Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয় সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প498 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আজও যা রহস্য

    ফ্রান্সের ইতিহাসে সব থেকে রহস্যজনক প্রেতের আগমন ঘটেছিল সম্ভবত মেরি অ্যান্টয়নেটের উপস্থিতি। ভার্সাই-এর প্রাসাদ সংলগ্ন বাগানে দু-জন সম্ভ্রান্ত ইংরেজ মহিলা একবার হারিয়ে যান। সেই বাগানে প্রকাশ্য দিবালোকে তাঁরা কাকে দেখেছিলেন? মেরি অ্যান্টয়নেটকে? নাকি এ সবই তাঁদের দেখার ভুল? এটি একটি আশ্চর্যজনক ঘটনা, যার রহস্য আজও আমাদের কাছে অনাবিষ্কৃত। কিন্তু তদানীন্তনকালে এ ঘটনা খুব আলোড়ন তুলেছিল একথা সবাই স্বীকার করেছেন। পরবর্তীকালেও সেই দুই ইংরেজ রমণীর চাক্ষুস অভিজ্ঞতাকে কেন্দ্র করে কিছু গবেষণা নতুন করে আলোকপাত করলেও— সত্যই সে-দিন মেরি অ্যান্টয়নেট এসেছিলেন কি না তা আজও রহস্য এবং সন্দেহের পর্যায়ে রয়ে গেছে।

    ভার্সাই-এর বাগানে সে-দিন দুই মহিলা যা দেখেছিলেন তা নির্ভরযোগ্য সত্য কিনা তা কেউ হলফ করে বলতে না পারলেও, গবেষকরা যে এই দুই প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণকে এত মূল্য কেন দিয়েছিলেন তাও একটি ভাববার বিষয়। এই দুই মহিলা ছিলেন পেশায় সম্মানিতা। বয়েস এবং বংশমর্যাদায় ছিলেন রানি ভিক্টোরিয়ার সমগোত্রীয়। এঁদের এক জনের নাম শার্লো অ্যানি মোবারলি। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৮৪৬ সালে। পনেরোটি ভাই-বোনের মধ্যে তিনি দশম। লেখাপড়াতেও তিনি ছিলেন উচ্চশিক্ষিত। মেধায় ছিলেন অত্যন্ত তীক্ষ্ন। এর জন্যে তাঁর পারিবারিক পরিবেশ তাঁকে খুবই সাহায্য করেছিল। বাবা ছিলেন উইনচেস্টার কলেজের কৃতি প্রধান শিক্ষক এবং স্যালিসবেরির বিশপ। অন্য ইংরেজ মহিলার নাম ছিল এলিনর জর্ডেন। বংশমর্যাদায় তিনিও খুব একটা হেলাফেলার নন। তাঁর পিতা ছিলেন ডার্বিশায়ারের অন্তর্গত অ্যাসবোর্ন-এর ধর্মযাজক। যাই হোক শার্লোর সঙ্গে জর্ডেনের বয়েসের বেশ কিছু পার্থক্য সত্ত্বেও দু-জন ছিলেন দু-জনের পরম মিত্র।

    ১৮৬৬ সাল। মিস মোবারিল অক্সফোর্ডের সেন্ট হুগস হলে অধ্যক্ষা হয়ে এলেন। তখন তাঁর বয়েস চল্লিশ। বিবাহও করেননি। দিনরাত পড়াশুনা নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। অবসর সময় কাটান দেশ ভ্রমণে। সেন্ট হুগস হলটি ছিল মেয়েদের আবাসিক হোস্টেল। বিদেশ থেকে বা দূর দূর অঞ্চল থেকে যারা লেখাপড়া করতে আসত তারাই ওখানে বসবাস করত। রাশভারী অধ্যক্ষা হিসেবে মিস মোবারলিকে প্রত্যেকেই বেশ সমীহ করে চলত।

    দেখতে দেখতে অনেকগুলো বছর ওই হোস্টেলে প্রধান অধ্যক্ষা হিসেবে কাটিয়ে দিলেন মিস মোবারলি। আসলে তিনি হয়তো ওই পেশাটিকে মনেপ্রাণে ভালোবেসে ছিলেন। তাই এতদিন তাঁর মধ্যে কোনো কর্মশৈথিল্য আসেনি। কিন্তু বয়েস সবসময় মনের ইচ্ছা পূরণ করে না। শরীর এসে বাদ সাধে। দেখতে দেখতে প্রায় পঞ্চান্ন বছর বয়েস হয়ে গেল। কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি আবেদন জানালেন এক সহকারিণীর জন্য। আবেদন মঞ্জুর হল। নতুন সহকারিণী হয়ে এলেন মিস জর্ডেন। মিস মোবারলির থেকে ইনি বয়েসে অনেক ছোটো। জর্ডেনকে প্রথম সাক্ষাতে মোবারলির বেশ ভালো লাগল। বেশ চটপটে আর করিতকর্মা। তবুও হোস্টেল কর্তৃপক্ষের নির্দেশে উভয়কে একইসঙ্গে একটি ছোট্ট ভ্রমণে বের হতে হল।

    ঠিক হল পনেরো দিনের ছুটিতে উভয়ে প্যারিস যাবেন। যদিও মিস জর্ডেনের অনেক বারই প্যারিস ভ্রমণ করা ছিল তবুও তিনি নতুন সহকারিণীর সঙ্গিনী হলেন। কারণ মিস মোবারলির এক বারও প্যারিস যাওয়া হয়নি। বলা বাহুল্য জর্ডেন ছিলেন বেশ মিশুকে ধরনের মহিলা। আর মোবারলির তো মিস জর্ডেনকে ভালোই লেগেছিল। ট্রেনে ওঠার পর উভয়ের বন্ধুত্ব হতে বেশি সময় লাগল না।

    এর পরের কাহিনি সেই ঐতিহাসিক রহস্যময় ভ্রমণ বৃত্তান্ত। সেই বৃত্তান্ত শোনার আগে আমার মনে হয় একবার ইতিহাসের পাতায় কিছুক্ষণের জন্যে ঘুরে আসা দরকার। মেরি অ্যান্টয়নেটের জীবন ইতিহাস সামান্য জানা থাকলে পরবর্তী কাহিনির রহস্যময়তা অনুধাবন করতে সাহায্য করবে।

    মেরি অ্যান্টয়নেট— পৃথিবীর ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য নাম। বিশেষ করে ফ্রান্সের ইতিহাসে তৎকালীন সভ্যতায় মেরি অ্যান্টয়নেট রানি হয়েও জীবদ্দশায় তিনি জনখ্যাতি পাননি। বরং জনমানসে তিনি ছিলেন বিলাসী, খামখেয়ালি এবং হঠকারিনী।

    মেরি অ্যান্টয়নেট যখন ফ্রান্সের রানি তখন ফ্রান্সের ঘোর দুর্দিন। ফ্রান্সের জনগণ মনে করত তাদের দুঃখদুর্দশার জন্যে রানির দায়িত্বও কিছু কম ছিল না।

    ১৭৫৫ সালের ২ নভেম্বর অ্যান্টয়নেট ভিয়েনায় জন্মগ্রহণ করেন। অস্ট্রিয়ার সম্রাট প্রথম ফ্রান্সিস এবং মারিয়া থেরেসার কন্যা ছিলেন এই মেরি অ্যান্টয়নেট।

    সম্রাট দুহিতা অ্যান্টয়নেট আজন্ম সুখ আর ভোগে লালিতা পালিতা। তার ওপর বাবা-মায়ের চোখের মণি তিনি। দুঃখ এবং দারিদ্রতা যে কী জিনিস সেটুকু বোঝার ক্ষমতা বা ইচ্ছা কোনোটাই ছিল না মেরির। আর তার খোঁজ রাখার প্রয়োজনই বা কী? ফলে খুব ছোটো থেকেই মেরি হয়ে উঠলেন খামখেয়ালি আর বিলাসী প্রকৃতির। যখন যেটি দরকার সেই মুহূর্তেই সেটি হাতের সামনে পাওয়া চাই। নইলে? নইলে যে কী তা বলার কোনো প্রয়োজন নেই।

    কন্যার এই খামখেয়ালিপনা আর অতি আদুরে স্বভাব বাবা-মা’ও লক্ষ করেছিলেন। তাই তাঁরা বেশি দিন কন্যাকে নিজেদের কাছে রাখতে চাইলেন না। মাত্র পনেরো বছর বয়েসে মেরির বিয়ে দিয়েছিলেন। আশা করেছিলেন বিয়ের পর স্বামীর গৃহে গেলে হয়তো বা কন্যার স্বভাব পালটাতে পারে।

    বিয়ে হল ফ্রান্সের যুবরাজের সঙ্গে। ১৭৭৪ সালে ফ্রান্সের রাজার মৃত্যুর পর যুবরাজ সিংহাসনে বসলেন রাজা ষষ্টদশ লুইস নামে। ফ্রান্সের নতুন রানি হলেন মেরি অ্যান্টয়নেট।

    মেরির বাবা-মা ভেবেছিলেন স্বামীর গৃহে গেলে মেয়ের হয়তো মতি ফিরবে। কিন্তু তা হল না। পনেরো বছর বয়েসে যুবরাজের পত্নী হলেন আর উনিশ বছর বয়েসে হলেন রানি। জীবনের দুঃখকষ্টের দিক তাঁর দেখা হয়নি। আশপাশের জগতে কেবল স্বচ্ছলতা আর স্বাচ্ছন্দ্যের জোয়ার। উনিশ বছরের রানির পক্ষে তাই বেহিসেবি হওয়া ছাড়া অন্য কোনো গতি ছিল না। নিত্যনতুন উপায়ে তিনি সুখ খুঁজে বেড়াতেন।

    ফ্রান্সের তখন ঘোর দুর্দিন। বিশেষ করে রাজা ষষ্টদশ লুইসের রাজত্বকালে সাধারণ মানুষের দুঃখ-দারিদ্র্য চরমে উঠেছিল। বিশেষ করে দিনমজুর আর চাষি সম্প্রদায়ের মধ্যে অভাবের জ্বালা তীব্র আকার ধারণ করেছিল। অনাহার আর রোগ একসঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তাদের ওপর। এক বেলাও পেটপুরে খাবার সংস্থান তাদের ছিল না।

    জনগণের ক্রোধ আর রোষ বেশি দিন চাপা রইল না। প্রতিদিন অবস্থা সঙ্গিন থেকে সঙ্গিনতর হয়ে উঠল। আর শেষপর্যন্ত সেই জনরোষ একদিন ‘ফরাসি বিপ্লবে’ রূপান্তরিত হল।

    মাত্র ক-টা বছর। ১৭৭৪ থেকে ১৭৭৯। পাঁচ বছরের মধ্যে সারা দেশ একসঙ্গে জ্বলে উঠল। ১৭৭৯ সালে অক্টোবরে ভার্সাই-এর রাজপ্রাসাদে বিপ্লবের আগুন ধরে গেল। ক্রুদ্ধ জনতার রোষ রাজ পরিবারকে প্রাসাদ থেকে প্যারিসে পলায়ন করতে বাধ্য করল। সাধারণ মানুষের ছদ্মবেশে তাঁরা পালাতে চেয়েছিলেন উন্মত্ত জনতার হাত থেকে বাঁচার জন্যে। কিন্তু তা হল না। রাজা-রানিকে আশ্রয় দেওয়ার মতো কেউ ছিল না। দেশের আপামর জনতা যে রাজার শত্রু। উভয়েই শেষপর্যন্ত জনতার হাতে বন্দি হলেন। সশস্ত্র প্রহরা বসল বন্দিনিবাসের দরজায়। বিদ্রোহী এবং দেশপ্রেমিক বিপ্লবীরা চাইল প্রকাশ্যে তাঁদের বিচার করা হোক।

    অবশেষে বিচার শুরু হল। ফল কী হবে তা জানাই ছিল। ১৭৯৩ সালের ২১ জানুয়ারি গিলোটিনের করাত রাজা ষষ্ঠদশ লুইসের মাথাটি কেড়ে নিল।

    মুক্তি পেলেন না রানি অ্যান্টয়নেট।

    অবশেষে ১৭৯৩ সালের ১৬ অক্টোবর। রাজা ষষ্ঠদশ লুইসের মতো তিনিও নিজের মাথা দিয়ে গেলেন গিলোটিনের নীচে।

    এরপর কেটে গেছে অনেক বছর। পৃথিবীর ইতিহাসে ঘটেছে অনেক বিবর্তন। জীবনের সব ঋণ শোধ করে মেরি অ্যান্টয়নেট হয়েছেন একটি চাঞ্চল্যকর এবং করুণ নাম। মেরির জীবন ইতিহাস বার বার স্মরণ করিয়ে দেয় স্বেচ্ছাচারিতার পরিণাম। কিন্তু সেইটাই কি শেষ কথা? সত্যিই কি মৃত্যুর পর আর কোনো কিছুই অবশিষ্ট থাকে না? অতৃপ্ত বাসনা নিয়ে কেউ মারা গেলে আমরা দেখেছি সেসব আত্মারা বার বার পৃথিবীর আশেপাশে ফিরে আসতে চেয়েছে। মেরিরও কি অতৃপ্ত বাসনা কিছু ছিল? তাঁরও কি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে পুনর্বার বাঁচার বাসনা জেগেছিল? অন্তত ষষ্ঠদশ লুইসের জীবদ্দশায় আমরা দেখেছি মেরি বাঁচার জন্য শেষ সংগ্রাম করেছেন। কিন্তু রাজার মৃত্যুর পর মেরিকে আমরা পেয়েছি শান্ত এবং স্থির উদাসীন এক মূর্তির মতো। অনেক ঝড়ের শেষে পৃথিবী যেমন শান্ত হয়, মেরিও ঠিক তেমনি সারাজীবন ভোগবিলাসের শেষে হয়ে পড়েছিলেন নির্বিকার। শান্তভাবে এসেছেন নিজের বিচারের এজলাসে। দৃঢ় উন্নত ভঙ্গিতে শুনেছেন নিজের মৃত্যু পরোয়ানা। তারপর রানির মতো বলিষ্ঠ পদক্ষেপে এগিয়ে গেছেন গিলোটিনের নীচে।

    তবু যেন মনে হয় সব শেষ হয়েও সব কিছু শেষ হয়ে যায়নি। অন্তত পরবর্তী ঘটনা যদি সত্যি হয় তাহলে ধরে নিতে হবে মেরি অ্যান্টয়নেটেরও ছিল কিছু শেষ কথা বলার যা তিনি জীবদ্দশায় বলে যেতে পারেননি।

    সেদিন ১০ আগস্ট। ১৯০১ সাল। এই শতাব্দীর বছর শুরু। রানির মৃত্যুর পর কেটে গেছে এক-শো আট বছর। পৃথিবীর মানুষ ইতিহাসের পাতা ব্যতিরেকে তাঁর সব কিছু ভুলে গেছে। সচরাচর মনে পড়ে না তাঁর জীবনের করুণ আলেখ্য।

    মিস মোবারলি আর মিজ জর্ডেন গেছেন প্যারিস ভ্রমণে। বাড়িতে বসে না থেকে দুই অসমবয়েসি নারী প্রতিদিন বিকেলে বেড়িয়ে পড়েন। আজ এখানে কাল সেখানে। কখনো ট্রেনে কখনো অন্য কোনও যানে। সে-দিন হঠাৎ মিস জর্ডেনের খেয়াল হল ভার্সাই-এর বিখ্যাত রাজপ্রসাদ দেখতে যাবেন। মিস মোবারলির প্যারিস ঘোরা হয়নি এর আগে। ভার্সাই-এর রাজপ্রাসাদের ঐতিহাসিক মূল্যও আছে যথেষ্ট। দুই মহিলা ট্রেনে চেপে উপস্থিত হলেন ভার্সাইতে। যতটা উৎসাহ নিয়ে তাঁরা এসেছিলেন, ভার্সাই-এর রাজপ্রাসাদ তাঁদের তেমন মুগ্ধ করল না। তখন মিস মোবারলিই জানালেন তিনি প্রের্টিট ট্রায়ানোঁতে যাবেন। বিখ্যাত ‘প্রের্টিট ট্রায়ানোঁ’ মেরি অ্যান্টয়নেটের সাধের বাড়ি। ভার্সাই রাজপ্রাসাদ থেকে কিছুদূরে বাগানের মধ্যে অবস্থিত এই প্রের্টিট ট্রায়ানোঁ।

    পায়ে হেঁটেই তাঁরা রওনা হলেন। সাধারণত অন্যান্য দর্শনার্থীরা কোনো পথ নির্দেশককে সঙ্গে নেন। অপরিচিত স্থান। পথ ভুল হতেই পারে। সঙ্গে পথ নির্দেশক থাকলে অনেক পরিশ্রম আর হায়রানি লাঘব হয়। কিন্তু মহিলাসুলভ লজ্জায় তাঁরা কোনো পথ নির্দেশক অথবা কোনো পথ নির্দেশিকার বইও কিনলেন না। তাঁরা ভাবলেন, বিখ্যাত স্থান, স্থানীয় লোকজনদের জিজ্ঞাসা করলেই তাঁরা প্রের্টিট ট্রায়ানোঁতে পৌঁছে যাবেন।

    আগেই বলেছি অপরিচিত স্থানে পথ ভুল হওয়ার সম্ভাবনা প্রতি পদে পদে। অচিরেই তাঁরা রাস্তা ভুল করলেন এবং পথ হারালেন। বড়ো রাস্তা ছেড়ে তাঁরা একটি গলির মধ্যে ঢুকে পড়লেন। ফলে প্রের্টিট ট্রায়ানোঁতে পৌঁছোনোর বদলে এসে উপস্থিত হলেন একটি গ্রাম্য আর মেঠো বাড়ির সামনে। মিস মোবারলির হঠাৎ কেমন যেন সন্দেহ হল, হয়তো তাঁরা ঠিক রাস্তায় আসেননি। সেই কুঁড়ে ঘরটির জানালার সামনে দাঁড়িয়ে তখন একটি গ্রাম্য মহিলা কাপড় থেকে জল ঝাড়ছিলেন। এবার তাঁর মনে হল মহিলাটিকে প্রের্টিট ট্রায়ানোঁ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করেন। কিন্তু তিনি ফরাসি ভাষা জানতেন না। তবে আশ্চর্য হলেন মিস জর্ডেন যৎসামান্য ফরাসি ভাষা জানা সত্ত্বেও গ্রাম্য মেয়েটিকে কিছু জিজ্ঞাসাই করলেন না। আসলে মিস জর্ডেন বোধ হয় মেয়েটিকে লক্ষই করেননি।

    যে গলি ধরে ওঁরা যাচ্ছিলেন কিছুদূর এগোবার পরই দেখলেন গলিটি তিন ভাগে ভাগ হয়ে গেছে।

    দু-জনে এক বার থমকে দাঁড়ালেন। দু-জনে দু-জনের মুখের দিকে তাকালেন। দু-জনের মুখে তখন একটা প্রশ্নই আটকে আছে এবার কোন রাস্তায়? কয়েক সেকেন্ড চিন্তা করতে-না-করতেই তাঁরা মধ্যবর্তী রাস্তায় দু-জন লোককে দেখতে পেলেন। তাদের দেখে প্রাসাদের মালি বলেই মনে হয়েছিল। সুতরাং আর কিছু চিন্তা না করে মাঝের রাস্তা ধরে এগিয়ে চললেন।

    মিস মোবারলি পরে অবশ্য বলেছিলেন, লোক দুটোকে দেখে তাঁর মনে হয়েছিল সাধারণ মালি নয় এরা। নিশ্চয় সৈন্যবিভাগের কোনো উচ্চপদস্থ অফিসার হবেন। তাঁদের পরনে ছিল ধূসর সবুজ রঙের লম্বা কোট। আর মাথায় ছিল তিন কোণা টুপি। মিস জর্ডেনও পরবর্তীকালে বলেছিলেন তিনিও ওইরকম দু-জন লোককে দেখেছিলেন। এমনকী তাদের হাতে যে ছড়ি জাতীয় কিছু ছিল তারও উল্লেখ করেছিলেন। যাই হোক, লোক দুটিকে দেখার পর মিস মোবারলিই এগিয়ে গিয়ে প্রের্টিট ট্রায়ানোঁ কোন রাস্তায় পড়বে তার হদিস জিজ্ঞাসা করেছিলেন। লোক দুটি ইংরেজি প্রশ্নের কী মানে করিছেলেন কে জানে। তারা ফরাসি ভাষায় উত্তর দিয়েছিল, ‘টুট্য ড্রাআ’ (Tout Droit)।

    ভুল হয়েছিল এখানেই। Droit শব্দটির ইংরেজি আভিধানিক অর্থ হল right. মানে দাবি বা অধিকার। কিন্তু মিস মোবারলি ধরে নিলেন তাঁদের বুঝি ডান দিকের গলিতে যেতে বলা হচ্ছে। কালবিলম্ব না করে তাঁরা ডান দিকের রাস্তা ধরে কিছুদূরে এগিয়ে গেলেন। একটু পরেই মিস জর্ডেনেরই প্রথম নজরে এল একটি ছোট্ট কুঁড়ে ঘর। বাড়িটির নির্মাণ কৌশল ছিল বহু পুরোনো আমলের ফরাসি কায়দায়। কুঁড়ে ঘরটির সামনে দাঁড়িয়ে ছিল এক জন মধ্যবয়েসি স্ত্রীলোক ও একটি অল্পবয়েসি কুমারী মেয়ে। সম্ভবত ছোটো মেয়েটি ওই বয়স্কা মহিলারই কন্যা হবে। মিস মোবারলি আর মিস জর্ডেন দু-জনেই একটু আশ্চর্য হলেন। কারণ ওই দু-জন গ্রাম্য মহিলার পরনে ছিল অতি পুরোনো দিনের পোশাক-আশাক। কম করে এক শতাব্দীর আগের পরিচ্ছদ। এসব পোশাকের চলন ১৯০১ সালে ছিল না। কিন্তু বিস্ময়ের এখানেই শেষ নয়। আরও খানিকটা এগিয়ে গিয়ে তাঁরা একটা জিনিস লক্ষ করে বেশ চমকেই উঠেছিলেন। মেয়ে দুটির মুখে কোনো কথা ছিল না। বয়স্ক মহিলাটিকে দেখে মনে হল সে যেন হাতে একটা বালতি জাতীয় কিছু নিয়ে কোমর ভেঙে নীচু হয়ে কী যেন করছে। কিন্তু তার ওই ভঙ্গির মধ্যে জীবনের কোনো স্পন্দনই ছিল না। মনে হল কেউ যেন তাকে শাস্তি দিয়ে ওইভাবে আজন্মকাল ধরে দাঁড় করিয়ে রেখেছে। মিস জর্ডেন তো অস্ফুটে বলেই ফেললেন, দেখে মনে হচ্ছে ‘ট্যাবলো ভিভাঁ’র মতো জীবন্ত কোনো প্রতিমূর্তি। কেউ যেন মোম দিয়ে জ্যান্ত মানুষের মতো প্রতিকৃতি তৈরি করে রেখেছে।

    তাঁদের এই প্রথম অদ্ভুত অভিজ্ঞতাটি পরবর্তীকালে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

    মেয়ে দুটিকে ওইভাবে নিশ্চল এবং নিথর অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে দু-জনেই বেশ হতভম্ব হয়ে মুখ চাওয়াচাওয়ি করলেন। তখন তাঁরা ভাবছিলেন এর পর কী করবেন, ঠিক তখনি অকল্পনীয় ঘটনা ঘটতে শুরু করল। মুহূর্ত মধ্যেই সুস্পষ্ট তাঁরা অনুভব করলেন, চারিদিকের প্রকৃতির মধ্যে অভাবনীয় সব পরিবর্তন। আকাশের রং একটু আগেও ছিল নীল। হঠাৎই কেমন যেন সেই রং হয়ে উঠল বিবর্ণ হলুদ। আশপাশে সমস্ত প্রকৃতির বুকে নেমে এল রাতের নিস্তব্ধতা।

    এমন একটা পরিবেশ, চারিদিক অসহ্য নিস্তব্ধ, আশেপাশে একটা জীবন্ত প্রাণী পর্যন্ত নেই, এমনকী গাছে গাছে যেসব পাখিরা ওড়াউড়ি করছিল তারাও ছবির মতো স্থির; মিস মোবারলি আর মিস জর্ডেনের মতো শিক্ষিত দুই মহিলা রীতিমতো ভয় পেয়ে গেলেন। তাঁরা তাড়াতাড়ি পা চালিয়ে ওই অভিশপ্ত জায়গাটি পার হয়ে আসতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কয়েক পা এগিয়েই আবার থমকে দাঁড়াতে হল।

    কুঁড়ে ঘরটার ঠিক পিছনেই ছিল একটা জঙ্গল। কিন্তু জঙ্গলটাকে দেখে তাঁদের মনে হল কে যেন থিয়েটারের জন্যে একটা চিরকালীন দৃশ্যপট এঁকে দিয়েছে। সেখানেও মৃত্যুর শীতলতা ছড়িয়ে রয়েছে। তারপর হঠাৎই তাঁরা দেখতে পেলেন মাটির একটা ছোট্ট ঢিপি। সেখানে বসে আছে একটি মাঝবয়েসি লোক। লোকটির পরনে রয়েছে একটা পুরোনো আমলের কালো আলখাল্লা। আর মাথায় ঢাউস টুপি।

    অন্য সময়ে হলে এই লোকটিকে দেখে তাঁদের এমন কিছুই মনে হত না। কিন্তু সেই অস্বাভাবিক পরিবেশের মধ্যে দাঁড়িয়ে দু-জনেই তখন কিংকর্তব্যবিমূঢ়। মনে মনে তাঁরা দু-জনেই যখন ভাবছেন এখন কী করা যায় ঠিক সেই মুহূর্তে সামনের সেই বসে থাকা লোকটি হঠাৎ যেন নড়ে উঠল। অনেকক্ষণ পর এই প্রথম মৃত্যুপুরীর শীতলতায় প্রাণের স্পর্শ লাগল যেন। লোকটি বসা অবস্থায় ধীরে ধীরে ওদের দিকে ফিরে তাকাল।

    ওঃ, সে কী বিভৎস মুখ! আর কী জঘন্য চাউনি লোকটির। মিস মোবারলি তো আঁতকে দু-পা পিছিয়ে এলেন।

    অবশ্য অত ভয়ের মধ্যেও দু-জনের মনেই একটা কথার উদয় হয়েছিল। লোকটা তাঁদের দিকে তাকিয়ে ছিল বটে কিন্তু তার দৃষ্টি ঠিক তাঁদের দিকে নিবদ্ধ ছিল না। তার ওই কুৎসিত শয়তানি দৃষ্টিটা যেন বার বার বলছিল— কেন, কেন তোমরা এখানে? তোমরা এখান থেকে যাও। পালাও এখান থেকে।

    সেই মায়াময় পরিবেশে, সেই রহস্যময় বিকেলে রাস্তা হারিয়ে ফেলা দুই ইংরেজ মহিলা মনে মনে হয়তো এটাই চাইছিলেন যে এই ভয়াবহ পরিবেশ থেকে এক্ষুনি পালিয়ে যাওয়া উচিত। নইলে যেকোনো মুহূর্তে আরও ভয়াবহ কিছু ঘটে যেতে পারে।

    ঠিক তখনি ঘটল আরও এক অদ্ভুত কাণ্ড। আশেপাশে কোনো জনমানবের চিহ্ন ছিল না। কিন্তু হঠাৎ যেন মাটি ফুঁড়ে বেরিয়ে এল আর এক জন লোক। অবশ্য এই লোকটির মধ্যে অত ভীতিজনক তেমন কিছু ছিল না। তবে লোকটি যেভাবে হাঁপাতে-হাঁপাতে এসে হাজির হল তাতে মনে হল সে যেন অনেক দূর থেকে ছুটতে ছুটতে আসছে। লোকটি তখন রীতিমতো উত্তেজিত। চিৎকার করে সে বলে উঠল, ‘মহাশয়রা, অপনারা এখনও কেন এখানে দাঁড়িয়ে আছেন? আর এক মুহূর্ত এখানে দাঁড়াবেন না। আপনারা যা দেখতে চাইছেন সেটা এদিকে নয়, ওদিকে।’ বলেই হাত তুলে অন্য রাস্তা দেখিয়ে দিল। মিস জর্ডেন বোধ হয় কিছু বলতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু লোকটি সে অবকাশই দিল না।

    লোকটির দেখিয়ে দেওয়া রাস্তা ধরে উভয়ে কিছুদূর এগিয়ে গেলেন। সামনেই পড়ল অতি প্রাচীন একটি গ্রাম্য সেতু। সেতুটি পার হতেই এসে পড়লেন বাগান ঘেরা একটি বাড়ির সামনে। তখন কিন্তু আর সেই আগের থমথমে অবস্থাটা ছিল না। প্রকৃতিও অনেক স্বাভাবিক। চারদিকের পরিবেশ দেখে মনে হল তাঁরা যেন কোনো ব্যারাকে এসে পড়েছেন। যে বাড়িটার সামনে এসে ওঁরা দাঁড়ালেন ওটাই সেই বিখ্যাত প্রের্টিট ট্রায়ানোঁ। মেরি অ্যান্টয়নেটের সাধের বাড়ি।

    অস্বাভাবিকতা পার হয়ে স্বাভাবিক এবং জাগতিক পরিবেশের মধ্যে আসতে পেরে উভয়েই যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন। প্রাণভরে প্রকৃতির নির্মল বাতাস নিলেন। কিন্তু এখানেই মিস মোবারলির জন্যে সব থেকে বেশি চমক আর বিস্ময় অপেক্ষা করে ছিল।

    সবুজ ঘাসে মোড়া শান্ত লনটির দিকে চোখ ফিরিয়ে ফিরিয়ে দেখছিলেন দু-জনেই। সামনে প্রের্টিট ট্রায়ানোঁ। মেরি অ্যান্টয়নেটের প্রিয় আবাসস্থল। ঐতিহাসিক মূল্যেও এ-স্থান বেশ উল্লেখযোগ্য। সহসা, বিকেলের অর্ধম্রিয়মান অলোয় চমকে উঠলেন মিস মোবারলি। কোনো ভুল ছিল না তাঁর দেখায়। বিকেলের আলোয় দৃশ্য অপেক্ষাকৃত কম উজ্জ্বল হলেও মিস মোবারলির চোখের দৃষ্টি খুবই প্রখর। তিনি দেখলেন বাড়ির দিকে পিছন ফিরে এক সুবেশা রমণী ছোট্ট একটি টুলের ওপর বসে আছেন। তাঁর হাতে ধরা একটি কাগজ। বাঁ-হাতটিকে সোজা টানটান রেখে কাগজটি চোখের সামনে ধরে আছেন। দেখে মনে হচ্ছিল তিনি যেন ছবি আঁকার স্কেচ করছেন। মিস মোবারলি বেশ আশ্চর্য হলেন। এই পরিবেশে এখন এক জন মহিলাকে একা একা বসে থাকতে দেখা একটু অস্বাভাবিক। কনুই-এর ঠেলা দিয়ে তিনি পাশে দাঁড়ানো মিস জর্ডেনকে বললেন, ‘কী ব্যাপার বল তো? এমন এক নির্জন জায়গায় ওই মহিলা একা একা বসে কী করছেন?’

    মিস জর্ডেন বেশ অবাক হয়ে চারদিক দেখে বললেন, ‘কার কথা বলছেন মিস মোবারলি? কে বসে আছেন?’

    ‘সে কি, তুমি দেখতে পাচ্ছ না? ওই তো এক মহিলা ওখানে বসে কিছু বোধ হয় আঁকছেন।’

    ‘আপনি যে কি বলছেন আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। আমি তো কাউকেই দেখতে পাচ্ছি না। তবে… হ্যাঁ, হ্যাঁ, আবছা মতো একটা কিছু ওখানে রয়েছে বলে মনে হচ্ছে।’

    ‘আবছা! কী বলছ তুমি? তোমার কি চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে গেছে! আমি তো স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি। ওই তো উনি আমাদের দিকে মুখ ফেরালেন— ওঃ, ঈশ্বর! এ আমি কী দেখছি— উনি, উনি তো মেরি অ্যান্টয়নেট—’

    মিস মোবারলি পরবর্তীকালে তাঁর জবানবন্দিতে বলেছিলেন, ‘সেই অভিশপ্ত বিকেলে আমি যা দেখেছিলাম তা বিস্ময়ের হলেও বেশ স্পষ্ট।’

    এই ঘটনার কিছু পরেই মিস মোবারলি এবং মিস জর্ডেনের আর সেখানে দাঁড়াবার মতো মানসিক ক্ষমতা ছিল না। তাঁরা চটপট বাগান সংলগ্ন বাড়িটার কাছে গিয়ে দাঁড়ালেন। এমন সময় বাড়ির ভেতর থেকে খুব প্রাণবন্ত এবং হাসিখুশি ভরা এক তরুণ এসে তাঁদের সামনে দাঁড়াল। জিজ্ঞাসা করল তাঁরা কোথায় যেতে চান। তরুণটিই শেষপর্যন্ত তাঁদের প্রের্টিট ট্রায়ানোঁর প্রধান ফটকের কাছে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানকার পরিবেশ সম্পূর্ণ অন্যরকম। এই যে এতক্ষণের দেখা অলৌকিক সব কাণ্ডকারখানা তার কোনো চিহ্নই ছিল না। প্রের্টিট ট্রায়ানোঁর প্রধান ফটক পার হতেই তাঁরা দেখলেন হাসিখুশি ভরা বহু দর্শনার্থীর ভিড়। সেই মুহূর্তে তাঁদের মনে হয়েছিল মৃত্যুপুরী থেকে তাঁরা ফিরে এসেছেন।

    মেরি অ্যান্টয়নেটের ঐতিহাসিক বাড়ি দেখে একসময় ওঁরা দু-জনে অন্যান্য দর্শনার্থীদের সঙ্গে নির্বিঘ্নে ফিরে এসেছিলেন প্যারিসে।

    এই ঘটনার সপ্তাহকাল পরেও মিস মোবারলিকে বেশ চিন্তাচ্ছন্ন এবং ভারাক্রান্ত দেখাত। তাঁকে দেখে মনে হত তিনি সর্বদাই কী যেন ভাবেন। এমনকী মনের ভাব হালকা করার জন্যে তিনি ইংল্যান্ডে তাঁর বোনকে সব কিছু জানিয়ে চিঠিও লিখেছিলেন।

    একদিন কথায় কথায় মিস জর্ডেনকেও জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘আচ্ছা জর্ডেন, তোমার কি মনে হয় প্রের্টিট ট্রায়ানোঁর বাড়িটা ভূতুড়ে বাড়ি? মিস জর্ডেন এককথায় উত্তর দিয়েছিলেন, ‘হ্যাঁ, মিস মোবারলি। কোনো সন্দেহ নেই ও-বাড়িতে ভূত আছে।’

    এরপর ওই দুই ইংরেজ মহিলা অনেকদিন ধরে সে-দিনের ঘটনার মানে খোঁজার চেষ্টা করেছিলেন। পুরোনো দিনের শোনা সব ভূতের গল্পের সঙ্গে নিজেদের অভিজ্ঞতা বার বার মিলিয়ে দেখেছিলেন। তাঁরা দু-জনেই একমত হয়েছিলেন যে সে-দিন তাঁরা যা দেখেছিলেন, তাতে তাঁরা দু-জনেই একইসঙ্গে ভয়চকিত হয়েছিলেন। দু-জনেই সেই বিকেলে একইসঙ্গে এক অজানা শিহরনে শিহরিত হয়েছিলেন। এমনকী দু-জনে আলাদা আলাদা ভাবে নিজেদের বক্তব্য আর অভিজ্ঞতার কথা লিখেছিলেন। পরে মিলিয়ে দেখেছিলেন দু-জনের বক্তব্য আর অভিজ্ঞতা হুবহু এক। সেদিনটা ছিল ১০ আগস্ট। পুরোনো ইতিহাসে ওই দিনটার একটি ঐতিহাসিক ঘটনাও তাঁরা পেয়েছিলেন। ১০ আগস্ট ১৭৯২ সাল। রাজার সুইস রক্ষীদল সে-দিন সম্পূর্ণভাবে পরাজিত হয়েছিল যার ফলে আর রাজার পক্ষে নিজের রাজতন্ত্রবাদ বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি।

    এরপর তাঁরা দু-জনে তাঁদের পূর্ব অভিজ্ঞতা স্মরণ করে এবং মেরি অ্যান্টয়নেটের জীবন ইতিহাসের সঙ্গে মিলন ঘটিয়ে লিখলেন একটি বই। বইটির নাম দিলেন— অ্যান অ্যাডভেঞ্চার।

    অ্যান অ্যাডভেঞ্চার প্রকাশিত হয়েছিল ১৯১১ সালে। আর ওই একই বছরে বইটির এডিসন হু হু করে বিক্রি হয়ে যায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিশোর সাহিত্য সম্ভার – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article ভূত ৭৩ – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }