Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয় সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প498 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আয়নার ইতিহাস

    বেনারসে বেড়াতে এসেছি। সঙ্গে আছেন মা ও ভাই-বোনেরা।

    অগস্ত্য কুণ্ডের সরু একটা গলির ভিতরে একখানা মাঝারি আকারের বাড়িতে আমাদের বাসা। বাড়িখানা তেতালা এবং সেকেলে। এ অঞ্চলের অধিকাংশ বাড়ির মতো এরও নীচের তালার সঙ্গে সূর্যালোকের সম্পর্ক নেই বিন্দুমাত্র। তাই একতালার ঘরগুলো আমরা ব্যবহার করতুম না।

    আমাদের বেনারসে থাকার কথা মাস-তিনেক। দু-চার দিন যেতে-না-যেতেই এখানকার জনা কয়েক লোকের সঙ্গে আলাপ হল। তাঁরা প্রায়ই আমার সঙ্গে দেখা করতে আসতেন। কাজেই একখানা বাইরের ঘর বা বৈঠকখানার দরকার হল। একদিন সকালে নীচে নেমে দেখলুম, নীচের কোনো ঘর কাজে লাগাতে পারা যায় কিনা। সদর দরজার পাশেই একখানা বড়ো ঘর পছন্দ হল। যদিও এ ঘরে চারটে জানালা ছিল, তবুও ঘরের ভিতরে বিরাজ করছিল প্রায় সন্ধ্যার অন্ধকার। কিন্তু বেনারসের বাসিন্দাদের অন্ধকার সম্বন্ধে বোধ হয় কোনো অভিযোগ নেই, অতএব এই ঘরখানাকেই বৈঠকখানার উপযোগী করবার চেষ্টায় নিযুক্ত হলুম।

    ঘরের জানালাগুলো খুলে দিয়ে দেখলুম, মাঝখানে রয়েছে একখানা চৌকি এবং পূর্ব দিকে দেওয়ালের গায়ে দাঁড় করানো রয়েছে প্রকাণ্ড একখানা ফ্রেমে বাঁধানো ছবি— নিশ্চয় বাড়িওয়ালারই সম্পত্তি।

    কিন্তু ছবিখানা ছিল পিছন ফিরানো। আমি তাকে সামনে ফেরাতে গিয়ে দেখলুম— না, এখানা তো ছবি নয়, দামি সোনালি ফ্রেমে বাঁধানো মস্ত বড়ো এক আয়না— লম্বায় পাঁচ হাত ও চওড়ায় তিন হাত। ফ্রেমের সোনালি রং নানা স্থানে চটে গিয়েছে দেখে বুঝলুম, আয়নাখানার বয়স অল্প নয়।

    এ-রকম মূল্যবান আয়না এভাবে পরিত্যক্ত হয়েছে কেন, দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তাই ভাবছি, এমন সময় আমার শখের কুকুর ঝুমি সেখানে এসে হাজির হল।

    আদর করে তাকে ডাকলুম, ‘আয় রে ঝুমি আয়।’

    ঝুমি ল্যাজ নেড়ে মনের আনন্দ জানালে, কিন্তু পর মুহূর্তে আয়নার দিকে তাকিয়ে তার কান দুটো হঠাৎ খাড়া হয়ে উঠল এবং ল্যাজটা কুঁকড়ে ঢুকে গেল একেবারে পেটের তলায়।

    ব্যাপার কী? ঝুমি কি আয়নার ভিতর তার নিজের চেহারা দেখে ভয় পেয়েছে? একটু অবাক হলুম! কারণ আমি বরাবরই লক্ষ করে দেখেছি কুকুর-বিড়ালরা আরশিতে নিজেদের চেহারা দেখে বিশেষ বিস্মিত হয় না— অনেক সময়ে গ্রাহ্যের মধ্যে আনে না। ঝুমি তাড়াতাড়ি ঘর থেকে সরে পড়ল। তারপর এ ঘরে সে আর ডাকলেও আসত না। এমনকী এ ঘরের পাশ দিয়ে আনাগোনা করবার সময়েও গরর গরর করে গর্জন করত। তার এ ব্যবহারের কারণ বোঝা গেল না।

    দুই

    দিন তিনেক পরের কথা।

    দোতলায় বসে মায়ের সঙ্গে গল্প করছি, হঠাৎ নীচু থেকে এল বিমলের পরিত্রাহী চিৎকার। বিমল হচ্ছে আমার ছোটো ভাই। বয়স সাত বৎসর।

    দ্রুতপদে নীচে নেমে গেলুম। চিৎকার আসছে বাইরের ঘর থেকে।

    সেখানে গিয়ে দেখি, আয়নার সামনে জড়সড় হয়ে বসে ভয়ার্ত স্বরে বিমল দুই চক্ষু মুদে চিৎকারের পর চিৎকার করছে।

    —কী রে বিমল, কী হয়েছে রে?

    —জুজু দাদা, জুজু! আয়নার ভেতরে জুজু।

    —কী যা তা বলছিস? কই, আয়নার ভেতরে কেউ তো নেই— খালি তুই আর আমি ছাড়া।

    —না দাদা, একটা ভয়ানক জুজু আয়নার ভেতর থেকে কটমট করে আমার পানে তাকিয়ে ছিল!

    তার ছেলেমানুষি ভয়ের কথা শুনে আমি হো-হো করে হেসে উঠলুম।

    কিন্তু আমার হাসি শুনেও বিমল কিছুমাত্র আশ্বস্ত হল না। দারুণ আতঙ্কে আয়নার দিকে তাকাতে তাকাতে পায়ে পায়ে পিছিয়ে পড়ে ঘর থেকে সে পালিয়ে গেল।

    ব্যাপার কী? অবলা পশু ঝুমি, অবোধ শিশু বিমল— এ ঘরে ঢুকে দু-জনেই একরকম ব্যবহার করলে কেন? দু-জনেই ভয় পেলে ওই আয়নাখানা দেখে? আশ্চর্য! একখানা জীর্ণ, ত্যক্ত, সেকেলে সাধারণ আরশি— তার অপরিষ্কার কাচের ভিতর দিয়ে দেখা যাচ্ছে কেবল এই ঘরেরই খানিকটা অংশ, এর মধ্যে আবার ভীতির কী থাকতে পারে? তবে কি ওর পিছনে কিছু লুকিয়ে আছে? সাপ-টাপ বা অন্য কোনোরকম জীব।

    সাবধানে এগিয়ে হেলিয়ে দাঁড় করানো সেই আয়নার পিছনের ফাঁকে উঁকি মারলুম! কিছুই নেই। আরও ভালো করে দেখবার জন্য দুই হাতে আয়নাখানাকে ধরে টেনে সরাতে গেলুম। কিন্তু পারলুম না— বিষম ভারী! অথচ সেদিন এখানাকে আমি নিজের হাতেই ফিরিয়ে খুব সহজেই সোজা করে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলুম! হঠাৎ এখানাকে জগদ্দল পাথরের মতন ভারী বলে মনে হচ্ছে কেন? …আরও খানিকক্ষণ প্রাণপণে টানাটানির পর সে ব্যর্থ চেষ্টা ছেড়ে দিলুম। …এ আবার কী রহস্য?

    তিন

    কয়েক দিন কেটে গেল।

    সে-দিন দুপুরে দু-জন বন্ধু এসেছিল। বাইরের ঘরে বসে খানিকক্ষণ গল্প করে তাঁরা চলে গেলেন। অমি একলাটি বসে বসে খবরের কাগজ পড়তে লাগলুম।

    দুপুর বেলায় এ ঘরটায় খানিকক্ষণের জন্য কিছু আলো আসে।

    পড়তে পড়তে প্রাণের ভিতরে কেমন একটা অস্বস্তি বোধ করতে লাগলুম। মনে হল, আমি যেন এ ঘরে আর একলা নেই, কে যেন অপলক চোখে আমার পানে তাকিয়ে আছে!

    মুখ তুলে অবশ্য কাউকে দেখতে পেলুম না। দেখতে পাবার কথাও নয়। তবু কিন্তু মনের ভিতর থেকে সেই অদ্ভুত ভাবটা তাড়াতে পারলুম না— সেখানে আমার পাশে অদৃশ্য আর এক জনের উপস্থিতি অনুভব করতে লাগলুম বারংবার।

    আবার মুখ তুলতেই চোখ পড়ে গেল সেই পুরাতন আয়নার দিকে এবং সঙ্গেসঙ্গে আমার সর্বাঙ্গ শিউরে উঠল।

    আয়নার মধ্যে সবিস্ময়ে দেখলুম, ঠিক আমার পিছনে দাঁড়িয়ে আছে ভীষণ এক মূর্তি।

    হ্যাঁ, সে মূর্তিকে ভীষণ ছাড়া আর কিছু বলা যায় না! তার চোখ দুটো কোটর থেকে যেন ঠিকরে বেরিয়ে আসতে চাইছে, তার জিভখানাও ঠোঁটের ভিতর থেকে বেরিয়ে ঝুলে পড়েছে, আর তার গলা জুড়ে রয়েছে একটা কটকটে লাল দাগ।

    আমি একবার একটা গলায় দড়ি দিয়ে মরা লোক দেখেছিলুম। এরও চেহারা ঠিক সেই রকম।

    কয়েক মুহূর্ত বসে রইলুম আচ্ছন্নের মতো। তারপর ভয়ে ভয়ে পিছন ফিরে তাকালুম। কিন্তু কই আর কেউ তো এখানে নেই!

    আবার আয়নার দিকে চোখ গেল। তার মধ্যেও আমি ছাড়া দ্বিতীয় ব্যক্তির চিহ্ন নেই।

    ভূত-টুত মানি না, আর এমন অসম্ভবও কখনো সম্ভব হয় না, কিন্তু আশ্চর্য আমার চোখের ভ্রম!

    নিজের মনেই হেসে উঠলুম। এ হচ্ছে শিবের কাশী, আর শাস্ত্র বলে শিব হচ্ছেন ভূতনাথ। তবে কি কোনো শিবানুচরই সময় কাটাবার জন্যে আমার সঙ্গে কিঞ্চিৎ মশকরা করবার ফিকিরে আছেন?

    অন্য লোক হলে হয়তো তাই-ই বুঝত। কিন্তু আমি হচ্ছি অবিশ্বাসী আধুনিক বাঙালি, মেডিকেল কলেজে দস্তুরমতো মড়ার পর মড়া কেটে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি— আমার কাছে শস্ত্রীয় কুসংস্কারের কোনো ধাপ্পাবাজিই খাটবে না। অ্যানাটমির কোনো কেতাবেই ভৌতিক দেহের বর্ণনা নেই— ভূত পেতনি বাস করে কেবল শিশুদের উপকথায় আর অশিক্ষিত নির্বোধের কল্পনাজগতে।

    কিন্তু মনের ভিতরটা কেমন করতে লাগল। এই আবছায়া-মাখা স্যাঁৎসেতে ঘরের হাওয়া যেন বিষাক্ত। এ ঘরে কেউ নাই বটে, কিন্তু তবু যেন সন্দেহ হয়, অমি ছাড়া আর এক জন কেউ এখানে নিশ্চয়ই আছে! তার নিষ্পলক দৃষ্টি এসে বিঁধছে আমার সর্বাঙ্গেই!

    খবরের কাগজ ফেলে উপরে গেলুম। বিমলকে ডেকে প্রশ্ন করে বুঝলুম, আয়নার ভিতর সে যাকে দেখেছিল তারও চেহারা হচ্ছে আজকের আমার দেখা লোকটার মতোই!

    গভীর বিস্ময়ে যেন হতভম্ব হয়ে গেলুম। আমাদের দু-জনেরই এমন একরকম চোখের ভ্রম হল কেন? কুকুর ঝুমিই বা ও-ঘরে ঢুকতে চায় না কেন? সে তো শাস্ত্রীয় ভূতনাথের নাম শোনেনি বা উপকথায় উপদেবতার গল্পও পড়েনি, তবে তার ভয় পাবার কারণ কী?

    চার

    গঙ্গার ধারে ভূষণবাবুর সঙ্গে আলাপ হয়েছিল। ভূষণবাবু হচ্ছে এখানকার একজন সবজান্তা লোক— বেনারসের নতুন ও পুরোনো সব খবর তাঁর নখদর্পণে।

    আজ সকালে আমার বাসায় ছিল ভূষণবাবুর চায়ের নিমন্ত্রণ।

    যথাসময়ে তিনি এলেন কিন্তু বৈঠকখানায় ঢুকে আয়নাখানা দেখেই চমকে উঠলেন। তারপর ধীরে ধীরে বললেন, ‘শিউপ্রসাদবাবুর আয়নাখানা এখনও এ বাড়িতেই আছে?’

    আমি জিজ্ঞাসা করলুম— ‘শিউপ্রসাদবাবু কে?’

    —কাশীর একজন মহাজন। আগে এ বাড়িখানা ছিল তাঁরই।

    —তিনি এখন কোথায়?

    —দশ বছর হল মারা গিয়েছেন। তাঁর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি।

    —কীরকম?

    —রাগের মাথায় এক চাকরকে তিনি এমন প্রহার করেন যে, বেচারা মারা পড়ে। শিউপ্রসাদবাবুর নামে ওয়ারেন্ট বেরোয়। কিন্তু পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করতে এসে দেখে এই ঘরের কড়িকাঠে তাঁর মৃতদেহ ঝুলছে। তিনি গলায় দড়ি দিয়েছিলেন।

    আমার বুক কেঁপে উঠল! আয়নায় দেখা সেই মূর্তিটাকে আবার মনে পড়ল। সেই ঠিকরে পড়া চোখ, সেই বেরিয়ে পড়া লকলকে জিভ, সেই গলা বেড়ে টকটকে লাল দাগ। রুদ্ধশ্বাসে বললুম, ‘তারপর?’

    —তারপর এ বাড়িখানা বিক্রি হয়ে যায়। নতুন মালিক এখানে এসে কিন্তু বেশি দিন বাস করতে পারেনি।

    —কেন?

    —ওই আয়নাখানার ভয়ে।

    —তার মানে?

    —আয়নাখানার ভারি দুর্নাম আছে। নানান লোকে নানান কথা বলে। সেসব আজগুবি কথা আমি বিশ্বাস করি না, আপনাকে বলতে চাই না।

    —আয়নার যদি এমন দুর্নাম, তবে ওখানা ভেঙে ফেললেই তো সব ল্যাঠা চুকে যায়!

    —নতুন মালিককে সে পরামর্শও কেউ কেউ দিয়েছিল। কিন্তু তাঁর সাহসে কুলোয়নি। যে অভিশাপ আয়নার ভেতরে বন্ধ আছে, ওখানাকে ভেঙে তাকে বাইরে আনতে তিনি ভরসা পাননি।

    —তাহলে আপনি বলতে চান এটা হচ্ছে ভূতুড়ে আয়না?

    —আমি বলি না লোকে বলে।

    একলাফে আমি দাঁড়িয়ে উঠলুম। ঘরের কোণে ছিল একটা জানালা ভাঙা লোহার গরাদ, টপ করে সেটা তুলে নিয়ে আয়নার ওপরে করলুম সজোরে এক আঘাত! প্রকাণ্ড কাচের ওপর অংশ ঝন ঝন করে ভেঙে পড়ল! আবার গরাদ তুললুম এবং পর মুহূর্তেই দেখলুম, আয়নার নীচের অংশে ফুটে উঠেছে আগুন-ভরা দুটো চোখ! কী ক্রুদ্ধ, কী হিংস্র সেই দৃষ্টি! মুখ নেই, দেহ নেই, খালি দুটো জ্বলন্ত, ক্ষুধিত চোখ! এও কি আমার চোখের ভ্রম?

    আবার আঘাত করলুম— কাচের বাকি অংশও ভেঙে গুঁড়ো হয়ে গেল।

    ভূষণবাবু কিছু দেখেছিলেন কিনা জানি না, কিন্তু তিনি কাঁপতে কাঁপতে চৌকির উপরে ধপাস করে বসে পড়লেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিশোর সাহিত্য সম্ভার – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article ভূত ৭৩ – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }