ‘আজ্ঞে হ্যাঁ। কিন্তু কী কারণে তিনি আজ মফসসলে গিয়েছেন।’

    ‘বাড়ির ভেতরটা আমরা দেখতে চাই।’

    ‘অনায়াসেই দেখতে পারেন। আসুন আমার সঙ্গে। এই পথে।’

    নির্ভয়ে তাদের নিয়ে গেলুম একেবারে বুড়োর ঘরে। ঘরের চারদিক তন্ন-তন্ন করে খুঁজতে বললুম। ঘরে কোনো কিছু চুরি যায়নি বা তছনছ হয়নি, সেদিকেও তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলুম। নিজের হাতে চেয়ার টেনে নিয়ে এসে তাদের সামনে এগিয়ে দিলুম। এবং পাটাতনের নীচে যেখানে বুড়োর খণ্ড-বিখণ্ড দেহ আছে, ঠিক তারই ওপরে একখানা চেয়ার নিয়ে এসে আমিও বসে পড়লুম।

    আমার হাবভাব ব্যবহার নিশ্চয়ই তাদের কাছে সন্তোষজনক বলে মনে হল। তারা বসে বসে যে প্রশ্নই করে, আমি চটপট তার জবাব দিই। তারপর তাদের প্রশ্ন করা বন্ধ হল বটে, তবু সেইখানে বসে বসে তারা গল্প করতে লাগল।

    কিন্তু এইবারে আমার মনে হতে লাগল, লোকগুলো এখান থেকে বিদায় হলেই বাঁচি। আমার কানের ভেতরে জেগে উঠল একটা শব্দ! ক্রমেই শব্দটা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তার কথা ভোলবার জন্যে আমি তড়বড় করে কথা কইতে লাগলুম, তবু শব্দটা থামে না, পুলিশের লোকগুলোও নড়ে না। অবশেষে বুঝতে পারলুম যে,শব্দটার উৎপত্তি আমার কানের ভেতরে নয়।

    আমার মুখ যে বিবর্ণ হয়ে গেল, তাতে আর সন্দেহ নেই। মনের ভাব ঢাকবার জন্যে মুখে যতই জোরে কথা কই, ততই উচ্চতর হয়ে ওঠে শব্দটা। সে এক নিম্ন, চাপা, দ্রুত ধ্বনি, ঘড়িকে তুলো দিয়ে ঢেকে রাখলে যেমন শব্দ হয়। রুদ্ধ হয়ে আসতে লাগল আমার শ্বাসপ্রশ্বাস, কিন্তু তবু পুলিশের লোকগুলো সে শব্দ শুনতে পেলে না!

    শব্দ বাড়ছে, বাড়ছে, বাড়ছে। আমি উত্তেজিতভাবে হাত-পা নেড়ে যা-তা কথা বলতে শুরু করলুম, শব্দ তবু বাড়তে থাকে। ও আপদগুলো কি আজ আর বিদায় হবে না? হা ভগবান, কী করি, কী করি! ক্রমে আমি যেন পাগলের মতো হয়ে উঠলুম— কোথা থেকে আসছে ওই হৃৎপিণ্ডের দুপ-দুপ শব্দ? দুপদুপুনি বেড়ে ওঠে জোরে— জোরে— আরও জোরে!

    লোকগুলো তখনও বসে বসে গল্প করে হাসিমুখে। নিশ্চয়ই ওরা শব্দটা শুনতে পেয়েছে! নিশ্চয়ই ওরা আমাকে সন্দেহ করেছে! নিশ্চয়ই ওরা আমার আতঙ্কগ্রস্ত মুখ দেখে ব্যঙ্গ করছে মনে মনে! যা হওয়ার হোক— এ যন্ত্রণা আর সহ্য করা অসম্ভব, আর আমি সইতে পারছি না ওদের ওই কপট হাসি! আমি হয় ভীষণ চিৎকার করে উঠব, নয় এই মুহূর্তে মারা পড়ব! ওই শোনো— আবার, আবার সেই শব্দ! জোরে! আরও জোরে! আরও জোরে! আরও, আরও জোরে—

    সচিৎকারে বলে উঠলুম, ‘ওরে পাষণ্ডরা, আর তোদের ভণ্ডামি করতে হবে না! বুড়োকে খুন করেছি আমিই! পাটাতন তুলে দ্যাখ, এইখানেই আছে তার বীভৎস হৃৎপিণ্ড!’

    * এডগার অ্যালান পো লিখিত ‘The Tell-Tale Heart’ অবলম্বনে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিশোর সাহিত্য সম্ভার – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article ভূত ৭৩ – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }