Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয় সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প498 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিছানা

    যাচ্ছিলুম ডায়মন্ডহারবারের দিকে। আমি আর আমার বন্ধু অমল। পথের মাঝখানে গেল মোটর সাইকেল খারাপ হয়ে। সেখান থেকে ডায়মন্ডহারবার মাইল চারেকের বেশি হবে না। স্থির করলুম, সাইকেল চালাতে না পারি, পদযুগলকে চালিয়েই এটুকু পথ পার হয়ে যাব।

    কিন্তু সেদিনকার যাত্রাটাই ছিল খারাপ। মাইল খানেক পথ এগিয়ে যেতে-না-যেতেই গোটা আকাশটা মেঘে মেঘে কালো হয়ে উঠল। চারিদিকে ঠান্ডা বাতাস ছুটোছুটি শুরু করলে। বুঝলুম, বৃষ্টি আসতে আর দেরি নেই।

    অবিলম্বেই আত্মরক্ষা করা দরকার। কিন্তু পথের দুই দিকেই মাঠ করছে ধু-ধু। মাঝে মাঝে খাল-বিল, বড়ো বড়ো গাছ আর ঝোপঝাপ। এখানে আশ্রয় মিলবে কোথায়?

    অমল একদিকে তীক্ষ্ন দৃষ্টিপাত করে বললে, ‘ওই বাঁশবাগানের ওপাশ থেকে একখানা বাড়ির মাথা দেখা যাচ্ছে না?’

    আমি ভালো করে দেখে বললুম, ‘হুঁ, বাড়ি বলেই তো মনে হচ্ছে!’

    টপ করে আমার নাকের ডগায় পড়ল বৃষ্টির একটা মস্ত ফোঁটা!

    আমি বললুম, ‘ছোটো অমল, ছোটো! এক ফোঁটা বৃষ্টি আমার নাসিকাকে সবেগে আক্রমণ করেছে!’

    দুজনে প্রাণপণে ছুটতে লাগলুম। বাঁশবাগান পেরিয়ে দেখলুম, চারিদিকে পুরানো পাঁচিল নিয়ে একখানা মাঝারি দোতালা বাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। বাড়ির ভিতরটা গোরস্থানের মতন স্তব্ধ এবং তার ফটকেও তালা লাগানো! এখন উপায়?

    এমন সময়ে বৃষ্টি নামল। বেশ বড়ো বড়ো ফোঁটা!

    আমি তাড়াতাড়ি বললুম, ‘যা থাকে কপালে পাঁচিল ডিঙিয়ে ভেতরে চলো! এ বাড়িতে কেউ নেই বলেই বোধ হচ্ছে।’

    অমল প্রতিবাদ করতে উদ্যত হল, কিন্তু বৃষ্টির বিক্রম হঠাৎ আরও বেড়ে উঠে তার প্রতিবাদের চেষ্টাকে একেবারে ব্যর্থ করে দিলে।

    পাঁচিল ডিঙোতে দেরি লাগল না। পাঁচিলের পরেই খানিকটা খোলা জমি, সেখানে আগে বোধ হয় বাগানের বাহার ছিল, কিন্তু এখন আগাছা ছাড়া আর কিছু নেই। সামনে একটা ছোটো পুকুর, কিন্তু তার জলের উপরে এমন ছিদ্রহীন পানার প্রলেপ যে, পুকুরটাকে দেখাচ্ছে একটি সবুজ খেতের মতো।

    আমরা যখন একতালার দালানে গিয়ে দাঁড়ালুম, তখন সারা আকাশ আচ্ছন্ন করে যেন বিশ্বব্যাপী জলপ্রপাত ঝরে পড়ছে এবং জলে ভিজতে ভিজতে বাতাস গাছপালার ভিতরে ঢুকে মহা হই চই লাগিয়ে দিয়েছে!

    এদিকে-ওদিকে উঁকিঝুঁকি মেরে আমি বললুম, ‘ওহে অমল, বাড়ির অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, এখানে অনেক দিন কোনো মানুষ বাস করেনি!’

    অমল বললে, ‘তাহলে একটা ঘরের ভেতরে গিয়ে দাঁড়ালেই তো হয়। এখানে জলের ছাট আসছে!’

    ‘আপত্তি নেই। কিন্তু দরজা খোলা পাব কি?’

    অমল এগিয়ে গিয়ে সামনের একটা দরজায় ঠোকা দিলে। দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। তারপর সে অন্য দরজাগুলোও পরীক্ষা করে দেখলে। সব দরজা ভিতর থেকে বন্ধ।

    আমি বললুম, ‘এ দরজাগুলো ভিতর থেকে বন্ধ করে বাড়ির মালিক বোধ হয় পিছনের কোনো দরজা দিয়ে বেরিয়ে গিয়েছে।’

    ‘কিন্তু এই বৃষ্টিতে বাড়ির পিছনে যাই কেমন করে?’

    ‘তাহলে এইখানেই আমাদের বিশ্রাম। পিছনে যাবার জন্যে আমি স্নান করতে রাজি নই!’

    হঠাৎ একটা কনকনে ঠান্ডা দমকা বাতাস সর্বাঙ্গ কাঁপিয়ে আমার পাশ দিয়ে চলে গেল এবং সঙ্গে সঙ্গে দড়াম করে একটা দরজা খোলার শব্দ হল! চমকে ফিরে দেখি, অমল সর্বপ্রথমে যে-দরজায় ধাক্কা মেরেছিল সেটা আর বন্ধ নেই!

    অমল হতভম্বের মতো আমার মুখের পানে তাকালে।

    আমি হেসে বসলুম, ‘অমন করে তাকিয়ে দেখছ কী? দরজাটা তুমি ভালো করে ঠেলে দেখনি, এখন দমকা হাওয়ায় খুলে গেল।’

    অমল মাথা চুলকোতে চুলকোতে বললে, ‘আমাকে অবশ্য সেই কথাই মানতে হবে। আমি কিন্তু ভালো করেই ঠেলেছিলুম।’

    ‘পাগল নাকি? তুমি কি বলতে চাও, ভূত এসে আমাদের দরজা খুলে দিলে?’

    ‘সে কথাই বা বলবার উপায় কই? আমরা তো ভূতেদের জন্যে রাতটাই রিজার্ভ করে রেখেছি। কিন্তু এখন হচ্ছে বেলা দুটো। এ সময়ে কোনো অভদ্র ভূতও কোনো পোড়োবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করতে চাইবে না!’

    ‘চলো। ঘরের ভেতরে গিয়ে দাঁড়াই।’

    ঘরের ভিতরে ঢুকলুম। চারিদিকে অযত্ন ও মলিনতার চিহ্ন! দেয়ালের চুন-বালি খসে পড়েছে, কার্নিশের কোণে কোণে চামচিকেরা বাসা বেঁধেছে, মেঝের উপরে বোধ হয় দুই ইঞ্চি পুরু ধুলো জমে রয়েছে। একদিকে খান-দুয়েক কাঠের চেয়ার, আর একদিকে একখানা ইট। দূর থেকেই অবাক হয়ে দেখলুম, এই ধুলো ও শ্রীহীনতার রাজ্যেও খাটের উপরে যে বিছানা পাতা রয়েছে, তা ধবধব করছে সাদা! তাহলে এমন ঘরেও কেউ কি বাস করে? নিজের বিছানাটুকুই পরিষ্কার রেখে সে খুশি, এই বছরের পর বছর ধরে জমা ধুলোর স্তূপ তার নজরেই পড়ে না! আশ্চর্য মানুষ তো!

    অমল কাঁপতে কাঁপতে বললে, ‘উঁহু, বড্ড শীত করচে যে! কী ঠান্ডা ঘর, বাইরের চেয়েও ঠান্ডা!’

    সত্যিই তাই! প্রত্যেকবার নিঃশ্বাস টানছি আর মনে হচ্ছে, যেন খানিকটা করে অদৃশ্য বরফ আমার বুকের ভিতরে ঢুকে যাচ্ছে! এতটা অসম্ভব শীতের কারণ কী? একটা দরজা ছাড়া ঘরের আর সব জানলা-দরজা বন্ধ, ঘরটা আর যাইই হোক স্যাঁৎসেঁতে বলেও বোধ হচ্ছে না, তবু— তবু—

    হঠাৎ আর একটা ব্যাপার আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করল।

    যে-দরজাটা খোলা, তার সামনে থেকে মেঝের উপর দিয়ে একসার পায়ের দাগ সমান চলে গিয়েছে খাটের দিকে! এ দৃশ্য তো এতক্ষণ চোখে পড়েনি!

    অমলকে ডেকে দাগগুলো দেখালুম। সে বললে, ‘কেউ খালি পায়ে ধুলো মাড়িয়েও খাটে গিয়ে উঠছিল!’

    আমি মাথা নেড়ে বললুম, ‘উঠেছিল নয় অমল, এখনি উঠেছে।’

    ‘তার মানে?’

    ‘দাগগুলো দেখে বুঝতে পারছ না? এগুলো হচ্ছে ভিজে পায়ের দাগ! ভালো করে লক্ষ করে দেখ, পায়ের জলে ধুলো এখনও ভিজে রয়েছে! কেউ এইমাত্র বাইরের বৃষ্টি ছেড়ে আমাদের মতোই ঘরের ভিতরে এসে ঢুকেছে! তবে আমাদের পায়ে জুতো আছে, আর সে এসেছে খালি পায়ে।’

    ঘরের চারিদিকে চোখ বুলিয়ে অমল বললে, ‘কিন্তু সে কোথায়? সে কখন এল? ঘরের আর সব দরজা বন্ধ, সে কখন ঘর থেকে বেরিয়ে গেল? অদৃশ্য মানুষ শোভা পায় এইচ জি ওয়েলসের উপন্যাসেই, বাস্তব জীবনে সে হচ্ছে মস্ত বড়ো অর্থহীন কৌতুক!’

    ‘কিন্তু ঘরের ভিতরে কেউ যে এখনি ঢুকে আবার বেরিয়ে গিয়েছে, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই!’

    ‘যে এসেছিল সে চুলোয় যাক! কিন্তু আমি যে শীতে মলুম, আর তো সইতে পারচি না!’

    তার কথা কানে না তুলে আমি পায়ের দাগগুলো ধরে খাটের দিকে অগ্রসর হলুম। কিন্তু যতই এগিয়ে যাই যেন শীত ততই বেড়ে ওঠে!

    খাটের পাশে গিয়ে দাঁড়ালুম। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন বিছানা, রোজ যেন খুব যত্ন করেই চাদর পাতা হয়!

    মাথার বালিশের মাঝখানটা বসে গিয়েছে— যেন কেউ একটু আগেই ওখানে মাথা রেখে শুয়েছিল! কেবল তাই নয়, বালিশের উপরেও জলের দাগ! যেন এখানে কেউ ভিজে মাথা রেখেছিল।

    আর একটা আশ্চর্য ব্যাপার অনুভব করলুম। উনুনের কাছে গেলে যেমন আগুনের আঁচ পাওয়া যায়, এই বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে তেমনি যেন শীতের আঁচ পাওয়া যাচ্ছে। হতে পারে এটা আমার মনের ভ্রম, কিন্তু এমন সত্যিকার ভ্রম আমার আর কখনো হয়নি।

    সেই দিনের আলোতেও আমার বুকের কাছটা ছম-ছম করতে লাগল। ভয় পাবার মতো বিশেষ কিছু দেখিনি বটে, কিন্তু কেবলি মনে হচ্ছে, পোড়ো বাড়ির এই স্তব্ধ ঘরের মধ্যে আমরা দুজন ছাড়া এমন এক তৃতীয় ব্যক্তির অস্তিত্ব আছে, যে আমাদের মতো স্বাভাবিক নয়— যার কাছে আমাদের থাকা উচিত নয়!

    বিছানার উপরে ঝুঁকে পড়ে ভিজে বালিশটা পরীক্ষা করতে লাগলুম কিন্তু— … … … ও আবার কী? কান পেতে দু-মিনিট ধরে শুনলুম তবু নিজের কানকে কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারলুম না!

    অমল আমাকে ডাক দিয়ে বললে, ‘ওহে ওখানে অমন সং-এর মতো দাঁড়িয়ে আছ কেন? চলো, এই বিশ্রী ঘরটা ছেড়ে আবার বাইরে যাই। বৃষ্টি থেমে এসেছে।’

    ‘অমল, একবার এইখানে এসো তো!’

    ‘কেন, এখানে আবার নতুন কী আবিষ্কার করলে হে? ওরে বাবা, এখানটা যে আরও ঠান্ডা!’

    ‘হোক গে ঠান্ডা! কান পেতে শোনো দেখি। কিছু শুনতে পাচ্ছ?’

    ‘কী সর্বনাশ!’

    ‘কী শুনচ অমল?’

    ‘কার নিঃশ্বাসের শব্দ! না, না— এ অসম্ভব! আমার শোনবার ভ্রম!’

    ‘ভ্রম নয় অমল, ভ্রম নয়! তুমিও শুনছ— আমিও শুনছি, আর নিঃশ্বাসের শব্দ এখনও হচ্ছে!’

    অমল বিছানায় বালিশের উপরে হাত বাড়ালে, কিন্তু তারপরেই ভয়ানক একটা আর্তনাদ করে বিদ্যুতের মতন হটে গেল!

    তারপরেই খাটখানা হঠাৎ মচ মচ করে উঠল; কেউ যেন ধড়মড় করে বিছানার উপরে উঠে বসল।

    অজানা একটা বিষম ভয়ে আমিও তাড়াতাড়ি পিছিয়ে এসে থ হয়ে দাঁড়িয়ে পড়লুম। এবং তারপরেই মনে হল, একটা ঠান্ডা কনকনে দমকা হাওয়া যেন আমার পাশ দিয়ে হুশ করে চলে গেল, ঘরের খোলা দরজাটার দিকে!

    … … …প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে আমরা দুজনে সেই ঘরের ভিতরে আচ্ছন্ন ও আড়ষ্টের মতো দাঁড়িয়ে রইলুম।

    তারপর প্রথমে কথা কইলে অমল। বিবর্ণ মুখে থেমে থেমে বললে, ‘বুঝতে পারছ? ঘরের ভেতরে আর একটুও ঠান্ডা নেই!’

    ‘না। নিঃশ্বাসের শব্দও আর শোনা যাচ্ছে না। কিন্তু অমল, বালিশের উপরে হাত বাড়িয়েই তুমি অমন চেঁচিয়ে উঠলে কেন?’

    ‘বলছি। কিন্তু ভগবানের দোহাই, আগে এ ঘর থেকে বেরিয়ে এসো, নইলে আমি পাগল হয়ে যাব!’

    বাইরে বেরিয়ে এলুম। বৃষ্টি তখন ধরে গিয়েছে।

    অমল বললে, ‘আমার হাত বালিশ ছোঁয়নি। কিন্তু আমার হাত পড়ল গিয়ে ঠিক যেন একখানা ঠান্ডা কনকনে জল-মাথা মড়ার মুখের উপরে!’

    অবাক হয়ে ভাবতে লাগলুম, এসবই কি ভ্রম? আমাদের দেহ অনুভব করেছে প্রচণ্ড শীত, চোখ দেখেছে জলে-ভেজা তাজা পায়ের দাগ, কান শুনেছে শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ এবং অমলের হাত ছুঁয়েছে একখানা জলমাখা মড়ার মুখ! এসবই কি কল্পনা?

    … … … কাছের গ্রামে গিয়ে খোঁজখবর নিয়ে জানলুম, ওই বাড়িতে মানিকচন্দ্র বসু নামে এক ভদ্রলোক সপরিবাসে বাস করতেন। পাঁচবছর আগে হঠাৎ কলেরা রোগে মানিকবাবুর মৃত্যু হয়। স্বামীর শোক সইতে না পেরে মানিকবাবুর স্ত্রীও খিড়কির পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। তারপর থেকে ও-বাড়িতে আর কেউ বাস করতে পারে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিশোর সাহিত্য সম্ভার – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article ভূত ৭৩ – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }